28/05/2025
আসসালামু আলাইকুম।
দেখতে দেখতে আবারো আমাদের মাঝে চলে আসলো পবিত্র ঈদ-উল-আজহা বা কুরবানির ঈদ! আপনি হয়ত খেয়াল করেছেন এই ঢাকা শহরের সাধারণ মানুষের মাঝে হৃদ্যতা দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি ফ্ল্যাটে থেকেও পাশের লোক এই আনন্দের দিনে ভালো কিছু খাচ্ছে কিনা জানিই না। একজন আরেকজনের খবর জানেনা বা রাখেনা। এই শহরে অনেক মানুষই আছেন যারা বিভিন্ন কারণে হয়ত কুরবানি দিতে পারেন না, আবার লজ্জায় কারো কাছে চাইতেও পারেন না।
আপনি জেনে খুশী হবেন যে, আমরা বিগত বেশ কয়েক বছর কুরবানির ঈদে একটি সামাজিক কাজ করে আসছি। কাজটি হলো, টাকা কালেকশন করে একটি ছোট/বড় গরু ক্রয় করে গরুর গোস্ত ১/১.৫ কেজির প্যাকেট করে ঈদের দিন কিছু পরিবারে পৌছে দেই - ঐ সকল পরিবারে যারা নিজেরা কুরবানি দিতে পারেন না আবার কারো কাছে চাইতেও পারে না। অসহায় এই সকল পরিবারের মুখে একটু হাসি ফোটাতে আপনিও সহযোগিতার হাত বাড়াতে পারেন। আমরা চাচ্ছি আমাদের এই মহতি উদ্যোগে আপনিও সংযুক্ত থাকুন আপনার সাধ্যমতো সামান্য কিছু অর্থ সহায়তার মাধ্যমে।
হতে পারে ১,০০০/২,০০০ বা কমবেশী ।
আপনার এই সহায়তা হোক মহান রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি আর অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে!
সহায়তা পাঠাতেঃ
💛ব্যাংক একাউন্ট:
A/C name:
PORIBESH UNNAYAN O JANAKALLYAN SOMITY
A/C. NO. 193.110.15997
DUTCH BANGLA BANK LTD.
PROGOTI SHORONI BRANCH.
Bkash, Nagad:
01515298776
03/09/2024
অতি সম্প্রতি মধ্য আগষ্ট থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভারত থেকে ধেয়ে আসা উজানের পানিতে সরণকালের ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। এর ফলে অত্র অঞ্চলের জেলা সমূহ বিশেষ করে ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষীপুর জেলা ব্যাপক বন্যার কবলে পড়ে। বিশেষ করে ফেনী জেলার সবগুলো উপজেলারই বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রায় আট থেকে দশ ফুট কোথাও কোথাও তার চেয়েও বেশি পানির নিচে তলিয়ে যায়। কোনো ধরনের পূর্বাভাস ছাড়া আচমকা ধেয়ে আসা পানির তোরে ভাসিয়ে নিয়ে যায় অত্র অঞ্চলের বিস্তীর্ণ ক্ষেতের ফসল, কাচা ঘরবাড়ি, গবাদিপশু, ঘরের আসবাবপত্র, কাপড় চোপড় তৈজসপত্রাদি, পুকুর ও ঘেরে চাষের মাছ, সঞ্চিত খাদ্য সামগ্রী, পোলট্রি ফার্ম। বিশুদ্ধ খাবার পানির উৎস টিউবওয়েল গুলো ব্যবহার অনুপজোগী হয়ে পরে। যেহেতু পরশুরাম উপজেলার সীমান্ত দিয়েই প্রথম বন্যার পানি প্রবেশ করে ফলে পরশুরাম, ফুলগাজী উপজেলার ক্ষয়ক্ষতির পরিমান সবচেয়ে বেশি। ফসলি জমি গুলোতে কোথাও কোথাও তিন থেকে চার ফুট পর্জন্ত বালির স্তর পরে চাষের অনুপজোগী হয়ে গেছে। পানির তোরে ভেঙে গেছে প্রায় অধিকাংশ এলাকার পিচঢালা রাস্তাঘাট, যা এখন ব্যবহার অনুপজোগী। পুকুর জলাশয় ও মাছের ঘেড় গুলো বালিতে ভরাট হয়ে গেছে। ভেঙে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার বাধ। গবাদিপশুর চারণভূমি গুলো নষ্ট হয়ে গেছে।
গত ৩০ আগষ্ট ২০২৪ ইং শুক্রবার ফেনী জেলার পরশুরাম এবং ফুলগাজী উপজেলায় ত্রান সামগ্রী বিতরণ করতে এসে এমন দৃশ্যগুলোই চোখে পড়লো।
বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নিবন্ধিত সংস্থা "পরিবেশ উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সমিতি (পিইউজেএস) এর উদ্যোগে ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার ১নং মির্জানগর ইউনিয়নের পশ্চিম সাহেবনগর গ্রামের দুস্থ ও অসহায় পরিবারে তিনশত পেকেট রান্না করা খাবার এবং প্রায় পাচশত সেট নবজন্ম থেকে চৌদ্দ বছর বয়সের বাচ্চাদের জন্যে নতুন কাপড় বিতরণ করা হয়।
এছাড়াও উক্ত দ্রব্যাদির কিছু অংশ একই উপজেলার ৩নং চিথলিয়া ইউনিয়নের মালিপাথর গ্রামে খাবার এবং ফুলগাজী উপজেলার ফুলগাজী ইউনিয়নের ঘোষাইপুর গ্রামে বাচ্চাদের কাপড় বিতরণ করা হয়।
উক্ত কাজে সার্বিক সহজোগিতা করেন অত্র এলাকার অধিবাসী ব্যাংকার জনাব মো: আরিফ হোসাইন মজুমদার এবং ব্যাংকার জনাব নুরুল আফছার।
04/04/2024
আলহামদুলিল্লাহ।
মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া!
প্রতিবছরের ন্যয় এবারও পবিত্র মাহে রামাদান এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অদ্য ৪ এপ্রিল, ২০২৪ইং, ২৪ রামাদান রোজ বৃহস্পতিবার বাড্ডাস্থ স্কুল প্রাঙ্গনে দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের পরিবারের হাতে আপনাদের সহায়তায় খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিতে পেরেছি।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাদের, যারা এই মহৎ কাজে নিজেদের দানকে সংযুক্ত করেছেন।
28/07/2022
“ছাগল পালনে স্বনির্ভরতা আনে”
ছাগল অত্যন্ত লাভজনক একটি প্রাণী। পরিবারের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনায়নে ছাগল পালন অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি পালনে খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন হয়না। ফলে স্বল্প জায়গায় অনেক গুলো ছাগল পালন করা সম্ভব। তাছাড়া ছাগলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ভালো। বিশেষ করে দেশি ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল। বাজারে এর মাংসের চাহিদা এবং মুল্য দুটোই অনেক বেশি।
ছাগল বছরে দুইবার বাচ্চা দিয়ে থাকে এবং দেশি জাতের ছাগল বিশেষ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল অধিক সংখ্যক বাচ্চা প্রসব করে থাকে। বলা চলে একটি ছাগল বছরে গড়ে ৫টি বাচ্চা প্রদান করে। এর খাদ্য খরচও তুলনামূলক অনেক কম। একটি ছাগল গড়ে ১৫ থেকে ২০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। তাই বলা যায়, ছাগল যেমন পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা আনায়ন করে তেমনি দেশের অর্থনীতিতেও রাখতে পারে বিরাট অবদান।
এসব কথা বিবেচনা করে “পরিবেশ উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সমিতি” দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে দুঃস্থ, অসহায় পরিবার গুলোর মাঝে বিনা মূল্যে ছাগল বিতরণের মাধ্যমে তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধনের এক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। যার প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে, “ছাগল পালনে স্বনির্ভরতা আনে”।
গত ২৬ ডিসেম্বর,২০২১ইং কক্সবাজার সদর উপজেলায় অসহায় পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরনের এক কর্মসূচীর শুভ সূচনা করা হয়। পরিবেশ উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সমিতি’র সম্মানিত সভাপতি জনাব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এবং সম্মানিত সেক্রেটারি জনাব মেহেদী হাসান এই কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য কর্মসূচীটি সম্পূর্ন জাকাত ফান্ড দ্বারা পরিচালিত।