08/04/2021
শিশু বক্তার মোবাইলে সানি লিওনের পর্ণ!
কিছু ভিডু হপে🤗
মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নে আপোষহীন f
08/04/2021
শিশু বক্তার মোবাইলে সানি লিওনের পর্ণ!
কিছু ভিডু হপে🤗
06/04/2021
শুধু নারী নিয়েই ধরা খাওয়া নয় অতীতে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন মামুনুল হক
১৯৯৪ সালে মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসায় মিসকাত/ফজিলত জামাতে শিশু শিক্ষার্থীর সােথ সমকামিতার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে উক্ত মাদ্রাসার এই ছাত্রের সাথে সমকামিতার অভিযোগটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রমাণিত হওয়ায় অত্র মাদ্রাসার নায়েব মুহতামীম (ভাইস প্রিন্সিপাল) মুফতি মানসুরুলহক মাদ্রাসা থেকে তাকে বহিষ্কার করেন।
মামুনুল হক সমকামী হিসেবে কাওমি মাদ্রাসায়ও একজন সমাদৃত ব্যক্তি। ১৯৯৯ সালে কাওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হবার পরেও তিনি এই বিকৃত যৌনাচার থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন নি। মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলাস্থ জামিয়া নিজামিয়া বেতুয়া মাদ্রাসার শিক্ষকতা অবস্থায় নুরুল আলম নামক এক শিক্ষার্থীর সাথে সমকামিতার অভিযোগ উঠে। পরে এই অভিযোগের সত্যতাও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রমাণিত হয়। আর এই কারণে অত্র মাদ্রাসার মুহতামীম (অধ্যক্ষ) মাওলানা মাহমুদুল আলম তার নিজ স্বাক্ষরেই আলোচিত মামুনুল হককে শিক্ষকতা পদথেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
06/04/2021
১৯৯৪ সালে মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসায় মিশকাত/ফজিলত জামাতে শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় একজন শিশু শিক্ষার্থীর সাথে সমকামিতার অভিযোগ ওঠে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেলে অত্র মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামীম (ভাইস প্রিন্সিপাল) মুফতি মানসুরুল হক মাদ্রাসা থেকে তাকে বহিষ্কার করেন।
মামুনুল হক সমকামী হিসেবে কওমি মাদ্রাসাতেও চিহ্নিত একজন ব্যক্তি। ১৯৯৯ সালে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হওয়ার পরেও সে এই বিকৃত যৌনাচার অব্যহত রাখে। সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলাস্থ জামিয়া নিজামিয়া বেতুয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করা অবস্থায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নুরুল আলম নামক একজন শিক্ষার্থীকে বালাৎকারের অভিযোগ ওঠে। পরে এই মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের তদন্তে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা বালাৎকারের অভিযোগ প্রমানিত হলে অত্র মাদ্রাসার মুহতামীম (অধ্যক্ষ) মাওলানা মাহমুদুল আলম তাঁর নিজ স্বাক্ষরেই আলোচিত মামুনুল হককে শিক্ষকতা পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
06/04/2021
শিশু বলৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন মামুনুল হক
১৯৯৪ সালে মামুনুল হকের বিরদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসায় মিশকাত/ফজিলত জামাতে শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় একজন শিশু শিক্ষার্থীর সাথে সমকামিতার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে উক্ত মাদ্রাসার এই ছাত্রের সাথে সমকামিতার অভিযোগটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রমাণিত হওয়ায় অত্র মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামীম (ভাইস প্রিলিপাল) মুফতি মানসুরুল হক মাদ্রাসা থেকে তাকে বহিষ্কার করেন।
মামুনুল হক সমকামি হিসেবে কওমি মাদ্রাসায়ও একজন সমাদৃত ব্যক্তি। ১৯৯৯ সালে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হবার পরেও তিনি এই বিকৃত যৌনাচার থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন নি। মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলাস্থ জামিয়া নিজামিয়া বেতুয়া মাদ্রাসায় শিক্ষক থাকা অবস্থায় নুরুল আলম নামক এক শিক্ষার্থীর সাথে সমকামিতার অভিযোগ ওঠে। পরে এই অভিযোগের সত্যতাও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রমাণিত হয়। আর এই কারণে অত্র মাদ্রাসার মুহতামীম (অধ্যক্ষ) মাওলানা মাহমুদুল আলম তার নিজ স্বাক্ষরেই আলোচিত মামুনুল হককে শিক্ষকতা পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
06/04/2021
মুফতী মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ
‘বড় হুজুর আমাকে ১৫ দিন ধরে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বলাৎকার (ধর্ষণ) করতো। অনেক সময় বাসায় চলে যেতে চাইলে ভয়ভীতি দেখাতো। এই বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে মানাও করতো।’ ঢাকার জামেয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদিসের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলে ১১ বছর বয়সের এক ছাত্র আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার আলমের আদালতে সেই ছাত্রের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
আদালতে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজমল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জবানবন্দি গ্রহণের পাশাপাশি একই দিন অভিযুক্ত শায়খুল হাদিসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
অভিযুক্ত ওই শায়খুল হাদিসের নাম মুফতি মামুনুল হক (৪৫)। তিনি জামেয়া রহমানিয়ার সাবেক মোহতামিম শায়খুল হাদিস আজিজুল হকের পুত্র ও হেফাজতে ইসলামের প্রভাবশালী নেতা। (উনার মরহুম পিতার বিরুদ্ধেও একাধিক ধর্ষণের অভিযোগ ছিল এবং ১৯৯২ সালে বিএনপি সরকার ধর্ষনের অভিযোগে মাওলানা আজিজুল হককে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রধান করে ।
এর আগে বলাৎকারের শিকার শিশু ছাত্রের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ নভেম্বর রাতে মোহাম্মদপুর জামেয়া রহমানীয়া অভিযান পরিচালনা করলে আসামী মামুনুল হক পলায়ন করে আত্মগোপনে চলে যায়।
এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলা দায়ের করেছেন শিশুটির ফুফু।
বলাৎকারের শিকার ১১ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রের পরিবার জানায়, গত ১৫ দিন ধরে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ওই মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস মুফতি মামুনুল হক ছাত্রটিকে বলাৎকার করে আসছে। ব্যথা কমাতে ছাত্রটিকে ব্যথানাশক ওষুধও সেবন করাতেন ওই হেফাজত নেতা। ছাত্রটি মাদ্রাসা থেকে বাসায় চলে যেতে চাইলে তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাতো। এবং এইসব কাউকে জানালে দোযখে চলে যাবে বলে আখেরাতের ভয় দেখাত। শেষবার শিশুটি বলাৎকারের শিকার হয় গত ৩ নভেম্বর রাত সাড়ে ১ টার সময়। পরে সুযোগ পেয়ে ওই শিশু ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাসায় গিয়ে অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।
05/04/2021
শুধু নারী নিয়েই ধরা খাওয়া নয় অতীতে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন মামুনুল হক
১৯৯৪ সালে মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসায় মিসকাত/ফজিলত জামাতে শিশু শিক্ষার্থীর সােথ সমকামিতার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে উক্ত মাদ্রাসার এই ছাত্রের সাথে সমকামিতার অভিযোগটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রমাণিত হওয়ায় অত্র মাদ্রাসার নায়েব মুহতামীম (ভাইস প্রিন্সিপাল) মুফতি মানসুরুলহক মাদ্রাসা থেকে তাকে বহিষ্কার করেন।
মামুনুল হক সমকামী হিসেবে কাওমি মাদ্রাসায়ও একজন সমাদৃত ব্যক্তি। ১৯৯৯ সালে কাওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হবার পরেও তিনি এই বিকৃত যৌনাচার থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন নি। মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলাস্থ জামিয়া নিজামিয়া বেতুয়া মাদ্রাসার শিক্ষকতা অবস্থায় নুরুল আলম নামক এক শিক্ষার্থীর সাথে সমকামিতার অভিযোগ উঠে। পরে এই অভিযোগের সত্যতাও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রমাণিত হয়। আর এই কারণে অত্র মাদ্রাসার মুহতামীম (অধ্যক্ষ) মাওলানা মাহমুদুল আলম তার নিজ স্বাক্ষরেই আলোচিত মামুনুল হককে শিক্ষকতা পদথেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
মামুনুলকে নিয়ে বললেন ঝর্নার ছেলে
সূত্র: একাত্তর টিভি
24/02/2021
Elder brother, an idol, Motivator; Mashrafe Mortaza bhai means a lot to me. He turns 35 today. Wishing him a very 'Happy Birthday'. Be blessed always bhai. 💕
১৪সেকেন্ড ভিডিও তে চিরকুমার রুহুল কবির রিজভী সাহেবের পাগলামি দেখুন- ভ্যাক্সিনে ত্রুটি ও আওয়ামী লীগের কেউ নাকি ভ্যাক্সিন নিচ্ছে না!