N.P.S গাজিপুর জেলা মানবাধিকার কমিটি

N.P.S গাজিপুর জেলা মানবাধিকার কমিটি

Share

ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক মানবাধিকার সংগঠন।
আমরা আপনাদের পাশে আছি.... মানবতার কল্যানে এগিয়ে যাওয়া আমাদের লক্ষ

23/04/2022
21/07/2020

সূত্রঃ দৈনিক খোলা কাগজ ২১/০৭/২০২০ইং

07/06/2020

০৬/০৬/২০-দৈনিক খোলা কাগজ।

21/03/2020

উপর ওয়ালা যদি আমাদের করোনা করেন তাহলেই আমরা করোণা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাব হে আল্লাহ্ তুমি বিশ্ব বাসিকে এই করোণা ভাইরাস থেকে হেফাজতে রাখ
আমিন

20/03/2020

করোণা ভাইরাসে আতংক না হয়ে ,সচেতন হন ।জন সমাবেশ মিটিং মিছিল সব বন্ধ ।তাই আমাদের এন ,পি ,এস , ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটিরএর সাপ্তাহিকমিটিং ও স্থগিত করা হলো । পরবর্তি মিটিং ও কার্যক্রমজানিয়ে দেওয়া হবে।

15/03/2020

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জরুরী প্রয়োজনে স্বাস্থ্য পরামর্শ পেতে ১৬২৬৩ ও ৩৩৩ নম্বরে কল করুন
-স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

Photos from N.P.S গাজিপুর জেলা মানবাধিকার কমিটি's post 14/03/2020

এন পিএস গাজীপুর জেলা কমিটির বার্ষিক বনভোজন ২০২০ । ড্রিম হলিডে নরসিংদী,পাঁচদোনা।

03/03/2020

গাজীপুরে ১০ কোটি টাকার খাস জমি আত্মসাৎ করে মার্কেটের নির্মাণ কাজ চলছেই।

বিষয়টির ওপর গত ৩ ফেব্রুয়ারি আলোকিত নিউজ ডটকমে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
কিন্তু গত এক মাসেও রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষায় রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা নেয়নি জেলা প্রশাসন।
আত্মসাৎ কাহিনি : নগরীর জাঙ্গালিয়াপাড়া এলাকার বাংলাবাজার রোডের একটু উত্তরে আবদুল আজিজের একাধিক বাড়ি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল। পাশে তার দানকৃত জমিতে কমিউনিটি ক্লিনিক ও ওয়াকফকৃত জমিতে নির্মাণ করা হয়েছে মসজিদ।
বাংলাবাজার রোড সংলগ্ন অবশিষ্ট ৭০ শতাংশ জমির অর্ধেকেরও বেশি অংশে একটি পুকুর ছিল। গত বছর বালু ফেলে ভরাট করে তাতে হাজী আজিজ সুপার মার্কেট নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়।
তিন তলা ফাউন্ডেশন মার্কেটটির নিচ তলার কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। শতাধিক দোকান ভাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের জামানত।
স্থাপনাগুলো বাহাদুরপুর মৌজার ১ নং খতিয়ানভুক্ত এসএ ৩০৪ নং দাগে গড়ে উঠেছে। যার বিভক্ত আরএস দাগ নং ৬৫৩।
আবদুল আজিজের একমাত্র ছেলে জাহাঙ্গীর আলম শহরের অন্যতম গ্লাস ব্যবসায়ী। দাগটি পার্ট হওয়ায় বাবার নামে ডিমারকেশন করেছেন তিনি।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এসএ শাখার ১৮১/২০১৮ নং সীমানা নির্ধারণ মামলা অনুযায়ী, বাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনার ৭৭ শতাংশ জমি খাস হিসেবে দেখানো হয়েছে। আর খালি ৭০ শতাংশ জমি দেখানো হয়েছে জোত হিসেবে।
অর্থাৎ ৭৭ শতাংশ জমি অনেক আগে থেকেই তাদের ভোগদখলে। অবশিষ্ট ৭০ শতাংশে মার্কেট নির্মাণের ফলে পুরো সরকারি জমি বেহাত হয়ে গেল।
শিল্প কারখানা অধ্যুষিত ওই এলাকায় বিঘাপ্রতি জমির বর্তমান বাজারমূল্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকা। সে হিসাবে দখলীয় জমির মূল্য দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
ওয়াকিবহাল সূত্র জানায়, তঞ্চকতাপূর্ণ ডিমারকেশনটিতে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে। সন্দেহের অগ্রভাগে থাকা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবুল কালাম বর্তমানে এলএ শাখায় কর্মরত।
একাধিক ভূমি কর্মকর্তা বলেছেন, পার্ট দাগে ডিমারকেশনের সময় সরকারের স্বার্থে রাস্তা সংলগ্ন অংশ অগ্রাধিকার পায়। দখলীয় অংশকে খাস দেখিয়ে খালি অংশ দখলদারের হাতে তুলে দেওয়া গুরুতর অপরাধ।
এ ছাড়া খাস জমি ওয়াকফ বা দান করার এখতিয়ার কোন ব্যক্তির নেই। আগের ভোগদখলীয় অংশই জোত হিসেবে পরিগণিত হবে।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মশিউর রহমানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি সদর এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলতে বলেন।
পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাবেয়া পারভেজের সাথে দুই দিন যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।©আলোকিত প্রতিবেদক থেকে সংগ্রহিত‌~

17/02/2020

খুব শীগ্রই রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আসছি...

গাজীপুর সদর উপজেলার তালতলী ও ভাওয়াল মির্জাপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজা জেসমিনের নেতৃত্বে রবিবার অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় প্রায় ৩০০ মিটার পাইপলাইন অপসারণ করায় প্রায় ৫০০ বাড়ি ও একটি বেকারির ১২০০ চুলার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।
আদালত সূত্র জানায়, অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি আলোকিত নিউজ ডটকমে ‘গাজীপুরের মনিপুর ও তালতলীতে হাজারো অবৈধ গ্যাস সংযোগ ফের চালু’ শিরোনামে তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

Photos from N.P.S গাজিপুর জেলা মানবাধিকার কমিটি's post 15/02/2020
12/02/2020

গাজীপুরের বারইপাড়া বিটে ‘ফাউন্ডেশন বাণিজ্যে’ হোসেনের বাজিমাত!
ক্যান্টনমেন্ট বাজারের পশ্চিমে বন দখলের চিত্র
আলোকিত প্রতিবেদক : গাজীপুরে সংরক্ষিত বনের ক্ষতিসাধন করে ফাউন্ডেশন বাণিজ্য চলছেই।
ভাওয়াল রেঞ্জের বারইপাড়া বিটে দীর্ঘদিন ধরে তা চললেও দেখার যেন কেউ নেই।
বিষয়টির ওপর গত ৯ অক্টোবর ও ২৪ ডিসেম্বর আলোকিত নিউজ ডটকমে দুটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন : গাজীপুরে বনের ভেতর ‘ফাউন্ডেশন বাণিজ্য’ জমজমাট
বাণিজ্য সমাচার : বিট অফিসের ২৫ গজ পশ্চিমে ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ি করছেন পিন্টু। ট্রাকযোগে বিট অফিসের সামনের বনভূমির ওপর দিয়ে নেওয়া হচ্ছে নির্মাণ সামগ্রী।
রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কচি-কাঁচা মাঠের দক্ষিণ পাশে বনের ভেতরে জোতভূমিতে ছয় তলা বাড়ি করছেন প্রকৌশলী মজিবুর রহমান। ইতিমধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ তলার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
বাড়িটিতে গজারি বন ব্যতীত প্রবেশের কোন রাস্তা নেই। গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগও বনের ভেতর দিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এর একটু দক্ষিণে পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ি করছেন পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী আসমা খাতুন। ইট ও বালু স্তূপ করে রাখা হচ্ছে বনের ভেতর।
ক্যান্টনমেন্ট বাজারের পশ্চিম পাশে পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ি করছেন মাকসুদ। ইতিপূর্বে তৃতীয় তলার ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে।
ওই বাড়ির পশ্চিমে ফাউন্ডেশন বাড়ির কাজ করছেন আবদুস সাত্তার ও তার মেয়ের জামাই আমিনুল ইসলাম। ইতিপূর্বে চতুর্থ তলার ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে।
বাড়িটির সামনের অংশ জবর দখল। ক্রমান্বয়ে বন উজাড় হয়ে এখন একাধিক গজারি গাছ মৃত দাঁড়িয়ে আছে।
সংলগ্ন পূর্ব পাশে স্বপ্ননীড় নামে পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন বাড়ির তিন তলার কাজ সম্পন্ন করেছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাসেম সিদ্দিকী। চার ইউনিটের মধ্যে সামনের দুই ইউনিটের কাজ আগে করা হয়।
নয়নপুর পেপসি গেট এলাকায় পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ি করছেন নিজাম। ইতিপূর্বে দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে।
উল্লেখিত ব্যক্তিদের কারও যৌথ ডিমারকেশন নেই। বিট অফিসের মৌখিক অনুমতিতে বা কথিত লোকাল ডিমারকেশনে দাপটের সাথে চলছে কাজ।
এভাবে ভবন নির্মাণের ফলে ধীরে ধীরে বন উজাড় ও দখল হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে নতুন উদ্ভিদ জন্মানো ও বনের স্বাভাবিক পরিবেশ।
একাধিক বাড়ির মালিক বলেন, যৌথ ডিমারকেশন করলেও নিজস্ব রাস্তা না থাকলে বিট অফিস কাজে বাধা দেয়। তাই ঝামেলায় না গিয়ে এক-দুই লাখ টাকায় ম্যানেজ করে কাজ করা হয়।
হোসেনের বাজিমাত : বনপ্রহরী হোসেন আহমেদ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বারইপাড়া বিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে আছেন। গত বছরের জানুয়ারিতে বিট কর্মকর্তা আজাদুল কবির বদলি হলে সাবেক ডিএফও জহির উদ্দিন আকন তাকে এ দায়িত্ব দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হোসেন আহমেদ সাবেক ডিএফওর ‘এলাকার লোক’ হিসেবে পরিচিত। সুযোগ পেয়ে বেপরোয়া বাণিজ্যে আখের গোছাচ্ছেন তিনি।
সূত্র আরও জানায়, টাকার বিনিময়ে বনের জমিতেও ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। ক্যান্টনমেন্ট বাজারের উত্তর পাশে ও সাটিয়াবাড়ী এলাকায় দখল অব্যাহত রয়েছে।–সূত্রঃ আলোকিত নিউজ

06/02/2020

রাষ্ট্র বা প্রজাতন্ত্রের প্রথম স্তম্ভ- মানবাধিকার
চতুর্থ স্তম্ভ - গণমাধ্যম
মালিক-জনগণ
মহাগ্রন্থ - সংবিধান
শ্রেষ্ঠ আদালত-বিবেক-এনপিএস।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka
1700