Ridwan Insights

Ridwan Insights

Share

Living, learning & creating — welcome to my INSIGHTS.

22/05/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

Photos from Ridwan Insights's post 10/08/2024

পুরান ঢাকার দামাল সন্তানেরা। নতুন বাংলাদেশের লক্ষ্যে ❤️ 🇧🇩

08/08/2024

সন্ধ্যা বেলায় কে পুরান ঢাকায় ডাকাতি করতে আসে ভাই!
অথর্ব যত্তোসব! 😮‍💨

Photos from Ridwan Insights's post 24/07/2022

Remarkable Architectural Building in old town Dhaka, Around B.K.Das Road, Farhashgonj, Few disappearing, and few remained as Lost Memory, Notable Beauty Boarding, Lal Kuthi, and Ruplal House. Short Brief Below inside.

Photos from Ridwan Insights's post 20/07/2022

২০০ বছর পুরনো #পুরান_ঢাকার
রোকনপুর এলাকায় অবস্থিত কাজি বাড়ির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প।

প্রায় ২০০ বছরের পুরনো স্থাপনার জন্য পরিচিত ঐতিহ্যবাহী কাজী বাড়ি। বাড়ির বাসিন্দারা ২০১৯ সালে সকালের নাস্তা এবং দুপুরের খাবারের আয়োজনে ঐতিহ্যবাহী নানা পদের খাবারের ব্যবস্থা করে। সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি মানুষ এ বাড়িটিকে ঘুরে দেখেন। বাড়িটির প্রাচীন স্থাপত্যশিল্প দর্শনার্থীদের নিয়ে যায় কয়েক দশক অতীতে।

পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক। পার্কটি থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রায় ২০০ মিটার দূরত্বে কাজী বাড়ি। হাটা পথে বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে প্রথমে কবি কাজী নজরুল সরকারি কলেজ, কলেজের পেছনের কাজী আবদুর রউফ সড়ক ধরে একটু এগুলে কাঁঠাল আর হাস্নাহেনা গাছে ঘেরা লোহার গেট। তা পার হলে বাম পাশে টার্কি স্থাপত্য রীতিতে এবং চিনি টুকরা অলংকরণে নির্মিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। মসজিদটির সামনের উঠান বা খোলা জায়গাটি পার হলেই কারুকারর্য খচিত সাদা দোতলা বাড়ি। ভবনের বাইরের টানা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠলে পেয়ারা গাছ ঘেরা ছোট একটি কোর্টইয়ার্ড। যার সঙ্গে সংযোগ সেগুন কাঠের খড়খড়ি দরজা-জানালা আর ভেতরের পুরনো যুগের সব আর্ট, এন্টিক আর ফার্নিচারের।
তাদের পরিবারের সদস্যরা। লাঞ্চে জনপ্রতি খরচ ৮০০ টাকা, ব্রেকফাস্টে ৪০০ টাকা।

বাড়িতে ঢোকার পর থেকে বের হয়ে আসা পর্যন্ত কখনোই মনে হবেনা, এটি কোনো হোটেল। মনে হবে যেন, নিজ আত্মীয়ের বাসা। বাড়ির প্রতিটা জিনিস ঘুরে দেখে আর কাজী সাদের বর্ণনা শুনে দেয়ালের নকশা থেকে শুরু করে প্রতিটি জিনিসের সঙ্গে নিজেকে খুব আপন অনুভব হয়। আয়োজক সাদের পরম আতিথেয়তার কারণেই সম্ভব হয় তা। নিজের টাকায় খরচ করেও চড়ুইভাতির আয়োজনের স্বাদ পাওয়া যায় এখানে। বাড়ির ছাদে অতিথিদের জন্য বার-বি-কিউ আর পিকনিকের ব্যবস্থাও আছে।

খাবারের জন্য শুধু পোলাও-কোরমা বা ভর্তা-ভাতই নয়, চাইলে নিজেদের পছন্দের খাবারের চাহিদা আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া যায়। যদিও প্রফেশনাল কোনো বাবুর্চি নেই, তবু সাদের চেষ্টা থাকে অতিথিদের যথাযথ তৃপ্তি দেওয়ার। এছাড়া সামনে পরিকল্পনা আছে ব্যতিক্রমী কিছু ভিন্ন ধারার খাবারের আয়োজন রাখার। যাতে দেশি হোক, বিদেশি হোক, সকলেই খেয়ে তৃপ্তি পায়।

আগস্ট থেকে এখানে থাকছে রাতে কাটানোর সুযোগ
চলতি বছরের আগস্ট থেকে এখানে রাতে থাকার আয়োজন করছেন সাদ। তিনি জানান, দর্শক এবং পুরান ঢাকাপ্রেমীদের জন্য তিনি সকালে আর দুপুরে খাওয়া ছাড়াও রাতে থাকার ব্যবস্থা করছেন। যাতে প্রাচীন এসব স্থাপত্যপ্রেমীরা সারাদিনের জন্য এসে খেয়ে, সন্ধ্যায় পুরান ঢাকার অলিগলি ঘুরে, রাতটাও কাটিয়ে দিতে পারে এই নবাবী কায়দাতেই। সেই সাথে, চাইলে রাতের বেলা মোমবাতি জ্বালিয়ে ভূতুড়ে গল্প করারও আয়োজন থাকবে!

পুরান ঢাকার ১২ নম্বর রোকনপুরের কাজী বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করলে দেখা যাবে মোঘল আমলের নক্সায় নির্মিত কাজী বাড়ী জামে মসজিদ। বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও ভিতরে প্রবেশ করে কারুকার্য করা এই মসজিদ দেখে অবাক হন মুসল্লিরা। সাথেই কাজী বাড়ী।

সেখানে আছেন ১৬ শতাব্দীতে আরব দেশ থেকে আসা পীর সৈয়দ আহমদ বক্সের বংশধর কাজী সাদ উল্লাহীল আলীম। তাঁর কাছেই জানা যায় মসজিদ নির্মাণের ইতিহাস। তিনি জানান ১৬ শতাব্দীতে সৈয়দ আহমেদ বক্স মোঘল সম্রাটের কাছ থেকে জায়গারী পাওয়ার পর ধোলাইখাল সংলগ্ন এলাকায় জঙ্গল পরিস্কার করে এই মসজিদ নির্মাণ করেন এবং ধর্ম প্রচার শুরু করেন।

এই মসজিদের পাশেই আছে সৈয়দ আহমেদ বক্স পীর সাহেবের কবর। মসজিদের ভিতরে আছে কষ্টি পাথর দিয়ে করা একটি শিলালিপি। সাদ জানান তখনকার দিনে আর্কিটেকচারাল ডিজাইন অনুসারে মসজিদের উপরে চিনি টুকরা বা প্লেট ভেঙ্গে করা ছোট ছোট গ্লাসের টুকরা দিয়ে নক্সা করা হয়েছে।

এর সাথে আছে কিছু মোঘল আমলের স্ট্রাকচার। সৈয়দ আহমেদ বক্স পীর সাহেবের উত্তর পুরুষ ছিলেন পীর সাহেব কাজী আবদুর রউফ। জানা যায় মসজিদ নির্মাণের ২’শ/৩’শ বছর পর তাঁকে স্বপ্নে নির্দেশ দেওয়ার পর এই মসজিদ সংস্কার করেন।

এরপরে কাজী আবদুর রউফের ছেলে কাজী আবদুল মতিন মসজিদের সামনে ছাউনি করে দেন। কালের পরিক্রমায় কিছু পরিবর্তন হলেও মূল কাঠামো একই রয়ে গেছে। ১৮৫০ সালে কাজী আবদুর রউফের বাবা মৌলভী রহিম বক্স আবারো মসজিদটির সংস্কার করেন।

তিনিও পীর সাহেব ছিলেন। তাঁর চেষ্টায় এখানে জুম্মার পড়া শুরু হয় বলে জানা যায়। তখন পীর সাহেবের মসজিদ হিসেবে পরিচিত ছিল। কাজী বাড়ীর পারিবরিক মসজিদ হলেও সবাই নামাজ পড়তে পারেন। ঢাকার যে কোন জায়গা থেকে ধোলাইখালের টায়ারের গলি এসে কাজী বাড়ী জামে মসজিদের নাম বললে দেখিয়ে দেবে সবাই।

বিঃদ্রঃ যাওয়ার একদিন আগে এই নম্বরে যোগাযোগ করে খাবারের অর্ডার করে যেতে হবে। ০১৭৪৬৭৪৮১০৪
ধন্যবাদ 😊

10/06/2022
Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka