24/12/2022
Md Zamal Uddin
Ability is nothing without opportunity
24/12/2022
11/07/2022
22/12/2021
০১. এলিডিসি মুক্ত হয়েছে এ পর্যন্ত কতটি দেশ?
0/1
ক. ৫টি
খ. ৬টি✅
গ. ৪টি
ঘ. ৭টি
০২. ‘TPLE’ কোন দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
1/1
ক. ইথিওপিয়া✅
খ. পেরু
গ. আফগানিস্তান
ঘ. পাকিস্তান
০৩. 15 সেপ্টেম্বর, 2020 কোন দুটি আরব দেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়?
1/1
ক. আমিরাত ও বাহরাইন✅
খ. সৌদি আরব ও ইয়েমেন
গ. লেবানন ও ওমান
ঘ. আলজেরিয়া ও ইরাক
০৪. Brexit কার্যকরের পর যুক্তরাজ্যের পাসপোর্টের রং হয়ে যায়-
0/1
ক. সবুজ
খ. নীল✅
গ. লাল
ঘ. সাদা
০৫. আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস-
1/1
ক. 9 ডিসেম্বর✅
খ. 18 ডিসেম্বর
গ. 19 ডিসেম্বর
ঘ. 11 ডিসেম্বর
০৬. জো বাইডেন সিনেটর ছিলেন (1973-2019)-
1/1
ক. ক্যালিফোর্নিয়ার
খ. ডেলাওয়্যার✅
গ. ওয়াশিংটনের
ঘ. পেনসিলভেনিয়া
০৭. SRF সুদানের কোন অংশে বিদ্রোহরত?
0/1
ক. দারফুর
খ. কারদাফন✅
গ. খার্তুমে
ঘ. দক্ষিণাঞ্চলে
০৮. ২০২০ সালে ব্রিক্সের ১২তম সম্মেলনের আয়োজক ছিল কোন দেশ?
1/1
ক. চীন
খ. ভারত
গ. রাশিয়া✅
ঘ. দক্ষিণ আফ্রিকা
০৯. লুজন চু্ক্তির মেয়াদ শেষ হবে-
1/1
ক. ২০২৪ সালে
খ. ২০৪০ সালে
গ. ২০২১ সালে
ঘ. ২০২৩ সালে✅
১০. পরমাণু অস্ত্র বিরোধী নাগরিক জোট-
1/1
ক. গ্লোবাল জিরো✅
খ. সিএন নেট
গ. কোভ্যাক্স
ঘ. পিস এন্ড এলিয়েন্স
১১. নবগঠিত জোট IPAC এর নেতৃত্বে-
1/1
ক. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
খ. জাপান
গ. চীন
ঘ. যুক্তরাষ্ট্র✅
১২. জাপানের 126তম সম্রাট-
1/1
ক. নুনোহিতো
খ. নারুহিতো✅
গ. নানিহিতো
ঘ. যুসোহিতো
১৩. কমলা হ্যারিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কত তম ভাইস প্রেসিডেন্ট-
0/1
ক. 48তম
খ. 60তম
গ. 49তম✅
ঘ. 65তম
১৪. বিশ্বে অথনৈতিক ফোরামের নিয়মিত বৈঠক হয় কোথায়?
0/1
ক. জেনেভা (সদর দপ্তর)
খ. বার্ন্
গ. দাভোস, সুইজারল্যান্ড✅
ঘ. লন্ডন
১৫. রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলায় গাম্বিয়ার পক্ষ নেয়া দেশ দুটি হলো-
0/1
ক. নেদারল্যান্ডস ও কানাডা✅
খ. সুইডেন ও নেদারল্যান্ডস
গ. ইরাক ও তুরস্ক
ঘ. মিশর ও লেবানন
১৬. মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার-
0/1
ক. ডেভিড ম্যালপাস
খ. আল ঘোর
গ. ন্যান্সি প্যালোসি✅
ঘ. বুরজোনার
১৭. মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনী-
0/1
ক. USSS✅
খ. USS
গ. NSA
ঘ. PRISM
১৮. মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংরক্ষিত এলাকা-
1/1
ক. পেন্টাগন
খ. ক্যাপিটল হিল✅
গ. ওয়াটারগেট
ঘ. ওভাল অফিস
১৯. 2021 সালের 25-26 জানুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠিত Climate Adaptation Summit (ভার্চুয়ালি) এর আয়োজক দেশ কোনটি?
1/1
ক. নেদারল্যান্ডস✅
খ. জার্মানি
গ. ফ্রান্স
ঘ. সুইজারল্যান্ড
২০. Institute for Economics & Peace– এর ‘Global Peace Index-2020’ অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষ্ দেশ-
1/1
ক. নেপাল
খ. শ্রীলংকা
গ. ভুটান✅
ঘ. মালদ্বীপ
23/02/2021
ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!
📢📢📢📢📢📢📢📢📢📢📢📢📢
নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান, ব্যবসায় ও মানবিক বিভাগে স্পেশাল ব্যাচে ভর্তি চলছে📢📢📢📢📢📢📢
পদ্মা সেতু এবং একজন বঙ্গকন্য শেখহাসিনা।
যে সালগুলো বার বার পরীক্ষায় আসে★★★
সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।।
১। দ্বৈত শাসন + ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভ = ১৭৬৫।
২। ছিয়াত্তরের মন্বন্তর = ১৭৭০।
৩। আমেরিকার স্বাধীনতা লাভ = ১৭৭৬ ।
৪। ফরাসি বিপ্লব = ১৭৮৯।
৫। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা = ১৮০০।
৬ । ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু =১৮০১ ।
৭। ওয়াটার লুর যুদ্ধ = ১৮১৫ ।
৮। লর্ড বেন্টিং কর্তৃক রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় সতীদাহ প্রথা রহিতকরণ + ঢাকা বিভাগ চালু= ১৮২৯।
৯। তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা নির্মান = ১৮৩১।
১০ । লর্ড ডালহৌসি কর্তৃক উপমহাদেশে রেল চালু = ১৮৫৩।
১০। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয় > ১২০৪ সালে।
১২। ষাট গম্বুজ মসজিদ-খান জাহান আলী (বাগেরহাট)।
১৩। কম্ববাসের আমেরিকা আবিষ্কার > ১৪৯২।
১৪। ভাস্কোডা গামার ভারত বর্ষে আসার জলপথ আবিষ্কার = ১৪৯৮ ।
১৫। পানি পথের ১ম যুদ্ধ = ১৫২৬।
১৬। বাংলা সাল গণনা শুরু + পানি পথের ২য় যুদ্ধ+ সম্রাট আকবরের সিংহাসন লাভ= ১৫৫৬।
১৭। সর্বপ্রথম ঢাকা বাংলার রাজধানী > ১৬১০ ।
১৮। পলাশীর যুদ্ধ=১৭৫৭ সালে।
১৯। পানি পথের ৩য় যুদ্ধ = ১৭৬১ ।
২০। বক্সারের যুদ্ধ = ১৭৬৪।
২১। লর্ড ডালহৌসি কর্তৃক হিন্দু বিধবা আইন পাশ = ১৮৫৬।
২২। বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল প্রকাশ + সিপাহী বিদ্রোহ + কাগজের মুদ্রা চালু + বাংলাদেশে বাণিজিক ভাবে চা চাষ শুরু =১৮৫৭ সালে।
২৩। নীল বিদ্রোহের অবসান + নীল দর্পন নাটকের প্রকাশ= ১৮৬০।
২৪। রবী ঠাকুরের জন্ম ও মাইকেলের মেঘনাথ বধ কাব্য প্রকাশ + আমেরিকা গৃহ যুদ্ধ শুরু- ১৮৬১ ।
২৫। বাংলাদেশে রেল চালু = ১৮৬২।
২৬। যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা বিলুপ্ত+ মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি + ১৮৬৩ ।
২৭। বাংলা সাহিত্যের ১ম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশ নন্দিনী প্রকাশিত = ১৮৬৫।
২৮। রোকেয়ার জন্ম= ১৮৮০।
২৯। পৃথিবীতে প্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার পান= ১৮৯৩ ।
৩০ । আধুনিক অলিম্পিকের যাত্রা শুরু = ১৮৯৬ ।
৩১। কাজী নজরুল ও জীবনানন্দের জন্ম= ১৮৯৯ ।
৩২। নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু > ১৯০১।
৩৩। বঙ্গভঙ্গ শুরু এবং ঢাকা প্রাদেশিক রাজধানী =১৯০৫ সালে।
৩৪। মুসলীম লীগ প্রতিষ্ঠিত=১৯০৬ সালে।
৩৫। চর্যাপদ আবিষ্কৃত=১৯০৭ সালে।
৩৬। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কৃত=১৯০৯ সালে।
৩৭ । গীতাঞ্জলি প্রকাশ >> ১৯১০।
৩৮। বঙ্গভঙ্গ রদ=১৯১১ সালে।
৩৯। টাইটানিকের ডোবা > ১৯১২ ।
৪০। গীতাঞ্জলির জন্য রবীর নোবলে + যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পানাম
🥰ভালো লাগলে tnx জানাবে🥰
:
যুক্তরাষ্ট্রের ৫৯ তম নির্বাচনে ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন।
এই জয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার ইতিহাস গড়লেন বাইডেন। এর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পপুলার ভোট পাওয়ার ইতিহাসও সৃষ্টি করেন ৭৭ বছর বয়সী এই ডেমোক্র্যাট।
ে_জো_বাইডেনঃ
পুরো নাম জোসেফ রবিনেট বাইডেন জুনিয়র, জো বাইডেন হিসেবে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম ভাইস প্রেসিডেন্ট। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে দুই মেয়াদে কাজ করেন। ১৯৭৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ডেলাওয়ার থেকে সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জন্ম:
বাইডেনের জন্ম ১৯৪২ সালের ২০ নভেম্বর পেনসিলভানিয়ার স্ক্রানটনে। স্ক্রানটন, নিউ ক্যাসল কাউন্টি ও ডেলাওয়ারে তাঁর বেড়ে ওঠা। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় তিনি।
বাবা-মা:
বাবা জোসেফ রবিনেট বাইডেন সিনিয়র, মা ক্যাথরিন ইউজেনিয়া ফিনেগান। তাঁর মা আইরিশ বংশোদ্ভূত।
শিক্ষা:
বাইডেন ডেলাওয়ার ইউনিভার্সিটিতে ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেন। পরে তিনি সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে ডিগ্রি নেন।
পরিবার:
সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় বাইডেন ১৯৬৬ সালের নিলিয়া হান্টারকে বিয়ে করেন। তাঁদের ঘরে তিন সন্তান রয়েছেন—জোসেফ আর ‘বিউ’ বাইডেন, রবার্ট হান্টার ও নাওমি ক্রিস্টিনা। নিলিয়াকে তিনি বলেছিলেন, ৩০ বছর বয়সের মধ্যে সিনেটর হওয়ার স্বপ্ন তাঁর। সিনেটর হওয়ার পর তাঁর লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়া। ১৯৭২ সালে বড় দিনের আগে ক্রিসমাস ট্রি কিনতে গিয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিলিয়া নিহত হন। পরে ১৯৭৩ সালে বাইডেন জিল ট্রেসি জ্যাকবকে বিয়ে করেন। তাঁদের ঘরে অ্যাশলে ব্লেজার নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
রাজনৈতিক জীবন:
১৯৭০ সালে ডেলাওয়ারের নিউ ক্যাসল কাউন্টির কাউন্সিলম্যান নির্বাচিত হন জো বাইডেন। এরপর তাঁকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয় তাঁর। ১৯৭২ সালের নভেম্বরে তৎকালীন জনপ্রিয় রিপাবলিকান সিনেটর স্যালেব বগসের বিপক্ষে ডেমোক্রেটিক দল থেকে প্রার্থী হন তিনি। তারপর নাম লেখান ইতিহাসে। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী পঞ্চম সিনেটর নির্বাচিত হন।’ ৭৩ থেকে টানা ২০০৯ সাল পর্যন্ত সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
১৯৮৭ সালে একবার ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে প্রেসিডেনশিয়াল প্রাইমারিতে লড়ার ঘোষণা দেন বাইডেন। তবে অসুস্থতার কারণে ১৯৮৮ সালে প্রাইমারির শুরুতে ক্ষান্ত দেন তিনি। ২০০৭ সালে আবার প্রেসিডেন্ট পদে দলীয় প্রাইমারিতে নামেন। সেই যাত্রায় তিনি বারাক ওবামা আর হিলারি ক্লিনটনের বিপক্ষে তেমন সুবিধা করতে পারেননি। পরে ২০০৮ সালে ওবামা তাঁকে রানিংমেট হিসেবে বেছে নেন। ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০:
২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল এক ভিডিওবার্তায় বাইডেন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলীয় প্রাইমারিতে লড়াইয়ের আভাস দেন। দলীয় প্রাইমারিতে ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটর কমলা হ্যারিস (যিনি তাঁর বর্তমান রানিংমেট), ভারমন্টের সিনেটর উদারপন্থী বার্নি স্যান্ডার্স, ম্যাসাচুসেটসের এলিজাবেথ ওয়ারেন, পেটি বুটেগিগ, অ্যামি ক্লুবেচারকে পেছনে ফেলে তিনি ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেন। জাতীয় পর্যায়ে বেশির ভাগ জনমত জরিপে তিনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০ । নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
০১। মোট জনসংখ্যা ১৬৬.৫০ মিলিয়ন (২০১৯)
০২। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭%
০৩। জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১২৫ জন
০৪। নারীপুরুষের অনুপাত ১০০:১০০.২
০৫। স্থুল জন্মহার (১০০০ জনে) ১৮.১ জন
০৬। স্থুল মৃত্যুহার (১০০০ জনে) ৪.৯ জন
০৭। প্রতিহাজারে শিশু মৃত্যুর হার (১ বছরের নীচে জীবিত জনে) ২১জন
০৮। গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৬ বছর (পুরুষ ৭১.১,মহিলা ৭৪.২)
০৯। ১৭২৪ জন মানুষে ১ জন চিকিৎসক।
১০।সাক্ষরতার হার (৭+ বয়স) ৭৪.৪% (পুরুষ ৭৬.৫,মহিলা ৭২.৩ শতাংশ)
১১। দারিদ্রের হার ২০.৫%,চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫%
১২। জিডিপি ‘র প্রবৃদ্ধির হার ৫.২৪%
১৩। মাথাপিছু আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার,পার ক্যাপিটাল জিডিপি ১৯৭০ ডলার।
১৪। মোট ব্যাংক ৬০ টি
১৫। রাষ্ট্রীয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি
১৬। বিশেষায়িত ব্যাংক ৩ টি
১৭। বেসরকারি ব্যাংক ৪২ টি
১৮। বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি
১৯। মুদ্রাস্ফীতি ৫.৬৫%
২০। বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি তে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র
২১। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে
২২। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পায় সৌদি আরব থেকে
২৩। রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের অবস্থা্ন নবম
২৪।জীবিকাতে নিয়োজিত (কৃষি ৪০.৬ %,ইন্ডাস্ট্রি ২০.৪%,সেবা খাতে ৩৯%)
২৫।সুপেয় পানি পান ৯৮.১%
২৬।পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা উন্নতি ৮১.৫%
২৭।সর্বমোট জনসংখ্যা ১৬৬.৫০ মিলিয়ন (২০১৯ হিসেবে),২০১১ হিসেবে ১৫১.৭ মিলিয়ন।
২৮।বৈদেশিক মুদ্রা আয় ৩২.৮৩০ মিলিয়ন ডলার (২০১৯-২০২০)
সংগ্রহেঃ লতিফুর রহমান লিটন
যারা ফ্রান্স বা ফ্রেঞ্চ প্রোডাক্টকে বয়কট করার ডাক দিচ্ছেন সবিনয়ের সাথে আপনাদের কে বলছি :
অতিসম্প্রতি ফ্রান্সে ঘটে কিছু ঘটনা কিছু কিছু মানুষের অতি মাত্রায় চেতনা , উগ্র মন মানসিকতা , পশ্চিমা বিশ্বে ইসলাম সম্পর্কে ভুল বার্তা দিচ্ছে এবং সংখ্যালগু হিসেবে বিভিন্ন দেশে বসবাসরত মুসলিমদের জীবন যাত্রা কঠিন আরো কঠিন করে দিচ্ছে।
আপনারা যারা বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দেশ থেকে ফ্রান্স বা ফ্রেঞ্চ প্রোডাক্টকে বয়কট করার ডাক দিচ্ছেন, সবিনয়ের সাথে আপনাদের
কে বলছি , ইউরোপের মধ্যে সব চেয়ে বেশি মুসলিম কোন দেশে বসবাস করে জানেন? তার উত্তরঃ ফ্রান্সে। প্রায় সাতান্ন লাখেরও অধিক মুসলমানের আবাস্থল এই ফ্রান্স। এই সাতান্ন লাখ , সাথে প্রায় এক লাখ ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশী মুসলিম এরা কি আপনাদের বয়কটের ভিতরে নাকি বাহিরে ?
আপনারা কি জানেন ? ফ্রান্সে প্রায় আড়াই হাজারের অধিক তালিকাভুক্ত মসজিদ রয়েছে যেখানে মুসলমানেরা তাদের ধর্ম চর্চা করে যাচ্ছে।একটা দেশের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তোলার পূর্বে সব কিছু বিবেচনা করা উচিত।
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি এটি নতুন কিছু না ,একটা দেশের কিছু মানুষ বা কিছু রাজনৈতিক পলিসি আপনাদের দৃষ্টিতে খারাপ হতে পারেন তাই বলে একটা দেশ কে খারাপ বলা ঠিক না.
কিছু দিন আগে নরওয়ে ,ডেনমার্ক , সুইডেনে প্রকাশ্যে কোরান অবমাননার ঘটনা ঘটেছে , চীনের উইঘুরতে মুসলিমদের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে, ভারতের কাশ্মীরে মুসলমানের উপর নির্যাতনের অভিযোগ আছে , বার্মার আরাকানে মুসলিম রোহিঙ্গ্যারা নির্যাতীত হচ্ছে - আপনারা কয়টা দেশ কে “বয়কট” এর ডাক দিবেন বলেন ?
আপনাদের আন্দোলনের নিউজ ফরাসি মিডিয়াতে প্রচার হচ্ছে , উগ্রবাদীদের সমর্থনকারি হিসেবে দেখানো হচ্ছে ,এই দেশের জনগণ প্রশাসন ভালো করে দেখছে। বয়কট (ফেরান্স) বলে স্লোগান দিয়ে আপনারা তো ঘরে ফিরে গিয়েছেন কিন্তু এর পর সিস্টেমেটিক লাথি উষ্ঠা কারা খাবে ?
ফরাসিরা যদি বাংলাদেশ বয়কট করার ডাক দেয় তখন
কি হবে কখনো একটু ভেবে দেখেছেন ? ইতিমধ্যে ফ্রান্সের একজন এম পি সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশী গার্মেন্টস পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন ফ্রান্সে হচ্ছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে অন্যতম প্রভাবশালী এবং নেতৃত্বস্থানীয় দেশ. ফ্রান্স বয়কটের ডাক দিলে অন্য দেশ গুলি সাথে সাথে আওয়াজ তুলবে, বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের সর্ব বৃহৎ বাজার টি নষ্ট হয়ে যেতে পারে । সেই সুযোগ টি নিয়ে নেয়ার জন্য ভারত , চায়না , ভিয়েতনাম বসে রয়েছে। বাংলাদেশ বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরো বাণিজ্য থেকে বঞ্চিত হতে পারে।একজন বাংলাদেশী আমি কখনো চাইবো না আমার দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হোক.
*এর পরে যারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
তারা হচ্ছেন ফ্রান্স প্রবাসীরা বাংলাদেশীরা।
কিভাবে হবে কিছু আইডিয়া দিচ্ছি :
*বাংলাদেশ থেকে সাগর -জঙ্গল পাড়ি দিয়ে আশ্রয়ের আশায় আসা বাংলাদেশী অভিবাসীর জন্য অভিশাপ হতে পারে।
*কাগজের আশায় মাটি কামড়ে পড়ে থাকা মানুষটার আবেদন নেগেটিভ প্রভাব পড়তে পারে।
*স্ত্রী সন্তানকে ফ্রান্সে আনার জন্য যে ফ্রান্স প্রবাসী ভাই দিনের পর দিন অপেক্ষা করছে তার আবেদনে প্রভাব পড়তে পারে
* ফ্রান্সের সংকট কালীন সময়ে বাংলাদেশিরা ফ্রান্সের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে , বয়কট বয়কট বলে চিৎকার করেছে এই নিউজ গুলি দেখে কিছু কিছু কট্টরপিন্থী টাইপের ফরাসিরা বাংলাদেশিদের উপর ক্ষিপ্ত হতে পারে , বর্ণবাদী আচরণ বাড়তে পারে বিশেষ করে চাকুরী এবং অভিবাসনের ক্ষেত্রে ও প্রভাব পড়তে পারে।
উপরোক্ত বিষয় গুলি কি আপনারা একটু ভেবে দেখেন প্লিজ।
এবার ব্যঙ্গ চিত্র প্রসঙ্গে কিছু বলি:
আমাদের প্রাণের নবীকে কেউ অপমান করলে সেটি প্রতিটি মুসলমানের কলিজায় আঘাত করে, আমাদের কষ্ট লাগে এতে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। কোনো মুসলমান নবীর অপমানকে মেনে নিতে পারবে না।নিজ বিবেকের নিকট প্রশ্ন করলাম , আচ্ছা আমাদের মহানবীর কোনো ছবি বা (অংকিত ) কোনো চিত্রকর্ম এই দুনিয়াতে কি আছে ? উত্তর : না, যেখানে চিত্রই নেই সেখানে তা ব্যঙ্গ করে কিভাবে? দাড়ি , টুপি ,লম্বা একটা আলখাল্লা লাগিয়ে কেউ যদি বলে এটি তোমাদের মোহাম্মদ এর ছবি আমরা কি বিশ্বাস করবো? (নাউযুবিল্লাহ ) না কখনও না। আমার বিশ্বাস,কোনো ঈমানদার মুসলিম এটি বিশ্বাস করতে পারে না।
আমরা জানি ,আমাদের নবী হচ্ছেন সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ মহা মানব। তিনি ছিলেন আল্লাহর হাবীব। উনার প্রকৃত আকৃতি বা ছবি আঁকার মতো কোনো চিত্রককর , কোনো শিল্পী
এদুনিয়াতে সৃষ্টি হয় নাই. যদি সারা বিশ্বের সকল সেরা চিত্রকররা এক হয়ে কেয়ামত পর্যন্ত চেষ্টা করলেও পারবে না- এটি আমার বিশ্বাস। অন্যদিকে ,স্বয়ং আল্লাহ যাকে সম্মানীত করেছেন তাকে অসম্মান করার সাধ্য কারো নেই , সাধ্য কারো নেই , সাধ্য কারো নেই।
আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে হয় , আল্লাহ , আল্লাহর রাসূল , ইসলাম এবং কোরান কে হেফাজত করার জন্য মহান আল্লাহ স্বয়ং আরশে আজিমে বসে আছেন। সুতরাং ধর্মের নামে মানুষ হত্যা ,গলা কাঁটা, মানুষকে পিটিয়ে পুড়িয়ে মারা এসব বন্ধ হোক. সকল ধরণের ধর্মীয় উগ্রতা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কে ঘৃণা ভরে বয়কট করুন।
(বিঃ দ্রঃ যৌক্তিক , গঠনমূলক মন্ত্যব্য কে স্বাগত জানাবো কিন্তু
অযৌক্তিক-অশ্লীল ,অতিমাত্রায় চেতনা -উগ্র,ধর্মান্ধ
মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ রইল)
(সংগৃহীত )
স্কুলে যখন ‘সমাস ‘ পড়ানো হত, তখন স্যারেরা একটু দুষ্টুমী করেই বলতেন ‘সমাস ‘ শিখতে নাকি ছয় মাস লাগে। যদিও কথাটি দুষ্টামীর ছলে বলা কিন্তু কথাটি একটু বেশিই সত্যিই। ৬ মাস তো দূরে থাক 4 বছরেও শিখা হলো না কোনটা কোন সমাস।
,
দ্বিগু সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? আচ্ছা, দ্বিগু শব্দের “দ্বি ” মানে কী? দ্বিতীয় শব্দে “দ্বি ” আছে না? আমরা ২ বুঝাতে “দ্বি ” শব্দটি ব্যবহার করি। ২ মানে কী? একটি সংখ্যা। তাহলে যে শব্দে সংখ্যা প্রকাশ পাবে এখন থেকে সেটাকেই “দ্বিগু ” সমাস বলে ধরে নিবেন। যেমন পরীক্ষায় আসলো শতাব্দী কোন সমাস? আচ্ছা শতাব্দী মানে হল শত অব্দের সমাহার। অর্থাৎ প্রথমেই আছে “শত ” মানে একশ, যা একটি সংখ্যা। সুতরাং এটি দ্বিগু সমাস। একইভাবে ত্রিপদী ( তিন পদের সমাহার)এটি ও দ্বিগু সমাস। কারণ এখানে ও একটি সংখ্যা (৩) আছে। এবার যেকোন ব্যাকরণ বই নিয়ে দ্বিগু সমাসের যত উদাহরন আছে সব এই সুত্রের সাহায্যে মিলিয়ে নিন।
,
এবার আসুন কর্মধারয় সমাসে। খুব বেশি আসে পরীক্ষায় এখান থেকে। কর্মধারয় সমাসে “যে /যিনি/যারা ” এই শব্দগুলো থাকবেই। যেমন: চালাকচতুর – এটি কোন সমাস? চালাকচতুর মানে ‘যে চালাক সে চতুর ‘ তাহলে এখানে ‘যে ‘ কথাটি আছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস। তবে কর্মধারয় সমাস ৪ প্রকার আছে। মুলত এই ৪ প্রকার থেকেই প্রশ্ন বেশি হয়। প্রথমেই আসুম মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চিনি। নামটা খেয়াল করুন, মধ্যপদলোপী। মানে মধ্যপদ অর্থাৎ মাঝখানের পদটা লোপ পাবে মানে চলে যাবে। সহজ করে বললে হয়, যেখানে মাঝখানের পদটা চলে যায় সেটিই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ সিংহাসন -কোন সমাস? সিংহাসন মানে ‘সিংহ চিহ্নিত যে আসন ‘। তাহলে দেখুন এখানে ‘সিংহ চিহ্নিত যে আসন ‘ বাক্যটি থেকে মাঝখানের “চিহ্নিত ” শব্দটি বাদ দিলে অর্থাৎ মধ্যপদ “চিহ্নিত ” শব্দটি লোপ পেলে হয় “সিংহাসন “। যেহেতু মধ্যপদলোপ পেয়েছে, অতএব এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
উপমান কর্মধারয় সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? যদি ২টি শব্দ তুলনা করা যায় তবে সেটি হবে উপমান কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ তুষারশুভ্র – কোন সমাসের উদাহরন? এটি পরীক্ষায় অনেকবার এসেছে। শব্দটি খেয়াল করুন “তুষারশুভ্র “। তুষার মানে বরফ, আর শুভ্র মানে সাদা। বরফ তো দেখতে সাদা। তাহলে তো এটি তুলনা করা যায়। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়। একইভাবে “কাজলকালো “এটিও উপমান কর্মধারয় সমাস। কারণ কাজল দেখতে তো কালো রঙেরই হয়। তার মানে তুলনা করা যাচ্ছে। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়।
এটি অন্যভাবে ও মনে রাখা যায়। উপমান মানে Noun + Adjective. যেমন তুষারশুভ্র শব্দটির তুষার মানে বরফ হল Noun, আর শুভ্র মানে সাদা হল Adjective। কাজলকালো শব্দটির কাজল হল Noun, এবং কালো হল Adjective। অতএব Noun + Adjective = উপমান কর্মধারয় সমাস।
উপমিত কর্মধারয় মানে যেটা তুলনা করা যাবে না। বিগত বছরের একটি প্রশ্ন ছিল :সিংহপুরুষ – কোন সমাসের উদাহরণ? খেয়াল করুন শব্দটি। সিংহপুরুষ মানে সিংহ আর পুরুষ। আচ্ছা সিংহ কি কখনো পুরুষ হতে পারে নাকি পুরুষ কখনো সিংহ হতে পারে? একটা মানুষ আর অন্যটা জন্তু, কেউ কারো মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস। চন্দ্রমুখ শব্দটি কোন সমাস? খেয়াল করুন মুখ কি কখনো চাঁদের মত হতে পারে, নাকি চাঁদ কখনো মুখের মত হতে পারে? কোনোটাই কোনটার মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
এটিও অন্যভাবে মনে রাখা যায়। উপমিত মানে Noun+ Noun. যেমন -পুরুষসিংহ শব্দটির পুরুষ ও সিংহ দুটোই Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun। একইভাবে চন্দ্রমুখ শব্দটির চন্দ্র ও মুখ দুটিই Noun । অর্থাৎ Noun+ Noun। অতএব । অর্থাৎ Noun+ Noun= উপমিত কর্মধারয় সমাস
বাকি থাকল রুপক কর্মধারয় সমাস। এটিও খুব সোজা। রুপ- কথাটি থাকলেই রুপক কর্মধারয়। যেমনঃ বিষাদসিন্ধু -এটি কোন সমাস? বিষাদসিন্ধু কে বিশ্লেষণ করলে হয় “বিষাদ রুপ সিন্ধু “। যেহেতু এখানে রুপ কথাটি আছে, অতএব এটি রুপক কর্মধারয় সমাস। একইভাবে মনমাঝি -মনরুপ মাঝি, ক্রোধানল -ক্রোধ রুপ অনল, এগুলো ও রুপক কর্মধারয় সমাস, যেহেতু রুপ কথাটা আছে।
🔴ব্যতিক্রম ধর্মী বাংলা শব্দার্থ🔴
১) সালতি-- ছোট ডিঙ্গি নৌকা
২) প্রদোষ-- সন্ধ্যা
৩) কূপমণ্ডূক-- কুনোব্যাঙ
৪) আহব-- যুদ্ধ
৫) সওগাত-- উপহার
৬) হোমাগ্নি-- আগুন
৭) মুঢ়োতা-- কুসংস্কার
৮) বামেতর-- ডান
৯) সায়র—দিঘি
১০) পার্বণ—উৎসব
১১) লেফাফা—মোড়ক
১২) আদিখ্যেতা—ন্যাকামি
১৩) চয়ন—সম্ভার
১৪) অর্ঘ — মূল্য কিন্তু অর্ঘ্য- পূজার উপকরণ
১৫) সোপান—সিঁড়ি
১৬) মূঢ়তা—অনভিজ্ঞতা
১৭) অনিন্দ্য--নিখুঁত
১৮) নির্নিমেষ–অপলক
১৯) বায়স–কাক
২০) খেচর—পাখি
২১) প্রথিতযশা—খ্যাতনামা
২২) আদ্যোপান্ত—আগাগোড়া
২৩) অভিরাম—সুন্দর
২৪) আভরণ—অলংকার কিন্তু আবরণ--ঢাকনি
২৫) উপাদান—উপকরণ কিন্তু উপধান-- বালিশ
২৬) অনীক-- সৈনিক
২৭) উপরোধ-- অনুরোধ
২৮) শুখো--অনাবৃষ্টি কিন্তু হাজা - অতিবৃষ্টি
২৯) কুম্ভিলক - নকলবাজ
৩০) শীকর -- বৃষ্টির জল/জলকণা
৩১) কোকনদ--লাল পদ্ম।
৩২) নীর--পানি কিন্তু নীড়--পাখির বাসা
৩৩) মক্ষিকা--মাছি।
৩৪) পাণি--হাত।
৩৫) ওদন - অন্ন, খাবার
৩৬) সমীরণ--বাতাস
৩৭) পরার্থ– পরোপকার
৩৮) রম্ভা--কলা
৩৯) পনস-- কাঁঠাল
৪০) বুধ--জ্ঞান
৪১) তাঞ্জাম--পালকি
৪২) আকাল -- দুর্ভিক্ষ।
৪৩) মার্জার -- বিড়াল।
৪৪) অভিনিবেশ -- মনোযোগ।
৪৫) নির্মোক -- সাপের খোলস।
৪৬) শ্বশ্রু - শাশুড়ি কিন্তু শ্মশ্রু --গোঁফদাড়ি।
৪৭) জঙ্গম - গতিশীল ।
৪৮) বহুব্রীহি - বহু ধান।
৪৯) অপলাপ - অস্বীকার
৫০) কিরীট - মুকুট কিন্তু কিরীটিনী - মুকুট ভূষিত।
৫১) কৌমুদি - জোৎস্না।
৫২) কুমুদ -পদ্ম।
৫৩) ঈদৃশ - এই রকম কিন্তু তাদৃশ - সে রকম।
৫৪) বারীন্দ্র - সমুদ্র।
৫৫) সমভিব্যাহারে - সঙ্গে নিয়ে।
৫৬) মৃগয়া - বনে গিয়ে হরিণ শিকার।
৫৭) আততায়ী - গুপ্তঘাতক।
৫৮) কুক্কুট-- মুরগী।
৫৯) বেসাতি - কেনা বেচা।
৬০) অরবিন্দ -- পদ্ম
৬১) মকর - সমুদ্র।
৬২) নীপবৃক্ষ - কদম গাছ।
৬৩) রসাল - আম।
৬৪) বারিধি - সমুদ্র।
৬৫) আঁশটে - মাছের আঁশের গন্ধযুক্ত।
৬৬) মীনসন্তান - মাছ।
৬৭) ওয়াগণ - মালগাড়ি।
৬৮) আরক্ত - লালচে।
৬৯) বর্ষীয়সী - অতিশয় বৃদ্ধা।
৭০) রায়ট - দাঙ্গা।
৭১) আদমশুমারী - লোক গণনা পদ্ধতি।
৭২) সৎকার-- আপ্যায়ন।
৭৩) বহিত্র - নৌকা।
৭৪) দামিনী - বিদ্যুৎ।
৭৫) জলধি - সমুদ্র।
৭৬) বিবর্ধন - উত্তেজনা।
৭৭) বিরাগী - উদাসীন।
৭৮) বীচী - তরঙ্গ।
৭৯) খপোত - উড়োজাহাজ।
৮০) রাতুল - লাল।
৮১) উর্ণনাভ - মাকড়সা।
৮২) নির্বন্ধ - বিধান।
৮৩) শম্বর - হরিণ।
৮৪) গোকুল - গরু জাতি।
৮৫) মকমক - ব্যাঙের ডাক।
৮৬) পল্লবগ্রহিতা - ভাসা ভাসা জ্ঞান।
৮৭) অভিধান- শব্দার্থ।
৮৮) গবাক্ষ - জানালা।
৮৯) মার্তন্ড - সূর্য।
৯০) অনল--আগুন কিন্তু অনিল--বাতাস
৯১) পাবক-- আগুন কিন্তু পবন অর্থ--বাতাস
৯২) ক্ষণদা--রাত কিন্তু ক্ষণপ্রভা-- বিদ্যুৎ
৯৩) নিশা--রাত কিন্তু নিশাকর/নিশাকান্ত-- চাঁদ
৯৪) রজনী--রাত কিন্তু রজনীকান্ত-- চাঁদ
৯৫) মৃণাল--পদ্ম কিন্তু মৃগাঙ্ক-- চাঁদ
৯৬) কুমুদ--পদ্ম কিন্তু কুমুদনাথ--চাঁদ
৯৭) ভবন--ঘর কিন্তু ভূবন-- পৃথিবী
৯৮) ভূ--পৃথিবী কিন্তু ভূধর--পাহাড়
৯৯) মহী-- পৃথিবী কিন্তু মহীধর-- পাহাড়
১০০) কল্লোল--ঢেউ কিন্তু কল্লোলিনী--নদী
#সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
04
Dhaka
1207
