𝕛 𝔸 𝕊 𝕋 𝕃 𝕆 𝕧 𝔼

𝕛  𝔸  𝕊  𝕋     𝕃 𝕆 𝕧 𝔼

Share

���

10/02/2024

একেই বলে গণতন্ত্র (Democracy)

কোন এক হোস্টেলে ১০০ জন ছাত্র ছিল। তাদের টিফিনে প্রতিদিন "সিঙ্গাড়া" দেওয়া হত। কিন্তু ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জনই প্রতিদিন এই একই খাবার খেতে চাইতো না। তারা টিফিনে অন্য কিছু খাবারের জন্য হোস্টেল সুপারের কাছে আবেদন জানালো। কিন্তু বাকি ২০ জন প্রতিদিন সিঙ্গাড়াই খেতে চাইলো।

অবশেষে হোস্টেল সুপার ভোটের ব্যবস্থা করলেন এবং বললেন, যে খাবার সর্বাধিক ভোট পাবে সেই খাবারই প্রতিদিন টিফিনে দেওয়া হবে।

ভোটে দেখা গেলো, ওই ২০ জন ছাত্র প্রতিদিন সিঙ্গাড়ার পক্ষেই ভোট দিয়েছে।

বাকি ৮০ জন ভোট দিয়েছে ঠিক এভাবে -
ডালপুরি - ১৮ জন
পরোটা ও সবজি - ১৬ জন
রুটি ও ছোলার ডাল - ১৩ জন
মাখন পাউরুটি - ১১ জন
নুডুলস্ - ১০ জন
ভেজিটেবল রোল - ৭ জন
এগটোস্ট - ৫ জন

ফলাফলে সেই সিঙ্গাড়া সর্বাধিক ভোট পাওয়ায় টিফিনে প্রতিদিন সিঙ্গাড়া দেওয়াই চলতে লাগলো..!

¤ মরাল অফ দ‍্য স্টোরী হ'ল -
যতদিন ৮০ শতাংশ মানুষ নিজেদের স্বার্থপরতা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত থাকবে, ততদিন ২০ শতাংশ মানুষই তাদের শাসন করবে।
Collected

09/02/2024

অবাক বিস্ময়: এই নামের নদীগুলো বাংলাদেশে আছে!🥰💜

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আছে ‘পাগলা’ নদী আর কুমিল্লায় আছে ‘পাগলি’। 'সতা’ নদ আছে নেত্রকোনায়, ‘সতি’ আছে লালমনিরহাটে, 'মহিলা' নদী দিনাজপুরে, পুরুষালি’ নদী ফরিদপুরে, ‘মাকুন্দা’ আবার সিলেটে।

সিলেটে আছে ‘ধলা’ নদী আর দিনাজপুরে আছে ‘কালা’ নদী, হবিগঞ্জে আছে ‘শুঁটকি’ নদী, পঞ্চগড়ে আছে ‘পেটকি’, আবার পাবনায় আছে ‘চিকনাই’ নদী। ‘বামনী’ নদী আছে নোয়াখালীতে, ‘ফকিরনি’ আছে নওগাঁয়।

চুয়াডাংগায় ‘মাথাভাঙ্গা’, নীলফামারীতে ‘চুঙ্গাভাঙ্গা’, হবিগঞ্জে ‘হাওরভাঙ্গা’, সাতক্ষীরায় ‘হাঁড়িয়াভাঙ্গা’, পটুয়াখালীতে ‘খাপড়াভাঙ্গা’, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘নাওভাঙ্গা’, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আছে ‘ছিটিভাঙ্গা’।

বাগেরহাটে ‘পুঁটিমারা’ লালমনিরহাটে ‘সিঙ্গীমারা’, খুলনায় ‘শোলমারা, খাগড়াছড়ির ‘গুইমারা’, সাতক্ষীরায় ‘সাপমারা’, পঞ্চগড়ে ‘ঘোড়ামারা’, হবিগঞ্জে ‘হাতিমারা', চুয়াডাঙ্গায় ‘ভাইমারা’ ও সুনামগঞ্জে ‘খাসিয়ামারা’ নামে নদী আছে।

ফরিদপুরে আছে ‘কুমার’, চট্টগ্রামে আছে ‘ধোপা’, নওগাঁয় আছে ‘গোয়ালা’, আর সিরাজগঞ্জে আছে ‘গোহালা’। ঢাকী’ আছে খুলনায় আর ‘বংশী’ নদী আছে সাভারে।

'লুলা’ নদী সিলেটে, ‘খোড়া’ নদী নীলফামারী, ‘বোকা’ নদী ছাতক আর ‘খ্যাপা’ নদী সিলেটে। আবার মগরা’ নদী নেত্রকোনা, ‘ফটকি’ নদী মাগুরা, মঘা’ নদী ময়মনসিংহ, ‘ল্যাঙ্গা’ নদী গাইবান্ধা, ‘হাবড়া’ নদী সাতক্ষীরা, এবং ‘হোজা’ নদী রাজশাহী।

লঙ্কা’ নদী বরিশালে, ‘গুড়’ নদী নাটোরে। ‘ক্ষীর’ নদী ময়মনসিংহে, ‘লোনা’ নদী ঠাকুরগাঁওয়ে। ‘নুনছড়া’ আছে সিলেটে, ‘কালিজিরা’ বরিশালে, সুনামগঞ্জে আছে ‘লাউগাঙ’ আর ‘লাচ্ছি’ নদী আছে ঠাকুরগাঁওয়ে।

পটুয়াখালীতে আছে ‘পায়রা’, খুলনায় আছে ‘ময়ূর’, দিনাজপুরে আছে ‘শুক’ (টিয়া), সিলেটে ‘সারি’ (শালিক), বাগেরহাটে আছে ‘বগী’, সিলেটে ‘কুড়া’, রাজশাহীতে আছে ‘কোয়েল’, রাজবাড়ীতে ‘চন্দনা’, পঞ্চগড়ে আছে ‘ডাহুক’, সুনামগঞ্জে ‘ডাহুকা’, মৌলভীবাজারে আছে ‘মুনিয়া’।

পাবনায় আছে ‘কমলা’, সুনামগঞ্জে ‘খুরমা’, কুমিল্লায় ‘কালাডুমুর’ নদী। সিলেটের জকিগঞ্জে আছে ‘তাল’ ও ‘কুল’ নামে দুই গাং।

ফেনীতে আছে ‘মুহুরী’, মৌলভীবাজারে ‘জুড়ী’, রংপুরে আছে ‘কাঠগড়া’ নদী। আর যশোরে আছে ‘টেকা’, বরিশালে ‘পয়সা’, সিরাজগঞ্জে ‘দশসিকা’, জামালগঞ্জে আছে ‘দশানী’ নদী।

বিষখালী নদী ঝালকাঠি/বরগুনায় আর নির্বিষখালী’ নদী মাগুরায়। বালু নদী গাজীপুরে, বালিখাল হবিগঞ্জে, বালুখালী চট্টগ্রামে আর বালুভরা নওগাঁয়।

'ঘাগড়া' আছে পঞ্চগড়ে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘ঘুঙ্গুর’, আর নরসিংদীতে ‘কাঁকন’। আবার ‘ছেঁড়া’ নদী খুলনায় ‘ফুটা’ নদী টাঙ্গাইলে।

ভোলায় ‘কলমি’, শরীয়তপুরে ‘পালং’, মাদারীপুরে ‘ময়নাকাঁটা’, বরিশালে ‘লতা’ আর সিলেটে আছে ‘শ্যাওলা’ নদী।

কলকলিয়া হবিগঞ্জে, হলহলিয়া কুড়িগ্রামে, ঝনঝনিয়া গোপালগঞ্জে, ঝপঝপিয়া খুলনায়, জিরজিরা জামালপুরে, গড়গড়া গাজীপুরে।

তথ্যসূত্র:
ক। বাংলাদেশের নদনদী- ম. ইনামুল হক
খ। উইকিপিডিয়া
গ। প্রথম আলো।

- Fouzia Sameer.

06/02/2024

আন্তর্জাতিক নিয়মে কোনো দেশের বানিজ্যিক বিমান অন্য দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করলে অন্তত পাঁচশত ডলার ফী দিতে হয় ওই দেশকে।

দক্ষিন এশিয়ার একমাত্র বাংলাদেশের আকাশ ব্যাবহার করলে অন্তত ৯৫ ভাগ বানিজ্যিক বিমানকে বাংলাদেশকে কোন ডলার দিতে হয় না। বাংলাদেশের আকাশ ব্যাবহার করে কিন্তু চার্জ পায় ভারত। ভারতের রাডার থেকে সিগনাল রেজিস্ট্রার করা হয়, তাই এসব বিমান থেকে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যাবহারের সকল অর্থ পায় ভারত।

(১৯৮০ সালে) শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশের একমাত্র বেসামরিক রাডারটি বসানো হয় ও কমিশন করা হয়। এই একটি মাত্র রাডার দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের আকাশ পাহারা দেয়া হচ্ছে ৪৪ বছর ধরে।
গত ১৫ বছরে আমাদের দেশ ডিজিটাল থেকে স্মার্ট হলেও আমরা রাডার সিস্টেমে এখনো আশির দশকেই পরে আছি।অথচ বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর প্রায় সকল দেশই এখন চতুর্থ প্রজন্মের উন্নত রাডার সিস্টেম ব্যবহার করতে শুরু করছে।।
আসলে আমাদের উন্নয়ন শুধু খাতা কলমেই সিমাবদ্ধ, বাস্তবিক অর্থে আমরা উন্নয়ন থেকে অনেক পিছিয়ে আছি।
আমরা ইউরোপ আমেরিকায় পোশাক রপ্তানি করে তৃপ্তির ঢেকর তুলি অথচ চিন্তা করে দেখিনা যারা প্রযুক্তিতে এত এগিয়ে গিয়েছে তারা কি পোশাক তৈরি করতে পারেনা,
মুল কথা হচ্ছে পোশাকের মত ছোটখাটো বিষয় নিয়ে তাদের চিন্তা করার সময় নেই তাই তারা তারা বাইরে থেকে পোশাক নেয়,আজ বাংলাদেশের চেয়ে কম দামে অন্য কোন দেশ পোশাক তৈরি করে দিলে কেউ আমাদের পোশাক নিবেনা।
তাই আমাদের যদি উন্নতি করতে হয় তাহলে প্রকৃত অর্থে উন্নতি করতে হবে যেখানে শিক্ষা এবং গবেষণা খাতে উন্নতির বিকল্প নেই।

এখন আসি রাডার নিয়ে কিছু বলি,
আজ থেকে ৪৪ বছর আগের পুরাতন রাডারটি অনেক বছর আগেই এক্সপায়ার হয়ে গেছে, এখনও বারবার মেরামত করে প্রথম প্রজন্মের এই রাডার ব্যবহার করতে হয়। এত পুরাতন রাডার দক্ষিন এশিয়ায় শুধুমাত্র বাংলাদেশই ব্যাবহার করে। যার কার্যক্ষমতা আন্তর্জাতিক মান দন্ডে প্রশ্নের মুখে বহুদিন থেকে।

মজার তথ্য হল হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ২০১৭ সালে মানে সাত বছর আগে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের জন্যে নতুন একটি ৪র্থ প্রজন্মের রাডার কেনা হয়। উক্ত রাডারটি ২০১৭ সালে স্থাপন করা হলেও এখন পর্যন্ত চালু করে কমিশন করা সম্ভব হয় নাই।

ভারতের আপত্তির কারনে এই রাডার সচল করা হচ্ছে না। রাডারটি বসানোর সময়েও ভারত আপত্তি জানায়। অথচ ভারত তাদের রাডার ব্যাবহার করে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ভাড়া গুনছে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো থেকে যার বার্ষিক আয়ের পরিমান প্রায় ১০০ কোটি ডলারর উপরে।

এক ভারতকেই প্রতিদিন গড়ে একশোর উপর বিমান বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যাবহার করে বিভিন্ন প্রদেশে যাতায়ত করতে হয়। অথচ সাত বছর থেকে চট্টগ্রামের,, রাডারটি পড়ে থেকে মেয়াদ হারাচ্ছে প্রতিদিন।

চট্টগ্রামের রাডারটি চালু হলে ভারতের আয়ে ঘাটতি দেখা দিবে এইটা আগে চিন্তা করলে অন্তত ছয় বছর আগে এত টাকা দিয়ে রাডারটি কেনার প্রয়োজন ছিল না৷ ভারত মন খারাপ করবে বা ভারতের সুই সমতুল্য স্বার্থে লাগে এমন কাজ তো আর আমাদের পক্ষে সম্ভব না। দেশ জাহান্নামে যাক, বান্দে মাতারামই আসল চেতনা বাংলাদেশের।

ডিজিটাল বাংলাদেশের অপর নাম হল - ভারাত মাতা কি জয় হো। ভারতের এক ডলার ব্যাবসা কম হওয়া মানে ডিজিটাল বাংলাদেশের চেতনা কম হওয়া।।
সব জায়গায় চেতনা না দেখিয়ে নিজের বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন।
আমি এখানে কোন রাজনৈতিক দলের চামচামি করতে আসিনি আর করবোও না, নিজের বিবেকবোধ থেকেই কথাগুলো বললাম,,,,,,,,
আশা করি ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই।

29/01/2024

বলুন তো লোকটার কাকে বাঁচানো উচিৎ আগে??

তথ্য এবং ছবি ( ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)
অনুবাদ - Sultana Papri

এই চিত্রকর্মটির নাম 'প্রলয় দৃশ্য' Scene of deluge!

১৮২৬ সালের গ্রেট ফ্লাড বা দ্য গ্রেট ফ্লাড হল এর একটি দৃশ্য। জোসেফ-ডিসির কোর্টের Noah's flood বা নূহের বন্যার উপর করা একটি চিত্রকর্ম। ১৮২৭ সালের ৪ঠা নভেম্বর প্যারিস সেলুনে এটি প্রথম প্রদর্শিত হয়েছিল, যদিও - প্রিক্স ডি রোমের বিজয়ী হিসাবে - তিনি সেই সেলুনের পুরস্কারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি।

এখানে আপনি দেখতে পাচ্ছেন একজন ব্যক্তি তার বাবাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন এবং তার স্ত্রী এবং বাচ্চাকে (ছেলে) সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করছেন। অথচ তারা তার বেশি কাছাকাছি আছে, তাদেরকে বাঁচানো সোজা। তার বাবা দূরে, তাকে বাঁচানোই বরং কঠিন।

এখানে ছবিটি রুপক। স্ত্রী বর্তমান জীবনের রুপক। পুত্র ভবিষ্যত এবং অপরদিকে বাবা অতীতের রুপক। বোঝাচ্ছে ব্যাক্তিটি অতীতকে আঁকড়ে আছে এবং তার বর্তমান জীবন ও ভবিষ্যৎ হারাচ্ছে। অনেকের দৈনন্দিন জীবনে যা ঘটে তার একটি নিখুঁত রূপক।
এরকম পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই কঠিন।
অথচ সিদ্ধান্ত নিতেই হবে এবং মাথা থেকে নিতে হবে। আমাদের জীবনেও এমন পরীক্ষা আসে। আমাদেরকে সেই পরীক্ষা দিতে হয়। সেই পরীক্ষার উপর অনেক সময় আমাদের বাকী জীবন নির্ভর করে।

25/01/2024

ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে বিড়ালটি একটি ছোট গর্ত থেকে একটি সাপের লেজ আটকে থাকতে দেখেছে এবং বিড়ালটি ভেবেছিল যে এটি একটি ইঁদুরের লেজ, তাই সে এটিকে টেনে টেনে তাড়িয়ে দিতে চেয়েছিল যতক্ষণ না এটি বেরিয়ে আসে...।

ছবিটি বিখ্যাত ইতালীয় চিত্রশিল্পী মার্কো মেলগ্রাতির।

তার পেইন্টিংয়ের অর্থ: "ঝুঁকি না জেনে আপনি কখনই জানেন না আপনি কার সাথে খেলছেন"।

#সংগ্রহীত

25/01/2024

আপনি কফিন দেখেন কিন্তু আমি দেখি একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের পরাধীনতা 🙂

22/01/2024
16/01/2024

একদিন এক পরমা সুন্দরী মহিলা রাস্তা দিয়ে হেটে
যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে ঐ সুন্দরী মহিলাকে দেখে
এক পুরুষের ভালো লেগে যায়, যার ফলে
লোকটি মহিলাটিকে ধর্ষন করে, লোকটির হাত
থেকে বাঁচার জন্য মহিলাটি জোরে চিৎকার শুরু
করে.?
পথিমধ্যে দ্বিতীয় এক পুরুষ ঐ রাস্তা দিয়ে হেটে
যাচ্ছিলো.।
মহিলার চিৎকার শুনে দ্বিতীয় লোকটি সেখানে যায়।
অতঃপর প্রথম লোকটির হাত থেকে মহিলাটিকে
বাঁচায়। তারপর দ্বিতীয় লোকটি মহিলাটিকে
জিজ্ঞেস করলো কোথায় যাবেন.?
মহিলাটি উত্তর দিলো আমার বাড়ি ঘর নাই.। এই কথা
শুনে দ্বিতীয় লোকটি মহিলাটিকে তার বাড়িতে
নিয়ে আশ্রয় দেয়.। তাকে নতুন শাড়ী কিনে
দেয়, তারপর থেকে প্রতিদিন দ্বিতীয় লোকটি
মহিলাটিকে তার বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষন
করতে থাকে.।
আর মহিলাটি শত চেষ্টা করেও দ্বিতীয় পুরুষটির হাত
থেকে বাঁচতে পারেনি.।

আপনারা জানেন কি
এটা কার কাহিনী.?
তাহলে শুনুন.।

এটা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারত এর একটা কাহিনী।
সুন্দরী মহিলাটি হচ্ছে বাংলাদেশ।
প্রথম পুরুষটি হচ্ছে পাকিস্তান,
যে কিনা 1971 সালে যুদ্ধ করেছিলো.।
আর দ্বিতীয় লোকটি হচ্ছে ভারত, যে কিনা
পাকিস্তানের হাত থেকে বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে
নিজেরা আজো বাংলাদশের ক্ষতি করে যাচ্ছে.। আপনাদের মতামত কি ??

23/01/2023

🥀🥰we are not same Bro

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Naria Shariatpur
Dhaka