ইচ্ছেমতো

ইচ্ছেমতো

Share

আমাদের আশে-পাশের মানুষের নিন্দা
কোনো বিখ্যাত আতর নয়,
যে গায়ে মাখতেই হবে � I am Very simple & Strictly Clear.

19/11/2025

আওয়ামী লীগ আমলের ভোট বাদ দিলাম। বাকি ইলেকশনগুলোতে ভোটের হার:

১৯৯১:
আওয়ামী লীগ ৩০.০৮% + জাপা ১১.৯২% = ৪২%
বিএনপি ৩০.৮১% + জামায়াত ১২.১৩% = ৪২.৯৪%

১৯৯৬:
আওয়ামী লীগ ৩৭.৪৪% + জাপা ১৬.৪০% = ৫৩.৮৪%
বিএনপি ৩৩.৬১% + জামায়াত ৮.৬১% = ৪২.২২%

২০০১:
আওয়ামী লীগ ৪০.১৩% + জাপা ৭.২৫% (এরশাদের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট) = ৪৭.৩৮%
বিএনপি ৪০.৯৭% + জামায়াত ৪.২৮% = ৪৫.২৫%

২০০৮:
আওয়ামী লীগ ৪৮.০৪% + জাপা ৭.০৪% = ৫৫.০৮%
বিএনপি ৩২.৫০% + জামায়াত ৪.৭০% = ৩৭.২০%

আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করেছে, তখন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মিলিত ভোট বিএনপি ও জামায়াতের মিলিত ভোটের চেয়ে প্রায় ১৫% বেশি। ২০০৮ সালের নির্বাচনকে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও রেপ্রেজেন্টিটিভ নির্বাচন হিসেবে ধরা হয়; কারণ, ঐ বছর ভোটের হার সবচেয়ে বেশি ছিলো। তখন লীগ-জাপার চেয়ে বিএনপি-জামায়াতের ভোট ১৮% কম।

এই ৪ দল মিলে মোট ভোটের প্রায় ৯২%। বাকি দলগুলোর ভোট ৮%, যা এই ২ জোটের মাঝে সমানভাবে ভাগ করলেও পরিসংখ্যান খুব বেশি এদিক ওদিক হবে না।

এখন ইউনুস যে "জাতীয় ঐক্যের" ভোট করতে চাইছে, সেখানে আওয়ামী লীগ থাকবে না, জাতীয় পার্টি থাকবে না, তাদের জোটের বাকি দলগুলোও থাকবে না। তার মানে মোট ভোটারের ৬০%-এরই কোনো প্রতিনিধি এই তথাকথিত "জাতীয় ঐক্যের" ভোটে অনুপস্থিত।

Chandra Bindu

19/11/2025

শেখ হাসিনার রায়ের পর দেশে বিরাট কিছু ঘটবে বলে তার হেটারসরা আশা করেছিল। সেরকম কিছু ঘটেনি বলে তারা বলছে জনগণ শেখ হাসিনাকে ত্যাগ করেছে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় কেন নেমে আসেনি এটাই তাদের বক্তব্য।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরও একই পরিস্থিতি ঘটেছিল। আপনাদের জানিয়ে রাখি খন্দকার মোস্তাকের ডাকা বৈঠকে কবি সুফিয়া কামাল পর্যন্ত যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। মোস্তাকের মন্ত্রীসভায় বঙ্গবন্ধু সরকারের সব মন্ত্রী যোগ দিয়েছিলেন। ভাসানী খন্দকার মোস্তাককে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এখনকার চেয়েও পরিস্থিতি তখন অনেক খারাপ ছিল। তখন আওয়ামী লীগের সব বড় বড় নেতা জেলে ছিল। প্রধান চার নেতাকে জেলেই হত্যা করা হয়। কবি লেখক বুদ্ধিজীবী ভয়ে কেউ আওয়ামী লীগের জন্য একটি শব্দ ব্যবহার করতে পারেননি। এমন সব কিচ্ছা বাজারে বেরিয়েছিল যে মুজিব একটা দানব ছিল, শেখ কামাল ডাকাতি করতো। আমেরিকা, চীন, সৌদিসহ আরব বিশ্ব ছিল মুজিব হত্যার পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির পক্ষে। এই বৈরী সময় যখন শেখ মুজিবের বিরোধীরা রাস্তায় মিষ্টি বিতরণ করেছে, সেই সময়ের পরও তাহলে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ফিরে এলে কিভাবে? এত এত মুজিব ভক্তরা তো নতুন গজায়নি।

একজনের লেখা আমার নজরে এসেছে যিনি নিজেকে আওয়ামী লীগ সমর্থক ঘরের ছেলে বলে দাবী করেছেন। তিনি হাসিনার পতন ও আওয়ামী লীগের জনসমর্থনের ধসের প্রমাণ হিসেবে বলেছেন, তার বোন তার ছেলের যখন মুখে কথা ফুটেনি তখন তার কানে কানে গান গাইত ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেতো বঙ্গবন্ধু মরেনি’ সেই তিনিই নাকি ২৪ এর আন্দোলনে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন। এটাই শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের অন্তিম দশা হিসেবে প্রমাণ করতে চাইছেন ভদ্রলোক। তার বলা কাহিনীতেই কিন্তু তার যুক্তির দুর্বলতা দেখা যায়। তার বোন কখন ছেলেকে বঙ্গবন্ধুর গান শোনাতেন? অনেক বছর পর তাই না? তো ১৫ আগস্ট এই মানুষটির জন্য তো কেউ ভয়ে রাস্তায় নামতে পারেনি। সেনাবাহিনী টুঙ্গিপাড়ায় রাতের আঁধারে গিয়ে তাকে সমাহিত করেছিল। ভয়ে পারিবারিক কিছু মানুষ ছাড়া সেই জানাজায় কেউ অংশগ্রহণ করতে পারেনি কেন? গোপালগঞ্জের মত জায়গায়ও কেন সেটা সম্ভব হয়নি। তো এহেন খারাপ মানুষটি তারপর কোন এক অনাত্মীয় নারীর মনে এমন করে বাসা বাঁধলেন যে নিজের অবুঝ পুত্রের কানে কানে গান গেয়ে আক্ষেপ করেন ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরেনি’!

এইভাবেই ফিরে আসে। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নিয়েছে বলেই বারবার আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে। ভুল ত্রুটি সব কিছুর পরও মানুষের ভালোবাসা পাবে। তবে ২৪ এর শত্রু মিত্র চিনতে পারলে এই দলটি হয়ত আর কোনদিন ভুল করবে না। যারা শেষ দেখছেন তারা একদিন জোকারে পরিণত হবেন। খুব বেশি সময় লাগবে বলেও মনে হয় না।

©সুষুপ্ত পাঠক

29/10/2025

সকল দল বনাম আওয়ামী লীগ,
এটাই আমাদের প্রাথমিক বিজয়! আওয়ামী লীগ কারো লুঙ্গির তলে বসে রাজনীতি করে না।

27/10/2025

আপনি দেড় বছরে কোন প্রকল্পের কোন রক্ষণাবেক্ষন করবেন না, নাট বল্টু খুলে নিয়ে যাবে।

মানুষ মারা গেলে টাকা দিয়ে দায় সারাবেন।

শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনার তো অনেক কিছু আছে, অন্তত এই প্রকল্পগুলো দেখাশুনা করেন।নাকি সেগুলো দায়িত্ব কোন বিদেশি সংস্থাকে দিয়ে দিবেন?

কয়দিন পরতো ফ্লাইওভার পড়ে মানুষ মারা যাবে।সেদিন কি জবাব দিবেন?
ইউনুস সাহেব.......

07/06/2025

🔷 ৬ দফা দাবির মূল বিষয়বস্তু:

১. সংবিধানে একটি ফেডারেল সরকার গঠন
– পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র, যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা থাকবে শুধু পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে।

২. আলাদা মুদ্রা বা দুটি পৃথক মুদ্রা
– পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি মুদ্রা থাকবে, অথবা একক মুদ্রা থাকলে পূর্ব পাকিস্তান যেন স্বতন্ত্রভাবে রিজার্ভ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

৩. বাণিজ্য ও অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের অধিকার
– পূর্ব পাকিস্তান নিজের কর ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ করবে। কেন্দ্র কেবল পররাষ্ট্র বাণিজ্যে হস্তক্ষেপ করতে পারবে।

৪. কর ব্যবস্থায় স্বায়ত্তশাসন
– পূর্ব পাকিস্তানের রাজস্ব আয় পূর্বেই থাকবে। কেন্দ্র কর আরোপ করতে পারবে না।

৫. বিদেশি বাণিজ্য ও উপার্জন নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা
– পূর্ব পাকিস্তান তার নিজস্ব বিদেশি বাণিজ্য ও আয় পরিচালনা করবে।

৬. মিলিটারি ও প্যারামিলিটারি ফোর্স গঠন
– পূর্ব পাকিস্তানের জন্য একটি পৃথক মিলিশিয়া বা আধাসামরিক বাহিনী থাকবে।

🔶 ৬ দফা আন্দোলনের গুরুত্ব:
এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সেতুবন্ধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এর ফলে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদ জেগে ওঠে।
পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে এটি ছিল একটি সুস্পষ্ট প্রতিবাদ।
৬ দফা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের বীজরোপণ।

11/05/2025

জয় বাংলা..
বর্তমানের রাজাকার দের শরীলের পূর্বের রাজাকারদের রক্ত বহন করে এইজন্য এখনো দেশের এই অবস্থা।

11/05/2025

নিজের পায়ে যতক্ষণ শক্তি আছে দৌড়াবেন, শক্তি কমে গেলে হাঁটবেন, তবুও অন্যের পা ধরে চলার চিন্তা করবেন না!❤️

Want your business to be the top-listed Government Service in Fulbaria?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Fulbaria