আল্লাহু আকবার

আল্লাহু আকবার

Share

ইসলামের সুফল ও এক আল্লাহ ও তাঁর রসূলগণের আলোচনা।

09/02/2026

দান-সদকার নিশ্চিত উপকারিতা সমূহ :

এক. দানে বিপদাপদ দূর হয়। (আবু দাউদ:১১৯১)

দুই. সম্পদে বরকত হয়। (সহিহ মুসলিম:২৫৮৮)

তিন. জটিল অসুখ ভালো হয়। (সহি জামে: ৩৩৫৮)

চার. আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়।
(সহিহ জামে: ৩৭৬৬)

পাঁচ. খারাপ মৃত্যু ঠেকিয়ে দেয়।
(সিলসিলাহ সহিহা: ১৯০৭)

ছয়. কিয়ামতে ছায়া হিসেবে হাজির হয়।
(সহিহ ইবনু খুযাইমা ১৭৬৬)

সাত. ফেরেশতারা দুয়া করেন সম্পদ বৃদ্ধির জন্য। (বুখারী: ১৩৭৪)

আট. গোনাহ মাফ হয়। (তিরমিজি: ২৬১৬)

নয়. জান্নাত নসিব হয়। (সহিহ বুখারী: ১৮৯৭)

09/02/2026

লজ্জাস্থানের চুল কাটা সম্পর্কে যাবতীয় মাসয়ালা—
@

☞ এই পেইজটি আপনার মহা-উপকারের জন্য। ঘুরে আসবেন এবং ফলো দিয়ে রাখবেন ইংশাআল্লাহ্।

☞ ইসলাম প্রচারের স্বার্থে পোস্টটি শেয়ার দিয়ে দিবেন ইংশাআল্লাহ্।

১। নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?
২। স্বামী-স্ত্রী কেউ কারো লজ্জাস্থানের লোম কেটে দিতে পারবে?
‌৩। অন্ডকোষ ও পায়ুপথের চারপাশের লোমও কাটতে হবে?
৪। পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে লজ্জাস্থানের লোম কাটতে পারবে?
৫। কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?

🔲 নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায়, নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয়, সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)

🔲 স্বামী তার স্ত্রী’র এবং স্ত্রী তার স্বামীর-
নাভির নিচের লোম কেটে দিতে পারবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
হ্যাঁ, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অবাঞ্চিত লোম কেটে দিতে পারবে।

☞ তবে নিজ হাত দিয়ে অবাঞ্চিত লোম পরিস্কারের সামর্থ থাকা সত্বেও একে অপরের সাহায্য না নেওয়া উত্তম।

▪️স্বামী স্ত্রীর মাঝেও লজ্জা শীলতা থাকা আবশ্যক। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মাঝে লজ্জা না থাকলে সংসারে সুখ হয় না।

যদিও স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের লজ্জাস্থানের লোম পরিষ্কার করে দেওয়া জায়েয। তবে ইহা আদব তথা শিষ্টাচার পরিপন্থী কাজ।

ইবন কুদামা আল মাকদেসী (রহ.) বলেন,
وَيُبَاحُ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْ الزَّوْجَيْنِ النَّظَرُ إلَى جَمِيعِ بَدَنِ صَاحِبِهِ ، وَلَمْسُهُ ، حَتَّى الْفَرْجِ … ؛ وَلِأَنَّ الْفَرْجَ يَحِلُّ لَهُ الِاسْتِمْتَاعُ بِهِ ، فَجَازَ النَّظَرُ إلَيْهِ وَلَمْسُهُ ، كَبَقِيَّةِ الْبَدَنِ
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সমস্ত দেহের দিকে তাকানো, স্পর্শ করা, এমনকি যৌনাঙ্গের ক্ষেত্রেও বৈধ। কেননা, যৌনাঙ্গে মিলন হালাল। সুতরাং শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মত তা দেখা ও স্পর্শ করাও জায়েয। (আল মুগনী ৭/৭৭)।

🔲 অন্ডকোষ ও মলদ্বারের-
চারপাশের লোমও কাটতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
মুত্র থলির নিচে নিম্নাঙ্গের যে হাড্ডি থেকে- যেখানে তলপেটের নিচে উক্ত হাড্ডি বরাবর চামড়ার ওপর একটি ভাঁজ থাকে। (পেটের নীচে লজ্জাস্থানের উপরে ত্রিভুজ অঞ্চলের শুরুতে যে ভাঁজ থাকে) এখান থেকেই সাধারণত ঘন পশম গজানো শুরু হয়। উক্ত ভাঁজ থেকে নিয়ে লিঙ্গ, অণ্ডকোষ এবং মলদ্বার- এই তিন অঙ্গের আশপাশে এবং উরুর ওই অংশ, যা অণ্ডকোষদ্বয়ের কাছাকাছি থাকে এবং যা পশমের কারণে ময়লাযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে পুরোটাই অবাঞ্ছিত পশম থেকে মুক্ত করতে হবে। [সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাদানিয়া : ৩/৪৮২]

পায়খানার রাস্তার আশেপাশের লোম কাটতে হবে।
যদি নাপাকি লেগে না থাকে, সন্দেহমুক্তভাবে পরিষ্কার রাখা সর্বদা সম্ভব হয়, তাহলে সমস্যা নেই।
তবে কেটে ফেলা উত্তম, কেটে ফেলবেন, এটা অধিকাংশ মত।(বিস্তারিত পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করা হবে ইংশাআল্লাহ্)।

▪️আর নাভীর নিচের লোম, অন্ডকোষ, পায়ুপথ তথা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করতে যেয়ে একটা-দুইটা লোম থেকে গেলে কোন গোনাহ হবেনা। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)

🔲 পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে-
নাভির নিচের লোম কাটতে পারবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব।—(কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫)

☞ ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না।

فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة

যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭)

❑ মেশিন দিয়ে লজ্জাস্থানের লোম কাটার মূলনীতি হলো—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
☞ ছাটা না ক্লিন?
☞ লোম ক্লিন করা সুন্নাত।
☞ তাই মেসিন দিয়ে তো কাটা হয়/ছাটা হয়, ক্লিন হয় না।
☞ আর যদি একেবারে ন্যানো হয় তাহলে করা যেতে পারে।
তবে একবারে ক্লিন করাই উত্তম, সুন্নাহ।

▪️হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
وعن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((الفطرة خمس: الختان، والاستحداد، وقص الشارب، وتقليم الأظفار، ونتف الإبط)) متفق عليه.
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ফিতরাত তথা স্বভাবগত সুন্নত পাচঁটি।
১) খৎনা করা। ২) খুর দ্বারা নাভীর নীচ পরিস্কার করা। ৩) মুছ কাট। ৪) নক কাটা। ৫) বগলের চুলকে উপড়িয়ে ফেলা। (মিশকাতুল মাসাবিহ-৪৪২০)

☞ মুল্লা আলী ক্বারী (রঃ) উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,
(والاستحداد) : أي حلق العانة، وهو استفعال من الحديد، وهو استعمال الحديد من نحو الموسى في حلق العانة ذي الشعر الذي حوالي ذكر الرجل وفرج المرأة. زاد ابن شريح: وحلقة الدبر، فجعل العانة منبت الشعر مطلقا، والمشهور الأول، فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة. كذا في شرح المشارق، ويجب أن يعلم أنه لا يقطع شيئا من شعر وهو جنب.
ইস্তেহদাদ অর্থ হলো– নাভীর নীচ কে খুর ইত্যাদি দ্বারা পরিস্কার করা। পুরুষাঙ্গ ও যোনিপথের আশপাশের সবকিছুকে খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।
ইবনে শুরাইহ বলেন, মলমূত্রত্যাগের স্থানকেও খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে। উনি নাভীর নীচের সকল চুলকে তাতে শামিল রাখেন তা যেখানেই হোকনা কেন। তবে প্রথম মতটাই অধিক প্রসিদ্ধ। যদি কেউ খুর ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা নাভীর চুলকে পরিস্কার করে, তাহলে সেটা সুন্নত অনুযায়ী হবে না।(শরহে মাশারিক্ব) সবার জানা থাকা উচিৎ যে, জুনুবী অবস্থায় নাভীর চুলকে কাটা যাবে না।

🔲 কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি সপ্তাহে একবার কাটা সুন্নত। কমপক্ষে ৪০ দিনের ভিতরে একবার হলেও কাটতে হবে বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটা মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস (রাযি.) বলেন,

وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً

অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮)

@

15/01/2026

Just awesome

15/01/2026

আযানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অলৌকিক গনিতের খেলা:
আযানের এই তথ্যগুলো পড়ার পর আপনি বাকরুদ্ধ হবেন আর আল্লাহর উপর আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।

১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ। এর মানে আল্লাহই শুরু এবং আল্লহই শেষ।

২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার। আর আমাদের প্রতিদিন নামাজ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি।

৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি। আর আল্লাহ মিরাজের সময় হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) কে সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন।

পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়। আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যাক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন।

৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।

আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত।

ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪

মোট ১৭ রাকাত।

৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাবহৃত শব্দ হল ( আল্লাহ)

আল্লাহ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা অক্ষরটি ২০ বার।

সুতরাং ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২।

আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা ইখলাস। যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।

আলহামদুলিল্লাহ।

12/01/2026

▌একগুঁয়ে ও জেদী নারীঃ
_________________
লিখেছেন:
আমীনা মাসআদ আল হারবী
সহকারী প্রফেসর
কিং আবদুল আযীয বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদী আরব।
দাম্পত্য, পরিবার ও সমাজ বিষয়ক পরামর্শদাতা
___________________________________
❒ একগুঁয়ে ও জেদী নারীরা দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ এবং এমনকি আত্মীয়দের সাথেও সুসস্পর্ক গড়তে ব্যর্থ।
যে নারী সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে আবেগ-ভালোবাসা আর নমনীয়তার বিচক্ষণতা হারিয়েছে আর নিজের মতামত ও জিদকে প্রাধান্য দিয়েছে, সেই দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ হয়েছে। কেন?

⦁(১) কেননা তখন সে স্বামীর সাথে টানাটানি ও ঠেলাঠেলিতে প্রবেশ করবে। বিজয়ের জন্য নিজের আমিত্বকে জাহির করতে চাইবে। আর তখনই সে স্বামীর জিদের সামনে পরাজিত হবে। এমনকি তার বিরুদ্ধে নিকটস্থ ব্যক্তিরাও জেদী হয়ে উঠবে। কেননা পুরুষরা জেদী স্ত্রী বা একগুঁয়ে বোনের সামনে আরো বেশী কঠোর ও জেদপ্রবণ হয়ে উঠে। কিন্তু নমনীয় নারীর সামনে তারা হয় কোমল।

⦁(২) জেদী নারী ধারণা করে, সে যদি নিজের মতামতের উপর দৃঢ় থাকে এবং দ্বন্দ্বের ঝড়ে অটল থাকতে পারে, তবে সে বিজয়ী হবে। কিন্তু একথা ভুলে যায় যে, নিজের মতের ক্ষেত্রে জিদ করে যদি একটা বিজয় পেয়েও যায় কিন্তু বিপরীত দিকে সে এমন একটি হৃদয় হারাবে যে তাকে ভালোবাসতো।

⦁(৩) অধিকাংশ ঘটনায় পণ্ডিতগণ সহজ-সরল নম্র ও আবেগপ্রবণ স্বামীভক্ত নারীদের প্রশংসা করেছেন। যে নারী নম্রতার সাথে স্বামীকে সঙ্গ দেয় ও তার ভালোবাসা আদায় করার কৌশল বুঝে, তাকেই স্বামী অধিকভালোবাসে ও তাকে আঁকড়ে রাখে।

⦁(৪) ঝড় উঠলে তা চলে যাওয়ার জন্য যে নারী মাথা নামিয়ে নুয়ে পড়ে, সেই বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী, তার পক্ষেই সংসারকে চিরকাল আঁকড়ে রাখা সম্ভব। কিন্তু যে নারী শুকনো গাছের মত মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, সে মচকে যায় বা এমনভাবে ভেঙ্গে যায়- যা আর জোড়া লাগে না।

⦁(৫) নিজের মতের উপর অটল জেদী নারীর বিশ্বাস হচ্ছে.. আমিই বিজয়ী হব, তুমি পরাজিত হবে। এ নারী মূলত: অন্যকে ধ্বংস করার পূর্বে নিজেকেই ধ্বংস করে। সর্বদা আফসোসের জীবন অতিবাহিত করে। যার তিক্ততা সে ভোগ করে দুনিয়া ও আখেরাতে।

⦁(৬) পারিবারিক কনসালটেন্সি বিভাগে কাজ করে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে: একগুঁয়ে ও জেদী নারীদের পরিণাম শেষ হয় তালাকের মাধ্যমে। ফলে তারা পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে হয় ব্যর্থ।

⦁(৭) বেদুঈন মহিলা তার কন্যার বিদায়ের দিন যে উপদেশ দিয়েছিল। তা অত্যন্ত চমৎকার প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা এবং পরিক্ষীত সত্য। সফল স্ত্রীরা এর বাস্তবাতাকে প্রমাণ করেছেন। উপদেশটি হচ্ছে: “তুমি স্বামীর সামনে নিজেকে একজন দাসীতে পরিণত কর। দেখতে পাবে অচিরেই সে তোমার দাসে পরিণত হয়ে যাবে।”
ভালো পুরুষরা ধৈর্যশীল ও উদার হয়ে থাকে, কিন্তু নির্বোধ ও একগুঁয়ে-জেদী নারীরা তাদেরকে শত্রুতে পরিণত করে।

💫 আপনার পরিচিত / পরিবারে কোনো জেদী নারী থাকলে তাকে জানার সুযোগ করে দেন। জাযাকাল্লাহ খাইর 🤍

28/12/2025

📌“হায়! আমি যদি তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম!”

(সূরা আল-ফুরকান: ২৮)

আয়াতের পূর্ণ অর্থ (সংক্ষেপে)

আল্লাহ বলেন—

> “হায়! দুর্ভোগ আমার! আমি যদি অমুককে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম।
সে তো আমাকে পথভ্রষ্ট করেছিল উপদেশ (কুরআন) আমার কাছে আসার পর।”
(সূরা আল-ফুরকান: ২৭–২৯)

এটা কোনো রূপক কথা না। এটা কিয়ামতের ময়দানে এক ব্যক্তির আর্তনাদ।

---

নাজিলের পটভূমি (Asbāb an-Nuzūl)

তাফসীরকারগণ (ইবনে কাসীর, কুরতুবী, তাবারী) উল্লেখ করেন—

এই আয়াত বিশেষভাবে নাজিল হয়েছিল উকবা ইবনে আবি মু‘আইত সম্পর্কে।

ঘটনা কী?

উকবা একসময় নবী ﷺ-এর কাছে বসতো

কুরআন শুনত, ইসলামের দিকে ঝুঁকছিল

কিন্তু তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু উবাই ইবনে খালাফ (কট্টর মুশরিক) তাকে চাপ দেয়:

> “মুহাম্মদের কথা মানলে তোকে বন্ধু মানবো না”

◼️বন্ধুত্ব বাঁচাতে উকবা ইসলাম থেকে সরে যায়

শেষ পর্যন্ত কুফরের উপর মৃত্যু

👉 কিয়ামতের দিন সে বলবে— “হায়! আমি যদি তাকে বন্ধু না বানাতাম!”

বন্ধু তাকে জাহান্নামে ঠেলে দিয়েছে।

---

তাফসীরের মূল শিক্ষা (কঠিন কিন্তু সত্য)

১️⃣ বন্ধু নিরপেক্ষ হয় না

তুমি ভাবছো—

> “আমি যেমন আছি, বন্ধু থাকলেও আমি বদলাই না”

▪️এটা আত্মপ্রবঞ্চনা।

আল্লাহ নিজেই বলছেন—

> “সে আমাকে পথভ্রষ্ট করেছিল”

বন্ধু হয়—

▪️তোমাকে আল্লাহর দিকে টানে
অথবা

▪️ধীরে ধীরে আল্লাহ থেকে দূরে নেয়

▪️মাঝামাঝি কিছু নেই।

---

২️⃣ কুরআন জানার পর পথভ্রষ্ট হওয়া আরও ভয়ংকর

আয়াতে আছে—

> “উপদেশ আমার কাছে আসার পর”

মানে—

▪️সে অজ্ঞ ছিল না

▪️জানত সত্য কী

▪️কিন্তু বন্ধুর কারণে সত্য ত্যাগ করেছে

👉 আজ যারা বলে—

> “সব জানি, কিন্তু লাইফ এনজয় করতেছি”

এই আয়াত তাদের জন্যই বেশি ভয়ংকর।

---

৩️⃣ কিয়ামতে বন্ধুত্ব = দায়মুক্তি নয়

সেদিন—

▪️বন্ধু বন্ধু বলবে না

▪️গ্রুপ চ্যাট, স্মৃতি, হাসি—সব শেষ

▪️প্রত্যেকে বলবে: “হায়! আমি যদি…”

কুরআন বলেই দিয়েছে—

> “সেদিন জালিম নিজের হাত কামড়াবে” (২৫:২৭)

---

আজকের বাস্তবতা (নিজেকে প্রশ্ন করো)

তোমার বন্ধু যদি—

▪️সালাহকে গুরুত্বহীন করে

▪️হারামকে “নরমাল” বানায়

▪️ইসলামি কথায় হাসাহাসি করে

▪️দুনিয়াকেই সব বানায়

তাহলে তুমি বন্ধু না, টাইম বোমা পুষে রাখছো।

এটা কঠিন কথা, কিন্তু সত্য— বন্ধু বদলাও, নইলে আখিরাত বদলে যাবে।

---

শেষ কথা (ফেসবুক পোস্টের punchline)

> আজ যে বন্ধুকে ছাড়া তুমি চলতে পারছো না,
কাল হয়তো তার জন্যই বলতে হবে—
“হায়! আমি যদি তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম!”

নিজেকে ধোঁকা দিও না।
আল্লাহ কুরআনে আগেই সতর্ক করে দিয়েছেন।

22/12/2025

তাহাজ্জুদ নামাজ কিভাবে পড়বেন.?

তাহাজ্জুদ নামাজ কিভাবে আদায় করবেন – ধাপে ধাপে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা

সংরক্ষণ করে রাখুন, যখনই দরকার হবে ফিরে আসুন ইনশাআল্লাহ

রাসূলুল্লাহ বলেছেন:

"ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ (তাহাজ্জুদ)।” (সহিহ মুসলিম)

তাহাজ্জুদ মানুষকে আল্লাহর আরও কাছাকাছি নিয়ে যায় এবং অন্তরে প্রশান্তি এনে দেয়। এই নামাজে রয়েছে এমন এক শক্তি, যা দুঃখকে শান্তিতে এবং ব্যথাকে আশায় রূপান্তর করে।

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার ধাপসমূহ:

১-রাতের শেষ তৃতীয়াংশে জাগুন
যদি মাগরিব ৬:০০ PM এবং ফজর ৫:০০ AM হয়, তাহলে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ হবে রাত ১:২০ থেকে ফজর পর্যন্ত।

ঘুম থেকে উঠে সুন্দরভাবে ওজু করে নিন।

২-নিয়ত করুন (নিয়্যা করুন)
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করুন।

৩-তাকবির দিয়ে নামাজ শুরু করুন
"Allahu Akbar" বলে নামাজ শুরু করুন। অন্যান্য নফল নামাজের মতো দুই রাকাত,অথবা আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী আদায় করুন।

৪-সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পাঠ করুন
সূরা ফাতিহার পর আপনি সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন পাঠ করতে পারেন – এগুলো গভীর অর্থবোধক ও বিশেষভাবে সুপারিশকৃত। -

৫-সেজদায় অথবা নামাজ শেষে খালেস অন্তরে দোয়া করুন আল্লাহর কাছে যা কিছু আপনার মনে আছে – কষ্ট, আশা, ভয়, ভালোবাসা – সব খুলে বলুন।
এই সময়টি হলো দোয়া কবুলের সবচেয়ে বরকতময় সময়।
সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করুন

৬-তাহাজ্জুদের পর বিতর নামাজ আদায় করুন তাহাজ্জুদের শেষে ১, ৩ বা ৫ রাকাত বিতর নামাজ পড়া উত্তম ও সুন্নত।

কেনো রাতের শেষ অংশে নামাজ পড়বেন?

রাসূল বলেছেন:

“প্রতি রাতে যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে, তখন আমাদের রব (আল্লাহ) নিচের আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন:

কে আছে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব?
কে কিছু চাইবে, আমি তাকে দেব? কে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব?"
(সহিহ বোখারী ১১৪৫, সহিহ মুসলিম ৭৫৮)

এই সময় আল্লাহ বান্দার সবচেয়ে কাছে থাকেন – এটি দোয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী সময়।

যদি আপনি নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়তে না-ও পারেন...
ইচ্ছা থাকলেই আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করবেন।

রাসূল(সাঃ) বলেছেন:

“কর্মের প্রতিদান নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।” (সহিহ বোখারী)

“যে কোনো ভালো কাজ করার নিয়ত করে কিন্তু করতে না পারে, তার জন্য পূর্ণ সওয়াব লেখা হয়।” (সহিহ বোখারী)

#নামাজ

20/11/2025
20/11/2025

এমন একটি দোয়া আছে যার ওজন অনেক ভারী।

আল্লাহর রাসুল ﷺ জুয়াইরিয়া রাদিআল্লাহু আনহাকে শিখিয়ে দিয়েছিলেন। সহিহ মুসলিম শরীফে বর্ণিত।

একদিন রসুলুল্লাহ ﷺ ফজরের নামাজ পড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। তখন উম্মুল মুমিনীন জুওয়াইরিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা নিজের মুসাল্লায় বসে যিকর করছিলেন।

কিছুক্ষণ পর, চাশতের কাছাকাছি সময়, তখন তিনি ফিরে এলেন। দেখলে তিনি এখনো আগের মতোই যিকরে বসে আছেন।

তখন রসুলুল্লাহ ﷺ জুরায়ইরিয়া রাদিয়াল্লাহ্ আনহাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিলাম তুমি সে অবস্থায়ই আছ? (অর্থাৎ যিকর অবস্থায় আছ) তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমার নিকট হতে রওনার পর চারটি কালিমাহ তিনবার পড়েছি।

আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওজন করা হলে এ কালিমাহ চারটির ওজনই ভারী হবে।

কালিমাটি হলো-
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ

এটির বাংলা উচ্চারণ হলো—

“সুবহানাল্লাহী ওয়া বিহামদিহি 'আদাদা খালকিহি, ওয়া রিদ্বয়া নাফসিহি, ওয়া যিনাতা আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি।”

অর্থাৎ, আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করি; তাঁর সৃষ্টির সমান সংখ্যক, তাঁর নিজ মর্জি অনুযায়ী, তাঁর আরশের ওজন বরাবর ও তাঁর বাণীসমূহের সমান সংখ্যক প্রশংসা।

___ মুসলিম ৭০৮৮-৭০৮৯)

__

20/10/2025

➡️সুন্দর একটি দোয়া❤️

رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ ہَدَیۡتَنَا وَ ہَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ رَحۡمَۃً ۚ اِنَّکَ اَنۡتَ الۡوَہَّابُ ﴿۸﴾
'রাব্বানা-লা-তুঝিগ কুলূবানা-বা‘দা ইয হাদাইতানা -ওয়াহাবলানা-মিল্লা দুনকা রাহমাতান ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহা-ব।'

"হে আমাদের রাব্ব! আমাদেরকে পথ প্রদর্শনের পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আমাদেরকে আপনার নিকট হতে করুণা প্রদান করুন, নিশ্চয়ই আপনি প্রভূত প্রদানকারী।"

[সুরাঃ আল ইমরান, আয়াতঃ ০৮]

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


3100
Dhaka