26/10/2026
এনসিপির রাজনৈতিক উত্থান নাকি এক রাশেদ খাঁনের কারণে শেষ হয়ে গেছে! সুতরাং এনসিপির শীর্ষ নেতারা রাজনৈতিকভাবে আমাকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক ট্যাগিং দিয়েছিলো, সেটাকে পূঁজি করে রাজনীতি শুরু করেছে। শোনো, বাচ্চাকাচ্চার দল, সেসময় ইত্তেফাক পত্রিকা ক্ষমা চেয়েছিলো। আমি একটানা ১৮ দিন পুলিশি রিমান্ডে ছিলাম। মিথ্যা রাজনৈতিক ট্যগিং ও শেখ হাসিনাকে কটুক্তির মামলায় আমি সেসময় জেল খেটেছি। প্রথম আলো পত্রিকার তখনকার সংবাদ দেখো নাই যে, রাশেদ খাঁনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পায়নি ডিবি। আর এখন যদি সব হারিয়ে শেখ হাসিনার ট্যাগিং তোমাদের পুঁজি হয়, তবে তোমাদের এটিও মনে রাখা উচিত, তোমরা ছাত্র অধিকার পরিষদ করা অবস্থায় রাশেদ খাঁন তোমাদের মাথায় তুলে রেখেছিলো বলেই তোমাদের মত ইতর ও ছেঁচড়াগুলো আজ জাতীয় নেতা হওয়ার সুযোগ পেয়েছে!
আসিফ মাহমুদের দুর্নীতি টাকায় চলা চ্যালাগুলো আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপার মূল কারণ তো আসিফ মাহমুদের রাজনৈতিক অধঃপতন তুলে ধরা। কিন্তু ক্ষেপলেই কি সত্য আড়াল হয়ে যাবে? আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম পদত্যাগ করার আগের দিন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ ও তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন ও বিএনপিতে যোগদান করার প্রস্তাব দেয় কি না, সেটার একটা প্রমাণ তো আসিফ মাহমুদের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করা। আসিফকে নিয়ে নাসিরের পোস্ট কি ভুলে গেছো, একটা লাল পতাকার জন্য নিজেকে বিক্রি করো না, বন্ধু? যাইহোক, পুরো দলটাই তো জামায়াতে কাছে বিক্রি করে দিয়েছো। গণঅভ্যুত্থানের পরে একটা সুযোগ এসেছিলো, কিন্তু সেটা দুর্নীতি ও লুটপাটের কাজে লাগিয়ে সব এমপি আর নেতা মিলে বিএনপির বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করতে গিয়ে ৫০-৬০ জনের বেশি লোক হচ্ছে না।