আমাদের বাংলাদেশ

আমাদের বাংলাদেশ

Share

Bangladesh our Country. Everyone have equal rights.

Photos from আমাদের বাংলাদেশ's post 01/06/2026

১৯৬৮-৭৩ সময়কালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তখন শহীদ আব্দুল মালেক ছিলেন ইসলামী ছাত্রসঙ্ঘ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি। আমি ছিলাম কর্মী। আব্দুল মালেক ছিলেন মেধাবী ছাত্র। ছিলেন তুখোড় বক্তা। বিরোধী শিবির সবসময় তার যুক্তিপূর্ণ বক্তব্যে ধরাশায়ী হতো।

১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের পদত্যাগের পর দেশব্যাপী দাবি উঠেছিল শিক্ষা সংস্কারের। ইয়াহিয়া সরকার এয়ার মার্শাল নূর খানকে প্রধান করে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন। নূর খান দায়িত্ব নেয়ার ছয় মাসের মধ্যেই একটি সুপারিশমালা পেশ করেন। এতে প্রাথমিক স্তর থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত আরবি ও ইসলামী শিক্ষা বিষয় বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। দেশের আপামর জনসাধারণ একে স্বাগত জানায়। বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঘোষণা দেয়। বামপন্থীদের নেতৃত্বে ছিল ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমদ, অ স ম আব্দুর রব এবং ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মাহবুবুল্লাহ প্রমুখ।

সিদ্ধান্ত হলো ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ বিষয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। নূর খান শিক্ষা কমিশনের পক্ষে প্রধান বক্তা ছিলেন আব্দুল মালেক। আর বিপক্ষের বক্তা তোফায়েল আহমদ, আ স ম আব্দুর রব প্রমুখ।

আমার প্রতি নির্দেশ ছিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার, কিন্তু পারিবারিক কারণে আমাকে জরুরি ভিত্তিতে বাড়ি যেতে হয়। আব্দুল মালেকের যুক্তিপূর্ণ ও তথ্যভিত্তিক বক্তব্য খণ্ডন করার সামর্থ্য তোফায়েল ও তার সাথীদের ছিল না। তারা গোপনে ছাত্র-শিক্ষক সম্মেলন কেন্দ্রে কিছু হকিস্টিক এবং ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে যায়। আব্দুল মালেক যখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন তোফায়েল আহমেদ, আব্দুর রব গং একযোগে হইচই করে তার ওপর হা'মলা করে। একপর্যায়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে। সেখানে এলোপা'তাড়ি পি'টিয়ে তার মাথা থেঁত'লে দেয়া হয়।

আব্দুল মালেককে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে হাম'লাকারীরা চলে যায়। সঙ্ঘের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরের দিন জাতীয় দৈনিকগুলোতে তোফায়েল আহমেদ ও আব্দুর রবের হাতে হ'কিস্টিক ও ক্রিকেট ব্যাটের ছবিসহ আব্দুল মালেককে আ'ঘাত করার ছবি প্রকাশিত হয়।

মস্তিষ্কে আঘা'তজনিত কারণে সংজ্ঞা হারান। পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ শৈল্য চিকিৎসক জুম্মা খানকে নিয়ে আসা হয়। জরুরি অ'স্ত্রোপচার করেন তিনি। বাঁচানো গেল না আব্দুল মালেককে, ১৫ আগস্ট, ১৯৬৯ তিনি শহীদ হন।

দুঃখের বিষয়, পাকিস্তান নামক যে দেশটি ইসলামের নামে অর্জিত হয়ছিল, সে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘ দুই দশকের অধিককাল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইসলামী জ্ঞানদানের ব্যবস্থা করা যায়নি। যার কারণে পাকিস্তান অর্জনের ২৪ বছরের মাথায় তা দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ওপর বামপন্থী বুদ্ধিজীবী এবং হিন্দুত্ববাদী ভারত যেভাবে জেঁকে বসেছে, তা থেকে জাতি এখনো মুক্ত হতে পারেনি। বরং শেখ হাসিনার ১৬ বছরের স্বৈরশাসন আমলে প্রবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে গোটা জাতিকে নৈতিকভাবে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এখন স্বৈরশাসনমুক্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে ঢেলে সাজানো।

লেখক : আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের সাবেক ভিসি।

23/05/2026

আবার আসিবো ফিরে,
ডাইনী পেতনি হয়ে....

01/05/2026

তাই নাকি?

27/04/2026

আমার দেশ ।। আমার নেতা

16/04/2026

ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল।

ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল।

▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)
◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)
◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)
◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)
◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)

▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল
◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল
◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল
◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল

উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে

◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)
◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)
◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)
◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ

উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)
◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)
◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)
◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)
◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)
◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)
◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)
◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)

উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)
◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)
◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)
◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)

উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।

▶️ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

▶️ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।
◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।

★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!

১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।

★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।

▶️শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা

◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)

◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী

◾ সংসদ ভবন
◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ
◾ বাংলা একাডেমি
◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা
◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)
◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা
◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)
◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)
◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)
◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল
◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প
◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন
◾ ঢাকা স্টেডিয়াম
◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)
◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প
◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন
◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)
◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান
◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি
◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)
◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী
◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা
◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা
◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।

◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১
◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯
◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০
◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮
◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক
◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩
◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক
◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২
◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩
◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩
◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩
◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।

তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।

তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।

দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।

তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।

এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটি বড় খেল দেখিয়েছে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে। তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি তে নিজেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে কূটনীতি ও সামরিক পার্সপেক্টিভে। যারা আমেরিকা এবং ইরানকে ও এক টেবিলে বসাতে পারছে।.

আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখন্ডে আঘাত হানতে সক্ষম। হায় সোনার বাংলা!

11/04/2026

শয়তiনের দলে পরিনত হয়েছে বিএনপি। এরকম ভালো মানুষের নিকট আওয়ামী লীগ কখনো চাদাবাজি করে নাই।

01/04/2026

ক্ষমতায় গেলে সবাই আওয়ামী লীগ হয়ে যায়

30/03/2026

বিএনপি
হাসিনা হয়ে যাচ্ছে...

12/03/2026

চান্দা ভাইয়ের চিকিৎসার জন্য সমঝোতার ভিত্তিতে চান্দা দিন

22/02/2026
Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka