29/05/2026
প্রিয় রেমিট্যান্স যোদ্ধাগণ,
প্রবাস থেকে পাঠানো আপনাদের কষ্টের রেমিট্যান্সের ওপর এক পয়সাও ট্যাক্স দিতে হবে না। পাশাপাশি, আগের মতোই ২.৫% সরকারি প্রণোদনা সুবিধাও অব্যাহত থাকছে।
দয়া করে কোনো ধরনের গুজবে কান দেবেন না এবং গুজব রটনাকারীদের থেকে সতর্ক থাকুন।
হে আল্লাহ, গুজব সৃষ্টিকারীদের আপনি হেদায়েত দান করুন, অন্যথায় তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করুন। আমিন।
#সচেতনতায়: বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ
26/05/2026
পবিত্র ঈদুল আজহার পবিত্র এই দিনে দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহকে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।
14/05/2026
#শোকবার্তা: ওমানের মুলাদ্দায় ৪ রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ-এর গভীর শোক প্রকাশ:
ওমানের মুলাদ্দায় গতকাল ১৩ মে ২০২৬ তারিখে এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধার অকাল মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।
দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যারা বিদেশের মাটিতে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতেন, আজ তাদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের স্বপ্নকেই ধূলিসাৎ করেনি, বরং গোটা জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই পরিবারের চারজন সদস্যের এই করুণ প্রস্থান আমাদের হৃদয়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে।
আমাদের দাবি ও প্রার্থনা:
বিদেহী আত্মার মাগফিরাত:
আমরা পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলার কাছে মরহুমদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করার প্রার্থনা করছি।
সমবেদনা:
শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ যেন তাদের এই কঠিন শোক সইবার ধৈর্য দান করেন।
দ্রুত মরদেহ প্রত্যাবাসন:
আমরা বাংলাদেশ সরকার ও ওমানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি, যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ৪ জন রেমিট্যান্স যোদ্ধার মরদেহ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরিয়ে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরিবারকে সহায়তা:
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের প্রয়োজনীয় আর্থিক ও মানসিক সহযোগিতা প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে সর্বদা পাশে ছিল এবং থাকবে। এই দুঃসময়ে আমরা শোকাহত পরিবারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি।
শোকান্তে,
বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ
12/05/2026
ওমানে ১০ মে, ২০২৬ তারিখে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, ওমান শাখা এক আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ওমানের বিভিন্ন শহর থেকে আগত প্রবাসী নেতা, সদস্য ও সুধীবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, ওমান শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক এবং সঞ্চালনা করেন খায়ের আহমেদ খালেক।
অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. কবীর হোসেন প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা নিরসন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের প্রতি বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের ১০ দফা যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনির হোসেন (উপদেষ্টা, ওমান শাখা)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা আরিয়ান আরেফিন।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মো. জুয়েল মুন্সী (উপদেষ্টা, ওমান শাখা)।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাখাওয়াত হোসেন শান্ত (ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক)।
আরও উপস্থিত ছিলেন মো. এরফান (ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক), মো. জাকির খান (সহ-সভাপতি) এবং আনোয়ার হোসেন (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)সহ আরও অনেকে।
আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ও দাবি:
অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে নিম্নলিখিত দাবি ও সমস্যাগুলো তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানানো হয়:
১. মরদেহ পরিবহন: অনিয়মিত, আনডকুমেন্টেড ও অসহায় প্রবাসীদের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে আনার ‘নীতিমালা-২০২২’-এর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
২. রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব: জাতীয় সংসদ বা উচ্চকক্ষে প্রবাসীদের জন্য ন্যূনতম ১০% সংরক্ষিত আসন সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করা।
৩. বিমানবন্দর ও টিকিট সিন্ডিকেট: বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধ করা এবং বিমান টিকিট সিন্ডিকেটমুক্ত করে সুলভ মূল্যে টিকিট নিশ্চিত করা।
৪. নাগরিকত্ব ও পেনশন: যুগোপযোগী দ্বৈত নাগরিকত্ব আইন প্রণয়ন এবং প্রবাসীদের জন্য কার্যকর পেনশন সুবিধা চালু করা।
৫. পাসপোর্ট ও দূতাবাস সেবা: পাসপোর্টে নাম ও বয়স সংশোধনের সহজ সুযোগ এবং দালালমুক্ত ডিজিটাল দূতাবাস সেবা নিশ্চিত করা।
৬. সুরক্ষা আইন ও চিকিৎসা: ‘প্রবাসী সুরক্ষা আইন’ প্রণয়ন, প্রতিটি জেলায় প্রশাসনিক সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন এবং প্রবাসীদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যবীমা চালু করা।
৭. বাজেট ও শিক্ষা: জাতীয় বাজেটে প্রবাসীদের জন্য ৫% বিশেষ বরাদ্দ রাখা এবং পাঠ্যপুস্তকে ‘প্রবাস শিক্ষা’ অন্তর্ভুক্ত করা।
৮. বৈধকরণ ও ভিসা সুবিধা: অনথিভুক্ত প্রবাসীদের বৈধ করতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা এবং ঢাকা থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (EU) দেশগুলোর ভিসা প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা করা।
৯. শ্রম কল্যাণ উইং: প্রবাসী অধ্যুষিত দেশগুলোতে পর্যাপ্ত দক্ষ জনবলসহ ‘শ্রম কল্যাণ উইং’ স্থাপন ও সেবার মান বৃদ্ধি করা।
১০. অভিবাসন ব্যয় ও ঋণ: সরকারিভাবে (G2G) বিদেশে কর্মী প্রেরণের খরচ সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকায় সীমাবদ্ধ করা এবং প্রবাসফেরতদের জন্য জামানতবিহীন ও সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করা।
উক্ত দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক এবং প্রতিমন্ত্রী জনাব নুরুল হক নুরের প্রতি বিশেষ অনুরোধ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। তাই তাদের সেবা ও সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।
পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে সামনের দিনগুলোতে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
10/05/2026
লেবাননে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত।
যথাযোগ্য মর্যাদায় কাতারে উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এ উপলক্ষে গতকাল ৯মে, ২০২৬ইং তারিখে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে একটি স্থানীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
লেবানন শাখার সভাপতি ফিরোজ ডাকুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও লেবানন শাখার অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কবীর হোসেন। তিনি প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার আদায় এবং প্রবাসে বাংলাদেশিদের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, প্রবাসীদের অধিকার আদায়, ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা এবং দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের যথাযথ মূল্যায়নে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সংগঠন প্রবাসীদের সুখ-দুঃখে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত অতিথিরা সংগঠনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
10/05/2026
হ্যাঁ ! ভিপি নূর ভিক্ষা করে বিকাশে টাকা নিয়ে বাংলাদেশের সব থেকে কঠিন মুহূর্তে মিটিং মিছিল করেছে, স্বৈরাচার হাসিনাকে হঠাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। একটা সংগঠন চালাতে এবং মিছিল মিটিং করতে কত টাকা লাগে খোঁজ নিয়েন। আপনি যতই দেশ প্রেমিক হন একটা বিরানির পোঁটলা আর আসা-যাওয়ার খরচ না দিলে রাজপথে এসে জীবন দেওয়ারও চিন্তা করবেন না কথাটা তিতা লাগলে এটাই বাস্তব সত্যি কারণ এটা বাংলাদেশ। তবে আমি আমার সহযোদ্ধাদের ছোট করছি না এইটুকু রাজনীতি করতে গেলে লাগে সেটা তুলে ধরলাম।
সে চাঁদাবাজি করেনি, গণভবনে হাসিনা যখন ঔষধের প্যাকেটে কোটি কোটি টাকার বান্ডেল ধরিয়ে দিয়েছিল সেটা নেয়নি, অনেক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি করেনি।
এই পর্যন্ত অনেকে জুলাই যোদ্ধাদের টাকা মেরে খাওয়ার গল্প শুনেছি, বন্যার ত্রাণের টাকা মেরে খাওয়ার গল্প শুনেছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে এক রাজনৈতিক সংগঠন নিজেদের মানুষদেরকে ঢুকানোর জন্য নতুন কিংস পার্টিকে কোটি কোটি টাকা দিয়েছে তারা আবার রাজনীতি করার জন্য সেই গল্পও আমরা শুনেছি, চাঁদাবাজির গল্প-দুর্নীতির গল্প প্রতিদিন শুনে যাচ্ছি। কিন্তু নুরুল হক নূর এর এমন গল্প শুনেছেন কখনো?
শুনেন ভাই যারা আপনারা বিকাশ বিকাশ করছেন এগুলো আওয়ামী লীগের ছেলেবেলেরা তখন তাকে দমানোর জন্য এসব বলেছে, আপনারা আওয়ামী লীগের কাতারে নিজেদেরকে নিয়ে নিলেন। শুনেন ভিপি নুরুল হক নূর কে একটা টাকা আপনারা দেননি কিন্তু ঠিক বিকাশ নূর বলেন। কিন্তু আমরা যারা প্রবাসী অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দরা তাকে টাকা দিয়েছি আমরা গর্ব করে বলি যে এই মানুষটা আমাদের টাকাটা সঠিক জায়গায় ব্যবহার করে একটা নতুন বাংলাদেশ তৈরি করে দিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
স্বৈরাচার হাসিনার আমলে এবং বর্তমান সময়ে নূরের সংগঠনের দুইটা পার্ট আছে একটা হচ্ছে দেশের মধ্যে বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ যারা সরাসরি রাজপথে আন্দোলন করে আপনাদেরকে ২০২৪- ৫ ই আগস্ট এনে দিয়েছে। নূরের আর একটা শক্তিশালী পার্ট হচ্ছে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ।বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের তার নেতৃবৃন্দরা এই সংগঠন চালাতে বেশিরভাগ টাকা দিয়েছে আপনারা কেউ দেননি।
৫ ই আগস্টের আন্দোলনে হ্যান্ড মাইক, পানি, খাবার, সারা দেশ থেকে নেতাকর্মীদের ঢাকা আসার খরচ যারা জেলে গিয়েছে তাদেরকে বের করার খরচ সেটাও বেশিরভাগ প্রবাসী অধিকার পরিষদের নেতারা দিয়েছে। আসিফ, নাহিদ, তরিকুল, নুসরাত নাজমুল,, হান্নান মাসুদ, বাকের ,,আক্তার তাদেরকে হাতে কলমে সে তৈরি করে দিয়েছে নুরুল হক নূর ।আর বিকাশে তাদের হোস্টেল ভাড়া, তাদের খরচ, তাদের জেলখানার খরচ এমনকি আসিফ সাহেব যে মোবাইলটা দিয়ে বলেছেন আগামী পরশু নয় বরং আগামীকালকে গণভবন ঘেরাও সেটাও ভিপি নুরুল হক নূরের তৈরি করা প্রানের সংগঠন বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে।
বিকাশে টাকা তার নিজে গড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দিয়েছে আপনারা নয়, আপনারা স্বৈরাচারের আমলে ঘরে চুড়ি পরে বসে থাকতেন আর ওই সময়ে নূর প্রবাসী অধিকার পরিষদের তার নেতৃবৃন্দ থেকে অর্থ নিয়ে তার দেশীয় নেতৃবৃন্দ(আসিফ, নাহিদ ,আখতার ,তরিকুল, নাজমুল) দের মত ছেলেদের কে নিয়ে রাজনীতি মিছিল করে।
ভিউ ব্যবসার জন্য দূর প্রবাসে বসে উল্টাপাল্টা ভিডিও বানাচ্ছেন এই নতুন বাংলাদেশে একবার আসার চিন্তা করেন না। অনেকেই বলেন আপনাদেরকে মেরে ফেলবে , নিজেদেরকে হাদীর সাথে তুলনা করেন।কোথায় হাদি আর কোথায় আপনারা হাস্যকর 😆
বিকাশ নুর শব্দটা আমার কাছে গর্বের, এই বিকাশ আমাদেরকে একটা নতুন বাংলাদেশের গল্প শুনিয়েছে।
09/05/2026
পর্তুগালের লিসবনে ‘বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ’-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত।
লিসবন, পর্তুগাল: আনন্দ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ‘বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ’-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) স্থানীয় সময় রাত ৮টায় লিসবনের মার্তিম মনিজ এলাকার ‘নেওয়াজ রেস্টুরেন্টে’ এই প্রীতি অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও প্রবাসীদের কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়।
অনুষ্ঠানে পর্তুগাল শাখার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং ফ্রান্স শাখার বিশেষ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন:
জনাব মো. দিলদার মিয়া – উপদেষ্টা, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, পর্তুগাল শাখা।
রিপন মাহমুদ – সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, পর্তুগাল শাখা।
আল আমিন – সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, ফ্রান্স শাখা।
ইয়াছিন আরাফাত – সাংগঠনিক সম্পাদক, পর্তুগাল শাখা।
কামাল উদ্দিন – সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, পর্তুগাল শাখা।
ফয়সাল আহমেদ – সাবেক কর্ম বিষয়ক সম্পাদক।
এছাড়াও পর্তুগাল শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও সাধারণ প্রবাসীরা উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ উদ্যাপন করেন।
বক্তারা আগামী দিনেও প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শেষে এক প্রীতিভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
09/05/2026
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ‘বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ’-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত।
প্রায় ২ কোটি প্রবাসীর অধিকার আদায় ও কল্যাণে নিবেদিত অন্যতম বৃহৎ সংগঠন ‘বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ’-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (৮ মে), সংযুক্ত আরব আমিরাতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধান আলোচনার বিষয়:
অনুষ্ঠানে "বর্তমান সরকারের নিকট প্রায় ২ কোটি প্রবাসীর প্রত্যাশা" শীর্ষক একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া এবং অধিকার রক্ষায় সরকারের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সভাপতিত্ব:
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সংযুক্ত আরব আমিরাত শাখার সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ গাজী এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আকাশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন সংযুক্ত আরব আমিরাত কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি মোঃ হালিম কাজী।
অতিথিবৃন্দ:
অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের কল্যাণে নিবেদিত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন:
প্রধান অতিথি: আজিজ কাজল (উপদেষ্টা, UAE)
প্রধান বক্তা: জুয়েল রানা (উপদেষ্টা, UAE)
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
ইঞ্জিনিয়ার সেলিম (সহ-সভাপতি, UAE)
মোঃ ইঞ্জিনিয়ার ছেলিম (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, UAE)
মোঃ মাসুদ আহমেদ (ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক, UAE)
রাসেল চৌধুরী রানা (দপ্তর সম্পাদক, UAE)
হাসান সবুর (প্রচার সম্পাদক, UAE)
আলাউদ্দিন আকন (সভাপতি, আবুধাবি শাখা) সহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের আকর্ষণ:
আলোচনা সভার পাশাপাশি অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল:
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত।
জাতীয় সংগীত পরিবেশন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (গান ও কবিতা আবৃত্তি)।
ইসলামী গজল।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ ভাগ করে নিতে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কেক কাটা হয়। কেক কাটার মধ্য দিয়ে অত্যন্ত সফলভাবে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।