Be & Make

Be & Make

Share

Be & Make is a voluntary organisation for social services, especially to support students with great potential to thrive but poverty is a big barrier for that.

24/09/2022

Be & Make থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়া মোট 15 জন শিক্ষার্থী এবছর উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছিল। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছে;

1। মেডিকেল- 2 জন (রংপুর ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ)

2। ইঞ্জিনিয়ারিং- 1 জন (RUET- Mechanical Engineering)

3। বিশ্ববিদ্যালয়- 3 ( রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়- Fisheries ও ইতিহাস)

4। বাকি সবাই গুচ্ছতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে মেধাতালিকায় আছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় নির্বাচন এখনও হয়নি)

সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন! এদের পাশে যারা ছিলেন তাদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা।

এই শিক্ষার্থীরা সবাই প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ। প্রত্যেকের জীবন সংগ্রামের আলাদা আলাদা গল্প আছে। সেগুলো এক এক করে তুলে ধরব এক সময়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে এরা সবাই মাসিক শিক্ষাবৃত্তি পাবে যা দিয়ে ওদের পড়াশোনার খরচ চলে যাবে।
ওদের ভালো হোক! জগতের কল্যাণ হোক!

03/05/2022

ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় কিছু শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে সেবাদান করছে Be & Make। কাজটি করা হচ্ছে স্থানীয় একজন শিক্ষক সোয়েল রানা ভাইয়ের মাধ্যমে। তিনি নিজ উদ্যোগেই গত পরশু স্থানীয় কিছু হতদরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন চাল-ডাল-সেমাই সহ একটি করে প্যাকেট নিয়ে।

এই পরিবারটিকে প্যাকেট দিতে গিয়ে তিনি জানতে পারলেন তাদের পানীয় জলের ভীষণ সংকট। বৃদ্ধ বয়সে দূর থেকে পানীয় জল টেনে আনা বেশ কষ্টকর তাদের জন্যে। বাড়িতে তারা দুজন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। তারা থাকে শ্বশুরবাড়িতে।

তাদের কষ্ট লাঘব করার জন্যে Be & Make-এর সৌজন্যে একটি টিউবওয়েলের ব্যবস্থা করা হলো গতকাল। এটি তাদের জন্যে ঈদ উপহার। সেই উপহার পেয়ে তারা আনন্দে কেঁদে ফেললেন।

সকলকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা! ঈদ মোবারক!

জগতের কল্যাণ হোক!

Photos from Be & Make's post 09/04/2022

এক অসহায় বোন লতা রায়ের হাতে এই গরুটি তুলে দেওয়া হলো Be & Make-এর পক্ষ থেকে।

উনার বাড়ি দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায়। স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত হয়েছেন কিছুদিন আগে। এখন সম্বল বলতে চার শতকের ভিটেমাটি আর দশ বছরের একটি মেয়ে। মেয়েটি এখন পড়ছে পঞ্চম শ্রেণিতে। মাসিক শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে ওর পাশে আছে এই প্রতিষ্ঠান।

লতা রায় একজন সাধারণ গৃহিণী। তিনি জানেন না কী করে চলবে তার সংসার। খাওয়া চলবে কী করে। শুনলাম মাটি কাটার কাজ করতে শুরু করেছেন।

অবস্থা তার একেবারে খারাপ ছিল না। স্বামী স্বর্গীয় নির্মল রায় একটি নন-এমপিও বেসরকারি হাই-স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। স্কুলের সামান্য বেতন আর প্রাইভেট টিউশনের টাকা দিয়ে মোটামুটি চলে যেত। কিন্তু সঞ্চয় যা ছিল তার চিকিৎসা করাতেই শেষ।

আপাতত তার সংসারে একটু আয়ের ব্যবস্থা করতে এই গরুটি দেওয়া হলো। নতুন ধান উঠলে কয়েক বস্তা ধান কিনে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

লতাদের ভালো হোক! জগতের কল্যাণ হোক!

Photos from Be & Make's post 05/04/2022

অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, Be & Make থেকে শিক্ষাবৃত্তি পাওয়া এই দুজন শিক্ষার্থী এবারের মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। মো: রেজওয়ানুল হক হৃদয় সুযোগ পেয়েছে বরিশাল মেডিকেল কলেজে আর জয়া সরকার দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে।

ওদের দুজনের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন! জীবন-যুদ্ধে জয়ী হও তোমরা!

Photos from Be & Make's post 15/03/2022

ওদের বাড়ি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায়। ওরা সবাই মেধাবী। দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করছে প্রতিদিন। ওদের লড়াই করার শক্তি যোগাতে পাশে দাঁড়ালো Be & Make।

যারা ওদের পাশে দাঁড়াতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন তাদের প্রত্যেককে অশেষ ধন্যবাদ!

ওদের ভালো হোক! জগতের কল্যাণ হোক!

Photos from Be & Make's post 04/03/2022

নীলফামারির এই ছেলেটির নাম নিপুণ বিশ্বাস। ওর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অনিশ্চয়তা নিয়ে খবরটি ভাইরাল হয়েছিল। এদেশে ভাইরাল না হলে সমস্যার সমাধান হওয়া খুব কঠিন।

নিপুণ এক অত্যন্ত সাধারণ পরিবারের সন্তান। বাবা পেশায় নরসুন্দর। সেই সামান্য আয়ের উপরে ভর করেই ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর স্বপ্ন দেখেছেন। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছিল নিপুণের। যথাসময়ে খবর না পাওয়ায় এবং শেষ মুহূর্তে খবর পেয়ে ছুটে গিয়েও ভাইভাতে উপস্থিত হতে দেরি করে ফেলে কয়েক মিনিট। তাতেই বাতিল হয়ে যায় তার ভর্তির প্রক্রিয়া। পরে সেই খবর ভাইরাল হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশেষ বিবেচনায় তাকে ভর্তি করাতে একপ্রকার বাধ্য হয়।

প্রথম খবরটি শুনে মনটা কেঁদে উঠেছিল এবং পরের খবরটি পেয়ে আনন্দে ভরে উঠেছিল মন। তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আয়োজন করতে হয়েছিল মানুষের কাছে চেয়ে চিন্তে। সে তো গেল ভর্তির খরচ। ওখানে থাকতে খেতে প্রতি মাসে যে খরচ হবে তার কী ব্যবস্থা হবে? নিপুণ তার উত্তর জানে না। জানে না তার পরিবারও।

ঠিক তখনই Be & Make ওর খোঁজ করে মাসিক শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে ওর পাশে দাঁড়ায়।

জীবন যুদ্ধে এগিয়ে যাক নিপুণরা! ওদের ভালো হোক, জগতের কল্যাণ হোক!

Photos from Be & Make's post 13/02/2022

আজ খুব আনন্দের একটি দিন আমার জন্যে। Be and Make থেকে শিক্ষাবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে মোট সতেরো জন এবার উচ্চমাধ্যমিক (HSC) পরীক্ষা দিয়েছিল। এদের মধ্যে ছয় জন সকল বিষয়ে জিপিএ-5 পেয়েছে। আপনারা যাকে আদর করে ডাকেন "Golden GPA-5" বলে, যদিও দাপ্তরিকভাবে Golden GPA-5 বলে কিছু নেই। আর আট জন পেয়েছে GPA-5, কারণ তাদের দু'একটি বিষয় থেকে GPA-5 ছুটে গেছে। বাকি দুজন পেয়েছে 4.92 এবং 4.83, আর একজন দুর্ভাগ্যক্রমে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে।

শেষের ঐ একটি খারাপ লাগার ঘটনা ছাড়া সবাই চমৎকার সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ কোনো কোনো বিষয়ে 95% থেকে 99% নম্বর পেয়েছে। ভাবা যায়!?

যাদের কথা বলছি তাদের বাবারা কেউ দিনমজুর, প্রান্তিক কৃষক, ইটভাটার শ্রমিক, ফুটপাথের দোকানদার, রিকশা-ভ্যানচালক। আবার কারো বাবাই নেই। মায়েরা প্রায় সবাই গৃহিণী এবং তাদের অনেকেই একই সাথে কৃষিশ্রমিকও বটে। তাদের সবার ঘরে আজ ভাঙা চালের ফাঁক দিয়ে ঝরে পড়ছে চাঁদের হাসি।

অতি কষ্টে যাদের চলে সংসার, তাদের মনে কী অসীম শক্তি! সামান্য একটু কৃষিজমি, তাও বন্ধক রেখে সন্তানকে বলছেন, যা, শহরে যা! আগে তুই তো মানুষ হ! কষ্ট যা করার আমরা করব।

এই সতেরো জনের মধ্যে পনেরো জনের বাড়িই উত্তরবঙ্গে, যেখানে দারিদ্র্যের সাথে মানুষের গলাগলি সম্পর্ক। এদের খুঁজে পেয়েছিলাম বছর দুয়েক আগে। দিনাজপুরের একজন নিবেদিত-প্রাণ শিক্ষক জয়গোপাল রায় দাদার মাধ্যমে। এদেরকে সাহস যোগাতে, আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে এগিয়ে এসেছিলেন আমার বেশ কয়েকজন কাছের মানুষ। অনুমতি নেওয়া হয়নি, তাই তাদের নাম প্রকাশ করতে পারছি না।

এই শিক্ষার্থীরা সবাই এখন মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্যে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি ওদের এই পরের ধাপের সাফল্য প্রত্যক্ষ করার অপেক্ষায় আছি এখন।

সবাই ওদের জন্যে আশীর্বাদ/দোয়া করবেন যেন ওরা দারিদ্র্যের অন্ধকার ভেদ করে এগিয়ে যেতে পারে দুর্বার গতিতে।

জগতের কল্যাণ হোক!

Photos from Be & Make's post 05/07/2021

আপনার হয়তো অনেক আছে, তাই আপনি ভাবতেই পারেন, "দেশে আবার গরিব মানুষ আছে নাকি এখন"! আপনি বলতেই পারেন, "সামান্য খাতা-কলম কেনার পয়সা জোটে না, এমন মানুষ আছে নাকি এদেশে"!

আপনি-আমি যাই ভাবি না কেন, দেশে হাজার হাজার ছেলে-মেয়ে আছে যারা তাদের দরকারি খাতা-কলম কিনতে পারে না। হয় তাদের কেনার সামর্থ্য নেই, নয়তো মা-বাবা এ ব্যাপারে সচেতন নন। কপাল ভালো, বইগুলো অন্তত সরকার দিচ্ছে এখন। নইলে এই বই কেনার চাপেই অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছেড়ে দিত। ঠিক যেরকম আগেও দিয়েছে।

আমার এক প্রতিবেশীর এক বিখ্যাত ঘটনার কথা বলি। ঘটনাটি আজ থেকে কমপক্ষে ত্রিশ বছর আগের। স্বামী বাজারে যাচ্ছেন দুধ বিক্রি করতে। স্ত্রী কাছে এসে বললেন, "মনির জন্যি ইটু ওষুদ আনবা তো!" তাই শুনে স্বামী রেগে গিয়ে বললেন, "শালীর কতা শোনো! আমার বিড়ি কিনার পয়সা নাই, আর উনি ওষুদ খাওয়ার মতলব করতিচেন!"

এমন বাবা নিশ্চয়ই এখনও আছেন, আরও আছেন যারা টাকা থাকলেও ছেলে-মেয়েদের প্রয়োজনীয় খাতা-কলম কিনে দেন না ঠিক মতো। আর যারা ভাতের যোগাড় করতেই হিমশিম খান তাদের ব্যাপার তো একদমই আলাদা।

খুলনার কয়রা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার তিনটে গ্রামের হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে Be & Make একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল মাস ছয়েক আগে। ওখানকার প্রায় দেড়শো স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল খাতা-কলম সহ কিছু শিক্ষা উপকরণ। আর একটি বাড়িতে ওদের জন্যে খাতা-কলম রাখা থাকে। যার যখন দরকার হয় পুরোনো খাতা বা কলম দেখিয়ে নতুন একটি নিয়ে যায়। স্থানীয় একজন শিক্ষক (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র) এই কাজটি তত্ত্বাবধায়ন করছেন।

গত মাসে একই উপায়ে ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার একটি গ্রামে একইভাবে পঞ্চাশ জনের মতো শিক্ষার্থীর মাঝে খাতা-কলম বিতরণ করা হয়। ওদের বলা আছে, যার যখন দরকার হবে পুরোনো খাতা বা কলম দেখিয়ে নতুন একটি নিয়ে যাবে। এখানেও স্থানীয় একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এই কাজটি তত্ত্বাবধায়ন করছেন।

তার কাছ থেকেই শুনলাম, এই সামান্য উপহার পেয়েই শিক্ষার্থীরা ভীষণ খুশি। খুশি অভিভাবকরাও। কেউ যে ওদের কথা ভেবেছে, ওরা তাতেই খুশি।

মনে হলো, এই বিষয়টি আপনাদের সাথে শেয়ার করি যদি আপনারাও কেউ এভাবে কিছু করতে চান। আমরা সবাই নিজের গ্রাম, এলাকা বা পরিচিতদের নিয়ে একটু ভাবলেই দেশের জন্যে কিছু করা হয়। আসুন মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াই!

জগতের কল্যাণ হোক!

Photos from Be & Make's post 25/06/2021

প্রায় মাস খানেক আগে আমি একটি পোস্ট দিয়েছিলাম দৃষ্টিজয়ী (প্রতিবন্ধী নয়) অপূর্ব দত্তকে নিয়ে (https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10159265730164854&id=594484853)। Be & Make এবং সোনারতরী এডুকেশন অ্যান্ড সোস্যাল ডিভালপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এর উদ্যোগে আমরা মোট 30,000/= টাকা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি।

আজ অপূর্বর দোকানের জন্যে 20,000/= টাকার মালামাল কিনে দেওয়া হলো এবং বাকি 10,000 টাকা ওর হাতে নগদ দেওয়া হলো। এই টাকা দিয়ে ও সুবিধে মতো দোকান মেরামত করে নেবে।

আন্তরিক ধন্যবাদ Arun Kumar Biswas দাদা, Chayan Bala, Dabottom Sanyal এবং Samir Mukharjee দাদার প্রতি এই কাজে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যে।

বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই Tapon Shil কে যিনি আমাকে অপূর্বর খোঁজ দিয়েছিলেন। আরও বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই বন্ধু ভীষ্মদেব বাড়ৈ -এর প্রতি যে নিজে এবং তার পরিবার ও সংগঠন পাশে দাঁড়িয়ে এই কাজটি সম্পাদন করল।

আমাদের কোনো প্রাপ্তির আশা নেই। অপূর্বরা একটু ভালো থাক, এই আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা। আপনার আশেপাশে এরকম কেউ থাকলে আপনিও এগিয়ে আসুন।

জগতের কল্যাণ হোক!

14/01/2021

মাস খানেক আগে এক ছোট ভাইয়ের একটি ফেইসবুক পোস্ট দেখলাম। দেখেই তার সাথে যোগাযোগ করে ঝুলোমনি নামের এই মায়ের জন্যে কিছু করা যায় কি না তা নিয়ে আলাপ করি। তারপর তাকে ডেকে এনে জানতে চাওয়া হলো, কীভাবে তাকে সহায়তা করতে পারি আমরা। তিনি জানান যে, তার সবজি বিক্রির স্বল্প আয়ে সংসার চালানো খুব কষ্ট হয়।

এই মায়ের গল্প একটু বলি তাহলে। দুধের বাচ্চা রেখে ছয় বছর আগে তার একমাত্র ছেলে মারা গেছে। তারপর থেকে নাতি আর ছেলের বউয়ের দায়িত্বও তার কাঁধে। স্বামী চলে গেছেন সেই কবেই। আছে কেবল একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই। তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায়।

তিনি সংসার চালাতে গ্রাম থেকে বিভিন্ন সবজি সংগ্রহ করে বারো কিলোমিটার দূরে শহরে আসেন বিক্রি করতে। কখনো আসেন পায়ে হেঁটে, কখনো ভ্যানে যদি টাকা থাকে কাছে। তারপর মাথায় সবজির বোঝা নিয়ে বাড়ি বাড়ি ফেরি করেন সত্তরোর্ধ্ব এই মা।

ঠিক করলাম, সবার সহযোগিতায় তাকে একটি বকনা বাছুর গরু কিনে দেয়ার, যা ভবিষ্যতে তার একটি আয়ের উৎস হবে। সাথে গোটা দশেক হাঁস যা থেকে এখনই কিছু আয় করতে পারবেন। কেউ যদি সহযোগিতা করতে চান তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন।

Photos from Be & Make's post 12/01/2021

আজ 12 জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের 158তম জন্মোৎসব উপলক্ষে Be and Make- এর উদ্যোগে ক্ষুদ্র পরিসরে খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের 150 জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাপোকরণ বিতরণ করা হয়।

সার্বিক আয়োজনে সহযোগিতা করেন বিপ্লব মণ্ডল যিনি স্বামী বিবেকানন্দের একজন বিশেষ অনুরাগী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিতা মণ্ডল যে Be and Make- এর শিক্ষাবৃত্তিপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থী।

সুন্দরবন সংলগ্ন অত্যন্ত দরিদ্র জনপদের হরিহরপুর গ্রামের সকল শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় শিক্ষাপোকরণ সরবরাহের দায়িত্ব নিয়েছে Be and Make।

ওদের ভালো হোক! জগতের কল্যাণ হোক!

জয় স্বামীজি!

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Mohammadpur
Dhaka
1207