Uttara 12 no. sector park

Uttara 12 no. sector park

Share

12 no. sector park, uttara, dhaka. The dream place.

Photos from Uttara 12 no. sector park's post 18/01/2024

নিরব ভোটারদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে, নির্বাচনের সকল হিসেব নিকেশ পাল্টে দিতে, রেকর্ড দ্রুত সময়ে সেক্টরের সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা বিবেচনায়, পরিচ্ছন্ন+সাহসী+ ত্যাগী+ আপোষহীন+ সমমনা দের নিয়ে গঠিত অপ্রতিরোধ্য "বিল্লাল - শাহ আলী - কাদের পরিষদ" এখন সেক্টরের সেবা করার উদ্দেশ্য সকলের দোয়া প্রার্থী। প্রিয় সেক্টরবাসি, শুধু আপনাদের আমাদের সন্তানদের জন্য সুন্দর আগামী দেবার প্রত্যয়ে পুরাতন পরীক্ষিত অভিজ্ঞ পরিচ্ছন্ন ত্যাগী নেতার সাথে প্রতিভাবান, দায়িত্বশীল তরুণদের অংশগ্রহণে এই প্যানেল। "আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে"। আমরা জেগেছি, প্রিয় ভোটার, এখন আপনাদের অপেক্ষায় রইলাম। ফর্ম ক্রয় ও জমাদানের কিছু ছবি দেয়া হল।
-- প্রকৌশলী মো: আলমগীর কবীর (জর্জ)
ক্রীড়া ও সমাকল্যাণ সম্পাদক পদপ্রার্থী।
বাসা #০৮, রোড #১১, সেক্টর #১২, উত্তরা, ঢাকা।

28/06/2023

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।
কুরবানীর পশু জবাই করার পর, পশুর গলায় ছুরি দিয়ে খোঁচানো বন্ধ করতে হবে।

সকল কুরবানী দাতাদের জন্য অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়।
১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে উল্টো ক্ষ্তি করছি আমরা।

★পশু জবেহ সম্পন্ন হবার পর, একটি ছোট তীক্ষ্ণ ছুড়ি দ্বারা জবেহের স্থানে খোঁচা দেয়ার একটা সিস্টেমের সাথে আমরা কমবেশি প্রায় সবাই পরিচিত, আমাদের অনেকেরই ধারনা এই কাজটার মাধ্যমে পশু দ্রুত মারা যায় এবং কষ্ট কম পায়।

★পশু জবেহ সহীহ হবার শর্ত হলো:-

পশুর অন্তত মূল তিনটি রগ কেটে দেয়া। আর মূল তিনটি রগ কেটে দিলে, রক্তক্ষরনের স্বাভাবিক ফলস্বরুপ পশুটি খুব দ্রুত মারা যায়।

★কসাই রা একটু অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে, পশুটার মেরুদন্ডের ভেতর তীক্ষ্ণ ছুড়ি ঢুকিয়ে “মেরুরজ্জু বা স্পাইনাল কর্ড” বিচ্ছিন্ন করে দ্রুত মেরে ফেলার চেষ্টা করি। স্পাইনাল কর্ড বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পশুর মস্তিষ্ক, দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আর এর ফলে পশুটি হার্ট এটাক করে এবং কোমায় চলে যায়। ফলে পশুর চামড়া কসাই রা দ্রুত ছাড়াতে পারে।
অনেক সময় এভাবে দ্রুত পশুটিকে শান্ত করতে গিয়ে, কুরবানীর উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং পশুটি জবেহ না হয়ে, হত্যা হিসেবে পরিগনিত হয়।

★চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও এই পন্থা অত্যন্ত গর্হিত এবং বিপদজনক। স্পাইনাল কর্ড কেঁটে গেলে পশুর দেহের মাংশপেশিতেই রক্ত জমাট বেঁধে যায় এবং ফলশ্রুতিতে গোশত দূষিত হয়ে পরে। এই গোশত ভক্ষনে ক্যান্সার, এইচবিএএস, সহ অন্তত ১৮ প্রকার জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

এতএব,

কুরবানী দাতা সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে, ১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে, দয়া করে আপনার কুরবানী কে বরবাদ হয়ে যাবার সুযোগ দিবেন না।আল্লাহ্ আপনি আমাদের কে সঠিক ভাবে কোরবানির জন্য হেদায়েত দান করুন।

যেসব প্রাণীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় তা হারাম। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন- “তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে… যা কন্ঠরোধে মারা যায়।” [সুরা মায়িদাহ, আয়াত : ৩]

রক্ত প্রবাহিত করা আবশ্যিক। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন – “যা রক্ত প্রবাহিত করে দেয় এবং যে প্রাণীর উপর জবেহের সময় আল্লাহর নাম নেয়া হয় তা তোমরা খেতে পারো (হালাল)।” [সহিহ বুখারী, খন্ড ৭, হাদিস নং- ৪০৬]

স্পাইনাল কর্ডে আঘাত করলে কি হবে? ব্রেইনের সাথে শরীরের যোগাযোগ হয় স্পাইনাল কর্ডের মাধ্যমে। স্পাইনাল কর্ডে আঘাত করলে এই যোগাযোগ নষ্ট হয়ে যায়। আর ব্রেইনের সিগন্যাল ব্যাতিত হার্ট পাম্পিং সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় পশু দ্রুত ফেইন্ট হয়ে যাবে,কোমায় চলে যাবে, হার্ট পাম্পিং বন্ধ হয়ে যাবে যার কারনে শরীর থেকে যথেষ্ট রক্ত বের হবে না।

একইসাথে ফুসফুসও বন্ধ হয়ে যাবে। যা শ্বাসরোধ করে হত্যার মতই। এটাকে বলি বা শিরচ্ছেদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। অর্থাৎ এটা জায়েজ নেই।
___________

স্বাস্থ্যগত সমস্যাঃ রক্ত রোগ জীবাণুর বাহক। রক্ত ঠিকমত বাহির না হলে মাংস সহজেই নষ্ট হয়ে যায়, স্বাদ কমে যায় এবং ঠিকমত রান্না না করলে মানবদেহে রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে।

অনেকে পশুর ছোড়াছুড়ি দেখে মনে করে এটা ব্যাথা পাচ্ছে। আসলে তা ঠিক নয়। জবেহের অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই এটা সেন্স হারিয়ে ফেলে। এটা তখন আর ব্যাথা পায় না। ছুড়াছুড়ি করে শরীর থেকে রক্ত বের হয়ে যাওয়ার কারনে। এতে পেশির সংকোচন প্রসারণ ঘটে। অনেক সময় দেখবেন পশুর শরীরের কাটা অংশও নড়াচড়া করে। এটা অবশ্যই ব্যাথার জন্য নয়। বরং স্পাইনাল কর্ডে আঘাতের ফলে পশু প্রচন্ড ব্যাথা পায়।

এই কাজের জন্য সাধারণত দুই ছুড়ি ব্যবহার করেন। একটা জবেহ করার জন্য। আরেকটি ঘাড়ের স্পাইনাল কর্ড কাটার জন্য। প্রশ্ন থাকে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ওয়া আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও সাহাবিরা কি এভাবে জবেহ করতেন? বহু হাদিস থেকে – আমরা জানতে পাই রাসুলুল্লাহ (সঃ) একটি ছুড়ি দিয়েই পশু জবেহ করেছেন।

জবেহের সময় কি বলতে হবে?

জবেহের সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ আবশ্যিক। (সূরা আল আন-আম, আয়াত : ১২১)। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম) জবেহের সময় বলতেন – “বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার।”

যেসব জন্তুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয় না, সেগুলো থেকে ভক্ষণ করো না; এ ভক্ষণ করা গোনাহ। নিশ্চয় শয়তানরা তাদের বন্ধুদেরকে প্রত্যাদেশ করে-যেন তারা তোমাদের সাথে তর্ক করে। যদি তোমরা তাদের আনুগত্য কর, তোমরাও মুশরেক হয়ে যাবে।” (সূরা আলআন–আম, আয়াত : ১২১)

পশু জবেহের ক্ষেত্রে পশুকে সবচেয়ে কম কষ্ট দেয়া এবং ছুরি ধার করে নেয়া আবশ্যকঃ

রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেন – “…যখন জবেহ করবে তখন উত্তম পন্থায় জবেহ করবে। তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার ছুরি ধার দিয়ে নেয় এবং তার জবেহকৃত জন্তুকে শান্তি প্রদান করে (অহেতুক কষ্ট না দেয়) ।”

উত্তমরূপে পশু জবেহ করতে হবে।শ্বাসনালী সহ ধমনী ও শিরা কেটে দিতে হবে কিন্তু স্পাইনাল কর্ড অক্ষত রাখতে হবে।

পশু জবাই করার পর সেই পশু সম্পূর্ণ মারা যাওয়ার আগেই চামড়া ছাড়ানো, গলায় বা অন্য কোন স্থানে খোঁচানো উচিৎ নয়। সাভাবিক রক্ত প্রবাহ হতে দিন, ভাল খান, সুস্থ্য থাকুন। #কোরবানী #জবেহ

Photos from Uttara 12 no. sector park's post 31/12/2022

জীবন সবার জন্য সহজ নয়😥

29/09/2022

এখন থেকে ২৫/৩০ বছর আগে পত্রিকায় "ফিরে এসো" শিরোনামে বিজ্ঞাপন ঘনঘন দেখা যেতো, কিন্তু এখন আর চোখে পড়েনা। তবে কি এখন ঘর পালানো বন্ধ হয়ে গেছে?

11/12/2021

স্ত্রীকে আরবী শেখান, নিজেও শিখুন। ঝগড়া লাগলে দু'জনই আরবীতে ঝগড়া করবেন। প্রতিবেশী ভাববে দোয়া চলতেছে। :D

16/05/2020

কুরআনের ৪টি মোটিভেশনাল শব্দ খুবই উপকারী |
ছোট কিন্তু ব্যাপক অর্থবোধক |
১) " লা তাহযান "
অতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না, অতীতকে দাফন করে ফেলতে হবে মেমোরি থেকে !
২) " লা তাখাফ "
ভবিষ্যৎ নিয়ে কখনোই দুশ্চিন্তা করবেন না, তা ন্যস্ত করে দিতে হবে মালিকের উপর । তাওয়াক্কুল করে দিতে হবে আরো মজবুত এবং আরো সুদূর !
৩) " লা তাগদাব "
জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় আপনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে,কখনো রাগ করবেন না!
৪) " লা তাসখাত "
আল্লাহর কোনো ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না কখনো। মাথা পেতে সন্তুষ্ট চিত্তে আল্লাহর ফয়সালা মেনে নেওয়ার মধ্যেই রয়েছে সাফল্য !
এক জীবনের সমস্যা সমাধানে এর চেয়ে ভালো প্রেসক্রিপশন আর কি হতে পারে !
আলহামদুলিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ.!!

26/02/2020

আমাদের উত্তরা ১২নং সেক্টর বাইতুন নূর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। আসছে গরমকাল। মসজিদের দ্বিতীয় তলায় এসি লাগানোর জন্য এই সপ্তাহের জুম্মা নামাজের সময় বিশেষ আলোচনা হয়, যা খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে। মাননীয় খতিব সাহেব নিজেই ৫০,০০০টাকা দানের ঘোষণা করেছেন। ঐ বৈঠকেই উপস্থিত কিছু বড় মনের মানুষ বড় অংকের দান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই প্রিয় সেক্টর আমাদের, এই প্রিয় মসজিদ আমাদের ভালবাসা। আল্লাহর ঘর এর জন্য দান করলে, কখনো কমে না। আল্লাহ সবাইকে কবুল করুক, এই দোয়া করি। অনুগ্রহ করে সবাই এগিয়ে আসুন। মসজিদের সম্প্রসারন এর কাজ চলমান। খতিব সাহেব বলেছেন, আগামী জুম্মা তে সকলকে শরিক হতে এবং বড় নোটের বহুবচন দান করতে।

এই বিষয়ে আপনাদের সকলের অংগ্রহণ ও দোয়া কামনা করি।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Uttara 12 No. Sector Park
Dhaka