Educated, Enlightened & Developed Bangladesh - আলোকিত ও উন্নত বাংলাদেশ

Educated, Enlightened & Developed Bangladesh -  আলোকিত ও উন্নত বাংলাদেশ

Share

শিক্ষিত, আলোকিত এবং উন্নত বাংলাদেশ।
Your Thoughts and Works: An Educated, Enlightened and Developed Bangladesh (EED Bangladesh).

30/09/2024

আপনি দেখবেন আপনার যে বন্ধুটি বা যারা বিগত ১২-১৪ বছর যাবত নিজের চোখে কোন অন্যায় দেখেনি, দেশের হাজার হাজার মানুষ গু*ম, অত্যা*চার নির্যাতনের স্বীকার আর হ*ত্যার মতো ঘটনা ঘটার পরও একটা কথা বলেনি বরং নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে তেল আর টাকা যখন যেখানে যেটা লেগেছে দিয়ে দিয়ে তরতরিয়ে উপরে উঠা নিয়ে ব্যস্ত ছিল, তারাই এখন ফেইচবুকে গর্জে উঠেছে। আর বর্তমান ড. ইউনুস প্রশাসনের অসঙ্গতি নিয়ে তারা এখন প্রচুর স্ট্যাটাস দেয়। শুধু তাই নয়, কোরআন হাদিসের কোটেশানও দেয়। অন্যায়ের বিপক্ষে লেখে। কি বুঝলেন! খারাপ না, ভালো কাজ!
আমার আপনার কিছু শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাদের কাছে আমরা পড়েছি, ফ্যা*সিস্ট হাসিনার স্বৈরা*চারী নিয়ে এতোদিন টু শব্দটা পর্যন্ত করেনি বরং জয় জয় আর দালালী করে করে উপরে উঠেছে, সুবিধা নিয়েছে সেসব স্যারদেরকেও দেখা যায় এখন ঘন ঘন স্ট্যাটাস দিতে। এখন উনারা নীতি নৈতিকতার জ্ঞান দেয়। কি বুঝলেন! খারাপ না, দেখে আমি আপনি উদ্বেলিত না হয়ে পারি না!
গত ১৫ বছরের হ*ত্যা, গু*ম আর আয়না ঘরে রাখা মানুষের সংখ্যা নাই বা বললাম, কিছুদিন আগে মাত্র ৩৬ দিনে প্রায় দেড় দু'হাজার মানুষ মেরে ফেললো ফ্যা*সিস্ট হাসিনা আর তার দোসররা, তখন তারা একটুও কষ্ট পেলেন না, অথচ এখন কোথাও কোন চোর ডাকাত মরলেও রে রে করে উঠেন। মনুষ্যত্বের বাণী শুনান, মানবাধিকার সংস্থা খোঁজেন।

29/09/2024

আপনি দেখবেন আপনার যে বন্ধুটি বা যারা বিগত ১২-১৪ বছর যাবত কোন অন্যায় চোখে দেখেনি, দেশের হাজার হাজার মানুষ গুম, অত্যাচার নির্যাতনের স্বীকার আর হত্যার মতো ঘটনা ঘটার পরও একটা কথা বলেনি বরং নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে তেল আর টাকা যখন যেখানে যেটা লেগেছে দিয়ে দিয়ে তরতরিয়ে উপরে উঠা নিয়ে ব্যস্ত ছিল, তারাই এখন ফেইচবুকে গর্জে উঠেছে। আর বর্তমান ড. ইউনুস প্রশাসনের অসঙ্গতি নিয়ে তারা এখন প্রচুর স্ট্যাটাস দেয়। শুধু তাই নয়, কোরআন হাদিসের কোটেশানও দেয়। অন্যায়ের বিপক্ষে লেখে। কি বুঝলেন! খারাপ না, ভালো কাজ!
আমার আপনার কিছু শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাদের কাছে আমরা পড়েছি, ফ্যাসিস্ট হাসিনার স্বৈরাচারী নিয়ে এতোদিন টু শব্দটা পর্যন্ত করেনি বরং জয় জয় আর দালালী করে করে উপরে উঠেছে, সুবিধা নিয়েছে সেসব স্যারদেরকেও দেখা যায় এখন ঘন ঘন স্ট্যাটাস দিতে। এখন উনারা নীতি নৈতিকতার জ্ঞান দেয়। কি বুঝলেন! খারাপ না, দেখে আমি আপনি উদ্বেলিত না হয়ে পারি না!
গত ১৫ বছরের হত্যা, গুম আর আয়না ঘরে রাখা মানুষের সংখ্যা নাই বা বললাম, কিছুদিন আগে মাত্র ৩৬ দিনে প্রায় দেড় দু'হাজার মানুষ মেরে ফেললো ফ্যাসিস্ট হাসিনা আর তার দোসররা, তখন তারা একটুও কষ্ট পেলেন না, অথচ এখন কোথাও কোন চোর ডাকাত মরলেও রে রে করে উঠেন। মনুষ্যত্বের বাণী শুনান, মানবাধিকার সংস্থা খোঁজেন।

26/09/2024

প্রফেসর ড. শামীম আক্তার।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে নিষ্ঠা, সততা, সাহসিকতা, ব্যক্তিত্ব এবং যোগ্যতায় অনন্য একজন ব্যক্তির নাম।

শুধু রসায়ন বিভাগ নয়, বিজ্ঞান অনুষদের প্রায় সব শিক্ষার্থীর জানাশুনা, প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় একজন শিক্ষক প্রফেসর ড. শামীম আক্তার।
শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের বর্তমান কয়েকজন নতুন শিক্ষক বাদে আগের প্রায় সকল শিক্ষকই প্রফেসর ড. শামীম আক্তারকে একজন যোগ্য, মেধাবী, শালীন, ভদ্র এবং সৎ শিক্ষক হিসেবে জানেন এবং চিনেন ।
প্রফেসর ড. শামীম আক্তার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে কিছুদিন আগে সম্মানের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষ করে অবসরে গিয়েছেন। উনার অবসরে কেঁদেছে শতশত ছাত্রছাত্রী। বিভাগে রেখে গিয়েছেন অসংখ্য সৃতি, কাজ, অবদান আর ভালোবাসা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের মধ্যে পড়ানো এবং গবেষণায়, গাইড লাইন দেওয়ায়, ঘড়ির কাঁটার সাথে সাথে চলা, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের পেছনে সময় দেওয়া, একটা বিভাগে একাধারে প্রথম বর্ষ হতে মাস্টার্স পর্যন্ত ক্লাস নেওয়া, গবেষণা করা, সময়ের অভাবে সময়ে সময়ে না খেয়ে থাকা, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল ছাত্রছাত্রীদের প্রিয় একজন শিক্ষকের নাম প্রফেসর ড. শামীম আক্তার।
একজন আদর্শ এবং যোগ্য শিক্ষক বলতে যা বোঝায় তার সবগুলো বৈশিষ্ট্য এবং গুণাবলীই বিদ্যমান প্রফেসর ড. শামীম আক্তারের মধ্যে।
১৫ বছরেরও বেশি সময় আগে আমরা উনার শেষ ক্লাস করলেও মনে হচ্ছে চোখের সামনে ভাসছে, মনে হচ্ছে এখন উনি ক্লাস নিচ্ছেন, লেকচার দিচ্ছেন। এটা শুধু আমার নিজের কথা না। একটা জরিপ করলে দেখা যাবে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর একই কথা, একই অনুভূতি। এমনই ছিল উনার পড়ানো আর লেকচার দেওয়া। ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে কাজ করা।
প্রফেসর ড. শামীম আক্তার ১৯৭২ সালে এসএসসি এবং ১৯৭৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডে মেধা তালিকায় লাখো শিক্ষার্থীর মধ্যে যথাক্রমে ১৪তম এবং ১৬ তম স্থান দখল করে বোর্ড স্ট্যান্ড করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে ১৯৭৭ এবং ১৯৭৮ সালে যথাক্রমে বিএসসি (অনার্স) এবং মাস্টার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। ১৯৮৪ সালে জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয় হতে এ গ্রেড নিয়ে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় হতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
প্রফেসর ড. শামীম আক্তার ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে সরাসরি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদানের পর থেকে গত ৩৫ বছরে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীকে পড়িয়েছেন, শিখিয়েছেন। মাস্টার্স এবং পিএইচডি ছাত্রদের গবেষণা করিয়েছেন, ডিগ্রী দিয়েছেন। নিজের বিভাগ এবং দেশের হাজারও সমস্যা পেরিয়ে গবেষণা করে প্রায় ৭০-৮০ টি গবেষণা নিবন্ধ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করেছেন।
প্রফেসর ড. শামীম আক্তার ২০১১ সালে সারা বাংলাদেশ হতে International Year of Chemistry (UNESCO & IUPAC): Distinguished Woman Scientist in Chemical Sciences Award লাভ করেন।
প্রফেসর ড. শামীম আক্তার এমন একজন শিক্ষক যিনি দেশের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বা প্রো-ভিসি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। যে কোন বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা পরিচালক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, এমন যোগ্যতা সম্পন্ন একজন প্রফেসরকেও অনেকে গত ১২-১৪ বছরে মূল্যায়ন করেনি। একমাত্র কারণ হচ্ছে উনার ভদ্রতা, শালীনতা আর সততা। সততার কাছে উনি কখনো মাথা নত করেননি। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বা প্রো-ভিসি হওয়ার যোগ্যতা আছে সেখানে একটা উনার বিজ্ঞান অনুষদের ডিন পদেও নিয়োগ করেন নি। শুধু তাই নয়, নিজের বিভাগেও কিছু অযোগ্য শিক্ষক অনেক সময় বিভাগে বিভিন্ন সময় কথায়, কাজে, আচরণে অনেক কষ্ট দিয়েছেন। তবে প্রফেসর ড. শামীম আক্তার এসব বিষয়ে কারো কাছে বিচার দেন নি। সবকিছু নিরবে সহ্য করে গেছেন। শিক্ষকতা জীবনের শেষের দিকে এসে প্রফেসর ড. শামীম আক্তার শুধু একটা কথাই বলতেন, আমি কার কাছে বিচার দিবো এসব অন্যায়ের, আশেপাশে তো কাউকে দেখি না বিচার করার মতো, সবই তো একই গোত্রের লোকজন, অন্যায় করা আর অন্যায়ের পক্ষ নিয়ে সুবিধা আদায় করাই যাদের কাজ।
দেশের এ পর্যায়ে এসে আমি বলবো, সারা দেশে এরকম অনেক সৎ, মেধাবী আর যোগ্যতা সম্পন্ন লোকদের কে বিভিন্নভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে গত ১৫ টা বছর।
আমার বিশ্বাস, প্রফেসর ড. শামীম আক্তার কে দেশের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি, প্রো-ভিসি বা সরকারী বড় কোন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা পরিচালক, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর এমিরেটাস হিসেবে অথবা সরকারের শিক্ষাবিষয়ক কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিলে দেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী শিখবে, জানবে, গবেষণা করবে। দেশের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ফলাফল, আমাদের দেশ উপকৃত হবে।
সবশেষে বলবো, মূল্যায়ন হোক পরিশ্রম, সততা ও যোগ্যতার। জয় হোক সততা এবং যোগ্যতার। আল্লাহ্‌ হাফেয।

26/09/2024

প্রফেসর ড. শামীম আক্তার।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে নিষ্ঠা, সততা, সাহসিকতা, ব্যক্তিত্ব এবং যোগ্যতায় অনন্য একজন ব্যক্তির নাম।

শুধু রসায়ন বিভাগ নয়, বিজ্ঞান অনুষদের প্রায় সব শিক্ষার্থীর জানাশুনা, প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় একজন শিক্ষক প্রফেসর ড. শামীম আক্তার।
শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের বর্তমান কয়েকজন নতুন শিক্ষক বাদে আগের প্রায় সকল শিক্ষকই প্রফেসর ড. শামীম আক্তারকে একজন যোগ্য, মেধাবী, শালীন, ভদ্র এবং সৎ শিক্ষক হিসেবে জানেন এবং চিনেন ।

প্রফেসর ড. শামীম আক্তার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে কিছুদিন আগে সম্মানের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষ করে অবসরে গিয়েছেন। উনার অবসরে কেঁদেছে শতশত ছাত্রছাত্রী। বিভাগে রেখে গিয়েছেন অসংখ্য সৃতি, কাজ, অবদান আর ভালোবাসা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের মধ্যে পড়ানো এবং গবেষণায়, গাইড লাইন দেওয়ায়, ঘড়ির কাঁটার সাথে সাথে চলা, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের পেছনে সময় দেওয়া, একটা বিভাগে একাধারে প্রথম বর্ষ হতে মাস্টার্স পর্যন্ত ক্লাস নেওয়া, গবেষণা করা, সময়ের অভাবে সময়ে সময়ে না খেয়ে থাকা, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল ছাত্রছাত্রীদের প্রিয় একজন শিক্ষকের নাম প্রফেসর ড. শামীম আক্তার।
একজন আদর্শ এবং যোগ্য শিক্ষক বলতে যা বোঝায় তার সবগুলো বৈশিষ্ট্য এবং গুণাবলী বিদ্যমান প্রফেসর ড. শামীম আক্তারের মধ্যে।
১৫ বছরেরও বেশি সময় আগে আমরা উনার শেষ ক্লাস করলেও মনে হচ্ছে চোখের সামনে ভাসছে এখনো উনি ক্লাস নিচ্ছেন, লেকচার দিচ্ছেন। এটা শুধু আমার নিজের কথা না। একটা জরিপ করলে দেখা যাবে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর একই কথা, একই অনুভূতি। এমনই ছিল উনার পড়ানো আর লেকচার দেওয়া।
প্রফেসর ড. শামীম আক্তার ১৯৭২ সালে এসএসসি এবং ১৯৭৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডে মেধা তালিকায় লাখো শিক্ষার্থীর মধ্যে যথাক্রমে ১৪তম এবং ১৬ তম স্থান দখল করে বোর্ড স্ট্যান্ড করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে ১৯৭৭ এবং ১৯৭৮ সালে যথাক্রমে বিএসসি (অনার্স) এবং মাস্টার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। ১৯৮৪ সালে জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয় হতে এ গ্রেড নিয়ে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় হতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
প্রফেসর ড. শামীম আক্তার ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে সরাসরি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদানের পর থেকে গত ৩৫ বছরে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীকে পড়িয়েছেন, শিখিয়েছেন। মাস্টার্স এবং পিএইচডি ছাত্রদের সুপারভাইস করেছেন। নিজের বিভাগ এবং দেশের হাজারও সমস্যা পেরিয়ে গবেষণা করে প্রায় ৭০-৮০ টি গবেষণা নিবন্ধ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করেছেন।
২০১১ সালে সারা বাংলাদেশ হতে International Year of Chemistry (UNESCO & IUPAC): Distinguished Woman Scientist in Chemical Sciences Award লাভ করেন।
প্রফেসর ড. শামীম আক্তার এমন একজন শিক্ষক যিনি দেশের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বা প্রো-ভিসি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। যে কোন বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা পরিচালক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, এমন যোগ্যতা সম্পন্ন একজন প্রফেসরকেও অনেকে গত ১২-১৪ বছরে মূল্যায়ন করেনি। একমাত্র কারণ হচ্ছে উনার ভদ্রতা, শালীনতা আর সততা। সততার কাছে উনি কখনো মাথা নত করেননি। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বা প্রো-ভিসি হওয়ার যোগ্যতা আছে সেখানে একটা উনার বিজ্ঞান অনুষদের ডিন পদেও নিয়োগ করেন নি। শুধু তাই নয়, নিজের বিভাগেও কিছু অযোগ্য শিক্ষক অনেক সময় বিভাগে বিভিন্ন সময় কথায়, কাজে, আচরণে অনেক কষ্ট দিয়েছেন। তবে প্রফেসর ড. শামীম আক্তার এসব বিষয়ে কারো কাছে বিচার দেন নি। সবকিছু নিরবে সহ্য করে গেছেন। শিক্ষকতা জীবনের শেষের দিকে এসে প্রফেসর ড. শামীম আক্তার শুধু একটা কথাই বলতেন, আমি কার কাছে বিচার দিবো এসব অন্যায়ের, আশেপাশে তো কাউকে দেখি না বিচার করার মতো, সবই তো একই গোত্রের লোকজন, অন্যায় করা আর অন্যায়ের পক্ষ নিয়ে সুবিধা আদায় করাই যাদের কাজ।
দেশের এ পর্যায়ে এসে আমি বলবো, সারা দেশে এরকম অনেক সৎ, মেধাবী আর যোগ্যতা সম্পন্ন লোকদের কে বিভিন্নভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে গত ১৫ টা বছর।
আমার বিশ্বাস, প্রফেসর ড. শামীম আক্তার কে দেশের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি, প্রো-ভিসি বা সরকারী বড় কোন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা পরিচালক, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর এমিরেটাস হিসেবে অথবা সরকারের শিক্ষাবিষয়ক কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিলে দেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী শিখবে, জানবে, গবেষণা করবে। দেশের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ফলাফল, আমাদের দেশ উপকৃত হবে।
সবশেষে বলবো, মূল্যায়ন হোক পরিশ্রম, সততা ও যোগ্যতার। জয় হোক সততা এবং যোগ্যতার। আল্লাহ্‌ হাফেয।

26/09/2024

আলহামদুলিল্লাহ্‌।

আমার জাপানে আসার ১০ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরের ২৫ তারিখ জাপানের মাটিতে পা দিয়েছিলাম।
এ দীর্ঘ সময়ে জাপান সরকার, জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়, জাপানিজ লোকজন এবং এবং জাপানে অবস্থানরত অন্যান্য দেশের মানুষের কাছ থেকে শিক্ষা, ডিগ্রী, শ্রদ্ধা ভালোবাসা সহ অনেক অনেক কিছু পেয়েছি।

কিছু বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, একটু সময় করে লিখে, কয়েকদিনের মধ্যে। ইনশাআল্লাহ্‌।

Photos from Educated, Enlightened & Developed Bangladesh -  আলোকিত ও উন্নত বাংলাদেশ's post 22/09/2024

নবনিযুক্ত উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার স্যার। অভিনন্দন স্যার।

তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন এবং কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু থেকে দ্বিতীয় মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অফ সিডনি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক দর্শন, দুর্নীতি, ধর্ম, বাংলাদেশের চলমান রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে উনার অনেকগুলো বই/গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্য থেকে প্রকাশিত সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণা জার্নালেও স্যারের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত Electoral Corruption in Bangladesh (Ashgate: 2001) শীর্ষ গ্রন্থটি বহুলভাবে সমাদৃত হয়েছে।
দেশের নির্বাচন, নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম এবং দুর্নীতি নিয়ে অনেকগুলো বই পাঠক মহলে সাড়া জাগিয়েছে।

এছাড়াও পত্র-পত্রিকায় তিনি নির্বাচন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কলাম আকারে অসংখ্য লেখা লিখেছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থা থেকে স্যারের লেখা অনেক কলাম পড়েছি।

স্যারের এ পর্যন্ত যতগুলো বই লিখেছেন, যত স্টাডি করেছেন, উচ্চ মান সম্পন্ন অসংখ্য কলাম লিখেছেন, শত শত বই পড়েছেন তাতে উনার জ্ঞানের গভীরতা সম্পর্কে সহজেই ধারণা পাওয়া যায়।

তাই আশা করছি দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে স্যারের মেধা, যোগ্যতা এবং বিচক্ষণতা দিয়ে আমাদের প্রিয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন এবং বিশ্ব দরবারে পরিচিত করে তুলবেন।

ড. Muhammad Yeahia Akhter স্যারের জন্য অনেক শুভকামনা এবং দোয়া রইলো।

20/09/2024

‘ছাত্র-জনতার গণ বিপ্লব, জাপান প্রবাসীদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রবাসী সংলাপ
শ্লোগানঃ ‘আর নয় বিভাজন, দেশ গডতে ঐক্যের প্রয়োজন’
আয়োজনেঃ বাংলাদেশী কমিউনিটি জাপান।
তারিখঃ আজ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪। শুক্রবার।
সময়ঃ সন্ধ্যা: ৬ঃ৩০ টা।
ভেন্যু/স্থানঃ হকতোপিয়া হল, ওজি, টোকিও। জাপান।

12/09/2024

পোস্ট অফিস। ৬ দিনেও ১০ কিমি দূরে একটা ফাইল যায় না।

জাপানের মরিওকা থেকে টোকিও প্রায় ৫৫০ কিমি আর টোকিও থেকে নারিতা এয়ারপোর্ট প্রায় ৭৫ কিমি দুরুত্বের রাস্তা।
মরিওকার একটা শাখা পোস্ট অফিস থেকে একটা জরুরী ফাইল/ডকুমেন্ট পাঠিয়েছি ঢাকার গুলশানের উদ্দেশ্যে গত ৩ তারিখে। ফাইলটা মরিওকার শাখা পোস্টঅফিস থেকে হেড অফিস হয়ে রাজধানী টোকিও হয়ে নারিতা এয়ারপোর্ট পর্যন্ত ৬০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে চলে যায় মাত্র দুই দিনেই মানে ৫ তারিখ সকালেই। এমনকি ঐদিন সকালেই বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেয় ফাইলটা। এটাই জাপানের সরকারী পোস্ট অফিস। এটা কোন বেসরকারী কুরিয়ার সার্ভিসের কথা বলছি না। এবার বুঝেন একটা দেশের সরকারী পোস্টঅফিসের কাজকর্ম আর কর্মকর্তাদের কাজের দক্ষতা আর মান কতটা উন্নত। ৫ তারিখে পোস্ট অফিসের ইন্টারন্যাশনাল শাখা থেকে/জাপানের এয়ারপোর্ট থেকে ফাইলটা ছেড়ে দেওয়া মানে ৬ তারিখের মধ্যেই ঢাকার এয়ারপোর্টে যাওয়া। আর সেই ফাইলটা শাহজালাল এয়ারপোর্ট থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরে গুলশানে আজকে ১২ তারিখ এখনো পর্যন্ত ৬ দিনেও যেতে পারলো না। একজন মানুষ হেঁটে গেলেও তো ১/২ ঘণ্টা লাগার কথা না।
আবার গতকাল গুলশানের শাখা পোস্ট অফিস এবং ঢাকার হেড অফিসে কয়েকবার ফোন করলেও ফাইলের কোন আপডেট পর্যন্ত জানাতে পারলো না আমার দেশের পোস্ট অফিসের কর্মকর্তাগণ। এই হলো দেশের লোকদের অবস্থা। ইএমএস মানে হচ্ছে এক্সপ্রেস/ইমারজেন্সি মেইল সার্ভিস। অথচ পোস্ট অফিসের লোকগুলো অফিসে বসে বসে ঘুমায় আর গালগল্প করে সময় কাটায় অথবা অফিসের নাম করে বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ায়। ইনারা না বুঝে কাজ, না বুঝে জরুরী ফাইল আর না আছে কাজ করার মন মানসিকতা। তাদের কি বুঝা উচিত নয় মানুষ একটা ফাইল ইএমএস এ পাঠায় কেন। ২০২৪ সালে এসেও বাংলাদেশের পোস্ট অফিসের মান যদি এই অবস্থার হয় তাহলে এই পোস্ট অফিস দিয়ে দেশের জনগণই করবে কি আর দেশেরই বা কি উপকার হবে? তাই এখনই সময়। এগুলো নিয়ে ভাবার।
আমি দেশের ডাক বিভাগের/পোস্ট অফিসের কর্মকর্তাদের বলছি, আপনারা আপনাদের দায়িত্বের ব্যাপারে সচেতন হোন। অফিসের কাজে মনোযোগী হোন। সময়ের কাজ সময়ে করুন। এখনই সজাগ হোন।
আর যদি না হোন, তাহলে বলবো, দেশের পোস্টঅফিসের এইসব ঘুমন্ত, অলস, ঘুসখোর, সময় জ্ঞানহীন, নিজেদের দায়িত্বজ্ঞানহীন, হাত নড়ে তো পা নড়ে না, পা নড়ে তো হাত নড়ে না টাইপের কর্মকর্তাদের দিয়ে আমাদের দেশে আর চলবে না। এদের এখনোই বরখাস্ত করার সময়। যতদ্রত সম্ভব ব্যবস্থা নেন। দেশে লাখ লাখ শিক্ষিত তরুণরা বেকার হয়ে বসে আছে। এই তরুণদেরকে দিয়ে একটা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর পোস্ট অফিসের মতো জায়গার কাজে লাগিয়ে দিতে হবে। শিক্ষিত, বেকার তরুণদেরকে প্রশিক্ষিত করে কাজে লাগাতে পারলে এই ডাক বিভাগ/পোস্টঅফিসের মাধ্যমে দেশের অনেক উন্নয়ন করা সম্ভব।

09/09/2024

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাবল ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েও মাদ্রাসায় পড়ার ‘অপরাধ’ ঘোচানো যায় নাই।
নিজের সাথে ঘটে যাওয়া বিষয়ে লিখেছেন----- ইব্রাহিম বিন হারুন।

আমারও কিছু বলার আছে! পিএইচডি করতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছি প্রায় এক মাস হয়ে এলো। ৪ আগস্ট বিকেলে ঢাকার বাসা থেকে যখন বিমানবন্দরের পথে রওনা হই, দেশ তখন অগ্নিগর্ভ। আমি সামান্য মানুষ, দেশের কী হবে তা নিয়ে চিন্তা কম ছিলো। বরং শিক্ষার্থীদের পক্ষে আওয়াজ তোলা আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মী শিক্ষক ও আমার আরেক কর্মস্থল যমুনা টেলিভিশনের সহকর্মী সংবাদকর্মীদের কী পরিণতি হবে-তা নিয়েই উদ্বিগ্ন ছিলাম, রীতিমতো চোখের পানি ঝরছিলো।
আটলান্টিকের ওপর উড়োজাহাজের নিউজ ফিডে যখন সরকার পতনের খবর পাই, তখন কিছুটা শান্ত হয় মন। কিন্তু বর্তমান যুগের মূল যে আদালত, সেই ফেসবুকে এই ‘শান্তি’ নিয়ে কিছু না লেখায় বন্ধুমহলের অনেকেই নানা দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বসিয়েছেন। কেন বিগত সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে কিছু লিখছি না-এমন অনুযোগও আসছে। লিখতে যে চাইনি তা নয়, কিন্তু ‘বিদেশে গিয়ে এমন বড় বড় কথা বলা যায়’ কিংবা ‘বিদেশ গিয়েই ভোল পাল্টে যায়’-এমন অপবাদের ভয়ে কিবোর্ডে হাত চলেনি।
রাজপথে রক্তের দাগ শুকায়নি, আহতদের মৃত্যুর মিছিল থামেনি-এমন সময়ে ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ, অনুভূতির কথা বলতেও বাধা দিচ্ছে বিবেক। কিছু কথা বলাও অবশ্য জরুরি। ব্যক্তিপর্যায়ের এই ছোট ছোট ঘটনাগুলোই যেন দলিল হয়ে থাকে ইতিহাসের।

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই ২০০২-০৩ সেশনে। আমার বাবা-মা দুজনই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট, আমার নানা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন ভারত ভাগেরও আগে। তাই ছাত্র খারাপ হলেও আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বো-একেবারে ছোটবেলা থেকে বিশ্বাস ছিলো মনে।
ভর্তি পরীক্ষায় সিরিয়াল খারাপ ছিলো না। সুযোগ ছিলো বেশ অনেকগুলো বিষয় বেছে নেওয়ার। কিন্তু নটরডেম কলেজে পড়ার সময়ই বাসে দেখা হওয়া এক বড় ভাইয়ের পরামর্শে মনে মনে ছিলো, সাংবাদিকতা পড়বো। বিভাগের পড়াশোনার পাশাপাশি প্রথম বর্ষ থেকেই যুক্ত হই সাংবাদিকতায়। আমার মাত্র ৪০ বছরের জীবনে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতাই তাই ২১ বছরের। এতো সম্মান ও ভালোবাসা এই পেশায় পেয়েছি, সারাজীবন শুকরিয়া আদায় করলেও তার প্রতিদান দেওয়া সম্ভব নয়। পথে বাধা আসেনি, তা নয়।
কখনো শিবির, কখনো ছাত্রদল ট্যাগ দিয়ে কাবু করা হয়েছে, দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, চাকরি হুমকির মুখে পড়েছে। অসাধারণ কিছু বড় ভাই পাশে ছিলেন বলে সসম্মানেই চাকরি করতে পেরেছি। বলতে দ্বিধা নেই, কর্মক্ষেত্রে বাড়তি দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিতে না পারলে হয়তো ভেসেই যেতে হতো। নানা ‘ট্যাগ’ ছিলো বলে অন্য সহকর্মীদের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছি, দিনরাত খেটেছি।
কঠোর পরিশ্রম করার এই সামর্থ্যই হয়তো ছাত্রজীবনে ফলাফল ভালো করতে সহায়তা করেছে আমাকে। নটরডেম কলেজে প্রথম বর্ষের ফাইনালে পুরো মানবিক শাখায় দ্বিতীয় হয়েছিলাম। প্রথম বর্ষ থেকে সবেতনে চাকরি করেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনার্স ও মাস্টার্স-দুই পরীক্ষাতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে গেলাম। স্বর্ণপদক পেলাম বেশ কয়েকটা।
শিক্ষকদের সম্মান করতাম, তাদের সাথে সুসম্পর্ক ছিলো-এটা ঠিক। কিন্তু আমার শত্রুও বলতে পারবে না শিক্ষকদের ব্যাগ টেনে বা ফরমায়েশ খেটে প্রথম হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বো, ছোটবেলা থেকে সেই স্বপ্ন থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবো-তেমন স্বপ্ন ছিলো না। কিন্তু ফলাফল আমাকে লোভী ও উচ্চাকাঙ্খী করে তুললো। বিভাগে আমার আগে বেশ কয়েক বছর ‘ডাবল ফার্স্ট’ ছিলো না। তাই আশাবাদী হয়ে উঠলাম।
শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি হলো। আবেদন করলাম; ভাইভা দিলাম, চাকরি হলো না। খোঁজ নিয়ে জানলাম আমার অপরাধ অনেকগুলো: ১. আমি বিএনপি-ঘেষা ইনকিলাব পত্রিকায় চাকরি করেছি; ২. আমি মাধ্যমিকে মাদ্রাসায় পড়েছি; ৩. আমার পরিবার ডানপন্থি রাজনীতির সাথে যুক্ত। আমার জীবনে আমি মাদ্রাসায় পড়েছি ৪ বছর, সেটাও পরিবারের সিদ্ধান্তে, পরে নটরডেমের মতো দেশসেরা কলেজে পড়েও, স্কুলে পড়া শিক্ষার্থীদের সাথে পাল্লা দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাবল ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েও সে ’অপরাধ’ ঘোচানো গেলো না।
যা-ই হোক, আমি নাছোড়বান্দা। বেশ কয়েকটা ভাইভা দিলাম ও যথারীতি ‘ফেইল’ করতে থাকলাম। যাদের নিয়োগ হলো, কারো রেজাল্টই আমার চেয়ে ভালো নয়, এমনকি কাছাকাছিও নয়। আমার স্ত্রী, যিনি আমার সহপাঠীও বটে, সন্দেহ করতে লাগলেন আমি বুঝি ভাইভায় কোনো উত্তর দিতে পারি না। মনে আছে, তার সন্দেহ দূর করতে একটা ২৮ মিনিটের ভাইভা মোবাইল ফোনে রেকর্ডও করে এনেছিলাম। যা-ই হোক, এক পর্যায়ে আমি বুঝে গেলাম যে ভয়াবহ ‘অপরাধে’ আমি অপরাধী, তাতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার চাকরি হবে না।
মেনে নিলেও মন মানতে চাইতো না। ‘টেলিভিশন এন্ড ফিল্ম স্টাডিজ’ নামে নতুন একটি বিভাগ চালু হচ্ছে। একসাথে ৩ জন নতুন প্রভাষক নিয়োগ হবে। একদিকে আমার রেজাল্ট ‘বেশ ভালো’, অপরদিকে টেলিভিশনে লম্বা সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা। ঘনিষ্ঠজনরা বললেন, তুমিই সবচেয়ে উপযুক্ত প্রার্থী। তাদের কথায় মজেই আবেদন করলাম।
নতুন বিভাগের চেয়ারম্যানকে চিনতাম না, তবু একদিন দেখা করলাম। আরেফিন স্যার, আমার সরাসরি শিক্ষক তখনকার ভিসি, তার সাথেও দেখা করলাম। সাংবাদিক হিসেবে পরিচয়ের সূত্রে দেখা করলাম, সিন্ডিকেট সদস্য তাজমেরী ম্যাডামের সঙ্গে। তবে মনে মনে মেনেই নিয়েছিলাম চাকরি হবে না। ভাইভার তারিখ একবার পরিবর্তন করে সিন্ডিকেট সভার ঠিক আগমুহুর্তে বোর্ড বসলো। রাতে বাসায় ফিরে কয়েকজনের ফোন পেলাম, আমার নাকি প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ হয়েছে।
সিন্ডিকেটে নাকি পাসও হয়ে গেছে। আমি কিছুই জানি না, কিন্তু অভিনন্দন বার্তা পেতে থাকলাম। অজানা এক অনুভূতিতে রাতে ঘুম হলো না। সকালে বিভাগের চেয়ারম্যানকে ফোন দিলাম। তিনিও অভিনন্দন জানিয়ে বললেন, সেদিনই জয়েন করতে। ইস্ত্রি করা শার্ট-প্যান্ট পরে ফুলবাবু সেজে বিভাগে গেলাম। অল্প টাকা বেতন তখন, তবু সিএনজি নিলাম। অফিস থেকে ছুটি নিলাম। বিভাগে গিয়ে অফিসরুমে উঁকি দিলে সেখানকার কর্মকর্তা ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করলেন। ভাবলাম, অবশেষে বাবা-মা আর নানার পেশায় এলাম, ‘স্যার’ হয়েই গেলাম। বিভাগে চেয়ারম্যান উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন। জানালেন, কতো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমাকে নিয়েছেন। মিষ্টি খাওয়ালেন। বাকি ৩ নবনিযুক্ত সহকর্মীর সাথে পরিচয় করালেন। শিক্ষক লাউঞ্জে নিয়ে গিয়ে পরিচয় করালেন।
ডিনের অফিসে (ফরিদ স্যার তখন ডিন) নিয়ে গিয়ে ডিনের সাথে পরিচয় করালেন। ডিন প্রত্যেকের আলাদা ছবি তুলে মোবাইলে নম্বর সেইভ করলেন। সামনেই ভর্তি পরীক্ষা ছিলো, পরীক্ষার ডিউটি দেওয়ার জন্য অফিসের সহকারীকে নির্দেশ দিলেন। বেশ ফুরফুরে মনে ছিলাম। দুপুরের পর চেয়ারম্যান একত্রে আমাদের ৪ জনকে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে যেতে বললেন। ৪ জন একত্রে গেলাম, ৩ জনের যোগদান হলো। আমারটা হলো না। সিন্ডিকেটে পাস হওয়া নথিতে লেখা ছিলো, ‘বিভাগের সিএন্ডডির অনুমোদন সাপেক্ষে ইব্রাহীম বিন হারুনকে নিয়োগ দেওয়া হলো’। কর্মকর্তারা বললেন, ’এটা কোনো বিষয়ই না। যেহেতু বিজ্ঞপ্তি ছিলো ৩ জন নিয়োগের। অতিরিক্ত একজন নেওয়ার জন্য সিএন্ডডির অনুমোদন সাধারণ ফরমালিটি। আর নতুন বিভাগগুলো অতিরিক্ত পদ চেয়েও পায় না, আপনার তো সিন্ডিকেট থেকেই দিয়েছে। নাকচ করার সুযোগই নেই ‘।
গেলাম চেয়ারম্যানের কাছে। মনে হলো তিনি জানেনই না বিষয়টা। নিয়ে গেলেন ডিনের কাছে। ডিন বললেন, ‘আজ-কালের মধ্যেই হয়ে যাবে। সিএন্ডডির সদস্য আমরা ৩ জন। এর মধ্যে দুজন তো বোর্ডেই ছিলাম। তার মানে এটা পাস হওয়াই। শুধু একত্রে বসে একটা নথি পাঠাতে হবে।’ তখনও বুঝিনি কত বড় ধাক্কা আমার জন্য অপেক্ষা করছে।
লং স্টোরি শর্ট: পরে আরো ৩/৪ দিন বিভাগে গিয়ে বসে থাকলাম। হবে, হচ্ছে করেও গত ১৩ বছরে সেই সিএন্ডডি বৈঠক আর হলো না। ‘অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে তোমাকে নিয়েছি’ বলা চেয়ারম্যানের আচরণও দেখলাম বদলে যাচ্ছে। কেউ কেউ পরামর্শ দিয়েছিলেন, ভিসির পা ধরতে। রিজিকের মালিক আল্লাহ-এটা বিশ্বাস করি বলে সে পথে পা বাড়াইনি।
আমার প্রশ্ন, সিন্ডিকেটের সুপারিশের পরও একজন অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগে যে সিএন্ডডি আপত্তি জানালো পরবর্তীতে ওই বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ হলে আগের সুপারিশকৃত ব্যক্তিই কেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়োগ পাবেন না? কিন্তু এই প্রশ্ন আমি কারো কাছে তুলিনি। এই পোস্টের উদ্দেশ্যও সেটা নয়। আমি শুধু একটি নির্মমতার কথা তুলে ধরতে চাই, আপনি চাকরি দিবেন না-ভালো কথা। কিন্তু, চাকরির আশা জাগিয়ে, খবর ছড়িয়ে সামাজিকভাবে হেয় করা উচিত নয়। শিক্ষক লাউঞ্জের মিষ্টি, ডিন অফিসের অভ্যর্থনা, ভর্তি পরীক্ষার ডিউটিতে নাম তোলা-এগুলো তো চরম নিরাশ মানুষের মনেও আশার বাতি জ্বেলেছিল। আমি স্ত্রী-পরিবার ছাড়া কাউকে বলিনি আমার চাকরি হয়েছে। তবু দুনিয়ার মানুষ আমাকে অভিনন্দন জানিয়ে কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিলো, আমার বন্ধুদের গ্রুপে হাসাহাসি হলো-একজন তরুণকে যে মানসিক কষ্ট দিলো, অপমানিত করলো তা বর্ণনাতীত।
ওই ঘটনার পরও অন্তত ৩ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনের সময় ভোট চেয়ে এসএমএস পেতাম। চাকরি দেওয়ার খবরেই প্রার্থীরা হয়তো নম্বর যোগাড় করেছিলেন, যোগদান যে করতে দেওয়া হয়নি, সেই খবরও রাখেননি। কতিপয় শিক্ষকের প্রতি সেই যে ক্ষোভের জন্ম হলো, তা ১০ বছরের বেশি সময় আর বিভাগে যেতে দেয়নি। সেই যে মাথা নত হলো, কোমড় ভেঙে দেওয়া হলো, জগন্নাথে যোগ দিয়ে এমন নীরব থাকতে লাগলাম যে নিজের অস্তিত্ব নিয়েই সন্দিহান হতাম মাঝেমধ্যে। নতুন জয়েন করেছি জেনে ৬/৭ বছরের জুনিয়রও (বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় সিনিয়র) ‘তুমি’, ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করেছে, কিছু বলার প্রয়োজনও মনে করিনি।
লেখক: ইব্রাহিম বিন হারুন, সহকারী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

09/09/2024

আপনারাই বলুন, এতো কিছু প্রমাণ থাকার পরও কি একজন ব্যক্তি একটা দেশের প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে পারেন? এসব কাজকর্ম কি প্রেসিডেন্ট পদের অন্তরায় নয়??? একজন ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা এবং অযোগ্যতা কি কি বলে আপনি মনে করেন?

মোঃ শাহাবউদ্দিন চুপ্পু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, আবার একই সাথে তার রয়েছে মালয়েশিয়া সেকেন্ড হোমে বিনিয়োগ এবং দুবাইতে ব্যবসা ও সেদেশের রেসিডেন্সি। এছাড়াও তিনি তৃতীয় একটি দেশের পাসপোর্টে বিনিয়োগ রয়েছে বলেও শোনা যায়।
রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর মালয়েশিয়া সেকেন্ড হোমে ১৫০,০০০ রিংগিত বিনিয়োগ এবং দুবাইর কয়েকটি ব্যাংক একাউন্টের বিস্তারিত ও ওয়ারাদ জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি নামের দুবাইতে নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক বিনিয়োগের বিনিময়ে রেসিডেন্স ভিসা পাওয়ার প্রমান স্বরুপ বিভিন্ন কাগজ হাতে এসেছে।
প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রপতি চুপ্পু বিদেশে এসব বিনিয়োগের কোন অনুমতি কি আদৌ গ্রহন করেছেন? যদিও এসবই তিনি করেছেন রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে। তাহলে জিজ্ঞাস করা যেতে পারে বাংলাদেশে ব্যাংকের অনুমতি ব্যতিত মালয়েশিয়া সেকেন্ড হোমে জনাব চুপ্পুর ১৫০,০০০ রিংগিত ও দুবাইর ব্যবসায় বিনিয়োগ কি বৈধ?
এবং তিনি যদি আনুগত্য মেনে অর্থের বিনিময়ে, তৃতীয় একটি দেশের পাসপোর্টও গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে কি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে বহাল থাকা তারপক্ষে সম্ভব হবে?
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে মোঃ শাহাবউদ্দিন চুপ্পুকে কখনোই এত বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি।

Photos from Educated, Enlightened & Developed Bangladesh -  আলোকিত ও উন্নত বাংলাদেশ's post 27/08/2024

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের Nanomaterials and Ceramic Engineering (NCE) বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান এবং বর্তমান অধ্যাপক ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যার কে আমি বুয়েটের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করছি।

ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যার বুয়েটের Metallurgical Engineering ডিপার্টমেন্ট থেকে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট পজিশন নিয়ে বিএসসি করেন ১৯৮৬ সালে। মাস্টার্সও করেন একই বিভাগ থেকে। পরবর্তীতে ২য় মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন ইংল্যান্ডের The University of Manchester থেকে যথাক্রমে ১৯৯১ এবং ১৯৯৫ সালে।

ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যার যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ স্কলারশিপ /Commonwealth Scholarship নিয়ে পড়াশুনা ও গবেষণা করে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন ইংল্যান্ডের The University of Manchester থেকে।

১৯৮৯ সালে লেকচারার পদে বুয়েটে জয়েন করার মধ্য দিয়ে কাজ করে ফুল প্রফেসর হন ২০০৫ সালে। পরবর্তীতে ২০১০ সালে বুয়েটে Glass and Ceramic Engineering/ গ্লাস এন্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং নামে নতুন ডিপার্টমেন্ট চালু হওয়ার পর উনাকে ঐ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বর্তমানে একই বিভাগে সফলতার সাথে অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন যদিও বিভাগের বর্তমান নাম Nanomaterials and Ceramic Engineering (NCE)।

ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যারের সিভিতে পাবলিশ করা আর্টিকেল সংখ্যা দেখা যাচ্ছে ৬৪ যদিও সিভিটা আপডেট নাই সম্ভবত। গুগুল স্কলার সাইটেশন দেখা যাচ্ছে 3694. তার মধ্যে H-index 18 আর i10-index 121. তাই নিশ্চিত করেই বলা যায় উনি ভালো মানের একজন গবেষক।
এখানে উল্লেখ্য যে, গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ড. নিয়াজ আহমেদ খান স্যারের গুগুল স্কলার সাইটেশন 3534.

আমি বুয়েটের রসায়ন বিভাগ এমফিল ডিগ্রীর ছাত্র থাকাকালীন প্রায় ৩ বছর দেখেছি ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যারকে। আমার এমফিল ডিগ্রীর কাজের সময় আমার গবেষণার অনেক গুলো স্যাম্পলের ডাটা নিয়েছি উনার বিভাগ/ল্যাব থেকে। উল্লেখ্য যে, ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যারের Nanomaterials and Ceramic Engineering (NCE) এ অনেক আধুনিক যন্ত্রপাতি/মেশিনারিজ আছে সেই প্রথম থেকেই। আমি ২০১২-২০১৪ সালের দিকে আমার তখনকার গবেষণা কাজের অনেকগুলো স্যাম্পলের SEM, EDX, TGA DTA সহ আরও কিছু ডাটা নিয়েছি কয়েকমাস ধরে। তখন ঐসব ডাটা নেওয়া, মেশিন ইউজ করা সংক্রান্ত কাজে স্যারের কাছাকাছি থেকে কথা এবং আলোচনা হয়েছে। যখনই বিভাগের ভেতরে যেতাম সবসময় দেখতাম বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক অথবা ছাত্রছাত্রীদের সাথে গবেষণার কোন না কোন বিষয় নিয়ে আলোচনায় মগ্ন থাকতে।
বুয়েটের রসায়ন বিভাগের নিচে, বিল্ডিং এর প্রবেশ মুখেই Nanomaterials and Ceramic Engineering (NCE) বিভাগ। আমি দিনে রাতে যখনই আমার ল্যাবের কাজ করতে যেতাম অনেক সময়ই দেখা হতো উনার সাথে।

তাছাড়া উনার বিভাগের সাথেই বিল্ডিং এর নীচ তলায় ছিল একটা নামাজের জায়গা। যোহর, আসর বা মাগরিব যখনই আমি ঐখানে নামাজ পড়তে গিয়েছি প্রায় সময়ই উনাকে পেয়েছি সবার সাথে নামাজ পড়তে। নামাজ শেষেই আবার চলে যেতেন উনার বিভাগে। তাই আমার মনে হয়েছে উনি দিনে রাতে প্রায় সবসময় উনার বিভাগেই থাকতেন গবেষণার কাজ করার জন্য এবং নতুন একটা বিভাগকে কিভাবে দাঁড় করাতে হয় সেইসব প্রচেষ্টা বাস্তবায়নের জন্য। আমি যতটুকু জানি স্যার একজন প্র্যাক্টিসিং মুসলমান।

গত ২-৩ দিন একটু দেখার চেষ্টা করেছি উনার ডিপার্টমেন্টের বর্তমান কাজকর্ম সম্পর্কে। অনলাইনে। দেখলাম প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই ১৪ বছরে উনার Nanomaterials and Ceramic Engineering (NCE) বিভাগটাকে একটা অন্যরকম লেভেলে এনে দাঁড় করিয়েছেন। যদিও এর মধ্যে প্রায় ১০ বছর ধরে আমি দেশের বাহিরে এবং এই ১০ বছরে কখনো স্যারের সাথে আমার কোন কথাও হয় নাই। বিভাগটাতে শিক্ষক হিসাবে যারা আছেন সবাই যথেষ্ট যোগ্যতা সম্পন্ন। অন্যান্য শিক্ষকসহ স্যারের নিজের ডাটা এবং ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া সিভি দেখলেই বুঝা যায় খুবই ভালো মানের গবেষণা এবং কাজকর্ম করে যাচ্ছেন সবাই মিলে। বিস্তারিত আপনারাও দেখতে পারেন নিচে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে।
তাছাড়া যতদিন উনাকে আমি দেখেছি তাতে যথেষ্ট ছাত্র এবং শিক্ষক বান্ধব বলে মনে হয়েছে আমার।
এজন্যে ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যারের সব ধরনের কাজকর্ম পর্যালোচনা করে আমি উনাকে একজন ভালো গবেষক এবং একজন সৎ ও আদর্শ মানুষ হিসেবে মনে হয়েছে।

তাই সবকিছু বিবেচনা করে দেশের সার্বিক উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে আর দেশের একটা অন্যতম প্রধান একটা বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের হাজার হাজার ছেলেমেয়েদের উন্নতমানের শিক্ষা ও গবেষণা তথা উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে একজন যোগ্য মানুষ মনে করে আমি ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যারকে বুয়েটের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ও অন্যান্য উপদেষ্টা মহোদয় এবং দেশ প্রেমিক ছাত্রজনতা সহ দেশ বিদেশের সবার কাছে সবিনয় আবেদন রাখলাম। দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে সরকারের কাছে এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত পরামর্শ।

আমার বিশ্বাস, ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যার ৪ বছরের ভিসি/উপাচার্য কালীন সময়েই বুয়েট কে দেশ ও বিদেশের মাটিতে শিক্ষা ও গবেষণায় আরও ভালো এবং উচ্চ লেভেলে তুলে আনতে এবং একটা অন্যতম অবস্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন।

ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যারের বিস্তারিত ইনফরমেশন নিচের লিঙ্কগুলোতে পাবেন। দেখে নিতে পারেন।

Google Scholar link:
https://scholar.google.com/citations?hl=en&user=m22CCfgAAAAJ&view_op=list_works&sortby=pubdate
Nanomaterials and Ceramic Engineering (NCE) বিভাগের লিঙ্কে-
https://nce.buet.ac.bd/

আপনাদের সবার কাছে আমার প্রত্যাশা, আপনারা নিজে ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম স্যারের গবেষণা এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে উপরের তথ্য এবং অন্যান্য জায়গা থেকে সংগৃহীত বিস্তারিত তথ্য দেখে ও ভালভাবে জেনেশুনে যদি আমার এই উপরে দেওয়া প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করেন তাহলে আমার এই আবেদন সরকারের কাছে বা সংশ্লিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো।

বিনীত নিবেদক
ড. মোঃ আশরাফুল আলম
পোস্টডক্টরাল গবেষক, জাপান।
এবং সহকারী অধ্যাপক (সাবেক, IUBAT, উত্তরা, ঢাকা।

বিএসসি ও এমএস, রসায়ন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
এমফিল, রসায়ন বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়/বুয়েট, ঢাকা।
পিএইচডি, ইওয়াতে/Iwate বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান।

Photos from Educated, Enlightened & Developed Bangladesh -  আলোকিত ও উন্নত বাংলাদেশ's post 27/08/2024

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আতিয়ার রহমান স্যার কে আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করছি।

ড. আতিয়ার রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট থেকে ফার্স্ট ক্লাসসহ অনার্স এবং মাস্টার্স করেছেন ১৯৯৬ এবং ১৯৯৮ সালে।
ড. আতিয়ার জাপান সরকারের মনবুশো/MEXT স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশুনা ও গবেষণা করে পিএইচডি অর্জন করেছেন ২০০৬ সালে জাপান থেকে। পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে জব করেছেন ২ বছর ।

২০০৪ সালে লেকচারার পদে জয়েন করার মধ্য দিয়ে কাজ করে আসছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি এবং মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে। ২০১৯ সালে ফুল প্রফেসর এবং বর্তমানে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কাজ করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকা অবস্থায় ড. আতিয়ার অনেক বিতর্ক অনুষ্ঠান করতেন, অনেক পুরস্কার পেয়েছেন ছাত্রজীবনে।

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান পৃষ্ঠপোষক সংগঠন বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি দ্বারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র এবং প্রথম ফেলো।

বর্তমান সময়ে ড. আতিয়ার একজন খুবই ভালো মানের গবেষক। উনার ছাত্রছাত্রীরা দেশে বিদেশে এমনকি জাপান আমেরিকাতেও পিএইচডি এবং পোস্টডক গবেষক হিসেবে কাজ করছে।

উনার গবেষণায় এ পর্যন্ত গুগুল স্কলার সাইটেশন 3229. H-index 30 i10-index 93. যারা গবেষণায় আছেন ভালো করে বুঝবেন এ পর্যন্ত আসা কতটা কঠিন কাজ।
এখানে উল্লেখ্য যে, গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ড. নিয়াজ আহমেদ খান স্যারের গুগুল স্কলার সাইটেশন 3534.

ড. আতিয়ার শুধু একজন ভালো গবেষকই নন। একজন ভালো সংঘটক। ছাত্রদের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন দুর্যোগ বা বিপদে সবসময় এগিয়ে এসেছেন। শুধু গবেষণায় নয়, দেশ বিদেশের অন্যান্য বিষয়েও উনি অনেক জ্ঞান রাখেন। স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব জায়গায় বিতর্ক অনুষ্ঠানগুলোতে জনপ্রিয় ছিলেন। তাছাড়া দেশের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজের হাতে বিভিন্ন জেলাতে সাহায্য সহযোগিতা করা সহ দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতেও সশরীরে উপস্থিত থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছেন।

দেশ বিদেশের ৩টা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পড়াশুনা এবং গবেষণা করার অভিজ্ঞতা থেকে আর একটা বিষয় এখানে শেয়ার করছি। যে কোন বড় প্রতিষ্ঠানে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গাগুলোতে সবসময় ভেতর এবং বাহিরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা প্রায় লেগেই থাকে বিশেষ করে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের মধ্যে কোন্দল, আন্দোলন ও রাজনৈতিক আন্দোলনের মতো ঘটনা প্রায়ই ঘটতে দেখা যায়। এই ধরনের সমস্যা আর বিপদগুলো বেশিরভাগ সময়েই বলেকয়ে আসে না, হতে পারে সকালে, বিকালে এমনকি গভীর রাতে যখন কিনা একজন সৎ ও সাহসিক এবং মানসিক ও শারীরিকভাবে যোগ্যতা সম্পন্ন একজন মানুষের দরকার হয় এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো সফলতার সাথে সামলানো এবং সমাধান দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি, এ যোগ্যতাগুলোও ড. আতিয়ার রহমান স্যারের মধ্যে আছে।

স্যারের সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন সম্পর্ক নাই। আমার এলাকা আর উনার এলাকা দেশের এ মাথায় আর ঐ মাথায়। উনার জেলা সম্ভবত যশোর আর আমার ময়মনসিংহ। তাই উনার সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন সম্পর্ক নাই আর ব্যক্তিগত কোন বেনিফিট বা লাভের কারণেও আমি উনার নাম প্রস্তাব করছি না। এমনকি আমি যে আজকে এ প্রস্তাব করছি এ বিষয়েও স্যার কিছুই জানেন না এবং উনার সাথে এ বিষয়ে কোন যোগাযোগও হয় নাই। তবে আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ছাত্র থাকা অবস্থায় ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশে থাকা অবস্থায় আর বর্তমানে আমার প্রায় ১০ বছর জাপানে থাকার সময় পর্যন্ত সব মিলিয়ে ২০ বছর ধরে আমি উনাকে চিনি এবং জানি। আমার দেশে ও বিদেশে থাকা অবস্থায় কয়েকবার গবেষণা সংক্রান্ত কাজে/আলোচনায় সরাসরি এবং অনলাইন প্লাটফর্মে মিটিং এ দেখা/কথা হয়েছে উনার সাথে। তাই, এ পর্যন্ত স্যারের সব ধরনের কাজকর্ম পর্যালোচনা করে আমি উনাকে একজন ভালো গবেষক, ভালো সংগঠক এবং একজন সৎ ও আদর্শ মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি।

তাই সবকিছু বিবেচনা করে দেশের সার্বিক উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে আর দেশের হাজার ছেলেমেয়েদের উন্নতমানের শিক্ষা ও গবেষণা তথা উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে একজন যোগ্য মানুষ মনে করে আমি ড. আতিয়ার রহমান স্যারকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ও অন্যান্য উপদেষ্টা মহোদয় এবং দেশ প্রেমিক ছাত্রজনতা সহ দেশ বিদেশের সবার কাছে সবিনয় আবেদন রাখলাম। এটা আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ সরকারের কাছে।

আমার বিশ্বাস, ড. আতিয়ার রহমান স্যার ৪ বছরের ভিসি/উপাচার্য কালীন সময়েই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশ ও বিদেশের মাটিতে একটা অন্যতম অবস্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন।

ড. আতিয়ার রহমান স্যারের বিস্তারিত ইনফরমেশন নিচের লিঙ্কগুলোতে পাবেন। দেখে নিতে পারেন।
Google Scholar link:
https://scholar.google.com/citations?hl=en&user=Hrbt-8QAAAAJ&view_op=list_works&sortby=pubdate
Research Gate link:
https://www.researchgate.net/profile/Md-Atiar-Rahman
Google এ খোঁজে দেখতে পারেন উনার সম্পর্কে লিচের লিঙ্কে-
https://search.yahoo.com/search?fr=yset_bnr_chr_win&type=searchsetv2Aug27&extInst=1&p=dr+atari+rahman+chittagong+university
ফেইচবুক আইডি লিঙ্ক-
স্যারের নিজের সম্পর্কে উনার লেখা কিছু ইনফরমেশন শেয়ার করার লিঙ্ক-
https://www.facebook.com/atiar.rahman.1975/posts/10161516857582162

সবার কাছে আমার আবেদন, আপনারা নিজে ড. আতিয়ার রহমানের গবেষণা এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে উপরের তথ্য এবং অন্যান্য জায়গা থেকে সংগৃহীত বিস্তারিত তথ্য দেখে ও ভালভাবে জেনেশুনে যদি আমার এই উপরে দেওয়া প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করেন তাহলে আমার এই আবেদন সরকারের কাছে বা সংশ্লিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো। প্লিজ।

বিনীত নিবেদক
ড. মোঃ আশরাফুল আলম
পোস্টডক্টরাল গবেষক, জাপান।
এবং সহকারী অধ্যাপক (সাবেক), IUBAT, উত্তরা, ঢাকা।

বিএসসি ও এমএস, রসায়ন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
এমফিল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়/বুয়েট, ঢাকা।
পিএইচডি, ইওয়াতে/Iwate বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka