››› ভালবাসার-গল্প ‹‹‹

››› ভালবাসার-গল্প ‹‹‹

Share

ভালবাসার মজার মজার গল্প
পড়তে চাইলে লাইক দিয়ে
অামাদের সাথে থাকুন

23/04/2018

পৃথিবীতে এমন মানুষের খুব অভাব যারা তোমার ব্যর্থ হবার পর হাতটা শক্ত করে ধরে বলবে, "কোনো ব্যাপার না,সামনের বার অবশ্যই হবে"!

ব্যর্থতার দিনে পাশে থাকার মানুষ খুজে পাওয়া না গেলেও হতাশায় পুরোপুরি ভাবে ডুবিয়ে দেয়ার লোকের অভাব হয় না।

আমি অনেক আপনজন চিনি যারা জীবনে কখনো খোজ-খবর নেয় না।তুমি বেঁচে আছো কি মরে গেছো,তুমি খেয়ে আছো নাকি না খেয়ে আছো,তুমি সুস্থ আছো নাকি অসুস্থ আছো সেসব কখনো খোজ করেনা।অথচ তোমার রেজাল্টের দিন তারা খোজ নেয়।

রেজাল্ট খারাপ হলে ক্লাস ফাইভ ফেল করা লোকটাও জ্ঞান দিতে ছাড়ে না।কেউ কেউ আবার ব্যর্থতার খবর পেয়ে পৈশাচিক আনন্দ পায়।সান্ত্বনা দেবার নাম করে কাটা ঘাঁয়ে নুনের ছেটা দেয়।

হাটার সময় একসাথে অনেক আপনজন তোমার পাশে থাকবে! কিন্তু একবার তুমি হোঁচট খেলেই আপনজনগুলো কয়েকটা ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে!

কেউ জোরে জোরে হাসবে,কেউ মুখ চেপে হাসবে! কেউ দৌড়ে পালাবে, কেউ আবার সমবেদনা জানাবে! কেউ তোমাকে তোলার চেষ্টা করবে, কেউ আবার কেঁদে ভাসাবে!
যে যাই করুক, হোঁচট খেয়ে অন্তত তুমি বিশ্বস্ত হাতগুলো চিনবে!

শেষ পর্যন্ত যদি কেউ ওঠাতে না আসে তবে তোমার সব থেকে বড় আপনজন তোমাকে ওঠাবে! আর সে আপনজনটা তুমি নিজে! বিশ্বস্ত হাতগুলো যখন গুটিয়ে যাবে তখন নিজের পেশিতে জোর দিয়ে উঠে দাড়াতে হবে!
কেউ তোমার না,কিন্তু তুমি তো তোমার!

পৃথিবীতে প্রতিটা সফল ব্যক্তির জীবনে অসংখ্য ব্যর্থতার গল্প আছে এবং সেদিন সে ব্যর্থতাগুলোকে আত্মহত্যায় রূপ না দিয়ে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে গেছে।

তাই যে সকল তথাকথিত আপনজনেরা কখনো কোনোদিন তোমার খোজ নেয়নি অথবা তোমার কোনো খারাপ সময়ে পাশে থাকেনি সেই সব মানুষদের জন্য লজ্জায় মরে যাবার কোনো প্রয়োজন নেই।

আমি ফেল করেছি, আমি ব্যর্থ হয়েছি।তবে আমি হারিনি, আমি জেতার উপায় শিখেছি।
কাটা ঘাঁয়ে নুনের ছেটা দিতে আসলে সাথে একটু গুড়া মরিচ মিশিয়ে দিতে বলবে।
এবং ৩২টা দাঁত বের করে হেসে বুঝিয়ে দেবে এতে তোমার কিছু আসে যায়না!

তুমি চেষ্টা করবে,তুমি ব্যর্থ হবে,তুমি শিখবে, একদিন ঠিকই জিতবে।আর সেদিন এরাই তোমাকে নিয়ে লাফাবে।
সেদিনও একই ভাবে ৩২ টা দাঁত বের করে হেসে বুঝিয়ে দেবে, "তুমিই তোমার জন্য যথেষ্ট।কারো সান্ত্বনায় কিংবা নুনের ছেটায়; তোমার কিছু আসে যায় না!"

28/01/2018

★নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর জগতে এটাই প্রথম বিশ্ব রেকর্ড,বিনা ইনভেস্টমেন্টে আনলিমিটেড ইনকাম।
★World এ সীকৃত প্রাপ্ত এবং Google supported এই প্রথম বারের মতো Champion Network Private Ltd: নিয়ে এলো বর্তমান সময়ের উন্নত প্রযুক্তিতে সেরা মার্কেটিং প্লান।
★এখানে join করতে এবং Others People কে Sponsor করাতে কোন পন্য ক্রয়-বিক্রয় বা কোন প্রকার টাকা পয়সা প্রয়োজন নেই,
ID খুলুন সম্পূন্য ফ্রি আর ইনকাম করুন আজীবনের জন্য।
★প্রত্যেকে ID ওপেন করার সাথে সাথে কোম্পানীর পক্ষ থেকে $1 ডলার বোনাস পাবেন।
★সেমিনার, ট্রেনিং, টিম মিটিং, সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম, এবং Upline Downlin Communication উল্লেখিত সব কার্যক্রম ঘরে বসে করতে পারবেন একদম বিনা খরচে।
★★Income Plan★★
1. Sign Up (Bonus) Income
2. Video Playing Income
3. Level Income ( Teams )
4. Monthly Fixed Income
5. Rank GIFT Income & Many More Type of 1000+Income Coming Soon add this marketing plan
★বর্তমান সময় খুবই জনপ্রিয় এবং সহজ Income হচ্ছে Video Playing Income, আপনি যত বার Video Play করবেন ঠিক ততো বার আপনার একাউন্টে Balance জমা হবে। Video size 10, 15, 30 সেকেন্ড। Video 24 ঘণ্টা থাকে,আপনার সময় অনুযায়ী Video Play করে Unlimited ইনকাম করতে পারবেন।
★Withdrawal Money
Payza, Paypal এবং যে কোন ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
★Joining Process
Playstore থেকে Champcash Apps Install করে ওপেন করুন ।
sign up with champcash এ ক্লিক করুন ।
নাম, ইমেইল, পাসওয়ার্ড, জন্ম তারিখ, মোবাইল নং, দেশের নাম, বিভাগের নাম, জেলার নাম পূরণ করুন ।
Agree terms & conditions এ ক্লিক করুন । এরপর Proceed দিন।
Refer ID এর জায়গায় 20257194 বসিয়ে Submit দিন এর পর Verify করে বুঝে নিন আপনার মেম্বারশিপ।
আরো বিস্তারিত জানতে কল করুন
WhatsApp 01856475276

20/12/2017

কিছু কিছু মানুষ একা থাকতে পছন্দ করে! চুপচাপ! কারো সাথে কথা বলতে চায় না, অন্ধকার ভালো লাগে এদের!
আমরা ভাবি এরা অহংকারী!
না, এরা আসলে # ডিপ্রেশড! জীবন নামের যুদ্ধের সাথে লড়াই করতে করতে এরা বিক্ষিপ্ত!
সমাজ এদের নাম দিয়েছে অসামাজিক!
এরা কষ্টকে ধামা-চাপা দিতে গিয়ে নিজেই কষ্টের তলে চাপা পরে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে!
এরা কারো সাথে মিশতে পারে না, এদের সাথে মিশতে চাইলে সেটাও পছন্দ করেনা!
দোষ টা তাদের না, তাদের পরিস্থিতিইই এমন!
চাইলে হাসি-খুশি থাকতে পারেনা! এভাবে একা একা থাকতে থাকতে তারা মানসিকভাবে প্রচন্ড ভেংগে পড়ে! কেউ কেউ ঝুঁকে পড়ে সুইসাইডের দিকে!
এরকম অসংখ্য মানুষ আমাদের চারপাশেই আছে, যারা মানসিক ভাবে ডিপ্রেসড!
আমরা যদি একটু সময় দেই আর ভালো ব্যবহার করি , তাদের সাপোর্ট করি! তবে এই মানুষগুলোও কিছুটা ডিপ্রেশন থেকে বের হতে পারে!
তবে তার আগে জানতে হবে, ডিপ্রেশন ভোগার কারন! ডিপ্রেশন অনেক কারনে হতে পারে_
বেকারত্বে থেকে ডিপ্রেসড!
পারিবারিক সমস্যায় ডিপ্রেসড!
প্রিয় মানুষের কাছ থেকে প্রতারিত হয়ে ডিপ্রেসড!
প্রতিটা ডিপ্রেশনই মারাত্নক! তাই নিজেও ডিপ্রেশন থেকে দূরে থাকুন! আশে-পাশের মানুষদেরও খেয়াল রাখুন!
লেখাঃ #জান্নাতুল_ফেরদৌস_নাসরিন (জারিন)

25/11/2017

নারী
মার্ক জাকারবার্গ, টমাস আলভা এডিসন আর রতন টাটার সাকসেস স্টোরি শুনিয়ে এদেশের পোলাপাইন রে ইন্সপায়ার করার চেষ্টা করে আসলে লাভ নাই। মার্ক জাকারবার্গের পারিপার্শ্বিকতা আর আমাদের দেশের ছেলে মেয়েদের পারিপার্শ্বিকতা আসলে সেইম না।
যেমন বাবা মায়েদের কথাই ধরেন। এদেশের বাবা মায়েরা নিজেরা স্বপ্নবাজ না। এরা সন্তানকেও স্বপ্ন দেখতে দেয়না। এদেশের শিক্ষিত বাবা মায়েদের কাছে মধ্যবিত্ত বাবা মায়েদের কাছে একজন মানুষের জীবনের সর্বোত্তম উতকর্ষ সাধন হইল
একটা ডিগ্রি তারপর একটা ভালো জব ভালো ঘরে একটা বিয়ে তারপর সন্তান জন্মদান করে সেই সন্তানদের ভবিষ্যত চাকরিজীবী হিসেবে গড়ে তোলা।
এরা টিভিতে শাহরুখ খানের মুভি দেখে কাঁদে কিন্তু নিজের ছেলে মিডিয়াতে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে ধমকে উঠে বলে
" যা কোচিং এ যা।"
উনারা সাকিব আল হাসানের খেলা দেখে রোমাঞ্চিত হয়। কিন্তু ছেলে ব্যাট নিয়া খেলতে গেলে থামাইয়া বলে
" ব্যাট তোর পিঠের উপর ভাঙ্গমু যা পড়তে বয়। "
আমার মনে আছে স্কুল লাইফে আমার আম্মারে পাশের বাসার এক আন্টি বলছিল
- আপা আপনের ছেলেত নষ্ট হয়ে গেছে
- কেন আপা?
- সারাদিন মাঠে খেলে।
তারমানে খেলাধুলা এদেশে অনেক গার্ডিয়ানের কাছে ড্রাগ এডিকেশনের মতই খারাপ কিছু। যে জাতিতে এমন মানুষ আছে যারা খেলা ধুলা করাকে নষ্ট হয়ে যাওয়া মনে করে তাগো দেশে উসাইন বোল্ট ,মাইকেল ফেলপস কচুটা জন্মাইব।
আমার আম্মাও সেই আন্টির কথায় ভালোই প্রভাবিত হয়েছিল। এ দেশের অনেক বাবা মা আবার নিজের সন্তানের চাইতে পাশের বাসার আপার কথা বেশী বিশ্বাস করে।
তাও ভালো কিছু বাবা মা ব্যাতিক্রম বলে আমরা সাকিব ,মাশরাফিদের পাইছি।
এরকম এক ব্যাতিক্রম মায়ের গল্প বলি।
প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদ ,ড. জাফর ইকবালের মা প্রয়াত আয়েশা ফয়েজ ছিলেন তেমনি একজন মা। স্বামী পুলিশ সার্জেন্ট ফয়েজ আহমেদ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হলেন। বিরাট পরিবার নিয়ে আয়েশা ফয়েজ পড়লেন বিপদে। তখন তিনি কাথা সেলাই করে হুমায়ূন স্যারদের পড়ালেখার খরচ চালান। এক সাক্ষাতকারে আয়েশা ফয়েজ বলেছিলেন
" পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালনা। আমার মেঝ ছেলে জাফর খবর আনল শহরের বুক স্টোরে তখন মানিক রচনাবলী এসেছে। ছেলেরা বায়না ধরল কালজয়ী সাহিত্যিক মানিক বন্ধোপাধ্যায়ের বইটা তারা কিনবে। আমার হাতে তখন মাসে চলার মত কিছু টাকা আছে। কিন্তু আমি ভাবলাম সন্তানরা বই পড়বে। এতো ভালো কথা। আমি ছেলেদের হাতে টাকাটা তুলে দিলাম। সেই টাকা দিয়ে বাসায় মানিক রচনাবলী এলো।
আমার সন্তানরা সকলেই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু তারা যে যা হয়েছে নিজ ইচ্ছায় হয়েছে। আমি তাদের উপর কখনোই কিছু চাপিয়ে দেইনি। "
সেদিন আয়েশা ফয়েজ বাসায় মানিক রচনাবলী এনেছিলেন বলেই কাজল নামে এক কিশোর ছেলে বাংলার শ্রেষ্ঠ কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল।
আর আজকাল বাবা মায়েদের কাছে গল্পের বই পড়া মানে বাজে টাইম নষ্ট। হোয়াট আ শেম। আর আমাদের গ্রেড ভিত্তিক শিক্ষাব্যাবস্থা এবং ইকুয়ালিটিলেস সোশাল ক্লাসে প্রভাব রাখা উচ্চশিক্ষাব্যাবিস্থা বাবা মায়েদের এই চিন্তা চেতনাকে ভালোই ফুয়েল দিয়েছে।
আমিত এমন গার্ডিয়ান দেখেছি যে ছেলেকে এইচএসসির সময় বলতেছে
" দেখত ফেসবুকে প্রশ্ন ট্রশ্ম এসেছে কিনা। "
এমন বাবা মা আছে যারা একটি নামকরা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্তান কে টেকানোর জন্য আগেই প্রশ্ম পাবে এই শর্তে দশ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে রাজি।
ব্যাপারটা খেয়াল করেন, মোরালিটি আজকাল ছেলে মেয়েত দুরে থাক অনেক বাবা মায়েদের কাছেও কোন ভ্যালু রাখেনা। তাদের কথা হইল
" ফলাফল ভালো হইতে হবে। বাই এনি মিন্স নেসেসারি। "
এবং সবচাইতে ভয়ের কথা হইল। এই প্রক্রিয়া একটা লুপের মত চলতে আছে। সেলফ সাফিশিয়েন্ট সিস্টেম এটা।
বাবা মা সন্তান কে স্বপ্ন দেখা নিষিদ্ধ করে আবার সন্তান বড় হলে তার সন্তানদের স্বপ্ন দেখা নিষিদ্ধ করে।
এ দেশের ছেলে মেয়েদের তাই মার্ক জাকারবার্গের গল্প শুনাইয়া আসলে লাভ নাই। মার্ক জাকারবার্গ এ দেশে জন্মাইলে মার্কের বাপ মা মার্করে হয় কোচিং এ পাঠাইত না হয় মার্ক চাকরির সন্ধানে পাগল হয়ে যাওয়া এক ডিপ্রেসড বেকারে পরিণত হইত।
লেখক - Warish Azad Nafi

25/10/2017

মানুষের চাওয়া:
*****************
❐ উকিল চায় আপনি ঝামেলায় পড়ুন।
❐ ডাক্তার চায় আপনি অসুখে পড়ুন।
❐ পুলিশ চায় আপনি বেআইনী কাজ
করুন।
❐ ইলেকট্রিশিয়ান চায় আপনার
বাড়ির ওয়্যারিং জ্বলে যাক।
❐ বাড়িওয়ালা চায় আপনি যেন
জীবনে বাড়ি করতে না পারেন।
❐ মুচি চায় আপনার নতুন জুতো ছিঁড়ে
যাক।
❐ ব্যাংকার চায় আপনি টাকা লোন
নিয়ে ঋনগ্রস্থ হোন।
❐ প্রাইভেট টিউটর চায় আপনার
সন্তান পাঠ্যপুস্তকের পড়া কম বুঝুক।
**শুধুমাত্র চোর চায় আপনি ধনী
হোন আর মহাসুখে নাক ডেকে ঘুমান।
এতএব, চোরই আপনার প্রকৃত বন্ধু।
--------------প্রমানিত
৩টি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়।
১| নদীর পাড়ের বাড়ি
২। ব্রেক ছাড়া গাড়ি
৩। ঘর ছাড়া নারী।
তিনটি জিনিস একবার আসেঃ
(১) মাতা-পিতা
(২) সৌন্দর্য্য
(৩) যৌবন।
তিনটি জিনিস
ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ
(১) বন্দুকের গুলি
(২) কথা
(৩) রূহ।
তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ
(১)সু-সন্তান
(২)ভাল কাজ
(৩) ইলম।
তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ
(১)চুরি
(২)চোগলখুরী
(৩)মিথ্যা।
তিনটি জিনিস
পিছনেতে রাখোঃ
(১)হিংসা
(২)অভাব
(৩)সন্দেহ।
তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ
(১) উপদেশ
(২) উপকার
(৩) মৃত্যু।
তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রেখঃ
(১) রাগ
(২) জিহবা
(৩) মন।
তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ
(১) সততা
(২) ভক্তি
(৩) ভালোবাসা
তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকঃ
(১) মিথ্যা
(২) অহংকার
(৩) অভিশাপ।
তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করঃ
(১) কলম
(২) কথা
(৩) কদম

19/10/2017

বড় ছেলে - 2
অব শেষে মুক্তি পেল।
সবাই পড়বেন, আশা করি সবার ভাল লাগবে।
রিয়ার Gifts গুলো আর আকাশ পরিমাণ বেদনা
নিয়ে
রাশেদ আসার পর প্রায় ৫ বছর কেটে গেল।
রাশেদ এখন বড় একটা চাকরি করে। আজ সে
প্রতিষ্ঠিত। রাশেদ গাড়িতে করে বাসায়
ফিরছে।
গাড়িতে বসে রিয়ার দেয়া সেই ডায়রীটা বের
করলো। যে ডায়রীতে রাশেদ লিখেছে তার
মনে জমানো অনেক না বলা কথা। ডায়রীতে
লিখেছে -
প্রিয় রিয়া, আমি তোমার সেই রাশেদ। অনেক
বছর তোমার সাথে কথা হয়নি। ৫বছর কেটে
গেছে। জানতে খুব ইচ্ছে করে কেমন
আছো তুমি? জানো আজও আমি তোমাকে
অনেক মিস করি। তোমার দেয়া হাত ঘড়িটা
আমার
খুব পছন্দ হয়েছে। ওটা হাতে দিয়েই প্রতিদিন
আমি অফিসে যাই। এখন আমার মোবাইলে সব
সময় চার্জ থাকে। কারন তোমার দেয়া পাওয়ার
ব্যাংকটা সব সময় আমার সাথে থাকে। বাবা,
মা, ভাই,
বোন আর অনেকে আমাকে কল ফোন করে
শুধু তুমি ছাড়া। আর যখন আমি খুব ঘেমে যাই তখন
তোমার দেয়া আইছি টিস্যু দিয়ে মুছি ফেলি।
সারাদিন
অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় এসে তোমার
সাথে কথা বলি। তোমার ডায়রীর সাথে। তুমি
বলেছিলে হুট করে একদিন এসে ডায়রী
চেয়ে বসবে। তাই ডায়রীটা সব সময় আমার
সাথে রাখি। আর তোমার দেয়া চকলেট গুলো
জেসির খুব পছন্দ হয়েছে। ওহ তোমাকে
তো বলাই হয়নি, আমার অনেক বড় একটা চাকরি
হয়েছে। আজ আমার সব আছে শুধু তুমি ছাড়া।
বাবা
এখন টেনশন মুক্ত থাকে। বোনের
দোকানেও অনেক ভাল বেচাকেনা হয়। ছোট
ভাইটাও ভাল একটা কলেজে পড়ে। একটা কথা
কি
জানো রিয়া? তোমার আর আমার ব্যাপারটা
আমার
বাড়ির কেউ জানেনা। শুধু একজন জানে। সে হল
জেসি। তোমার দেয়া চকলেট গুলো যখন
ওকে দিয়েছিলাম তখন আমাকে খুশি হয়ে
বলেছিল, আংকেল কে দিয়েছে চকলেট? আমি
এই অবুঝ শিশুর সাথে মিথ্যা বলতে পারিনি।
আমি
বলেছিলাম তোমার মামি দিয়েছে। সে কি
বলেছিল জানো? বলেছিল মামি অনেক ভাল।
আমি
সেদিন অনেক কষ্টে কান্না লুকিয়ে
রেখেছিলাম। আজ জেসি অনেক বড় হয়েছে।
ক্লাস থ্রি তে পড়ে। অনেক মেধাবী। জানো
রিয়া আমি এখনো প্রতি ছুটির দিনে ঐ বেঞ্চে
বসে থাকি। যেখানে তোমাকে আমি বাদাম
ছিলে
দিতাম। এখনো তোমার জন্য বাদাম নিয়ে বসে
থাকি। ভাবি এই বুঝি তুমি এলে। কিন্তু তুমি
আসোনা।
পরে গোধূলির সন্ধ্যাতে ভারাক্লান্ত মনে
ফিরে
আসি। সব কিছুই আগের মতই আছে, শুধু তুমি
ছাড়া।
ডায়রীটা পড়ে রাশেদ চোখের জল মুছলো।
রাশেদের গাড়ি দ্রুত এগিয়ে চলছে। হঠাৎ
রাশেদ
রিয়াকে দেখতে পেল। রিয়া রাস্তা দিয়ে
হেটে
চলছে। রাশেদ গাড়ি থামালো। তারপর রিয়ার
সামনে
গেল। দুজন একে অপরকে দেখে দুজনের
চোখই অস্রুসিক্ত হয়ে গেল। রাশেদ বললো
কেমন আছো রিয়া? বলবো আগে আমার বাদাম
দাও। রাশেদ একটু হেসে পাশের দোকান
থেকে বাদাম কিনে দিল। এবার বল কেমন আছ?
রিয়া :কেটে যাচ্ছে। তুমি কেমনে আছ?
রাশেদ :আছি আরকি। তো তোমার বরকে
দেখছিনা যে?
রিয়া :আমি বিয়ে করেনি।
রাশেদ :কেন?
রিয়া : কারন ছেলেটা চোরাকারবারী আর
অনেক
খারাপ কাজে যুক্ত ছিল। বিয়ের আসরেই পুলিশ
তাকে ধরে নিয়ে যায়। এটা দেখে বাবা
হার্টএ্যাটাক
করে সেদিনই মারা যায়।
রাশেদ :সরি! তারপর কি হলো?
রিয়া :বাবা ব্যাংকে অনেক টাকা ঋন ছিল।
বাবার সব
সম্পত্তি বিক্রি করে ঋন পরিশোধ করি।
তারপর গ্রামে মামার বাড়িতে ওঠি। ওখানকার
এক
প্রাইমারি স্কুলে চাকরি নেই। স্কুলের কাজেই
আজ
শহরে আসা হয়েছে।
রাশেদ : এত বড় ঝড় তোমার জীবনে বয়ে
গেল আর তুমি আমাকে জানালেনা?
রিয়া : জানাতে চেয়েছিলাম কিন্তু দেখলাম
তুমিই
অনেক কষ্টে আছ,তাই জানাইনি।
রাশেদ : পরে কি আর বিয়ে করনি?
রিয়া : না
রাশেদ : কেন?
রিয়া : কারন তুমি চলে গেলে তারপর বিয়েটাও
ভেঙে গেলো। ভাবলাম আমার কপালে বিয়ে
নেই, তাই বিয়ে করিনি। দেখো আমি একা একা
বক
বক করছি। তোমার বউ কেমন আছে?
তোমাকে খুব ভালবাসে তাইনা?
রাশেদ : জানিনা।
রিয়া : মানে?
রাশেদ : মানে বিয়ে করলে তো জানবো
কেমন আছে আর কেমন ভালবাসে? আর তাছাড়া
আমি বিয়ে করলে তোমাকে ভালবাসবে কে?
রিয়ার চোখ অস্রুসিক্ত হয়ে গেল।
রাশেদ :এই কাঁদছো কেন পাগলি?
রিয়া :তুমি আমাকে এত ভালবাসো?
রাশেদ : অনেক ভালবাসি। রাশেদ রিয়ার হাত
ধরে
বললো বিয়ে করবে আমাকে? রিয়া রাশেদের
দিকে অবাক চোখে তাকালো। হ্যা রিয়া
সেদিন
তুমি আমার হাত ধরে কেঁদেছিলে, আমাকে
নিয়ে
পালাতে চেয়েছিলে। কিন্তু সেদিন আমি
পারিনি।
কারন সেদিন আমার কিছু ছিলনা। কিন্তু আজ
আমার গাড়ি
বাড়ি টাকা পয়সা সব আছে। শুধু তুমি নেই। তাই
আজ
আমার তোমাকে নিয়ে স্বপ্নের রাজ্যে
পালাতে ভয় নেই। তুমি আমাকে ফিরিয়ে
দিওনা রিয়া।
রিয়া কথা টি শুনে কাঁদতে লাগলো।
রাশেদ : কাঁদছো কেন? কষ্ট পেলে আমার
কথায়?
রিয়া : ধ্যাত, এই কান্না সুখের কান্না, এই
কান্না
তোমাকে আপন করে পাবার কান্না। রিয়া
কান্না
থামিয়ে দেখলো তার দেয়া ঘড় আর পাওয়ার
ব্যাংক
রাশেদের সাথেই আছে। তারপর বললো সব
আছে কিন্তু আমার দেয়া ডায়রীটা কই? তুমিকি
আমার
সাথে নিয়মিত কথা বলতা? রাশেদ গাড়ি থেকে
ডায়রীটা এনে দিল। ডায়রীর সব লেখা পড়ে
আবার কাঁদতে লাগলো। কাঁদতে কাঁদতে
রাশেদের বুকে মাথা রাখলো আর বললো তুমি
আমাকে এত ভালো বাসো! রাশেদের বুক
রিয়ার
চোখের জলে ভিজে গেল। রাশেদ রিয়ার
দেয়া টিস্যু দিয়ে চোখের জল মুছে দিল।
বললো এখন আর কান্না নয়। এখন থেকে আর
কষ্ট পেতে হবেনা। গাড়িতে ওঠো, এখনই
তোমাকে আমার বাড়ি নিয়ে যাবো। আর
ভালবাসার
বন্ধন বিয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ করবো।
~
সমাপ্ত

25/08/2017

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে
বেশিরভাগই
আসে গ্রাম আর মফস্বল থেকে।তাদের ভাষায়
আঞ্চলিকতা থাকে,ছেলেরা কুঁচকানো শার্ট
পরে,সাধারণ একটা ব্যাগ থাকে।মেয়েরা কম
দামী
জুতো পরে, উঁচু পেন্সিল হিল পরতে জানে না।
কড়া রোদে ওরা টিউশনি করাতে যায় রোদের
তাপে ওদের শরীরে কোন ফুসকুড়ি দেখা
দেয় না,নোংরা গণরুমে অনায়াসে থাকতে
পারে,সারাদিন বৃষ্টিতে ভিজে ফুটবল
খেললেও
দিব্যি সুস্থ থাকে,ওরা যেমন কড়া মসলা
দেওয়া গ্রিল
চিকেন খেয়ে হজম করতে পারে তেমনি
শুকনো মরিচ দিয়ে পান্তা ভাত আয়েশ করে
খেতে পারে।

শোন ননীর পুতুল, ওদের ক্ষ্যাত বলে গালি
দিয়ো না। যাদের মুখের আঞ্চলিকতা শুনে
তুমি
হাসতে হাসতে মরে যাও, তোমার মত বাংলা
ইংরেজি
মিশিয়ে কথা বলতে না জানলেও তারা ঠিকই
শুদ্ধ
উচ্চারণে ইংরেজিতে প্রেজেনটেশান দিয়ে
আসে।তুমি ওদের অানস্মার্ট বলে গালি দিতে
পার
কিন্তু আসল অানস্মার্ট তো তুমি যার পনের
মিনিট কড়া
রোদে থাকলে শরীরে ফুসকুড়ি উঠে,একবেলা
বাসি খাবার খেলেই ডায়রিয়ার রোগী হয়ে
হাসপাতালে থাকতে হয়,আধঘণ্টা বৃষ্টিতে
ভিজলেই
নিউমোনিয়ায় ভুগতে হয়।

ভদ্রলোক তুমি সাঁতার জানো না,কোমর পর্যন্ত
পানিতে নেমে বাঁচাও বাঁচাও বলো, গলা
পর্যন্ত
পানিতে নেমে লাশ হয়ে ফিরে আসো অথচ
জানো না ওরা একেকটা পানকৌড়ি, পাল্লা
দিয়ে ওরা
নদীতে সাঁতার কেটেছে, চোখ লাল করে
ঘরে ফিরেছে,মায়ের হাতের পিটুনি খেয়ে
পিঠ
শক্ত হয়েছে। সেই শক্ত পিঠে বাবার ধানের
বস্তা
টেনেছে।

গ্রাম থেকে আসা ছেলেদের কাছে
জিজ্ঞেস
কর ওরা বলে দেবে সংগ্রাম কাকে বলে।যে
হাতে ওরা নিপুণ ছবি আঁকে আর তুমি মুগ্ধ হয়ে
দেখ সেই হাতে ওরা গরু নিয়ে মাঠে
গিয়েছে,খড় কেটেছে,বাবার সাথে জমিতে
গিয়ে কাস্তে দিয়ে ধান কেটেছে।ধানের
ঢাকি
তুলতে তুলতে মেয়েগুলোর কোমরে জখম
হয়েছে সেই জখমে ওরা সস্তা মলম লাগিয়ে
আবার পড়তে বসেছে,নিয়ম করে ভাত
রেঁধেছে, ছাগল নিয়ে মাঠে গিয়েছে,হাঁসকে
খাওয়াতে ঝিনুক ভেঙেছে।

ননীর পুতুল তুমি ঢাকার নামী দামী কলেজে
পড়েছ, এসির হাওয়া খেতে খেতে ক্লাস
করেছো। তুমি যাদের গেঁয়ো বলে নাক
সিটকাও
সেই গেঁয়োরা ঘামে ভিজে চপচপে হয়ে
কলেজে ক্লাস করেছে,শীতের দিনে ভাঙা
জানালা দিয়ে আসা শীতল বাতাসে ঠকঠক
করে
কাঁপতে কাঁপতে পরীক্ষা দিয়েছে।তুমি ওদের
সংগ্রামের মূল্য দিতে জানো না কেবল
জানো
বাবার টাকা উড়িয়ে একদল বন্ধুদের নিয়ে
নামী
দামী রেস্টুরেন্টে গিয়ে চিকেন ফ্রাই
চিবুতে।
বাবার এসি করা গাড়িতে ক্যাম্পাসে আসো
সমস্যা
নেই তুমি শুধু গাড়ির গ্লাস নামিয়ে ওদের
দিকে
তাকিয়ে অবজ্ঞার হাসি হেসো না,ওদের
নিয়ে সস্তা
মশকরা করো না,তোমার মুখে মশকরা একদম
মানায়
না।তুমি বাবার টাকায় বাহাদুরি দেখিয়ে
আনন্দ পেতে
পারো কিন্তু টিউশনির অল্প টাকায় ওরা যখন
কৃষক বাবার
জন্য এক জোড়া জুতা,মায়ের জন্য শাড়ি,
বোনের
জন্য চুড়ি কিনে নিয়ে যায় তোমার আনন্দের
চেয়ে ওদের আনন্দ বহুগুণ বেশি।

ননীর পুতুল তোমার যাবতীয় কাজ তোমার মা
বাবা
করে দিয়েছেন,মা ভাত মাখিয়ে খাইয়ে
দিয়েছেন
আর বাবা দুধের
গ্লাস ধরে দাঁড়িয়ে থেকেছেন।তোমার মা
বাবা
কেবল তোমাকে পড়ার তাগিদ দিয়েছেন আর
ওরা
কাজের ফাঁকে ফাঁকে পড়ে আজ
পাবলিকিয়ান।এই
পাবলিকিয়ানরা একদিন ইস্ত্রী করা মসৃণ শার্ট
পরে
হয়ততোমার অফিসের বস হয়ে বসে থাকবে।

শোন ননীর পুতুল,এই গেঁয়োরা হোঁচট
খেয়ে পড়ে গেলে কোনদিন হাউমাউ করে
কাঁদেনি সেই জখমে থুথু আর কচুর রস লাগিয়ে
আবার হরিণের মত ভো দৌড় দিয়েছে,
জীবনযুদ্ধে
সেই হরিণদের পরাজিত সৈনিকের তকমা দিতে
পারে
সেই সাধ্য আছে কার?

27/07/2017

“I'm selfish, impatient and a little insecure. I make
mistakes, I am out of control and at times hard to
handle. But if you can't handle me at my worst, then
you sure as hell don't deserve me at my best.”
― Marilyn Monroe
“Two things are infinite: the universe and human
stupidity; and I'm not sure about the universe.”
― Albert Einstein
“I write differently from what I speak, I speak
differently from what I think, I think differently from
the way I ought to think, and so it all proceeds into
deepest darkness.”
― Franz Kafka
“Have the courage to follow your heart and intuition.
They somehow already know what you truly want to
become. Everything else is secondary.”
― Steve Jobs

05/07/2017

দিন দিন সব কিছুই সহজ হচ্ছে।
শুধু জীবনটা ছাড়া।
টেকনোলোজির এই যুগে এসে সব কিছু
হাতের মুঠোয়,
শুধু বিশ্বাস আর
ভালোবাসাটুকুরই কেন যেন খুব অভাব।
সোশ্যাল নেটওয়ার্কে কানেক্টেড থাকতে
থাকতে মনের কানেকশন কেন যেন খুব
দুষ্প্রাপ্য।
আগের দিন গুলোই ভালো ছিল..

30/06/2017

ur Love Story👌❤

30/06/2017

অতীত যত তাড়াতাড়ি ভুলতে পারবেন জীবনে তত তাড়াতাড়ি উন্নতি করতে পারবেন...

16/04/2017

চোখের ভাষা বুজতে পারার অারেক নাম
"ভালোবাসা "

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Mirpur
Dhaka
5352