"_ভেবেছিলাম সব শেষ কিন্তু, রাসুল [সাঃ] বলেছেনঃ যার দুঃখ বেশি তার প্রতি আল্লাহর রহমত বেশি...🖤🥀
আইন জানুন নিজের জন্য
I am junior advocate Aman Hossain Anjan
Welcome everyone to my page. The purpose of my page is to give you a clear idea about the law. Contact :01314973346
In addition,i am also providing legal assistance in any form.
কেউ আপনাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিলে কী করবেন?-আইন জানুন নিজের জন্য
দন্ডবিধির কোন কোন ধারার শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড?|| আইন জানুন নিজের জন্য
প্রতারণার প্রতিকার চাইতে পারেন দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায়
17/03/2022
প্রতারণার প্রতিকার চাইতে পারেন দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায়
প্রতারণার প্রতিকার চাইতে পারেন দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায়||আইন জানুন নিজের জন্য প্রতারণার প্রতিকার চাইতে পারেন দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায়||আইন জানুন নিজের জন্য
09/02/2022
শেয়ার করতে ভুলবেন না
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এই ছোট পরিবারটি ৫,০০০ ছুই ছুই। আশা করি শেয়ার করে ৫,০০০ পূর্ন করে দিবেন সবাই 🥰🥰💓
22/06/2021
“BOOK REVIEW”
বইয়ের নামঃ দণ্ডবিধি PENAL CODE
লেখকঃ অধ্যক্ষ মােঃ আলতাফ হােসেন
পৃষ্ঠা: ৬২৪
সাইজ: ৩১.৫ মেগাবাইট
দণ্ডবিধি PENAL CODE Pdf Download-অধ্যক্ষ মােঃ আলতাফ হােসেন - Pdfmine দণ্ডবিধি আইনে নির্জন কারাবাসের শাস্তি প্রদানের ক্ষমতার বিধানঃ দণ্ডবিধি দণ্ডবিধি PENAL CODE Pdf Download-অধ্যক্ষ মােঃ আলতাফ হ.....
11/06/2021
সবাই চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকেও সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন নতুন কিছু তথ্যবহুল ভিডিও দেয়া হবে এখন থেকে ইনশাল্লাহ।
আর কিছু দেয়া আছে চাইলে দেখতে পারেন।
" অগ্রীম ধন্যবাদ "
বাংলাদেশের কোনো আইনজীবীকে হাতকড়া পড়ানো যাবে নাঃ অ্যাটর্নি জেনারেল
বাংলাদেশের কোনো আইনজীবীকে হাতকড়া পড়ানোর ব্যাপারে কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম মানছে না পুলিশ । বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্ট বারসহ অন্যান্য যে কোন বারের যে কোন আইনজীবিকে গুরুতর অপরাধ ব্যতীত অন্য যে কোন কারনে গ্রেপ্তার করার সময়ে হাত কড়া না পরানোর ব্যাপারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক রেজুলেশন করার ব্যাপারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, মাননীয় ভাইস-চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে কথা বলেছেন।
হাতকড়া পরানোর বিষয়টি নিয়ে সারাদেশের বিজ্ঞ আইনজীবীগনসহ বিভিন্ন মহল পূর্ব থেকেই সমালোচনা করে আসছেন।পুলিশের পিআরবিতে (পুলিশ প্রবিধান) আইনে ব্যক্তির অবস্থা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এটি পড়ানোর নিয়ম থাকলেও তা তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।
অনেক সময় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া অসুস্থ আসামি, কিশোর, নারী ও বৃদ্ধদের হাতকড়া পরিয়ে আদালতে ও কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে , দেশের সম্মানির ব্যক্তিদের মধ্যে আইনজীবীদের অবস্থান সবার উপরে সেক্ষেত্রে বিশেষ কোন ক্ষেত্র অথবা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ব্যাতিত সুপ্রীম কোর্ট বারসহ অন্যান্য যে কোন বারের যে কোন আইনজীবিকে গুরুতর অপরাধ ব্যতীত অন্য যে কোন কারনে গ্রেপ্তার করার সময়ে হাত কড়া না পরানোর ব্যাপারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক রেজুলেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
পুলিশের হাতকড়া পড়ানোর নিয়ম না মানার বিষয়টিকে সংবিধান লঙ্ঘন হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেছেন মানবাধিকার কমিশন। এ বিষয়টির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘যাকে তাকে হাতকড়া পরানো সভ্য দেশের আলামত নয়। এটি পরানোর নিয়ম আছে বটে। কিন্তু, এটি পুলিশের মানার প্রবণতায় ঘাটতি রয়েছে। যা ইতিমধ্যে কয়েকটি ঘটনায় লক্ষ্য করা গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক না পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে। এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন নেই। কিন্তু সেটি নিয়ম মেনে করতে হবে। হাতকড়ার ব্যবহার নিয়ে আইন আছে পুলিশ প্রবিধান বা পিআরবিতে। ওই বিধির ৩৩০ ধারায় বলা হয়েছে,‘বিচারাধীন বন্দিকে তাহাদের পলায়ন বন্ধ করিবার জন্য যাহা প্রয়োজন তাহার চাইতে বেশি কড়াকড়ি করা উচিত নহে।
হাতকড়া বা দড়ির ব্যবহার প্রায় ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয় এবং অমর্যাদাকর। বয়স, সম্মান ও পেশা বিবেচনা করতে হবে। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন ইতি পূর্বেই বলেছেন, ‘নিয়ম ভঙ্গ করে যাকে তাকে হাতকড়া পরানো হচ্ছে। এতে ব্যক্তির ভাব মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ থেকে উত্তরণের পথ হিসাবে তিনি কর্তৃপক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতিকে হাত কড়া পড়ানোর ব্যাপারে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।
02/05/2021
প্রথমত আর্টিকেল টি পুরো পড়াড় আগে বিশেষ দ্রষ্টব্য
১।প্রেম নামক কোন সম্পর্কের ই সামাজিকভাবে কোন ভিত্তি নেই কারণ এই ধরনের সম্পর্ক গুলোতে Commitments থাকলেও অন্তত্য সামাজিক ভাবে কোন স্বীকৃতি নেই ।
২। যেহেতু বিষয় গুলো আমাদের সমাজে অহরঅহ ঘটছে তাই এই আর্টিকেল টি লিখা।
যেন আমরা কিছুটা হলেও সতর্ক হই অন্তত্যপক্ষে অন্য কাউকে প্রতারিত করার পূর্বে । প্রতারণা ছেলে করুক বা মেয়ে উভয়ই অপরাধী।
৩। তবে যে কোন অপরাধ প্রমাণের জন্য প্রথমে যষ্ঠেট evidence এবং Ground দরকার এ দুটোর একটিও যদি অনুপস্থিত থাকে সেক্ষেত্রে হিতের বিপরীত হতে পারে।
প্রথমেই আপনাদের একটু নিরাশ করি, আইনে প্রেমের প্রতারণা বিষয়ক সরাসরি কোন ধারা বা অনুচ্ছেদ নেই, কিছু ভূঁইফোড় নিউজ পোর্টাল কিছু ধারা বানিয়ে মানুষের আবেগ নিয়ে ক্লিকের ব্যবসা করে পাঠকদের বেশ বোকা বানাচ্ছে।
তবে এখুনি হতাশ হবেন না কারণ আমরা আপনার সঠিক পথ দেখাতে যাচ্ছি। আইন মাত্রই ব্যাখ্যার বিষয়, পৃথিবীর কোন দেশের আইন-ই খুঁটিনাটি সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারে না কিন্তু প্রচলিত আইন থেকে ব্যাখ্যার মাধ্যমেই আইনের যথাযথ প্রয়ােগ করতে হয়। কখনো বা কৌশল খাটাতে হয় যেটা স্থান-কাল ও অবস্থান ভেদে আলাদা হয়।
আবার কিছু সময় কিছু বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকে যা মেনে একজন বিজ্ঞ উকিল তার মামলা পরিচালনা করেন। এই সব বিষয় অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে তাই সবিস্তারে সব আলােচনা করে প্রায় অসম্ভব তবে আমরা কিছু কমন সমস্যার বিষয় নিচে আলোকপাত করছি।
আশা করি এই বিষয়গুলাে মাঝেই আপনি আপনার উত্তরটি পেয়ে যাবেন।
তবে আপনার সমস্যাটি যদি একটু আলাদা হয় তবে আপনি আমাদের কাছে এসে বা অন্য কোন বিজ্ঞ আইনজীবীর কাছে গিয়ে বললে আশা করি সমাধান পাবেন।
“1st Case”
“প্রেমের সম্পর্কে প্রতারণা করে অর্থ বা সম্পদ আত্মসাৎ করেছে”
ধরুন আপনার ভালোবাসার মানুষ আপনার সাথে অর্থ বা সম্পদের জন্য প্রেম করেছে এবং আপনার কাছে ঘেঁষে আপনার বিশ্বাস অর্জন করে তারপর আপনার অর্থ বা সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছে বা ক্ষতি করেছে, এখন কি হবে?
দন্ডবিধি ৪১৫- ৪২০ ধারায় এ ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ধারা ৪১৫ তে বলা হয়েছে যদি কোন ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কারো উপর প্রভাব বিস্তার করে তার কাছ থেকে কোন কিছু আদায় করে [তার সম্মতি নিয়ে করেলেও] সেটা হবে প্রতারণা।
যেমন ধরুন; রহিমা রহিমের সাথে ভালবাসার অভিনয় করে নিয়ে বিনিয়ে তার দামি আইফোনটা হাতিয়ে নিলাে। এবং অভিনয়টা এমন ছিল যা সাধারণ কোন মানুষের বােঝার যাে নেই কিন্তু পরে তার যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেল এবং স্বাভাবিক ভাবেই বােঝা যায় যে সে আই-ফোনটি পাবার উদ্দেশ্যেই প্রেমের অভিনয় করেছিল। [উভয় উদাহরণ রহিমের ক্ষেত্রেও প্রোযজ্য]
এছাড়াও হতে পারে, জাল – জালিয়াতি করলাে, টাকা মেরে দিল, একটা কাজের বদলে বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে আরেকটা কাজ ।
আবার এই একই ধরনের কাজ যদি কেউ মূল্যবান সম্পত্তির ক্ষেত্রে করে থাকে তবে তিনি দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা অনুসারে অপরাধী হবেন এবং যার সাজা হতে পারে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থ দণ্ড।
“2nd Case”
“মিথ্যে পরিচয় দিয়ে প্রেম করে প্রতারণা করলে”
যদি এমন হয় যে কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির নকল হিসেবে নিজেকে পরিচিত করলাে [Impersonation ] এবং সেই পরিচয়ে প্রেম করে ধোঁকা দিল বা প্রতারণা করলে।
তবে দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অধীনে সে অপরাধ করেছে এবং এর জন্য তার তিন বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
আর এই একই কাজ যদি কেউ ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে করেন [ফেসবুক, ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে] তবে সে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৪ এবং সেক্ষেত্রে তারা ৫-৭ বছর পর্যন্ত সাজা সাথে ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থ দণ্ড হতে পারে।
এছাড়াও ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৮ এর ধারা ২২ ও ২৩ এ ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে। জালিয়াতি ও প্রতারণার শাস্তি বর্ণনা করা আছে।
“3rd Case”
“বাগদানের পর প্রতারণা করলে”
ধরুন দুজনের পারিবারিক এবং সামাজিক ভাবে বাগদান হল, এক্ষেত্রে দুজনের কিছু ট্রাস্টের জায়গা স্বীকৃত হয় এবং তারপর যদি একজন আরেকজনের আর্থিক ক্ষতি করে তবে সে পেনাল কোডের ৪১৮ ধারা অনুসারে অপরাধী হতে পারেন যার সাজা ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়-ই।
শেষ কথা
যে কোন পদক্ষেপ নেওয়া আগে ভাবুন, নিশ্চিত হােন এবং তারপর ব্যবস্থা নিন। কারণ এসব বিষয় প্রমাণ কারা একটু দূরহ
“Though we should remember justice will prevail”,
আর প্রায় সকল বিষয়ের সমাধান আছে শুধু প্রয়োজন আইনের প্রয়োগ ও কৌশল,
তাই আইনের আশ্রয় নিতে ভয় পাবেন না।
“আইন জানুন নিজের জন্য”
Aman Hossain Anjan
( Associate Lawyer Of “Chamber Of Jurist” )
Contact: 013149-73346
My official Address: 85, 1/A Purana Paltan Line
18/04/2021
প্রশ্ন/উত্তর
পুলিশ এজহার গ্রহন না করলে করণীয় কি??
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৫৪(১) উপধারা অনুযায়ী থানায় এজহার দায়ের হলে তা গ্রহন করতে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাধ্য এবং যদি এজহার গ্রহণ করতে আস্বীকার করে তাহলে পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট এর নিকট অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। পুলিশ প্রবিধান আইনের ৪২ ধারায় কর্তব্য অবহেলার জন্য শাস্তির পরিমাণ সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড বলা আছে।
যদি থানায় কোনভাবেই গ্রহণ না করে তাহলে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ার ভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অভিযোগ দেওয়া যায়। অভিযোগ সহ অভিযোগকারী আদালতে উপস্থিত হলে ম্যাজিস্ট্রেট ২০০ এবং ১৫৫ ধারার অধীনে অভিযোগকারীকে শপথের মাধ্যমে পরীক্ষা করে সন্তোষ্ট হলে বিষয়টা তদন্তের জন্য আদেশ দিতে পারেন আবার ভিত্তিহীন বলে আবেদন বাতিল করে দিতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Address
85, 1/A Purana Polton Line, 8. 9 Km
Dhaka
1000
