29/05/2026
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
টাঙ্গাইলে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর অংশগ্রহণ
টাঙ্গাইল, শুক্রবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ (২৯ মে):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি টাঙ্গাইল পৌর শহরের বেবি স্ট্যান্ড এলাকায় আজ সকালে অস্থায়ী গরুর হাট সমাপ্তির পর একটি বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় জনদুর্ভোগ হ্রাস, পরিবেশের স্বাস্থ্যসম্মত অবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং নাগরিক স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির উদ্যোগে এবং তাঁর সরাসরি অংশগ্রহণে পরিচালিত এ অভিযানে স্বেচ্ছাসেবকরা অংশ নেন। অভিযান চলাকালে প্রতিমন্ত্রী স্বশরীরে উপস্থিত থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকি করেন এবং দ্রুততম সময়ে হাটসংলগ্ন এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রতিমন্ত্রী পশুর হাটের কারণে সৃষ্ট বর্জ্য দ্রুত অপসারণের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ ও নাগরিক ভোগান্তি কমিয়ে আনার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর এ উদ্যোগে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
প্রতিমন্ত্রীর এ উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করে এবং পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর পরিবেশ নিশ্চিতকরণে দায়িত্বশীলতার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রীর এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফি ইথেন এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম'-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তানভীর হাসান খান রুবেল-সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এর পরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি টাঙ্গাইল শহরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে “বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬” এবং জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠ প্রাঙ্গণে “পুলিশ লাইন্স ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬”-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং একটি সুস্থ্য, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তিনি তরুণ প্রজন্মকে মোবাইল আসক্তি ও মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানান।
ধন্যবাদান্তে,
(মোঃ মামুন হাসান)
সিনিয়র তথ্য অফিসার
(তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা)
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
29/05/2026
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
জাতীয় চিড়িয়াখানায় সাদা মহিষ দেখতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়
ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ (২৯ মে):
রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় সম্প্রতি আনা বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সাদা মহিষ (অ্যালবিনো বাফেলো) দেখতে দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদের পরদিন বিকেল থেকে চিড়িয়াখানার এল-০৭ নম্বর খাঁচার সামনে দর্শনার্থীদের উল্লেখযোগ্য ভিড় পরিলক্ষিত হয়।
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের দিন দর্শনার্থীর উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে সাদা মহিষটি দেখতে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জাতীয় চিড়িয়াখানার অন্যান্য প্রাণীর খাঁচার তুলনায় মহিষটির খাঁচার সামনে অধিক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
দর্শনার্থীদের অবগতির জন্য মহিষটির খাঁচার সামনে একটি পরিচিতিমূলক ট্যাগ সংযুক্ত করা হয়েছে, যেখানে বাংলা ভাষায় ‘সাদা মহিষ’ এবং ইংরেজিতে ‘Albino Buffalo’ উল্লেখ রয়েছে। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও ব্যতিক্রমী উপস্থিতি দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
চিড়িয়াখানা কতৃপক্ষ বলেছেন , মহিষটি গত বুধবার রাতে জাতীয় চিড়িয়াখানায় আনা হয়। পরদিন সকাল থেকেই প্রাণীটি ঘিরে দর্শনার্থীদের আগ্রহ দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। নতুন ও বিরল বৈশিষ্ট্যের প্রাণী হওয়ায় এটি দেখতে মানুষের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমেও আলোচিত এই অ্যালবিনো মহিষটি বর্তমানে জাতীয় চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিনই দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং চিড়িয়াখানার পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে।
ধন্যবাদান্তে,
(মোঃ মামুন হাসান)
সিনিয়র তথ্য অফিসার
(তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা)
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
27/05/2026
স্টেরয়েডের কারসাজি, সুস্থ কোরবানির পশু চেনার উপায়
সুস্থ গরুর সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করবে, চোখ উজ্জ্বল ও সতর্ক থাকবে, খাওয়ার আগ্রহ...
26/05/2026
পশুর হাটে অনিরাপত্তার কোনো অভিযোগ নেই: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
এবারের ঈদের বাজার ও পশুর হাট অন্যান্যবারের তুলনায় নিরাপদ রয়েছে দাবি করেছেন মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আ....
26/05/2026
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস
---মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী
কুমিল্লা, মঙ্গলবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ (২৬ মে):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের জন্য বছরের অন্যতম বড় আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করছে।
মন্ত্রী আজ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাটে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিক সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে এবং এটি ধীরে ধীরে একটি শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিণত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কোরবানির আয়োজন। এ উপলক্ষে সারা দেশের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারে নিয়ে আসেন। ফলে কোরবানির মৌসুম প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গবাদিপশু পালন সম্প্রসারণে বিভিন্ন সহায়তা ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে এবং এটি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করছে।
কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রাণিসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ে নিবিড় নজরদারি চলছে। হাটগুলো পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহে প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি টিম দায়িত্ব পালন করছে। খামারি ও ব্যাপারিদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
চাঁদাবাজি, অনিরাপত্তা বা অব্যবস্থাপনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। কোরবানির সময় জাল নোটের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ই নিরাপদ লেনদেন করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে থেকে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত থাকবে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারেন।
এসময় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো: সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: মাহে আলম, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ধন্যবাদান্তে,
(মোঃ মামুন হাসান)
সিনিয়র তথ্য অফিসার
(তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা)
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়।
24/05/2026
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সরকারের সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে
---মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
ঢাকা , রবিবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে):
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে ব্যবসায়ী, খামারি ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে হাটে বিশেষ মেশিন স্থাপন করা হয়েছে পাশাপাশি হাট এলাকায় ব্যাংকিং সেবা রাখা হয়েছে, যাতে বিক্রেতারা নিরাপদে অর্থ জমা দিতে পারেন এবং প্রয়োজনে নতুন হিসাব খুলেও অর্থ সংরক্ষণ করতে পারেন।
আজ সকালে রাজধানীর দিয়াবাড়ী পশুর হাটে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, দেশে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং এ বছর দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। তিনি বলেন, দেশের কৃষক ও খামারিরা যে পরিমাণ গরু, ছাগল ও মহিষ উৎপাদন করেছেন, তা দেশের কোরবানির চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।
পশু হারিয়ে যাওয়া বা চুরির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বড় হাটগুলোতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল সার্বক্ষণিক কাজ করছে। হারিয়ে যাওয়া পশু উদ্ধারে মাইকিং, তদারকি এবং তাৎক্ষণিক সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই হারানো পশু দ্রুত উদ্ধার করে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
ভারতীয় বা সীমান্তপথে আসা গবাদিপশুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার সীমান্তে অবৈধ পশু প্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোরবানির আগেই আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সীমান্তরক্ষী বাহিনী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কোরবানির পশুর মূল্য নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে এখনো মূলত পশুর গঠন, স্বাস্থ্য, আকৃতি ও বাহ্যিক মান বিবেচনায় দরদামের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় হয়। ফলে একই ধরনের পশুর দাম ভিন্ন হতে পারে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে ওজনভিত্তিক বা “লাইভ ওয়েট” পদ্ধতিতে পশু বিক্রির সংস্কৃতি গড়ে উঠলে মূল্য নির্ধারণ আরও স্বচ্ছ ও নির্ধারিত হবে।
মন্ত্রী বলেন, বাজারে হাজারো বিক্রেতা ও ক্রেতার উপস্থিতির কারণে কোনো ধরনের কৃত্রিম সিন্ডিকেট তৈরি করা কঠিন। বাজারের প্রতিযোগিতা ও চাহিদা-সরবরাহের ভিত্তিতেই পশুর দাম নির্ধারিত হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বেচাকেনা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় জনবল মোতায়েন করেছে এবং ঈদ পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ বয়জার রহমান, অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক ডাঃ মো: আবদুর রহিম, ডাঃ মো: সফিকুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
ধন্যবাদান্তে,
(মোঃ মামুন হাসান)
সিনিয়র তথ্য অফিসার
(তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা)
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়।