বাস্তব গল্প - ০.১ পৃষ্ঠা

বাস্তব গল্প - ০.১ পৃষ্ঠা

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাস্তব গল্প - ০.১ পৃষ্ঠা, Habiganj Sadar.

আসসালামু আলাইকুম। ❤️🥰
বাস্তব গল্প - ০.১ পৃষ্ঠা পেইজে... আপনাকে স্বাগতম।
সত্য এবং বাস্তব গল্প পেতে পেইজে ফলো করুন।⤵️

বিষয় সমূহ রচিত হবে যেমন- [ প্রেম, বিচ্ছেদ, রাজনৈতিক, সামাজিক... ব্যাক্তি সফলতা, ব্যর্থতা ইত্যাদি ] গল্প গুলো তুলে দরা হবে, পাশে থাকুন।

25/05/2026

আজকের মতো বিমান, দ্রুতগামী যানবাহন কিংবা সহজ যোগাযোগব্যবস্থা তখন ছিল না। তবু শত শত বছর আগে আফ্রিকার নানা অঞ্চল থেকে অসংখ্য মুসলমান রওনা হতেন হজের উদ্দেশ্যে- এক এমন যাত্রায়, যা শুধু দূরত্ব নয়, ধৈর্য, ত্যাগ আর ঈমানেরও পরীক্ষা ছিল।

তাদের অনেককে পাড়ি দিতে হতো প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার পথ।

এই সফর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের ছিল না, অনেকের ক্ষেত্রে এই হজযাত্রা বহু বছরের দীর্ঘ অভিযাত্রা হয়ে উঠত।

তারা মরুভূমি পেরিয়ে এগিয়ে যেতেন। সঙ্গে থাকত গবাদিপশু, যা পথের খাবার ও বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কেউ কেউ পুরো জীবনজুড়ে অর্থ সঞ্চয় করতেন শুধু একবার মক্কায় পৌঁছানোর স্বপ্নে।

পথের বিভিন্ন স্থানে মুসলিম শাসক ও দানশীল মানুষদের তৈরি কূপ, সরাইখানা ও আশ্রয়কেন্দ্র ছিল হজযাত্রীদের বড় ভরসা। আল্লাহর মেহমানদের সেবা করাকে তারা ইবাদতের অংশ হিসেবেই দেখতেন।

অনেক হজযাত্রী দুই বছর পর নিজ দেশে ফিরতেন। আবার কেউ কেউ কায়রো, দামেস্কের মতো শহরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতেন জ্ঞান অর্জনের জন্য। এরপর দেশে ফিরে তারা 'হাজি' উপাধিতে সম্মানিত হতেন।


25/05/2026

একজন সফল ও স্বনামধন্য ডাক্তার, যার নিজের কোনো গাড়ি নেই, আধুনিক স্মার্টফোন নেই, জীবনে কোনো বিলাসিতাও নেই! তিনি চাইলেই পারতেন বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে, কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় বেছে নিয়েছিলেন এক অন্যরকম জীবন। 🩺❤️

বলছি মিশরের ডা. মুহাম্মদ মাশালির কথা, যিনি বিশ্বজুড়ে "গরিবের ডাক্তার" (Doctor of the Poor) নামে পরিচিত। ১৯৬৭ সালে কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেডিসিন নিয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, টাকার অভাবে কোনো মানুষের চিকিৎসা যেন কখনো বন্ধ না হয়।

তার সম্পর্কে কিছু তথ্য:
১. দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি মিশরের তান্তা শহরের একটি অতি সাধারণ ক্লিনিকে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী দেখতেন।

২. তার ভিজিট ছিল মাত্র ৫ থেকে ১০ ইজিপ্সিয়ান পাউণ্ড (যা বাংলাদেশি টাকায় খুবই সামান্য)! যাদের এই টাকা দেওয়ারও সামর্থ্য ছিল না, তাদের তিনি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিতেন।

৩. এখানেই শেষ নয়, অনেক সময় অসহায় রোগীদের ওষুধ কেনার টাকাও তিনি নিজের পকেট থেকে দিয়ে দিতেন।

একবার এক ধনী আরব ব্যক্তি তাকে বিশাল অঙ্কের টাকা, একটি নতুন গাড়ি এবং একটি সর্বাধুনিক ক্লিনিক উপহার দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ডা. মাশালি সেই প্রস্তাব অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ফিরিয়ে দেন। তিনি অনুরোধ করেছিলেন, ওই বিপুল পরিমাণ টাকা যেন এতিমখানা এবং গরিব রোগীদের চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার কাজে ব্যয় করা হয়।

এই মহান চিকিৎসক বলতেন, "আমার কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার টাকা নয়, বরং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর একজন সাধারণ মানুষের মুখের হাসি।" ২০২০ সালে ৭৬ বছর বয়সে তিনি মা/রা যান। তিনি নিজের জন্য কোনো সম্পত্তি বা ব্যাংক ব্যালেন্স রেখে যাননি, কিন্তু রেখে গেছেন সমবেদনা আর মানবতার এক বিশাল উত্তরাধিকার। 🌿

25/05/2026

🤍🖤❤️

25/05/2026

তোমার প্রিয় বান্দাদের সাথে আরাফার ময়দানে—আমাকেও শামিল করে নিও প্রিয় রব। 🤗🕋🕌🤍

21/05/2026
21/05/2026

দক্ষিণ এশিয়ার তিন মেয়ে, রক্তের রাজনীতি আর এক নিষ্ঠুর নিয়তি!
সেই পুরনো কথা: ব্রিটিশ পত্রিকার সেই কড়া ভবিষ্যদ্বাণী

🔹 আজ থেকে ২০-২২ বছর আগের কথা। নাইন-ইলেভেনের পর পুরো দুনিয়া যখন উগ্রবাদের আতঙ্কে কাঁপছিল, তখন ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ আর ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর মতো বড় বড় ব্রিটিশ পত্রিকা একটা মারাত্মক কথা বলেছিল।

🔹 তারা লিখেছিল—দক্ষিণ এশিয়াকে যদি উগ্রবাদ আর ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হয়, তবে তিনজন ধর্মনিরপেক্ষ আর লড়াকু নারী নেত্রীর কোনো বিকল্প নেই। তারা হলেন আমাদের বাংলাদেশের শেখ হাসিনা, পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টো আর ভারতের সোনিয়া গান্ধী। পশ্চিমা দুনিয়া ভাবত, এই তিন নারীই হচ্ছে এই অঞ্চলের শান্তির শেষ দেয়াল।

🔹 কিন্তু আজ দুই দশক পর পেছনে তাকালে বুকটা কেঁপে ওঠে। এই শান্তির দেয়াল হতে গিয়ে, উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে এই তিন শক্তিমান নারীকে কী নির্মম মূল্য চোকাতে হয়েছে, তা ভাবা যায় না!

💔 তিন নেত্রীর কপাল: রক্ত, খাঁচা আর নির্বাসন
কাগজে-কলমে লেখা সেই ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবতার মাটিতে এসে একেকজনের জীবনে একেক রকম রূপ নিল:

💥 বেনজির ভুট্টো (রক্তে ভেজা বিদায়): পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত, আধুনিক বেনজির ছিলেন উগ্রবাদীদের এক নম্বর টার্গেট। তিনি নিজেই জানতেন তাকে মেরে ফেলা হবে, তাও মাঠ ছাড়েননি। ফলাফল? ২০০৭ সালের এক শীতের বিকেলে, রাওয়ালপিন্ডির জনসভা শেষে উগ্রবাদীদের বোমা আর গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গেল তার শরীর। বেনজিরের মৃত্যুর সাথে সাথেই পাকিস্তানের বুক থেকে শান্তির স্বপ্নটাও হারিয়ে গেল।

🛡️ সোনিয়া গান্ধী (অদৃশ্য খাঁচার জীবন): চোখের সামনে শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধী আর স্বামী রাজীব গান্ধীকে উগ্রবাদীদের হাতে টুকরো টুকরো হতে দেখেছেন। সোনিয়া গান্ধী নিজে প্রধানমন্ত্রী না হলেও ভারতের ক্ষমতার আসল চাবিকাঠি ছিল তার হাতেই। উগ্রবাদীদের এত হুমকি ছিল যে, ভারতের ইতিহাসে তাকে সবচেয়ে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে (SPG Security) আটকে রাখা হয়েছিল। তিনি হয়তো বুলেটের হাত থেকে বেঁচে গেছেন, কিন্তু সারাটা জীবন তাকে কাটাতে হয়েছে এক অদৃশ্য খাঁচায়, প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর ভয় সাথে নিয়ে।

🎯 শেখ হাসিনা (১৯ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা): এই তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা আর সরাসরি লড়াইটা লড়েছেন শেখ হাসিনা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাসহ অন্তত ১৯ বার তাকে পুড়িয়ে, উড়িয়ে বা গুলি করে মারার চেষ্টা হয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা নিজেদের জীবন দিয়ে মানবঢাল বানিয়ে তাকে বাঁচিয়েছেন। ভারত আর পশ্চিমাদের চোখে তিনিই ছিলেন এ দেশের উগ্রবাদ দমনের ‘আয়রন লেডি’।

🇺🇸 ২০২৪: 'গণঅভ্যুত্থান' নাকি আমেরিকার সাজানো ছক?
🔹 কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে এসে পুরো সমীকরণটা এক রাতে উল্টে গেল। শুরুতে আমাদের অনেকের মনে হয়েছিল এটা বুঝি সাধারণ ছাত্র-জনতার একটা আবেগের গণঅভ্যুত্থান। আমরা অনেকেই আবেগে ভেসে রাস্তায় নেমে গিয়েছিলাম। কিন্তু আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে যখন এক এক করে ডালপালা মেলছে, তখন পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে—সেটা আসলে সাধারণ কোনো আন্দোলন ছিল না! এটা ছিল পুরোপুরি আমেরিকার সাজানো একটা 'কালার রেভ্যুলিউশন' (Color Revolution) বা ক্ষমতার নিখুঁত পালাবদল। সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে পুঁজি করে ওয়াশিংটন তার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।

🔹 আর এই ক্ষমতার পালাবদলের চড়া মূল্য এখন দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। আমেরিকার কাছে একে একে দেশের অনেক কিছু নাকি ইতিমধ্যেই সঁপে দেওয়া হয়েছে:

সেন্টমার্টিন ও বন্দর: বঙ্গোপসাগরের নিয়ন্ত্রণ আর সেন্টমার্টিন দ্বীপে মার্কিন আধিপত্যের যে বহু বছরের লোভ ছিল, সেটা এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়।

গোয়েন্দা তথ্য ও GSOMIA চুক্তি: আমেরিকার বহুদিনের আবদার ছিল GSOMIA চুক্তিতে সই করা, যার মাধ্যমে দেশের ভেতরের সামরিক গোয়েন্দা তথ্য সরাসরি তাদের হাতে চলে যায়। সাথে আছে ACSA/ARCA চুক্তি, যা দিয়ে তারা আমাদের বন্দর আর লজিস্টিক সুবিধা নিজেদের মতো ব্যবহার করতে পারবে। দেশের সার্বভৌমত্ব আজ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, তা ভাবলে গা শিউরে ওঠে!

📈 পপুলিজমের ফাঁদ আর শেখ হাসিনার সেই চিরচেনা 'কামব্যাক'
🔹 ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সত্য হলো—একটা সরকারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া যত সহজ, একটা দেশ চালানো তার চেয়ে হাজার গুণ কঠিন। ২০২৪-এর পর যারা ক্ষমতায় বসলো, আর যারা পেছনে থেকে পপুলিস্ট (জনতুষ্টিবাদী) রাজনীতি করছে, তারা দেশের অর্থনীতি আর শাসনব্যবস্থাকে এক চরম যাতাকলে পিষে ফেলেছে।

🔹 যে স্বৈরাচার বা স্বেচ্ছাচারিতার দোহাই দিয়ে আগের সরকারকে নামানো হলো, এখনকার অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা আর দলগুলো তার চেয়েও বেশি স্বেচ্ছাচারী আর অগোছালো হয়ে উঠেছে। মানুষের মনের ভেতরের সেই আবেগ এখন চরম হতাশায় রূপ নিয়েছে। দেশের এই ‘শাসনহীন শূন্যতা’ আর হাহাকারই এখন মানুষের মনে ‘অতীতের সেই ভালো দিনগুলোর’ প্রতি টান তৈরি করছে। আর রাজনীতিতে এই শূন্যতাই সবসময় মাইনাস হওয়া শক্তিকে হিরোর মতো ফিরিয়ে আনে।

🔹 ঠিক এই কারণেই আজ শেখ হাসিনা দিল্লির নিরাপদ আশ্রয়ে বসে বুক ফুলিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন আর হুংকার ছাড়ছেন—"আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশে ফিরব!" এই লড়াকু মানসিকতার ব্যাখ্যা লুকিয়ে আছে ইতিহাসের পাতায়:

🔥 সারভাইভার মেন্টালিটি: ১৯৭৫ সালে পুরো পরিবার হারানো আর ১৯ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা এই নারী দমে যাওয়ার পাত্র নন। তিনি একজন জাত পলিটিক্যাল সারভাইভার। প্রতিপক্ষের ভুলের জন্য ওত পেতে থাকাটা তার মজ্জাগত।

🌍 ভূ-রাজনৈতিক ঢাল: দিল্লির সমর্থন তার পেছনে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমান সরকারের এই চরম ব্যর্থতা আর আমেরিকার এই নগ্ন থাবা মূলত দিল্লির সেই পুরনো কথাকেই আন্তর্জাতিক মহলে সত্যি প্রমাণ করছে—যে, "শেখ হাসিনা ছাড়া এই দেশে স্থিতিশীলতা রাখার ক্ষমতা আর কারও নেই।"

⏳ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: উপমহাদেশে এটা নতুন কিছু নয়। ১৯৭৭ সালে ইমার্জেন্সি জারি করার অপরাধে ভারতের মানুষ ইন্দিরা গান্ধীকে লাথি মেরে ক্ষমতা থেকে তাড়িয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সরকারের চরম ব্যর্থতা আর কামড়াকামড়ির সুযোগ নিয়ে ঠিক ৩ বছরের মাথায় ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী আবার রাজার মতো ক্ষমতায় ফিরে এসেছিলেন। পাকিস্তানে বেনজির ভুট্টোও বারবার নির্বাসন থেকে হিরোর মতো ব্যাক করেছিলেন।

📌 শেষ কথা
🔹 ২০০১ সালে ব্রিটিশ মিডিয়া যা বলেছিল, ২০২৪ সালের পর তার রূপ আজ সম্পূর্ণ অন্যরকম। লড়াইটা এখন আর ভেতরের কোনো উগ্রবাদ বনাম ধর্মনিরপেক্ষতার নয়; লড়াইটা এখন বিশ্ব মোড়লদের নিজেদের আধিপত্যের প্রক্সি ওয়ার।

🔹 বর্তমান ব্যবস্থার এই সস্তা পপুলিজম আর দেশ চালাতে না পারার ব্যর্থতা যদি সাধারণ মানুষকে ন্যূনতম শান্তি আর স্বস্তি দিতে না পারে, তবে শেখ হাসিনার এই "ফিরে আসার" ঘোষণা শুধু মুখের কথা হয়ে থাকবে না। এটা বাস্তবে রূপ নেওয়া এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ক্ষমতার খেলা কতটা রক্তক্ষয়ী আর ভবিষ্যৎ কতটা গোলমেলে—এই তিন মেয়ের গল্পই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

💬 আপনার কী মনে হয়? আমেরিকার এই কালার রেভ্যুলিউশন আর একের পর এক দাসত্বমূলক চুক্তি কি আমাদের চিরকালের জন্য পরনির্ভরশীল করে দিল? আর এই চরম ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর মতোই কি শেখ হাসিনার এক রাজকীয় প্রত্যাবর্তন আমরা দেখতে যাচ্ছি? আপনার মন কী বলে? কমেন্টে জানান। 👇

#রক্তেররাজনীতি #শেখহাসিনা #দক্ষিণএশিয়া #ভূরাজনীতি #কালাররেভ্যুলিউশন #বাস্তবতা

01/05/2026

আমাদের সামনে আজ এক অদ্ভুত মরীচিকা। বিএনপি নামক এক বিচিত্র রাজনৈতিক সত্তা। তাদের রাজনীতি দেখলে মনে হয়, তারা একই সাথে উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরুতে বসবাস করতে চায়।

আমি অবাক হই যখন দেখি তারা এক মুখে মুক্তিযুদ্ধের জয়গান গায়, আর অন্য হাতে পরম মমতায় কুখ্যাত রাজাকারের গাড়িতে আমার ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা পবিত্র জাতীয় পতাকা তুলে দেয়।

কথায় বলে "নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস।" বিএনপির অবস্থাও তাই। তারা বাংলাদেশে রাজনীতি করে, বাংলাদেশের আলো-বাতাস গ্রহণ করে, অথচ তাদের হৃদপিণ্ডটা স্পন্দিত হয় ওই সীমান্তের ওপারে থাকা ইসলামাবাদের ইশারায়।

আমি তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, এক নৌকায় দুই পা দিয়ে যমুনা পাড়ি দেওয়া যায় না। মাঝপথে ডুবে মরাই আপনাদের ভবিতব্য।

এই যে আদর্শহীনতার রাজনীতি, এই যে সুবিধাবাদের জগাখিচুড়ি জনগণ কি এগুলো বোঝে না? আপনাদের এই চরম বৈপরীত্য ইতিহাসের পাতায় এক কলঙ্কিত অধ্যায় হয়ে থাকবে।

সূর্যের আলো কি আঙুল দিয়ে ঢাকা যায়?

সবচেয়ে হাস্যকর আর ধৃষ্টতাপূর্ণ বিষয় কী জানেন? তারা নাকি ইতিহাস সংশোধন করবে। তারা সংবিধান থেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই বজ্রকণ্ঠের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ মুছে ফেলতে চায়।

৭ই মার্চের ভাষণ কোনো সাধারণ বক্তৃতা নয়। ওটি বাঙালির মুক্তির সনদ, ওটি একটি জাতির জন্ম শোভাযাত্রার রণ সংগীত।

বিশ্বের মানচিত্রে যেদিন "বাংলাদেশ" নামক এই বদ্বীপের উদয় হয়েছিল, তার নেপথ্যে ছিল ওই ১৮ মিনিটের এক মহাকাব্য। যে ভাষণ আজ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে স্থান পেয়ে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ, তাকে আপনারা ডাস্টবিনে ফেলার স্পর্ধা দেখান?

ইতিহাসের আয়নায় নিজেদের চেহারাটা একবার দেখুন। আপনাদের দলের কর্ণধার মেজর জিয়াউর রহমান নিজেই এককালে গর্ব করে লিখেছিলেন যে, ৭ই মার্চের ভাষণই ছিল তাঁর কাছে 'গ্রিন সিগন্যাল' বা যুদ্ধের সবুজ সংকেত। আজ আপনারা সংবিধান থেকে সেই ভাষণ মুছে দিয়ে আসলে কার অস্তিত্বকে অস্বীকার করছেন? নিজেদের নেতার দাবিকেই কি মিথ্যা প্রমাণ করছেন না? এর চেয়ে বড় রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব আর কী হতে পারে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেবল একজন নেতা নন, তিনি একটি দেশ, তিনি একটি পতাকা, তিনি একটি মানচিত্র। সূর্যের আলো যেমন হাত দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না, বঙ্গবন্ধুকেও তেমনি বাংলার ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা অসম্ভব। ৭ই মার্চের সেই বজ্রকণ্ঠ ছিল কোটি বাঙালির হৃদস্পন্দন।

পৃথিবীর ইতিহাসে কিছু সৃষ্টি কেবল একবারই হয়। মাইকেলেঞ্জেলোর 'ডেভিড' কিংবা বেটোভেনের 'নাইন্থ সিম্ফনি' দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করা অসম্ভব। ঠিক তেমনি, ৭ই মার্চের সেই প্রকম্পিত রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে একটি জাতির ভাগ্য বিধাতা যখন বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" সেই কালজয়ী মুহূর্তটি মহাকালের পাতায় একবারই এসেছিল।

এটা কোনো সাধারণ বক্তৃতা ছিল না, ওটা ছিল একটি জাতির জন্মান্তরের গর্জন। হিমালয়সম উচ্চতার সেই মানুষটি যখন তর্জনী উঁচিয়ে কথা বলতেন, তখন সাত সমুদ্র তেরো নদী ওপারে শাসকের সিংহাসন থরথর করে কাঁপত। সেই শব্দব্রহ্মকে আপনারা মুছে দেবেন?

আপনারা আজ ক্ষমতায় আছেন বলে ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন। কলমের এক খোঁচায় কাগজ থেকে শব্দ মুছতে পারবেন, কিন্তু ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ে খোদাই করা নাম মুছে ফেলার শক্তি কি আপনাদের আছে?

মনে রাখবেন, এই সংসদ ভবন দাঁড়িয়ে আছে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে রঞ্জিত মাটির ওপর। ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে কেনা এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে যখন আপনারা পাকিস্তানকে খুশি করার জন্য ইতিহাস বিকৃতির নীল নকশা করেন, তখন সেই শহীদদের আত্মা আপনাদের অভিশাপ দেয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আপনাদের ক্ষমা করবে না। ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েই হবে আপনাদের শেষ ঠিকানা।

©️ adnan walid ratul

19/04/2026

রাশেদ প্রধানের অবস্থা দেখুন—হাফ প্যান্ট পরা। আওয়ামী আমলে গাজী গ্রুপ থেকে সুযোগ-সুবিধা নিত। গাজী গ্রুপের মালিক আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী।

রাশেদ প্রধান এখন বড় পাঞ্জাবি পরে ইসলামের কথা বলে। জামাতের আমির শফিকুর রহমানের কাছের লোক। রাশেদ প্রধান নারীদের নিয়ে মদের আসর বসাত—সেই রাশেদ প্রধান এখন জামাতের আমিরের সঙ্গে থেকে ইসলামের কথা বলে।

ভণ্ড—সবগুলোই দেখি দিনশেষে জামাতে এসে যোগ দেয়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Habiganj Sadar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Habiganj Sadar