গোসাইরহাট থানা,শরীয়তপুর Gosairhat Police Station, Shariatpur.

গোসাইরহাট থানা,শরীয়তপুর Gosairhat Police Station, Shariatpur.

Share

Law enforcement agency

21/01/2025

জনাব মোঃ মাকসুদ আলম
অফিসার ইনচার্জ, গোসাইরহাট থানা, শরীয়তপুর।
যোগদান: ২১/০৯/২০২৪ খ্রি:

03/10/2024

ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, সেপ্টেম্বর-২০২৪

অনলাইনে আবেদন শুরু ০১ অক্টোবর ২০২৪ এবং শেষ ১৫ অক্টোবর ২০২৪

ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেনে জড়িত হলে গ্রেফতার ও নিয়োগ বাতিল করা হবে। আবেদনপত্রে কোনো মিথ্যা বা ভুল তথ্য প্রদান করলে নিয়োগের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

#সেবার_ব্রতে_চাকরি

22/09/2024

গত ০১/১১/২৩ তারিখে অত্র গোসাইরহাট থানায় আমি অফিসার ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করেছিলাম। গতকাল ২১/০৯/২৪ তারিখে আপনাদের গোসাইরহাট থানা থেকে বিদায় নিলাম । আমার প্রথম অফিসার ইনচার্জ অত্র থানাতেই।এজন্য ভুলত্রুটি হতে পারে। আমার ক্ষুদ্র চাকুরীকালীন সময়ে আমার দ্বারা কেউ যদি মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন,তাহলে নিজ গুণে আমায় ক্ষমা করে দিবেন। গোসাইরহাট থানা/উপজেলার জনগণ আপনারা খুবই ভালো।আপনাদের আতিথেয়তা,মানবিকতা,সহানুভবতা,বন্ধুসুলভ আচরন,আনুগত্যতা সবই আমাকে বিমুগ্ধ এবং আপনাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ করেছে।আপনারা আমিসহ আমার পুলিশকে যেভাবে বিগত দিনে সহযোগিতা করেছেন,আমি আশা করি আপনারা আগামী দিনেও একইভাবে পুলিশকে সহযোগিতা করবেন।সবাই ভালো থাকবেন এবং আমার ও আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।

20/09/2024

আইন নিজের হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা : পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স

সম্প্রতি কোথাও কোথাও গণপিটুনি দিয়ে মানুষ হত্যার নৃশংস ঘটনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ ধরনের মব জাস্টিস কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ পুলিশ বদ্ধপরিকর।

কেউ অন্যায় করলে বা অপরাধী হলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ওই ব্যক্তির বিচারের বিধান রয়েছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো নেই। কোন ব্যক্তি অন্যায় এবং অপরাধ করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে; কোনভাবেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।

কোন ব্যক্তি অন্যায় বা অপরাধ করলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন। আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স সকলের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে। মব জাস্টিস বা গণপিটুনির মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স দেশের সকল সচেতন নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করছে।

বাংলাদেশ পুলিশ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Photos from District Police Shariatpur জেলা পুলিশ শরীয়তপুর's post 02/07/2024
13/05/2024

বিশিষ্ট শিল্পপতি , শিক্ষা অনুরাগী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, দানবীর শামসুর রহমান শাহজাদা মিয়া, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসা কালীন অবস্থায় ইন্তেকাল করিয়াছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার ইন্তেকালে দেশ ও শরীয়তপুর তথা গোসাইরহাট বাসীর অপূরণীয় ক্ষতি হলো। আমরা গোসাইরহাট থানার পক্ষ থেকে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোক সপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

29/04/2024

অদ্য ইং ২৯/০৪/২৪ তারিখে নিন্মুক্ত ছবির এই অজ্ঞাত মহিলাটিকে গোসাইরহাট থানাধীন জমাদ্দার বাড়ি ব্রিজের উপর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। যদি কেউ এই মৃতের পরিচয় শনাক্ত করিতে পারেন তাহলে দ্রুত গোসাইরহাট থানায় যোগাযোগ করুন। মোবাইল: ০১৩২০১০০৫০৯
০১৩২০১০০৫১০

11/04/2024
04/04/2024

"আসুন আমরা নেশা মুক্ত গোঁসাইরহাট গড়ি, নিজে এবং নিজ পরিবার রক্ষা করি "
নেশা কিভাবে সমাজকে ধ্বংস করে তার একটি বাস্তব ঘটনা নিচে দেওয়া হইল। অবশ্যই একটু সময় নষ্ট হলেও সবাই পড়বেন।

😪হৃদয় বিদারক ঘটনা😪
"বাবা তোমারে ছাড়া জেলের মধ্যে আমি কেমনে থাকমু একলা একলা?"

কোলেপিঠে আদর যত্নে তিল তিল করে গড়ে তোলা ২৫ বছর বয়সে বুকের ধন ছেলে কাউসার বাগমারকে বাবা হয়ে নিজ হাতে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করবেন এমন চিন্তা কখনো করেননি বাবা রশিদ বাগমার। বাস্তবে এমন ঘটনাটি ঘটেছে আজ গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার জামালপুর গ্রামে।

লেখাপড়া শেষে দেশে কোন চাকরিবাকরি না পেয়ে সৌদি পাড়ি জমায় কাউসার বাগমার। চাকরির মেয়াদ শেষে বছর খানেক আগে দেশে ফিরে আাসে কাউসার। দেশে এসে শুরু হয় বেকার জীবন যাপন। এক পর্যায়ে মাদকসেবিদের পাল্লায় পড়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে কাউসার। বেকার জীবনে মাদকের টাকা জোগাড় করতে না পেরে মা বাবার শরণাপন্ন হয় কাউসার। মাদক সেবনের কাংখিত পরিমান টাকা চেয়ে না পেয়ে মা বাবার সাথে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি করতো কাউসার। মা বাবার নেশার টাকা জোগাড় করতে অবশিষ্ট আর কিছুই ছিলনা তাদের হাতে।

মাদকের টাকার জন্য বাড়িতে ভাঙচুর ও বাবা-মাকে অত্যাচার ও নির্যাতন করা শুরু করে দেয় কাউসার। মাদকের টাকার জন্য বাবার নামে থাকা দুই কাঠা জমি বিক্রি করে নেশার জন্য টাকা দিতে বলে ছেলে কাউসার বাগমার। নিহতের বড় ভাই আশরাফুল বলেন, কাউসার সারা রাত নেশার ঘোরে বাড়ির বাইরে থাকতো ও মাদক সেবন করতো। কোন ভাবেই মাদক থেকে ফেরানো যাচ্ছিল না তাকে। মাদকের জন্য সব সময় মা বাবার কাছ টাকা চাইত। টাকা না দিলে বাড়িতে ভাঙচুর ও মা বাবাকে গালিগালাজ করতো। কাউসারের এমন পরিস্থিতিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে পুরো পরিবার। জমি বিক্রি করে নেশার টাকা না দিলে বাবা মাকে হত্যার হুমকি দেয় ছেলে।

এমন পরিস্হিতিতে বাবা রশিদ বাগমার সারা রাত কান্না করেন ছেলের মরণছোবল নেশার আসক্তের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে। ভোররাতে বাবার পাশের রুমে গভীর ঘুমে ছেলে কাউসার। হঠাৎই বাবা রশিদ বাগমার বাড়িতে থাকা কুড়াল নিয়ে ছেলের রুমে ঢুকে কোপাতে শুরু করেন আদরের ধন ছেলে কাউসারকে। বাবার এমন কোপানীতে ছেলে বলতে থাকে বাবা তুমি আমারে আর মাইরো না, আর কোপ দিওনা, আমি আর নেশার টাকা চাইমু না তোমগো কাছে!

ছেলের আর্তনাদের এমন চিৎকারে ছেলের উপর বাবার কুড়াল দিয়ে কোপানী থেমে যায় মুহূর্তে। রক্তাক্ত ছেলেকে আপন করে কোলে জড়িয়ে ধরে হাউ মাউ করে কান্না করতে থাকেন বাবা নামের মানুষটি। কাঁদতে থাকেন আর বলতে থাকেন বাবা তুই আমার আদরের ধন, কলিজার মানিক। ততক্ষণে ছেলের নিথর দেহটি বাবার কোলে ঘুমিয়ে পড়েছে চিরদিনের জন্য। আশপাশ থেকে ছুটে আসা মানুষজন ছেলে হত্যাকারী বাবাকে বলতে থাকেন, আপনি পালিয়ে যান, পুলিশ আসবে আপনাকে ধরে নিয়ে যাবে, আপনার ফাঁসি হবে, কারোর কথাই শুনছেনা বাবা, বাবা বলছেন, আমার বাবাডারে আমি অনেক ভালবাসি, আমার বাবাডারে ছাইড়া আমি কই যামু, আমার আর বাইচা থাইকা লাভ নাই! ছেলের লাশের কাছে বসে বাবার এমন কান্নায় আশপাশের মানুষজনের চোখের পানি ছলছল করছে, মহিলারা আঁচল দিয়ে চোখ মুছছেন বারবার।

এমন সময় পুলিশ হাজির,, ছেলের মৃত্যু শোকে বাবা হাউমাউ করে বলতে লাগলেন আমি আমার পোলারে মাইরা ফালাইছি নেশার টাকা জোগাড় কইড়া দিতে না পারায়, আমারে জেল দেন ফাঁসি দেন, আমারে থানায় লইয়া যান! ঘটনাস্হল থেকে রক্তমাখা কুড়ালটি জব্দ করে পুলিশ। স্বইচ্ছায় পুলিশের সাথে রওনা দেওয়ার সময় বাবা, ছেলের শরীর জড়িয়ে ধরে আবারও হাউমাউ করে কান্না করতে করতে বলতে লাগলেন, বাবা তোমারে আমি মারতে চাই নাই ! তোমারে আমি কথা দিয়া গেলাম, সরকারের আদালতে গিয়া আমি কমু আমার বাবাডার হত্যাকান্ডের বিনিময়ে হলেও যেন দেশে নেশা মাদকের রাজ্য বন্ধ করে সরকার! বাবা আমার খুব কষ্ট লাগতাছে, বাবা আমার বুকটা ছিড়া যাইতাছে তোমার লেইগা, তোমারে কই পামু আমি বাবা, তোমারে ছাড়া আমি জেলের মধ্যে কেমনে থাকমু একলা একলা? পুলিশের গাড়িতে উঠতে উঠতে বাবার এমনসব কথা আর দুইচোখ ভরা কান্নায় কেঁদেছেন উপস্থিত সবাই!!

(সংগৃহীত)

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka