Khaza TV

Khaza TV

Share

Dhaka Bangladesh description

01/06/2026

দুদকের কামডা কি!!
দ্রুত এর বিরুদ্ধে এ্যাকশন নেয়া হোক
👇👇
এনবিআরের সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন — যেখানেই বদলি হন গড়ে তোলেন দুর্নীতির সিন্ডিকেট, চুক্তি করে টাকা নেন, শিল্পপতিদের কাছে হুন্ডি করে টাকা পাচার করে জোগান ছেলের লেখাপড়ার খরচ, যুক্তরাষ্ট্রেও কিনেছেন বাড়ি।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে মিলেছে অবৈধ সম্পদের প্রমাণ, চেষ্টা করছেন আওয়ামী ঘনিষ্ঠতা আড়াল করে এনবিআরের চেয়ারম্যান হতে দৌড়ঝাপ (সংযুক্ত প্রতিবেদনটি দেখুন)।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরের কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন শাখার সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা কাস্টম হাউসসহ বিভিন্ন দপ্তরে। কখনো তদ্বির করে পছন্দের পোস্টিং নিয়েছেন। আবার কখনো দুর্নীতির অভিযোগে কম গুরুত্বপূর্ণ কমিশনারেটে শাস্তিমূলক বদলি হয়েছেন।

তবে যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই দুর্নীতির শক্ত সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। এভাবে দেশে ও বিদেশে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। শুধু তাই নয়, বড় শিল্প গ্রুপের মালিক, ব্যাংকের চেয়ারম্যানদের থেকেও ডিডের মাধ্যমে টাকা ধার করেন। তবে তার দুর্নীতির তথ্য অনেকের কাছে থাকলেও পদোন্নতি পেতে বেগ পেতে হয়নি মোয়াজ্জেম হোসেনকে। কারণ পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে ছিল তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ।

দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসব তথ্য ও প্রমাণ উঠে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, এনবিআরের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কাস্টম হাউসে কর ফাঁকির চালান খালাসে কর্মকর্তাদের বাধ্য করছেন। শুধু ঢাকা কাস্টম হাউস থেকেই সপ্তাহে অন্তত ৫০ লাখ টাকা ঘুষের ভাগ নেয়ার অভিযোগ মিলেছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ৩০ লাখ টাকা ধারের চুক্তিঃ

বাংলাদেশের আমদানী খাতের অন্যতম নিয়ন্ত্রক মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এমজিআই। গ্রুপটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামালের কাছ থেকে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন হয়। চেক নং-সি এ-০৩০৬৯**. ছেলের লেখাপড়ার খরচ বাবদ তিনি এ টাকা ধার নেন। একশ টাকার দলিলে ধারের চুক্তি করেন মোয়াজ্জেম হোসেন।

ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যানের কাছে ৩০ লাখ টাকা ধারঃ

২০২২ সালের ২৮ অক্টোবর ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক গুলাম মোহাম্মদ আলমগীর কাছে থেকে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা ধার হিসেবে গ্রহণ করেন। ব্যাংকের চেক নম্বর সিডি এস এন বি- ১৫০৬৩**. জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা অবস্থায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে থেকে চেকের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫ এর (২) ধারায় সরাসরি অপরাধ।

এছাড়াও টাকা দেয়া ব্যক্তিও নিজেও দুদকের মামলায় গ্রেফতারকৃত। ছেলের লেখাপড়ার খরচ বাবদ এ অর্থ নেন মোয়াজ্জেম হোসেন।

আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী মায়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগঃ

আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীদের মধ্যে অন্যতম মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি দুদকের মামলার আসামি। মায়ার সঙ্গে কোনো পারিবারিক সম্পর্ক না থাকলেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা করে চলেন মোয়াজ্জেম হোসেন। মায়ার যেকোন পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হতেন মোয়াজ্জেম। এবং প্রকাশ্যে নিজেকে মায়ার আত্মীয় বলে দাবি করতেন।

হুন্ডির মাধ্যমে যায় ছেলের শিক্ষার খরচঃ

মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে আমেরিকার জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটিতে করেন। প্রতি সেমিস্টারে তার পড়ালেখার খরচ ৩৫ হাজার ডলার। টাকায় যা প্রায় ৪৩ লাখ। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মোয়াজ্জেম হন্ডির মাধ্যমে এই টাকা আমেরিকায় পাঠান। এমনকি ছেলে রাগীব মোয়াজ্জেমের এই লেখাপড়ার খরচের বৈধ উতসও নেই মোয়াজ্জেমের।

বাল্টিমোরে কিনেছেন বাড়ি অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি আমেরিকার মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোরে একটি বাড়ি কিনেছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। তবে এটি তিনি নিজের নামে কেনেননি। বাড়িটি কিনেছেন ছেলে ও ছেলের স্ত্রী আদিবা গাফফারের নামে।

মোয়াজ্জেমের বাড়ি ও জমির ফিরিস্তিঃ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে একটি ৮ তলা ভবন নির্মাণ করছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। এটি তৈরির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। ঢাকার ধানমন্ডি ও উত্তরা মোয়াজ্জেম হোসেনের রয়েছে ২টি ফ্ল্যাট। অভিযোগ মিলেছে, ঢাকার পূর্বাচলে দুটি প্লট, জলসিড়ি প্রকল্পে ০১টি প্লট, ডিওএইচএস এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে তার।

দুদকের গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, এসব সম্পদের খোঁজ বের করতে প্রকাশ্য অনুসন্ধান করা দরকার। মোয়াজ্জেম হোসেন সাভারের বিরুলিয়ার গ্রীন ভ্যালি কর্পোরেট সোসাইটিতে বিভিন্ন সময়ে বিনিয়োগ করেছেন ১২ লাখ টাকা। উত্তরা ব্যাংকের একটি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। হিসাবটির নম্বর: ১৫৭৮১১১০০১১২০**. এখনো এই একাউন্টে ৩৮ লাখ টাকা স্থিতি রয়েছে। এছাড়া সিটি ব্যাংক পিএলসির হিসাব নম্বর: ২৩০৩৬৯৭২৩৪০** এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি এর হিসাব নম্বর: ৪৪৩২১০১০০৫২** এর মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন মোয়াজ্জেম হোসেন।

দুদক গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, এসব একাউন্টে লেনদেনের সঠিক পরিমাণ জানতে প্রকাশ্য অনুসন্ধান জরুরী। আইডিএলসিতে (হিসাব নম্বর: আইডিএ ৩২১৪) এখনো ২৫ লাখ টাকা টাকা স্থিতি রয়েছে।

ঢাকা কাস্টম হাউসে দুর্নীতিঃ

মোয়াজ্জেম হোসেন ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাটের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে তৎকালীন চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভুঁইয়ার ভাইকে ঘুষ দিয়ে ঢাকা কাস্টম হাউসের কমিশনার পদে বাগিয়ে নেন। তারপর সেখানে ঘুষ-দুর্নীতি, স্বর্ণ চোরাচালানসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। উপার্জন করেন বিপুল অর্থ।

অনুসন্ধানে দুদক গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ২০২০ সালে মিথ্যা ঘোষণার অভিযোগে নুসাইবা ট্রেডিং নামক কোম্পানির একটি চালান আটক করে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা-সিআইসি। চালানটিতে কোটি টাকার বেশির শুল্ক ফাঁকির প্রমাণও মেলে। তা সত্ত্বেও কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেনের নির্দেশে পণ্য ছেড়ে দেন ডেপুটি কমিশনার মারুফ। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তদন্তে নামে এনবিআর। জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।

মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকা কাস্টম হাউসে ৬ লাখ পিস মেমরি কার্ড তছরুপেরও অভিযোগও মিলেছে। মামুন হাওলাদার নামে এক যাত্রী ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর অবৈধভাবে ৬ লাখ পিস মেমরি কার্ড আমদানি করেন। গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তা শুল্ক কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পড়ে। মাত্র ৩২ লাখ টাকার বিনিময়ে এসব পণ্য ছেড়ে দেয়ার আয়োজন করেন কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন। যদিও পরবর্তীতে পণ্য হারিয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ক্ষতিপূরণ হিসেবে আমদানিকারককে ৫ কোটি টাকা সরকারি কোষাগার থেকে দেয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তদন্তে নামে এনবিআর ও দুদক। এঘটনায় আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের চার কর্মকর্তার শাস্তি হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মোয়াজ্জেম হোসেন।

যশোর ভ্যাটের কমিশনার পদে থেকে দুর্নীতিঃ

যশোর ভ্যাটের দায়িত্বে থাকাকালে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অবস্থিত আলী বিড়ি কোম্পানি থেকে মাসে ৪৫ লাখ ঘুষ নিতেন মোয়াজ্জেম হোসেন। বিনিময়ে কোম্পানিটিকে দিনে বন্ধ দেখিয়ে রাতে উৎপাদন চালানোর সুযোগ দেন।

মাগুরায় ভুয়া মামলায় ভিশন ড্রাগস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে এক কোটি টাকার ঘুষ দাবির ঘটনায় মাগুরা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের দুই কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। এদুজন হলেন রাজস্ব কর্মকর্তা বাহারুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল-মনছুর। মূলত তারা কমিশনারের পক্ষে ঘুস আদায় করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এই দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।

এছাড়া বিআরবি কেবল সহ বিভিন্ন বিড়ি-সিগারেট ফ্যাক্টরি থেকে প্রতি মাসে কোটি টাকা ঘুষ নিতেন মোয়াজ্জেম হোসেন। কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরে কয়েকটি বিড়ি ফ্যাক্টরির একটি জাল ব্যান্ডরোল আটকের পর ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার ঘটনার অডিও রেকর্ড ফাঁস হলে মোয়াজ্জেম হোসেনকে চট্টগ্রাম ভ্যাট আপীলে বদলি করা হয়।

রাজশাহী ভ্যাটে দুর্নীতিঃ

২০১৮ সালে রাজশাহী ভ্যাটের কমিশনার থাকাকালে মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ভ্যাট ফাঁকিতে সহযোগিতার অভিযোগও ওঠে। পাবনায় অবস্থিত ইউনিভার্সেল গ্রুপের ভ্যাট ফাঁকি তদন্তে সহকারী কমিশনার সন্তোষ সরেনকে নির্দেশ দেন কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন। অডিটে ২৭৩ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু মামলা নিষ্পত্তি করতে ১১ কোটি টাকা ঘুষ দাবি করেন মোয়াজ্জেম। এনিয়ে প্রতিবেদন প্রচার হয় গণমাধ্যমে। পরবর্তীতে ইউনিভার্সাল ফুড কোম্পানী স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

এনবিআরে বসে বদলি বাণিজ্যঃ

মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ব্যাপকভাবে ঘুষের বিপরীতে বদলি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। রাজস্ব কর্মকর্তা বদলিতে ঘুষের রেট উঠেছে ২৫ লাখ টাকায়। দুদকের গোপন অনুসন্ধানে জানা যায় যে, মোয়াজ্জেম হোসেন শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন শাখার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই পছন্দের অফিসারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন করছেন।

এমনকি কমিশনারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মাঠ পর্যায়ের সকল অভ্যন্তরীণ পোস্টিংও নিয়ন্ত্রণ করছেন মোয়াজ্জেম হোসেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তর থেকে নিয়মিত ঘুষ আদায় করছেন। অভিযোগ উঠেছে, শুধু ঢাকা কাস্টম হাউস থেকেই সপ্তাহে ৫০ লাখ টাকা ঘুষের ভাগ নিচ্ছেন তিনি।

01/06/2026

সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ - সড়ক পরিবহন মন্ত্রী রবিউল কে সরিয়ে দিয়েছে বিএনপি সরকার।

01/06/2026

ড. ইউনুস দেশ থেকে পলায়নের পরপর কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। জীবনের শেষ পর্যায়ে এহেন বিপর্যয়ের কারণে তীব্র হতাশা ও মানসিক অবসন্নতার দরুণ তিনি এখন ঢাকার বিভিন্ন টং দোকানে ভাবলেশহীনভাবে বসে দিন পার করছেন। আজ সকালে দিল্লি স্টার প্রতিনিধি চা-বিরতিতে বাইরে গিয়ে তাকে এই অবস্থায় দেখতে পান এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তাকে একটি কথাই বিড়বিড় করে বলতে শোনা যায়, "আগেই ভালো ছিলাম"।

১ জুন | ডেস্ক রিপোর্ট, দ্যা দিল্লি স্টার | ঢাকা

01/06/2026

I got over 5,000 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

25/05/2026

একেবারে সাদাসিধে একজন মানুষ যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন।

24/05/2026

সকল অপরাধের মুল উৎস মা'দক। মাদক সেবনে মানুষের মস্তিষ্ক বিকৃত করে পশুত্ব জাগিয়ে তোলে। যখন যেই কর্মস্হলে চাকরি করেছি শুধু পেশাদারিত্বের প্রয়োজনে নয় দায়িক্তবোধ থেকেই সর্বোচ্চটা দিয়ে মা'দক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে চলেছি। অভিযানিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও মা'দকে নিরুৎসাহিত করতে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। মাঝে মাঝে নিজেকে একা মনে করি। আমার মাদক বিরোধী কর্মকান্ড থামাতে অনেক চেষ্টা করেছে মানুষরূপী শয়তানের দল। তবুও থামাতে পারেনি কেও আমাকে।
সারাদেশে এখন মা'দক আর অনলাইন জুয়ায় মহামারী। মাদকের টাকা যোগাড় করতে করছে চুরি,ছিনতাই, ডাকাতি। এটা নিয়ে কৌন হৈচৈ নেই, নেই কোন প্রতিবাদ,দেখিনা কোন মানবন্ধন,হয়না কোন নিউজ, টক শো আলোচনা। আছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর "কি করলা" নিয়ে। চলছে সেই সেলিব্রেটি নিয়ে নিউজ করা আর পাল্লা দিয়ে টিভি চ্যানেলে টক শোর আয়োজন করা। কেও না থাকলে আল্লাহ আমার সহায় আছে। মাদকের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।

22/05/2026

নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী নিজেই ভাইরাল হতে নিজের উপর হামলা করে: যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন

22/05/2026
Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka