1. DF = Date of Filling
2. ND= Next Date
3. S/R= Service Return
4. A/D = Acknowledgement Due
5. W/S = Written Statement
6. P/H= Peremptory Hearing
7. F/H Further Hearing
8. T.S = Title Suit
9. S.D = Settling Date
10. GP = Government Pleaders
11. LW = Levy Warrant
12. ADR = Alternative Dispute Regulation
13. W/O = Written Objection
14. IO = Investigation Officer
15. ADM = Additional District Magistrate
16. CMM = Chief Metropolitan Magistrate
17. CJM = Chief Judicial Magistrate
18. STC = Special Tribunal Court
19. PP = Public Prosecutor
20. GRO = General Registration Officer
21. CR = Complaint Registration
22. GR = General Registration
23. CRO = Civil Rules and Order
24. CD = Case Diary
25. CS =Charge Sheet
26. PW = Precaution witness
27. MO = Medical Officer
28. P/W = Paper Writing
29. WW= Witness Warrant
30. NBW = Non Bailable Warrant
31. NBWW = Non Bailable Witness Warrant
32. D.O = Date of Occurrence
33. T.O = Time of Occurrence
34. CPC = The Code of Civil Procedure
35. CRPC = The Code of Criminal Procedure
36. PC = Penal Code
37. PMO = Post Mortem Report
38. UD Case = Unnatural Deth Case
39. CW = Custory Warrant
40. W/A = Warrant of Arrest
41. LCR = Lower Court Record
42. FRT = Final Report True
43. MO = Medical Officer
44. CSI = Court Sub Inspector
45. P&A = Proclamation and Attachment
46. ND = Next Date
47. TP = Time Petition
বিঃ দ্রঃ আরো যদি কিছু এড করতে চাইলে কমেন্ট এ জানান সেগুলা আপডেট করে দেয়া হবে।
Bangladesh Law Library
Bangladeshi Law at your Fingertip
https://twitter.com/bdlawlibrary
11/03/2018
Masters in Professional Social Work at Jahangirnagar University
1. Criminology and Correction Services (CLCS)
2. Human Rights and Social Justice (HRSJ)
3. Industrial Relations and Labour Welfare (IRLW)
Deadline: 23-04-2018
..:: দলিল লেখার সময় ক্রেতাকে যে সকল বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে ::..
১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা) আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্কে সম্পন্ন কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে৷
২। পুরাতন দলিল এবং নতুন দলিলের বিভিন্না জায়গা যেমন (ক) শিরোনাম (খ) সাফ কবলা (গ) বায়না পত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷
৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমিটির পরিমাণ বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা)
৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য (১) দলিল গ্রহীতা (২) দলিল দাতা অথবা (ক) প্রথম পক্ষ (খ) দ্বিতীয় পক্ষ
৫। উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি
৬। স্বত্ত্বের বর্ণনা: জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ পর্চা/খতিয়ান ইত্যাদি৷
৭। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগ সূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷
৮। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, দাগ নং খতিয়ান নম্বর জমিটি কোন শ্রেণীর যেমন ভিটা, নাকি দলা, নাকি ডাঙ্গা নাকি জলাভূমিতে তা দেখতে হবে৷
৯। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কিনা অর্থাত্ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷
১০। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কিনা তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷
১১। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন; এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন
১২। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷
১৩। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং আদ্যকার বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্য হতে কত একর বা শতাংশ জমি দেয়া হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷
১৪। জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে তা হলো বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর, যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷
পারিবারিক আদালতের মামলাসমূহঃ: (Suits in the Family Court)
১। বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মোকদ্দমা (Divorce)
২। দাম্পত্য সম্পর্ক পূনরুদ্ধারের মোকদ্দমা (Restitution of Conjugal Rights)
৩। দেন মোহর আদায়ের মোকদ্দমা (Reovery of Dower)
৪। ভরন পোষণের মোকদ্দমা (Suits for Maintenance)
৫। অভিভাবকত্ত্ব ও সন্তান নিজ দায়িত্বেে রাখার মোকদ্দমা (Suits for Guardianship and Custody)
09/03/2018
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
আইন বিভাগ
এলএল.এম. (সান্ধ্যকালীন) কোর্সে (১৬তম ব্যাচ)
..:: জামিনযোগ্য ধারা ::..
জামিনযোগ্য ধারায় কোন আসামীকে আবেদনের প্রেক্ষিতে কোট জামিন দিতে বাধ্য থাকেন।প্রত্যেক আইনজীবীর জন্য যা জানা প্রয়োজন।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর দ্বিতীয় তফসিল অনুযায়ী দন্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধসমূহের মধ্যে যেসব অপরাধ জামিনযোগ্য তা নিম্নে উল্লেখিত হলঃ-
১ ) মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের চক্রান্ত গোপন করা, যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়-ধারা:১১৮(২য়ভাগ)
২ ) অপরাধ সংঘটন নিরোধ করিবার কর্তব্যে আবদ্ধ সরকারি কর্মচারী কর্তৃক চক্রান্ত গোপন করা, যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়-ধারা:১১৯(৩য়ভাগ)
৩ ) কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের চক্রান্ত গোপন করা, যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়-ধারা:১২০(২য় ভাগ)
৪ ) মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় বা দুই বছরের অধিক কারাদন্ডে দন্ডনীয় ব্যতীত অন্যান্য অপরাধে ষড়যন্ত্রের শাস্তি-ধারা:১২০বি (২য় ভাগ)
৫ ) সরকারি কর্মচারীর অবহেলার ফলে রাষ্ট্রীয় বন্দী বা যুদ্ধবন্দীর পলায়ন-ধারা:১২৯
৬ ) সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিকের বাহিনী ত্যাগে প্ররোচনা-ধারা:১৩৫
৭ ) বাহিনী ত্যাগকারীকে আশ্রয়দান বা রক্ষা করা-ধারা:১৩৬
৮ ) সওদাগরী জাহাজের অধ্যক্ষের ফলে সওদাগরী জাহাজের বাহিনীর আত্মগোপন-ধারা:১৩৭
৯ ) সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিকের অবাধ্যতামূলক কাজে প্ররোচনা-ধারা:১৩৮
১০ ) সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিকের পোশাক পরিধান কিংবা প্রতীক বহন-ধারা:১৪০
১১ ) বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়া-ধারা:১৪৩
১২ ) মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়া-ধারা:১৪৪
১৩ ) বেআইনি সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হবার আদেশ দেয়া সত্ত্বেও শরিক হওয়া-ধারা:১৪৫
১৪ ) দাঙ্গা -ধারা:১৪৭
১৫ ) মারাত্মক অস্ত্রসহ দাঙ্গা-ধারা:১৪৮
১৬ ) পাচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হবার আদেশ দেয়া সত্ত্বেও তাতে শরিক হওয়া-ধারা:১৫১
১৭ ) দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমন বা বাধাদান-ধারা:১৫২
১৮ ) দাঙ্গা বাধানোর উদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক উস্কানি দান করা-ধারা:১৫৩
১৯ ) বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি -ধারা:১৫৩ক
২০ ) ছাত্র, প্রভৃতিকে রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণের প্ররোচনা দান-ধারা:১৫৩খ
২১ ) যে জমির উপর বেআইনি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় উহার মালিক বা দখলদার কর্তৃক দাঙ্গার তথ্য না প্রদান না করা -ধারা:১৫৪
২২ ) যে ব্যক্তির স্বার্থে দাঙ্গা সংঘটিত হয় তার দায়দায়িত্ব-ধারা:১৫৫
২৩ ) যে মালিক বা দখলকারের স্বার্থে দাঙ্গা সংঘটিত হয় তার প্রতিনিধির দায়িত্ব-ধারা:১৫৬
২৪ ) বেআইনী সমাবেশের জন্য ভাড়া করা ব্যক্তিদের আশ্রয়দান-ধারা:১৫৭
২৫ ) বেআইনী সমাবেশের বা দাঙ্গা-ধারা:হাঙ্গামার জন্য ভাড়াটিয়া হয়ে অংশগ্রহণ-ধারা:১৫৮
২৬ ) প্রকাশ্যে কলহ বা মারামারি করা-ধারা:১৬০
২৭ ) সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সরকারি কার্য সম্পর্কে অবৈধভাবে পারিতোষিক গ্রহণ করা-ধারা:১৬১
২৮ ) বেআইনী উপায়ে সরকারি কর্মচারীকে প্রভাবিত করার জন্য পারিতোষিক গ্রহণ করা-ধারা:১৬২
২৯ ) সরকারি কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তারের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ-ধারা:১৬৩
৩০ ) ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের সহায়তার শাস্তি-ধারা:১৬৪
৩১ ) সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তার কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিকট হতে দামি বস্তু লাভ-ধারা:১৬৫
৩২ ) ১৬১ ও ১৬৫ ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের সহায়তার শাস্তি-ধারা:১৬৫ক
৩৩ ) সরকারি কর্মচারি কর্তৃক কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আইন অমান্য করা-ধারা:১৬৬
৩৪ ) সরকারি কর্মচারি কর্তৃক কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ভ্রান্ত দলিল প্রণয়ন করা-ধারা:১৬৭
৩৫ ) সরকারি কর্মচারি কর্তৃক বেআইনীভাবে ব্যবসায় লিপ্ত হওয়া-ধারা:১৬৮
৩৬ ) সরকারি কর্মচারি কর্তৃক বেআইনীভাবে সম্পত্তি ক্রয় বা ক্রয়ের উদ্দেশ্যে দরকষাকষি-ধারা:১৬৯
৩৭ ) সরকারি কর্মচারি বলিয়া মিথ্যা পরিচয় দান-ধারা:১৭০
৩৮ ) প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে সরকারী কর্মচারীর পোশাক পরিধান কিংবা ব্যবহার্য প্রতীক ধারণ-ধারা:১৭১
৩৯ ) ঘুষ গ্রহণ -ধারা:১৭১ঙ
৪০ ) নির্বাচনে অন্যায় প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দান-ধারা:১৭১ চ
৪১ ) নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান-ধারা:১৭১ছ
৪২ ) নির্বাচন সম্পর্কে বেআইনী অর্থপ্রদান-ধারা:১৭১জ
৪৩ ) নির্বাচনী হিসাব রাখতে অন্যথাকরণ-ধারা:১৭১ঝ
৪৪ ) সমনজারি বা অন্য কোন কার্যক্রম এড়ানোর উদ্দেশ্যে ফেরার হওয়া-ধারা:১৭২
৪৫ ) সমনজারি বা অন্য কোন কার্যক্রম বন্ধ করা কিংবা উহার প্রকাশনা বন্ধকরা-ধারা:১৭৩
৪৬ ) সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে হাজির না হওয়া-ধারা:১৭৪
৪৭ ) সরকারি কর্মচারী সমীপে দলিল পেশ করতে আইনতঃ বাধ্য হইয়া সত্ত্বেও না করা-ধারা:১৭৫
৪৮ ) সরকারি কর্মচারীর নিকট নোটিশ বা সংবাদ দিতে আইনতঃ বাধ্য ব্যক্তি কর্তৃক তাহা না করা-ধারা:১৭৬
৪৯ ) মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন-ধারা:১৭৭
৫০ ) সরকারি কর্মচারী কর্তৃক নির্দেশিত হওয়া সত্ত্বেও শপথ করতে অস্বীকার করা-ধারা:১৭৮
৫১ ) যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীর প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করা-ধারা:১৭৯
৫২ ) সরকারি কর্মচারীর নিকট প্রদত্ত বিবৃতি স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করা-ধারা:১৮০
৫৩ ) শপথ গ্রহণান্তে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান-ধারা:১৮১
৫৪ ) সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা সংবাদ দান-ধারা:১৮২
৫৫ ) সরকারি কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতাবলে সম্পত্তি দখলে বাধা দান-ধারা:১৮৩
৫৬ ) সরকারি কর্মচারীর ক্ষমতাবলে সম্পত্তি বিক্রয়ে বাধা দান-ধারা:১৮৪
৫৭ ) সরকারি কর্মচারীর ক্ষমতাবলে সম্পত্তি বেআইনিভাবে ক্রয় বা ক্রয়ের জন্য দর করা-ধারা:১৮৫
৫৮ ) সরকারি কর্মচারীর সরকারি কার্য সম্পাদনে বাধা দান-ধারা:১৮৬
৫৯ ) সরকারি কর্মচারীদের সাহায্য না করা-ধারা:১৮৭
৬০ ) সরকারি কর্মচারী কর্তৃক জারীকৃত আদেশ অমান্য করা-ধারা:১৮৮
৬১ ) সরকারি কর্মচারীর প্রতি ক্ষতিসাধনের হুমকি-ধারা:১৮৯
৬২ ) সরকারি কর্মচারীর নিকট আশ্রয়ের আবেদন হতে বিরত রাখতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে হুমকি প্রদর্শন-ধারা:১৯০
৬৩ ) মিথ্যা সাক্ষ্যদান-ধারা:১৯৩
৬৪ ) মিথ্যা সার্টিফিকেট দেওয়া বা ব্যবহার -ধারা:১৯৭
৬৫। -ধারা:মিথ্যা সার্টিফিকেট সত্য বলে ব্যবহার করা-ধারা:১৯৮
৬৬ ) আইনগত ঘোষণায় মিথ্যা বিবৃতি দান-ধারা:১৯৯
৬৭ ) আইনগত ঘোষণায় মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও সত্য হিসাবে ব্যবহার করা-ধারা:২০০
৬৮ ) অপরাধের সাক্ষ্য প্রমানের বিলোপ কিংবা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান-ধারা:২০১
৬৯ ) ইছাকৃতভাবে সংবাদ না দেওয়া-ধারা:২০২
৭০ ) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে মিথ্যা সংবাদ দেওয়া-ধারা:২০৩
৭১ ) অসৎ উদ্দেশ্যে দলিলের বিনাশ সাধন-ধারা:২০৪
৭২ ) মামলার উদ্দেশ্যে মিথ্যা পরিচয় দেয়া -ধারা:২০৫
৭৩ ) সম্পত্তি আটক রোধ করার জন্য প্রতারণামূলকভাবে উহা অপসারন -ধারা:২০৬
৭৪। -ধারা:সম্পত্তি আটক রোধ করার জন্য প্রতারনামূলকভাবে স্বত্ব দাবী-ধারা:২০৭
৭৫ ) অর্থ পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে প্রতারনামূলকভাবে নিজের বিরুদ্ধে ডিক্রি করানো-ধারা:২০৮
৭৬ ) অসাধুভাবে আদালতে মিথ্যা দাবী উত্থাপন-ধারা:২০৯
৭৭ ) অর্থ পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে প্রতারনামূলকভাবে ডিক্রি লাভ-ধারা:২১০
৭৮ ) অপরাধ সংক্রান্ত মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন-ধারা:২১১
৭৯ ) অপরাধীকে আশ্রয় দান-ধারা:২১২
৮০ ) কোন ব্যাক্তিকে শাস্তি হতে বাঁচানোর জন্য উপহার গ্রহণ-ধারা:২১৩
৮১ ) অপরাধীকে বাচানোর বিনিময়ে পুরষ্কারের প্রস্তাব-ধারা:২১৪
৮২ ) অপহৃত সম্পত্তি উদ্ধারে সাহায্য করার জন্য উপহার গ্রহণ-ধারা:২১৫
৮৩ ) আসামীকে আশ্রয়দান-ধারা:২১৬
৮৪ ) দস্যু বা ডাকাতকে আশ্রয়দান-ধারা:২১৬ক
৮৫ ) কোন ব্যক্তিকে শাস্তি হতে বাঁচানোর বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আইনের নির্দেশ লংঘন-ধারা:২১৭
৮৬ ) কোন ব্যক্তিকে শাস্তি হতে বাঁচানোর বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সরকারি কর্মচারী কর্তৃক ভুল নথি লিপি প্রণয়ন-ধারা:২১৮
৮৭ ) বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে দুর্নীতিমূলকভাবে রিপোর্ট প্রণয়ন -ধারা:২১৯
৮৮ ) আইনবিরুদ্ধভাবে কাউকে বিচারে বা আটকে সোপর্দ করে বা আটক করে রাখা-ধারা:২২০
৮৯ ) গ্রেফতার করিতে বাধ্য হইয়া সত্ত্বেও সরকারি কর্মচারী কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রেফতার না করা-ধারা:২২১
৯০ ) সরকারি কর্মচারীর অবহেলার দরুন আটক হতে পলায়ন-ধারা:২২৩
৯১ ) কোন ব্যাক্তি কর্তৃক তার আইনানুগ গ্রেফতারে প্রতিরোধ সৃষ্টি বা বাধাদান-ধারা:২২৪
৯২ ) অপর ব্যক্তির আইনসংগত গ্রেফতারে প্রতিরোধ বা বিঘ্ন সৃষ্টি-ধারা:২২৫
৯৩ ) সরকারি কর্মচারী কর্তৃক গ্রেফতার না করা কিংবা পলায়ন করতে দেয়া-ধারা:২২৫ক
৯৪ ) আইনসম্মত গ্রেফতার কার্যে প্রতিরোধ বা বাধাদান -ধারা:২২৫বি
৯৫ ) দন্ড হ্রাসের শর্ত লংঘন -ধারা:২২৭
৯৬ ) বিচার বিভাগীয় কার্য পরিচালনাকারী সরকারি কর্মচারীর প্রতি অবমাননা-ধারা:২২৮
৯৭ ) জুরির মিথ্যা পরিচয় দান-ধারা:২২৯
৯৮ ) সরকারি স্ট্যাম্প জাল করা-ধারা:২৫৫
৯৯ ) সরকারি স্ট্যাম্প জাল করিবার যন্ত্রপাতি রাখা-ধারা:২৫৬
১০০ ) সরকারি স্ট্যাম্প জাল করিবার যন্ত্রপাতি প্রস্তুত বা বিক্রয় করা-ধারা:২৫৭
১০১ ) জাল সরকারি স্ট্যাম্প বিক্রয় করা-ধারা:২৫৮
১০২ ) জাল সরকারি স্ট্যাম্প রাখা-ধারা:২৫৯
১০৩ ) জাল সরকারি স্ট্যাম্প ব্যবহার করা-ধারা:২৬০
১০৪ ) সরকারি স্ট্যাম্প হতে লেখা মুছে ফেলা বা স্ট্যাম্প অপসারণ-ধারা:২৬১
১০৫ ) পূর্বের ব্যবহৃত স্ট্যাম্প ব্যবহার-ধারা:২৬২
১০৬ ) স্ট্যাম্প ব্যবহৃত হবার প্রমাণস্বরূপ চিহ্ন মুছে ফেলা -ধারা:২৬৩
১০৭ ) ভুয়া স্ট্যাম্প-ধারা:২৬৩ক
১০৮ ) ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহার -ধারা:২৬৪
১০৯ ) মিথ্যা ওজন ব্যবহার-ধারা:২৬৫
১১০ ) মিথ্যা ওজন রাখা-ধারা:২৬৬
১১১ ) মিথ্যা ওজন তৈরী বা বিক্রয়-ধারা:২৬৭
১১২ ) মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে এমন অবহেলামূলক কাজ-ধারা:২৬৯
১১৩ ) মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে এমন বিদ্বেষপ্রসূত কাজ-ধারা:২৭০
১১৪ ) কোয়ারেন্টাইন নিয়ম অমান্য করা-ধারা:২৭১
১১৫ ) খাদ্যে বা পানিতে ভেজাল মিশ্রণ-ধারা:২৭২
১১৬ ) অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়-ধারা:২৭৩
১১৭ ) ঔষধে ভেজাল মিশ্রণ-ধারা:২৭৪
১১৮ ) ভেজাল মিশ্রিত ঔষধ বিক্রয়-ধারা:২৭৫
১১৯ ) কোন ঔষধকে ভিন্ন ঔষধ বলে বিক্রয় করা-ধারা:২৭৬
১২০ ) জলাশয়ের পানি দূষিত করা-ধারা:২৭৭
১২১ ) বায়ূমন্ডলের ক্ষতি সাধন-ধারা:২৭৮
১২২ ) বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা আরোহন-ধারা:২৭৯
১২৩ ) বেপরোয়া নৌ চালনা-ধারা:২৮০
১২৪ ) মিথ্যা বাতি, চিহ্ন বা বয়া প্রদর্শন-ধারা:২৮১
১২৫ ) নৌযানে অতিরিক্ত ভারবিশিষ্ট লোক পার করা-ধারা:২৮২
১২৬ ) সড়কে বা জলপথে বিপদ বা বাধা-ধারা:২৮৩
১২৭ ) বিষাক্ত বস্তু নিয়ে অবহেলামূলক আচরণ -ধারা:২৮৪
১২৮ ) আগুন বা দাহ্য বস্তু নিয়ে অবহেলামূলক আচরণ-ধারা:২৮৫
১২৯ ) বিস্ফোরক বস্তু নিয়ে অবহেলামূলক আচরণ-ধারা:২৮৬
১৩০ ) যন্ত্রপাতি নিয়ে অবহেলামূলক আচরণ-ধারা:২৮৭
১৩১ ) দালান ভাংগার বা মেরামতের কাজে অবহেলামূলক আচরণ-ধারা:২৮৮
১৩২ ) পশু সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ-ধারা:২৮৯
১৩৩ ) জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদনকারী বস্তু বা কাজের শাস্তি -ধারা:২৯০
১৩৪ ) নিষাধাজ্ঞার পরে উৎপাত চালিয়ে যাওয়া-ধারা:২৯১
১৩৫ ) অশ্লীল পুস্তকাদি বিক্রয়-ধারা:২৯২
১৩৬ ) নাবালকের নিকট অশ্লীল পুস্তকাদি বিক্রয়-ধারা:২৯৩
১৩৭ ) অশ্লীল গান ও কাজ-ধারা:২৯৪
১৩৮ ) লটারী অফিস রাখা-ধারা:২৯৪ক
১৩৯ ) বাণিজ্য বিষয়ে পুরষ্কার প্রদানের প্রস্তাব-ধারা:২৯৪খ
১৪০ ) উপাসনার স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা-ধারা:২৯৫
১৪১ ) ধর্মীয় সমাবেশে গোলযোগ সৃষ্টি-ধারা:২৯৬
১৪২ ) সমাধিস্থান ইত্যাদিতে অনধিকার প্রবেশ-ধারা:২৯৭
১৪৩ ) ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে শব্দ উচ্চারন করা-ধারা:২৯৮
১৪৪ ) অবহেলার দ্বারা মৃত্যু সংঘটন-ধারা:৩০৪ক
১৪৫ ) বেপরোয়াভাবে যান চালানোর দ্বারা মৃত্যু ঘটানো -ধারা:৩০৪খ
১৪৬ ) অপরাধজনক নরহত্যা করার চেষ্টা-ধারা:৩০৮
১৪৭ ) আত্মহত্যার চেষ্টা-ধারা:৩০৯
১৪৮ ) গর্ভপাত ঘটানো-ধারা:৩১২
১৪৯ ) অভিভাবক কর্তৃক বার বছরের কম শিশুকে ফেলে যাওয়া -ধারা:৩১৭
১৫০ ) গোপনে মৃতদেহ অপসারন করে জন্ম গোপন করা-ধারা:৩১৮
১৫১ ) ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা-ধারা:৩২৩
১৫২ ) ইচ্ছাকৃতভাবে বিপজ্জনক অস্ত্র দ্বারা আঘাত করা-ধারা:৩২৪
১৫৩ ) ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করা-ধারা:৩২৫
১৫৪ ) স্বীকারোক্তি আদায় কিংবা বেআইনী কাজে বাধ্য করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা-ধারা:৩৩০
১৫৫ ) সরকারি কর্মচারীকে কর্তব্য হতে বিরত রাখার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা-ধারা:৩৩২
১৫৬ ) প্ররোচনার ফলে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা-ধারা:৩৩৪
১৫৭ ) প্ররোচনার ফলে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করা-ধারা:৩৩৫
১৫৮ ) অন্যান্য ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক কাজ-ধারা:৩৩৬
১৫৯ ) অন্যান্য ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক কাজের দ্বারা আঘাত-ধারা:৩৩৭
১৬০ ) অন্যান্য ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক কাজের দ্বারা গুরুতর আঘাত-ধারা:৩৩৮
১৬১ ) জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে গুরুতর আঘাত-ধারা:৩৩৮ক
১৬২ ) অন্যায়ভাবে বাধাপ্রদান-ধারা:৩৪১
১৬৩ ) অন্যায়ভাবে আটক-ধারা:৩৪২
১৬৪ ) তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অন্যায়ভাবে আটক-ধারা:৩৪৩
১৬৫ ) দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অন্যায়ভাবে আটক-ধারা:৩৪৪
১৬৬ ) মুক্তির জন্য রীট জারির পরেও কোন ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটক-ধারা:৩৪৫
১৬৭ ) গোপন স্থানে অন্যায়ভাবে আটক রাখা-ধারা:৩৪৬
১৬৮ ) সম্পত্তি আদায় কিংবা বেআইনি কাজের জন্য অন্যায়ভাবে আটক রাখা-ধারা:৩৪৭
১৬৯ ) স্বীকারোক্তি আদায় কিংবা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্য অন্যায়ভাবে আটক রাখা-ধারা:৩৪৮
১৭০ ) মারাত্মক প্ররোচনা ব্যতীত আক্রমন কিংবা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ-ধারা:৩৫২
১৭১ ) শ্লীলতাহানির জন্য নারীকে আক্রমন কিংবা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ-ধারা:৩৫৪
১৭২ ) কোন ব্যক্তিকে অপমান করার জন্য আক্রমন কিংবা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ-ধারা:৩৫৫
১৭৩ ) কোন ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটক করার জন্য আক্রমন কিংবা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ-ধারা:৩৫৭
১৭৪ ) মারাত্মক প্ররোচানার ফলে আক্রমন কিংবা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ-ধারা:৩৫৮
১৭৫ ) মনুষ্য অপহরণ -ধারা:৩৬৩
১৭৬ ) কোন ব্যক্তিকে দাস হিসেবে ক্রয় বা হস্তান্তর করা-ধারা:৩৭০
১৭৭ ) বেআইনি বাধ্যতাজনক শ্রম-ধারা:৩৭৪
১৭৮ ) কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার নিজের স্ত্রীকে ধর্ষণ -ধারা:৩৭৬
১৭৯ ) জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের শাস্তি-ধারা:৩৮৪
১৮০ ) দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত করার ভীতি প্রদর্শনপূর্বক সম্পত্তি আদায়-ধারা:৩৮৮
১৮১ ) দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত করার ভীতি প্রদর্শন-ধারা:৩৮৯
১৮২ ) প্রতারণা-ধারা:৪১৭
১৮৩ ) ক্ষতি হবে জানা সত্ত্বেও প্রতারণা করা-ধারা:৪১৮
১৮৪ ) মিথ্যা পরিচয় প্রদান করে প্রতারণা-ধারা:৪১৯
১৮৫ ) প্রতারণা ও অসাধুভাবে সম্পত্তি অর্পণ করতে প্রবৃত্তাকরণ-ধারা:৪২০
১৮৬ ) প্রতারণা ও অসাধুভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপনকরণ-ধারা:৪২১
১৮৭ ) প্রতারণা ও অসাধুভাবে পাওনাদারদের অর্থ প্রাপ্তি নিরোধ করা-ধারা:৪২২
১৮৮ ) ক্রয়মূল্য সম্পর্কিত মিথ্যা বিবরণ সম্বলিত প্রতারণা ও অসাধুভাবে হস্তান্ত দলিল সম্পাদন-ধারা:৪২৩
১৮৯ ) প্রতারণা ও অসাধুভাবে সম্পত্তি সম্পত্তি অপসারণ ও গোপন করা-ধারা:৪২৪
১৯০ ) অনিষ্ট সাধন-ধারা:৪২৬
১৯১ ) অনিষ্ট করে পঞ্চাশ টাকা পর্যন্ত ক্ষতি সাধন-ধারা:৪২৭
১৯২ ) দশ টাকা মূল্যের পশুকে হত্যা বা বিকলাংগ করে অনিষ্ট সাধন-ধারা:৪২৮
১৯৩ ) যে কোন মূল্যের পশুকে হত্যা বা বিকলাংগ করে অনিষ্ট সাধন-ধারা:৪২৯
১৯৪ ) সেচ কার্যের ক্ষতিসাধন করে বা অবৈধভাবে জলের গতি পরিবর্তন করে অনিষ্ট সাধন-ধারা:৪৩০
১৯৫ ) সরকারি সড়ক, সেতু, নদী বা খালের ক্ষতিসাধন-ধারা:৪৩১
১৯৬ ) সরকারি পয়ঃপ্রণালী প্লাবিত বা বিঘ্নিত করে অনিষ্টসাধন-ধারা:৪৩২
১৯৭ ) লাইটহাউজ বা সামুদ্রিক সংকেত বিনষ্ট করে অনিষ্টসাধন-ধারা:৪৩৩
১৯৮ ) ভূ-ধারা:সংকেত বিনষ্ট করে অনিষ্টসাধন-ধারা:৪৩৪
১৯৯ ) অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে কৃষি পণ্যের অনিষ্টসাধন-ধারা:৪৩৫
২০০ ) অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ-ধারা:৪৪৭
২০১ ) গৃহে অনধিকার প্রবেশ-ধারা:৪৪৮
২০২ ) কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-ধারা:৪৫১( ১ম ভাগ)
২০৩ ) অসাধুভাবে সম্পত্তি সম্বলিত আধার ভাঙ্গা-ধারা:৪৬১
২০৪ ) হেফাজতের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধ সংঘটন-ধারা:৪৬২
২০৫ ) ব্যাংক অফিসার ও কর্মচারীদের অবহেলাজনক আচরনের শাস্তি-ধারা:৪৬২ক
২০৬ ) ব্যাংকিং কোম্পানীর সাথে প্রতারণা-ধারা:৪৬২খ
২০৭ ) সুনামহানির উদ্দেশ্যে জালিয়াতি-ধারা:৪৬৯
২০৮ ) জাল দলিলকে খাটি দলিলরূপে ব্যবহার-ধারা:৪৭১
২০৯ ) মূল্যবান জামানত, উইল ইত্যাদি জালিয়াতির জন্য জাল সীলমোহর তৈরী যা দন্ডবিধির ৪৬৭ ধারা অনুযায়ী শাহতিযোগ্য -ধারা:৪৭২
২১০ ) জালিয়াতির উদ্দেশ্যে জাল সীলমোহর তৈরী বা রাখা-ধারা:৪৭৩
২১১ ) জাল দলিল নিজের দখলে রাখা-ধারা:৪৭৪
২১২ ) জাল চিহ্ন বিশিষ্ট দ্রব্য নিজের দখলে রাখা-ধারা:৪৭৫
২১৩ ) মিথ্যা হিসাবপত্র প্রণয়ন করা -ধারা:৪৭৭ক
২১৪ ) মিথ্যা ট্রেডমার্ক বা সম্পত্তি চিহ্ন ব্যবহার করা-ধারা:৪৮২
২১৫ ) ট্রেডমার্ক বা সম্পত্তি চিহ্ন জাল করে অন্যের ক্ষতির জন্য ব্যবহার করা-ধারা:৪৮৩
২১৬ ) সরকারি কর্মচারীর মার্ক বা চিহ্ন জাল করা-ধারা:৪৮৪
২১৭ ) ট্রেডমার্ক বা সম্পত্তি চিহ্ন জাল করার যন্ত্র প্রস্তুত বা দখলে রাখা-ধারা:৪৮৫
২১৮ ) জাল ট্রেড মার্কবিশিষ্ট পণ্য বিক্রয়-ধারা:৪৮৬
২১৯ ) পণ্যের আধারে মিথ্যা চিহ্ন অংকন-ধারা:৪৮৭
২২০ ) মিথ্যা চিহ্ন ব্যবহারের শাস্তি-ধারা:৪৮৮
২২১ ) ক্ষতিসাধনের জন্য সম্পত্তির চিহ্নে হস্তক্ষেপ-ধারা:৪৮৯
২২২ ) নোট জাল করার যন্ত্র বা সামগ্রী প্রস্তুত করা বা রাখা-ধারা:৪৮৯গ
২২৩ ) শুশ্রূষা করার প্রয়োজনীয় দ্রব্য যোগান দেয়ার চুক্তি ভংগ করা-ধারা:৪৯১
২২৪ ) স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা-ধারা:৪৯৪
২২৫ ) পূর্ববর্তী বিবাহের কথা গোপন রেখে বিবাহ করা-ধারা:৪৯৫
২২৬ ) প্রতারণামূলকভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা-ধারা:৪৯৬
২২৭ ) ব্যভিচার-ধারা:৪৯৭
২২৮ ) বিবাহিত নারীকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়া বা আটক রাখা-ধারা:৪৯৮
২২৯ ) মানহানি-ধারা:৫০০
২৩০ ) মানহানিকর বলে বিদিত বস্তু মুদ্রণ বা খোদাইকরন-ধারা:৫০১
২৩১ ) মানহানিকর বিষয় মুদ্রিত বা খোদাই করা বস্তু বিক্রয়-ধারা:৫০২
২৩২ ) শাস্তিভঙ্গের প্ররোচনা দানের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান -ধারা:৫০৪
২৩৩ ) অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন-ধারা:৫০৬
২৩৪ ) বেনামী পত্রযোগে ভীতি প্রদর্শন-ধারা:৫০৭
২৩৫ ) কোন ব্যক্তিকে বিধাতার রোষভাজন হবে এরূপ বিশ্বাস করিয়ে কোন কাজের অনুষ্ঠান-ধারা:৫০৮
২৩৬ ) নারীর শ্লীলতাহানির জন্য কথা, কাজ বা অংগভংগি-ধারা:৫০৯
২৩৭ ) মাতাল ব্যক্তি কর্তৃক প্রকাশ্যে অসদাচরণ-ধারা:৫১০
ফৌজদারী কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে, দন্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদন্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
হুমকি দিলে কী করবেন?
কোনো শত্রুপক্ষ বা যে কেউ বিনা কারণে আপনাকে উৎপাত করছেন বা হুমকি দিচ্ছেন। জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি দেখানো কিংবা রাস্তায় বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন। তখন কী করবেন আপনি?
এ অবস্থা থেকে বাঁচার উপায় আছে আইনে। এ আইনটি হলো ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা। তবে আদালতে যাওয়ার আগে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করে রাখতে পারেন নিকটস্থ থানায়। অনেক সময় অভিযোগটি গুরুতর হলে পুলিশ এ জিডি থেকেই নন-প্রসিকিউশন প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।
১০৭ ধারায় মামলা রুজু করে প্রতিপক্ষকে কিংবা দায়ী ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য বন্ড বা মুচলেকা সম্পাদনের জন্য বাধ্য করা যায়। এ ধরনের মামলা করতে হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।
১০৭ ধারায় আশ্রয় নিলে আদালত প্রাথমিক শুনানিতে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের জন্য আদেশ দেবেন। তখন দায়ী ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা সম্পাদন করতে হবে।
মুচলেকায় বলতে হবে ভবিষ্যতে তিনি আর কোনো ধরনের উৎপাত করবেন না এবং ভয়ভীতি দেখাবেন না।
01/03/2018
LLM (Professional) Admission at Bangladesh University of Professionals (BUP)
ফৌজদারী অপরাধের ক্ষেত্রে এজাহার দায়েরের মাধ্যমে মামলার সূচনা হয়। তাই পরবর্তীতে মামলার গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে এজাহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে পরিগণিত হয়। ঠিকমতো এজাহার দায়ের করতে না পারায় প্রতিনিয়ত অনেকেই বিচার পাবার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এজাহার রুজু করার জন্য পর্যাপ্ত আইনি জ্ঞান ও দক্ষতা না থাকায় প্রায়ই আমাদের মামলা সংক্রান্ত নানান রকম ঝামেলাপূর্ন পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। তাছাড়া আইনগতভাবে এজাহার লেখার পদ্ধতিও যথেষ্ট জটিল।
এজহার কি ?
অপরাধী ও সংঘটিত আমলযোগ্য অপরাধের বিস্তারিত বিবরণসহ শাস্তি দাবী করে বা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে থানায় অপরাধের সংবাদ লিপিবদ্ধ করাকে এজাহার বলে। যা FIR (First Information Report) বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামেও পরিচিত। অপরাধ সম্বন্ধে এ বিবরণ প্রথম দেয়া হয় বলে একে প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বলে। আমলযোগ্য অপরাধ (Cognizable offence) হচ্ছে সেই অপরাধ যে অপরাধের দরুণ অভিযুক্তকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যায়।
কিভাবে এজাহার লিখবেনঃ
এজাহার লিখিত বা মৌখিক যেকোনভাবেই করা যেতে পারে। মৌখিক এজাহারের ক্ষেত্রে থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিনামূল্যে ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ করে দিবেন এবং উক্ত ঘটনার বিবরণ তিনি তথ্য প্রদানকারীকে পড়ে শুনিয়ে আপত্তি না থাকলে তাতে তার স্বাক্ষর নিবেন। আর যদি তথ্য প্রদানকারী কোন সংশোধন আনতে চান তবে তা আনার পর স্বাক্ষর নিবেন। অন্যদিকে লিখিত এজাহারের বেলায় সংঘটিত অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ স্বাক্ষরসহ দরখাস্ত আকারে সংশ্লিষ্ট থানায় দাখিল করতে হয়। প্রাপ্ত দরখাস্তের তথ্যাদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এজাহারের জন্য নির্ধারিত বিপি ২৭ ফরমে তুলে মামলার জন্য প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করেন। তবে কোন কারণে থানা এজাহার নিতে না চাইলে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে নালিশি ( Complaint Register) মামলা রুজু করা যায়।
এজাহারে যেসব বিষয় উল্লেখ করতে হয়ঃ
ঠিকমতো এজাহার করতে না পারায় অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকার বিনিময়ে দালালের সাহায্য নেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী না হওয়ায় এজাহারে এ সকল দালালেরা ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়। ফলস্বরূপ এজাহার দুর্বল হয়ে যায় এবং আসামির বিপক্ষে মামলা প্রমান করা কঠিন হয়ে পড়ে। এজাহার হলো ফৌজদারী মামলার ভিত্তি, তাই এজাহারে অপরাধী ও অপরাধের পুঙ্খানুপুঙ্খবিবরণ সতর্কতার সঙ্গে তুলে ধরতে হয়। এজাহারে তাই
(১) সুস্পষ্টভাবে অপরাধীর নাম ও ঠিকানা (জানা থাকলে) উল্লেখ করা;
(২) অপরাধের পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা যৌক্তিকভাবে লিপিবদ্ধ করা;
(৩) অপরাধ সংঘ্টনের তারিখ ও সময় উল্লেখ করা;
(৪) অপরাধের সংঘটনস্থল উল্লেখ করা;
(৫) অপরাধ সংঘটনের কোন পূর্ব সূত্র বা কারণ থেকে থাকলে তার বর্ণনা তুলে ধরা;
(৬) সন্ধিগ্ধ ব্যক্তিদের সম্পর্কে ধারণা দেয়া;
(৭) অপরাধ পরবর্তী অবস্থা যেমন -সাক্ষীদের আগমন, আহত ব্যক্তির চিকিত্সা ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা; (৮) সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা ইত্যাদি উল্লেখ করা;
(৯) অপরাধীদের কেউ বাধা দিয়ে থাকলে তার ধারাবাহিক বর্ণনা করা;
(১০) কোন বিষয় তাত্ক্ষনিকভাবে লেখা সম্ভব না হলে পরবর্তীতে সে বিষয়টি সংযোজন করা হবে এমন একটি কৈফিয়ত রাখা প্রভৃতি বিষয়াবলী উল্লেখ করা জরুরি।
এছাড়া এজাহার দাখিলে কোন কারণে বিলম্ব হলে যথাযথ ও যৌক্তিক কারণ দর্শানো এবং কোন ঘষা-মাজা, কাটা-কাটি করা না থাকা ভাল। যদিও ফৌজদারী অপরাধের কোন তামাদি নেই, তথাপি এজাহার দায়েরে বিলম্ব মামলার গুনগতমান বিনষ্ট করে।
এজাহারের ৫টি কপি করতে হয়, তন্মধ্যে মূল কপি কোর্টে, প্রথম কার্বন কপি পুলিশ সুপার এর নিকট, দ্বিতীয় কার্বন কপি থানায়, সাদা কাগজে অতিরিক্ত কপি সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপারের নিকট এবং সাদা কাগজে অতিরিক্ত কপি এজাহারদাতার নিকট প্রেরণ করতে হয়।
=খতিয়ান কি?
=সি এস খতিয়ান কি?
=এস এ খতিয়ান কি?
=আর এস খতিয়ান কি?
=বি এস খতিয়ান কি?
=পর্চা কি?
=চিটা কি?
=দখলনামা কি?
=বয়নামা কি?
=জমাবন্দি কি?
=দাখিলা কি?
=হুকুমনামা কি?
=জমা খারিজ কি?
=মৌজা কি?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে
খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি,
খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।
আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে
সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য।
=সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য
পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি
মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়।
বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
=বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সালে পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
=দাগঃ
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখন্ড। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
সরেজমিনে জরিপ করার পর আমিন বা জমি পরিমাপকারী সর্ব প্রথম গ্রামের চতুঃসীমা নির্ধারণ করেন এবং গ্রামের প্রতিটি ভূমিখ-
পরিমাপ করে তার অবস্থান ওই গ্রামের প্রস্তুয়মান নকশায় প্রদর্শন করার জন্য সংখ্যায়িত করেন। এভাবে নকশায় প্রদর্শিত প্রতিটি ভূমিখন্ডের সংখ্যাকে দাগ নম্বর বলে। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
=পর্চা কীঃ
ভূমি জরিপকালে প্রস্তুতকৃত খসরা খতিয়ান যে অনুলিপি তসদিক বা সত্যায়নের পূর্বে ভূমি মালিকেরনিকট বিলি করা হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পর্চা সত্যায়িত বা তসদিক হওয়ার পর আপত্তি এবং আপিল শোনানির শেষে খতিয়ান চুরান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ইহার অনুলিপিকে পর্চা বলা হয়।
=চিটাঃ
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
=দখলনামাঃ
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র।
সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই
সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট
থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
=বয়নামাঃ
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা
নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
=জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
=দাখিলাঃ
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে রশিদ প্রদান করা হয় তা
দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
=হুকুমনামাঃ
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
=জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।
=মৌজা কিঃ
ক্যাডষ্টাল জরিপের সময় প্রতি থানা এলাকাকে অনোকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একক এর ক্রমিক নং দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরুপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
--------------------------
24/06/2016
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
22/20 Khilji Road, Mohammodpur
Dhaka
