11/02/2026
ভোট কেন্দ্রে প্রথমবার গেলে যে ভুলগুলো এড়ানো জরুরি!!
প্রথমবার ভোট দিতে গেলে উত্তেজনা বা অজ্ঞতার কারণে কিছু সাধারণ ভুল হয়ে যায়। এসব ভুল এড়াতে পারলে ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা হবে সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত।
প্রথমবার ভোট দিতে গিয়ে যে ভুলগুলো করবেন না
ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে না নেওয়া
ভোট কেন্দ্রের ঠিকানা ও সময় না জেনে বের হওয়া
মোবাইল ফোন বা স্মার্ট ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করা
নির্বাচনী প্রতীকযুক্ত ব্যাজ, পোস্টার বা প্রচারণামূলক কিছু বহন করা
লাইন না মেনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা
ভোট দেওয়ার সময় অন্যের পরামর্শ বা প্রভাব গ্রহণ করা
ব্যালট পেপারে ভুল জায়গায় সিল দেওয়া বা একাধিক সিল দেওয়া
ভোটের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করা
এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললে আপনার ভোট সঠিকভাবে গণ্য হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ঝামেলাও হবে না। পুরো ভোট প্রক্রিয়া তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
Educational purpose only.
#নতুনভোটার
#ভোটারসচেতনতা
#ভোট২০২৬
24/04/2025
একটি ছোট গল্প,,,,
তিনটি ক্ষুধার্ত তেলাপোকা একদিন এক কৃষকের কাছে এসে খাবারের জন্য অনুরোধ করল। কৃষক স্বেচ্ছায় তাদের কিছু রুটি ও পনির দিলেন। তারা পেট ভরে খেল এবং কিছু খাবার তাদের পরিবারের জন্য রেখে দিল।
খাওয়া শেষে কৃষক তাদের বললেন,
"শোনো তেলাপোকারা, সবসময় মানুষের কাছে হাত পেতে খাবার চাওয়ার পরিবর্তে, আমি তোমাদের আমার খামারে কাজের সুযোগ দিতে পারি। এখানে তোমাদের ভালো বেতন, খাবার এবং পরিবারের জন্য নিরাপত্তা দেওয়া হবে।"
তেলাপোকারা জিজ্ঞাসা করল,
"আমাদের কী কাজ করতে হবে? আর কত টাকা বেতন পাব?"
কৃষক উত্তর দিলেন,
"আমার খামারে চারটি কাজের সুযোগ আছে, প্রত্যেকটির বেতন আলাদা। তোমরা তোমাদের পছন্দমতো যেকোনো কাজ বেছে নিতে পারো!"
১. যে কর্মী মুরগিদের খাওয়ার সময় জানাবে, সে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পাবে।
২. যে কর্মী রসুন ছাড়িয়ে ও কাটবে, সে প্রতি মাসে ৫,০০০ টাকা পাবে।
৩. যে কর্মী খামার থেকে গিরগিটিদের তাড়াবে, সে প্রতি মাসে ৪,০০০ টাকা পাবে।
৪. যে কর্মী ছাগলদের জন্য গান গাইবে ও নাচবে, সে প্রতি মাসে মাত্র ২৫০ টাকা পাবে।
প্রথম তেলাপোকা উল্লাস করে বলল,
"আমি ৫,০০০ টাকা বেতনের কাজটা চাই! আমি রসুন ছাড়িয়ে ও কাটতে চাই!"
দ্বিতীয় তেলাপোকা দ্রুত বলল,
"আমি ৪,০০০ টাকা বেতনের কাজটা নেব! আমি গিরগিটিদের তাড়াতে চাই!"
কিন্তু তৃতীয় তেলাপোকা কিছুক্ষণ চিন্তা করল এবং অবাক করে বলল,
"আমি বরং ২৫০ টাকা বেতনের কাজটা নেব! আমি ছাগলদের জন্য গান গাইব ও নাচব!"
অন্য দুই তেলাপোকা তার দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবল,
"এ কেমন মূর্খ? আমরা তো সর্বোচ্চ বেতনের কাজ বেছে নিয়েছি, আর ও কিনা সবচেয়ে কম বেতনের কাজ নিতে চায়! ও কি একদমই বোকা?"
পরের দিন সকালে, তিনজন তেলাপোকা তাদের প্রথম কর্মদিবসে উপস্থিত হলো। কিন্তু কাজ শুরু করার পরেই প্রথম এবং দ্বিতীয় তেলাপোকা হঠাৎ মারা গেল!
এই রহস্য দেখে কৃষক বিস্মিত হলেন এবং বেঁচে থাকা তৃতীয় তেলাপোকাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন,
"তুমি কেন সবচেয়ে কম বেতনের কাজ বেছে নিয়েছিলে?"
তেলাপোকাটি গভীর শ্বাস নিয়ে উত্তর দিল,
"প্রথমত, মুরগির প্রিয় খাবার তেলাপোকা! তাহলে আমি কেন এমন কাজ বেছে নেব যেখানে আমাকে মুরগির কাছে যেতে হবে?
দ্বিতীয়ত, রসুনের তীব্র গন্ধ তেলাপোকার জন্য বিষাক্ত! তাহলে আমি কেন এমন কাজ করব যেখানে আমাকে রসুন ছাড়াতে হবে?
তৃতীয়ত, গিরগিটি তেলাপোকা খেতে খুব ভালোবাসে! তাহলে আমি কেন এমন কাজ করব যেখানে আমাকে গিরগিটিদের সাথে লড়াই করতে হবে?
আমি কখনো শুধু টাকার লোভে নিজের জীবন বিপদে ফেলতে পারব না।"
👉 শেখার বিষয়:
সব সময় মানুষের দেওয়া অফার গ্রহণ করার আগে ভালো করে চিন্তা করতে হবে। কেবল টাকা আর বস্তুগত সম্পদের লোভে পড়ে চোখ বন্ধ করে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার ভালো-মন্দ ভালোভাবে যাচাই করা উচিত। বুদ্ধিমান হতে হবে।
26/02/2025
দুনিয়ার বিখ্যাত কিছু মিথ্যেকথা (!)
তেলেভাজাওয়ালা: গরম গরম এইমাত্র নামালাম।
বাসের কন্ট্রাক্টর: পেছনের দিকে একদম ফাঁকা।
কমলা লেবুওয়ালা: চিনির মতো মিষ্টি না হলে পয়সা লাগবে না।
ঘুঘনিওয়ালা: গরম গরম।
দুধওয়ালা: আমার দুধে কোনও জল পাবেন না।
ময়রা: সব আজকের মিষ্টি।
ঘটক: আমি তোমাকে একটা দেখাবো, একটাই পছন্দ হবে।
মেয়ের মা: আমার মেয়ের মতো আপনি এই পাড়ায় আর একটিও মেয়ে খুঁজে পাবেন না।
ছেলের মা: আমার ছেলের কোনও নেশা নেই।
বাঙাল: বাংলাদেশে আমাগো অনেক সম্পত্তি ছিল, বিঘা বিঘা জমি ছিল।
ঘটি: মোহনবাগান জাতীয় ক্লাব। আমরাও খুব ভালো রান্না করতে পারি। বাঙাল মানেই ওরা শুটকি খায়।
ডাক্তার: আপনার কিছুই হয়নি।
উকিল: আমি আজ বেল করাবোই।
ভিখারি: বাবু একটা টাকা দিন, তিন দিন কিছু খাইনি।
বউ: তোমার থেকে কত ভালো ভালো সম্বন্ধ এসেছিলো আমার।
স্বামী: আমার এখন বিয়ে করার কোনও ইচ্ছাই ছিলো না।
মাছওয়ালা: পাল্লা ছুঁয়ে কেউ মিথ্যা কথা বলে নাকি?
পাড়ার ক্লাব: আর কিছুক্ষণ পরেই আমাদের অনুষ্ঠান শুরু হবে।
পরীক্ষা হলে শিক্ষক: আমি তো জানি না।
কেরোসিন ডিলার: এই মাসে তেল ওঠে নাই।
প্রেমিক প্রেমিকা: তোমায় না পেলে আমি ম*রেই যাবো।
😂😂😂😂😂
সংগৃহীত।
হাসতে থাকুন ভালবাসতে থাকুন আর অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং follow করে পাশে থাকবেন ☺️
😁😁
Refrigeration
08/01/2025
"Jony Jony Yes Papa'র আঞ্চলিক ভার্সন
১) বগুড়ার ভার্সন
জনি জনি! কি কচ্চেন আব্বা?
চিনি কি খাচু তুই? না আব্বা।
মিছা কতা কিসোক কলু? না আব্বা!
হা করেক...
হা! হা! হা!
২) চাঁপাই ভার্সন
জনি! জনি! জ্বি আব্বা?
চিনি খ্যাছো? না আব্বা।
মিচ্ছ্যা কথা কহিছো? না আব্বা।
মুখ খুল ব্যাডা...
হা! হা! হা!
৩) বরিশাল ভার্সন
জনি জনি! কি অইছে আব্বা?
চিনি খাইতে আছো? না আব্বা।
মিত্তা কতা কইতে আছো? না আব্বা।
আক্কর দেহি...
হা! হা! হা!
৪) নোয়াখালী ভার্সন
এরওই জনি! কিয়া হইচে আব্বা?
চিনি খওরি, কেন? না আব্বা।
মিছা হতা কওরি কিল্লাই? না আব্বা, কিয়া কন এগিন।
আক্কর চাই।
হা হা হা
৫) চট্টগ্রাম ভার্সন
জইন্না জইন্না! ও আব্বা কি ওইয়েদে? কিল্লাই পুজর লর?
চিনি হাইয়ুচ? ন বাপ , আই ন হাই।
মিচা হতা কেল্লাই হদ্দি? ন বাপ। আই আচা হতা হইর।
আ গর.
হা হা হা।
৬) রাজশাহী ভার্সন
জনি জনি। বুলেন আব্বা।
চিনি খ্যাছিস? না আব্বা।
মিথ্যা কথা বুলছিস? না আব্বা।
মুখ খুলতো মামুর ব্যাটা।
হা! হা! হা!
৭) নাটোর ভার্সন
জনি জনি! কি কইচ্চেন আব্বা?
চিনি খাইচ্চু নাকি রে বা? না আব্বা।
মিত্ত্যা কতা কচ্চু নাকি রে বা? না আব্বা।
মুক খুলেক তো...
হা! হা! হা!
৮) পুরান ঢাকা ভার্সন
জনি আব্বে! হালায় ডাকো ক্যালা?
চিনি খাইহালাইছোস? আব্বে না খাইনাইক্কা।
মিছা কথা কছ ক্যালা..। এক্টুও মিছা কইনাইক্কা।
মুখ খুল
হা! হা! হা!
৯) সিলেটি ভার্সন
জনি জনি! জি আব্বা!
ছিনি খাইছছ নি রে ফুত! কিওর? খেগুয়ে খইছে ইতা?
মিছা মাতরে নি? খোদার খছম খাইছি না,
আ খর বেঈমানর ফুয়া !
হা হা হা
১০)জনি জনি...কিতা আব্বা?
ছিনি খাইতাছস? না আব্বা।
মিছ কথা কস? না আব্বা।
আক্কর ছে,,,,হাহাহা।(কিশোরগঞ্জ)
১১) জয়পুরহাট ভার্শন
জনি জনি,কি কচিন আব্বা
চিনি খাচু কা বারে, না আব্বা
মিছা কথা কচু। নাহ আব্বা
হা করেক দিনি রে ছেংড়া
হা হা হা
১২) জনি জনি
হ আব্বা
চিনি খাইতাছছ?
না আব্বা
আক্কর দেহি
হা হা হা
(ময়মনসিংহ ভার্সন)
১৩) টাংগাইল ভার্শন
জনি জনি,
ডাহক্যা আব্বা
চিনি খাইতাছস? না আব্বা
মিছা কতা কস ক্যা, না আব্বা
আ কর দেহি,
হা হা হা
১৪) জনি জনি
কি কন আব্বা
চিনি খাইসচোল
না আব্বা
হা কর দেখোং
হা হা হা
(রংপুর ভার্শন)
Collected
Refrigeration
06/01/2025
সক্রেটিস করেছিলেন দুই বিয়ে। প্রথম স্ত্রী জ্যানথিপি সুন্দরী ছিলেন বটে, কিন্তু মুখে ছিলো বিষ, আর চোখে আগুন। সক্রেটিসের ঘরে ঝগড়া লেগেই থাকতো।
সারাদিন জ্ঞান বিলোয় লোকটা। বিনিময়ে একটি কড়িও নেন না। কোনো আয় উপার্জন নেই।
ঘরে তিন সন্তান, এক স্ত্রী। এর উপর করেছেন দ্বিতীয় বিয়ে, মির্টো নামের এক মেয়েকে! বাপের কিছু সম্পদ আছে তার। একে বাড়াবে দূরে থাক, গরীবদের বিলিয়েই শেষ করে চলছেন।
কতো আর সহ্য করবেন জ্যানথিপি?
একরাতে ঘরে নেই খাবার, ছেলে-মেয়ে কেঁদেকেটে ঘুমিয়েছে। সক্রেটিস ঘরে বসে ধ্যান করছেন। জ্যানথিপির সহ্য হলো না। শুরু করলেন বকাঝকা।
যেই সেই বকা নয়, ভয়াবহ কিছু! সক্রেটিস নীরবে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। বাইরে এসে চাঁদের আলোয় শুরু করলেন বইপড়া!
জ্যানথিপি এটা দেখে তো আরো আগুন! করলেন কী? ঘরে সারা দিনের জমানো ময়লা পানি ছিলো এক গামলায়। সেই গামলার পানি ঢেলে দিলেন সক্রেটিসের উপর!
সক্রেটিস রাগ করলেন না। বরং হেসে বললেন- এতো গুরুগম্ভীর মেঘের গর্জনের পরে এক পশলা বৃষ্টি না হলে কি আর শোভা পায় ?!
গ্রীষ্ম হোক আর শীত হোক, সক্রেটিসের গায়ে থাকতো একটাই কোট। সব ঋতুতে এটাই পরতেন। অন্য কোনো জামা ছিলো না তার। পায়ে ছিলো না কোনো জুতা। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, সুখের সুযোগ ত্যাগ করে এতো কষ্টের জীবন কেন বেছে নিলেন?
সক্রেটিস বললেন, এটা বেছে নিলাম, যাতে লোভের কুকুরগুলো বুঝে- সত্য, জ্ঞান ও স্বাধীনতা এমন এমন এক সুখ, যাকে ক্রয় করতে হয় কষ্ট ও কৃচ্ছ্রতার বিনিময়ে!
সেখান থেকেই আমরা পাই তাঁর বিখ্যাত উক্তি -
"যদি তুমি ভালো বউ পাও, তাহলে তুমি সুখি হবে, আর না পেলে তুমি দার্শনিক হবে"
সংগৃহীত
28/01/2024
আপনি জানেন কী হাট্টিমাটিম’ আসলে ৫২ লাইনের একটি ছড়া, চার লাইনের নয় l
বাঙালিমাত্রই ছোটবেলায় পড়া এই ছড়াটি কোনওদিনই ভুলবেন না কেউ।
কিন্তু ছড়াটি মোটেই মাত্র চার লাইনের নয়।
মোটামুটি কথা ফুটলেই বাঙালি শিশুদের যে কয়েকটি ছড়া কণ্ঠস্থ করানো হয়, তার মধ্যে একটি অবশ্যই
‘হাট্টিমাটিম টিম’।
তারা মাঠে পাড়ে ডিম,
তাদের খাড়া দুটো শিং,
তারা হাট্টিমাটিম টিম।
এর চেয়ে বেশি তথ্য শতকরা ৮০ শতাংশ বাঙালির কাছে রয়েছে কি না সন্দেহ।
আদতে ছড়াটি মোটেই ৪ লাইনের নয়। রোকনুজ্জামান খানের লেখা একটি ৫২ লাইনের সম্পূর্ণ ছড়া।
রোকনুজ্জামান খান জন্মেছিলেন ১৯২৫ সালের ৯ এপ্রিল অবিভক্ত বঙ্গের ফরিদপুর জেলায়। বাংলাদেশে তিনি ‘দাদাভাই’ নামে পরিচিত ছিলেন। সেদেশের জনপ্রিয় সংবাদপত্রের শিশু-কিশোরদের বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি বহু বছর।
তাঁর রচনার বেশিরভাগই শিশু-কিশোরদের জন্য। হাট্টিমাটিম সম্ভবত তাঁর রচনাগুলির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়।
১৯৬২ সালে রচিত হয় ছড়াটি। ১৯৬৮ সালে বাংলা আকাদেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয় তাঁকে। ১৯৯৯ সালে মারা যান রোকনুজ্জামান।
সেই 52 লাইনের আসল ছড়াটা এইরকম -
টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনল কিনে
মস্ত একটা ডিম।
বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।
সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো
দিচ্ছে ডিমে তা
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা।
উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে
গাঁয়ের যত বাড়ি।
সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে
যখন নামে রাত।
উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে
করে ঘরের কাম
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।
চোখ না থাকায় এ দুর্গতি
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই।
বাসন মেজে সামলে রাখে
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে
কাণ্ড দেখে টাট্টু বাড়ি
নিজের মাথায় মারে।
শিঙের দেখা মিলল ডিমে
মাস খানিকের মাঝে
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে।
গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে
বলল বিচার শেষ
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না
তবেই হবে বেশ।
মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে।
গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;
সবাই ভয়ে হিম
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম।
হাট্টিমাটিম টিম-
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম।
ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত।
#সহজগিতায়
,
,
Balaka Refrigeration বলাকা রেফ্রিজারেশন
23/09/2023
কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ👌
১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।
২। মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।
৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।
৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।
৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।
৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।
৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।
৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।
৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।
১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!
*জানিনা কে লিখেছে, কুড়িয়ে পাওয়া।
সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি *
সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে!
~সংগৃহীত~
Balaka Refrigeration বলাকা রেফ্রিজারেশন
30/05/2023
আত্তাহিয়াতু এর পিছনে এত সুন্দর একটি গল্প তা জানা ছিল না,আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগবে এবং পড়ার মনোযোগ ও বাড়বে।
আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!
আত্তাহিয়াতু আসলে,আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) ইসরাইল মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!
তাহলে কি বলেছিল...?
কারন,আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না,আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন,আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!
মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-
▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু
অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান,যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।
উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-
▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।
অর্থঃ- হে নবী,আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।
এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-
▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।
অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।
মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-
▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।
অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।
"সুবহানাল্লাহ"।
এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম,এবার একটু চিন্তা করুন তো,এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে!
Balaka Refrigeration বলাকা রেফ্রিজারেশন
15/03/2023
মেয়েদের নিয়ে ৭টি জটিল নিওরোক্যামিকেল ফ্যাক্ট -
১. মেয়েরা সঞ্চয়ে বিশ্বাসী !
২. সঞ্চয়ে বিশ্বাসী কিন্তু দামি কাপড় কেনে !
৩. দামি কাপড় কেনে কিন্তু পরার জন্য কিছু নাই !
৪. পরার জন্য কিছু নাই কিন্তু সাঁজে খুব সুন্দরভাবে !
৫. সুন্দরভাবে সাঁজে কিন্তু নিজেকে নিয়ে স্যাটিসফাইড না !
৬. নিজেকে নিয়ে স্যাটিসফাইড না কিন্তু ছেলেদের কমপ্লিমেন্ট চায় !
৭. ছেলেদের কমপ্লিমেন্ট চায় কিন্তু করলে বিশ্বাস করে না !
- 🥱🥱🥱
লেখা টা র মধ্যে 🙄🙄
#সংগৃহীত 😊
Balaka Refrigeration বলাকা রেফ্রিজারেশন