05/01/2025
ঘুম হতে নামায উত্তম। 😇
বই হলো এমন এক মৌমাছি যা অন্যদের সুন্দর মন থেকে মধু সংগ্রহ করে পাঠকের জন্য নিয়ে আসে
05/01/2025
ঘুম হতে নামায উত্তম। 😇
16/10/2024
সময়কে বরকতময় করে তুলুন – ইমাম ইবনু রজব হাম্বলী রাহিমাহুল্লাহর অনবদ্য গ্রন্থ!
আমরা সবাই চাই আমাদের সময়কে প্রোডাক্টিভ ও বরকতময় করতে,
কিন্তু অনেকেই জানে না এই মহামূল্যবান সময়কে কীভাবে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়।
অনেকেই এই একই সমস্যায় ভোগেন:
• সময়ের গুরুত্ব উপলব্ধি করে কিন্তু কীভাবে তা কাজে লাগাবেন, জানেন না।
• ইবাদত করতে চাইলেও, কখন কোন সময়ে কোন ইবাদত করবেন তা নিয়ে দ্বিধায় থাকেন।
• সফলতা চাইলেও আল্লাহর দেওয়া সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে পারেন না।
কিন্তু ফলাফল কী হয়?
• জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়।
• ইবাদতে বরকত আসে না।
• সময়ের অপচয়ের কারণে সফলতা থেকে পিছিয়ে পড়েন।
সমাধান হলো: আপনার সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা শেখা।
আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে সময়কে বরকতময় করা যায়, আর এ বিষয়ে যুগশ্রেষ্ঠ ইমাম ইবনু রজব হাম্বলী রাহিমাহুল্লাহ ৬৫০ বছর আগে একটি অনবদ্য গ্রন্থ লিখেছেন।
এই বইটিতে যা পাবেন:
• বারো মাসের আমল-সংক্রান্ত প্রথম বিশুদ্ধ তথ্য: প্রতিটি মাসে কোন ইবাদত করতে হবে, বিস্তারিত বর্ণনা।
• আরবী ১২ মাসের আমলসমূহের রেফারেন্স সহকারে উপস্থাপন: কিভাবে সময়কে কাজে লাগাতে পারেন, তা নিয়ে পরিষ্কার গাইডলাইন।
• সময়ে বরকত লাভের উপায়: বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠায় এমন কার্যকরী কৌশল পাবেন, যা একজন মুসলিমের পুরো জীবনে বরকত নিয়ে আসবে।
মনে রাখবেন:
• সময় আল্লাহর দেয়া সবচেয়ে বড় নেয়ামত, আর এর সঠিক ব্যবহারই আপনাকে সফলতা এনে দেবে।
• আপনার ইবাদতের মাধ্যমেই সময়ে বরকত আসবে, আর এই বই আপনাকে সঠিক পথ দেখাবে।
আমার পরামর্শ: যদি আপনি আপনার সময়কে বরকতময় ও প্রোডাক্টিভ করতে চান, তাহলে এই বইটি অবশ্যই পড়া উচিত। এটি আপনার জীবনে এক নতুন দিক উন্মোচন করবে।
📛 পিএস: বইটি অর্ডার করতে আপনার ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখে আমাদের পেজে মেসেজ করুন
২৫% ছাড়ে, ডেলিভারী চার্জসহ মাত্র ৫০০ টাকায় ২-৩ দিনের মধ্যেই বইটি হাতে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ!
আপনার সময়কে কীভাবে কাজে লাগাতে চান?
কমেন্ট’স করে জানান!
08/09/2023
💥৮-১০ বছরের বাচ্চা যদি অসম্ভব দুষ্ট হয় তবে কী করা উচিত? এটা কি স্বাভাবিক লক্ষণ? কীভাবে তাকে শান্ত করা সম্ভব?
✅ এটির আসল উত্তর ছিল: ৮-১০ বছরের বাচ্চা যদি অসম্ভব দুষ্ট হয় তবে কি করা উচিত?
✅ এটা কি স্বাভাবিক লক্ষণ?
✅ কীভাবে তাকে শান্ত করা সম্ভব?
✅ বদমাশ বলতে আপনি কী বুঝিয়েছেন?
✅ বাচ্চাটি সত্যি দুষ্ট, না কি তার মনসংযোগ (অ্যাটেনশন) সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে? আচ্ছা, দেখুনতো, এই নিচের লক্ষণগুলো মিলছে কী না?
✅ পড়াশোনায় মন নেই। মানে, পড়তে বসলে শুধু নানাজিনিস নিয়ে নাড়াচাড়া করে, নানান অদ্ভুত বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করে শিক্ষক বা যিনি পড়াচ্ছেন, তাঁকে বিরক্ত করে।
✅স্থির হয়ে বসতে পারেনা, এবং ফিজেটিং (fidgeting) করে বা ক্রমাগত হাত পা নাড়ায়।
✅ যদি অচেনা কোনও জায়গায় যায় যেমন ধরুন ডাক্তারের চেম্বার, বা সুপার মার্কেট, তখন এক জায়গায় স্থির থাকে না।
✅ সারা ঘর ঘুরে বেড়ায় এবং নানান জিনিসে হাত দিয়ে বেড়ায়।
✅ চেয়ার বেয়ে, জানলা বা গ্রিল বেয়ে, দেয়াল বেয়ে, আলনা বেয়ে উঠতে পছন্দ করে।
✅ কোনও কিছু একটানা বেশিক্ষণ করতে ভালোবাসে না, সে খেলা হোক, কিংবা টিভি দেখা।
✅ খুব বায়না করে, বা ঘ্যান ঘ্যাণ করে।
✅ মাটি, জল বা আগুন নিয়ে খেলতে ভালোবাসে।
✅ রঙিন জিনিস বেশ পছন্দ যেমন রঙ পেন্সিল, রঙিন কাগজ, এবং সেগুলো নিয়ে সময় কাটানো।
✅ তাকে সে যা করছে তা থেকে বিরত করতে চাইলে একটু হিংস্র হয়ে ওঠে, এই যেমন কাউকে কামড়ে দেওয়া, বা জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলা।
✅ স্কুল থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসা যে অন্য কাউকে মেরেছে, কামড়ে দিয়েছে, খাতা ছিঁড়ে ফেলেছে ইত্যাদি।
✅ এই লক্ষণগুলোর বেশিরভাগি যদি মিলে যায়, তাহলে বাচ্চাটি বদমাশ নয়। তার একটি কন্ডিশন রয়েছে বা থাকতে পারে যাকে বলা হয় এডিএইচডি (এটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার)।
✅ এটা এমন একধরনের মানসিক অবস্থা যাতে একজন কোনকিছুতে মনসংযোগ করতে পারেনা।
✅ আপনার বাচ্চাটির কীর্তিকলাপ দুষ্টুমি মনে হচ্ছে হয়ত, কিন্তু আসলে সে অপারগ মনসংযোগ করে কিছু করতে।
✅ তার অ্যাটেনশন সবসময় এক জিনিস থেকে অন্য জিনিসে অনবরত পরিবর্তন হয়। এর জন্যে তার আচরণ আপনার বদমাশি বলে মনে হয়।
✅ ৪ থেকে ১৭ বছরের বাচ্চাদের মধ্যে এডিএইচডি আজ প্রায় ১১% বাচ্চাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। এডিএইচডি যে সমস্ত বাচ্চাদের রয়েছে, তাদের ৫০% এর ক্ষেত্রে সমস্যাটি গুরুতর।
✅ বাকিদের ক্ষেত্রে অতটা চিন্তিত হওয়ার কিছু কারণ নেই। যদি সারানোর ব্যবস্থা না করা হয়, এডিএইচডি বড়দের মধ্যেও লক্ষ্য করা যায়। প্রায় ৫% প্রাপ্তবয়স্ক এতে ভোগেন।
✅ এডিএইচডি কিন্তু সারানো যায়, যদি বাবা মা একটু সচেতন হন। দীর্ঘ ছয় মাস থেকে এক বছর বা তারও বেশি লাগতে পারে, তবে সারানো যায়।
☀️ তবে সত্যই বাচ্চাটির এডিএইচডি আছে কি না, সেটা একজন ডাক্তারকে দেখিয়ে নিলেই ভালো করবেন। একজন সাধারন ডাক্তার দেখাতে পারেন, বা একজন শিশু বিশেষজ্ঞকে দেখাতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয় একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখিয়ে নিলে।
ওষুধ এবং একজন স্পেশাল এডুকেটরকে দিয়ে নিয়মিত বিশেষ প্রশিক্ষণ নিলে সহজেই সেরে উঠবে।
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বর্ণিত একটি হাদিসে আছে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, তোমরা দুটি শেফাদানকারী বস্তুকে নিজেদের জন্য আবশ্যকীয় করে নাও। একটি মধু এবং অপরটি কোরআন। এই হাদিসের ব্যাখায় ব্যাখ্যাকাররা বলেছেন, মধু মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও দৈহিক রোগব্যাধি মুক্তির অব্যর্থ মহৌষধ আর কোরআন দুনিয়া ও আখেরাতে সাফল্যের জন্য অপরিহার্য, মহানবী সা. এটাই এই হাদিসে বলেছেন।
রাসূল (সাঃ) বলেন, তোমাদের জন্য গাভীর দুধ পান করা জরুরি। কেননা এটি আরোগ্যকারী এর ঘি ঔষুধ এবং এর গোশত রোগ।
(ইমাম তিরমিজি রহ. এই হাদিসটি আহমদ ইবনু হাসান থেকে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন)
ঘি শরীরের অনেক অনেক উপকারীতা।
বই : রাসূল (সাঃ) চিকিৎসা পদ্ধতি
ইবনু আবি আক্কাস রাযি. - এর সূত্রে বর্ণনা করেন, হযরত সাআদ রাযি. বলেন ' আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম। রাসূল (সাঃ) আমাকে দেখার জন্য এলেন। রাসূল (সাঃ) তার হাত আমার বুকের উপর রাখলেন। আমি তার হাতের শীতলতা অন্তর দিয়ে অনুভব করলাম।
রাসূল (সাঃ) বলেন, তুমি হৃদরোগে আক্রান্ত। সাকিফ গোত্রের চিকিৎসক হারিস ইবনু কালাদা'র নিকট যাও। সে যেন মদিনার আজওয়া খেঁজুর থেকে সাতটি খেজুর নিয়ে দানাসহ চূর্ণ করে সেগুলো তুমার মুখে ঢেলে দেয়।
চিকিৎসা : আজওয়া খেজুর হৃদ রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। যা সম্পূর্ণ নববী চিকিৎসা পদ্ধতি
বই : রাসূল (সাঃ) চিকিৎসা পদ্ধতি।
28/06/2023
ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক পবিত্র ঈদুল আযহা।
সবাইকে ঈদ মোবারক।
قَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
রিযিক বাড়াতে চান,
এই ৪টি কাজ করুন:
(১) রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়ুন
(২) সূর্যোদয়ের আগেই আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন
(ফজরের সলাতের পর)
(৩) প্রতিদিন দান-সাদাকা করুন
(৪) দিনের শুরুতে ও শেষে আল্লাহর যিকর করুন।
(ফজর ও মাগরিবের সলাতের পর)
-ইমাম ইবনিল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ
গ্রন্থ: যাদুল মা'আদ ৪/৩৭৮
ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
যে ব্যক্তি মানুষের মাঝে শক্তিশালী হতে চায়, সে যেন (সঠিকভাবে) আল্লাহর উপর ভরসা করে।
[ মাজমু‘উ ফাতাওয়া: ১/৫৫ ]
14/04/2023
👉 প্রায় ৬৫০ বছর পূর্বে যুগশ্রেষ্ট ইমাম ইবনুল কাইয়ূম আল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ এর Prophetic Medicine থেকে নেওয়া রাসূল (সাঃ) এর চিতিৎসা পদ্ধতি ।
👉 আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কোন রোগের জন্য কী চিকিৎসার করেছেন এবং কি চিকিৎসা করতে আমাদেরকে নিদের্শ করেছেন হাদিসের রেফারেন্স সহকারে তার বিস্তারিত বণর্ণা আছে।
👉 কোন অসুস্থতা বা রোগ হলেই আমরা সময় ও অর্থ ব্যয় করে ছুটে চলে যাই ডাক্তারের কাছে , অথচ যিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ট মানুষ তিনি কিভাবে নিজে চিকিৎসা করেছেন, তার চিকিৎসা পদ্ধতি কী ছিল সেই ব্যাপারে প্রায় ১৪০০ বছর পূর্বে আমাদেরকে জানিয়ে গেছেন।
👉 আল্লাহ তায়লার রাসূল (সাঃ) এর মাথ্যমে আমাদের জানিয়ে দিয়েছে শত শত রোগ থেকে কিভাবে বাচা যায়। কিভাবে সেগুলো নিরাময় করা যায়। অথচ আমরা সেই সবোর্ত্তম পথ ভুলে বসে আছি।
👉 আলহামদুলিল্লাহ, প্রায় ৬৫০ বছর পূর্বে যুগশ্রেষ্ট ইমাম ইবনুল কাইয়ূম আল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ রাসূল (সাঃ) থেকে বনির্ত সেই সকল চিকিৎসার বিষয়গুলো একসাথে করে একটি বই লিখেছেন। সমগ্র পৃথিবী জুড়ে তার এই বইটি অনেক ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে।
👉 যুগান্তকারী এই বইটি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে “ আত-তিব্বে নববি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ।
✅ বই : আত-তিব্বুন নববি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
✅ লেখক : আল্লামা ইবনুল কায়্যিম জাওযিয়্যাহ ( রহ )
✅ বিষয় : ইসলামী চিকিৎসা
✅ পৃষ্ঠা : ৬২৫, কভার : হার্ড কভার
📌 মূল্য : ৫৪০ টাকা
📌 ডেলিভারী চার্য : ৮০ টাকা
📌 ডেলিভারী চার্যসহকারে : ৬২০ টাকা
বইটি অডার্র করতে
আপনার নাম :
সম্পূর্ণ ঠিকানা :
মোবাইল নাম্বার :
লিখে ইনবক্স করুন
👉 অর্ডার কনফার্ম হওয়ার ২/৩ দিনের মধ্যেই বইটি পৌঁছে যাবে আপনার কাছে সম্পূর্ণ ক্যাশ অন ডেলিভারীতে ।
05/04/2023
👉 আপনি নিচের কোন বিষয়ের বইগুলো পড়তে পছন্দ করেন।
১. কোরআন ও তাফসীর
২. হাদিস
৩. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৪. মুসলিম মনিষীদের জীবনী
৫. নবী-রাসূলদের জীবনী
৫. ইসলামি অর্থনীতি
৫. আদব আখলাক ও সুন্নাহ
৬. ঈমান ও আকিদা
৭. পরকালীন জান্নাত - জাহান্নাম, কবর , হাশর, কেয়ামত
৮. আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা, মোটিভেশনাল
৯. ফিকাহ ও ফতওয়া
১০. দাওয়া ও সংস্করণ
01/04/2023
👉 সাড়া বিশ্বে প্রায় ৪০ দেশের অনুবাদ করা হয়েছে।
👉 সাড়া জাগানো এই বইটি লিখেছেন সাঈদ ইবনে আলী আল কাহতানী
👉 বইটি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেছে শাইখ জিয়াউর রহমান মুন্সি
যেভাবে দুআ করলে আল্লাহ আপনার দু”আ কবুল করে নিবেন
আমাদের প্রয়োজন গুলো দু’আর মাধ্যমে প্রয়োজন পূরণের আল্লাহর নিকট কিভাবে উপস্থাপন করবো, তারই দিকনির্দেশিকা এই বইটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, চাওয়ার মতো চাইতে পারিনি মহান রবের নিকট। । জীবনের সব সমস্যার উত্তরণে রবের মুখাপেক্ষী হইনি বলেই, জন্ম হয়েছে হাজারো ‘না পাওয়ার গল্প
বান্দার ডাকে আল্লাহর সাড়া
✅ বই: বান্দার ডাকে আল্লাহর সাড়া
✅ লেখক: সাঈদ ইবনু আলী কাহতানি রহ.
✅ প্রকাশক: মাকতাবাতুল বায়ান
✅ পৃষ্ঠা : 360, কভার : হার্ড কভার
✅ মূল্য: ২৫% ছাড়ে ৩৭৫ টাকা
✅ ডেলিভারী চার্য : ৮০ টাকা
✅ ডেলিভারী চার্য : ৪৫৫ টাকা
👉 বইটি অডার্র করতে
👉 আপনার নাম :
👉 ঠিকানা :
👉 মোবাইল নাম্বার
ইনবক্স করুন
👉 অর্ডার কনফার্ম হওয়ার ২/৩ দিনের মধ্যেই বইটি পৌঁছে যাবে আপনার কাছে