A favorite nasheed ❤️🩹
Islamic song & story
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic song & story, Library, Dhaka.
আবু জাহেল যার নাম শুনলেই মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষদের শরীরে ক্রোধের রক্ত বয়ে যায়। যিনি জীবদ্দশায় প্রিয় নবী (সা:) কে কিভাবে কষ্ট দেওয়া যায়, কিভাবে ইসলামের বিরুদ্ধে হাজারো ষড়যন্ত্র করা যায় তার পরিকল্পনায়ই করেছেন। ইসলামের একজন ঘোর শত্রু।
জেনে অবাক হবেন, তাঁর মা আসমা বিনতে মুখাররাবা (রা:) ছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর একজন সাহাবী। ইসলামের একজন ঘোর শত্রুর মা কি করে আসলেন ইসলামের ছায়াতলে চলুন জেনে নেওয়া যাক।
আবু জাহেলের বাবা ছিলেন পৈত্তিলিক ধর্মের। তার নাম হিশাম ইবনুল মুগীরা। রাসুলুল্লাহ (সা.) এর নবুয়াত লাভের আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন। আবু জাহেলের মা আসমা বিনতে মুখাররাবার প্রথম ঘরের সন্তান হলো আবু জাহেল। তার আরেকটি ভাই ছিলো নাম আল-হারিস। আবু জাহেল ইসলামের প্রকাশ্য শত্রু থাকলেও তার ভাই আল-হারিস ইবনে হিশাম ছিলেন রাসুলের কাছের একজন সাহাবি।
হযরত মুহাম্মদ (সা:) আবু জাহেল সম্পর্কে বলেন, 'সে আমার উম্মতের ফেরাউন’। [ মুসনাদে আহমাদ ]
তবে প্রথম দিকে আল-হারিসও তাঁর ভাইয়ের মতো ইসলামের বিরোধিতা করতেন। এমনকি বদর ও উহুদ যুদ্ধে মহানবী (সা.) এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যুদ্ধ করেছেন।
কিন্তু মক্কা বিজয়ের পর হারিস ইবনে হিশাম ইসলাম গ্রহণ করে সাহাবি হওয়ার মর্যাদা লাভ করেন। ইন্তেকালের আগ পর্যন্ত প্রায় সবগুলো যুদ্ধে ইসলামের পক্ষে অবস্থান নিয়ে যুদ্ধ করেন। আল্লাহু আকবার!
আবু জাহেলের মা প্রথম স্বামীর ইন্তেকালের পর দেবর আবু রাবীয়া ইবনুল মুগীরাকে বিয়ে করেন। এই স্বামীর ঘরেই তার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার সুযোগ হয়। [ তাবাকাত ইবনে সাদ ]
আসমা বিনতে মুখাররাবা (রা.) ইসলাম গ্রহণ করে রাসুলের সাহাবি হওয়ার মর্যাদা লাভ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর ছেলের সঙ্গে না থেকে হিজরত করে মদিনায় চলে আসেন। নিজের মা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় আবু জাহেল এতোটাই ক্ষিপ্ত ছিলেন যে, অন্য সাহাবিদের ওপর তিনি বিভিন্নভাবে নি*র্যাতন করতেন।
দ্বিতীয় বিয়ে করার পর আসমা (রা.)–র গর্ভে দুই ছেলে এবং এক মেয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁরা হলেন আইয়্যাশ ইবনে আবি রাবীয়া (রা.), আবদুল্লাহ (রা.), উম্মে হুজাইর। তারাও প্রত্যেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর সাহাবীর মর্যাদা লাভ করেন।
ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! আসমা (রা:) একদিকে যেমন আবু জাহেলের মা অন্যদিকে তিঁনি সাহাবি আইয়্যাশ ইবনে আবী রাবীয়া (রা:), হারিস ইবনে হিশাম (রা.) উনাদেরও মা।
একদিকে আবু জাহেল যেমন সারা জীবন ইসলামের বিরোধিতা করেছেন, প্রিয় নবী (সা:)কে প্রাণে বদ করার নানা ফন্দি এটেছেন, ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, এমনকি ইসলামের বিরুদ্ধে বদর যুদ্ধ করতে গিয়ে মৃ*ত্যুবরণও করেছেন, অন্যদিকে উনার মা আসমা, ছেলে ইকরিমা, মেয়ে জুয়াইরিয়া ও আল-হুনফাসহ পরিবারের কয়েকজন ইসলামের রক্ষাকবচ ও হাতিয়ার হয়ে সারা জীবন কাটিয়েছেন।
আল্লাহ চাইলে কি না পারেন? তিঁনি ইসলামের শত্রু ঘরেই ইসলামের শক্তিশালী হাতিয়ার জন্ম দেন।
এক বাদশাহর দরবারে একজন জাদুকর ছিলেন। তার অনেক খ্যাতি ছিল। একসময় তিনি বৃদ্ধ হন। তখন বাদশাহকে একজন বুদ্ধিমান বালক এনে দিতে বললেন, যাকে তিনি তার যাদুবিদ্যা শেখাবেন। এরপর বাদশাহ যাদুরকরকে একটি বুদ্ধিমান বালক দিলেন।
এরপর থেকে বালকটি যাদুকরের কাছে যেত। একই পথে একজন ধর্মীয় পণ্ডিতের বাড়িও ছিল। আসা-যাওয়ার পথে বালকটি ওই পন্ডিতের কাছেও গিয়ে বসত। তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনত। প্রতি ধীরে ধীরে ধর্মীয় পন্ডিতের প্রতি মুগ্ধতা তৈরি হয় বালকটির।
একদিন বালকটি যাওয়ার পথে দেখল বিশাল একটি জন্তু বসে আছে। সেটিকে এড়িয়ে সামনে যাওয়ার কোনো পথ নেই। বালকটি ভাবল, এটা জাদুকরি নাকি সত্য, তা পরীক্ষা করে দেখার এটিই উপযুক্ত সময়। সে একটি পাথরের টুকরা কুড়িয়ে নিয়ে বলল, ‘হে আল্লাহ, যদি পন্ডিতের আমল তোমার কাছে জাদুকরের আমলের চেয়ে ভালো এবং পছন্দের বলে মনে হয়, তাহলে এই জন্তুকে মেরে ফেল, যাতে মানুষের যাতায়াতের পথটি খুলে যায়।’ এই বলে বালকটি পাথর ছুড়লে জন্তুটি মারা গেল।
বালক পরে পন্ডিতের কাছে এসে সব খুলে বলল। তখন তিনি বললেন, ‘বাবা, এবার তুমি জ্ঞানের পূর্ণতায় পৌঁছে গেছ। তোমার পরীক্ষা শুরু হতে চলেছে। এই পরীক্ষায় কোনোভাবেই আমার নাম প্রকাশ করবে না।’
সেই বালকটিকে আল্লাহ অলৌকিক ক্ষমতা দিলেন। সে অন্ধ ও কুষ্ঠরোগে আক্রান্তসহ বহু রোগীর জন্য দোয়া করতে লাগল। তারাও সুস্থ হয়ে উঠতে লাগল। তবে কেবল যারা খ্রিষ্টধর্মে ঈমান আনত, তারাই তার দোয়ায় উপকার পেত। একদিন বাদশাহর এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির চোখের অন্ধত্বও তার দোয়ায় সেরে গেল। তার অলৌকিক ক্ষমতার খবর ই*হুদি বাদশাহর কানে গেলে তিনি বিচলিত হয়ে পড়লেন। বালকটির ধর্মে ইমান আনা কিছু লোককে বাদশাহর আদেশে হ*ত্যা করা হলো। বালকটিকেও হ*ত্যার উদ্দেশ্যে কয়েকজন লোককে ডেকে তিনি বললেন, ‘ওকে উঁচু পাহাড়ের ওপর নিয়ে গিয়ে নিচে ফেলে দাও।’
বালক আল্লাহর কাছে দোয়া করলে পাহাড় কাঁপতে লাগল। ফলে সে ছাড়া সবাই পাহাড় থেকে পড়ে মারা গেল। বালকটি বেঁচে গেল। বালক বাদশাহকে বলল, ‘আপনি যদি আমাকে হ*ত্যা করতেই চান, তাহলে এর সঠিক পদ্ধতি হলো একটি খোলা ময়দানে মানুষ জমায়েত করুন। এরপর বালকের রবের নামে “বিসমিল্লাহি রাব্বিল গোলাম” —এই কথা বলে আমার গায়ে তির ছুড়ুন। তাহলে আমি মারা যাব।’ কথাটির অর্থ ছিল বালকের প্রভুর নামে শুরু করছি। আর বাদশাহ তা-ই করলেন। বালকটি মারা গেল। কিন্তু সেখানে উপস্থিত লোকজন সমবেত কণ্ঠে বলে উঠল, ‘আমরা এই বালকের রবের প্রতি ইমান আনলাম।’
বাদশাহ এবার আরও বেশি বিচলিত হয়ে পড়লেন। তিনি তাদের জন্য গর্ত খুঁড়ে তাতে আগুন জ্বালানোর আদেশ দিলেন। এরপর বললেন, ‘যারা যারা এই বালকের ধর্ম থেকে ফিরে না আসবে, তাদের এই গর্তে ফেলে দাও।’ একে একে সব ইমানদার এগিয়ে এসে সেই গর্তে লাফ দিল। শেষে এল একটি নারীর পালা। তার সঙ্গে একটি শিশুও ছিল। তিনি একটু ইতস্তত করলে শিশুটি বলে উঠল, ‘মা, ধৈর্য ধরুন। আপনি সত্যের ওপর আছেন।’
এই ঘটনার উল্লেখ করেছেন মহান আল্লাহ। সুরা বুরুজের ৪ থেকে ১০ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘অভিশপ্ত হয়েছিল (অগ্নিকুণ্ডের) লোকেরা, ওরা ইন্ধন সংযোগ করে তার (অগ্নিকুণ্ডের) পাশে বসে থাকত এবং দেখত বিশ্বাসীদের ওপর তারা যে অত্যাচার করত। ওরা তাদের ওপর প্রতিশোধ নিয়েছিল শুধু এই কারণে যে তারা বিশ্বাস করত পরম শক্তিমান, পরম প্রশংসনীয় আল্লাহর, যিনি আকাশ ও পৃথিবীর সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। আর আল্লাহ তো সর্ব বিষয়ে স্রষ্টা। যারা বিশ্বাসী নরনারীকে নির্যাতন করেছে ও তারপর তওবা করেনি, তাদের জন্য আছে জাহান্নামের শাস্তি আর দহন যন্ত্রণা।’
বাদশাহ ও এক বুদ্ধিমান বালকের বিস্ময়কর এই কাহিনীটি শুনিয়েছেন মহানবী (সা:)। সাহাবি সুহাইব রুমি রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুরর বরাতে একটি হাদিস পাওয়া যায়। এটি সহিহ মুসলিম শরিফের ৩ হাজার ৫ নম্বর হাদিস।
তবে ঘটনা এখানেই শেষ নয়। এরপর সেই আগুন বাদশাহ ও তাঁর দলবলকেও গ্রাস করে নেয় এবং পুরো শহর পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। এভাবেই আল্লাহর আজাব সেই অবাধ্য শাসক ও তাঁর সহযোগীদের ধ্বংস করেছিল। তবে আগুনে মুমিনদের কোনো কষ্ট হয়নি। কারণ হিসেবে রবি ইবনে আনাস (রহ.) বলেন, ‘মুমিনদের আগুনে ফেলে দেওয়ার পর আগুন তাঁদের গায়ে লাগার আগেই আল্লাহ তাআলা তাদের জান কবজ করে নিয়েছিলেন। এভাবেই তিনি মুমিনদের দহন-যন্ত্রণা থেকে রক্ষা করেন। ফলে তাদের মৃতদেহই কেবল আগুনে পুড়েছিল। এরপর আগুন আরও বেশি জ্বলে ওঠে এবং তার লেলিহান শিখা পুরো শহরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে যারা ইমানদারদের আগুনে দগ্ধ হওয়ার তামাশা দেখছিল, তারাও সেই আগুনে পুড়ে ভস্ম হয়ে যায়।’ (ফাতহুল কাদির)
প্রকৃত ইমানদার ব্যক্তির যেকোনো সময় যেকোনো কঠিন পরিক্ষার সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত। আমাদের জীবন আল্লাহ তায়ালারই জন্য।
19/05/2025
🤲
ফজরের নামাজের সময়টাই এমন, যখন আল্লাহর রহমতের দরজা খুলে যায়। আসুন আমরা সকলে ফজরের নামাজ পড়ে দিনের শুরু করি।
হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.)-এর বরাতে এ হাদিসের বর্ণনা আছে।
খন্দকের যুদ্ধে যখন পরিখা খনন করা হচ্ছে, তখন আমি নবী (সা.)-কে ভীষণ ক্ষুধার্ত অবস্থায় দেখতে পেলাম। স্ত্রীর কাছে ফিরে গিয়ে আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তোমার কাছে কি কিছু আছে? রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে দারুণ ক্ষুধার্ত দেখতে পেলাম। সে একটি চামড়ার পাত্র এনে তা থেকে এক সা পরিমাণ যব বের করে দিল।
আমার বাড়িতে একটা বকরির বাচ্চা ছিল। আমি সেটা জবাই করলাম। আর সে (আমার স্ত্রী) যব পিষে দিল। আমার কাজ শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে সে-ও তার কাজ শেষ করল। গোশত কেটে কেটে ডেকচিতে ভরে আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে ফিরে চললাম। (লোকের তুলনায় খাবার অনেক কম ছিল বলে) সে (স্ত্রী) বলল, ‘আমাকে রাসুলুল্লাহ (সা.) আর তাঁর সাহাবিদের কাছে লজ্জিত করবেন না।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গিয়ে চুপে চুপে আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমরা আমাদের একটি বকরির বাচ্চা জবাই করেছি। আর আমাদের ঘরে এক সা যব ছিল, আমার স্ত্রী পিষে দিয়েছে। আপনি আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আসুন।’ নবী (সা.) উচ্চস্বরে সবাইকে বললেন, ‘হে পরিখা খননকারীরা! জাবির খাবারের ব্যবস্থা করেছে। এসো, তোমরা সবাই এসো।’
রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আমি আসার আগে তোমাদের ডেকচি নামাবে না। খামির থেকে রুটিও তৈরি করবে না।’
আমি (বাড়িতে) এলাম, রাসুলুল্লাহ (সা.)–ও সাহাবিদের নিয়ে এলেন। এরপর আমি আমার স্ত্রীর কাছে এলে সে বলল, ‘আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন।’ আমি বললাম, ‘তুমি যা বলেছ, আমি তা-ই করেছি।’
তখন সে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে আটার খামির বের করে দিলে তিনি (রাসুল সা.) তাতে মুখের লালা মিশিয়ে দিলেন এবং বরকতের জন্য দোয়া করলেন। এরপর ডেকচির কাছে এগিয়ে গিয়ে তাতে লালা মিশিয়ে সেটির বরকতের জন্য দোয়া করলেন।
এর পর বললেন, ‘রুটি প্রস্তুতকারিণীকে ডাকো। সে আমার কাছে বসে রুটি প্রস্তুত করুক, আর ডেকচি থেকে পেয়ালা ভরে গোশত বেড়ে দিক। তবে (চুলা থেকে) ডেকচি নামাবে না।’
সংখ্যায় তাঁরা ছিলেন এক হাজার। আমি আল্লাহর কসম করে বলছি, তাঁরা সবারই তৃপ্তির সঙ্গে খেয়ে বাকি খাবার রেখে চলে গেলেন। অথচ আমাদের ডেকচি আগের মতোই টগবগ করছিল আর আমাদের আটার খামির থেকেও আগের মতোই রুটি তৈরি হচ্ছিল।
সহিহ্ বুখারি, হাদিস: ৪১০২
19/05/2025
ঘটনা: গোপন ইবাদতের মর্যাদা — "নাম না জানা এক ব্যক্তির জান্নাতি হওয়া"
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) একবার মসজিদে বসে সাহাবীদের বললেন:
"এখন এই দরজা দিয়ে যে ব্যক্তি প্রবেশ করবে, সে জান্নাতি।"
লোকজন অপেক্ষা করল। একজন সাধারণ মানুষ দরজা দিয়ে ঢুকল—নাম না জানা, সাধারণ বেশভূষার একজন সাহাবি। পরপর তিনদিন রাসূল (সা.) একই কথা বললেন এবং একই ব্যক্তি দরজা দিয়ে ঢুকলেন।
এই দেখে এক তরুণ সাহাবি (সম্ভবত হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা.) ওই ব্যক্তির ঘরে তিন রাত থাকলেন, তার আমল দেখার জন্য। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তিনি দেখলেন, ওই ব্যক্তি রাতে অতিরিক্ত নামাজ পড়েন না, না রোজা রাখেন বেশি।
তিন রাত পর সাহাবি জিজ্ঞেস করলেন:
“আমি তোমার মধ্যে কোনো বিশেষ আমল দেখিনি, তাহলে কী কারণে রাসূল (সা.) তোমাকে তিনবার জান্নাতি বললেন?”
তখন তিনি বললেন:
“আমার একটি অভ্যাস আছে—আমি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কারো প্রতি কোনো হিংসা, বিদ্বেষ, রাগ রাখি না। আমি সব মাফ করে দেই।”
---
শিক্ষা:
জান্নাতে যাওয়ার জন্য শুধু বড় বড় ইবাদত নয়, অন্তরের পবিত্রতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গোপনে অন্যকে ক্ষমা করে দেওয়া, হিংসা না রাখা—এটিও আল্লাহর কাছে প্রিয়।
ক্রিং... ক্রিং... ক্রিং... ক্রিং...📞
বল্টু : হ্যালো, দোস্ত তু-ই কই??🤨
পল্টু : আমি তো বাসায়ই 😐
বল্টু : দোস্ত, এক্ষুণি আমার বাসায় চলে আয় 😑
পল্টু : ক্যান, কি হইছে?🙄
বল্টু : ভীষণ বি/পদে পড়েছি রে দোস্ত, তুই তাড়াতাড়ি
চলে আয় 😥
পল্টু : কি বলিস রে, প্রায় রাত ১টা বাজে, এখন আমি
যেতে পারব না 🤦
বল্টু : তু-ই এইকথা বলতে পারলি? তু-ই আমার বেস্ট
ফ্রেন্ড হয়েও আমার বি/পদে এগিয়ে আসবি না?😠
পল্টু : আচ্ছা, আগে বলবি তো কি হইছে?😒
বল্টু : আগে তু'ই বাসায় আয়, তারপর বলছি 😑
পল্টু : ওকে, আসছি!😶
কিছুক্ষণ পর..পল্টু বল্টুর বাসায় আসলো,
এসে দেখে যে বল্টু তার বিছানায় শুয়ে আছে 😐
এরপর..
পল্টু : হুম, বল কি বিপ/দ?🤨
বল্টু : আর বলিস না দোস্ত, খাওয়া দাওয়া শেষ করে
বিছানায় শুয়ে পরেছি কিন্তূ লাইটটা অফ করতে ভু/লে
গেছি 😥
আমি আবার লাইট জ্বালানো থাকলে ঘুমাতে
পারিনা 🥺
তাছাড়া শীতের দিনে এত ঠান্ডার মধ্যে
বিছানা থেকে উঠতে মন চাইছে না 😌
তাই, তো-কে ডেকে আনলাম 🥱
তুই, একটু লাইটটা অফ করে দে তো!!🙂
বল্টুর কথা শুনে,
পল্টু বে-হু-শ 🐸
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
