Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment

Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment

Share

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় To provide more emphasis to the overseas employment sector, Bangladesh Govt.

has established the Ministry of Expatriates’ Welfare and Overseas Employment on 20 December 2001. The main objective of the ministry is to ensure welfare of the expatriate workers and enhancement of the overseas employment. The Ministry is rendering ceaseless efforts in enhancing the flow of remittance and to provide equal opportunity for the people of all areas of the country for overseas employm

27/05/2026

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী'র বাণী।

Photos from Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment's post 23/05/2026

প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের দুই কর্মচারী এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের এক কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত

ঢাকা, ২৩ মে ২০২৬:
মৃত প্রবাসী কর্মীর পরিবারের আর্থিক অনুদান মঞ্জুরির বিনিময়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের দুই কর্মচারীকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ ২৩ মে, ২০২৬ তারিখে বোর্ডের এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাছাড়া ঋণ দেয়ার কথা বলে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের একজন পিয়নকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীরা হলেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের নিরাপত্তা প্রহরী মোঃ শফি উদ্দিন, অফিস সহায়ক পলাশ চন্দ্র রায় এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের পিয়ন শামিম।

সৌদি আরবে মৃত্যুবরণকারী প্রবাসী কর্মী মোঃ কাইয়ুম (পিতা: মৃত মোঃ হাফিজ উদ্দিন, গ্রাম: পাতলাশী, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ) এর পরিবারের অনুকূলে মৃত্যুর কারণে আর্থিক অনুদান প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য উক্ত দুই কর্মচারী ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে নগদ অর্থ গ্রহণ করেন। অন্যদিকে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের পিয়ন শামিম ভুক্তভোগীকে ঋণ দেওয়ার কথা বলে অনৈতিকভাবে অর্থ গ্রহণ করেন। এসব বিষয়ে News 24 এর সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসাইন ও ভুক্তভোগী পরিবার সুনির্দিষ্ট ভিডিও প্রমাণসহ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক এর নিকট অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ও অভিযোগকারীদের নিয়ে অভিযুক্তদের দপ্তরে যান, অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন। কর্মচারীদের এমন আচরণ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সুনাম ও ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে এবং তা শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল। তাই ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নিজ নিজ বিধি অনুযায়ী আজ ২৩ মে, ২০২৬ তারিখ থেকে তাদের চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে প্রচলিত বিধি মোতাবেক তারা খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসী এবং তাদের পরিবারের সেবা প্রদানে দেশে এবং দূতাবাসে যেকোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা হয়রানির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করা হবে। প্রবাসীদের সহযোগিতায় কোন গাফিলতি ও অনিয়ম সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে অন্যান্য কর্মকর্তাদেরও তিনি সতর্ক করেন।

স্বাক্ষরিত
মোঃ শরীফুল ইসলাম
জনসংযোগ কর্মকর্তা
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

21/05/2026

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর উদ্যোগে দেশে ফিরছেন কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা নারী, ইরাকে পাসপোর্ট ফিরে পেলেন ৭ বাংলাদেশী

ঢাকা, ২১ মে ২০২৬
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর তৎপরতায় কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা ৩৪ বছর বয়সী বাংলাদেশী নারীর দেশে ফেরার ব্যবস্থা হয়েছে। ব্যাংকক দূতাবাসের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে উদ্ধার হওয়া নারী দেশে ফেরত আসবেন বলে দূতাবাস সূত্রে জানা যায়।

সূত্রমতে, ২০২৫ সালের আগস্টে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ওই নারী কম্বোডিয়া গমন করেন। কম্পিউটারের কাজ ও উচ্চ বেতন দেওয়ার কথা বলে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কম্বোডিয়া গমনের পর পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে তাকে একটি স্ক্যাম সেন্টারে বন্দী করা হয়। সেখানে তাকে দিয়ে নানা ধরনের আর্থিক জালিয়াতি, মোবাইল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মত কাজ করানো হয়। সেখান থেকে একাধিকবার চেষ্টা করেও তিনি পালাতে ব্যর্থ হন।

অবশেষে ২০২৬ সালের ২০মে দালালদের চোখ ফাঁকি দিয়ে স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসেন। অজানা জায়গায় আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ কলে যোগাযোগ করে দেশে ফিরতে তার সহযোগিতা চান।

কল পেয়ে মন্ত্রী বাংলাদেশের ব্যাংকক দূতাবাসে নিয়োজিত শ্রম কাউন্সিলরের সাথে যোগাযোগ করে ওই নারীকে সহযোগিতার নির্দেশ দেন। দূতাবাস থেকে তরুণীর সাথে ভিডিও কলে যোগাযোগ করে তার অবস্থান নিশ্চিত হন কর্মকর্তারা। পরবর্তীতে কম্বোডিয়ার বাংলাদেশী কমিউনিটির সহায়তায় নমপেন শহর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে কম্বোডিয়া সরকারের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাস ইস্যুর মাধ্যমে ওই নারীকে বাংলাদেশ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে ব্যাংকক দুতাবাস থেকে জানা যায়।

অপরদিকে গতকাল (২০মে) ইরাকপ্রবাসী বাংলাদেশীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ইরাকে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস কে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তদন্তে গিয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তারা কোম্পানির নিকট সাত প্রবাসী বাংলাদেশীর পাসপোর্ট জব্দ থাকার প্রমাণ পান। দূতাবাসের কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টায় আজ সাতজন প্রবাসী তাদের পাসপোর্ট ফিরে পান। পাসপোর্ট পেয়ে প্রবাসীরা জানান তারা ইরাকে কাজ করতে চান এবং তাদের কাজের ব্যবস্থা তারা নিজেরা করেছেন।

শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ করে অপর দুই বাংলাদেশী ইরাক প্রবাসীর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ইরাক দূতাবাসকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী। অভিযোগে বলা হয়, রিজু মিয়া ও আইলান মিয়া নামক দুই বাংলাদেশী রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ইরাকে গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়েন। দালালরা তাদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করছে এবং তাদের ঠিক মতো খাবার সরবরাহ করছে না। অভিযোগের তদন্তে গিয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তারা বাগদাদের আরাসাত নামক আবাসিক এলাকার ভাড়াকৃত বিল্ডিংয়ে দুই বাংলাদেশিকে খুঁজে পান। তবে তাদেরকে শারীরিক নির্যাতন করা বা অভুক্ত রাখার কোন প্রমাণ কর্মকর্তারা পাননি। দুজনকে দূতাবাসের সহায়তায় রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ৭ মে ইরাক হতে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে ফেরত পাঠানো হয়।

Photos from Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment's post 21/05/2026

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন হেলভেটাস বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিদল। সাক্ষাৎকালে তারা নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং অভিবাসীদের কল্যাণে আগামীতে একসঙ্গে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। (বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬)

19/05/2026
18/05/2026

আজ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স কক্ষে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে বাংলাদেশ-কাতার ৭ম যৌথ কমিটির বৈঠক করেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক। (সোমবার, ১৮ মে ২০২৬)

Photos from Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment's post 18/05/2026

বাংলাদেশ ও কাতারের যৌথ কমিটির বৈঠক: বাংলাদেশের ৫টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ৪টি সেক্টরে কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ

ঢাকা, ১৮ মে ২০২৬:
আজ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স কক্ষে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে বাংলাদেশ-কাতার ৭ম যৌথ কমিটির বৈঠক করেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি। বৈঠকে বাংলাদেশের ৫টি নির্দিষ্ট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, এসি টেকনিশিয়ান ও ওয়েল্ডিং সেক্টরে কর্মী নিতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী।

বৈঠকের শুরুতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কাতারের শ্রমমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করায় আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যকার ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশি কর্মীদের সমস্যা সমাধান ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণে কাতার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জরুরি চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে কাতারের মহামান্য আমির যে মানবতার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন, সেজন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কাতারকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় শ্রমবাজার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্তমানে ৪ লক্ষাধিক বাংলাদেশি কর্মী কাতারের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে অবদান রাখছেন। ২০২৩ সালে ১,০৭,৫৯৮ জন বাংলাদেশি কর্মী কাতারে গমন করেছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, চলতি বছর কাতার কর্তৃপক্ষ এই সংখ্যার দ্বিগুণ কর্মী গ্রহণ করবে।

বাংলাদেশে কাতারগামী কর্মীদের জন্য বর্তমানে ঢাকায় মাত্র একটি ভিসা ও মেডিকেল সেন্টার রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। স্বল্প সময়ে ভিসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে কাতারের ভিসা সেন্টার ও মেডিকেল সেন্টার স্থাপনের জন্য কাতারের শ্রমমন্ত্রীকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান মন্ত্রী। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মন্ত্রণালয়ের অধীন ১১০টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট ৫৫টি ট্রেডে মানসম্মত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক কাতারের চলমান উন্নয়নযজ্ঞে অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে পর্যাপ্ত সংখ্যক দক্ষ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নার্স, কেয়ারগিভার, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খতিব ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের জন্য কাতারের শ্রমমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি বাংলাদেশের কর্মীদের কর্মদক্ষতার প্রশংসা করে জানান, বর্তমানে কাতারে প্রায় ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত আছেন, যার মধ্যে ৩০ শতাংশ উন্নয়ন খাতে এবং বাকিরা অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত। তিনি বাংলাদেশের ৫টি নির্দিষ্ট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, এসি টেকনিশিয়ান ও ওয়েল্ডিং সেক্টরে কর্মী নিতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি আরো বলেন, কাতারে অদক্ষ কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে ইতোমধ্যে ২টি বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। বিভাগীয় শহরে ভিসা সেন্টারের সংখ্যা বৃদ্ধির অনুরোধের প্রেক্ষিতে কাতারের শ্রমমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে কাতারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাবেন।

যৌথ কমিটির এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত আলি মাহদি সাঈদ আল-কাহতানি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষরিত
মোঃ শরীফুল ইসলাম
জনসংযোগ কর্মকর্তা
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

17/05/2026

আজ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে তার কার্যালয়ে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক। (রবিবার, ১৭ মে ২০২৬)

Photos from Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment's post 17/05/2026

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সাথে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির সাক্ষাৎ; ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে দুবাই

ঢাকা, ১৭ মে ২০২৬:
আজ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে তার কার্যালয়ে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী দুবাই থেকে আগত প্রতিনিধি দলকে ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ড্রাইভার নিয়োগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনগুলোতেও কর্মী নিয়োগের এই ধারা অব্যাহত থাকবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী দুবাই গমনের পর প্রশিক্ষণকালীন সময়ে তাদেরকে বেতন -ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে প্রতিষ্ঠানটিকে অনুরোধ করেন। একই সাথে তিনি চালকদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার ও নার্সদের মতো 'হোয়াইট কলার' বা পেশাজীবী কর্মী নিয়োগের জন্য প্রতিনিধি দলকে আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকারে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে বিশ্বের ২৭টি দেশ থেকে প্রায় ১৫,০০০ কর্মী তাদের কোম্পানিতে ট্যাক্সি ও লিমুজিন ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত আছেন, যার মধ্যে প্রায় ৮,০০০ জনই বাংলাদেশি। বাংলাদেশি কর্মীরা অত্যন্ত পরিশ্রমী হওয়ায় তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। এমনকি দুবাই এয়ারপোর্টে বাংলাদেশি নারীরাও সফলতার সাথে ড্রাইভিং পেশায় নিয়োজিত আছেন বলে তারা উল্লেখ করেন। প্রতিনিধি দলটি আরও জানায়, আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে যোগ্য বাংলাদেশি ড্রাইভারদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হবে এবং এই দফায় নতুন করে আরও ১,৫০০ ড্রাইভারসহ এবছর ৬,০০০ ড্রাইভার নিয়োগ দিতে তারা আগ্রহী।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক বলেন, বাংলাদেশ থেকে একজন ড্রাইভারের দুবাই যেতে বর্তমানে অনেক টাকা খরচ হয়। এই কর্মীরা অত্যন্ত দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষ, যারা অনেক কষ্ট করে বা ঋণ নিয়ে এই অর্থ সংস্থান করেন। তাই তাদের আর্থিক সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করে এই অভিবাসন খরচ কমিয়ে ১ লাখ টাকার মধ্যে রাখার জন্য তিনি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

উক্ত সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ, দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি এবং আল আনাস ওভারসিজের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি দলসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষরিত
মোঃ শরীফুল ইসলাম
জনসংযোগ কর্মকর্তা
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

Photos from Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment's post 16/05/2026

প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে আধুনিক আবাসন প্রকল্প- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

সিলেট, ১৬ মে ২০২৬: সিলেটের অফুরন্ত সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসী সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আজ সিলেটের ‘গ্র্যান্ড সিলেট’-এ "গ্লোবালাইজিং সিলেট" শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসীদের কল্যাণে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ‘প্রবাসী কার্ড’ আগামী ২ মাসের মধ্যে প্রদান করা হবে। তিনি সিলেটের উন্নয়ন ও বিশ্বায়নে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এবং বিনিয়োগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিরাপদ ও সহজ করতে সরকার বিশেষ আবাসন ও বিনিয়োগ সহায়তা প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। আমাদের দেশে জমি কমে যাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে প্লটভিত্তিক প্রকল্পের বদলে অ্যাপার্টমেন্টভিত্তিক বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসহ আধুনিক আবাসন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে শুধু প্রবাসীরাই বরাদ্দ পাবেন এবং প্রবাসীদের জন্য অ্যাপার্টমেন্টভিত্তিক এই আধুনিক আবাসন প্রকল্প সিলেট থেকেই শুরু হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসীদের নতুন প্রজন্মকে দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতেই এ ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন মাতৃভূমিকে ভুলে না যায়, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তারা দেশে এলে বিনিয়োগও করবে, পারিবারিক বন্ধনও শক্ত হবে।

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন ও সেবা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য আলাদা লাউঞ্জ নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এছাড়া ইমিগ্রেশন এলাকায় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল সুবিধাসহ একটি মেডিকেল ইউনিট চালুর কাজ চলছে। গুরুতর অসুস্থ প্রবাসীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বিমানবন্দরে স্থায়ী অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। একই সঙ্গে বিদেশে মারা যাওয়া প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে এনে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও সরকার চালু করেছে।

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষরিত/-
মোঃ শরীফুল ইসলাম
জনসংযোগ কর্মকর্তা
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

Photos from Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment's post 14/05/2026

সমুদ্রপথে বিদেশ যাত্রা বন্ধ করতেই হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ মে ২০২৬:
বাংলাদেশ থেকে সাগরপথে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার চেষ্টাকে ভয়াবহ উল্লেখ করে এই প্রবনতা বন্ধের জন্য সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তিনি বলেন, সাগরপথে বিদেশে যাওয়ার এই প্রবণতা বন্ধ করতেই হবে। যারা তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনে সমুদ্রপথে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম আয়োজিত এক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির ভাষণে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে “ফ্রম রিটার্ন টু রাইজ: স্টোরিজ অব রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড রিইন্টিগ্রেশন” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং ব্র্যাকের সহ-অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে পরিচালিত “ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্টিগ্রেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্র্যান্টস (প্রত্যাশা-২)” প্রকল্পের দেশব্যাপী অর্জন ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বিদেশ ফেরত মানুষরা তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে মো. নুরুল হক বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের সহায়তায় বিদেশফেরত মানুষদের ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতাগুলো অনুপ্রেরণামূলক। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ও রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে বিদেশফেরতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরা সামনের দিনগুলোতে বিদেশফেরতদের কল্যাণে টেকসই সব উদ্যোগ নিতে চাই। কারণ এই প্রবাসীদের ঘামের টাকায় দেশের অর্থনীতি চলে। কাজেই তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয় ও আত্মসাৎ হয়ে যায়, অথচ অভিবাসীদের ঘামঝরা পরিশ্রমে অর্জিত অর্থই আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। সেই মানুষের পুনরেকত্রীকরণ ও পুনর্বাসনের জন্য এতদিন কেন যথেষ্ট চাপ তৈরি হয়নি সেটিও আমাদের ভাবতে হবে। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই।

সরকার অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর ক্ষেত্রেও আরও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রয়োজন। যারা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতিগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একইসঙ্গে বায়রার সদস্যপদেও শুধু সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে মানভিত্তিক গ্রেডিং ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশফেরতদের কল্যাণে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা সবার একসঙ্গে কাজ করা জরুরি কারণ সমস্যাগুলো বহুমাত্রিক। সরকার এক্ষেত্রে ব্র্যাকের অভিজ্ঞতাগুলো নিতে পারে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল ইসলাম হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের পরিচালক সাফি রহমান খান। এ ছাড়াও দুজন বিদেশফেরত অভিবাসী সেলিনা বেগম এবং সোহেল রানা তাদের পুনরেকত্রীকরণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে দেশি বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী বলেন, অভিবাসীরা আমাদের গর্ব। তবে ঝুঁকি এবং অনিশ্চয়তা আছে বলে অভিবাসনের পথ খুব মসৃণ নয়। এক্ষেত্রে মানুষকে দক্ষ করে বিদেশে পাঠানোটা চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে চাহিদা বিশ্লেষণ করে দক্ষ লোক পাঠাতে হবে। যারা ফেরত আসেন তাদের টেকসই পুনরেকত্রীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানের আরেক বিশেষ অতিথি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, অভিবাসী কর্মীরা বিদেশে যেতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেন, ফলে সেই টাকা ফেরত পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। বিদেশে পৌঁছানোর পর তাদের প্রথম লক্ষ্য থাকে ঋণ পরিশোধ করা। ঋণের চাপ সামলাতে দ্রুত কাজ পাওয়ার এক ধরনের তাড়না তৈরি হয়, তখন অনেকেই বৈধ-অবৈধ পথের বিষয়টি আর বিবেচনা করেন না। তিনি বলেন, অনেকেই ভাঙা স্বপ্ন আর গভীর মানসিক আঘাত নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। তাই দেশে ফেরার পর তাদের জন্য মনোসামাজিক সহায়তা ও জীবিকা সহায়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যাশা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ক।

ইইউ কাউন্সেলর ইউরাতে স্মালস্কাইটে মেরভিল তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনিয়মিত অভিবাসন কমাতে নতুন উপায় ও নতুন সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। বৈধ পথে বিদেশ যাওয়াকে উৎসাহিত করতে হবে। এ জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল হক চৌধুরী, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক লোকমান হোসেনসহ দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Probashi Kalyan Bhaban, 71-72 Old Elephant Road, Eskaton Garden, Ramna
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00