রেইনবো নেশন” বলতে এমন একটি সমাজ বা দেশকে বোঝায় যেখানে বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ মিলেমিশে ঐক্যের মধ্যে বসবাস করে।। Rainbow Nation এর বাংলা অর্থ সম্প্রীতিমূলক রাস্ট্র। রেইনবোতে ৭ টি রং থাকে।। ৭ টি রং যেভাবে সহবস্থানে থাকে সেভাবে থাকার ইংগিত বুঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।। বিএনপির ৩১ দফায় দ্বিতীয় দফায় এই বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা আছে।।
যারা রেইনবো বলতে অন্য কিছুর ইংগিত বুঝাচ্ছেন, তাদেরকে বলতে চাও সেইটাতে মূলত ৬ টি রং, সেইটা আসলে রেইনবো নয়।।
Nationalist Youth Centre -NYC
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nationalist Youth Centre -NYC, Political organisation, Chittagong.
23/10/2025
এনসিপির এই নেতা নিজের মত করে ভুংভাং গ্রাফ বানিয়ে বলছেন বাংলাদেশে নাকি বেকার ২৬ লক্ষ।। তার মধ্যে উনার দাবি বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১ কোটি মানুষের যে কর্মসংস্থানের কথা বলেছেন সেটা কোনো ভাবেই বাস্তবায়ন করতে পারবে না।। এবং উনার করা পোস্টেই বাচ্চা পার্টির ছাপড়িদের অনেকে বলছেন ১৮ মাসে ১ কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করা অসম্ভব, আমি মনে করি এটা ভুল ধারণা। এরকম কর্মসূচী অনেক দেশেই বাস্তবায়ন অতিতে করা হয়েছে।। এনসিপির মেধাবী ভাইটি ভুংভাং গ্রাফ না একে ফোনে একটু তথ্য ঘাটাঘাটি করলেই উনি পেয়ে যেতেন।।
আমি মনে করি বাংলাদেশে আগামীতে যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সঠিক পরিকল্পনা থাকে এটা ১ কোটির বেশি করাও সম্ভব।।
আজকের দিনে কর্মসংস্থান মানে শুধু কারখানা নয়; গিগ ইকোনমি, রিমোট জব, কৃষি-ভিত্তিক উৎপাদন, আইসিটি, SME, এবং ব্লু ইকোনমি এই সবকিছুই কর্মসংস্থানের আওতায় আসে।
বাংলাদেশে বর্তমানে ৭ কোটি কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী আছে। এর মধ্যে মাত্র ৫%–৭% লোককে নতুন কাজের সুযোগ দিতে পারলেই ১ কোটি নতুন চাকরি তৈরি সম্ভব। যদি সরকার আইসিটি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, নির্মাণ, গার্মেন্টস এক্সটেনশন, ফ্রিল্যান্সিং ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় ৬টি সেক্টরে একসাথে ইনভেস্টমেন্ট চালায়
তাহলে ১৮ মাসে ১ কোটি কর্মসংস্থান শুধু সম্ভবই না, বাস্তবায়নযোগ্য।
আমি অনলাইনে ঘাটাঘাটি করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। যেটা তারেক রহমান নিজেও নিজ দেশে সরকার গঠন করলে বাস্তবায়ন করবেন বলেছেন।।
যেইসব আমাদের আশেপাশের দেশেই বাস্তবায়ন করা হয়ে গেছে অলরেডি। যেমন:
ভারত: ২০১৪–২০১6 সালে মোদি সরকারের “Skill India” ও “Make in India” প্রকল্পে ২ বছরে প্রায় ১.২ কোটি কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল।
চীন: ২০১0–২০১২ সালে “Urban Job Expansion” প্রোগ্রামে দেড় বছরে প্রায় ১.৫ কোটি চাকরি তৈরি করেছিল — মূলত ক্ষুদ্র শিল্প ও নির্মাণ খাতে।
ইন্দোনেশিয়া: ২০১৬–২০১৭ সালে "Work Creation Omnibus Law" এর মাধ্যমে প্রায় ৯০ লাখ মানুষকে নতুন কর্মে নিয়োজিত করে।
ভিয়েতনাম: ২০১৮–২০১৯ সালে গ্রামীণ ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও রপ্তানি-ভিত্তিক SME প্রোগ্রামের মাধ্যমে ৮০ লাখ নতুন চাকরি তৈরি করেছিল।
ব্রাজিল: “Fome Zero” ও “Bolsa Família” প্রকল্পে কম আয়ের মানুষদের উদ্যোক্তা বানিয়ে ২ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থান দেয়।
বিএনপি তাহলে কিভাবে এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে পারবে??
উত্তর সহজ প্রবাসী আয়, কৃষি, ও আইসিটি, শিল্প, সরকারি খাতকে একত্রে কাজে লাগিয়ে দ্রুত কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা সম্ভব।
বিএনপি ইতিমধ্যে “Family Card” ও “Agriculture Card” এর মাধ্যমে সরাসরি জনগণকে অর্থনীতিতে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। বিএনপির সামনে বড় একটা ভিশন নিতে যাচ্ছে কৃষিখাত নিয়ে।।
আপনারা হয়তো জানেন, আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল দুইটি স্তম্ভ, প্রবাসী আয় ও গার্মেন্টস শিল্প। এই দুইটি খাত বিএনপি আমলেই করা।। এই খাতে দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যাক মানুষ কাজ করে।। এবং বিএনপি আমলেই বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত বাজার অর্থনীতির দুয়ার খুলে দেন। যার ফলে দেশে বিরাট সংখ্যাক মানুষের কর্মসংস্থান হয়। বিশেষ করে বড় সংখ্যাক নারী কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে।।। এই বিএনপিই দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির তকমা থেকে দেশকে মুক্ত করেছেন। আজকে যারা বলতে চান বিএনপি অলীক স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, তাদের মুখে ছাই মেরে বিএনপি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার প্রতিটি দফা বাস্তবায়ন করবে।।
প্রত্যেকটা এলাকায় মাঠ আছে। আপনি যদি মিছিল মিটিং করতে চান,সেখানে করতে পারবেন৷ আপনারা যেহেতু রাজনীতি করেন তারমানে স্থানীয় পযার্য়ে আপনাদের কার্যালয় আছে। তাছাড়া চায়ের দোকানে রাজনৈতিক আড্ডা দেওয়ার চল বহুদিনের। আমি বলতে চাইতেছি,আপনাদের কাছে মিছিল,মিটিং,রাজনৈতিক পরামর্শ করার অনেকগুলো অপশন আছে। তারপরও যদি মসজিদ,মাদ্রাসাকে রাজনৈতিক আলাপের কেন্দ্রবিন্দু বানাতে চান তাহলেও সমস্যা নাই। তবে এই সুযোগটা সবাইকে দিতে হবে। বিএনপি,এনসিপি,বাম সংগঠনসহ যতগুলো রাজনৈতিক দল আছে,সবাইকে দিতে হবে। সবাই যদি না পায়,তাহলে জামাত শিবিরও পাবে না। আলাপটা খুবই পরিষ্কার। বাংলাদেশের মানুষ ইসলাম ধর্মটা জামাতের নামে লিখে দেয় নাই।।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে আগুন লাগার ঘটনা ঘটছে। যদি এই ঘটনাগুলো প্রকৃত দুর্ঘটনা না হয়ে পরিকল্পিত হয়, তাহলে এটা বলা যায় — সরকারের ভেতরের কিছু চক্র এই কারসাজির সঙ্গে জড়িত।
এই ধরনের ষড়যন্ত্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এগুলো সেইসব রাজনৈতিক শক্তির স্বার্থে কাজ করছে,যারা দেশে নির্বাচন চায় না,এবং অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য যেকোনো পথ অবলম্বন করতে প্রস্তুত।
তাদের উদ্দেশ্য একটাই — যেভাবেই হোক ফেব্রুয়ারি মাসটি পার করে
অবৈধ শাসনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থায়ী করা, এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে রুদ্ধ করা।
জাগো বাহে, তিস্তা বাচাই। ✊
15/09/2025
Best Wishes for him. ❤️
৯ই সেপ্টেম্বর সারাদিন ভিপি পদে
ব্যালট নং ২১-এ ভোট দিন!
25/08/2025
একজন ছাত্রদল কর্মীর একাডেমিক লাইফ: ফ্যাসিস্ট বাহিনী কতৃক ৪ বার হামলা, ১টি মামলা, ৫২ দিন কারাবাস, পাত বসানো ভাঙ্গা হাত, মাথায় ১১টি সেলাই
অনার্স রেজাল্ট ৩.৪৩
মাস্টার্স রেজাল্ট ৩ ৩৭
অনার্স ২য় সেমিস্টার:
২০১৮ সালে অনার্সের ২য় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার কিছুদিন আগে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে আহত হই। অসুস্থ শরীর নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলাম।
অনার্স ৭ম সেমিস্টার:
২০২২ সালের মে মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা ছাত্রদলকে ক্যাম্পাসে আসতে না দেয়ার ঘোষনা দেয় এবং আসলে প্রতিহত করার হুমকি দেয়।
ক্যাম্পাসে অবস্থানের যে গণতান্ত্রিক অধিকার সেটা রক্ষার জন্য ছাত্রদল ক্যাম্পাসে আসে। ক্যাম্পাসে আসলে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের উপর হামলা করে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। এ সময় ছাত্রদলের অনেককে হামলা করে মুমূর্ষু করে ফেলা হয়। টানা কয়েকদিন অধিকার রক্ষার সর্বাত্মক চেষ্টা করে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ। বহু নেতা-কর্মীকে আহত করা হয়। এমনকি নারী নেত্রীদেরো অমানুষিকভাবে পেটানো হয়।
সে সময় আমার অনার্সের ৭ম সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা দিয়ে ছাত্রদলের পক্ষে অবস্থান নিতে চলে যেতাম। মৃত্যুভয় মাথায় নিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি। ছাত্রলীগের হাতে ধরা পড়লে কি হতো সৃষ্টিকর্তা জানেন। ক্যাম্পাসের তৎকালীন অবস্থা ক্যাম্পাসের সবাই জানে। কত চাপের মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছি একবার ভাবুন।
এতকিছুর পরে অনার্সের রেজাল্ট ৩.৪৩
মাস্টার্স ১ম সেমিস্টার:
সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার আগে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় হাত ভেঙ্গে যায়, মাথা ফেটে যায়। হাতে পাত বসাতে হয়েছিল, যা এখনো আছে। ভাঙ্গা হাত ও মাথায় ১১টি সেলাই নিয়ে ১ম সেমিস্টার পরীক্ষা দিয়েছি
মাস্টার্স ২য় সেমিস্টার:
২৮ অক্টোবর পরবর্তী সময়ে সারাদেশে সরকারবিরোধীদের ( বিএনপি এবং অন্যান্য) উপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালায় সরকারি বাহিনী। গ্রেপ্তার, রিমান্ড, গুম-খুন হরদমে চালিয়েছে ফ্যাসিস্ট বাহিনী ও তার দোসররা। সারাদেশে বিএনপি ঘোষিত অবরোধ চলছিল তখন।
এই অবরোধের সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে মিছিল করলে সেখানে হামলা করে, মিছিল থেকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের পোষা সন্ত্রাসী বাহিনীর কতিপয় সদস্য। বাসা থেকে পর্যন্ত তুলে নিয়ে যেতো।
এই আন্দোলনের মাঝে ছিল আমার মাস্টার্সের ২য় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা। পরীক্ষার আগে অথবা পরে মিছিল থাকলে সেখানে অংশগ্রহণ করতাম।
সেসময় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার অভাব ছিল আমার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহায়তায় পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপদভাবে অবস্থান করতাম। পরীক্ষার সময় শেষ হবার আগেই খাতা জমা দিয়ে বের হয়ে যেতাম। বাইক রেডি থাকতো নিরাপদভাবে ক্যাম্পাস থেকে বের হবার জন্য। খুব হিসেব করে ক্যাম্পাসে পা ফেলতে হতো।
তবুও জেলে যেতে হয়েছে। আন্দোলন করতে গিয়ে রাজপথে মিছিল থেকে গ্রেপ্তার হয়েছি। দুমাসের কাছাকাছি সময় কারাগারে ছিলাম।
একটিবার ভাবুন একজন ছাত্রদল নেতাকে কি পরিমান মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে জীবন ও একাডেমিক লাইফ পার করতে হতো?
এতকিছুর পরে মাস্টার্সের রেজাল্ট ৩.৩৭
নিজেদের পরিচয় না লুকানোর কারনে বারবার ফ্যাসিস্টের থাবার শিকার হয়েছে ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। এত জুলুমের শিকার হবার পরও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ তাদের লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। আর এজন্য ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ বাহবা পেতেই পারে।
নিজেদের পরিচয় লুকিয়ে রেখে সরকারি সংগঠনে পোস্ট নিয়ে, আরামে পড়াশোনা করে রেজাল্ট ভাল করা সহজ।
কিন্তু ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের মতো নিজেদের পরিচয়ে পরিচিত হয়ে ফ্যাসীবাদের সাথে সম্মুখে লড়াই করার পরও একাডেমিক রেজাল্টে সন্তোষজনক পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে বুঝতাম কোনটা কত বড় মেধাবীদের সংগঠন।
মেহেদী হাসান।
আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদপ্রার্থী, ডাকসু
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
24/08/2025
নারীদেরকে নিয়ে এই কুরূচীমূলক বক্তব্য দেয়া ধর্মীয় লেভাসে থাকা Kamal নামের এই ভন্ডকে গ্রেফতারের দাবি জানাই।।
23/08/2025
অল্প কথা, ইম্প্যাক্ট বেশি। গত ১০ দিন ধরে আবিদের ছোট ছোট কথায় তাকে মিডিয়ায় গ্রান্ড এন্ট্রি দিয়েছে।
আজকে সাদিকের সাথে কোলাকুলি করার সময় পর্দার ওপাশ থেকে একজন সংবাদকর্মী আবিদকে বলছিলেন, "ভাই, গতকাল বাকের কে যে ডায়লগ দিয়েছিলেন ওটা আবার দেন।"
আবিদের সামনে কাদের, বাকের ও সাদিকের এপ্রোচই বলে দেয় তারা ইতোমধ্যে আবিদকে লিডার হিসেবে মেনে নিয়েছে।
শিক্ষার্থীরা অন্যান্য প্রার্থীর মত মেউ মেউ টাইপ কথা বা বক্তব্য শুনতে চায় না; তারা আবিদের মত স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল ভাষায় শিক্ষার্থীদের সমস্যার কথা শুনতে চায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Chittagong
