28/03/2023
বৃদ্ধ বয়সে একমাত্র সম্বল হতে পারে জীবন বীমা।
মানুষের জীবনে যখন বার্ধক্য এসে ভর করে তখন কোন কাজ করার ক্ষমতা থাকেনা, আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
কিন্তু ব্যয়ের পথ বন্ধ হয় না আর তখন ব্যয় নির্বাহের জন্য হাত পাততে হয় সন্তান কিংবা আত্মীয় স্বজনদের কাছে।
আবার অনেকেরই এই অসহায় জীবন পারি দিতে হতে পারে অন্যের দয়া-দক্ষিনা নিয়ে।
কিন্তু যদি কোন তার ব্যক্তি যৌবনে একটি পেনশন বীমা তৈরি করে থাকেন তাহলে সে মাত্র ৫৫ বছর বয়সের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আজীবন পেনশনের টাকা পেতে পারে। তখন তার বৃদ্ধ বয়সে কষ্টের পরিবর্তে খুব আরাম আয়েশেই কাটাতে পারেন।
ভবিষ্যতের বার্ধক্য জীবনের আর্থিক নিরাপত্তা সুখ ও সমৃদ্ধির জন্য প্রতিটি মানুষের পেনশন বীমা করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
তাই, সময় থাকতেই একটি বীমা করা প্রয়োজন, কারণ বার্ধক্য যদি একবার এসে যায় তখন তো আর বীমা করা যাবেনা। তাই পেনসন বীমা চালু করতে হবে এখনই।
মেসকাত শরীফের একটি হাদিস থেকে বর্নিত,, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মোহাম্মদ ( সাঃ ) জনৈক ব্যক্তিদের উপদেশ দিতে গিয়ে বলেন, পাঁচটি বিষয়ে সময়ের পূর্বেই গুরুত্বের সাথে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। যেমন:
১।বার্দ্ধক্য আসার আগে যৌবনের গুরত্ব ।
২।রোগাক্রান্ত হবার আগে স্বাস্থ্যের গুরুত্ব ।
৩।দারিদ্র আসার আগে স্বচ্ছলতার গুরুত্ব ।
৪।ব্যস্ত হয়ে যাবার আগে অবসর সময়ের গুরুত্ব এবং
৫।মৃত্যু আসার আগে জীবনের গুরুত্ব ।
বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান জীবন বীমা কর্পোরেশনের যে কোন পলিসি সমন্ধে জানতে কিংবা বীমা গ্রহন করতে যোগাযোগ করুন,,,,
hotline : ০১৭৪৯-৭৮০২৯৭
কপোরেট সেবা দপ্তর,টাঙ্গাইল
হক টাওয়ার (৩য় তলা)
আমঘাট রোড,টাঙ্গাইল
https://www.facebook.com/jbc tangill
08/01/2023
বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থের কথা, কল্যাণের কথা মাথায় রেখে ১৯৭৩ সনে, রাস্ট্রীয় বা সরকারী মালিকানায়, জনসাধারণের সেবার্থে জীবন বীমা কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। আমরা শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে অধিকাংশ লোক জানি না যে, বীমা খাতে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার নাম "জীবন বীমা কর্পোরেশন" #জীবন_বীমা_কর্পোরেশন দেশী বা বিদেশী ব্যক্তি মালিকানাধীন মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কোন প্রতিষ্ঠান নয়। জীবন বীমা কর্পোরেশনের মালিক একমাত্র "রাষ্ট্র" যার মূখ্য উদ্দেশ্য জনকল্যাণ। জনগণের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে কর্পোরেশনের বিভিন পলিসি স্কিমে বিনিয়োগ হিসেবে গ্রহণ করে রাস্ট্রীয় কোষাগারে জমা করে দেশ গঠনে ব্যবহার হবে জনগণের সঞ্চিত অর্থ, অর্থ বিনিয়োগকারী হিসেবে আপনি হবেন দেশ বিনির্মানের গর্বিত অংশীদার ও নিজেও লাভবান হবেন, কিন্তু আমরাতো জাতি হিসেবে বিদেশ প্রীতি, বিদেশী পণ্যের প্রতি প্রীতি দেখাতে সব সময়ই হুলস্থুল করি বা আগ্রহ দেখাই। দেশ আর দেশের পণ্য কোনটাই যেন আমাদের রুচিতে যায় না। অচল হলেও বিদেশী পণ্য কিনে হচ্ছি ধন্য। এ যখন জাতির অবস্থা তখন ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী লিমিটেড তা দেশি মালিক হোক আর বিদেশি মালিক হোক মুনাফা অর্জনই যাদের প্রধান উদ্দেশ্য, তাদের পণ্যে আসক্ত দেশিয় রুচিবান ক্রেতারা ঠকবেন তাতে আৎকে উঠার কিছু নেই। আমাদের জাতীয় অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য বড় ঝাকুনী দরকার।আলোচ্য বিষয়ে আসি, জীবন বীমা কর্পোরেশনে বিনিয়োগ করে,পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার গ্যারান্টি অবসর জীবনে আমৃত্যু পেনশনের ব্যবস্থা, ঋণ পরিশোধে অর্থ যোগান, প্রিয় সন্তানের উচ্চ শিক্ষা-বিয়ের খরচের আগাম ব্যবস্থাসহ জীবনের প্রতিটি প্রয়োজনে ন্যুনতম ব্যয়ে জীবন বীমা কর্পোরেশন আপনার জন্যে সুচিন্তিতভাবে বীমার ব্যবস্থা করেছে।বীমাযোগ্য ব্যক্তি ন্যুনতম প্রিমিয়ামে জীবন বীমা কর্পোরেশনের বহুমূখী বীমা সম্ভারের প্রোডাক্ট বা পলিসি ক্রো-শেয়ার থেকে তার জন্য উপযুক্ত স্কিমটি পছন্দ করে মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক, বার্ষিক যে কোন
পদ্ধতিতে প্রিমিয়ামের অর্থ কর্পোরেশনে বিনিয়োগ করতে পারেন। জন সেবায় দেশব্যাপী, উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় পর্যায়ে ৮টি রিজিওনাল অফিস, ১২টি কর্পোরেট অফিস, ৭৬টি সেলস অফিস, ৫৩৪টি শাখা অফিস এর মাধ্যমে বীমা কর্পোরেশন গ্রাহক সেবা কার্যক্রম চলমান রেখেছে । গ্রাহকের দাবি পরিশোধের জন্য রয়েছে কর্পোরেশনের বিশাল অংকের লাইফ ফান্ড। রাজধানী ঢাকাস্থ আইকনিক ইমারত, জীবন বীমা টাওয়ার, সহ দেশব্যাপী জীবন বীমা কর্পোরেশনের
রয়েছে ১৮টি নিজস্ব বা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জীবন বীমা ভবন ও মহামূল্যবান স্থাবর সম্পত্তি জনগণের আস্থার প্রতীক। দাবি পরিশোধেও জীবন বীমা কর্পোরেশনই বাংলাদেশের শীর্ষে। কেবল ২০১৭ সালে ৩০৫.৯৮ কোটি টাকা বীমা দাবী পরিশোধ করেছে জীবন বীমা কর্পোরেশন। জীবন বীমা কর্পোরেশন যার পথচলা শুরু ১৯৭৩ সাল থেকে সরকারী ভাবে। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে জীবন বীমা কর্পোরেশন এর রয়েছে দেশব্যাপী সম্প্রসারণশীল অনলাইন সেবা। কর্পোরশন বীমা গ্রহীতাদেরকে দ্রুত ও উন্নত সেবা দেয়ার জন্য তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় কম অর্থ ব্যয়ে একদিকে নিরাপদ আর্থিক বিনিয়োগ এবং জীবন বীমা পলিসি গ্রহণ করে জীবন-জীবনান্তে আর্থিক ঝুঁকির নিশ্চিত ব্যবস্থাকল্পে জনগণের জন্য রয়েছে বিশাল সুযোগ। জীবন বীমা কর্পোরেশন এ জমাকৃত অর্থের রাস্ট্রীয় সুরক্ষায় গ্রাহক নির্ভয় থাকতে পারেন। আসুন জীবন বীমা কর্পোরেনে পলিসি গ্রহণ করে, নিজের ও দেশের উন্নয়ন এ অংশীদার হই।
12/12/2022
#জীবনবীমাকর্পোরেশন পলিসি করুন নিশ্চিন্তে আপনার গচ্ছিত সম্পদ নিরাপদ রাখুন।
08/12/2022
অনেক ব্যাংক কর্মকর্তা এখন বীমা কোম্পানিতে জয়েনিং করছেন।
কারণ.....
বীমা পেশার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলোঃ
০১.অনেক মানুষের উপকার করা যায়।
০২.পূজিবিহিন একটি শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসা দাঁড় করানো যায়।
০৩.রয়্যালিটি আয় করা যায়।
০৪.আনলিমিটেড আয় করা যায়।
০৫.সবনিম্ন পদবী (FA)থেকে সর্বোচ্চ পদে(CEO) যাওয়া যায়।
০৬.লিডারশীপ অর্জন করা যায়।
০৭.সম্মান,প্রতিপত্তি ও বন্ধু লাভ করা যায়
০৮.বিদেশ ভ্রমণ করা যায়
০৯. রাষ্ট্রের একজন গর্বিত করদাতা হওয়ার সুযোগ আছে।
১০.অনেক মানুষের কর্মসংস্হানের মাধ্যমে রুটি রুজির ব্যবস্থা করা যায়।
১১. প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে নিজের মূল্যবোধ বৃদ্ধি করা যায়।
১২.সুন্দর পরিপাটি একটি লাইফস্টাইল পাওয়া যায়।
১৩.সরকার বিভিন্ন সেক্টরে বীমা বাধ্যতামূলক করতেছে এবং পৃষ্ঠপোষকতা করতেছে, যা জনমনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরী হচ্ছে।
22/11/2022
আমরা যারা জীবন বীমাকে ইসলাম বিরোধী বা নাজায়েজ বলে আখ্যায়িত করি তারা এর পিছনে যে ধরনের যুক্তি উপস্থাপন করেন তা মূলত ইসলাম ও জীবন বীমা সম্পর্কে না জেনে এরকম একটি মনগড়া গোড়ামী যুক্তির অবতারণা করে থাকেন মাত্র। যাই হোক জীবন বীমা যে ইসলাম বিরোধী নয় এবং তা যে ইসলামেরই সৃষ্টি তা নিম্নলিখিত আলোচনার মাধ্যমে বুঝানোর চেষ্টা করা হলো।
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (স.) তার অনুসারীদেরকে বারংবার দুঃসময়ের জন্য সঞ্চয়ের সুপরামর্শ ও নির্দেশ দিতেন। ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার ‘বায়তুল মালের’ প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োগ আমরা দেখতে পাই যা তদানিন্তন ইসলামী সমাজে একটি দুঃসময়ের সঞ্চয় হিসাবে খুবই খ্যাতি অর্জন করেছিল।
বায়তুলমালের প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োগ।
জীবন বীমা তারই আধুনিক রুপ।
১) তদানিন্তন আরব বণিকরা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড় পর্বত বেষ্টিত পথে ব্যবসা বাণিজ্য করতে যেতো। কেননা ব্যবসা বাণিজ্য ছিল তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উপায়। জীবন ও জীবিকার তাগিদে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সে সমস্ত দুর্গম পথ পাড়ি দিত। ফলে দুর্ঘটনায় অনেক বণিক মারা যেতো। এদের অনেকেই থাকতো পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তি। ফলে তাদের মৃত্যুতে ঐ পরিবারটি একেবারে নিঃস্ব হয়ে যেতো। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আরব বণিক ও সমাজের বৃত্তশালী ব্যক্তিরা একটি তহবিল অর্থাৎ ‘বায়তুলমালের’ প্রতিষ্ঠা করেন। এ তহবিল বৃদ্ধির জন্য তারা তাদের আয়ের একটি অংশ ঐ তহবিলে জমা রাখতো। যদি তাদের কেউ মারা যেতো তখন মৃত ব্যক্তির পরিবারকে ঐ ‘বায়তুল মাল’ থেকে সাহায্য করা হতো। আজকের জীবন বীমা তারই একটি আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত ব্যবস্থা। অথচ মুসলমানরা জীবন বীমাকে ইসলাম বিরোধী বলে আখ্যায়িত করছেন।
২) আরবদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র বাহন ছিল উট। দুর্গম পথ পাড়ি দিতে অনেক উটও মারা যেতো। আর কোন বণিকের উট না থাকলে তার পক্ষে ব্যবসা করা সম্ভব ছিল না। তখন সাহাবীরা মহানবী (সা.) এর কাছে যেয়ে এ অবস্থার জন্য পানাহ চাইলেন। মহানবী (সা.) তাদেরকে উপদেশ দিলেন তোমাদের যাদের উট আছে তারা সবাই মিলে একটি সংঘ গঠন কর এবং সেখানে প্রতিমাসে কিছু অর্থ সঞ্চয় কর। এরপর যাদের উট মারা যাবে-তাদেরকে ঐ সংঘ থেকে অর্থ নিয়ে উট কিনে দেওয়া যাবে। সাহাবীরা মহানবী (দঃ) এর নির্দেশ মত ‘উট মালিক সংঘ’ (Camel Owner Association) গঠন করেন। এরপর কারো উট মারা গেলে উক্ত সংঘ থেকে অর্থ নিয়ে তাকে উট কিনে দেয়া হতো।
জীবন বীমা যদিও একজন মানুষের অভাব পূরণ করে দিতে পারে না তবুও তার পরিবারকে বেঁচে থাকার অর্থ সংস্থান করে দিতে পারে। এটা যে কত বড় উপকার তা শুধু ভুক্তভোগিরাই জানে। পৃথিবীতে এমন কোন ব্যবস্থা আছে যা কোন মৃত ব্যক্তির পরিবারের জন্য এককালীন অর্থনৈতিক সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসে? এ মহত্ব তো ইসলামেরই শিক্ষা। তবু জীবন বীমাকে কেন ইসলাম বিরোধী বলে অভিহিত করা হয়? তা শুধুমাত্র ইসলাম ও জীবন বীমা বিষয়ে অজ্ঞতার পরিচয় নয় কি?
৩) কিছু মুসলমানকে বলতে শুনা যায় যে আল্লাহ দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন, আল্লাহ মানুষের মৃত্যুর পর তার পরিবারকে হেফাজত করবেন। মুসলমান হিসাবে আল্লাহকে বিশ্বাস করা ঈমানের একটি বড় অঙ্গ। কিন্তু আল্লাহ কোন মুসলমানকে তার পরিবারবর্গের হেফাজতের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নিষেধ করেননি।
রসুলে করিম (স.) এর বক্তবে এ কথার জবাব রয়েছে- আল্লাহর উপর ভরসা তোমাদের অবশ্যই রাখতে হবে, কেননা আসল দাতা তো তিনি। কিন্তু সে ভরসা হতে হবে পক্ষীকুলের মত। পক্ষীকুল পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর উপর ভরসা রাখে কিন্তু তারা বাসায় বসে থাকে না। বরং খাদ্যের সন্ধানে তারা প্রত্যহ ভোরে নীড় ছেড়ে বের হয়ে পড়ে। খাদ্য সংগ্রহ করে নিজে খেয়ে বাচ্চার জন্য পযাপ্ত খাদ্য নিয়ে ফিরে আসে আপন ঠিকানায়।
তেমনি তোমাদের ও আল্লাহর উপর ভরসা করে নিস্ক্রিয় হয়ে ঘরে বসে থাকলে চলবে না, তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর উপর ভরসার সঠিক অর্থ তা নয় বরং ভরসা সহকারে রুজি রোজরাগে সন্ধানে বের হতে হবে। সেজন্য তোমাদের মন, মগজ ও দেহের পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করতে হবে; বাস্তব কোন পন্থা অবলম্বন করতে হবে।
বিখ্যাত সাহাবী হযরত আমর ইবনে উমাইয়া জমরী (রা.) রসুল (সঃ) কে জিঞ্জাসা করলেন: হে রসুল (স.) আমি যে উটটিতে সওয়ার হয়ে আপনার দরবারে উপস্থিত হয়েছি সে উট ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর উপর ভরসা করবো, না উটটি বেধে রাখবো? নবী করিম (সা.) উত্তর দিলেন, আগে উটটিকে রশি দিয়ে বাঁধ এবং সেই সাথে আল্লাহর উপর ভরসা কর। আমরা আল্লাহ উপর বিশ্বাস করি। কিন্তু তাই বলে ঘরের দরজা খোলা রেখে রাত্রে ঘুমাতে আল্লাহ বলেননি, কিংবা সম্পদ অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রাখার উপদেশ আল্লাহ দেননি। এ জন্য ঘরের দরজা বন্ধ ও গুদামের তালা চাবির ব্যবস্থা করার জন্য আল্লাহ আমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন। তাই জীবন বীমা তো মানুষের উপকারে জন্য বুদ্ধিদীপ্ত একটি পন্থা।
৪) সৌদী আরব থেকে প্রকাশিত পত্রিকা ‘আরব নিউজ’ এর (১২ই মার্চ ১৯৯০সাল) “ইসলাম ইন পারসপেকটিভ” এর সম্পাদক বিশিষ্ট ইসলাম বিশেষজ্ঞ জনাব আদীল সালাহী জীবন বীমাকে ইসলামের দৃষ্টিতে জায়েজ বলে স্বীকৃতি প্রদান করেন। জীবন বীমা সম্পর্কে সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ সালে একজন পাঠকের উত্তরে তিনি এই বক্তব্য প্রকাশ করেন। জীবন বীমা সম্পর্কে আর একজন পাঠকের উত্তরে ১০ আগস্ট ১৯৯০ সনে, জনাব আদিল সালাহী পুনরায় জীবন বীমাকে জায়েজ বলে পুনর্ব্যক্ত করেন।
৫) ইসলাম গবেষণা ভিত্তিক ধর্ম, এজতেহাদের মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান ইসলাম দিয়েছে। এ এজতেহাদের মাধ্যমে বীমা ও ইসলাম সম্মত হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ইসলাম সঞ্চয় করতে, খাওয়া পরায় হিসাবী ও মিতব্যয়ী হওয়া জন্য উপদেশ দিয়েছে। আল্লাহর সৃষ্ট জীব পিঁপড়ারও জীবনে সঞ্চয়ের অভ্যাস লক্ষ্য করা যায়। ফলে মানুষের জন্য জীবন বীমা, সঞ্চয় অভ্যাস গড়ে তোলার একটি চমৎকার পন্থা। জনৈক ইসলাম বিশেষজ্ঞ কোরআন ও হাদীসের বাণী বিশ্লেষণ করে মন্তব্য করেন যে সঞ্চয় হল পরিজনের জন্য ব্যয়, উত্তরাকারীর জন্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, আপৎকালের জন্য সংস্থানের ব্যবস্থা এবং এব্যবস্থায় “জীবন বীমা হচ্ছে ইসলামের নির্দেশ ও উপদেশ সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ”।
৬) কাজেই জীবন বীমা ইসলাম বিরোধী নয় বরং তা পৃথিবীর এবং সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের মধ্যে যারা এতিম, বিধবা, বৃদ্ধ এবং জ্বরাগ্রস্থ তাদেরকে অর্থনৈতিক পরিচর্যা করার একটি মহৎ প্রতিষ্ঠান। এ মহৎ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের সেবা করার জন্য মুসলিম ও অমুসলিম বিশ্বে বেশ কয়েকটি বীমা কোম্পানী জীবন বীমা ব্যবসা করছে। যার একটি তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:
১। ইসলামিক বীমা কোম্পানী (সুদান), ১৯৭৯
২। ইসলামিক আরব বীমা কো. (সৌদি আরব), ১৯৭৯
৩। ইসলামিক আরব বীমা কো. (ইউএই), ১৯৮০
৪। দার আল মল আল আসলামী (জেনেভা), ১৯৮১
৫। ইসলামী তাকাফুল এবং রি তাকাফুল (বাহামা), ১৯৮৩
৬। ইসলামী তাকাফুল কোম্পানী (লুক্সেমবার্গ), ১৯৮৩
৭। আল বারাকা বীমা কোম্পানী (সুদান), ১৯৮৪
৮। ইসলামী বীমা এবং পুনর্বীমা কোম্পানী (বাহরাইন), ১৯৮৫
৯। শরিফাত তাকাফুল (মালয়েশিয়া), ১৯৮৫
21/11/2022
রাষ্ট্রীয় সংস্থা হতে আজীবন পেনশন পলিসি গ্রহনের সুবর্ণ সুযোগঃ
আপনার অবসর জীবনকে স্বাচ্ছন্দময় ও আর্থিক স্বচ্ছলতার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ”জীবন বীমা কর্পোরেশন” এর মাধ্যমে পেনশন পলিসি গ্রহনের সুযোগ রয়েছে ; ফলশ্রুতিতে আপনার অবসর জীবন থাকবে সুরক্ষিত।
দুঃশ্চিন্তামুক্ত স্বাচ্ছন্দ অবসর জীবনের চাবিকাঠি-
”ব্যক্তিগত পেনশন পলিসি”
পেনশন পলিসির প্রধান আকর্ষণঃ
৫৫ বছর হতে আমরণ মাসিক পেনশন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
নমিনির জন্য ১০ বছর পর্যন্ত পেনশন প্রাপ্তির সযোগ।
অকাল মৃত্যুতে আর্থিক নিরাপত্তা।
পেনশন পলিসির বিবরণ :
বয়স : ১৮ বছর থেকে ৫৩ বছর বয়স্ক যে কোন পেশার লোক পেনশন পলিসি নিতে পারবেন।
পেনশন প্রাপ্তির বয়স : ৫৫ – ৬০ বছর থেকে আমরণ পেনশন প্রদান করা হবে।
মাসিক পেনশনের টাকা : প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পযর্ন্ত ।
প্রিমিয়াম : বয়স ও পেনশনের টাকার উপর নির্ভর করে।
মেয়াদ : বর্তমান বয়স থেকে পেনশন প্রাপ্তির বয়সের মধ্যবর্তী সময়।
প্রিমিয়াম প্রদান পদ্ধতি:- ইএফটি/ চেক / মোবাইল ব্যাংকিং/জীবন বীমার যে কোন শাখায়।
সমর্পণ : অন্ততঃ ৩ বছর প্রিমিয়াম পরিশোধ করার পর পলিসি সমর্পণ মূল্য অর্জিত হবে।
পেনশন প্রাপ্তির বিবরণ :
অপশন-০১ : ১০০% পেনশন প্রতি মাসে আমরণ গ্রহণ এবং পেনশন হোল্ডারের মৃত্যুতে নমিনীর ১০বছর পেনশন প্রাপ্তির সুযোগ।
অপশন-০২ : মেয়াদ পূর্তিতে পেনশনের টাকার ১০০% সমর্পণ করে এককালীন টাকা পাওয়ার সুযোগ।
অপশন-০৩ : ৫০% সমর্পণ করে এককালীন টাকা এবং ৫০% পেনশন প্রতি মাসে আমরণ গ্রহণের সুযোগ।
মেয়াদ পূর্তিতে উপরোক্ত ৩টির যে কোন ১টি অপশন গ্রহণের সুযোগ থাকবে।
পেনশনের টাকা প্রতি মাসে BEFTN এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেনশন হোল্ডারের ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফারের করা হবে।
মৃত্যুজনিত আর্থিক ক্ষতিপূরণ :
পলিসি চলাকালীন সময়ে পেনশন প্রাপ্তির পূর্বে পেনশন হোল্ডারের সাধারণ মৃত্যুতে নমিনীকে একটি বার্ষিক প্রিমিয়ামের ১৫ গুণ এবং দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুতে ৩০ গুণ প্রদান করা হবে।
পেনশন প্রদান শুরুর পর পেনশন হোল্ডারের মৃত্যুতে ১০ বছর পর্যন্ত নমিনীর পেনশন লাভের সুযোগ।
বিস্তারিত জানতে Inbox / Whats App- এ আপনার নাম, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল এবং জন্ম তারিখ sent করুন। আমাদের কর্তব্যরত অফিসার শীঘ্রই আপনার সাথে যোগাযোগ কিংবা ই-মেইলে প্রস্তাবপত্র প্রেরণ করবে।
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ
০১৭৪৯৭৮০২৯৭
20/11/2022
প্রতিদিনই আমরা সড়ক দুর্ঘটনার খবর শুনি।
একদিন হঠাৎ শুনলেন আপনার ৫ জন আত্মীয় গাড়ি এক্সিডেন্টে মারা গেছেন।
তাদের পরিবারের জন্য আপনার সামর্থানুযায়ী কি কি করতে পারবেন?
★পরিবারের অন্য সদস্যদের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে পারবেন?
★তাদের সন্তানদের পড়ালেখার খরচের যোগান দিতে পারবেন?
★তাদের মেয়ে উপযুক্ত হলে বিয়ের খরচের যোগান দিতে পারবেন?
♦আপনি এককালীন কত টাকার আর্থিক সহয়তা করতে পারবেন?
কিন্তু জীবন বীমা পলিসি গ্রহন করে ঝুঁকি স্থানান্তর এর মাধ্যমে এর সমাধান সম্ভব।
আসুন জীবন বীমার বিরোধিতা না করে পরিচিত জনদের একমাত্র সরকারি বীমা #জীবন_বীমা_কর্পোরেশন এর পলিসি গ্রহনে উৎসাহিত করি।