06/04/2026
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীর লাগেজ থেকে বিপুল পরিমাণ ঔষধ আটক
আজ ০৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ফ্লাইট এমএইচ-১০৩ যোগে ঢাকা হতে কুয়ালালামপুর গমনরত সম্মানিত এক যাত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৫ নং হেভি লাগেজ গেইট দিয়ে প্রবেশের সময় নিরাপত্তা তল্লাশির আওতায় আসেন।
নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যদের সমন্বয়ে যাত্রীর বহনকৃত মোট ৪ (চার)টি লাগেজে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে উক্ত লাগেজসমূহ হতে বিপুল পরিমাণ প্রায় ১২০ (একশত বিশ) কেজি ঔষধ উদ্ধার ও আটক করা হয়।
পরবর্তীতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী উক্ত আটককৃত ঔষধসমূহ ডিএম (Destroyed Merchandise) প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সর্বদা সতর্ক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
29/03/2026
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের কার্গো কম্পার্টমেন্ট থেকে ১৫৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার
গত ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ২১:০৮ ঘটিকায় দুবাই হতে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৩৪৮ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ C-02-এ অবতরণ করে। পূর্বপ্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত বিমানটিকে অবতরণের পূর্ব থেকেই সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়। পরবর্তীতে অবতরণের পর গোয়েন্দা সংস্থা ও এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যদের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে বিজি-৩৪৮ ফ্লাইটের কার্গো হোল্ডে নিবিড় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে কার্গো হোল্ডে অবস্থিত টয়লেটের প্যানেল, বিমানের কারিগরি দলের সহায়তায় খুলে দেখা হলে অত্যন্ত সুকৌশলে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মোট ১৫৩ (একশত তিপ্পান্ন)টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত প্রতিটি স্বর্ণের বারের ওজন ১১৬ (একশত ষোল) গ্রাম, যার সর্বমোট ওজন ১৭.৭৮৪ (সতেরো দশমিক সাত আট চার) কেজি। উক্ত স্বর্ণের বারগুলোর বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক প্রায় ৩৮ (আটত্রিশ) কোটি টাকা।
উদ্ধারকৃত ১৭.৭৮৪ কেজি ওজনের ১৫৩টি স্বর্ণের বার বিধি মোতাবেক বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তকরণে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ ইতোমধ্যে বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষায় এ ধরনের চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।
Hazrat Shahjalal International Airport - HSIA, Bangladesh
Hazrat Shahjalal International Airport is the main and largest international airport of Bangladesh and this is the only official page.
21/03/2026
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শনে মাননীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী
ঢাকা, শনিবার (২১ মার্চ ২০২৬): পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিনেই মাননীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন। ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ উৎসবের দিনেও বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে সচল রাখা এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে এই পরিদর্শন পরিচালিত হয়।
পরিদর্শনকালে তিনি বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা মাননীয় মন্ত্রীকে ঈদের দিনেও যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং অপারেশনাল কার্যক্রম কীভাবে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। মাননীয় মন্ত্রী বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় মাননীয় মন্ত্রী দায়িত্বরত বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন এবং ঈদের মতো পারিবারিক ও সামাজিক আনন্দের সময়েও পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবিচল থাকার জন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও প্রশংসা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, দেশের সেবায় নিয়োজিত এসব সদস্যদের ত্যাগ ও নিষ্ঠা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। দায়িত্বরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি এবং উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে তিনি তাদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন, যা কর্মরত সদস্যদের মাঝে এক আনন্দঘন ও প্রেরণাদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
মাননীয় মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সব সময় সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা ও পেশাদারিত্ব অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও জোরদারকরণ এবং সেবার গুণগত মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শন শেষে মাননীয় মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধ বজায় রেখে বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। একই সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার আহ্বান জানান।
15/03/2026
মধ্যরাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আকস্মিক পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, সোমবার (১৬ মার্চ ২০২৬): বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন।
পরিদর্শনের সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এর চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রতিমন্ত্রীকে বিমানবন্দরের চলমান কার্যক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বিমানবন্দরে অবস্থানরত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের যাত্রা সংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার বিষয়ে জানতে চান। তিনি যাত্রীসেবার মান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত কার্যক্রম সম্পর্কেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের জন্য আরও উন্নত ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি তিনি যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং বিমানবন্দরের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আরো আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান এবং সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
09/03/2026
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এভসেকের সফল অভিযান: সৌদি আরবগামী যাত্রীর লাগেজ থেকে ৪,৩৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় এভিয়েশন সিকিউরিটি (AVSEC) বিভাগের সতর্কতা ও পেশাদারিত্বে এক সৌদি আরবগামী যাত্রীর লাগেজ থেকে ৪,৩৬৪ পিস অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট (BS-381) এর একজন যাত্রীর বোর্ডিং ব্রিজ নং C-2 এ প্রি-বোর্ডিং নিরাপত্তা তল্লাশির সময় দায়িত্বরত স্ক্রিনার যাত্রীর ব্যাগে সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত করেন।
অবৈধ মাদকদ্রব্য শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এভসেক কর্তৃপক্ষ এবং বিমানবন্দরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে মোট ৪,৩৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যাত্রীকে অফলোড, আটক ও হেফাজতে নেয়।
বেবিচক কর্তৃপক্ষ জানায়, দায়িত্বরত স্ক্রিনার ও সংশ্লিষ্ট এভসেক সদস্যদের সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও নিখুঁত স্ক্রিনিংয়ের কারণে চোরাচালানের এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
এই সফলতা বিমানবন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
31/01/2026
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিভাগ কর্তৃক বহির্গামি যাত্রীর লাগেজ হতে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার :
অদ্য ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ২২৩০ ঘটিকায় Fits Air 8D-932 ফ্লাইটে ঢাকা থেকে কলম্বোগামী এক যাত্রীর হ্যান্ড লাগেজ থেকে ১৪৬০ পিস এমফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উক্ত যাত্রীর ব্যাগটি বোর্ডিং গেইট এ স্ক্যানিং করার সময় এভিয়েশন সিকিউরিটি বিভাগের কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মী যাত্রীর লাগেজে থাকা একটি ডার্ব ক্যানের ভিতরে বিশেষভাবে লুকায়িত অবস্থায় ৪টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ১,৪৬০ পিস ইয়াবা সনাক্ত করেন। কর্তব্যরত বিমানবন্দর নিরাপত্তার ব্যবস্থাপক ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ট্যাবলেটগুলো গণনা ও জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে নিষিদ্ধ মাদক বহনের অভিযোগে উক্ত যাত্রীর বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনে মামলা রুজু করত: যাত্রীকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়।
বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নিষিদ্ধ দ্রব্য চোরাচালান প্রতিরোধে এভিয়েশন সিকিউরিটি বিভাগ সর্বদা সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে।
29/01/2026
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট উদ্বোধন-
২৯ জানুয়ারি ২০২৬ —
দীর্ঘদিন পর পুনরায় ঢাকা–করাচি সরাসরি বিমান চলাচল আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (HSIA) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত উদ্বোধনী ফ্লাইট BG-341 আজ রাত ২০১৫ ঘটিকায় ঢাকা ত্যাগ করে। বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজে পরিচালিত এ ফ্লাইটে মোট ১৩৮ জন যাত্রী ভ্রমণ করেন।
উদ্বোধন উপলক্ষে সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB)-এর চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার।
ঢাকা–করাচি রুট পুনরায় চালু হওয়ার ফলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, পর্যটন এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের জন্য আরও সহজ ও সুবিধাজনক ভ্রমণ সুবিধা নিশ্চিত হবে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল মানদণ্ড অনুসরণ করে নিরাপদ, দক্ষ ও নিরবচ্ছিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
14/01/2026
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চোরাচালানের সময় ঈগল পাখি উদ্ধার
গত ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একজন বহির্গামী যাত্রীর কাছ থেকে তিনটি জীবন্ত ঈগল পাখি উদ্ধার করা হয়েছে।
কাতার এয়ারওয়েজের বহির্গামী ফ্লাইটের ওই যাত্রীর চেক-ইন চলাকালে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের সন্দের ভিত্তিতে তল্লাশী চালানো হলে লাগেজের ভেতর থেকে উক্ত ঈগল পাখি শনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য যে, পাখিগুলোকে অবৈধভাবে চোরাচারানের উদ্দেশ্যে লাগেজের অভ্যন্তরে লুকিয়ে বিশেষ উপায়ে বিমানবন্দরে আনা হয়।
ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে এভিয়েশন সিকিউরিটি বিভাগকে জানানো হলে যাত্রীর পাসপোর্টসহ পাখিগুলো জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে সরকারি বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে উদ্ধারকৃত পাখিগুলোকে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট, আগারগাঁও, ঢাকা-এর প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী বিষয়টি পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তদন্তাধীন রয়েছে।
14/01/2026
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এভিয়েশন সিকিউরিটি বিভাগের অভিযানে বিপুল পরিমাণ সিগারেট, জর্দা ও সুপারি জব্দ।
অদ্য ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ০৮:৩০ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এভসেক (AVSEC) টিমের বিশেষ অভিযানে চারজন যাত্রীর নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট, জর্দা এবং সুপারি জব্দ করা হয়েছে।
চারজন বহির্গামী যাত্রীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাঁদের অনুসরণ করা হয়। পরবর্তীতে তাঁদের ব্যাগ তল্লাশি করা হলে মালামালগুলো উদ্ধার করা হয়।
জব্দকৃত মালামালের বিবরন:
সিগারেট: ১৭৬ কার্টুন
জর্দা: ৫৬৯ প্যাকেট
সুপারি: ২০ কেজি
বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং চোরাচালান রোধে এভসেক বিভাগের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
04/01/2026
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়োজিত এভিয়েশন সিকিউরিটি (AVSEC) কর্তৃক যাত্রীসেবার কার্যক্রম
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচলের প্রতিটি পর্যায়ে যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে “সম্মানিত যাত্রী সর্বাগ্রে”- এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে এভিয়েশন সিকিউরিটি (AVSEC) বিভাগ নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
অদ্য ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে একজন সম্মানিত যাত্রী বোর্ডিং ব্রীজ-৬ এর টয়লেট ব্যবহার শেষে একটি ফেলে রেখে চলে যান। পরবর্তীতে, বিমানববন্দরে কর্মরত এ কে ট্রেডার্স এর পরিচ্ছন্নতাকর্মী হ্যাপি আক্তার ব্যাগটি কুড়িয়ে পেয়ে এভসেক কন্ট্রোল রুমে বুঝিয়ে দিলে ব্যাগটি সম্মানিত যাত্রীকে ফেরত দেওয়া হয়।
23/12/2025
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে-এ যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা এবং অপারেশনাল শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সকল যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বিশেষ অপারেশনাল ও নিরাপত্তাজনিত কারণে আগামী ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ১৮:০০ ঘটিকা থেকে ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ১৮:০০ ঘটিকা পর্যন্ত বিমান বন্দর এলাকায় নির্ধারিত যাত্রী ব্যতিত সকল সহযাত্রী/ ভিজিটর প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
এ প্রেক্ষিতে সম্মানিত যাত্রীসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
ধন্যবাদান্তে
নির্বাহী পরিচালক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর