কুরআনের মূলনীতি ভুলে গিয়ে ফাসিকের কথা বিশ্বাস করে নিজেরাই নিজেদের মাঝে শত্রুতা বৃদ্ধি করছি।
গভীর ষড়যন্ত্র:
যে ফাঁদের দাবার গুটি কতিপয় মাওলানা!
লিখেছেন মুহতারামঃ মুফতি লুৎফর রহমান ফরায়েজী হাফিঃ
একজন বড় আলেম ও আলোচিত ওয়ায়েজ। অনেক দিন যাবত জেলবন্দী ছিলেন। আমরা অনেক দুআ করেছি হযরতের জন্য। দিল থেকেই কস্ট পেয়েছি হযরতের বন্দীত্বে।
অবশেষে রব্বে কারীমের রাহমাতে তিনি মুক্ত হলেন। গেলাম হযরতের সাথে সাক্ষাত করতে। অনেক কথা হলো। এর মাঝে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তিনি জেলখানায় বন্দী থাকার পেছনে আমাদেরই কতিপয় আলেমদের হাত আছে। এ তথ্য তাকে নিশ্চিত করেছেন এনএসআই এর উর্দ্ধৃতন কর্মকর্তা।
এছাড়া রিমান্ডেও বারবার তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলেছেন যে, তাদের ধরার পেছনে ইনফরমেশন দিয়েছে তাদেরই ঘরের আলেম উলামা। তারা যেন বের হতে না পারেন এজন্যও লবিং করছেন ঘরের মানুষগুলোই।
আফসোস লেগেছিল। যদিও মন থেকে কথাগুলো মানতে পারছিলাম না। আমাদের ঘরানার আলেমদের কি স্বার্থ আরেক আলেম বন্দী থাকলে? এ প্রশ্নের কোন যৌক্তিক উত্তর আমার আজো বুঝে আসেনি।
দুই এক মাস পরের ঘটনা। আরেকজন প্রসিদ্ধ বক্তা। তিনি আমার অনূজ। বাকি প্রসিদ্ধ আলোচক। তিনি আচমকা এক মামলায় গ্রেফতার হলেন। বের হবার পর আমাকে ফোন দিয়ে আফসোস করে বললেন যে, তাকে গ্রেফতার করিয়েছেন প্রথমোক্ত বড় আলেম বক্তা।
আমি বললাম: একথা আপনাকে কে বলছে?
মাওলানা জানালেন: এনএসআই এর একজন কর্মকর্তা।
আমি বললাম: আমি এটা কিছুতেই বিশ্বাস করি না। আপনাকে গ্রেফতারে হযরতের স্বার্থ কী?
মাওলানা বললেন: এটাতো আমিও বুঝি না।
আমি বললাম: আপনি নিশ্চিত থাকেন এটা হযরত করেননি। এটা পরিস্কার একটি চাল। আপনি একজন ফাসেক অফিসারের কথা বিশ্বাস করে একজন আলেমকে সন্দেহ করছেন। শুধুমাত্র একজন ফাসেকের মুখের কথা কখনোই একজন আলেমের চরিত্র যাচাইয়ের মানদণ্ড হতে পারে না।
কিন্তু আমার কথায় তিনি পুরোপুরি আশ্বস্ত হয়েছেন বলে মনে হয়নি। তার মনে হয়তো সন্দেহের দানা রয়েই গেছে।
দুই মাস আগে এক মাহফিলে গেলাম নোয়াখালীতে। সেখানে দেখা হলো হাটহাজারী মামলায় গ্রেফতার ও দীর্ঘ সময় কারাভোগ করা এক মাওলানার সাথে।
তিনি জানালেন অবাক করা তথ্য। মাওলানা বললেন, ‘হযরত আমরা একসাথে যারা গ্রেফতার হয়েছে। আমাদের যখন রিমান্ডে নেয়া হলো, তখন আমাকে বলা হলো, আমাকে গ্রেফতার করতে সহযোগিতা করেছে আমারি সাথী।
আবার যখন আমার সেই সাথীর সাথে দেখা হলো, সেতো আমার উপর খুব ক্ষীপ্ত হয়ে বলতে লাগলো: আপনি কী করে আমাকে গ্রেফতার করাতে পুলিশকে তথ্য দিতে পারলেন? একথা শুনেতো আমি অবাক।
এভাবে আমাদের একজনকে আরেকজনকে ধরিয়ে দিতে ইনফরমেশন এবং তথ্য দেবার কথা বলে প্রশাসন আমাদের একজনকে আরেকজনের দুশমন বানিয়ে দিয়েছে। এখন আমরা একজন আরেকজনকে মোটেও বিশ্বাস করতে পারছি না।
“ডিভাইডেন্ট রোল” ইংরেজদের এ মূলনীতি ভালোই কাজে লেগেছে আমাদের উপর। যেভাবে আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে কোন যাচাই ছাড়াই “আমাদের আলেমদের কারণেই আলেমরা বন্দী’ বলে জিগির তুলছি মূলত এটাই সরকার চায়।
হেফাজতের গণজাগরণ দেখে সত্যিই ভড়কে যায় সরকার। এ সুদৃঢ় বন্ধন খান খান করে দিতে এ ‘তথ্য সন্ত্রাস’ যুতসইভাবেই প্রয়োগ করা হয়েছে আমাদের উপর। আমরা অনায়াসেই সেই ফাঁদে পা দিয়েছি।
‘ফাসেকের কথা শক্তিশালী দলীল ছাড়া গ্রহণ না করার’ কুরআনী নির্দেশনা অমান্য করে বলে যাচ্ছি যাচ্ছেতাই।
আলেমের কথার চেয়ে আমাদের কাছে ফাসেক ব্যক্তির মুখের কথা অনেক গ্রহণযোগ্য হয়ে পড়েছে।
আল্লাহ তাআলা এ গভীর ষড়যন্ত্রের হাত থেকে এ দেশের আলেম সমাজ ও তৌহিদী জনতাকে হেফাজত করুন। আমীন।
রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সাপোর্ট Ruqyah sharyeeaha support
উপরী আছারাতের নির্ণয় করা এবং তার সমা?
সাহাবাদের সমালোচনা করা জায়েজ নেই।
হযরত মুয়াবিয়া (রা:)
হযরত ওসমান (রা:)
আজমতে সাহাবা জিন্দাবাদ। সাহাবা বিদ্বেষীরা নিপাত যাক।
05/03/2024
বুঝতেছিনা রমজানে চিনির দাম বাড়ানোর জন্য নাকি অন্য দেশ থেকে চিনি আমদানি করতে বাধ্য করার জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটতেছে। যেহেতু ওই দেশের পণ্য বয়কটের আওয়াজ সব জায়গায় চলতেছে।
হে আল্লাহ এদেশের মুসলমানদের জান মালের হেফাজত তুমি করো। আমীন।
মওদুদী মতবাদের বিরুদ্ধে পোস্টে যে সমস্ত জামাতীরা কমেন্টে জ্ঞান জাহের করতে চাইবে তাদের সাথে আরবীতে মোবাহাছা করেন। কারণ সে আরবী পারলে তাকে উত্তর দেওয়া সহজ হবে অন্যথায় চুপ হয়ে যাবে।
ভাবতেই অবাক লাগে জামাতে ইসলামীর মধ্যে একজন মুহাক্কিক আলেমও নেই । আসলে মুহাক্কিক আলেম থাকলে তো সে আর মওদুদীর নতুন ইসলামের অন্ধ অনুসরণ করতো না।
আমির হামজা সাহেবকে আরিফ বিন হাবীব সাহেবের লেখাটা পড়তে বলেন,,,,,,,
أطيعوا এটা verb এটা ক্রিয়া, রসুল আর আল্লাহ বাদে
যত মানুষ দুনিয়াতে আছে তাদের নামের আগে কিন্তু নেই,,,,,, বলতে বলতে এবার বিদায় হজ্জের ভাষন।
তিনি কি বলতে পারতেন না যে আবু বকর কে রেখে গেলাম, এই যে ওমরকে রেখে গেলাম,আমার বিদায়ের পর এদেরকে মেনে নিলেই তোমরা জান্নাত পেয়ে যাবা, কই তা তো বলেন নি?! তিনি বলেছিলেন কোরআন (কুরআন)আর সুন্নাহ রাখলাম, আপনার মাথায় কি গোবর ভরা একটু বুঝেন না এই কথাগুলো! শুধু উল্টাপাল্টা দোষ দিয়ে যান। আরো আছে...... এই কথা বলেন না কেন ❓!
সামনে বসা লোকগুলো ঠি-----ক বলে উঠল।
উপরের কথাগুলো একজন সম্মানিত আলোচক তার আলোচনায় বলেছেন, আল্লাহ তার হায়াতে বরকত দান করেন, তার আগামীর জীবন অনেক সুন্দর হোক দূ'আ করি।
প্রশ্ন-১
রসুল আর আল্লাহ বাদে যত মানুষ দুনিয়াতে আছে তাদের নামের আগে কি أطيعوا(আনুগত্য কর) নাই?
উত্তরঃ
মুহতারাম বিদায় হজ্জের ভাষনেই أطيعوا এর কথা আছে।
سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ فَقَالَ " اتَّقُوا اللَّهَ رَبَّكُمْ وَصَلُّوا خَمْسَكُمْ وَصُومُوا شَهْرَكُمْ وَأَدُّوا زَكَاةَ أَمْوَالِكُمْ وَأَطِيعُوا ذَا أَمْرِكُمْ تَدْخُلُوا جَنَّةَ رَبِّكُمْ
আবু উমামা (রাঃ) বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিদায় হাজের ভাষণে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ তা'আলাকে ভয় কর, তোমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় কর। তোমাদের রামাযান মাসের রোযা রাখ, তোমাদের ধন-দৌলতের যাকাত আদায় কর এবং তোমাদের আমীরের অনুসরণ কর, তবেই তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।
তিরমিজি- ৬১৬
প্রশ্ন-২
আবু বকর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার ব্যপারে কি নবিজী কিছু বলে যেতে পারতেন না?
উত্তরঃ
আমার জানা নেই, আর কত দিন আমি তোমাদের মাঝে জীবিত থাকব। সুতরাং তোমরা আমার পরের দু'জন লোকের অনুসরণ কর এবং তিনি আবূ বাকর ও উমার (রাযিঃ)-এর দিকে ইশারা করেন।
عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " إِنِّي لاَ أَدْرِي مَا قَدْرُ بَقَائِي فِيكُمْ فَاقْتَدُوا بِاللَّذَيْنِ مِنْ بَعْدِي وَأَشَارَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَاهْتَدُوا بِهَدْىِ عَمَّارٍ وَمَا حَدَّثَكُمُ ابْنُ مَسْعُودٍ فَصَدِّقُوهُ "
হুযইফাহ ইবনুল ইয়ামান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আমরা বসা ছিলাম। তিনি বললেনঃ আমার জানা নেই, আর কত দিন আমি তোমাদের মাঝে জীবিত থাকব। সুতরাং তোমরা আমার পরের দু'জন লোকের অনুসরণ কর এবং তিনি আবূ বাকর ও উমার (রাযিঃ)-এর দিকে ইশারা করেন। আর তোমরা আম্মারের অনুসৃত পন্থা অনুসরণ কর এবং যে হাদীস ইবনু মাসউদ তোমাদের কাছে রিওয়ায়াত করে তা বিশ্বাস কর।
তিরমিজি- ৩৭৯৯
প্রশ্ন-৩
তিনি বলেছিলেন কোরআন (কুরআন)আর সুন্নাহ রাখলাম।
আর কিছু বলেননি?
উত্তরঃ
قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا فِينَا خَطِيبًا بِمَاءٍ يُدْعَى خُمًّا بَيْنَ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةِ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَوَعَظَ وَذَكَّرَ ثُمَّ قَالَ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন মাক্কাহ ও মাদীনার মাঝামাঝি খুম্ম’ নামক স্থানে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে বক্তৃতা দিলেন। আল্লাহর প্রশংসা ও সানা বর্ণনা শেষে ওয়ায-নাসীহাত করলেন। অতঃরপর বললেন,
أَمَّا بَعْدُ أَلاَ أَيُّهَا النَّاسُ فَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ يُوشِكُ أَنْ يَأْتِيَ رَسُولُ رَبِّي فَأُجِيبَ وَأَنَا تَارِكٌ فِيكُمْ ثَقَلَيْنِ أَوَّلُهُمَا كِتَابُ اللَّهِ فِيهِ الْهُدَى وَالنُّورُ فَخُذُوا بِكِتَابِ اللَّهِ وَاسْتَمْسِكُوا بِهِ
হুঁশিয়ার, হে লোক সকল! আমি একজন মানুষ, অতি সত্বরই আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত ফেরেশতা আসবে, আর আমিও তার আহানে সাড়া দিব। আমি তোমাদের নিকট ভারী দুটাে জিনিস রেখে যাচ্ছি। এর প্রথমটি হলো আল্লাহর কিতাব। এতে হিদায়াত এবং আলোকবর্তিকা আছে। অতএব তোমরা আল্লাহর কিতাবকে অনুসরণ করো, একে শক্ত করে আঁকড়ে রাখো। তারপর তিনি কুরআনের প্রতি উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিলেন।
فَحَثَّ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ وَرَغَّبَ فِيهِ ثُمَّ قَالَ " وَأَهْلُ بَيْتِي أُذَكِّرُكُمُ اللَّهَ فِي أَهْلِ بَيْتِي أُذَكِّرُكُمُ اللَّهَ فِي أَهْلِ بَيْتِي أُذَكِّرُكُمُ اللَّهَ فِي أَهْلِ بَيْتِي "
এরপর বলেন, আর দ্বিতীয়টি হলো আমার আহলে বায়ত। আর আমি আহলে বায়তের বিষয়ে তোমাদের আল্লাহর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি। আহলে বায়তের ব্যাপারে তোমাদের আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আহলে বায়তের বিষয়ে তোমাদের আল্লাহর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি।
সহিহ মুসলিম-২৪০৮
মাদ্রাসা পাঠ্যপুস্তক অনুসারে মোট হাদীস-৩০৩৩
আন্তর্জাতিক নম্বর।
যাযাকুমুল্লাহ।
01/03/2024
গত বছরের ন্যায় এবারও কি আগুনের খেলা শুরু হয়েছে ?
এই আগুনের খেলা কোথায় গিয়ে শেষ হবে ?
সোমবার শাহজাদপুরে বাসে আগুন লেগেছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেইলি রোডে আগুন লেগেছে
আজ শুক্রবার চট্টগ্রামে আগুন লেগেছে।
আল্লাহ তুমি আমাদের ক্ষমা করো এবং সকল ধরনের আজাব থেকে রক্ষা করো।
28/02/2024
ভারতের মালাউন মোদী সরকার নোংরা রাজনীতির অংশ হিসেবে নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন এলাকায় দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে । তারা দেওবন্দের বিরুদ্ধে এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে হিন্দু দেরকে উস্কিয়ে দিতে চাচ্ছে যাতে তারা রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করতে পারে।
আল্লাহর দ্বীন আল্লাহতালা হেফাজত করবে ইনশাআল্লাহ তবে হয়তো মুসলমানদের হয়তো রক্ত জ্বলবে । ভারতের মাটিতে মুসলমানদের রক্ত দেওয়ার ইতিহাস নতুন নয়।
তবে আমার বিশ্বাস হিন্দুরা কিছুই করতে পারবে না যদিও বয়ান দিচ্ছে এক মাসের মাথায় দারুল উলুম দেওবন্দর উপর বোল্ডজার চালাবে।
তারা যদি দারুল উলুম দেওবন্দে আক্রমণ করার জন্য অগ্রসর হয়। হয়তো হতে পারে এটাই গাযওয়ায়ে হিন্দের সূচনা হবে ইনশাআল্লাহ।
সবাই বেশি বেশি দুআ করুন। আল্লাহতালা যেন মাদারে এলেম দারুল উলুম দেওবন্দকে হেফাজত করেন।
27/02/2024
অনেকেই হয়তো জানেন না খেজুরেও বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো হয়।
কেমিক্যাল মেশানো খেজুর চেনার সহজ উপায়:
কেমিক্যাল মেশানো খেজুর ফ্রিজের বাইরে
অনেকদিন রেখে দিবেন কোন সমস্যা হবে না কিন্তু কেমিক্যাল মুক্ত খেজুর কিছু দিন ফ্রিজের বাইরে রাখলে দেখবেন ধীরে ধীরে একটা পরিবর্তন হয় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে
সুতরাং যারা কেমিক্যাল ও বিষমুক্ত খেজুর খেতে চান তারা এই পেজে যোগাযোগ করুন এবং পাইকারি রেটে খেজুর কিনুন।
একবার কিনে খান বারবার খেতে মন চাইবে।
https://www.facebook.com/sawarifoodbd?mibextid=ZbWKwL
আমার ফ্রেন্ডলিস্টে এমন অনেক আলেম এবং অনেক মাদরাসার মুহতামিম আছেন যাদের পোস্ট দেখে মাঝে মাঝে অবাক হই কিন্তু তর্কের খাতিরে এড়িয়ে চলি। কারণ এটাই নিরাপদ পন্থা।
25/02/2024
একজন আলেমের শান এমন হওয়া উচিত নয়।
ভাষা সংযত করা দরকার।
তালা যাদেরকে ইমাম মানে
নাসির উদ্দিন আলবানী এবং
ইবনে তাইমিয়া রহমাতুল্লাহ আলাইহিম
তারাও শবে বরাতের ফজিলতকে অস্বীকার করে নেই।
এমনকি নাসির উদ্দীন আলবানী তার কিতাব سلسلة الاحاديث الصحيحة এর মধ্যে শবে বরাতের ফজিলতের সমর্থনে ৮ সহীহ হাদিস এনেছেন।
এজন্য এ রাতের ফজিলতকে অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। সুতরাং সবাই রাতে ইবাদত করার জন্য প্রস্তুতি নেই।
22/02/2024
যাদের ভারতের পণ্যের প্রতি আকর্ষণ আছে
তারা এই খবর দেখে আরো বেশি বেশি কিনেন!!!
বিভিন্ন ঘটনা দেখে বুঝা যাচ্ছে বাংলাদেশে রুচির দুর্ভিক্ষ চলছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
