Muhammad Jakir Hossain

Muhammad Jakir Hossain

Share

@jakirhossainblog-Personal Blog.

12/03/2024
Photos from Muhammad Jakir Hossain 's post 05/03/2024

ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের ৭ জানুয়ারীর সিলেকশনের ডামি নির্বাচনের প্রতিবাদে ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে ১০ ডাউনিং স্ট্রিট এর সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ।

Photos from Muhammad Jakir Hossain 's post 05/03/2024

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন থেকে বাংলাদেশি সেনা সদস্যদের প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য আইভান স্টেফানিক।

সোমবার, মার্চ ৪, ২০২৪, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের আন্ডার সেক্রেটারী জিন পিয়েরে ল্যাক্রোইক্স বরাবর লিখিত এক চিঠিতে এ দাবি জানান তিনি।

ওই চিঠিতে বলেন, আমি বাংলাদেশে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন মোকাবেলায় দ্রুত এবং অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জাতিসংঘকে আহ্বান জানাতে লিখছি। আমরা বাংলাদেশের নাগরিকদের এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণ করে বলতে চাই বাংলাদেশে ক্রমাগত মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্বিচারে আটক, নির্যাতন, জোরপূর্বক গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই) সহ বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)’র তথ্য অনুযায়ী ২০০৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির দ্বারা ২৭৫৭টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ার বাংলাদেশে একটি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনের আগে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি বাংলাদেশে প্রায় ৩০ হাজার বিরোধী কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। তারা বাংলাদেশে ভোট জালিয়াতির সঙ্গেও জড়িত।

জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবের ৬৫০০ সদস্য মোতায়েন রয়েছে উল্লেখ করে সিনেটর আইভান বলেন, যেহেতু তারা এ ধরণের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কাজে সরাসরি জড়িত তাই তাদের শান্তিরক্ষী মিশনে নিয়োগের মাধ্যমে পুরষ্কৃত করাটা আমাদের গভীর ভাবে কষ্ট দেয়।

জাতিসংঘকে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের আলোকবর্তিকা হিসেবে তার সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান বজায় রাখে এমন কর্মীদের শান্তিরক্ষী মিশনে নিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

Photos from Muhammad Jakir Hossain 's post 05/03/2024

ফটো নিউজ — মঙ্গলবার, মার্চ ৫, ২০২৪, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আয়োজিত স্বাগত মিছিলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় আহত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলামকে দেখতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে যান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদ্য নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ সভাপতি পদমর্যাদা) জাহাঙ্গীর আলম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

04/03/2024

“আইন অমান্য করার সংস্কৃতি সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে”
———

‘জনগণ আইন বা নিয়ম ভাঙছে রাষ্ট্র বা সরকারের কাছ থেকে শিখে। সরকার আইন-নিয়মের পরোয়া করছে না। নির্বাচন ব্যবস্থা থেকে এ দুরবস্থা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। যে কারণে সবাই আইন অমান্য করার চেষ্টায় লিপ্ত। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা দিয়ে দূর করা সম্ভব নয়।’

বলছিলেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক। রাজধানী ঢাকায় অগ্নিকাণ্ড ও জনজীবনের নিরাপত্তা নিয়ে জাগো নিউজের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি।

শাহদীন মালিক বলেন, ‘আমরা এক মহাসংকটের দিকে যাচ্ছি। সহসাই এ অবস্থা থেকে মুক্তি নেই। আইন দিয়েও আপনি এ সংকটের উত্তরণ ঘটাতে পারবেন না। ধরুন, রাজধানীর মানুষ মনে করলো যে নর্দমার পানি খাওয়া যায় এবং মানুষ তা খাওয়া শুরু করলো। তাহলে ২০ লাখ পুলিশ নিয়োগ করেও কিন্তু আপনি এই পানি খাওয়া ঠেকাতে পারবেন না।’

‘একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভোট, নির্বাচন হচ্ছে প্রধান নিয়ামক, যার মাধ্যমে জনগণ তাদের শাসক নির্বাচন করে। জনগণ কি এই নিয়ামক পাচ্ছে। পদোন্নতি, বদলি, নিয়োগ সবই তো এখন নিয়মের বাইরে। মানুষ তো তার নাগরিক দায়বদ্ধতা ভুলে গেছে।

দুই লাখের ওপরে হয়তো পুলিশ সদস্য। সবাই আইন লঙ্ঘনের উৎসবে থাকলে এই দুই লাখ পুলিশ দিয়ে সামলানো সম্ভব? ঢাকা শহরে হাজার হাজার বাড়ি। অধিকাংশ বাড়িই নিয়ম ভঙ্গ করে তৈরি করা হয়েছে। অন্যকে দোষ দেওয়ার আগে তো নিজের দিকেও তাকাতে হয়। যেদিক দিয়ে রাস্তা পার হতে হয়, সেদিকে না গিয়ে আমি চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে পার হচ্ছি। যেখানে ফাঁক পাই, সেখান দিয়েই দৌড় দেই। নাগরিকদের এই দায়িত্বহীন আচরণ থাকলে সরকারি সংস্থা দিয়ে আপনি দূর করতে পারবেন না।’

মানুষ ক্রমশই দায়িত্বহীন হয়ে উঠছে কি না? এর কারণ হিসেবে রাষ্ট্র এবং সরকারকেই দায়ী করেন ড. শাহদীন মালিক। বলেন, ‘আপনি দেখেন তো রাষ্ট্রের কোন জায়গায় সঠিক আইন মানা হচ্ছে? নিয়ম না ভাঙলে চাকরি হয় না। তদবির না থাকলে বদলি, পদোন্নতি হয় না। সার্বিক নিয়ম-শৃঙ্খলা অমান্য করার যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে এরকম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা চলতেই থাকবে।

১২ বছরের একটি ছেলে যখন দেখে যে তার বাবা যে বেতন পায়, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ব্যয় করে, সেই ছেলে সৎ হবে এটি চিন্তা করা অবাস্তব। সরকার নিয়ম-কানুনের কোনো তোয়াক্কা করে না। তোয়াক্কা না করায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। তাহলে আপনি নাগরিককে নিয়ম মানায় অভ্যস্ত করতে পারবেন না। আপনি জনগণকে মানতে বাধ্য করতে পারবেন না। মানুষ নর্দমার পানি খাইতে চাইলে বন্ধ করতে পারবেন না।’

নিয়ম ভাঙার এই মানসিকতা নিয়ে আমরা আসলে যাচ্ছি কোথায়? এমন প্রশ্নের উত্তরে সিনিয়র এই আইনজীবী বলেন, ‘আমরা যাচ্ছি কোথায় তা স্পষ্ট। মানুষ জানছে, আইন না মেনে সবকিছুই করা সম্ভব এই দেশে। মানুষ ভোট না দিলেও ক্ষমতায় থাকা যায়। যোগ্যতা না থাকলেও পদ পাওয়া যায়, মন্ত্রী-এমপি হওয়া যায়। সরকারের সঙ্গে ব্যবসা করতে আপনাকে ঘুস দিতে হয়। একজন মানুষ ছোটবেলা থেকেই এই চিত্র দেখে বড় হচ্ছে। সবাই ধনী হওয়ার জন্য উম্মাদ হয়ে পড়ছে। পাশের জন তো বসে থাকবে না। তিনিও যে কোনো পথে ধনী হওয়ার চেষ্টা করবেন।’

‘নির্বাচনের আগে আমরা দেখলাম, একজন এমপি পাঁচ বছরে শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। এজন্য কোনো জবাবদিহিতার প্রয়োজন মনে করেন না। তাহলে আমি এক বা দুই কোটি টাকা আয়ের জন্য একটু অনিয়ম করতেই পারি। এ ধারায়ই চলছে দেশ।

আইন অমান্য করার সংস্কৃতি সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে। সরকার মানে সরকারের সঙ্গে সংযুক্ত ক্ষমতাসীনরা এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তখন সাধারণ মানুষও এই নীতি অনুসরণ করবে। নিয়ম-কানুন মেনে হঠাৎ কোটিপতি হওয়ার উদাহরণ কমই আছে।’

সংকট উত্তরণে আসলে কিছুই আর করার নেই উল্লেখ করে এই বিশ্লেষক বলেন, ‘আমাদের মতো মারামারি, হানাহানি চলছে প্রায় ৩০টি রাষ্ট্রে। আমরা এখন ফিলিস্তিন, গাজা নিয়ে মেতে আছি। আমরা ইয়েমেনে হুথিদের আক্রমণের কথা শুনছি। কিন্তু গত ৮ বছরে ইয়েমেনে প্রায় দেড় লাখ মানুষ মারা গেছে গৃহযুদ্ধে। এ খবর আমরা রাখিনি। যেসব দেশে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেসব দেশে জনভোগান্তি চরমে এবং এটিই স্বাভাবিক।

এখান থেকে বের হওয়ার সহজ কোনো রাস্তা নেই। দেখুন, বায়ুদূষণে মাসের পর মাস শীর্ষে অবস্থান করছে। এ নিয়ে সরকারের কি আসলেই কিছু করার নেই। সরকারের কোনো মহলকে কি বলতে শুনেছেন, আমরা বায়ুদূষণ রোধে এই এই ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমার চোখে পড়েনি। সরকারের উদাসীনতায় জনগণ উদাসীন হবে খুবই স্বাভাবিক। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে, সরকার কখন আইন মানা শুরু করবে। ততদিনে আমাদের এভাবে জীবন্ত পুড়েই মরতে হবে!’

সাক্ষাৎকারঃ জাগো নিউজ/ মার্চ ৩, ২০২৪

Photos from Muhammad Jakir Hossain 's post 04/03/2024

কি নির্মম,কি হৃদয় বিদারক।😭😭😭
বাহুবল উপজেলার ৩ নং সাতকাপন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এর লা"শ হবিগঞ্জ পৈল হাওরে পাওয়া গেছে।
ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন
মানুষ এত নিষ্ঠুর হয় কিভাবে।
আল্লাহ তায়ালা যেন সাইফুলকে জান্নাতের উচু মাকাম দান করেন এবং প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করে সুষ্ঠ বিচারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

23/02/2024

আন্তর্জাতিক নিয়মে কোনো দেশের বানিজ্যিক বিমান অন্য দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করলে অন্তত পাঁচশত ডলার ফী দিতে হয় ওই দেশকে।
দক্ষিন এশিয়ার একমাত্র বাংলাদেশের আকাশ ব্যাবহার করলে অন্তত ৯৫ ভাগ বানিজ্যিক বিমানকে বাংলাদেশকে কোন ডলার দিতে হয় না। বাংলাদেশের আকাশ ব্যাবহার করে কিন্তু চার্জ পায় ভারত। ভারতের রাডার থেকে সিগনাল রেজিস্ট্রার করা হয় তাই এসব বিমান থেকে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যাবহারের সকল অর্থ পায় ভারত।
জিয়াউর রহমানের আমলেই (১৯৮০ সালে) শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশের একমাত্র বেসামরিক রাডারটি বসানো হয় ও কমিশন করা হয়। এই একটি মাত্র রাডার দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের আকাশ পাহারা দেয়া হচ্ছে ৪৪ বছর ধরে।
কিন্তু ৪৪ বছরের পুরাতন রাডারটি অনেক বছর আগেই এক্সপায়ার হয়ে গেছে, এখনও বারবার মেরামত করে প্রথম প্রজন্মের এই রাডার ব্যবহার করতে হয়। এত পুরাতন রাডার দক্ষিন এশিয়ায় শুধুমাত্র বাংলাদেশই ব্যাবহার করে। যার কার্যক্ষমতা আন্তর্জাতিক মান দন্ডে প্রশ্নের মুখে বহুদিন থেকে।
মজার তথ্য হল হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ২০১৭ সালে মানে সাত বছর আগে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের জন্যে নতুন একটি ৪র্থ প্রজন্মের রাডার কেনা হয়। উক্ত রাডারটি ২০১৭ সালে স্থাপন করা হলেও এখন পর্যন্ত চালু করে কমিশন করা সম্ভব হয় নাই।
ভারতের কারনেই এই রাডার সচল করা হচ্ছে না। রাডারটি বসানোর সময়েও ভারত আপত্তি জানায়। অথচ ভারত তাদের রাডার ব্যাবহার করে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ভাড়া গুনছে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো থেকে যার বার্ষিক আয়ের পরিমান প্রায় ১০০ কোটি ডলারর উপরে।
এক ভারতকেই প্রতিদিন গড়ে একশোর উপর বিমান বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যাবহার করে বিভিন্ন প্রদেশে যাতায়ত করতে হয়। অথচ সাত বছর থেকে চট্টগ্রামের রাডারটি পড়ে থেকে মেয়াদ হারাচ্ছে প্রতিদিন।
চট্টগ্রামের রাডারটি চালু হলে ভারতের আয়ে ঘাটতি দেখা দিবে এইটা আগে চিন্তা করলে অন্তত ছয় বছর আগে এত টাকা দিয়ে রাডারটি কেনার প্রয়োজন ছিল না৷ ভারত মন খারাপ করবে বা ভারতের সুই সমতুল্য স্বার্থে লাগে এমন কাজ তো আর আমাদের পক্ষে সম্ভব না। দেশ জাহান্নামে যাক, বান্দে মাতারামই আসল চেতনা বাংলাদেশের।
ডিজিটাল বাংলাদেশের অপর নাম হল - ভারাত মাতা কি জয় হো। ভারতের এক ডলার ব্যাবসা কম হওয়া মানে ডিজিটাল বাংলাদেশের চেতনা কম হওয়া।।

Photos from Muhammad Jakir Hossain 's post 19/02/2024

'তারা আমাকে ছয় মাস কথা না বলে মারধর করেছে' ।

গাই লিন
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, বিবিসি লন্ডন

4 জানুয়ারী 2024

পূর্ব লন্ডনের অ্যাপার্টমেন্টে বিকেলের চা খেতে গিয়ে তার স্ত্রী এবং ছোট ছেলের সাথে টেবিলের দিকে ঠেকে যাওয়ার সময় মশিউর রহমান দমকাচ্ছেন।
তার পায়ের জয়েন্টে ব্যথা প্রতিদিনের অনুস্মারক হিসেবে কাজ করে যে অপব্যবহারের কথা তিনি বলেছেন যে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দলের সাথে তার যোগসূত্রের কারণে তিনি ভোগেন।
মিঃ রহমান, যিনি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে বার্কিংয়ে চলে এসেছিলেন, বলেছেন যে তাকে একটি বিমানবন্দরে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল, যখন 2015 সালে তার স্বদেশে একটি সংক্ষিপ্ত সফর হওয়ার কথা ছিল।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে তারা "প্রবলভাবে" কোনো দলের সদস্যদের কোনো ধরনের ক্র্যাকডাউনে ভূমিকা অস্বীকার করেছে।
মিঃ রহমান বলেছেন যে তাকে কয়েকদিন ধরে চোখ বেঁধে রাখা হয়েছিল, হাত বেঁধে ছাদ থেকে বেঁধে রাখা হয়েছিল, বিক্ষিপ্তভাবে আক্রমণ করা হয়েছিল এবং তার অজানা জায়গায় মৃত্যুদণ্ডের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সাথে কয়েক বছর ধরে তার সম্পর্ক রয়েছে।
"তারা আমাকে কথা না বলে আমার সারা শরীরে ছয় মাস ধরে প্রহার করেছে," সে বলে।
"যন্ত্রণাটা অসহ্য ছিল। আমি ভেবেছিলাম ওরা আমাকে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলবে। এবং আমি যা ভাবতে পারি তা হল আমার ছেলে মেয়ে এবং স্ত্রী কখনোই জানবে না যে আমাকে হত্যা করা হয়েছে।"
কঠোর শর্তে মুক্তি পেয়ে, তিনি 2022 সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ত্যাগ করতে অক্ষম হন, যখন তার স্ত্রী সফলভাবে আশ্রয় দাবি করার পরে অবশেষে লন্ডনে পরিবারের সাথে পুনরায় মিলিত হন।
যন্ত্রণার কারণে সে কাজ করতে পারছে না।
বিবিসি তার স্থানীয় স্বাস্থ্য ট্রাস্ট থেকে ডকুমেন্টেশন দেখেছে যা সে যে নির্যাতনের শিকার হয়েছিল তার স্বাস্থ্যের প্রভাব, মানসিক এবং শারীরিক রূপরেখা।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবিসি লন্ডনকে বলেছে যে তারা কোন পদ্ধতিগত সহিংসতা, নির্যাতন বা গুম হওয়ার ঘটনাকে "জোড়াভাবে অস্বীকার করেছে" এবং যোগ করেছে যে রাজনৈতিক দলের সদস্যদের উপর ক্র্যাকডাউনের অভিযোগ "পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হয়েছে"।

'আমার এখনও দুঃস্বপ্ন আছে'।

তাদের পূর্ব লন্ডনের অ্যাপার্টমেন্টে বসে মিঃ ইলিয়াস এবং মিঃ রহমান বলেছেন যে তারা তাদের জন্মভূমির জন্য চিন্তিত।
"তারা আমার সাথে কী করেছে, কীভাবে তারা আমাকে বিনা কারণে নির্যাতন করেছে তা নিয়ে আমার এখনও দুঃস্বপ্ন আছে," মিঃ রহমান বলেছেন।
"আমার শরীরকে এখনও নিরাময় করতে হবে কিন্তু সেই স্মৃতিগুলো কখনোই আমাকে ছেড়ে যাবে না। আমি চাই যে আমি নির্দ্বিধায় কথা বলতে পারতাম, তারা শুনবে, তাই আমার সাথে যা ঘটেছে তা অন্য কারো জন্য পুনরাবৃত্তি হয় না।"

Photos from Muhammad Jakir Hossain 's post 19/02/2024

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৪
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর নিন্দা ও প্রতিবাদ —
আজ সোমবার রাজধানীর খামারবাড়িতে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডার’রা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে বেপরোয়া ও কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারকে ব্যাপক মারধর ও কর্মসূচির চেয়ার—টেবিল—ব্যানার ভাংচুরের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “৭ জানুয়ারী ডামি নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনগুলো দেশকে ‘জোর যার মুলুক তার’ বানিয়েছে। মনে হয় সহিংস আক্রমণ ও জীবননাশের ব্রত নিয়ে তারা বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আমরা তারই বহিঃপ্রকাশ দেখলাম আজ খামারবাড়িতে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে বর্বর আক্রমণ।
আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া দাপটে দেশের জনপদের পর জনপদ সাধারণ মানুষ ভয় ও গভীর উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। এ দেশে নাগরিক নিরাপত্তা এখন চরম অবনতিশীল। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পেতে সাধারণ মানুষ কোথাও আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছে না। আইন, প্রশাসন মানুষকে রক্ষা করতে পারছে না। জনগণ নিজ দেশে পরবাসী হয়ে দিনযাপন করছে।
একদিকে খাদ্যপণ্যের চরম মূল্যবৃদ্ধিতে অসহায় মানুষ অন্ধকার দেখছে, অন্যদিকে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধিতে মানুষ এক গভীর সংকটের মধ্যে পড়েছে। এর উপর সন্ত্রাসীদের দৌরাত্মে জনগণ এখন দিশেহারা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশ্রয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশব্যাপী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আজকেও নাগরিক ঐক্যের কর্মসূচিতে আওয়ামী ছাত্রসংগঠনের আক্রমণের সময় পুলিশ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছে। এরা গুন্ডামীর রাজত্ব কায়েম করার জন্যই দেশকে গণতন্ত্রশুণ্য করেছে। রাষ্ট্রীয় পেশীশক্তির জোরে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে কেড়ে নেয়া হয়েছে। তবে জনগণের শক্তির কাছে অবৈধ আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীকে অচিরেই মাথানত করতে হবে।”
বিএনপি মহাসচিব বিবৃতিতে সাকিব আনোয়ারের ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহবান জানান। তিনি সন্ত্রাসীদের হাতে আহত সাকিব আনোয়ারের আশু সুস্থতা কামনা করেন।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Japan Garden City
Dhaka