আসসালামু আলাইকুম, দোকান থেকে মিষ্টান্ন দ্রব্য ক্রয়ের বিষয়ে একটি পোস্ট নিয়ে ভুল-বুঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কিছু বিষয় ক্লিয়ার করা প্রয়োজন।
১) লেখাটা এডমিনের না বরং অন্য একজনের লেখা কপি করে কার্টেসি সহ পোস্ট করা হয়েছে। এখানে মারাত্মক যে ভুলটা হয়েছে সেটা হলো মূল লেখক তার লেখার কোন রেফারেন্স না দেয়া সত্ত্বেও শেয়ার করা।
২) পরবর্তীতে মূল পোস্টটিতে মাসিক আল-কাউসার থেকে রেফারেন্স সহ এ বিষয়ে ধর্মীয় বিধান স্পষ্ট করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে যে, হারাম কোন কিছু মিশ্রিত থাকার বিষয়ে নিশ্চিতভাবে জানা না গেলে ভিন্ন ধর্মের ব্যক্তিদের তৈরী খাবার খাওয়ার অনুমোদন আছে।
৩) বিষয়টি নিয়ে ভুল বুঝাবুঝি হওয়ায় আন্তরিকভাবে দু:খিত এবং ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হবে ইনশাআল্লাহ।
৪) পোস্টটি যে এডমিন শেয়ার করেছেন (সাদিক মুহাম্মাদ) তিনি বিষয়টি নিয়ে অন্য এডমনদের সাথে পরামর্শ করেননি। ওনার কারনে বাকি এডমিনগণ বিব্রত হওয়ায় তিনি অনুতপ্ত এবং আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।
৫) যেহেতু এডমিন সাদিক মুহাম্মাদ বর্তমানে ক্যাম্পাসে নেই সেহেতু তিনি স্বেচ্ছায় এডমিন প্যানেল থেকে সরে যাবেন এবং বাকি এডমিনগণ মাশওয়ারামাফিক "বুটেক্স ইসলামিক সোসাইটি"-র পেইজ, গ্রুপ ও অন্যান্য বিষয়াদি দেখভাল করবেন।
মায়া'স সালাম
সাদিক মুহাম্মাদ
এডমিন, বুটেক্স ইসলামিক সোসাইটি
BUTex Islamic Society - বুটেক্স ইসলামিক সোসাইটি
দ্বীনের পথে এক সাথে......
18/06/2024
জন্মের প্রথম দিনই ওদের মেরে ফেলা হয়। কারণ এ মুরগীগুলোর জীবন প্রফিটেবল না। পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রির কাছে এরা.......
_______________________
একটা হরর স্টোরি বলি। সত্যিকারের হরর স্টোরি।
এ লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে কিংবা পোস্টে দেয়া লিঙ্ক ঘাঁটাঘাঁটি করলে নিজ দায়িত্ব করবেন। মজা করছি না, সিরিয়াসলি বললাম।
পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিতে দুই ধরণের মুরগীর প্রজনন করা হয়। ডিমের জন্য লেয়ার মুরগী, আর মাংসের জন্য ব্রয়লার। ব্রয়লার মুরগী ছয়-সাত সপ্তাহের মধ্যে বিশাল বড় হয়ে যায়। মাংশ হয় প্রচুর। আর লেয়ার মুরগীর স্পেশালিটি হল সাইযে বড় না হলেও এ জাতের মুরগী অনেক বেশি ডিম দেয়। তবে ডিম তো দেয় শুধু নারী মুরগী। পুরুষদের কী হয়?
মেরে ফেলা হয়।
জন্মের প্রথম দিনই ওদের মেরে ফেলা হয়। কারণ এ মুরগীগুলোর জীবন প্রফিটেবল না। পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রির কাছে এরা ‘সারপ্লাস’। পুরুষ হবার কারণে এদের কাছ থেকে ডিম পাওয়া যায় না। আর লেয়ার জাতের হবার কারণে পাওয়া যায় না ব্রয়লার মুরগীর মতো মাংসও তাই সবচেয়ে লাভজনক, সবচেয়ে ‘একোনমিক’ সমাধান হল এই বাচ্চাগুলোকে যতো দ্রুত সম্ভব মেরে ফেলা।
আর তাই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এক দিন বয়েসী ৭০০ কোটি পুরুষ শিশু মুরগী হত্যা করা হয়। হ্যাঁ, ৭০০ কোটি। ৭ বিলিয়ন।
এই মেরে ফেলার কাজটা কীভাবে করা হয় জানেন?
বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।
১। শ্বাসরোধ করা: বাচ্চাগুলোকে বিশাল বিশাল প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে আটকে দেয়া হয়। বাতাসের জন্য হাঁসফাঁস করতে করতে দমবন্ধ হয়ে মারা যায় ওরা।
২। ইলেক্ট্রোকিউশান: ডিম ফুটে বের হওয়া বাচ্চাদের ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে হত্যা করা হয়।
৩। সারভিকাল ডিসলোকেশান: সোজা বাংলায়, হাত দিয়ে টেনে মাথা ছিড়ে ফেলা হয় শরীর থেকে।
৪। গ্যাসিং: গ্যাস চেইম্বারে চালু করে দেয়া হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস। সদ্যজাত মুরগীগুলো একসময় জ্ঞান হারায় এবং মারা যায়।
৫। ম্যাসেরেইশান: পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে পছন্দের পদ্ধতি। বাচ্চাগুলোকে প্রথমে একটা কনভেয়ার বেল্টে ছুড়ে দেয়া হয়। কনভেয়ার বেল্ট জীবন্ত বাচ্চাগুলোকে নিয়ে ফেলে প্রচন্ড গতিতে ঘুরতে থাকা ধারালো ধাতব পাতের মধ্যে। মূহুর্তের মধ্যে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ওরা।
ব্লেন্ডার আছে না? একটা ঢাউস সাইযের ব্লেন্ডারের ভেতর একদিন বয়েসী মুরগীর বাচ্চাকে ছেড়ে দিলে কী হবে চিন্তা করুন। সেইম প্রসেস। তবে একটা না, শত শত কোটি মুরগীর বাচ্চাকে এভাবে হত্যা করা হয়। পুরো ব্যাপারটা পুঁজিবাদের ইউটিলিটারিয়ান সমীকরণ আর মডার্নিটির মনস্তত্ত্বের অসাধারণ এক দৃষ্টান্ত। আগাগোড়া পিওর মেশিন লজিক।
দুটা ভিডিও লিঙ্ক দিচ্ছি কমেন্টে, ভিডিগুলো দেখেন। না দেখলে ব্যাপারটার যান্ত্রিক নিষ্ঠুরতা বোঝা সম্ভব না।
এই ভয়ঙ্কর কাজটার একটা সুন্দর নাম আছে। Chick Culling বা Male Chick Culling। বাংলাদেশে কী হয় জানি না, কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় এটা পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রির স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস। এবং আমরা সবাই এই প্রক্রিয়ার অংশীদার।
হ্যাঁ, এই নৃশংসতা বন্ধ করতে গেলে নিশ্চিতভাবেই পোল্ট্রি প্রডাকশন কমবে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে, ফ্রাইড চিকেন হয়তো পাওয়া যাবে না। চালানো যাবে না কেএফসির মতো মাল্টিবিলিয়ন ডলার ফ্র্যাঞ্চচাইয। ফাস্ট ফুডের নেশা উপভোগ করা যাবে না যখন তখন। কিন্তু অবিশ্বাস্য মাত্রার এ নিষ্ঠুরতাকে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার বানিয়ে ফেলার চেয়ে কি তা খুব একটা খারাপ হবে?
আলহামুদলিল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের অনেক নিয়ামত দিয়েছেন। প্রানীজগত থেকে আমরা উপকৃত হতে পারি, এটাও একটা নিয়ামাহ। খাদ্যের জন্য হালালভাবে পশু হত্যা জায়েজ, এবং এটা মানবজাতির জন্য প্রয়োজন। কিন্তু এমন একটা প্রসেসকে কীভাবে সমর্থন করা যায়, যেটার অবশ্যাম্ভাবী সাইড ইফেক্ট হিসেবে বছরে ৭০০ কোটি সদ্যজাত মুরগীকে এতো বীভৎসভাবে হত্যা করা হয়? কীভাবে এখানে হুকুকুল ইবাদ (বান্দার হক) রক্ষিত হয়? কীভাবে রাহমাতুললি আলামীনের (ﷺ) এর শিক্ষার সাথে এমন আচরণকে মেলানো যায়?
মনে রাখবেন পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এই ৭০০ কোটি শিশু মুরগীকে কোন কাজে লাগাচ্ছে না। এরা স্রেফ সারপ্লাস। বিক্রিয়ার অপদ্রব্য। এর সাথে কুরবানীর অবস্থা মিলিয়ে দেখুন।
কুরবানীর পশুর প্রায় প্রতিটি অংশ কাজে লাগে। শুধু একজন ব্যক্তি কিংবা পরিবার না, বরং পুরো সমাজ উপকৃত হয়। কুরবানীর পশুর মাংসের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ বিলিয়ে দেয়া হয়। কুরবানীর সময় এমন অনেক মানুষ মাংস খেতে পায় বছরের অন্য সময় মাংস খাবার সুযোগ যাদের হয়তো হয় না। কুরবানী কেন্দ্রিক বেচাকেনাতে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এবং খামারীরা সুযোগ পায় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবার।
এবং পুরো ব্যাপারটা করা হয় সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির জন্য। আত্মকেন্দ্রিক ভোগের জন্যে না। আমরা সব কিছুর মালিকের নির্দেশে, তাঁরই দেয়া সম্পদ, তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কুরবান করি। বছরে একদিন। আর এই এক ইবাদাহ থেকে উপকৃত হয় পুরো সমাজ।
ফাস্টফুডের নির্জীব আত্মকেন্দ্রিকতা, মাল্টিবিলিয়ন ডলার কর্পোরেইশানের নির্জলা প্রফিটমুখীর চিন্তা, আর সারপ্লাস হত্যার সাথে কতো আকাশপাতাল তফাৎ।
তবু বছর বছর ইসলামের বিধান কুরবানীর বিরোধিতা করে হাজার হাজার শব্দ লেখা হয়। কিন্তু পুঁজিবাদী পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ আমরা বিনা প্রশ্নে সয়ে যাই। এক বিচিত্র মনস্তত্ত্ব আধুনিকতা আর আধুনিক মানুষের। এক বিচিত্র দ্বিচারিতা সহনশীলতা আর উদারতার নামে।
@সংগৃহীত
বি. দ্র. লেখাটির মূল উৎস সম্পর্কে কারো জানা থাকলে অনুগ্রহ করে কমেন্টে লিংক দিয়ে দেবেন।
18/06/2024
এগুলো মৃত সাগরবাসী মতবাদ কায়েমের লং-টার্ম পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছে। ৫০টি আলিয়া মাদ্রাসাতেও পরীক্ষা করা হয়। জেমস কারিকুলামের অংশ। একই থিমে ক্লাস সিক্স থেকে ক্লাস নাইন পর্যন্ত কারিকুলাম সাজানো হয়েছে। মনে রাখতে হবে এগুলো প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ। এগুলো উঠতি বয়সী ছেলে ও মেয়েদেরকে ক্লাসে ফান করে পড়ানো হয়েছে, ভিডিও এবং বোর্ড গেইমের মাধ্যমে। এসব এক্সপেরিমেন্ট সফল হওয়ায় তারা পাঠ্যপুস্তক প্রনয়নে হাত দেয় প শ্চিমা সংস্থা এবং দেশী মীর জাফর বাহিনী। শরীফার গল্প এই থিমের একটি উদাহরণ মাত্র। সচেতনতা কাম্য। ভিডিও লিংক কমেন্ট আছে।
18/06/2024
ok?
18/06/2024
মাশাআল্লাহ! প্রতিটি এলাকার তরুণ-যুবকেরা এক্টিভ হওয়া প্রয়োজন
18/06/2024
প্রশ্ন: আমি একজন কাঠমিস্ত্রি। মানুষের বাড়িতে বাড়িতে মিস্ত্রির কাজ করি। কখনো কখনো হিন্দু বাড়িতেও কাজ করতে হয়। আর কাজ দীর্ঘ হওয়ার কারণে অনেকদিন পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করতে হয়। তখন হিন্দু বাড়িতেই খেতে হয়। এ অবস্থায় কি আমার জন্য হিন্দু বাড়িতে খাওয়া বৈধ হবে? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।
উত্তর:
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/999/
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Address
Dhaka
