21/02/2024
অমর ২১শে ফ্রেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ দিবসে
সকল ভাষা শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
Loco master/ট্রেন চালক
21/02/2024
অমর ২১শে ফ্রেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ দিবসে
সকল ভাষা শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
11/01/2024
গাঁজা বাসীর কান্না😢😢
তিউনিসিয়ার আর্টিস্ট "Omar Esstar"
10/01/2024
হাইকোর্টে একটি মামলায় সাক্ষী হিসাবে কাজের মাসি শিলার ডাক পড়েছে....
বাদীপক্ষের দুঁদে উকিল 'প্রমথ বিশ্বাস' শিলা মাসি কে ঘাবড়ে দেবার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলেন: *"আপনি আমায় চেনেন ??
শিলা মাসির উত্তর: *“ওমা চিনব না কেন ?? তুমি প্রমথ তো !! তোমায় ন্যাংটা বয়স থেকেই চিনি। পুরো বখে যাওয়া ছেলে ছিলে। মিথ্যা কথা বলতে। লোক ঠকানোয় ওস্তাদ ছিলে। লাগানি ভাঙানি ভালোই করতে। আরো অনেক গুন তোমার ছিল সে সব আর বলছি না। নিজেকে মস্ত কেউকেটা ভাবতে যদিও কানাকড়ির মুরোদ ছিল না। তোমাকে আমি ভালই চিনি।"*
প্রমথ বাবু স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। ভেবে পাচ্ছিলেন না কি করবেন। কোর্ট ঘরের অপর প্রান্তে বিবাদী পক্ষের উকিল "অসিত ধরে"র দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বললেন: *“ওনাকে চেনেন ??"*
শিলা মাসির উত্তর: *“ওমা চিনব না কেন ?? ওতো অসিত। খুব ভাল করেই চিনি। অলস অকর্মণ্য। কারো সাথে সদ্ভাব ছিল না। পাঁড় মাতাল। শহরের সবচেয়ে পিশাচ উকিল। বৌয়ের চোখে ধুলো দিয়ে তিনটে ছুঁড়ির সাথে ফষ্টিনষ্টি করে। তার মধ্যে একজন তোমার বৌ। ওকেও ছোট থেকেই চিনি।”*
*বিবাদী পক্ষের উকিল অসুস্থ বোধ করতে লাগলেন।*
এমন সময় জজ সাহেব দুই উকিলকে কাছে ডাকলেন। উকিলদ্বয় কাছে যাবার পর নিচু গলায় শান্তস্বরে জজ সাহেব বললেন:
*“দুই গর্দভের একজনও যদি ওই মহিলাকে প্রশ্ন করো যে আমায় চেনে কিনা তাহলে তোমাদের আমি ফাঁসি কাঠে চড়াব।
😁😁😁
09/01/2024
এটা একটা ১ হাজার গ্রামের, মানে ১ কেজির লোহার বার। এর বিশুদ্ধতা ৯৯.৯৯% এটার বর্তমান বাজার দর মাত্র ১০০ ডলার। মজার ব্যাপার হচ্ছে,
👍 এটা দিয়ে যদি আপনি ঘোড়ার খুর রক্ষার জন্য, হর্সশু তৈরি করেন, তবে এঁর দাম হতে পারে ২৫০ ডলার
👍 এটা দিয়ে যদি আপনি সেলাই সুই তৈরি করেন, তবে এর দাম হতে পারে ৭০ হাজার ডলার
👍 আপনি যদি এটা দিয়ে ঘড়ির স্প্রিং এবং এর যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, তবে এটার দাম ৬ মিলিয়ন ডলার হতে পারে।
👍 এর পরেও আপনি যদি এটা দিয়ে, নির্ভুল লেজার কাটিং মেশিন তৈরি করেন, যেটা দিয়ে লিথোগ্রাফির মত দামী শিল্পকর্ম, কোন ধাতুর উপর খোঁদাই করে তৈরি হবে। তবে এঁর দাম ১৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
উপরের সব কিছুই কিন্তু সেই ১০০ ডলারের ১ কেজি লোহার বার দিয়ে তৈরি। উপরের উদারহনগুলো এটাই প্রমাণ করে যে, কোন কিছুর দাম সেটা কি দিয়ে তৈরি সেটার উপর নির্ভর করে না। বরং দাম নির্ভর করে, কিভাবে সম্ভবনার সর্বচ্চ ব্যাবহার করা যায় সেটার উপর।
©সংগৃহীত
23/12/2023
গত পনেরো বছরে ব্যাংক খাতে লোপাট,
"বিরানব্বই হাজার কোটি" টাকা মাত্র😢😢😢
মাথা মোটা বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় কোথায়?
গর্তে লুকিয়ে আছে নাকি??
18/12/2023
দেখতে সুন্দর হলেও,ভোগান্তি চরমে.....!
Dhaka
The city of jam😢
16/12/2023
তোমরা বিজয় খোঁজ কিসে! শীতে কাঁপা, বিবস্ত্র এই শিশুর মাঝে!
আহা স্বাধীনতা....!
[Collected]
14/12/2023
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস,
জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
11/12/2023
আজকের যুগান্তর পত্রিকায়
পেয়াজাতঙ্কে ধুঁকছে পুরো দেশ😢😢😢
11/12/2023
আশ্চর্য তামাশার বিষয় যে নারী যখন ঘরে বসে স্বামী-সন্তানের সেবা করে, খাবার রান্না করে, ঘরদোর সাজায় তখন সেটা হয় পশ্চাদপদতা ও মৌলবাদিতা,
পক্ষান্তরে এই নারী যখন বিমানবালা হয়ে চারশ পুরুষের জন্য ট্রে সাজিয়ে খাবার সরবরাহ করে, আর তাদের লালসা-দৃষ্টির শিকার হয় তখন সেটা হয় সম্মান ও মর্যাদা!’
©শায়খুল ইসলাম মুফতি তকি উসমানি হাফিঃ
05/12/2023
মেসি তার জীবনে সবকিছু অর্জন করেছেন,
শুধু জাতীয় নির্বাচন করতে পারেননি...😢😢
27/11/2023
কর্পোরেট লাইফ,
এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।পরের সপ্তাহেই ওই হতভাগ্য পিঁপড়াকে ছাঁটাই করা হলো।
(Collected)