01/05/2022
১লা মে-বিশ্ব শ্রমিক অধিকার দিবস।দিনটিকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করলেন শেখ শহিদুজ্জামান প্রেসিডেন্ট,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস।
# কেন্দ্রীয় দপ্তর
বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস।
একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল; দে?
01/05/2022
১লা মে-বিশ্ব শ্রমিক অধিকার দিবস।দিনটিকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করলেন শেখ শহিদুজ্জামান প্রেসিডেন্ট,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস।
# কেন্দ্রীয় দপ্তর
বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস।
30/04/2022
শোক প্রকাশ।
--------------------
সাবেক অর্থমন্ত্রী, সিলেটের কৃতি সন্তান জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিতের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন শেখ শহিদুজ্জামান প্রেসিডেন্ট,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস।
তিনি বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন দেশের সেবা করেন। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। তাঁর মৃত্যূতে দেশ এক দেশপ্রেমিক সেবককে হারালো এবং অর্থনীতিতে তাঁর অবদান দেশের জনগণ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে বলে তিনি শোকবার্তায় উল্লেখ করেন।
#কেন্দ্রীয় দপ্তর-
বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস।
28/04/2022
উত্তরা লিবার্টি ক্লাবের ইফতার মাহফিলে ক্লাবের সভাপতি সোহেল শেখ এর আমন্ত্রণে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখ শহিদুজ্জামান প্রেসিডেন্ট,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস।
সংবাদ- কংগ্রেস মিডিয়া সেল।
28/04/2022
পবিত্র শবে কদর মানব জাতির জন্য মহান আল্লাহর অশেষ নেয়ামত- শেখ শহিদুজ্জামান।
তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২ : পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শেখ শহিদুজ্জামান প্রেসিডেন্ট,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস। হাজার মাসের চেয়ে উত্তম এই মহিমান্বিত রজনী উপলক্ষে তিনি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ্ এর সংহতি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব এবং সম্বৃদ্ধি কামনা করেন।
সংবাদ- কংগ্রেস মিডিয়া সেল।
27/04/2022
"চ্যান্সেলর" স্টুডেন্ট কন্সালটেন্ট হাউজ,উত্তরা,ঢাকা এর প্রধান শ্রী পি কে দাসের আমন্ত্রণে ইফতার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখ শহিদুজ্জামান প্রেসিডেন্ট,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উত্তরা লিবার্টি ক্লাবের সভাপতি সোহেল শেখ,প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর নাসিমা মিস এবং আফসানা মিমসহ উত্তরার বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
25/04/2022
Last year's writing - no Bangladesh
-------------------------------------------------- -----
After a long time, the 50th birth anniversary of Bangladesh was celebrated amidst many arrangements and lighting.
But where is the push Bangladesh! Even after so many years, we made a mistake in thinking about our true friend. Without the cooperation of the country, 1 crore people of my country would not have taken shelter in the war of independence. It is only natural that the Prime Minister of India who was the first country to recognize Bangladesh and accelerate our victory by fighting side by side with the freedom fighters, should invite us to the golden jubilee of independence. .Why so many obstacles here? What are these? Eraki doesn't want the country well, he wants to turn the country into a militant state, now is the time to think. Until now, if rice is not imported from India, onion, garlic, pulses, cows are not brought, the number of sacrificial cows will be less, there are other ingredients, it will not be enough to write the names, many patients of our country are receiving medical treatment in India not supposed to stay and no.The Government of India has a very cordial relationship with all post-independence governments. So where is the problem? The problem is the distance between the people of the two countries. And this distance has gradually created a lot of gaps. Although Indian satellites have reached the villages of Bangladesh but the satellites of Bangladesh are not being propagated in that way in India, there is a globalization of social distance. These issues should have been taken into consideration by the policy makers of the two countries long ago. By exchanging culture among the people, we have to bring back the thousand years old tradition of Indian culture.
We have to make friends not only with the government but also with the people. And that is possible only through cultural exchange. With this in mind, Bangladesh National Congress's President Sheikh Shahiduzzaman has formed the "Bangladesh-India Culture Alliance" which is now making waves in the cultural arena of 64 districts of Bangladesh. The present Awami League government thinks that independence is their only achievement, India also thinks that Awami League seems to be the only party in the path of independence. This is what is going wrong left and right all fought for liberation. Oppressed public leader Maulana Abdul Hamid Khan Bhasani was the chief adviser to the Mujib Nagar government, the late president of the Bangladesh National Congress and former minister Shri Manoranjan Dhar and many other party leaders were temporary independent Bangladesh was an adviser to the government. So his party is not the party of independence? MAG Osmani, the chief commander of independence, the government does not say his name now. All the parties that have been formed after independence are the parties of independent Bangladesh. All of us who were born then are freedom fighters, farmers, workers, teachers, doctors, teachers, artists, students, students, mothers and sisters of the house are all freedom fighters. Now it is not a list of freedom fighters, only a list of those who have opposed independence. India must extend the hand of friendship to the people and not to the government, then the bond of friendship will be everlasting, everlasting good.
May Bangladesh win, may India win.
May the hardworking people win, may Bangladesh-India alliance win.
Shahiduzzaman
President - Bangladesh national congress.
the campaign - Congress Media Cell .
24/04/2022
সবুজ আন্দোলনের ইফতার মাহফিল।
------------------------------------------------------
সবুজ আন্দোলন পরিষদের আয়োজনে উত্তরা ৯ নং সেক্টরে গুড গভর্নেস অফিসে- ইফতার পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখ শহিদুজ্জামান প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট বক্তব্যে বলেন বিশ্বে জলবায়ুর যে পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে তার থেকে উত্তরণের জন্য এখনই বাংলাদেশকে প্রস্তু হতে হবে। আর এ জন্য প্রয়োজন সবুজায়নের কর্মসূচি গরহণ করে দেশকে রক্ষা করা।তিনি আরও বলেন সবুজায়নের যে কোন কর্মসূচির সাথে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস সক্রীয় হয়ে কাজ করবে।অধ্যাপক ডঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন -আকের সংবোর্ধীত ব্যাক্তি শাহাবুদ্দিন মিয়া প্রতিষ্ঠাতা, সবুজ আন্দোলন পরিষদ। তিনি জার্মান প্রবাসী এবং জার্মানির ক্ষমতাশীন দলের একজন পভাবশালী নেতা। কিন্তু তিনি জার্মানিতে থেকেও রাজনৈতিক ভাবে বাংলাদেশকে নিয়ে ভাবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মোঃ হাবিবুর রহমান আহ্বায়ক, নাগরিক ভাবনা।উপস্থিত ছিলেন এম এ রহিম খান সাবেক ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং বর্তমানে অফিস সেক্রেটারী বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক এ্যালায়েন্সসহ উত্তরাতে অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ের ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগন।
সংবাদ- কংগ্রেস মিডিয়া সেল।
২৪/০৪/২২ইং।
23/04/2022
গত বছরের লেখা- এ কোন বাংলাদেশ
-------------------------------------------------------
সুদীর্ঘ সময় পেরিয়ে বাংলাদেশের ৫০তম জন্মবার্ষিকী পালিত হলো অনেক আয়োজন ও আলোক সজ্জার মাঝে।
কিন্তু কোথায় যেন ধাক্কা খেল বাংলাদেশ!
এতটা বছর পেরিয়েও আমাদের প্রকৃত বন্ধুকে আমরা চিন্তে -জান্তে ভুল করলাম।
যে দেশের সহযোগিতা না পেলে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমার দেশের ১ কোটি মানুষ আশ্রয় পেতনা,যেদেশের সহযোগীতা না পেলে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা ট্রেনিং পেতনা,স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সঞ্চালনার স্থান হতোনা,বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রী পরিষদ পরিচালনার জায়গা হতোনা,যে দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে মুক্তি যোদ্ধাদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে আমাদের বিজয়কে তরান্বিত করেছিল,সেই ভারতের প্রধান মন্ত্রী স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমাদের আমন্ত্রণে আসবে এটাইতো স্বাভাবিক। এখানে কেন এত বাধা? এরা কারা? এরাকি দেশের ভাল চায় না দেশকে জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিনত করতে চায়, এটা এখন ভাবার সময় এসেছে।
বর্তমান সময় পর্যন্ত ভারত থেকে চাল না আনলে চলেনা,পিয়াজ রসুন,ডাল,গরু না আনলে কোরবানি গরুর কম পড়ে যায়,অন্যান্য আরও সামগ্রী রয়েছে নাম লিখতে গেলে শেষ হবেনা,চিকিৎসা হ্মেত্রে আমাদের দেশের অসংখ্য রুগী ভারতে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন,সে দেশের সাথেতো আমাদের বৈরিতা থাকার কথা নয় এবং নাইও।
স্বাধীনতার পরবর্তী সকল সরকারের সাথেই ভারত সরকারের খুবই মধুর সম্পর্ক। তাহলে সমস্যা কোথায়? সমস্যা হলো দুই দেশের জনগনের সাথে জনগনের দূরত্ব। আর এই দূরত্ব ধীরে ধীরে অনেক ব্যাবধান সৃস্টি করেছে।যদিও ভারতীয় স্যাটেলাইট বাংলাদেশের গ্রামে পৌঁছে গ্যাছে,কিন্তু বাংলাদেশের স্যাটেলাইট ভারতে সে ভাবে প্রচার পাচ্ছে না,এখানে সামাজিক দূরত্বের একটা বৈশ্বম্য পরিলক্ষিত। এ বিষয়গুলো দুই দেশের নীতি নির্ধারকদের অনেক আগেই বিবেচনায় আনা উচিৎ ছিল।
জনগনের মাঝে সংস্কৃতি আদান- প্রদানের মাধ্যমে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য পূর্ণ ভারতীয় কৃষ্টি-সংস্কৃতিতে ফিরিয়ে আনতে হবে।
শুধু সরকারের সাথে নয় বন্ধুত্ব করতে হবে জনতার সাথে।আর সংস্কৃতি আদান প্রদানের মধ্য দিয়েই সেটা সম্ভব।
এই চিন্তা- চেতনাকে সামনে নিয়েই বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট শেখ শহিদুজ্জামান গঠন করেছেন "বাংলাদেশ ভারত সংস্কৃতি মৈত্রী "যার ঢেউ এখন বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার মনে করে স্বাধীনতা শুধু তাদের একক অর্জন, ভারতও মনে করে আওয়ামী লীগই বোধ হয় স্বাধীনতার পহ্মের একক দল।এখানেই ভুল হচ্ছে - স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল দলের সমন্বয়ে অস্থায়ী স্বধীন বাংলাদেশ মুজিব নগর সরকার গঠিত হয়েছিল।বাম- ডান সকলে মিলেই মুক্তি যুদ্ধ করেছিল,মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী মুজিব নগর সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেসের প্রয়াত সভাপতি সাবেক মন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর সহ আরো অনেক দলের প্রধান স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারেরর উপদেষ্টা ছিলেন।তাহলে তার দলকি স্বাধীনতার পহ্মের নয়?এম এ জি ওসমানী স্বাধীনতার প্রধান সেনাপতি তার নামতো এখন সরকার বলেননা।তিনিতো রাজনৈতিক দল করেছেন সেদল তো স্বাধীনতার পহ্মের দল।স্বাধীনতার পরে যে সব দল গঠন হয়েছে, সবই স্বাধীন বাংলাদেশের দল,স্বাধীনতার পহ্ম বিপহ্ম বলে আর জনগনকে ধোকা দেওয়া যাবেনা।
আমরা যারা তখন জন্ম নিয়েছি সকলেই মুক্তি যোদ্ধা, কৃষক, শ্রমিক,শিহ্মক,চিকিৎসক, শিহ্মক,শিল্পী,অভিনেতা ছাত্র সমাজ,ঘরের মা বোনেরা সকলেই মুক্তি যোদ্ধা। এখন আর মুক্তি যোদ্ধাদের তালিকা নয়,শুধু স্বাধীনতার বিরোধিতা যারা করেছে তাঁদের তালিকা করতে হবে।
ভারতকে বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে হবে জনতার সাথে সরকারের সাথে নয়, তাহলেই বন্ধুত্বের বন্ধন হবে চিরঅম্লান,চির কল্যানকর।
জয় হোক বাংলাদেশের
জয় হোক ভারতের
জয় হোক মেহনতী জনতার
জয় হোক বাংলাদেশ ভারত মৈত্রীর।
প্রচারে- কংগ্রেস মিডিয়া সেল।
22/04/2022
বি এন এ জোট এবং তৃণমূল বি এন পির ইফতার মাহফিল।
-----------------------------------------------------------
গুলশান-১, শাইনপুকুর সুইট এর হলরুমে বিএনএ জোট এবং তৃণমূল বিএনপির আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার আমন্ত্রণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট শেখ শহিদুজ্জামান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট বলেন নির্বাচন এলেই জোটের রাজনীতি শুরু হয়, আর এতে করে জোটের প্রধান কিছু নেতা সুবিধা নিয়ে অন্যদলের রাজনীতিকে বিতর্কিত করে। সুতরাং আর কোন সুবিধাবাদি জোট হতে দেওয়া হবেনা।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন উন্নয়ন উন্নয়ন আর উন্নয়ন কিন্তু এই উন্নয়ন কার হয়েছে যারা সরকারের সাথে আছে তাদের। সাধারণ জনগন ক্রমগত দরিদ্র হচ্ছে। শেখ শহিদুজ্জামান সরকারকে প্রশ্ন করেন চায়নাসহ যে ঝণের বোঝা আমাদের মাথায় দিলেন এর দ্বায়ভার কে নিবে?সবশেষে তিনি বলেন আগামীতে আর কোন ভোটার বিহিন নির্বাচন হতে দিবে এদেশের জনগন। বিএনএর মহাসচিব মেজর ডাঃ শেখ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিবৃন্দ হলেন,মিজানুর রহমান মিজু চেয়ারম্যান জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, পরশ খান ভাসানী চেয়ারম্যান, গনতান্ত্রিক ন্যাপ ভাসানী,মোঃ আনোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান, ইসলামী লীগ,ম্যানুয়াল সরকার চেয়ারম্যান, ইউ সি বি,অধ্যাপক শাহ এনায়েম কবির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কনজার্ভেটিভ পার্টি সহ অন্যান্য দলের নেতৃবৃন্দ।
22/04/2022
দেশ নেতৃত্ব শূন্যের দিকে যাচ্ছে।
----------------------------------------------
বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাবসায়ী নেতাদের অবস্থানের কারণে দেশ আগামীতে নেতৃত্ব শুন্য হতে চলেছে। নমিনেশন বানিজ্য শুরু এরশাদ সরকারের সময় থেকে, ৯০ এর পরবর্তী সময় থেকে বি এন পিও জাতীয় পার্টির দেখানো পথ ধরে এগিয়েছে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগও ত্যাগী নেতাদের বঞ্চিত করে ব্যাবসায়ীদের দিকে বেশী আগ্রহী হয়েছে।তার প্রমান বর্তমান সংসদ সদস্যের দিকে তাকালেই লক্ষ্যনীয়।এই নমিনেশন বানিজ্য এখন ওপেন সিক্রেট জনগনের কাছে।যার টাকা নাই সে যত বড় ত্যাগী নেতাই হোকনা কেন তার নমিনেশন নাই।
রাজনীতির এই অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে না আসতে পারলে আগামী বাংলাদেশ নেতৃত্ব শূন্য হয়ে পড়বে।সীমাহীন দূর্নীতির জন্য এই রাজনৈতিক ব্যাবসায়ী সাংসদই দায়ী।কারণ তারা মুনাফাটা ভাল বোঝেন,তাই সমাজের সব জায়গায় তাদের ছোয়া লেগেছে।
আজ প্রকৃত দেশ প্রেমিক নেতৃত্ব বিরল,ভোটের অধিকার জনগন হারিয়েছ,বিদ্যুৎ -গ্যাস-ট্যাক্স- শিহ্মা প্রতিষ্ঠানের বেতন,ঔষধের মুল্য,চিকিৎসা নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার খরচ থেকে শুরু করে সব হ্মেত্রে অনিয়মের উৎসব চলছে।কোন প্রতিবাদ নেই, প্রতিবাদের শাহস পর্যন্ত সবাই হারিয়ে ফেলেছে।
সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো অসহায়,এভাবে খুব বেশী দিন চললে এক ভয়ংকর অর্থ কষ্টে পড়বে দেশের গরীব মানুষগুলো।
এখনই সময় সকল দল এক হয়ে জনসাধারণের পাশে দাড়ানো।
মানুষ বাচলে দেশ বাচবে,আর দেশ বাচলে আমরা কথা বলার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করে নিউ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাব,এটাই হোক আগামী দিনের প্রত্যাশা।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
নতুন জোট নতুন দেশ-গড়বে এবার কংগ্রেস।
শেখ শহিদুজ্জামান
প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস।
19/04/2022
গন ফোরামের ইফতার পার্টি শেষে বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জহুরুল হল হলের সাবেক জিএস,১৯৬৯ এর গনঅভ্যুত্থানের অন্যতম ছাত্রনেতা এবং বাংলাদেশ জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস এর সাথে একান্ত মূহুর্তে কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট শেখ শহিদুজ্জামান।
প্রচারে- কংগ্রেস মিডিয়া সেল।
19/04/2022
গন ফোরামের ইফতার।
-----------------------------------------
রূপায়ন ট্রেড সেন্টার, বাংলা মোটর, ঢাকা এর হল রুমে -গন ফোরামের ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়।সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মহসিন মন্টু, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বি এন পির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আ স ম আব্দুর রব- সভাপতি জাসদ,শেখ শহিদুজ্জামান প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস, মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস চেয়ারম্যান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, অধ্যাপক ডঃ নুরুল আমিন ব্যাপারী সভাপতি, বিকল্পধারার বাংলাদেশ ( একাংশ)। মাহমুদুর রহমান মান্না আহব্বায়ক নাগরিক ঐক্য, আবু লায়েস মুন্না সংগঠন প্রধান,বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি পার্টি ও অধ্যাপক শাহ এনায়েম কবির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কনজারভেটিভ পার্টি সহ অন্যান্য দলের প্রধান এবং নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ- কংগ্রেস মিডিয়া সেল।
১৯/০৪/২২ইং।