22/11/2025
HN Corporation
Gardening & Nursery Tools, All kinds of sprayer and fertilizer store Retail & Wholesale and e-commerce site.
22/11/2025
Expanding Job day by day and very useful our daily life.
゚Bangladesh, # everyone
সমালোচনা ও গীবদের সংঙ্গা কি ? বা কোনটা সমালচনা কোনটা গীবদ ? কিভাবে সাধারণ মানুষ বুজবে ? কোরআন ও হাদীদের আলোকে আলোচনা ।
কোরআন ও হাদীসের আলোকে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করব, যেন সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারে সমালোচনা আর গীবত (গীবত/গীবাহ) এর পার্থক্য।
১. সংজ্ঞা
গীবত (গীবাহ)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —
"তুমি তোমার ভাইয়ের এমন কিছু বর্ণনা কর যা সে অপছন্দ করে, আর তা যদি তার মধ্যে সত্যিই থাকে তবে সেটাই গীবত। আর যদি তা না থাকে তবে সেটি মিথ্যা অপবাদ (বুহতান)।"
(সহীহ মুসলিম, হাদীস: 2589)
অর্থাৎ,
কারও অনুপস্থিতিতে তার সত্যি ত্রুটি বা অপছন্দনীয় বিষয় বলা — গীবত।
আর যদি সেই দোষ তার মধ্যে না থাকে, তবে তা মিথ্যা অপবাদ।
সমালোচনা (নাসীহাহ বা গঠনমূলক সমালোচনা)
সমালোচনা মানে হচ্ছে — কাউকে তার ভুল বা ত্রুটি শোধরানোর উদ্দেশ্যে, শালীন ও সদ্ব্যবহারপূর্ণ ভাষায় সরাসরি বা নীতিগতভাবে বলা।
এটি সাধারণত সামনে বলা হয়, পেছনে নয়।
উদ্দেশ্য থাকে ভুল ঠিক করা, কারও মানহানি করা নয়।
২. মূল পার্থক্য
বিষয় গীবত গঠনমূলক সমালোচনা
উদ্দেশ্য হেয় করা, লজ্জিত করা সংশোধন করা, উন্নতি ঘটানো
সময়/স্থান পেছনে, অনুপস্থিতিতে সরাসরি বা প্রকাশ্যে ন্যায্য কারণে
ভাষা কটূক্তি, নেতিবাচক শালীন, ভদ্র, স্পষ্ট
ফলাফল মানহানি ও বিরূপ মনোভাব উন্নতি ও সম্পর্ক বজায় রাখা
শরীয়তের দৃষ্টিতে বড় গুনাহ অনুমোদিত (যদি ন্যায়সঙ্গত হয়)
৩. সাধারণ মানুষ কিভাবে বুঝবে?
একটি সহজ পরীক্ষা —
আমি যা বলছি, সেটি যদি ঐ ব্যক্তি শুনে কষ্ট পায় এবং তার পেছনে বলা হয় → এটা গীবত।
আমি যা বলছি, সেটি যদি আমি তার সামনে বলতে প্রস্তুত এবং উদ্দেশ্য তার কল্যাণ → এটা সমালোচনা।
৪. কোরআনের দিকনির্দেশনা
গীবত নিষিদ্ধ
"হে ঈমানদারগণ! তোমরা অধিকাংশ ধারণা থেকে বেঁচে থাক... এবং কেউ কারো গীবত করো না। তোমাদের কেউ কি চায় যে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাবে? তোমরা তো একে ঘৃণা কর।"
(সূরা আল-হুজুরাত: 12)
৫. কখন সমালোচনা বৈধ ও প্রশংসনীয়?
হাদীসে এসেছে,
"দ্বীন হলো নাসীহাহ (সৎ উপদেশ)।"
(সহীহ মুসলিম)
অর্থাৎ,
শিক্ষক ছাত্রকে ভুল ধরিয়ে দেওয়া
ব্যবসায় প্রতারণা ঠেকাতে সাবধান করা
অন্যকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে তথ্য দেওয়া
এসব ক্ষেত্রে ন্যায্য সমালোচনা অনুমোদিত।
✅ সংক্ষেপে:
গীবত = কারও অনুপস্থিতিতে সত্যি দোষ বলেও মানহানি করা।
সমালোচনা = কারও উন্নতির জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে ও শালীনভাবে ভুল ধরিয়ে দেওয়া।
📌 সহজ নিয়ম মনে রাখার জন্য
পেছনে বললে → প্রায়শই গীবত (যদি সত্য হলেও)।
সামনে বললে ও কল্যাণের উদ্দেশ্যে হলে → সমালোচনা।
মহররম হিজরী বর্ষের প্রথম মাস। নানা কারণে মাসটি অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ। এমাসের ১০ তারিখ হলো পবিত্র আশুরা। এ দিনের সঙ্গে আছে পৃথিবী সূচনালঘ্নের বহু ইতিহাস ও ঘটনাবলি। যে কারণে মহররমকে আরবি মাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস ধরা হয়। আসুন জেনে নেই এ মাসে গুরুত্বপূর্ণ কী কী ঘটনা ঘটেছে।
১) এ মাসে আশুরার দিন তথা ১০ তারিখে হযরত আদম আ. এর তওবা কবুল হয়েছে। বর্ণিত আছে, তিনি দীর্ঘ ৩০০ বছর কান্নার পর আশুরার দিকে তার তওবা কবুল হয়।
২) হযরত নূহ আ. এর জাহাজ মহাপ্লাবন থেকে মুক্তি পায়। প্লাবন শেষে জাহাজটি জুদি পাহাড়ে (বর্তমানে আরারাত পর্বতশ্রেণী) এসে স্থির হয়।
৩) এ দিনে হযরত মূসা আ. ও বনি ইসরাইল ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্ত হন এবং ফেরাউন ও তার অনুচরবর্গ লোহিত সাগরে নিমজ্জিত হয়।
৪) এ দিনে হযরত ইউনুস আ. মাছের পেট থেকে মুক্তি পান।
৫) এ দিনে হযরত ঈসা আ. জন্মগ্রহণ করেন এবং এ দিনেই তাকে আকাশে উঠিয়ে নেওয়া হয়।
৬) আশুরার দিন পূর্ববর্তী আম্বিয়ায়ে কেরাম আ.ও রোজা রাখতেন।
৭) রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে উম্মতে মুহাম্মদির ওপর আশুরার রোজা ফরজ ছিল। রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার পর আশুরার রোজা নফল রোজায় পরিণত হয়।
৮) আরশ, কুরসী, আসমান-জমিন, চন্দ্রসূর্য, তারকা, বেহেশত এ দিনেই সৃষ্টি করা হয়েছে।
৯) এ দিনেই সর্বপ্রথম আসমান থেকে যমিনে বৃষ্টিপাত হয়েছিল।
১০) হযরত ঈসা আ. এ দিনেই পৃথিবীতে এসেছিলেন। এ দিনেই তাকে আসমানে তুলে নেয়া হয়েছিল।
১১) হযরত ইবরাহিম আ. এ দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। নমরুদের অগ্নিকুন্ড থেকে তিনি এ দিনেই মুক্তিলাভ করেছিলেন।
১২) এই দিনেই হযরত সোলাইমান আলাইহিস সালাম-কে উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন বাদশাহী দেয়া হয়েছিল।
১৩) এই দিনেই হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম তাঁর চোখের দৃষ্টি ফিরে পেয়েছিলেন।
১৪) এ দিনেই হযরত রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র, বেহেশতি যুবকদের সরদার হযরত ইমাম হোসেইন রা. শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করেন।
অলস সময় পাড় করা আর কি । ধার করা অভিজ্ঞতা নিয়ে কবিতা
কবিতা
ঢাকায় থাকি।
ঢাকাতে বসবাস ধুলো বালি জার্মে
হিসেবের কাজ করি প্রাইভেট ফার্মে
লাম সাম মাইনে, বেশি কিছু পাইনে।
বেড়ানোটা ভুলে গেছি, কোথাও তো যাই নে।
এই ভাবে সারা মাস, টেনে টেনে নেই শ্বাষ
এই ভাবে কাটে দিন ঋণ আর ফাইনে।
আত্নীয় আজ অনাত্নীয়, মোবাইল প্রিয়তমা।
বাসায় সবাই নীরব মোরা, টিকটক আপনজনা ।
কাজের কাজ কিছুই হয় না, তবুও ব্যস্ত সবাই
পানি বা চা, চাইলে বলে মাফ করো ন্যাভাই।
দোষ কারো দেই না ভাই, আমিও করি তাই।
মুখে বলি মোবাইল আর ফেইজবুক ধংস করছে দেশ
আমিও তো ফেইজবুকে ব্যবসা করছি বেশ ।
সবাই কিন্তু কবি, সাহিত্যিক, বা শিল্পি মনে মনে
লিখতে না পাড়লে জানবে কিভাবে জনে ।
দক্ষিণ কোরিয়ায় চাকরির সুযোগ, বেতন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা
সরকারিভাবে প্রতিবছর দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠান ও কাজভেদে মূল বেতন বাংলাদেশি টাকায় ন্যূনতম এক লাখ ৭০ হাজার টাকা, ওভারটাইম মিলে হবে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া, নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন সাজিদ মাহমুদ
০১ জুন, ২০২৪ ১৩:৪৫
শেয়ার
দক্ষিণ কোরিয়ায় চাকরির সুযোগ, বেতন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা
ছবি: বোয়েসেল
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জনশক্তি প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে ২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সরকারিভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় গেছে মোট ৩১ হাজার ৫০ জন কর্মী। ২০২২-২৩ সালে এক বছরে দেশটিতে কাজের সুযোগ পেয়েছেন ছয় হাজার ৭৪৯ জন বাংলাদেশি। প্রতিবছর ভাষা দক্ষতা পরীক্ষার মাধ্যমে ৭০ শতাংশ ও লটারির মাধ্যমে ৩০ শতাংশ কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পান।
যেসব খাতে কাজের সুযোগ: বোয়েসেলের প্রধান ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ও উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন, মানবসম্পদ ও অর্থ) নূর আহমেদ জানান, এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেমের (ইপিএস) আওতায় ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু হয়েছে।
সাধারণত অটোমোবাইল, টেক্সটাইল, কৃষিজাত খাদ্যসহ বিভিন্ন খাতে সাধারণ ও ‘কমিটেড/স্পেশাল সিবিটি (কম্পিউটার বেজড টেস্ট)’—এই দুই ধরনের কর্মী নেওয়া হয় দেশটিতে।
সুযোগ যাদের:
ক. শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে ন্যূনতম এসএসসি বা সমমান অথবা ভোকেশনাল বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি।
খ. বয়স ১৮ থেকে ৩৯ বছর।
গ. কোরিয়ান ভাষা বোঝা, লেখা ও বলায় পারদর্শী।
ঘ. কালার ব্লাইন্ড বা রং বোঝার দুর্বলতা নেই।
ঙ. যারা এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় ই৯ বা ই১০ ভিসায় গিয়ে সব মিলে পাঁচ বছরের বেশি থাকেনি বা অবৈধভাবে অবস্থান করেনি।
চ. বৈধ ও হালনাগাদ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট আছে যাদের।
ছ. ফৌজদারি অপরাধে কখনো জেল-জরিমানা বা শাস্তি হয়নি, এমন প্রার্থী।
শিখতে হবে কোরিয়ান ভাষা: বিকেটিটিসি মিরপুর ও আইএমটি মুন্সিগঞ্জের প্রাক্তন প্রশিক্ষক এবং বোয়েসেলের প্রি-ডিপার্চার ট্রেইনার ফারুক আহমেদ জানান, দক্ষিণ কোরিয়া কাজে যাওয়ার জন্য প্রথমেই শিখতে হবে কোরিয়ান ভাষা। কারণ দক্ষিণ কোরিয়ার হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট (এইচআরডি) কর্তৃপক্ষ মূলত কোরিয়ান ভাষায়ই যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষা নেয়। ভাষা যাচাই পরীক্ষায় কোরিয়ান ভাষা বলা, লেখা ও বোঝার দক্ষতা দেখা হয়। দেশের বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) থেকে কোরিয়ান ভাষার সার্টিফিকেট কোর্স করার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকাসহ বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে বেসরকারি অনেক প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমেও কোরিয়ান ভাষা শেখা যাবে।
নিবন্ধন: দক্ষিণ কোরিয়ার মানবসম্পদ উন্নয়ন (এইচআরডি) কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুসারে বোয়েসেল কর্তৃপক্ষ ইপিএসের আওতায় প্রতিবছর নিবন্ধনের সময়সীমা উল্লেখ করে জাতীয় দৈনিক ও বোয়েসেলের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৫০০ টাকা নিবন্ধন ফি পরিশোধ করে পেমেন্টের ট্রানজেকশন আইডি নিতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফরমে পাসপোর্ট কপি, যথাযথ তথ্য, পেমেন্টের ট্রানজেকশন আইডি উল্লেখ করে বোয়েসেলের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর কনফার্মেশন ফরমটি প্রিন্ট করে সংগ্রহে রাখতে হবে।
প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া: প্রাথমিক নিবন্ধিত প্রার্থীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। লটারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের চূড়ান্ত নিবন্ধনের তারিখ ও সময় বোয়েসেলের ওয়েবসাইটে (https://boesl.gov.bd) প্রকাশ করা হবে। এই ধাপে বোয়েসেলের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তিন হাজার ২০০ টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান জানাবে বোয়েসেল। ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরে কম্পিটেন্সি টেস্ট (যোগ্যতা যাচাই) এবং স্কিল টেস্ট (দক্ষতা যাচাই) নেওয়া হবে। এসব পরীক্ষা নেবেন দক্ষিণ কোরিয়ার এইচআরডি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা। পরের ধাপে উত্তীর্ণদের নিজ নিজ এলাকার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ ও বোয়েসেলের নির্ধারিত আবেদন ফরমসহ পাসপোর্ট কপি বোয়েসেল অফিসে জমা দিতে হবে। এরপর বোয়েসেল কর্তৃপক্ষ প্রার্থীদের সব তথ্য দক্ষিণ কোরিয়ার এইচআরডি কর্তৃপক্ষের সার্ভারে সংরক্ষণ করবে। সেই তথ্য দক্ষিণ কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ যাচাই করে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী তালিকা রোস্টার তৈরি করবে। প্রার্থীদের এই রোস্টারের মেয়াদ দুই বছর [প্রথম ধাপে এক বছর এবং দ্বিতীয় ধাপে এক বছর]। এই সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে দক্ষিণ কোরিয়ায় নেওয়া হবে নির্বাচিত কর্মীদের। রোস্টারভুক্তদের লেবার কন্ট্রাক্টের আওতায় কাজের ভিসা দেবে দেশটি।
প্রশিক্ষণ, ভেরিফিকেশন ও যাবতীয় ফি: রোস্টারভুক্ত ও লেবার কন্ট্রাক্ট প্রাপ্তির পর প্রার্থীদের বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে (বিকেটিটিসি) ৮৪ ঘণ্টার প্রিলিমিনারি প্রশিক্ষণ, যক্ষ্মা পরীক্ষা ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। এরপর বোয়েসেল অফিসে মূল পাসপোর্ট, প্রশিক্ষণ সনদ, ভিসা ফরম, নির্ধারিত ই৯/ই১০/এইচ২ স্ট্যাটাস ফরম, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং ভিসাসংক্রান্ত সব ডকুমেন্টস এবং বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ, ডাটাবেইস ফি, ভিসা ফি, বহির্গমন ফি, স্মার্ট কার্ড ফি, উৎস আয়কর এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিলসহ মোট ৩৪ হাজার ২৭৯ টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়াগামী সাধারণ কর্মীদের ফেরতযোগ্য এক লাখ টাকা পে-অর্ডার এবং কমিটেড বা স্পেশাল সিবিটি (কম্পিউটার বেজড টেস্ট) কর্মীদের ফেরতযোগ্য তিন লাখ টাকা পে-অর্ডার বোয়েসেলে জামানত রাখতে হবে।
ভিসা প্রাপ্তির পর করণীয়: নূর আহমেদ জানান, ভিসা পাওয়ার পর ফ্লাইটের তারিখ নিশ্চিত, টিকিটের টাকা জমা ও কোরিয়ান ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর তিন দিনের প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়াসহ আরো কিছু ধাপ রয়েছে। আট ঘণ্টাব্যাপী আচরণ পরিবর্তন ও প্রেরণামূলক প্রশিক্ষণ শেষে কর্মীদের পাসপোর্ট ও টিকিট সরবরাহ করবে বোয়েসেল। দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছার পর দেশটির নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বিমানবন্দর থেকে কর্মীদের গ্রহণ করে প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্য যাচাই কেন্দ্রে নিয়ে যাবে। এরপর তারা নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে কাজে যোগ দেবে। সেখানে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর প্রাথমিকভাবে তিন বছর, এরপর আরো এক বছর ১০ মাসসহ মোট চার বছর ১০ মাস কাজের সুযোগ পাবেন কর্মীরা। এই বৈধ সময়কালে চাকরি শেষ করে দেশে ফেরত আসা কর্মীরা ভবিষ্যতে কমিটেড বা স্পেশাল সিবিটি কর্মী হিসেবে পুনরায় দক্ষিণ কোরিয়ায় কাজের ভিসায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
16/05/2024
আসুন এবার আমরা সৌদি খেজুরের পরে আঙুর চাষ করি। https://www.facebook.com/share/r/EAB4NwqvNwkFTBRV/?mibextid=oFDknk
03/03/2024
সালাম প্রদানের নিয়ম কানুনঃ-
সালাম প্রদান করা সুন্নত এবং তার উত্তর দেওয়া অয়াজিব । কারো প্রতি দোয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ম হলো সালম প্রদান করা । সুতরাং স্ত্রী সন্তানকে ভালো বাসলে নিয়মিত সালাম দিন, তবে হবে সুন্নত পদ্ধতিতে দোঁয়া করা এবং সত্যিকারের ইসলামী ভালোবাস প্রদান করা ।
১. দাড়াাঁনো ব্যক্তি বসেথাকা ব্যক্তিকে সালাম প্রদান করবেন।
২. কম সংখ্যক ব্যক্তি বেশী সংখ্যক ব্যক্তিকে সালাম প্রদান করবেন।
৩. আগন্তুক ব্যক্তি বা মেহমান মেজবানকে সালাম প্রদান করবেন ।
৪. গৃহে প্রবেশ করার সময় সালাম প্রদান করবে। ঘর যদি ফাকাঁ অথবা তালাবদ্ধ অবস্থায়ও থাকে
৫. চোখের আড়াল হলে পুনুরায় দেখা হলে সালাম প্রদান করা যাবে ।
৬. সামনা সামনি সালাম প্রদান করতে হবে । পিছন থেকে সালাম প্রদান করবেন না ।
৭. খাবার সময় সালামের উত্তর নেয়া যাবে । সকল কথা জায়েজ হলে ভালো কাজ না জায়েজ নয় যারা বিষয়টি আগে মুরুব্বীদের কাছে শুনে অসছেন তারা সুদরিয়ে নিন ।
৮. অনেক দুরে অবস্থান করলে হাত ইশারায় সালাম প্রদান ও গ্রহন করা যাবে ।
৯. কোরআন তেলোয়াতের সময় সালামের উত্তর না দিলে কোন গুনাহ নাই ।
28/02/2024
Government New initiative for for Tax Collection area.
04/02/2024
খিলগাঁও তিলপাপাড়ায় চলে আসুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Website
Address
430/6/A Tilpapara, Khilgaon, Road # 8
Dhaka
1203
