My Assistant BD

My Assistant BD

Share

”আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট বিড” একটি অনলাইন সার্ভিস সংস্থা যা সারা দেশে ডিজিটাল সার্ভিস হিসেবে পরিচিত।

13/10/2024
07/09/2024

আপনার ধারণাটি বেশ আকর্ষণীয়! বাংলাদেশের জেলা ই-সেবা সহায়ক পরিষেবা সহায়তা এবং স্মার্ট ই-কমার্স ভিত্তিক উপার্জন এবং প্রশিক্ষণ দেওয়া সহ অনলাইন ভিত্তিক লাইভ সহায়ক এসিস্ট্যান্ট ওয়েবসাইট অ্যাপের ডিজিটাল ভার্সন তৈরি করা একটি দারুন উদ্যোগ।

এই ধারণা বাস্তবায়নে আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে:

পরিকল্পনা:

- লক্ষ্য দর্শক: কে এই পরিষেবা ব্যবহার করবে? (বারিশালের বাসিন্দা, ছাত্র, ব্যবসায়ী, ইত্যাদি)
- সেবা: কি ধরণের সহায়তা প্রদান করা হবে? (ই-কমার্স, প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল সাক্ষরতা, ইত্যাদি)
- অ্যাপের বৈশিষ্ট্য: কি ধরণের বৈশিষ্ট্য থাকবে? (লাইভ চ্যাট, ভিডিও কল, ডকুমেন্ট শেয়ারিং, ইত্যাদি)
- বাজার: কিভাবে আপনার অ্যাপটি প্রচার করা হবে? (সোশ্যাল মিডিয়া, ওয়েবসাইট, স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম)

তৈরি:

- ওয়েবসাইট/অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট: একটি ওয়েব ডেভেলপার বা অ্যাপ ডেভেলপার নিয়োগ করুন।
- ডিজাইন: একটি আকর্ষণীয় এবং ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেস তৈরি করুন।
- সম্পদের সংগ্রহ: প্রশিক্ষণ উপকরণ, ডকুমেন্ট, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সম্পদের সংগ্রহ করুন।
- সেবা প্রদান: সহায়তা প্রদানের জন্য দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ করুন।

প্রচার:

- সোশ্যাল মিডিয়া: Facebook, Twitter, Instagram, ইত্যাদি ব্যবহার করে আপনার অ্যাপটি প্রচার করুন।
- স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম: স্থানীয় সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন চ্যানেলে আপনার অ্যাপটি সম্পর্কে বিজ্ঞাপন দিন।
- ইভেন্ট: স্থানীয় ইভেন্টে আপনার অ্যাপটি প্রদর্শন করুন।

মনে রাখবেন:

- ব্যবহারকারী-বান্ধব: আপনার অ্যাপটি ব্যবহার করা সহজ এবং সাবলীল হওয়া উচিত।
- বিশ্বাসযোগ্যতা: আপনার সেবাগুলি বিশ্বাসযোগ্য এবং সঠিক হওয়া উচিত।
- সমর্থন: ব্যবহারকারীদের জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন প্রদান করুন।

আপনার উদ্যোগের জন্য শুভকামনা!

#বাংলাদেশ_সরকার #বাংলাদেশী #বাংলাদেশের #সমাজ #নাগরিক #স্মাট েবা #বাংলাদেশ_সরকার #সমাজ #বাংলাদেশ

08/08/2024

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

🎯🎯🎯

💌 বাংলাদেশের নাগরিক এর যে কোন স্মার্ট সেবা এবং সহায়তা নিতে আমাদের প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করুন। 💌

#বাংলাদেশ #সমাজ #নাগরিক #স্মাট #বাংলাদেশ_সরকার েবা

19/01/2024

স্মার্ট বাংলাদেশের - ২০২৪ এর সকল ই-সেবা সহায়তা পেতে এখুনি ইনবক্সে যোগাযোগ করুন...

19/01/2024

Smart Citizens Assistant BD - 2024.

06/01/2023

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


বাংলাদেশ/
Dhaka
1200