01/06/2026
গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এক যৌথ বিবৃতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে ‘বনলতা এক্সপ্রেস' সিনেমাটির প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সিনেমাসহ সংস্কৃতির কোনো ধরনের প্রকাশকেই বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। কারও যদি সিনেমার সমালোচনা থাকে, তারা তা করতে পারেন। তারা নিজেদের চিন্তা প্রকাশ করে নিজেদের মতো করে সিনেমা বানাতে পারেন। এমনকি সিনেমায় কে অভিনয় করেছে, সেটা দেখিয়ে সিনেমা বন্ধ করারও সুযোগ নেই। যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকে, তাহলে তার ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে সরকার। কিন্তু সেই ব্যক্তির অভিনয়ের জন্য সিনেমা বন্ধ করার সুযোগ নেই।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আতঙ্ক সৃষ্টি করে ও হুমকি দিয়ে সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনা প্রতিহত করার দায়িত্ব সরকারের। দেশে আইন-শৃঙ্খলা ও মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সরকারকে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষার আহবান জানাই।
01/06/2026
আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে গণসংগীত শিল্পী, সুরকার, সংগঠক কামরুদ্দিন আবসারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর নেতৃবৃন্দ।
শ্রদ্ধা নিবেদনে উপস্থিত ছিলেন জিএসএর নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য জোনায়েদ সাকি, ফিরোজ আহমেদ, মনির উদ্দীন পাপ্পু, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জুলহাস নাইন বাবু, কেন্দ্রীয় সদস্য ইখতিয়ার উদ্দিন বিপা, লুৎফুন্নাহার সুমনা, জাতীয় পরিষদের সদস্য বেলায়েত সিকদার, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সংগঠক সোহেলা রুমি, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সদস্য রাজা আহম্মেদ জুম্মন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা মহানগরর সহ-সভাপতি তুহিন ফরাজীসহ নেতাকর্মীবৃন্দ।
30/05/2026
গণসংগীত শিল্পী, সুরকার, সংগঠক কামরুদ্দিন আবসারের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
30/05/2026
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গণসংহতি আন্দোলনের শ্রম খাত বিষয়ক সম্পাদক আলিফ দেওয়ানের ওপর ভয়াবহ হামলা! অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে!
28/05/2026
দেশে ও প্রবাসে সকলকে জানাই ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক!
27/05/2026
আজ গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ঢাকার আদ্–দ্বীন হাসপাতালে ছয় জন নবজাতক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় আমরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কারা, কোথায়, কীভাবে দায়িত্বে অবহেলা করেছে, সেটা তদন্ত করে অবিলম্বে এই ঘটনায় দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। একইসাথে এই শিশুদের পরিবারের প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সারা দেশের হাসপাতালগুলোকে কঠোর মনিটরিংয়ের আওতায় এনে শিশুদের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে আহবান জানাই। শিশুর জীবনের নিরাপত্তা ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে নিতে হবে।
26/05/2026
জনগণের মুক্তির দিশা অনুসন্ধানে অবিচল ছিলেন অ্যাড. আবদুস সালাম
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের অন্যতম রূপকার অ্যাডভোকেট আবদুস সালামের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা ও স্মরণ
আজ ২৬ মে ২০২৬ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আজীবন মুক্তিসংগ্রামী, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের অন্যতম রূপকার, গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএর প্রথম নির্বাহী সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট আবদুস সালামের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী। এই উপলক্ষে আজ জিএসএর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মরণ করা হয়।
জিএসএর নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেলের নেতৃত্বে অ্যাডভোকেট আবদুস সালামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের আগে অ্যাডভোকেট আবদুস সালামের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীরা। তাঁর জীবনী পাঠ করেন জিএসএর কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল আলিম। ছাত্রজীবন থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সংগঠক হিসেবে ভূমিকা নেওয়া, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, পরবর্তীতে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় রাজনৈতিক সংগঠন ও জোট গঠন, এবং গণতান্ত্রিক সংবিধানকে গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রীয় প্রশ্নে পরিণত করা সহ অ্যাডভোকেট আবদুস সালামের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উঠে আসে জীবনী পাঠে।
জিএসএর নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, একজন মানুষ কীভাবে সবার হয়ে উঠতে পারেন, তার উদাহরণ ছিলেন অ্যাড. আবদুস সালাম। জনগণের মুক্তির দিশা অনুসন্ধানে তিনি অবিচল ছিলেন। কীভাবে সাংবিধানিক স্বৈরতন্ত্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে উঠেছিল, সেটা তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। কোনোসময় চিন্তাকে স্থির থাকতে না দিয়ে, সবসময় নতুনকে গ্রহণ করার মানসিকতাকে ধারণ করতেন তিনি। চিন্তার বদ্ধতা ও যান্ত্রিকতা থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশে জনগণের পক্ষে ও জনগণের জন্য বোধগম্য ভাষায় রাজনীতি নির্মাণের ক্ষেত্রে অ্যাড. আবদুস সালামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জিএসএর রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু বলেন, অ্যাড. আবদুস সালামের জীবন থেকে আমাদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো তাঁর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সবসময় তরুণদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই-সংগ্রামে রত ছিলেন। তাঁর চিন্তা, আদর্শ ও সাহস আমাদের সবসময় অনুপ্রেরণা ও শক্তি জোগায়।
জিএসএর কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মনিরুল হুদা বাবন বলেন, আবদুস সালাম বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংবিধানের লড়াইয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে গিয়েছিলেন। রাজনীতিতে তার আচরণ ছিল আমাদের জন্য অনুকরণীয়। তিনি নিজ দলের কর্মীদের যেমন খোঁজখবর রাখতেন, তেমনি লড়াইয়ের সঙ্গী অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদেরও খবর নিতেন।
জিএসএর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক দীপক কুমার রায়ের সঞ্চালনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও স্মরণের আয়োজনে আরও বক্তব্য রাখেন জিএসএর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বাচ্চু ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব মাহবুব আলম রতন, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মান্নান ভাসানী, মোহাম্মদপুরের সংগঠক পারভেজ হাসান সুমন ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জিন্নাত আরা সুমু। উপস্থিত ছিলেন জিএসএর ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু, দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল বিষয়ক সম্পাদক তাহসিন মাহমুদ, কেন্দ্রীয় সদস্য লুভানা তাবাসসুম, বেনু আক্তার, রোকনুজ্জামান মনি, সাইফুল্লাহ সিদ্দিক রুমন, পল্লবী থানার নির্বাহী সমন্বয়কারী প্রদীপ রায় সহ দলের বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীবৃন্দ।
26/05/2026
বাংলাদেশের রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম একটা গুরুত্বপূর্ণ নাম। তাঁর একেবারে ছোটবেলায় অষ্টম শ্রেণী থেকে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে সারাজীবন তিনি মানুষের মুক্তির রাজনীতিতে যুক্ত থেকেছেন।
১৯৬০ সালে অষ্টম শ্রেণীতে পড়া অবস্থাতেই ক্লাস ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হলে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দের সাথে তাঁর পরিচয় ঘটে এবং তিনি সংগঠনের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। ১৯৬২ সালে তিনি তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের রাজশাহীতে চলে এসে কায়েদে আযম উচ্চ বিদ্যালয়ে পুনরায় অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হন (বর্তমানে রাণীনগর মডার্ন হাইস্কুল, তালাইমারী, রাজশাহী)। পরবর্তী কালে ১৯৬৫ সালে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অংশ নেন। ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের রাজশাহী জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। শুরু থেকেই তিনি মার্কস এঙ্গেলসের চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত হন এবং সমাজতান্ত্রিক ধারার রাজনীতির সাথে নিজেকে যুক্ত করেন।
রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে তখনকার রীতি অনুযায়ী চীনা বা রুশ কোন একটা মডেল অনুসরণ করে তাতে নিজেকে সঁপে দেবার অভ্যস্ত পথে তিনি হাঁটেন নি। প্রতিনিয়ত অনুসন্ধান জারি রেখেছেন।
পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়ন বিভক্ত হয়ে পড়লে এই বিভক্তির কোনো অংশেই রাজনৈতিক কারণে যুক্ত না হয়ে পৃথক অবস্থান নেন। প্রগতিশীল ছাত্রমৈত্রী, মার্ক্সবাদী লেখক সংঘ, বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী সম্মেলন নামে তিনটি সংগঠনের অন্যান্য সাথীদের নিয়ে একটা মোর্চা গড়ে তোলেন এবং নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নেন।
মার্কসবাদী লেখক সংঘের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হিসেবে তিনি পূর্ব বাংলার জনগণের জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের কর্মসূচি তুলে ধরেন। এই তিনটি সংগঠন ‘মাইতী গ্রুপ’ নামে বামপন্থী আন্দোলনের ইতিহাসে পরিচিত। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে মাইতী গ্রুপের নেতৃত্ব হিসেবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। রাজশাহী অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তাঁর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা তাঁর সহযোদ্ধা ও ইতিহাস রচয়িতারা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি শুধু ৭১ সালেই মুক্তিযুদ্ধ করেননি বরং চিরকালই মানুষের মুক্তির লড়াইয়ের এক যোদ্ধা থেকে গেছেন। নিজের জীবন থেকে ব্যক্তি সম্পত্তির সমস্ত দাগ তিনি মুছে ফেলেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে তিনি সর্বহারা পার্টির সাথে যুক্ত হন। কিন্তু অচিরেই রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে নিজেকে সর্বহারা পার্টি থেকে প্রত্যাহার করে নেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্র আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক ও নেতা হিসেবে ভ’মিকা পালন করেন। এ সময় রাজশাহী অঞ্চলে তাঁকে অনেকেই ‘লাল সালাম’ নামেই ডাকতেন।
পরবর্তী কালে জনমুক্তি পার্টি গঠনের উদ্যোগের সাথে যুক্ত হন। জনমুক্তি পার্টির রাজনৈতিক কার্যক্রমের বিভিন্ন প্রশ্নে ভিন্নমতের কারণে ১৯৭৮ সালে জনমুক্তি পার্টি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেন। ১৯৮৯ সালে ‘ঐক্য প্রক্রিয়া’ গঠনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হন। এবং ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট গঠনে ভ’মিকা পালন করেন। ঐক্য প্রক্রিয়াকে ১৯৯৬ সালে গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টিতে রুপান্তরিত করেন তাঁরা। এরপর আবদুস সালাম গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ও বাম ফ্রন্টে সক্রিয় থাকেন।
বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট রাজনৈতিক অবস্থানে সম্পূর্ণ একমত হতে না পারায় বামফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে এসে ৪ বাম দল গঠনে উদ্যোগী ভূমিকা নেন। পরবর্তীতে ৫ বাম দলের অন্যতম নেতা হিসেবে ভ’মিকা পালন করেন। ২০১০ সালে ৫ বাম দলের অন্যতম শরিক দল গণসংহতি আন্দোলনের সাথে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলনকে একত্রিত করেন এবং গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশে একটা গণতান্ত্রিক বিপ্লবের কর্তব্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে তাঁর চিন্তা বিস্তৃত হয়েছে বহু ক্ষেত্রে। তিনি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার, জনগণের ভোটাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা. মত প্রকাশের স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয়ে মৌলিক চিন্তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন তাঁর রচনায়। রাষ্ট্রের সংবিধান, যা সমস্ত আইনের ভিত্তি এবং নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আশ্রয় হবার কথা, তার পর্যালোচনায় তিনি তাঁর মনোযোগের অনেকটাই নিবেদন করেছেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অগণতান্ত্রিক বৈশিষ্ঠগুলো চিহ্নিত করে তার পর্যালোচনা হাজির করেছেন তিনি। কীভাবে বাংলাদেশের সংসদ সদস্যরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভ’মিকা পালনে ব্যর্থ হচ্ছেন, কীভাবে বাজেট প্রণয়নে তাদের অংশগ্রহণের পথ কার্যত রুদ্ধ করা হয়েছে, কেমন করে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সাংবিধানিক আয়োজন করা যেতে পারে ইত্যাদি বিষয়ে তিনি পথ নির্দেশনামূলক আলোচনা করেছেন।
সর্বোপরি তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের কর্তব্যকে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। শ্রমিক শ্রেণি যে কোন ঐতিহাসিক পর্বে, সেই পর্বের যে ধরনের পরিবর্তন সম্ভব সেই ধরনের পরিবর্তনই করতে পারে, এমনকি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাও যে শ্রমিক শ্রেণীরই কাজ সেই উপলব্ধিও তিনি চিন্তা ও কর্মের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন। মার্কসবাদকে সবসময়ই একটা চিন্তা পদ্ধতি হিসেবে গ্রহণ করে তিনি কোন একটা দেশের/অঞ্চলের ইতিহাসের বিকাশের মধ্যে তাকে স্থাপন করে সেই দেশের জন্য বিপ্লবী কর্তব্য স্থির করায় বিশ্বাসী ছিলেন।
26/05/2026
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আজীবন মুক্তিসংগ্রামী, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের অন্যতম রূপকার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রথম নির্বাহী সমন্বয়কারী জননেতা অ্যাডভোকেট আবদুস সালামের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে আমরা স্মরণ করি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়।
24/05/2026
জাতীয় কবি, চির বিদ্রোহী কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধা।