Bangladesh Divorce Group

Bangladesh Divorce Group

Share

“দিনশেষে আমরা সবাই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করবো!
কিন্তু সাবধান থেকো, চলার পথে কোনো মানব-হৃদয়ে ব্যথা দিও না!

Photos from Bangladesh Divorce Group 's post 02/12/2024

মায়ের অসুস্থতার কথা বলে টাকা নিয়ে যখন টাকা চাইলাম,,এখন ব্লক করে দিয়েছে,, এই সমস্ত মেয়েদের কারনে মানুষের উপর বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে,, সুতরাং সবাই সাবধান থাকুন,,
এই মেয়েকে সবাই চিনে রাখুন,,
ঐ মেয়ের নাম্বার,,01734730707,,

28/06/2024

আপনি জানেন কি?
যারা পর্ণ আসক্ত তারা কখনোই দাম্পত্যজীবনে সুখী হয়না।
কারন?
হলো সিনেমা আর বাস্তব এক নয়,বাস্তব জীবনে শুটিং করে জোড়া দেয়া যায়না! সিনেমায় যা দেখানো হয় তা ফেইক।
দেশ টিভির নিউজে দেখলাম পর্ণ দেখে পর্ণ মুভির মতো পারফরম্যান্স আশা করে সেটা পায়না বলে ৭৫% নারী ডিভোর্স চাচ্ছেন! ওরা বুঝতেই চায়না যে সিনেমা আর বাস্তব এক নয়।

আরো কিছু বড় কারন আছে যেমনঃ

♦বডি শেইমঃ
সিনেমায় মূলত সুন্দর নায়ক নায়িকাদের কাষ্ট করা হয়, এবং ফিগার ও গুরুত্ব দেয়া হয়।
যে চরিত্রে অভিনয় করে সেরকম ফিগার দেখে অভিনেতা অভিনেত্রী নেয়া হয়।
কিন্তু বাস্তব জীবনে সবার ওরকম ফিগার হয়না দেখতে সবাই নায়ক নায়িকাদের মতো হয়না একারনে সিনেমায় যেমন দেখে অভ্যস্থ হয় বাস্তবে সেরকম না পেয়ে হতাশায় ভুগে এতে সঙ্গীর প্রতি আগ্রহ হারায় আর প্রকৃত আনন্দ বঞ্চিত হয়।

♦সিনেমার মতে কাল্পনিক আচরন ও পারফরম্যান্স আশা করাঃ
সিনেমায় যেসকল আচার আচরন এপ্রোচ বিহেভিয়ার ও পারফরমেন্স দেখানো হয় সবই অভিনয়। কিন্তু একজন নারী বা পুরুষ যখন এসব দেখে দেখে মাথায় ঢুকে যায় আর ভাবে এগুলাই রিয়েল আর বাস্তবে পারাফর্ম এর ধারে কাছে না থাকে তখন তারা হতাশ হয়। ভাতে তার হয়তো সমস্যা তাই তখন অন্য সঙ্গী খুঁজে মানে পরকিয়া আসক্ত হয়।

♦বহুগামীতাঃ মুভিতে দেখে দেখে তারা একজনে সন্তুষ্ট হয়না, তারা অন্য সঙ্গী তে মজতে চায় কারন দির্ঘদিন এসব দেখে দেখে মনে গেছে যায় যে একেকজনের একেক স্বাদ তাই তারা অন্য সঙ্গীতে আসক্ত হয়।

♦ইনসিষ্ট বা পরিবারের সদস্যদের প্রতি আকর্ষনঃ
এ বিষয়ে লিখতেও লজ্জা লাগছে কারন এটা খুবই ভয়ানক ও লজ্জাজনক একটা বিষয় যে এসব মুভি দেখে তারা নিজের পরিবারের সদস্য যেমন খালা মামি চাচী কাজিন এমনকি নিজের মা বোনের প্রতিও লোলুপ দৃষ্টি দেয়!!!
এমন অন্তত ৩ জন আমাকে নক করে পরামর্শ চেয়েছিলো।

♦ বিকৃত আচরনঃ
মুভিতে অনেক বিকৃত আচরন দেখানো হয় যা বাস্তবতা বিবর্জিত এবং অসম্ভব। আর যখন এরকম আচরনে অনভ্যস্ত সঙ্গী তা প্রত্যাখ্যান করে তখন সংসারে অশান্তি হয় এমন অনুযোগ অভিযোগ অনেক পেয়েছি পরামর্শ দিয়েছি বুঝিয়েছি।

♦ সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষনঃ
আজকাল নিউজফিডে প্রায় ই দেখবেন আমাদের গ্রামের মেয়েরা মেয়েদের বিয়ে করছে, একদিন তো একজন ধর্মপ্রচারক এবং ফেসবুকে বিশাল বড় পেইজের এডমিন আপু আমাকে নক দিলো সে তার রুমমেটের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছে বহুদীন যাবত, এ থেকে মুক্তি চায় কারন সে জানে এটা জঘন্য অপরাধ।
এইসবই কিন্তু পর্ণ মিভির কুফল।

এমন আরো বহু বিষয় আছে যা বর্ননা করলে আরো হীতে বিপরীত হবে তাউ বলছিনা।
মূলকথা হইলো পর্ণ দেখলে এরকম নানান বিকৃত ও ভুল বিষয় শিখে মানুষিক সমস্যায় আক্রান্ত হবে। যখন সঙ্গীর কাছ থেকে আশানুরূপ সাপোর্ট পাবেনা তখন দুখের সাগরে ভাষবে।
দাম্পত্যকলহ হবে, অশান্তি হবে, ছাড়াছাড়ি হবে।

তাই পর্ণ কে না বলুন।।

জনসচেতনতায় পোস্টটি শেয়ার দিন।

26/06/2024

অতীত ভুলতে কিংবা অবসরে বিনোদন নিতে যারা সম্পর্কে জড়ায়, তারা বিপদজনক! এরা নিজের সুবিধা আর স্বার্থ ছাড়া দ্বিতীয় কিছু ভাবে না। নিজে ভালো থাকতে দিনের পর দিন অন্য কারো সময় এবং অনুভূতি ব্যয় করিয়ে তাকে প্রচন্ড নিঃসঙ্গ করে দেয়াই এদের কাজ।ওরা ভালোবাসে না, ভালোবাসার ভান করে মাত্র। অবসরে নিজের নিঃসঙ্গতা দূর করতে এরা মানুষের আবেগ এবং বিশ্বাস নিয়ে খেলা করে। খেয়াল করে দেখবেন,এরা নিজের সুবিধা অনুযায়ী সময় দেয়। আপনার মন খারাপ, একাকিত্ব কিংবা প্রয়োজনে এদের নাগাল পাবেন না কখনোই। আপনার অনুভূতি, সময়কে ব্যবহার করে যখন এরা আপনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে, তখন আপনাকে এভোয়েড করা শুরু করবে। প্রচন্ড লেভেলের মাইন্ড গেইম খেলে এরা। নিজের কোনো প্রকার দোষ না রেখে, সম্পর্ক থেকে অনায়াসে বের হতে এরা ব্যস্ততা আর পরিস্থিতির অজুহাতের নাম করে এড়িয়ে চলে, যাতে আপনি নিজেই সম্পর্ক থেকে সরে যান। অতীত ভুলতে কিংবা অবসরে সময় কাটাতে এসব মানুষ ঠিক এমন মানুষদের বেছে নেয়, যারা প্রতিশোধ নিবে না কখনোই। একটু ইমোশনাল, স্রেফ ভালোবাসা লোভী, সরল, এবং শান্ত স্বভাবের মানুষগুলোই তাদের পছন্দের কাতারে থাকে। এরা চালাক-চতুর মানুষ একদমই পছন্দ করে না। নিজের দিকটা ঠিকঠাক সামলে রেখে, এরা সম্পর্কে ভাসমান অবস্থায় থাকে। যেকোনো মূহুর্তে এরা সম্পর্ক থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসার ক্ষমতা রাখে।এসব ভণ্ড মানুষগুলো ঠিক যেমন চায়, তেমন না হলে এরা সম্পর্ক রাখে না। সম্পর্কে যদি সিরিয়াস হয়ে যান, যদি সত্যি ভালোবেসে ফেলেন, তবে যেকোনো উপায়েই তারা সম্পর্ক থেকে সরে দাঁড়াবে। এরা চায়, ঠিক এদের মতোই জাস্ট টাইম পাস করে এমন মানুষ। সিরিয়াস হয়ে গেলে বাস্তবতা, পরিস্থিতি, আর পরিবারের অজুহাত দিয়ে এরা সম্পর্ক থেকে মূহুর্তেই সরে দাঁড়ায়। আপনার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে এরা ছুটে নতুন কোনো টার্গেটে, নতুন কারো কাছে। এরা কারো জীবনে স্থায়ী হয়ে আসে না। একজনের কাছে যতটুকু ভালো থাকে, ঠিক অন্য আরেকজনের সাথে আরও বেশি ভালো থাকার জন্য এরা মূহুর্তেই সম্পর্কের ইতি টানে। এরা ভাসমান, এদের বিশ্বাস করে নিজের ধ্বংস নিজে ডেকে আনার কোনো মানে নেই।

26/06/2024

আমরা সব সময় একটা কনফিউশানের মধ্যে থাকতে পছন্দ করি। কে আমাদের পছন্দ করলো, আর কে করলো না, আমাদের কাছে সব সময় ভয় হয়ে দাড়ায়,
আসলে আমরা যাকে সারাজীবন ধরে পেতে চাই, তাকে অন্য মানুষ পেয়ে কেমন আছে সেটা বুঝতে চাই না,এমনও তো হতে পারে তাকে অন্য কেউ পেয়ে অনেক দুঃখী আছেন। যে আমাকে পেতে চেয়ে ছিলো,সে হয়তো জানে না, আমাকে পেয়ে অন্য একজন অনেক কষ্টে আছে।
কাউকে পাওয়ার আগে দুর থেকে অনেক কিছু মনে হয়। পেয়ে গেলে বোঝা যায় কোনটা সুখের,আর কোনটা কষ্টের।
একজন মানুষ কে চেনা যায় দুই ভাবে,টাকা ধার দেওয়া,আর বিয়ে করলে,টাকা,পয়সা ধার দেওয়ার আগে অনেকেই ফেরেশতা মনে হয়। আর যাকে বিয়ে করতে পারলে না তার সব কিছু ভালো লাগে। তাকে দেখতেও সব সময় সুন্দর লাগে।
মানুষ চেনার
পরীক্ষা তে বসার আগে তার সম্পর্কে আমরা যা কিছুই জানি, তার সব কিছুই আমরা অন্ধবিশ্বাসের মতো মস্তিষ্কে ধারণ করে রাখি।তাই মানুষ কে না চিনে তার সম্পর্কে কিছু বলা উচিৎ না।তাই বলে কি প্রিয় মানুষটাকে ভুলে যাবো??? যাকে এতোদিন ধরে ঠিক বুকের বাম পাশের পাজরে যত্ন করে রেখে দিছি! তাকে কি সত্যিই ভুলা সম্ভব!একজন সত্যি কারের ভালোবাসতে জানা মানুষটাকে পুরোপুরি ভুলে যাওয়া সম্ভব না।হয়তো কয়েক মাস,কয়েক বছর, নয়তো কয়েক যুগ, তারপর হুট করে আবার মনে পড়বে।মনে তাকে পড়বেই।হয়তো ৬০ বছর পরও হুমায়ুন ফরিদীর মতো আক্ষেপ নিয়ে বলবে- " আমি এখনও একটা মানুষকে অসম্ভব ভালোবাসি"।

25/06/2024

শারীরিক চাহিদা মেটানোর নাম যদি ভালোবাসা হতো তাহলে প্রত্যেকটা পতিতালয় হতো ভালোবাসার কেন্দ্র।

যদি স্তনের স্পর্শে ভালোবাসা থাকতো, তাহলে প্রত্যেকটা বেশ্যাই পেতো প্রেমিকার মর্যাদা।

পার্কের কোণে ভালোবাসা লুকানো থাকে না, প্রেমিকার দেহের স্পর্শে ভালোবাসা থাকে না, ভালোবাসা থাকে প্রিয়জনের শাসনে, ভালোবাসা থাকে প্রেমিকার ছোট ছোট আবদারে।

যখন আপনার মনে প্রেমিকার সাথে রাত যাপনের ইচ্ছা জাগবে, তখন বুঝে নিবেন আপনি কখনো তাকে ভালোই বাসেননি।

যখন আপনি তার একটি ফোনের জন্য পাগল হয়ে যাবেন, তখন বুঝবেন আপনি তাকে ভালোবাসেন।

যখন আপনি তার থেকে দূরে থাকা সত্বেও তার মনের এক একটা কথার বিশ্লেষণ করতে পারবেন, তখন বুঝবেন আপনি তাকে ভালোবাসেন।

যখন আপনি তার না বলা কথাগুলো বুঝতে পারবেন, তখন বুঝবেন তাকে আপনি ভালোবাসেন।

ভালো লাগা আর ভালোবাসা, দুটো জিনিষ কখনোই এক হতে পারেনা, ভালোলাগা আর ভালোবাসা দুটোই আলাদা।

যখন আমরা কারো প্রতি তীব্র আসক্ত হয়ে পরি, তখন তাকে বলে ভালোবাসা। কিন্তু যদি আসক্তিটা অল্প মুহূর্তের হয়! তাহলে সেটাকে বলা হয় ভালোলাগা।

দীর্ঘ সময় ফোনে আলাপ করার নাম ভালোবাসা নয়, বরং তার মঙ্গলের কথা চিন্তা করে, তাকে বারবার ফোন না দেওয়ার নাম ভালোবাসা।

প্রতি বেলা খাওয়ার সময় হলে ফোন করে খেয়েছো কিনা জিজ্ঞাসা করার নাম ভালোবাসা।

প্রতিদিন প্রিয়জনকে দেখার নাম ভালোবাসা নয়, বরং দূরত্ব থাকা সত্ত্বেও সব সময় প্রিয়জনকে কাছে অনুভব করার নাম ভালোবাসা।

ভালোবাসা কখনও প্রকাশ্যে হয়না, ভালোবাসা হয় গোপনে, নিজেদের কথা নিজেদের মধ্যেই লেনদেন হয়, দুজনের মনের কথা কখনই তৃতীয়জন জানতে পারে না। প্রিয়জনের কথা ভেবে, নিজের ভালোবাসা গোপনে রাখার নাম ভালোবাসা।

গ্যালারিতে রাখা ছবিটা দেখে যদি আপনার মুখে হাসি ফুটে উঠে তাহলে বুঝবেন আপনি তাকে সত্যিকার ভালোবাসেন।

রাতে ঘুমানোর আগে যদি তার করা মেসেজ চেক করেন, তাহলে সত্যিই আপনি তাকে ভালোবাসেন। তার একটা এসএমএস যদি আপনার উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় তাহলে বুঝবেন আপনার ভালোবাসা বিশুদ্ধ।

তার বলা প্রত্যেকটা কথা যদি আপনি চোখ বুঝে বিশ্বাস করেন তাহলে বুঝবেন আপনি তাকে ভালোবাসেন।

ভালোবাসা কখনই দেখানো যায়না, ভালোবাসা অনুভব করা যায়। যতই মুখ দিয়ে বলুক না ভালোবাসি, যদি সেই ভালোবাসি শব্দটা আপনার হৃদস্পন্দন না বাড়ায়।

24/06/2024

ছেলেদের সত্যিকারের ভালোবাসা চেনার উপায় কি ?
কিভাবে বুঝবেন যে একটি ছেলে সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে কিনা ?

১. বিশ্বাস এবং ভরসা : কোন ছেলে যদি মন থেকে আপনাকে ভালোবেসে ফেলে, তবে সে আপনাকে বিশ্বাস এর উর্দ্ধে স্থান দেবে। অর্থাৎ সে আপনার উপরে ভরসা করবে, আপনার প্রতি তার অটুট বিশ্বাস থাকবে। আর তার আপনার প্রতি কতটা বিশ্বাস সেটা আপনি তার ব্যবহারে আপনি বুঝতে পারবেন।

২. মিস করা : একটি ছেলে যখন সত্যি সত্যি আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে তখন প্রতি মুহুর্তে তার আপনার কথা মনে পড়বে। আসলে, প্রকৃত ভালোবাসাগুলো এমনই হয়, দুজনে যেখানে থাকুক না কেন একে অপরের কথা সারাক্ষণ ভাববে। বন্ধুদের সাথে আড্ডায় থাকলেও যে আপনার মেসেজের অপেক্ষায় বার বার ফোন চেক করবে। আপনার একটি মিস কলের অপেক্ষায় যে থাকবে।

৩. দুর্বলতা : একটি ছেলের সত্যিকারের ভালোবাসা বুঝার উপায় হচ্ছে তার দুর্বলতা সম্পর্কে বুঝা। সে যদি আপনাকে অনেক ভালোবাসে তবে সে আপনার প্রতি দূর্বল থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।

৪. গুরুত্ব বেড়ে যাওয়া : মানুষ সাধারণত শুনার চেয়ে বলতে বেশি পছন্দ করে। কোন ছেলে আপনাকে মন থেকে ভালোবাসলে সে আপনার কথা বেশি শুনবে, এবং নিজে কম বলবে। সে আপনার সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে, আপনার কথার গুরুত্ব দিবে।

৫. পরিবর্তন লক্ষ করা : একটি ছেলে মন থেকে কাউকে ভালোবাসলে সে তার ভালোবাসার মানুষের জন্য নিজের সব খারাপ কাজ গুলো বাদ দিয়ে দিবে। হতে পারে, সে মেয়েটিকে কিছু বলবে না বা বুঝতেও দিবে না। কিন্তু মেয়েটিকে হারানোর ভয়ে সে তার সব খারাপ কাজগুলো থেকে দূরে সরে যাবে।

৬. অস্থিরতা লক্ষ করা : প্রথম প্রথম প্রেমে পড়লে যে কেউ অনেক অস্থির থাকে। তেমনি ছেলেরা কাউকে মন থেকে ভালোবাসলে তার ভালোবাসার মানুষটিকে নিজের ছোট ছোট কথাগুলো শেয়ার করার জন্য অস্থির হয়ে থাকবে। তার সব সিক্রেটস যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার সাথে শেয়ার না করবে ততক্ষণ সে অস্থির থাকবে।

৭. খারাপদিক গুলো সম্পর্কে বলা : আমরা কেউ নিজেদের খারাপ দিকগুলো বাহিরে আসতে দেইনা। একটি সম্পর্কে অনেক সময় এই খারাপ দিক লুকানোর জন্য ভাঙন ধরে। যখন একটি ছেলে তার ভালোদিকের পাশাপাশি আপনাকে তার খারাপ দিক গুলোর ব্যাপারেও বলছে তখন সে আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে। কারণ সে জানে পরবর্তীতে আপনি তার খারাপ দিক গুলো জানলে কষ্ট পাবেন। আর তাই সে আপনাকে শুরুতে তার প্রত্যেক ভালো দিকের পাশাপাশি খারাপ দিক সম্পর্কে বলবে।

৮. ব্যস্ততার অজুহাত না দেওয়া : একটি ছেলে আপনাকে সত্যিকারের ভালোবেসে ফেললে সে আপনাকে কখনো ব্যস্ততার অজুহাত দেখাবে না। হতে পারে সে অনেক কাজে ব্যস্ত থাকে, কিন্তু প্রতিদিন হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে আপনার সাথে কথা বলতে চাইবে, দেখা করতে চাইবে।

৯. ঈর্ষা অনুভূতি : কোনো ছেলে যখন কোনো মেয়েকে সত্যিকারের ভালোবাসে তখন সে মেয়েটির সাথে সে অন্য কোনো ছেলেকে সহ্য করতে পারবে না। মেয়েটিকে কোনো ছেলের সাথে কথা বলতে দেখলে বা কারোর পাশে দেখলে তার মাথা গরম হবে।

১০. কান্না : ছেলেরা সহজে কান্না করে না। যখন কোন ছেলে আপনাকে ভালোবেসে কান্না করছে তখন সে সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে। কারণ চোখের জল কখনো মিথ্যা বলতে পারে না।

❤️‍🩹🙂🥰

20/06/2024

No one in the world is single
All are busy with one another in mingle.

12/06/2024

এদেশের ছেলেরা যতদিন না জানবে যে, একজন শিক্ষিত কর্মজীবী স্ত্রীর সাথে কি ধরণের আচরণ করতে হয়, ততদিন ডিভোর্সের হার বাড়তেই থাকবে।

আমি যদি আশা করি আমার শিক্ষিত কর্মজীবী স্ত্রীর আমার সাথে আচার আচরণ আমার বাবার সাথে আমার মা যে আচার আচরণ করেছে তার মতই হবে তাহলে আমার সংসারে ডিভোর্স অনিবার্য। এই ডিভোর্সটা ফিজিক্যালীও হতে পারে মেন্টালিও হতে পারে। আমার মায়ের সারাদিনের কাজের সাথে আমার স্ত্রীর ১০ঘন্টা কর্মজীবন (যাওয়া আসাসহ) যোগ করলে কোন মানুষের পক্ষ্যেই তা করা সম্ভব না। মেশিনের পক্ষেও সম্ভব না। আপনি তো শরীর দুইভাগ করে দুদিকে পাঠাতে পারবেন না।

দুঃখজনক হলেও সত্য আমরা শিক্ষিত কর্মজীবী বৌ চাই যার আচার আচরণ হবে আমার মা-চাচীদের আচার আচরণের মত। যা বাস্তবে অসম্ভব। এক বেলা রান্না করে খাওয়ার মুরদ নাই, গোসলের পর নিজের কাপড়টা ধুইতে পারেন না, বাচ্চার ডায়াপার পরিবর্তন করতে পারেন না, ঘর পরিষ্কার করতে বা গোছাতে গেলে নিজেকে মাইয়া মানুষ মনে হয়, আপনাকে কর্মজীবী নারীকে বিয়ে করতে বলছে কে?

এটা সত্য যে শিক্ষিত কর্মজীবী নারীদের মধ্যে ডিভোর্সের হার বেশি। কিন্তু এই ডিভোর্সগুলোর কারণ নারীর শিক্ষা বা কর্মজীবন নয়। এর প্রধান কারণ এই নারীদের কাছে তাদের স্বামী ও সমাজের অবাস্তব আচার আচরণ ও অফুরন্ত চাহিদা। যদিও শিক্ষিত কর্মজীবী নারীদের ডিভোর্স নিয়ে ইদানিং অনেক কথা হচ্ছে এবং এই ডিভোর্সগুলোর জন্য অধিকাংশ সময়ই নারীদের শিক্ষা ও কর্মজীবনকে দায়ী করা হচ্ছে।

এদেশে ফিজিক্যালি ডিভোর্স যত হয় মেন্টালি ডিভোর্স তার কয়েকগুন বেশি হয়। যাস্ট সন্তান, পরিবার ও সমাজে মানসম্মানের ভয়ে এই সম্পর্কগুলো অফিসিয়াল ডিভোর্সে রুপ নেয় না।

একান্তই ব্যক্তিগত মতামত

09/06/2024

শুভ সকাল সবাইকে

29/05/2024

#২ মিনিট সময় নিয়ে লেখাটা পড়লে বদলে যেতে পারে আপনার জীবন।

এক ডিভোর্সি বোনের খোলাচিঠি।

জানিনা, আমি কেন লিখছি। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই আর কেউ আমার মতো ভুল না করুক। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই ঠুনকো কারণে সংসারগুলো ভেঙে না পড়ুক।

আমি তেত্রিশ বছর বয়সী একজন নারী। আমাদের বিয়ে হয়েছিল দুই পরিবারের সম্মতিতে। সংসারও টিকে ছিল অনেকগুলো বছর। আমাদের একটা মেয়েও আছে, ওর বয়স ৮ বছর।

আমার স্বামীর স্বভাব-চরিত্র সবই বেশ ভালোই ছিল। শুধু একটু বদমেজাজি। অবশ্য তাও সবসময় না, মাঝেমধ্যে। মানুষ ভাবে ওর বদ রাগের জন্যই বুঝি আজ এই অবস্থা, কিন্তু আমি জানি, আমাদের সমস্যার শুরুটা ওর দিক থেকে হয় নি।

সব সংসারেই তো টুকটাক কিছু সমস্যা থাকে। ওরকম আমাদের মধ্যেও মাঝেসাঝে ঝগড়া-ঝাটি হতো। কিন্তু ঝগড়া বাধলেই আমি তল্পিতল্পা গুছিয়ে বাপের বাড়ির দিকে হাঁটা দিতাম। বাপের বাড়িতে বোনরাও আসতো, আর ভাইরা তো ছিলই। ওদের কাছে কেদেকেটে সব বলতাম। তখন সবাই ওকে ফোন করে কথা শোনাত। আমার মেজো বোন তো রীতিমত অপমান করত!

আমার কাছেও মনে হতো, ঠিকই আছে। কত বড় সাহস, আমার সাথে লাগতে আসে। আমাকে নিজের মতো চালাতে চায়। আমার মধ্যে কেমন একটা জেদ কাজ করতো। ওর কাছে ছোট হব, ওর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করব, মাফ চাইব, এটা ভাবতেই পারতাম না। উল্টো বড় গলা করে বলতাম, “ডিভোর্স দাও! তোমার মতো লোকের সাথে কে সংসার করে?”

নাহ, ডিভোর্স আমি কখনোই মন থেকে চাই নি। ওটা ছিল মুখের কথা।

ওর সামনে ছোট হওয়ার চাইতে ডিভোর্স চাওয়াই আমার কাছে সঠিক মনে হতো।

একদিনের কথা এখনও মনে পড়ে। সেদিন ছোট একটা ব্যাপার নিয়ে তর্ক করতে করতে দুজনেই খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছি। রাগে আমার শরীর কাঁপছে। যা মুখে আসছে তাই বলছি। তুই-তোকারি, গালিগালাজ, অপমান কিচ্ছু বাদ যায় নি। এক পর্যায়ে সহ্যের বাধ ভেঙে ও আমার গায়ে হাত তুললো!

এর আগে কিংবা পরে কখনোই ও আমার গায়ে হাত তুলে নি। কিন্তু ঐ একটা থাপ্পড়, ওটাই যথেষ্ট ছিল।

আমি বাপের বাড়ি চলে গেলাম। আর হ্যাঁ বরাবরের মতো এবারও নিজের দিকটা না বলে খালি ওর দিকটাই বলে গেলাম। মানুষের দোষ দিয়ে আর কী লাভ! সবাইকে যা বলেছি, সেটার উপর ভিত্তি করেই তারা বিচার করেছে। পরিবারের সবাই বললো, এমন ছেলের সাথে সংসার করার কোনো দরকার নাই। মামলা ঠুকে দাও।

আমি সবার পরামর্শে মামলা করলাম।

ওর নামে নারী নির্যাতনের কেইস করা হল। খুব দ্রুতই ওকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। ওর পরিবার থেকে মুরুব্বিরা এসে বার বার অনুরোধ করল, আমি যেন এই কেইস তুলে নিই।

ভেতরে ভেতরে আমিও চিন্তা করতাম, আচ্ছা, আমার স্বামী কি আসলেই জালেম? ও কি কোনদিন নিজে থেকে আমার গায়ে হাত তুলেছে? আমি যদি ওকে এত কথা না শোনাতাম, তাহলে কি ও আমার গায়ে সেদিন হাত তুলতো?

আমার ভাইবোন আমাকে বুঝিয়েছিল, আমি যদি এতকিছুর পর ফিরে যাই, তাহলে ও ভাববে, আমি বুঝি অসহায়। আমাকে আরো পেয়ে বসবে। আমার উপর ইচ্ছামত ছড়ি ঘুরাবে। একবার গায়ে হাত তুলেছে মানে বার বার একই কাজ করবে। কাজেই নিজে থেকে ফিরে যাওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।

কিন্তু আমার মনের ভেতর কে যেন চিৎকার করে বলতো, ও তো এমন লোক না। ও যেদিন আমার গায়ে হাত তুলেছিল, সেদিনই হাটু জোর হয়ে আমার কাছে মাফ চেয়েছে। এসব ভেবে ভেবে আমি মামলা তুলে নিলাম। তবে ওর কাছে ফেরত গেলাম না।

কিছুদিন পর দুই পরিবার থেকে বিচার-সালিশ হল। সবার কাছে ও দোষী প্রমাণিত হল। সবাই ওকে নানা কথা বোঝাল, উপদেশ দিল। তারপর আবার সংসার শুরু করলাম।

এর পরের কয়েক বছর ভালোই চলছিল, কিন্তু হুট করে আবার কী একটা নিয়ে আমাদের ঝগড়া বেধে গেল। ব্যস, কাপড়চোপড় গুছিয়ে আবার আমি বাপের বাড়ি গিয়ে উঠলাম। এর মধ্যে শুনলাম ও নাকি খুব অসুস্থ ! আমি বাসায় ফিরতে চাইলে আমার পরিবার বললো, এভাবে একটা ঝগড়ার পর একা একা ফিরলে সেটা ভালো দেখায় না। আর আমার বোনদের কথা ছিল, ওসব অসুস্থ-টসুস্থ কিছু না, সব বাহানা!

আমরা চাচ্ছিলাম ঐ পক্ষ থেকে কিছু আত্মীয়-স্বজন এসে ওর ভুল স্বীকার করে আমাকে হাতেপায়ে ধরে নিয়ে যাক। কিন্তু এবার কেউই আসলো না।

এরও কিছুদিন পর ও আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিল। ডিভোর্স লেটার দেখে আমাদের পরিবারের সবাই খুব খেপে গেল। কতবড় সাহস, মেয়েকে এত কষ্টে রেখেছে, তার উপর ডিভোর্স লেটার পাঠায়। সবার কথায় আমার কাছেও মনে হলো, ঠিকই তো, কত বড় সাহস! আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়? ওর সব ভুলগুলো চোখের উপর ভাসতে লাগলো। ভাই মনে করিয়ে দিলো, ও হলো সেই ছেলে যে কিনা আমার গায়েও হাত তুলেছে।

প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে জ্বলতে আমিও ঠিক করলাম, এবার ডিভোর্সই দিবো। কে চায় এমন ফালতু লোকের সংসার করতে? কোর্টে গিয়েও ওকে হেনস্থা করার চেষ্টা করলাম। আমার মাসিক খরচ বাড়িয়ে একটা আকাশছোঁয়া অংক দাবি করলাম! আমি চাচ্ছিলাম ওর যেন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। যেন নিজে থেকে আমার কাছে এসে আবার সংসার করতে চায়। আসলে ডিভোর্স হোক আমি কখনোই চাই নি৷ কিন্তু জিদ আমাকে খেয়ে নিচ্ছিল। আগ বাড়িয়ে ওকে ডিভোর্স দিলাম, 😭😭

20/05/2024

#গ্রুপ কালচার সামাজিক ব্যাধিতে পরিনত হচ্ছে না তো???

নির্দিষ্ট সাল এসএসসি, নির্দষ্ট সালের কর্মের জায়গায়, নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান সবই ঠিক ছিল এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে একই বয়সের কিছু বন্ধু বান্ধব একই প্লাটফর্মে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় থেকে একত্রিত হয়ে কোয়ালিটি টাইম, সামাজিক দ্বায়িত্ব, পরিচিতির সংখ্যা বাড়ানো সহ একটা ভ্রাতৃত্বের পরিবেশ তৈরি করা।

কিন্তু এখন দেখছি কিছু গ্রুপ আসছে যেগুলো বাংলাদেশ স্বাধীন থেকে শুরু করে কারেন্ট ইয়ার পর্যন্ত। মানে দাড়াচ্ছে ৬৫+ বছর থেকে ২০ বছর পর্যন্ত। সম্পর্কের জায়গায় থেকে বাবা-মা, সন্তান, নতী, পুতি সহ ৪/৫ টা জেনারেশন কাভার করে। আমার প্রশ্ন হল এই গ্রুপ গুলো কোন গ্রাউন্ড টা সাথে যাচ্ছে? আমরা কি বাপ-মা সন্তান রা গ্রুপ এ গিয়ে আড্ডা দিতে হবে, নাকি কোয়ালিটি টাইম ইনজয় করতে, নাকি গ্রুপ এ গিয়ে বলব আমরা এখন বাংলাদেশ এ নেই ওয়েস্টার্ন হয়ে গেছি, বয়স কোন বিষয় না, আসলে কি বুঝাতে চাচ্ছি। যে গ্রুপ করা হচ্ছে তাতে জীবিত কোন রিলেশন বাদ পড়ে নাই। ৭২ সালের যিনি এসএসসি সেটা আমার জন্মের ৪/৫ সালের আগে অনুষ্ঠিত হয়েছে অর্থাত বয়সে ২০-২২ বছরের ব্যাবধান আর আমরা ১৯৯২ সালে যারা পরিক্ষা দিয়েছি অনেকের ছেল-মেয়ে এসএসসি পাশ করেছে, এমনকি মেয়ে বন্ধুদের অনেকেই নাতীর মুখ দেখেছেন (ছেলে মেয়েদের বয়স ২৫-৩৫ বছর) তাহলে বাকী হিসাব মিলালে কি দাড়ায়।

এখানে অনেক ধরনের অপসংস্কৃতি বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভবনা আছে, অনেক মোস্তাক তৃষার জন্ম দিতে পারে, অনেক অবৈধ টাকা কুমিররা সামাজিক অবক্ষয়ের সম্ভবনা আনবে, সিনিয়র -জুনিয়র শব্দটা উঠে যেতে পারে, কে কোথায় ব্ল্যাকমেইল হবে তার কোন হদিস থাকবে না। এক কথায় হযবরল একটা ব্যাপার ঘটাতে যাচ্ছেন।
বাকীটা আপনার সামাজিক দ্বায়িত্ব আপনি এসব সৃষ্টিতে সাহায্য করবেন কি না

13/05/2024

মূহুর্ত সুন্দর করার জন্য অনেকেই এসেছিল! কিন্তু জীবন সুন্দর করার জন্য কেউ আসেনি!🌸

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka