ফজলের নূর তাপস ভাইয়ের সবুজবাগ থানার কর্মিবৃন্দ

ফজলের নূর তাপস ভাইয়ের সবুজবাগ থানার  কর্মিবৃন্দ

Share

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর নগর পিতা -
মেয়র শ?

05/12/2022

💟বঙ্গবন্ধু কন্যা।♥️

Photos from ফজলের নূর তাপস ভাইয়ের সবুজবাগ থানার  কর্মিবৃন্দ's post 30/09/2022

মাননীয় মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস
ভাইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এখনো চলমান …। আইনের সর্বোচ্চ আদালতে এমন ঘটনা নজিরবিহীন।
দ্রুত সময়ের মধ্যে, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে, মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।

23/08/2022

#বাসাবো_তরুণ_সংঘে_প্রথম______বিভাগে_ফুটবল_খেলোয়াড়দের___থাকার_জায়গার_বেহাল_দশা।

#বিস্তারিতঃ- সবুজবাগ থানার আওতাধীন বাসাবো তরুণ সংঘ ক্লাব, যা বাইরে দিয়ে ঝলমল করলেও ভেতরে নেই কোনো খেলোয়াড়দের থাকার মতো সুব্যাবস্থা ও সাস্থ্যসম্মত পরিবেশ।

তরুণ সংঘ মাঠের গ্যালারীর রুমে অসাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে হচ্ছে প্রথম বিভাগে ফুটবল খেলোয়াড়দের।

বাসাবো তরুণ সংঘ ক্লাবের সভাপতি, সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর #লায়ন_চিত্ত_রঞ্জন_দাস ও সেক্রেটারি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি #মাসুদ_হাসান_শামীম।

তরুণ সংঘের প্রথম বিভাগে ফুটবল খেলোয়াড়দের একটাই দাবি, তাদের থাকার জন্য সুব্যাবস্থা করা।
তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাঁরা এমন পরিবেশে থাকছে যা তাদের সুসাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ন,রাস্তার পাশেই তাদের থাকার জায়গা, গাড়ি চলাচল ও গাড়ির হর্নের শব্দে রাতে তাদের ঘুম অপরিপুর্ন থেকে যায় আর এই অসাস্থ্যকর পরিবেশে থাকার প্রভাব তাদের খেলায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে।তাই তাদের বাসাবো তরুণ সংঘের সভাপতি ও সেক্রেটারির কাছে আবেদন একটি, থাকার জন্য সুস্বাস্থ্যকর রুমের ব্যাবস্থা করে দেয়া।

#সবুজবাগ_নিউজ
#সত্য_প্রচারে_নির্ভীক।

23/06/2022

অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির বাতিঘর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

দেশের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন। ‘আওয়াম’ শব্দের অর্থ জনগণ, আর লীগ অর্থ দল বা গোষ্ঠী। সেই অর্থে আওয়ামী লীগের অর্থ জনগণের দল বা গোষ্ঠী। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জনকল্যাণের ব্রত নিয়ে ঢাকার রোজ গার্ডেনে যে দলটির আত্মপ্রকাশ, দুই যুগেরও কম সময়ের ব্যবধানে, ১৯৭১ সালে সেই দলটির নেতৃত্বেই স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ধর্মভিত্তিক সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে। শাসকদল মুসলিম লীগ ছিল সাম্প্রদায়িক। ফলে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিবেশও অনেকটা সাম্প্রদায়িক চেহারা পায়। এমনকি বিরোধী রাজনৈতিক ও ছাত্রসংগঠনেও পড়ে সাম্প্রদায়িকতার ছায়া। যেমন ১৯৪৮ সালে গড়ে ওঠে মুসলিম ছাত্রলীগ। ১৯৪৯ সালে এ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পরিবেশে পাকিস্তানে বিরোধী রাজনৈতিক ও ছাত্রসংগঠনও গড়ে উঠেছিল সাম্প্রদায়িক চেহারা নিয়ে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের সচেতন তারুণ্য ধর্মভিত্তিক রাজনীতির কৃত্রিম খোলসে মুখ ঢাকা রাখতে বেশিদিন রাজি থাকেনি। তাদের উদ্যোগে পঞ্চাশের দশকের মধ্যভাগে প্রথমে ছাত্রলীগ, পরে আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। পশ্চিম পাকিস্তানেও আওয়ামী লীগের শাখা গঠিত হয়। ফলে গোটা পাকিস্তানেই আওয়ামী লীগ একমাত্র বড় জাতীয় রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হয়।

শুরুতেই দলটির নাম আওয়ামী লীগ ছিল না। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে জন্মকালে যে দলটির নাম ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, সেই দলটিই আজকের আওয়ামী লীগ। প্রথম কমিটিতে সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। সাধারণ সম্পাদক ছিলেন টাঙ্গাইলের শামসুল হক। যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন সে সময়ের তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে সে সময়ের কথা উল্লেখ আছে। যখন ঢাকার রোজ গার্ডেনে দলের গোড়াপত্তন হচ্ছে, তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাগারে।

অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছেন, ‘কর্মী সম্মেলনের জন্য খুব তোড়জোড় চলছিল। আমরা জেলে বসেই সে খবর পাই। ১৫০ নম্বর মোগলটুলীতে অফিস হয়েছে।...আমরা সম্মেলনের ফলাফল সম্বন্ধে খুবই চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলাম। আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, আমার মতো নেয়ার জন্য। আমি খবর দিয়েছিলাম, ‘আর মুসলিম লীগের পিছনে ঘুরে লাভ নেই। এ প্রতিষ্ঠান এখন গণবিচ্ছিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ... এরা কোটারি করে ফেলেছে। একে আর জনগণের প্রতিষ্ঠান বলা চলে না। ... আমাকে আরও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আমি ছাত্র প্রতিষ্ঠান করব, না রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন করা হলে তাতে যোগদান করব? আমি উত্তর পাঠিয়েছিলাম, ছাত্র রাজনীতি আমি আর করব না, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানই করব। কারণ বিরোধী দল সৃষ্টি করতে না পারলে এ দেশে একনায়কত্ব চলবে। ... সকলেই একমত হয়ে নতুন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন করলেন; তার নাম দেয়া হলো. ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলীম লীগ। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, জনাব শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক আর আমাকে করা হলো জয়েন্ট সেক্রেটারি। খবরের কাগজে দেখলাম, আমার নামের পাশে লেখা আছে ‘নিরাপত্তা বন্দী’। আমি মনে করেছিলাম, পাকিস্তান হয়ে গেছে। সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের দরকার নেই। একটা অসাম্প্রদায়িক প্রতিষ্ঠান হবে, যার একটা সুষ্ঠু ম্যানিফেস্টো থাকবে।’

তরুণ শেখ মুজিব যে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের কথা ভেবেছিলেন, তা কার্যকর হতে খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ পরবর্তীকালে নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে দলের নেতৃত্ব দলকে একটি অসাম্প্রদায়িক দলে রূপান্তর করেন। তখন এটি ছিল একটি সাহসী সিদ্ধান্ত।

দীর্ঘ পথপরিক্রমায় অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে আসতে হয়েছে আওয়ামী লীগকে। আদর্শবাদী, উদারনৈতিক এ রাজনৈতিক দলটির অস্তিত্ব বিনাশের চেষ্টাও হয়েছে। দলের ভেতরের কোন্দলও অনেক সময় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চেয়েছে। কিন্তু আলোর পথযাত্রী আওয়ামী লীগ সব বাধা-বিপত্তি মাড়িয়ে এগিয়ে গেছে। ১৯৫৭ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে টাঙ্গাইলের সন্তোষে অনুষ্ঠিত কাগমারী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ভাগ হয়ে যায়।

১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ দলের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণা করলে আওয়ামী লীগে দ্বিতীয়বারের মতো বিভক্তি দেখা যায়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে আসেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে বঙ্গবন্ধুকে দেশের শত্রুরা সপরিবারে হত্যা করলে আওয়ামী লীগ আবার অস্তিত্বের সংকটে পড়ে। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের এক বিশেষ কাউন্সিল অধিবেশনে প্রবাসে নির্বাসন জীবনযাপনকারী শেখ হাসিনাকে সর্বসম্মতভাবে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। সেই বছর ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশের এক ক্রান্তিকালে দেশে ফেরেন। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২১ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের ম্যান্ডেট পায়। খুব কম দেশেই একটি দল ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে থেকে ক্ষমতায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ টানা তিনবার জনগণের ম্যান্ডেট পায় আওয়ামী লীগ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতৃত্বের রূপান্তরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক একটি উজ্জ্বল সময় পার করে এসেছে। তাদের মতে, আওয়ামী লীগের প্রথম যুগটি হচ্ছে ভাসানী যুগ। এ যুগের প্রথম দিকে দলটি ছিল সাম্প্রদায়িক। নাম মুসলিম আওয়ামী লীগ। শেখ মুজিব প্রথমে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এবং পরে সাধারণ সম্পাদক হন। ভাসানী-মুজিব নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সাম্প্রদায়িকতার খোলস ত্যাগ করে, হয় অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগ। কাগমারীতে আওয়ামী লীগের ভাসানী যুগের অবসান হয়। শুরু হয় শহীদ সোহরাওয়ার্দীর যুগ। এ সময় আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ প্রগতিশীল নেতা ভাসানীর নবগঠিত দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন। কিন্তু শেখ মুজিব দল ত্যাগ করেননি। আবার তিনি আওয়ামী লীগে ডানপন্থীদেরও মাথা তুলতে দেননি।

শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর শুরু হয় আওয়ামী লীগের মুজিব নেতৃত্বের যুগ। শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ডানপন্থী নীতির ফলে আওয়ামী লীগ কিছুটা সাধারণ মানুষের সমর্থন হারিয়েছিল। শেখ মুজিবের নেতৃত্বে পুনর্গঠিত আওয়ামী লীগে দলে দলে তরুণ নেতা ও কর্মীরা আসেন। দল একটি মধ্য বামপন্থী দল হয়ে দাঁড়ায় এবং দলের মূলনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র যুক্ত হয়।

আওয়ামী লীগে মুজিব যুগই হচ্ছে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল যুগ। তিনি অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রচার করেন। ঘোষণা করেন পূর্ব পাকিস্তান নয়, এ ভূখণ্ডের নাম বাংলাদেশ। আমরা হাজার বছর ধরে বাঙালি। আমাদের পরিচয় হবে বাঙালি। বড় ঢেউ তোলে বাংলাদেশে বাঙালি জাতীয়তাবাদ। বাঙালির যে হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তার মিল দেখা যায় অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার সঙ্গে। বাংলাদেশে সেই ঐতিহ্য ধারণ করেন শেখ মুজিব এবং সেই জাতীয়তার বাহক হয়ে দাঁড়ায় আওয়ামী লীগ।
মুজিব যুগের আওয়ামী লীগ আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়। আওয়ামী লীগে বড় ধরনের রূপান্তর ঘটে। তার শোষিতের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সফল হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক বিরাট জয়যাত্রা শুরু হতো। কিন্তু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের ষড়যন্ত্রের ফলে ১৯৭৫ সালে তিনি শাহাদাতবরণ করেন।

বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন। দেশের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন শোষিতের গণতন্ত্র। সেই অসাম্প্রদায়িক উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি দেশের মানুষের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই। দুটি কারণও তুলে ধরা যেতে পারে। একটি অর্থনৈতিক, অন্যটি রাজনৈতিক। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার ১০টি মেগাপ্রকল্প হাতে নিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে মোট ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো তৈরি হলে ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রফতানি আয় সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এই ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলে দেশের এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। অতীতে এমন উন্নয়ন সাফল্য কোনো সরকার দেখাতে পারেনি।

আর দুদিন পরই তো উদ্বোধন হতে যাচ্ছে পদ্মা সেতু। এ সেতুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের প্রথম কোনো সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন পাল্টে যাবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল কৃষিতে উন্নত। কৃষিপণ্য খুব সহজেই ঢাকায় চলে আসবে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে রাজধানী ও বন্দরনগর চট্টগ্রামের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পুরো দেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়বে।

আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বলা চলে, এ দলটির ইতিহাসই হচ্ছে বাংলাদেশের গত ৭৩ বছরের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস। আওয়ামী লীগের ইতিহাস যারা পাঠ করবেন, তাদের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাস পাঠ করা তেমন দরকার হবে না।

জনগণের জন্য, জনগণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এ দলটির প্রতি এখনো জনগণের অবিচল আস্থা রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দলটির অসাম্প্রদায়িক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাক। ৭৩ পূর্ণ করে ৭৪ বছরে পা দিলেও আওয়ামী লীগ তার তারুণ্য হারায়নি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, যুগান্তরের লক্ষ্য ও কর্মসূচি এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্ব- এ তিনটি রক্ষাকবচের জোরেই আওয়ামী লীগ সংশোধিত হবে, নতুন প্রাণ পাবে। এটাই আওয়ামী লীগের ইতিহাস অপরাজেয়।

লেখক : এম. নজরুল ইসলাম
সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং অস্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক

Photos from ফজলের নূর তাপস ভাইয়ের সবুজবাগ থানার  কর্মিবৃন্দ's post 14/03/2022

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস ভাইয়ের আমন্ত্রণে রোমানিয়ার রাজধানী বুখারেস্টের মেয়র রবার্ট সোরিন নেগোইতা গতকাল সন্ধ্যায় ৫ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসেন।

18/11/2021

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপরেখায় উন্নত বাংলাদেশের উন্নত রাজধানী বিনির্মাণের ক্লান্তিহীন নেতৃত্ব; ঐতিহ্যের, সুন্দর, সচল, সুশাসিত ও উন্নত ঢাকা’র কারিগর; ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র, পরম শ্রদ্ধেয় ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস Sheikh Taposh ভাইয়ের জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা।
আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

Photos from ফজলের নূর তাপস ভাইয়ের সবুজবাগ থানার  কর্মিবৃন্দ's post 20/10/2021

DSCC celebrated Eid-E-Milad-un-Nabi (SW) for the first time.

Photos from ফজলের নূর তাপস ভাইয়ের সবুজবাগ থানার  কর্মিবৃন্দ's post 07/08/2021

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং নাগরিক ঢাকা আয়োজিত বার্ষিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২১।

প্রধান অথিতি হিসেবে উদ্বোধন করেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মাননীয় মেয়র - ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফরিদ আহমদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং জনাব এম নাঈম হোসেন, সভাপতি - নাগরিক ঢাকা।

অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় মেয়র মহোদয়ের পিএস, ডিএসসিসির কাউন্সিলর বৃন্দ, থানা নেতৃবৃন্দ, ডিএসসিসির প্রধান শহর পরিকল্পনাবিদ, ডিএসসিসির জোনাল অফিসারস এবং বনায়নের কর্মকর্তাগন।

কর্মসূচিটির সহযোগিতায় আছেন বনায়ন প্রকল্পে।

তারিখ: ৪ঠা আগস্ট ২০২১ (বুধবার) !!

Photos from সবুজবাগ নিউজ - Shobujbagh News's post 04/12/2020
Photos from ফজলের নূর তাপস ভাইয়ের সবুজবাগ থানার  কর্মিবৃন্দ's post 27/11/2020

"আমাদের ঢাকা, আমাদের ঐতিহ্য"।
এই ঐতিহ্যকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিষ্টার শেখ তাপস অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকার আদি ঐতিহ্য বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে “জননেত্রী শেখ হাসিনা কনভেনশন সেন্টার” স্থাপনের জন্য আজ ২৫ নভেম্বর, ২০২০ রোজ বুধবার বুড়িগঙ্গা নদীর তীর পরিদর্শনে আসেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka
1214