BHDS অপরাধ প্রতিরোধ সংস্হা

BHDS অপরাধ প্রতিরোধ সংস্হা

Share

আত্মমানবতার সেবায়
বৃহত্তর স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন
BHDS অপরাধ প্রতিরোধ কল্যাণ সংস্থা

21/10/2024

একজন মা তার ছেলেকে জন্ম দেন নাড়ী থেকে,
একজন স্ত্রী সেই ছেলেকেই স্বামী হিসেবে জন্ম দেন হৃদয় থেকে।

একজন মা তার অদেখা ছেলেকে অনুভব করেন পেটে হাত রেখে দশ মাস,
একজন স্ত্রী সেই অচেনা ছেলেকেই অনুভব করেন বুকে হাত রেখে সারাটাজীবন।

একজন মা জন্ম দেন একজন শিশু পুত্রকে,
একজন স্ত্রী জন্ম দেন একজন পরিণত পুরুষকে।

একজন মা তার সন্তানকে হাত ধরে হাঁটতে শেখান,
একজন স্ত্রী সেই সন্তানের হাত ধরেই জীবনের সমস্ত পথটা হাটেন।

একজন মা তার সন্তানকে কথা বলতে শেখান,
একজন স্ত্রী প্রিয় বন্ধু হয়ে সারাজীবন তার কথা বলার সঙ্গী হয়ে ওঠেন।

সন্তানের দায়িত্ব কাঁধে আসতেই মা তার সমস্ত পৃথিবী ভুলে যান,
আবার স্ত্রী সেই সন্তানের দায়িত্ব নেবেন বলেই তার সমস্ত পৃথিবীটা ছেড়ে একদিন চলে আসেন।

সন্তান না খেতে পারলে পাতের সেই উচ্ছিষ্ট খাবার মা এবং স্ত্রী উভয়েই খান, আবার সন্তান এবং স্বামীর মঙ্গল কামনায় উপবাস মা এবং স্ত্রী দুজনেই করে থাকেন।

সন্তানকে বড় করেও সন্তানের থেকে প্রতিটা মাকেই আঘাত পেতে হয়।
আবার স্বামীকে বিয়ে করেও প্রত্যেকটি স্ত্রীকে এক না একদিন নির্যাতিত হতেই হয়।

মায়ের কাছে সন্তানের জীবনে দায়িত্ব নেওয়ার শুরু প্রায় কুড়ি বছর।
স্ত্রীর কাছে স্বামীর জীবনের দায়িত্ব নেভানোর শেষ বাকি ষাটটি বছর(কখনো কখনো সেটি আশি বছরেও যেতে পারে যদি আয়ু একশো বছর হয়)।

সন্তানের শৈশবে তার মল মুত্র মা-ই পরিস্কার করেন।
সন্তান যখন বৃদ্ধ হন তখন তার এই একই দায়িত্ব স্ত্রীর কাঁধেই বর্তায়।

মায়ের কোল হল সেই কোল যেখানে সন্তানের জন্ম হয় অর্থাৎ প্রথম বিছানা।
স্ত্রীর কোল হল সেই কোল যেখানে আমাদের মৃত্যু হয় অর্থাৎ শেষ বিছানা।

কিন্তু সমাজ এবং পরিস্থিতি আজ এমনই যে ছেলেটির বিয়ের পর মায়ের সাথে স্ত্রীর তুলনা করে প্রতিটা মুহূর্তে মাকেই শীর্ষস্থানে রাখেন, যেখানে দুজনের ভূমিকাই সমান সেখানে সামাজিক নজরে কেন মা আর স্ত্রীর মাঝে তুলনামূলক দ্বন্দ্বে বারবার পাঁচিল উঠবে বলতে পারেন।
গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়াটাই মা ও স্ত্রীর মধ্যে যদি সবচেয়ে বড় পার্থক্য হয়ে থাকে তাহলে শেষ কথা একটাই বলব-
"একজন আপনাকে গর্ভে ধারণ করেছেন,
অন্যজন আপনার জন্য গর্ভধারণ করবেন।"
"একজন আপনাকে জন্ম দিয়ে মা হয়েছেন,
অন্যজন আপনার জন্য আরেক জনকে জন্ম দিয়ে মা হবেন। সবাই শুভকামনা রইল,

কে এম এ জেড

10/10/2024

ভাগ্যিস বিজ্ঞান এসব আবিষ্কার করেছিল; নইলে জানাই যেত না যে কোরানে আগেভাগেই এতকিছু বলা আছে!!!
১ – বিজ্ঞান কিছুদিন আগে জেনেছে চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
২ – বিজ্ঞান মাত্র দুশো বছর আগে জেনেছে
চন্দ্র এবং সূর্য কক্ষ পথে ভেসে চলে... সূরা
আম্বিয়া ৩৩ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৩ – সূরা কিয়ামাহ’র ৩ ও ৪ নং আয়াতে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছে; মানুষের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে মানুষকে আলাদা ভাবে সনাক্ত করা সম্ভব। যা আজ প্রমাণিত।
৪ - ‘ বিগ ব্যাং’ থিওরি আবিষ্কার হয় মাত্র
চল্লিশ বছর আগে। সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৫ – পানি চক্রের কথা বিজ্ঞান জেনেছে বেশি দিন হয় নি... সূরা যুমার ২১ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৬ – বিজ্ঞান এই সেদিন জেনেছে লবণাক্ত পানি ও মিষ্ঠি পানি একসাথে মিশ্রিত হয় না। সূরা ফুরকানের ২৫ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৭ – ইসলাম আমাদেরকে ডান দিকে ফিরে ঘুমাতে উৎসাহিত করেছে; বিজ্ঞান এখন বলছে ডান দিকে ফিরে ঘুমালে হার্ট সব থেকে ভাল থাকে।
৮ – বিজ্ঞান এখন আমাদের জানাচ্ছে পিপীলিকা মৃত দেহ কবর দেয়, এদের বাজার পদ্ধতি আছে। কুরআনের সূরা নামল এর ১৭ ও ১৮ নং আয়াতে এই বিষয়ে ধারণা দেয়।
৯ – ইসলাম মদ পানকে হারাম করেছে , চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মদ পান লিভারের জন্য ক্ষতিকর।
১০ – ইসলাম শুকরের মাংসকে হারাম করেছে। বিজ্ঞান আজ বলছে শুকরের মাংস লিভার, হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
১১- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন এর ব্যাপারে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক বছর আগে। সূরা মুমিনূনের ২১ নং আয়াতে কুরআন এই বিষয়ে বর্ণনা করে গেছে।
১২ - মানুষের জন্ম তত্ব ভ্রুন তত্ব সম্পর্কে
বিজ্ঞান জেনেছে এই কদিন আগে। সূরা আলাকে কুরআন এই বিষয়ে জানিয়ে গেছে ১৪০০ বছর আগে।
১৩ - ভ্রন তত্ব নিয়ে বিজ্ঞান আজ জেনেছে
পুরুষই ( শিশু ছেলে হবে কিনা মেয়ে হবে) তা নির্ধারণ করে। ভাবা জায়... কুরআন এই কথা জানিয়েছে ১৪০০ বছর আগে।
( সূরা নজমের ৪৫, ৪৬ নং আয়াত, সূরা
কিয়ামাহ’র ৩৭- ৩৯ নং আয়াত)
১৪ - একটি শিশু যখন গর্ভে থাকে তখন সে আগে কানে শোনার যোগ্যতা পায় তারপর পায় চোখে দেখার। ভাবা যায়?

03/10/2024

"তুমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়েছ, সেটা কাউকে বুঝতে দিও না, কারণ লোকে ভেঙে যাওয়া লোকের বাড়ির ইট পর্যন্ত খুলে নিয়ে যায়"
কে এম এ জেড

15/09/2024

"একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনই বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে তার দুরত্ব বেড়ে যায়।
তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এসবের প্রতি ভালোলাগা খুঁজে পায়।

-"স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো জল,
আপনি দুটোকে একসাথে মিশিয়ে ইচ্ছে মত আকৃতি দিতে পারবেন।

-"আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লক্ষ্য টাকা দামের জিনিস চাইবেনা, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০ টাকা দামের ফুচকা খান।

-"আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবেনা, আমাকে দামী গাড়ী কিনে দাও, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান।

-"পুরো সংসারের কাজ করার পরেও আপনার স্ত্রী বলবেনা আমার কষ্ট হচ্ছে,
যদি আপনি আপনার স্ত্রীর কে ভালোবেসে কপালে একটা চুমু খান, তাঁর কাজে একটু হাত বাড়ান এবং বলেন সারাদিন অনেক করেছো।

-"ভালোবাসা তো শুধু দামী জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকেনা,

-"মাঝে মধ্যে ভালবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ৩০ টাকা দামের কাচের চুড়ির মধ্যেও লুকিয়ে থাকে,

-" কেয়ার থাকলে সংসার যুদ্ধ ক্ষেত্র না হয়ে, হবে স্বর্গ.....

তাই নিজের স্ত্রীকে উত্তম ভালবাসাটা দিন. !🖤

07/09/2024

ভুল করে কেউ এভারেস্ট জয় করে ফেলে না। আন্দাজে দাগায় কেউ বিসিএস এ টিকে যায় না। হুট্ করে কেউ হায়ার স্টাডি এর স্কলারশিপ পেয়ে যায় না। দুই-তিন সপ্তাহ পড়ে কেউ ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে যাবে না। কারণ প্রেস্টিজিয়াস কোন কিছুই সহজ না। সহজ কোন কিছুই প্রেস্টিজিয়াস না।

সেজন্যই লাইফটাকে সিরিয়াসলি চেইঞ্জ করতে চাইলে, লাইফের একটা সময়, প্রেস্টিজিয়াস একটা গোল সেট করে পাগলা কুত্তার মতো খাটতে হবে। সবকিছু থেকে নিজেকে ডিসকানেক্ট করে বন্ধ ঘরে সাধনা চালাতে হবে। হিট মুভি, হট নিউজ, ফাটাফাটি খেলা, কাটাকাটি ভাইরাল, এগুলা এক একটা ডিস্ট্রাকশন। টার্গেট এচিভ না হওয়া পর্যন্ত এগুলাকে কন্ট্রোল করতে হবে, ইগনোর করতে হবে। লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে একরোখা হতে হবে। ক্রেজি লেভেলের হার্ডওয়ার্ক করতে হবে।

যেদিন ফল খাইতে চাইবে, সেইদিন মাটিতে বীজ লাগালে কাজ হবে না। কারণ একরাতে বীজ থেকে গাছ হয়ে ফল দিবে না। একরাতে কেউ বিগিনার লেভেল থেকে এক্সপার্ট হয়ে যাবে না। আধা বেলা গুঁতা মেরে, একটা জিনিসে ভালো হয়ে যেতে পারবে না। কোন কিছুতে ভালো হতে হলে: লেগে থাকতে হবে। সাধনা করতে হবে। এফোর্ট দিতে হবে। লাইফে গ্যাঞ্জাম, ঝামেলা, সমস্যা আসবেই। হুট করে ইস্যু এসে হিসু করে দিবেই। সেগুলাকে ম্যানেজ করে, পাশ কাটিয়ে, সম্ভব হলে ইগনোর করে নিজের টার্গেটে এফোর্ট দিতে পারলেই-- একটা সময় পর: কম হোক, বেশি হোক: কিছু না কিছু একটা হবে।

এইটা সারা জীবন এর ফর্মুলা না। সারাজীবন, ক্রেজি লেভেলের হার্ডওয়ার্ক চালিয়ে যাওয়া পসিবল না। তবে, জাস্ট ছয়টা মাস বা একটা বছর এ নিজের ভার্সন আপগ্রেড করার জন্য, নিজেকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য, পরবর্তী মিশন/টার্গেট/ড্রিমটা এচিভ করার জন্য--কিছুদিন ক্রেজি হতেই হবে। কারণ, টপক্লাস এফোর্ট না দিলে, টপক্লাস এচিভমেন্ট আসবে না। সারা জীবন অন্যের গোল দেয়া কিংবা অন্যদের গোল খাওয়া সেলিব্রেট করে নিজের পেট ভরবে না। নিজের এচিভমেন্ট সেলিব্রেট করতে চাইলে: প্রথমে এফোর্ট, তারপর এচিভমেন্ট, এরপর এনজয়।

সেজন্যই লাইফের ছোট একটা সময়- প্রতিটা দিন, প্রতিটা ঘন্টা, প্রতিটা মুহূর্তের জন্য খুঁতখুঁতে হতে হবে। সিলেক্টিভ হতে হবে। লাইফে এন্টারটেইনমেন্ট, ফ্রেন্ডশিপ, আড্ডা, সিনেমা, খেলা দেখার দরকার আছে। তবে এগুলা কখনোই তোমার লাইফের ৮০% বা ১০০% হতে পারে না। তাহলে লাইফের ৮০% টার্গেটই এচিভ হবে না। কারণ তুমি তোমার ফিউচারকে যেভাবে ইগনোর করবে, ,

31/08/2024

পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণ ও দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ উপদেষ্টার

ঢাকা, ২৯ আগস্ট:

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরসমূহে পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণ করতে হবে। ভবনের ডিজাইন এমনভাবে করতে হবে যাতে দিনের বেলায় বৈদ্যুতিক বাতি ছাড়াই সূর্যের আলোতে কাজ করা যায়। ভবনে পর্যাপ্ত পরিমাণে বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়া, ব্লক ইটসহ পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৪-'২৫ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জুলাই পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা সভায় নদী দূষণ, শব্দদূষণ, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতনতা সৃষ্টির কাজ পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, প্লাস্টিকের ব্যানার ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জাহাজ ভাঙা পরিদর্শনে যথাযথভাবে প্রতিবেদন দিতে হবে। এছাড়াও, তিনি বন অধিদপ্তরের প্রধানকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সাফারি পার্কের আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং ইউক্যালিপটাসের পরিবর্তে দেশজ গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন।

সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিববৃন্দ, অধীন দপ্তরসমূহের প্রধানগণ, প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে, পরিবেশ উপদেষ্টা পরিবেশ অধিদপ্তরে ৪১তম বিসিএস এর নবযোগদানকৃত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সনদপত্র বিতরণ করেন।

23/08/2024

বাঁধ নিয়ে আলোচনায় নিচের লেখাটা একজনের কমেন্ট। গতকাল থেকেই বাঁধ নিয়ে আলোচনায় শুনতেছিলাম আর এই কথাগুলো ভাবতেছিলাম, আসলেই বাঁধ দিয়ে কি কোনো উপকার হবে? নাকি ভিন্ন কিছু ভাবতে হবে?
======================================
যারা বলছেন এখন বাঁধের বিপরীতে বাঁধ নির্মাণ করতে তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, তাতে কোন লাভ হবে না। বরং ক্ষতিই হবে কারন বাংলাদেশ ভাটির দেশ এবং নিচু এলাকা। পানি বাংলাদেশের দিকেই গড়াবে। তাছাড়া ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে না। এটা ভারতের অভ্যন্তরে। আমরা বাঁধ দিলে সেটা আমাদের সীমান্তে দিতে হবে। তখন ভারত থেকে আসা বিপুল পরিমাণ পানি আমাদের নির্মিত বাঁধে বাধা পেলে সেটা বাঁধের পাশ দিয়ে আমাদের অন্য এলাকাতেই প্রবেশ করবে কারন উজান থেকে নেমে আসা বিপুল পরিমাণ পানির চাপের কারনে বাংলাদেশের বাঁধে বাধা পেলে সেটা প্রথমে বাঁধের এরিয়ায় জমবে তারপর পানি আরো বাড়লে সেটা আশেপাশে দিক পরিবর্তন করে অন্য পাশ দিয়ে গিয়ে বাংলাদেশেরই অন্য এলাকা প্লাবিত করবে। নিম্নগামী বিপুল পরিমাণ পানির প্রেসার কোনো ভাবেই আটকে রাখা সম্ভব না কারন বাংলাদেশ ভাটি অঞ্চল এবং নিচু এলাকা এবং পানি সবসময় নিচের দিকেই গড়ায়। তাই এসব অযৌক্তিক চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে ভারতকে কিভাবে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বাধ্য করা যায় সেটা বের করতে হবে। সেই সঙ্গে নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর গভীরতা বাড়াতে হবে।

কে এম এ জেড

22/08/2024

১৯৭৬ সালের মার্চ মাস। তরুণ লেখক আর রাজনৈতিক কর্মী আহমদ ছফা ফারাক্কা লং মার্চে অংশ নিতে এসেছেন। কিন্তু বাকি অনেক জনগণের মতো তাঁর ও ধারণা ছিলো এটা মাওলানা সাহেবের রাজনৈতিক ধাপ্পাবাজি ছাড়া আর কিছু না।

মাওলানা সাব এর শরীরের অবস্থা খুব খারাপ।তাকে তখন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।। আত্মীয়-স্বজন দের ধারণা উনি টিকবেন না। এই অবস্থায় এই লং মার্চের জন্য উনাকে নিয়ে টানা হেচড়া করা ঠিক হবে না।

ইনিয়ে-বিনিয়ে কথা টা মাওলানা সাবকে জানানো হলো। শুনে মাওলানা সাব দিলেন এক বিশাল হুংকার-
"কি মনে কর মিয়া,তোমাগো শরীরে মানুষের রক্ত আছে নি? চল!"

________

লং মার্চ শুরু হলো। যেতে যেতে লংমার্চ সীমান্তের কানসাট এলাকায় চলে এলো।

লম্বা জার্নিতে হুজুরের অবস্থার আরো অবনতি ঘটেছে। অবস্থা তখন সংগীন।

কিন্ত হুজুর এক রোখা।

অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর উপস্থিত লোকজন এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে পেলো।

তারা অবাক হয়ে দেখলো- ৪ জন জোয়ান মানুষ হুজুর কে তুলে কান্সাট গ্রামের একমাত্র পাকা বাড়ি স্কুলের দোতলায় মাইকের সামনে দাড় করিয়ে দিলো।

অনবরত প্রস্রাব নির্গত হয়ে হুজুরের জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। হুজুরের কোন সেন্স থাকার কথা না।

ওই অবস্থাতেই হুজুর দুইজন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে দেড় ঘন্টা সময় নিয়ে জীবনের শেষ বক্তব্য দিলেন।

হুজুর বললেন-" গংগার পানি আমাদের ন্যায্য হিস্যা,এটা আমাদের প্রাকৃতিক অধিকার।এই অধিকার মানুষের একার নয়, পশু-পাখি,গাছ পালা, কীট পতংগ প্রাণবান সবকিছুর জন্মগত অধিকার।যারা এই অধিকার হরণ করছে তাঁরা জুলুম করছে। বাংলাদেশের প্রাণবান মানুষ এই জুলুম কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা এবং এই জুলুমবাজ রা কোনদিন জয় লাভ করবে না।"

_________

মাওলানার দম শেষ হয়ে আসছিলো।ভাষণ শেষ করতে হলো।

এই সময় এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটলো।

আকাশ ভেংগে বৃষ্টি নামলো কানসাটে। সকালের আবহাওয়াতে এরকম কোন ইংগিত ছিলো না।তাই এর জন্য কেউ প্রস্তুত ও ছিলেন না।

কিন্ত এরপর যা ঘটলো..তার জন্যও কেউ প্রস্তুত ছিলেন না।

সবাইকে আরো অবাক করে দিয়ে মাওলানা শিশুর মতো কাঁদতে লাগলেন। তাঁর চোখের পানি আর বৃষ্টির পানি মিলে মিশে একাকার হয়ে গেলো। আকাশের দিকে হাত তুলে ক্রন্দনরত মাওলানা বললেন-

"আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের বাঁচার একটা পথ করে দিবেন।"

____________

এই দৃশ্য দেখে আহমদ ছফার মনে তোলপাড় শুরু হলো। তাঁর মনে হলো এই মাওলানা তাঁর অতি আপন জন। আত্মার আপন জন। শুধু তাঁর না। এই দেশ,,,,,,,,,,?
মোঃ হুমায়ুন কবির (পালোয়ান) ভাই।

16/08/2024

এই আন্দোলনের মুল টার্নিং পয়েন্ট ১৭ জুলাইয়ের পর পুরো আন্দোলন টেনে নিসে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যার ৯০% কোনোদিন সরকারি চাকরির জন্য Apply ই করেনা,
যাত্রাবাড়ী আর উত্তরাতে কিন্তু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় তাদের কন্ট্রিবিউশান পুরোপুরি পালন করেও তাদের মধ্যে সমন্বয়ক হওয়ার বিন্দুমাত্র প্রতিযোগিতা দেখলাম নাহ।
নীরবে আসলো, দেশের জন্য জীবন দিলো,নীরবে আবার পড়ার টেবিলে চলে গেলো।আর যারা চাকরি না পেয়ে রাস্তায় কান্নাকাটি করলো তারা দেখি এখন রাস্তায় জনগনের ব্যাক্তিগত অধিকার লঙ্ঘন ও দখল করতে ব্যাস্ত ,
কে এম এ জেড।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


দিনের আলোতে যারা বেশি হাসে� ----
Dhaka