03/03/2026
শুভ দোলপূর্ণিমা
দোলযাত্রা বা হলি মহোৎসব
বাঙালির পরিচয় শুধু তার ভাষাতেই সীমাবদ্ধ নয়। বাঙালি পরিচয় ভাষার সাথে তার শাশ্বত সংস্কৃতির সাথেও অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত। এ শাশ্বত সর্বজনীন সংস্কৃতিকে যারা বিশ্বাস করে না তারা নামে বাঙালি হলেও আদতে বাঙালি নয়, বিদেশি সাম্রাজ্যবাদী ভাবাদর্শের অনুগামী।আজও প্রতি বাঙালির গৃহে প্রতি বৃহস্পতিবার এবং প্রতি পূর্ণিমাতিথিতে নারীরা অত্যন্ত নিষ্ঠার দেবী লক্ষ্মীর সন্তুষ্টির জন্য লক্ষ্মীর পাঁচালি পাঠ করেন। গৃহে বিভিন্ন লক্ষ্মীর চিহ্ন ধারণ করেন।পাঁচালিটি শুরুই হয়েছে দোলপূর্ণিমা শব্দটি দিয়ে।
"দোল পূর্ণিমার নিশি নির্মল আকাশ।
ধীরে ধীরে বহিতেছে মলয় বাতাস ।।
লক্ষ্মীদেবী বামে করি বসি নারায়ণ।
করিতেছে নানা কথা সুখে আলাপন।।"
দোলপূর্ণিমা বাঙালি সংস্কৃতির সাথে এমন ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে আছে যে, চাইলেও দোলপূর্ণিমাকে বাঙালি সংস্কৃতি থেকে আলাদা করা যায় না।বিশ্বব্যাপী অধিকাংশ বাঙালি ছোটকাল থেকেই "দোল পূর্ণিমার নিশি নির্মল আকাশ" লক্ষ্মীর পাঁচালির এ লাইনগুলো গৃহের মা, মাসি, পিসি, দিদি, ঠাকুমা, দিদিমাদের অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পাঠ করতে দেখে।সমগ্র ভারতবর্ষের সাথে নেপাল, বাংলাদেশ, মরিশাস, গায়ানা, সুরিনাম,ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো, আমেরিকা, ফিজি, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, গ্রেট ব্রিটেন সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই যেখানে হিন্দু সংখ্যাধিক্য সেখানেই দশেরা, দেওয়ালী এবং হোলি এ প্রধান তিনটি উৎসব পালিত হয় রঙিন বর্ণাঢ্যভাবে। হিন্দুর প্রধান এ তিনটি উৎসবের মধ্যে রূপে-রসে-গন্ধে হোলি অনন্য। 'হোলি' নামটি সাধারণত উত্তরভারতেই প্রচলিত। সেখানে হোলির আরেক নাম 'ফাগোয়া'। এ ফাগোয়া বা হোলিকেই আমরা বাঙালীরা দোলযাত্রা নামে পালন করি। এ ছাড়া সারা ভারতবর্ষে বিভিন্ন নামেই এ উৎসব পালিত হয় যেমন : ওড়িশায় দোলোৎসব, মধ্যভারতে হরি (হোলি), গোয়ায় শিমাগা, দক্ষিণভারতে মদন-দহন বা কামায়ণ ইত্যাদি।
"দোল্যতে অস্মিন কৃষ্ণনেতি দোলি" অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণকে দোলারোহণ করে দোল দেয়া হয়, তাই এই উৎসবের নাম দোলযাত্রা। ফাল্গুনী পূর্ণিমাতিথিতে এ উৎসব আয়োজিত হয়। যে দিন অরুণোদয় কালে পূর্ণিমাতিথি লাভ হবে, সে পবিত্র দিনেই দোলযাত্রা হবে। এ দোলযাত্রা সম্পর্কে পদ্মপুরাণের পাতাল খণ্ডে বলা আছে তা খুবই তাৎপর্যবাহী।
20/02/2026
২১শে ফেব্রুয়ারি মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
১৯৫২'র ভাষা আন্দোলনে সকল শহীদের প্রতি গভীর
শ্রদ্ধাঞ্জলি।
14/02/2026
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে শুভ মহা শিবরাত্রি পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা রইল।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র ফোরাম, দিনাজপুর জেলার পক্ষ থেকে শুভ মহা শিবরাত্রি পূজা শুভেচ্ছা।
13/02/2026
🎉 Just completed level 3 and am so excited to continue growing as a creator on Facebook!
13/02/2026
ঈশ্বরের ৯৫টি নাম (অর্থসহ)
যার সত্য বিচারণশীল জ্ঞান এবং অনন্ত ঐশ্বর্য আছে, সেই পরমাত্মার নাম 'ঈশ্বর'। এছাড়া তাঁর আরো ৯৪টি নাম হলো-
১। ঈশ্বরের সর্বোত্তম নাম 'ওম্'।
২। ঈশ্বর সর্বাপ্রেক্ষা বৃহৎ, নিরন্তর ব্যাপক এবং সমস্ত জগত সৃষ্টি করেছেন বলে তাঁর নাম 'ব্রহ্ম'।
৩। ঈশ্বর স্বপ্রকাশিত বলে তাঁর নাম 'অগ্নি'।
৪। ঈশ্বর বিজ্ঞান স্বরূপ তাই তাঁর নাম 'মনু'।
৫। ঈশ্বর সকলের পালন করেন বলে তাঁর নাম 'প্রজাপতি'।
৬। ঈশ্বর পরম ঐশ্বর্যবান তাই তাঁর নাম 'ইন্দ্র'।
৭। ঈশ্বর সর্বত্র ব্যাপক বলে তাঁর নাম 'বিষ্ণু'।
৮। ঈশ্বর দুষ্টদের শাস্তি দিয়ে তাদের রোদান করান তাই তাঁর নাম 'রুদ্র'।
৯। ঈশ্বর মঙ্গলময় এবং সকলের কল্যাণকারী বলে তাঁর নাম 'শিব'।
১০। ঈশ্বর সকলের জীবনের মূল তাই তাঁর নাম 'প্রাণ'।
১১। ঈশ্বর অবিনাশী বলে তাঁর নাম 'অক্ষর'।
১২। ঈশ্বর স্বয়ং প্রকাশস্বরূপ তাই তাঁর নাম 'স্বরাট্'।
১৩। ঈশ্বর প্রলয়কালে সকলের কাল এবং কালেরও কাল বলে তাঁর নাম 'কালাগ্নি'।
১৪। ঈশ্বর প্রকৃতি এবং অন্য সকল দিব্য পদার্থ সমূহে ব্যাপ্ত তাই তাঁর নাম 'দিব্য'।
১৪। ঈশ্বর উত্তম পালন এবং পূর্ণ কর্ম বলে তাঁর নাম 'সুপর্ণ'।
১৫। ঈশ্বর এর আত্মা অর্থাৎ স্বরূপ মহান তাই তাঁর নাম 'গরুত্মান'।
১৬। ঈশ্বর বায়ুর ন্যায় অত্যন্ত বলবান বলে তাঁর নাম 'মাভরিশ্বা'।
১৭। ঈশ্বর এর মধ্যেই সকল ভূত অর্থাৎ প্রাণী থাকে তাই তাঁর নাম 'ভূমি'।
১৮। ঈশ্বর বিবিধ অর্থাৎ বহু প্রকারের জগতকে প্রকাশিত করেন বলে তাঁর নাম 'বিরাট'।
১৯। ঈশ্বর সকল মধ্যে ব্যাপ্ত হয়ে প্রবিষ্ট রয়েছেন তাই তাঁর নাম 'বিশ্বঃ'।
২০। ঈশ্বর সূর্যের মতো তেজঃস্বরূপ পদার্থসমূহের গর্ভ অর্থাৎ নিবাস স্থান বলে তাঁর নাম 'হিরণ্যগর্ভ'।
২১। ঈশ্বর সকল বলবান অপেক্ষাও অধিক বলবান তাই তাঁর নাম 'বায়ু'।
২২। ঈশ্বর নিজেই প্রকাশিত এবং সূর্যের ন্যায় তেজস্বী লোকের প্রকাশক বলে তাঁর নাম 'তেজস'।
২৩। ঈশ্বর এর কখনো বিনাশ হয়না তাই তাঁর নাম 'আদিত্য'।
২৪। ঈশ্বর সকল অভ্রান্ত জ্ঞানসম্পন্ন এবং সমস্ত চরাচর যথাযথভাবে জানেন বলে তাঁর নাম 'প্রাজ্ঞ'।
২৫। ঈশ্বর সকলকে স্নেহ করেন এবং সকলের প্রীতির যোগ্য তাই তাঁর নাম 'মিত্র'।
২৬। ঈশ্বর শিষ্ট, মুমুক্ষু মুক্ত ও ধর্মাত্মাদের দ্বারা স্বীকৃত হোন এবং সর্বাপ্রেক্ষা শ্রেষ্ঠ বলে বলে তাঁর নাম 'বরুণ'।
২৭। ঈশ্বর সত্য ও ন্যায়কারীদের সম্মানিত করেন এবং পাপ ও পুণ্যকারিদের পাপ পুণ্যের ফলের যথোচিত নিয়ামক তাই তাঁর নাম 'অর্য্যমা'।
২৮। ঈশ্বর মহানদেরও মহান এবং আকাশাদি ব্রহ্মান্ড সমূহের স্বামী বলে তাঁর নাম 'বৃহস্পতি'।
২৯। ঈশ্বর অনন্ত পরাক্রমশালি তাই তাঁর নাম 'উরুক্রম'।
৩০। ঈশ্বর স্বপ্রকাশরূপে সকলকে প্রকাশিত করেন বলে তাঁর নাম 'সূর্য'।
৩১। ঈশ্বর সকল জীব অপেক্ষা উৎকৃষ্ট এবং জীব, প্রকৃতি ও আকাশ অপেক্ষা সূক্ষ্ণ এবং সকল জীবের অন্তর্যামী আত্মা এবং তাঁর তুল্য কেউ নেই তাই তাঁর নাম 'পরমাত্মা'।
৩২। ঈশ্বর সকল জগতের সৃষ্টিকর্তা বলে তাঁর নাম 'সবিতা'।
৩৩। ঈশ্বর সকলের মধ্যে ব্যাপ্ত ও তিনি সকলের কাছে জানার যোগ্য তাই তাঁর নাম 'দেব'।
৩৪। ঈশ্বর নিজের ব্যাপ্তি দ্বারা সকলকে আচ্ছাদন করেন বলে তাঁর নাম 'কুবের'।
৩৫। ঈশ্বর সমগ্র বিস্তৃত জগতের বিস্তার কর্ত্তা তাই তাঁর নাম 'পৃথিবী'।
৩৬। ঈশ্বর অব্যক্ত ও পরমাণু সমূহের পরস্পর সংযোগ অথবা বিয়োগ সাধন করেন বলে তাঁর নাম 'জল'।
৩৭। ঈশ্বর সবদিক দিয়ে জগতের প্রকাশক তাই তাঁর নাম 'আকাশ'।
৩৮। ঈশ্বর সকলের মধ্যে বাস করছেন বলে তাঁর নাম 'বসু'।
৩৯। ঈশ্বর সকল জল এবং জীবগণের ('নারা') মধ্যে অয়ন অর্থাৎ নিবাস করছেন তাই তাঁর নাম 'নারায়ণ'।
৪০। ঈশ্বর সকলের আনন্দস্বরূপ এবং সকলের আনন্দদাতা বলে তাঁর নাম 'চন্দ্র'।
৪১। ঈশ্বর স্বয়ং মঙ্গল-স্বরূপ এবং সকল জীবের মঙ্গলের কারণ তাই তাঁর নাম 'মঙ্গল'।
৪২। ঈশ্বর সকল জীবের বোধের কারণ বলে তাঁর নাম 'বুধ'।
৪৩। ঈশ্বর অত্যন্ত পবিত্র এবং তাঁর সংসর্গে জীবও পবিত্র হয়ে যায় তাই তাঁর নাম 'শুক্র'।
৪৪। ঈশ্বর সকলের মধ্যে সহজেই প্রাপ্ত ও ধৈর্যবান বলে তাঁর নাম 'শনৈশ্চর'।
৪৫। ঈশ্বর দুষ্টদের পরিত্যাগ করেন এবং করান তাই তাঁর নাম 'রাহু'।
৪৬। ঈশ্বর মুমুক্ষুদের মুক্তিসময়ে সকল রোগ হতে মুক্ত করেন বলে তাঁর নাম 'কেতু'।
৪৭। ঈশ্বর সকল মুনি-ঋষির পূজ্য ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন তাই তাঁর নাম 'যজ্ঞ'।
৪৮। ঈশ্বর সকল গ্রহণযোগ্য পদার্থ সমূহের গ্রহীতা বলে তাঁর নাম 'হোতা'।
৪৯। ঈশ্বর তাঁর সকল জীবের উন্নতি কামনা করেন তাই তাঁর নাম 'পিতা'।
৫০। ঈশ্বর পিতারও পিতা বলে তাঁর নাম 'পিতামহ'।
৫১। ঈশ্বর পিতামহদেরও পিতা তাই তাঁর নাম 'প্রপিতামহ'।
৫২। ঈশ্বর তাঁর সকল জীবের সুখ ও উন্নতি কামনা করেন বলে তাঁর নাম 'মাতা'।
৫৩। ঈশ্বর তাঁর সৃষ্টির সবাইকে বিদ্যা প্রাপ্ত করান তাই তাঁর নাম 'আচার্য'।
৫৪। ঈশ্বর সৃষ্টির আদিতে ঋষি অগ্নি,ঋষি বায়ু,ঋষি আদিত্য,ঋষি অঙ্গিরা এবং ব্রহ্মাদি গুরুজনেরেও গুরু বলে তাঁর নাম 'গুরু'।
৫৫। ঈশ্বর সকল জীবের শরীরের সাথে সম্বন্ধ যুক্ত করে জন্মদান করেন কিন্তু নিজে কখনো জন্মগ্রহণ করেন তাই তাঁর নাম 'অজ'।
৫৬। ঈশ্বর সকল পদার্থের মধ্যে আছেন বলে সেসবকে সৎ এবং তাঁর মধ্যে 'সাধু' বলে তাঁর নাম 'সত্য'।
৫৭। ঈশ্বর সমস্ত জগতের জ্ঞাতা তাই তাঁর নাম 'জ্ঞান'।
৫৮। ঈশ্বর এর অন্ত-অবধি-সীমা অর্থাৎ এতো লম্বা-চওড়া, ছোট, বড়- এমন পরিমাণ নাই বলে তাঁর নাম 'অনন্ত'।
৫৯। ঈশ্বর এর কোনো আদি কারণ নেই তাই তাঁর নাম 'অনাদি'।
৬০। ঈশ্বর সকল ধর্মাত্মা জীবকে আনন্দিত করেন বলে তাঁর নাম 'আনন্দ'।
৬১। ঈশ্বর ভুত, ভবিষ্যৎ এবং বর্তমান কালে যার বাধা হয়না তাই তাঁর নাম 'সৎ'।
৬২। ঈশ্বর সকল সত্যাসত্যের জ্ঞাপয়িতা বলে তাঁর নাম 'চিৎ'।
৬৩। ঈশ্বর সকল অশুদ্ধি হতে পৃথক এবং সকলকে শুদ্ধ করেন তাই তাঁর নাম 'শুদ্ধ'।
৬৪। ঈশ্বর সর্বদা সকলের জ্ঞাতা বলে তাঁর নাম 'বুদ্ধ'।
৬৫। ঈশ্বর মুমুক্ষুদের ক্লেশ বা দুঃখ হতে মুক্ত করেন তাই তাঁর নাম 'মুক্ত'।
৬৬। ঈশ্বর কখনো শরীর ধারণ করেন না বলে তাঁর নাম 'নিরাকার'।
৬৭। ঈশ্বর আকৃতি, ম্লেচ্ছাচার, দুষ্ট কামনা এবং চোখ প্রভৃতি ইন্দ্রিয় সমূহের বিষয় হতে পৃথক তাই তাঁর নাম 'নিরঞ্জন'।
৬৮। ঈশ্বর প্রকৃত্যাদি জড় এবং জীব পদার্থসমূহের পালনকর্তা বলে তাঁর নাম 'গণেশ' বা 'গণপতি'।
৬৯। ঈশ্বর সংসারের অধিষ্ঠাতা তাই তাঁর নাম 'বিশ্বেশ্বর'।
৭০। ঈশ্বর সবকিছুতে ব্যপ্ত হয়েও নিজের স্বরূপের পরিবর্তন করেন না বলে তাঁর নাম 'কূটস্থ'।
৭১। ঈশ্বর সকল জগতের রচনা করতে সমর্থ তাই তাঁর নাম 'শক্তি'।
৭২। ঈশ্বর সমস্ত জগত, বিধ্যৎমন্ডলী এবং যোগীদের সেবা পেয়ে থাকেন বলে তাঁর নাম 'শ্রী'।
৭৩। ঈশ্বর বেদাদি শাস্ত্র বা ধার্মিক বিদ্বান ও যোগীদের নিকট লক্ষ্য বা দর্শনীয় তাই তাঁর নাম 'লক্ষ্মী'।
৭৪। ঈশ্বর এর বিবিধ বিজ্ঞান অর্থাৎ শব্দ, অর্থ, সম্বন্ধ ও প্রয়োগের যথাযথ জ্ঞান আছে বলে তাঁর নাম 'সরস্বতী'।
৭৫। ঈশ্বর নিজের সামর্থ্য দ্বারাই নিজের সব কার্য পূর্ণ করেন তাই তাঁর নাম 'সর্বশক্তিমান'।
৭৮। ঈশ্বর সকল সত্যাসত্য বিদ্যার জ্ঞাতা, সজ্জনদের রক্ষক এবং দুষ্টদের যথোচিত দন্ডদাতা বলে তাঁর নাম 'দয়ালু'।
৭৯। ঈশ্বর সকল প্রকার ভেদ রহিত তাই তাঁর নাম 'অদ্বৈত'।
৮০। ঈশ্বর শব্দ, স্পর্শ এবং রূপাদি গুণ রহিত বলে তাঁর নাম 'নির্গুণ'।
৮১। ঈশ্বর প্রাণী ও অপ্রাণী জগতের মধ্যে ব্যাপক হয়ে সকলকে নিয়ন্ত্রণ করেন তাই তাঁর নাম 'অন্তর্যামী'।
৮২। ঈশ্বর ধর্মেই প্রকাশমান, অধর্ম রহিত এবং ধর্মের প্রকাশক বলে তাঁর নাম 'ধর্মরাজ'।
৮৩। ঈশ্বর সকল প্রাণীকে কর্মফল দানের ব্যবস্থা করেন এবং সকল অন্যায় হতে পৃথক তাই তাঁর নাম 'যম'।
৮৪। ঈশ্বর ভজনের যোগ্য বলে তাঁর নাম 'ভগবান'।
৮৫। ঈশ্বর সকল জগতের মধ্যে পূর্ণ হয়ে আছেন তাই তাঁর নাম 'পুরুষ'।
৮৬। ঈশ্বর জগতের ধারক এবং পোষণকর্তা বলে তাঁর নাম 'বিশ্বম্ভর'।
৮৭। ঈশ্বর উৎপত্তি ও প্রলয়ের পরে অবশিষ্ট তাই তাঁর নাম 'শেষ'।
৮৮। ঈশ্বর সকল পদার্থের এবং জীবের সংখ্যা করেন বলে তাঁর নাম 'কাল'।
৮৯। ঈশ্বর ধর্মাত্মাদের দ্বারা প্রাপ্ত হওয়ার যোগ্য এবং ছলকপটাদি রহিত তাই তাঁর নাম 'আপ্ত'।
৯০। ঈশ্বর কল্যাণ ও সুখের কর্তা বলে তাঁর নাম 'শঙ্কর'।
৯১। ঈশ্বর সকল দেবতাদের দেব তাই তাঁর নাম 'মহাদেব'।
৯২। ঈশ্বর সকল ধর্মাত্মা, মুমুক্ষু ও শিষ্টদের প্রসন্ন করেন বলে তাঁর নাম 'প্রিয়'।
৯৩। ঈশ্বর কখনো কারো দ্বারা উৎপন্ন হোন নাই তাই তাঁর নাম 'স্বয়ম্ভু'।
৯৪। ঈশ্বর সকল বিদ্যার উপদেশ করেন ও তিনি বেত্তা বলে তাঁর নাম 'কবি'।
বিঃদ্র- সকল নামের মধ্যে "ওম্" কেবল পরেমেশ্বরেরই নাম। অন্যসকল নামের ক্ষেত্রে প্রকরণ এবং বিশেষণই নিয়ামক। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা
অনপেক্ষঃ শুচির্দক্ষ উদাসীনো গতব্যথঃ
সর্বারম্ভপরিত্যাগী যে মদ্ভক্তঃ স মে প্রিয়ঃ ১২/১৬
যিনি নিরপেক্ষ,শুচি,দক্ষ,উদাসীন,উদ্বেগশূণ্য এবং সমস্ত কর্মের ফলত্যাগী,তিনি আমার প্রিয় ভক্ত।।
31/01/2026
মিরসরাই হিন্দুপাড়ায় এক সপ্তাহে ৭ স্থানে আগুন
বিস্তারিত কমেন্ট ⤵️
31/01/2026
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মন্দিরের পূজারীর ওপর হামলা অভিযোগ
বিস্তারিত কমেন্ট ⤵️
26/01/2026
বীর মুক্তিযোদ্ধা, শ্রী গোপাল চন্দ্র রায় হতলোক ত্যাগ করে পরলোকগমন করবন।
বিস্তারিত কমেন্ট ⤵️