বাড্ডা থানা ছাত্রলীগ

বাড্ডা থানা ছাত্রলীগ

Share

আর দাবায়ে রাখতে পারবানা’।

23/04/2025

নতুন প্রজন্ম জয় বাংলা স্লোগানে মুখোরিতো

04/09/2024

মনু পাগলার গারদখানা

"তোরা তো দেশটারে মনু পাগলার গারদখানা বানাইলি নাতি!" - বাহার নানুর ফোন। ৮০'র কাছাকাছি বয়স। আমার নানুর জুনিয়র ফ্রেন্ড এই সাবেক কলেজ শিক্ষক নানুটি বলা যায় আমার রাজনৈতিক দিক নির্দেশনার বাতিঘর। রাজনীতির কঠিন প্যাঁচগুলো এতো চমৎকারভাবে বুঝিয়ে দেয়ার মতো দ্বিতীয় মানুষ আমার জীবনে আসেনি। আমি ফোনে কথা বলা প্রায় বন্ধই করে দিয়েছি। বিসিএস ক্যাডার, যদিও পুলিশ প্রশাসনের মতো ক্ষমতাধর পোস্টে নেই, তবুও বাতাসেরও কান থাকে, ফোন ট্যাপ যে কোনো কারোই হতে পারে।

মনু পাগলার কাহিনী হলো, নানুদের গ্রামের এই লোক নেশা করতো, জুয়া খেলতো, বউ পিটাতো। একবার প্রেগনেন্ট অবস্থায় বউকে এমন মারা মারে যে গর্ভপাত হয়ে যায়। বউ এরপর তাকে ডিভোর্স দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে। মনু পাগলাও গ্রাম ছেড়ে চলে যায়। এই ঘটনার প্রায় ৩০ বছর পরে মনু পাগলা আবার গ্রামে ফিরে আসে। বউয়ের দ্বিতীয় ঘরে একটি ছেলে হয়। ছেলে তখন থানার দারোগা। মনু মিয়ার সাবেক বউ ২ বছর হলো মারা গিয়েছে। তার ২য় স্বামীও বেঁচে নেই। কিন্তু মনু পাগলা কান্নাকাটি করে সৎ ছেলেকেই বুকে তুলে নেয়, এমন ভাব করে সে তার হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে এতোদিন পর খুঁজে পেয়েছে। ঘটনা সে পর্যন্ত থাকলে সমস্যা ছিলো না। দারোগা ছেলের রেফারেন্সে মনু পাগলা গ্রামের লোকদের ওপর অত্যাচার শুরু করে। এর জমি দখল, ওর থেকে বাকি খাওয়া, এই বুড়া বয়সেও আরেকজনের বউয়ের গায়ে হাত দেয়া, তার সামর্থ্যের কোনো অন্যায়ই বাদ যায় না। বুড়া মনু পাগলা এখনো সেই যৌবনের মনু পাগলার মতোই বদ, স্বভাব চরিত্র কিছুই পাল্টায় নাই।

২০২৪-এর বাংলাদেশে জামায়াত হলো সেই মনু পাগলা আর পুরো দেশটাই হলো তার হাতে বন্দী, তার গারদখানা। জামায়াত এমন একটি রাজনৈতিক দল, যারা বাংলাদেশের জন্মেরই বিরোধী। বাংলাদেশ বলে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র হোক, তারা চায় নি। শুধু না চাওয়াই নয়, বাংলাদেশের জন্ম ঠেকাতে তারা সর্বশক্তি দিয়ে পাকিস্তানি হানাদারদের সঙ্গে এক হয়ে দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে।

একটি গুজব ছড়ানো হয় যে, 'বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা চান নি, তিনি সমগ্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন'। এটি যে মিথ্যা কথা, তা মানবতাবিরোধী অপরাধী গোলাম আযমের "জীবনে যা দেখলাম" বই থেকেই বুঝা যায়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬২টি আসনের মধ্যে জামায়াত মাত্র ৬৩টি আসনে প্রার্থী দিতে সমর্থ হয়। গোলাম আযমের বই অনুসারে, তাদের নির্বাচনী প্রচারের ২টি প্রধান যুক্তির একটি ছিলো, "আপনারা কি জানেন যে, আওয়ামী লীগ শুধু পূর্ব পাকিস্তানেই আছে? পশ্চিম-পাকিস্তানে এদের কিছুই নেই। তারা ক্ষমতা পেলে পাকিস্তান থেকে পূর্ব-পাকিস্তানকে আলাদা করে ফেলতে পারে।" অর্থাৎ রাজাকার শিরোমনির নিজের বয়ানেই আছে আওয়ামী লীগের দেশ স্বাধীন করার মেনিফেস্টো, একই সাথে স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান।

সেই নির্বাচনে পুর্ব-পাকিস্তানে জামায়াত কোনো আসন পায় নি, পশ্চিম পাকিস্তানে পেয়েছিলো মাত্র ৪টি। অন্যদিকে ১৬০টি আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এর পরের ঘটনাপ্রবাহ আমরা কমবেশি জানি। ইয়াহিয়া খানের গড়িমসি, ভুট্টোর সাথে ষড়যন্ত্র করে সময়ক্ষেপণ, ইতিহাসের সেই অধ্যায়গুলো এই লেখায় আর রিপিট না করি। তবে গোলাম আযমের বই থেকেই পাই, "২৩শে মার্চ পাকিস্তান দিবস। সেদিন সারা পাকিস্তানে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উড্ডীন হওয়ার তারিখ। ... ২৩শে মার্চ ছাত্ররা সর্বত্র স্বাধীন বাংলার পতাকা ওড়ায়।" তারিখটি খেয়াল করুন। আমাদের 'মেজর' জিয়া কিন্তু তখনো দৃশ্যপটে নেই এবং স্বাধীন বাংলাদেশের শুধু কনসেপ্ট না, অ্যাকটিভিটিও দৃশ্যমান। জামায়াত তখনো অখণ্ড পাকিস্তান রক্ষার চেষ্টা করেই যাচ্ছে।

২৬ তারিখ, ১৯৭১ সকালে গোলাম আযম ঢাকার অবস্থা দেখার জন্য বের হন। তার নিজস্ব বয়ানে, "সেখানে যে বিভৎস দৃশ্য চোখে পড়েছে তা বড়ই অমানবিক ও করুন। ... যে নৃশংস দৃশ্য দেখলাম তাতে মনে হলো যে, সেনাবাহিনী যেন কোনো শত্রুদেশ জয় করার জন্য আক্রমণ চালিয়েছে।"

এতো নৃশংসতা দেখার পরেও জামায়াতে ইসলামী স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আসেনি। গোলাম আযমের বয়ান, "শেখ মুজিব, তাজউদ্দিন, সৈয়দ নজরুল পাকিস্তান আন্দোলনে আমার চেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন। আজ তারা মুসলিম জাতীয়তা ত্যাগ করার কারণে ভারতের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ কায়েমের জন্য বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে চাচ্ছেন। সমাজতন্ত্রও তাদের একটি বড়ো শ্লোগান। ... আমার ঈমান কি এর অনুমতি দেয়? ... আমরা সবদিক বিবেচনা করে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য হলাম তা হলো: ... ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও সমাজতন্ত্র কায়েমের আন্দোলনে শরীক হতে আমাদের ঈমান অনুমতি দেয় না। ... আমাদের বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কটের সুযোগে আমাদের বন্ধু সেজে ভারত এ দেশ দখল করতে চায়।" গোলাম আযমের "ঈমান" স্বাধীন বাংলাদেশের অনুমতি দেয়নি। এতো নৃশংসতা দেখার পরেও জামায়াত দলগতভাবে পাকিস্তানের পক্ষে ছিলো।

শুধু পক্ষে থাকাই নয়, তারা রাজাকার, আল-বদর, শান্তিকমিটি প্রভৃতি বাহিনী গঠন করে পাকিস্তানের পক্ষে এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে সসস্ত্র যুদ্ধ করেছে। স্বাধীন বাংলাদেশে স্বভাবতই তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিলো।

২০২৪ এর তথাকথিত ছাত্র জনতার আন্দোলনের পর কার্যত এখন সেই জামায়াতই বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায়। অনেকেই বিস্তারিত না বুঝে কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিলেন। তাদের কেউ কি চেয়েছিলেন জামায়াতকে ক্ষমতায় চান? না। এরপরের ধাপে অনেকেই সরকারের আওয়ামী লীগ সরকারের পতনকেও সমর্থন করেছিলেন। তাদের কেউ কি চেয়েছিলেন জাময়াতকে ক্ষমতায়? না। জামায়াত কি কোনো ঘোষণা দিয়েছিলো যে, তারা কোটাবিরোধী আন্দোলন বা সরকার পতনের আন্দোলনে নেতৃত্বে আছে? না। কিন্তু, সরকার পতনের পর তারা আন্দোলনের ফসলকে হাইজ্যাক করে সর্বেসর্বা হয়ে বসেছে। সেনাপ্রধান কাদের সাথে বৈঠক করেছেন, সে তালিকায় প্রথমেই বলেছিলেন, জামায়াতের নাম। একবার নয়, তিনবার বলেছিলেন। ড. ইউনূস একটি ফেসভ্যালু মাত্র, প্রকৃত ক্ষমতা এখন জামায়াতের হাতে।

আজ জামায়াত বাংলাদেশের সংবিধান পালটাতে চায়, বাংলাদেশের নাম পালটাতে চায়, বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পালটাতে চায়। যে দেশটার জন্ম হোক, তারা চায় নি, যে দেশটার মুক্তির বিরুদ্ধে তারা যুদ্ধ করেছে, আজ তার সবকিছুকেই পালটে দিতে চাইবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনারা যারা এতোকিছু না বুঝে আন্দোলনে শরিক ছিলেন, সরকার পতন চেয়েছিলেন, তারা কি এখন প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারছেন? নাকি আরো সময় যেতে হবে, আরো স্পষ্ট হতে হবে?

বাহার নানুকে বললাম, তোমরা মুক্তিযোদ্ধা যারা বেঁচে আছো, তোমরা প্রতিবাদ জানাও, নানু। তোমাদের যুদ্ধ করা দেশটা জামায়াত হাইজ্যাক করে নিয়ে যাবে, তোমরা কিছু বলবা না? নানু দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, কারো যুদ্ধ অন্য কেউ করে দেয় না রে নাতি। আমাদের যুদ্ধটা আমরা করেছি। এখন আর আমরা নেই। এখন যুদ্ধটা তোদের। জিতলে জিতবি, হারলে হারবি। নিজেদের কর্মফল নিজেরাই ভোগ করবি। খেলাফত চাইলে খেলাফত হবে। বাংলাদেশ চাইলে বাংলাদেশ।

20240913

, fans

04/09/2024
04/09/2024

বাপের মতো পোলাগুলাও এক একটা ইবলিশ

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী, এনডিসি, পিএসসি (বরখাস্ত) ২৭ ডিসেম্বর ১৯৫৮ সালে ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করে। পিতা গোলাম আযম স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সাধারণ ক্ষমা গ্রহণ না করায় নাগরিকত্ব বাতিল হলে, বাংলাদেশ ত্যাগ করে লন্ডন চলে যায়।

প্রথমত, আযমী ১৯৭৫ সালে সিলেট সরকারি অগ্রগামী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগে এসএসসি পাস করার পর লন্ডনে গিয়ে পিতার সঙ্গে বসবাস শুরু করে। ১৯৭৮ সালে গোলাম আযম পাস্তিানের পাসপোর্টে অস্থায়ীভাবে সপরিবারে দেশে ফেরত আসে এবং বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। আযমী এইচএসসি তৃতীয় বিভাগে পাস করে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণী পাওয়া একজন অতি সাধারণ ছাত্র হওয়ার পরেও সেনাবাহিনীতে রহস্যজনকভাবে কমিশন পায়। শুধু তাই নয় এইচএসসি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ একজন ছাত্র রাতারাতি বিএমএতে এসে কিভাবে ডিগ্রি পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করে স্বর্ণপদক পেয়ে যায়, তা আজও এক বিস্ময়কর ঘটনা।

দ্বিতীয়ত, আযমী ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করে এবং সবার জন্য নির্ধারিত তারিখের একমাস পর বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে যোগদান করে। নিজস্ব ঠিকানা না থাকায় সিলেটস্থ কোনো দূর-সম্পকীয় চাচার ঠিকানা দিয়ে ভর্তি হয় যা সেনাবাহিনী আইনে অত্যন্ত গর্হিত একটি বিষয়। অথচ, তার পিতা তখনও পাকিস্তানি নাগরিক এবং পাকিস্তানি পাসপোর্ট বহন করে। একজন বিদেশি নাগরিকের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও সে কীভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরি পেল?

তৃতীয়ত, সেনাবাহিনীতে ‘সোর্ড অব অনার’ পেতে হলে একজন ক্যাডেটকে হতে হয় সর্ব বিষয়ে চৌকশ। অথচ, সর্ব বিষয়ে চৌকশ না হয়েও আযমী লাভ করেছিল সর্বশ্রেষ্ঠ ক্যাডেট হিসেবে সম্মানজনক খেতাব ‘সোর্ড অব অনার’! সে ছিল একজন অ-সাঁতারু (নন সুইমার)। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে প্রশিক্ষণকালীন আযমী কোনো দিন সাঁতারে উত্তীর্ণ হতে পারেননি। সেনাবহিনীতে কর্মরত প্রত্যেক অফিসারের জন্য বিএমএ থেকে কমিশন লাভ করা জন্য সাঁতার জানা বাধ্যতামূলক এবং শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষার একটা আবশ্যকীয়। অথচ, কীভাবে একজন অ-সাঁতারু কর্নেল পদোন্নতি প্রাপ্তির আগ পর্যন্ত শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতো তা কে বলতে পারবে?

চতুর্থত, আযমী মিরপুর ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড ও স্টাফ কোর্স করার সময়ে সড়ক দুর্ঘটানায় পতিত হয়। যার ফলে, শতকরা ২৭ ভাগ ক্লাসে সে অনুপস্থিত ছিল। প্রচলিত বিধি মোতাবেক এরকম অবস্থায় একজন সামরিক অফিসার ওই কোর্স থেকে ইউনিট বা নিজস্ব সংস্থায় ফেরত যাওয়ার কথা। অথচ, সে কোর্স থেকে ফেরত যাওয়া দূরের কথা সার্বিক ফলাফলে পঞ্চম স্থান নিয়ে কোর্স শেষ করে। এটা কীভাবে সম্ভব হল?

পঞ্চমত, আযমী ১৯৯৩ সালে মালয়েশিয়ায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে যায় এবং সেখানকার জামায়াতে ইসলামি দলের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। চাকরিরত অবস্থায় সেখানে জামায়াত নেতাদের আয়োজিত এক ইফতার পার্টিতেও যোগদান করে, সেনা কর্তৃপক্ষকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেন। তার এই রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জানানো হয়। কিন্তু, তৎকালীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যদিও সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় এরকম কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ষষ্ঠত, কোনো বিদেশি নাগরিকের সেনানিবাসে প্রবেশের প্রচলিত নীতি মোতাবেক সেনাসদরের পূর্ব অনুমতি প্রয়োজন হয়। অথচ, তার পিতা গোলাম আযম একজন বিদেশি নাগরিক হয়েও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যাতীত সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে তৎকালীন মেজর আযমীর বাসায় রাত্রিযাপন করেছে। জামায়তে ইসলামির সিলেটের দুইজন শীর্ষস্থানীয় নেতা তার জালালাবাদ সেনানিবাসের বাসায় তার পিতার সঙ্গে বৈঠক করেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম সেনানিবাসে চাকরিকালীন তার পিতা অস্ত্রধারী দেহরক্ষীসহ সেনানিবাসের ভেতর তার বাসায় গিয়ে রাত্রিযাপন করে। একজন রাজনৈতিক নেতাকে কোনো প্রকার নিরাপত্তা ছাড়পত্র ছাড়াই, সেনানিবাসের বাসায় বসবাস করতে দেওয়া সেনা আইনের পরিপন্থী।

অনর্গল মিথ্যা বলার ট্রেনিং রয়েছে আযমীর।

বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা, সেনাবাহিনীর আইন ও শৃঙ্ক্ষলা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার কারণে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

20240912

02/09/2024

সম্পর্ক বদলে গেল একটি পলকে 🤣

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Badda
Dhaka
1212