Holy place Makkah where Profet (S.) was born.

Holy place Makkah where Profet (S.) was born.

Share

Help us Grow by Inviting your friends. It just takes a Minute.

15/12/2021

'অধিকাংশ' মানেই বিপদ
★অধিকাংশ_লোক কোন_দলিল_নয়ঃ

➲অধিকাংশ লোক মিলাদ পড়ে,,
➲অধিকাংশ লোক বেনামাজি,,
➲অধিকাংশ লোক পীর ভক্ত,,
➲অধিকাংশ লোক অন্ধ ভাবে মাযহাব মেনে চলে,,
➲অধিকাংশ লোক পর্দা করে না,,
➲অধিকাংশ লোক চল্লিশা করে,,
➲অধিকাংশ লোক মাজারে যায়,,
➲অধিকাংশ লোক নেশাদার দ্রব্য পান করে,,
➲অধিকাংশ লোক বিভিন্ন তরিকা অনুসরন করে,,,
➲অধিকাংশ লোক টাখনুর নিচে প্যান্ট পড়ে,,

★এটাই_বাস্তবতা
★অধিকাংশদের_ব্যাপারে_আল্লাহ্_বলেন:

■►“অধিকাংশই অজ্ঞ” [সূরা আনআম : ১১১]

■►“অধিকাংশই নির্বোধ” [সূরা মায়িদাহ ১০৩]

■►“অধিকাংশ মানুষ প্রকৃত ব্যাপার সম্পর্কে অবগত নয়” [সূরা ইউসুফ : ৬৮]

■►“অধিকাংশ লোকই অবগত নয়” [সূরা আনআম :৩৭]

■►“অধিকাংশই জানে না” [সূরা আরাফ : ১৩১]

■►“তুমি যতই প্রবল আগ্রহ ভরেই চাও না কেন, মানুষদের অধিকাংশই ঈমান আনবে না” [সূরা ইউসুফ :১০৩]

■►“আমি তোমার নিকট সুস্পষ্ট আয়াত নাজিল করেছি, ফাসিকরা ছাড়া অন্য কেউ তা অস্বীকার করে না; বরং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না” [সূরা বাকারাহ: ৯৯-১০০]

■►“আমি তো তোমাদের কাছে সত্য নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলে সত্য অপছন্দকারী” [সূরা যুখরুফ :৭৮]

■►“তাদের অধিকাংশকেই আমি প্রতিশ্রুতি পালনকারী পাইনি, বরং অধিকাংশকে ফাসিকই পেয়েছি” [সূরা আরাফ : ১০২]

■►“তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরন কর তাহলে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করে ফেলবে, তারা কেবল আন্দাজ-অনুমানের অনুসরন করে চলে; তারা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই করে না” [সূরা আনআম : ১১৬]

■►“ অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।’’[সূরা ইউসুফ: ১০৬]
ধারনা কোন কাজে আসে না’’ [সূরা ইউসুফ : ৩৬]

■►“আমি কি তোমাদের জানাব কাদের নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি চরম মিথ্যুক ও পাপীর নিকট। ওরা কান পেতে থাকে আর তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী’’ [সূরা শু’আরা :২২১-২২৩]

■►“তারা তাদের পিতৃ-পুরুষদের বিপথগামী পেয়েছিল। অতঃপর তাদেরই পদাংক অনুসরন করে ছুটে চলেছিল। এদের আগের লোকদের অধিকাংশই গুমরাহ হয়ে গিয়েছিল” [সূরা সাফফাত : ৬৯-৭১]

■►আরবী ভাষায় কুরআন,জ্ঞানসম্পন্ন মানুষদের জন্য সুসংবাদবাহী ও সাবধানকারী। কিন্তু ওদের অধিকাংশই (এ কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, কাজেই ওরা শুনবে না” [সূরা ফুসসিলাত :
সূরা আনআম
[111] ۞ وَلَو أَنَّنا نَزَّلنا إِلَيهِمُ المَلٰئِكَةَ وَكَلَّمَهُمُ المَوتىٰ وَحَشَرنا عَلَيهِم كُلَّ شَيءٍ قُبُلًا ما كانوا لِيُؤمِنوا إِلّا أَن يَشاءَ اللَّهُ وَلٰكِنَّ أَكثَرَهُم يَجهَلونَ
[111] আমি যদি তাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতারণ করতাম এবং তাদের সাথে মৃতরা কথাবার্তা বলত এবং আমি সব বস্তুকে তাদের সামনে জীবিত করে দিতাম, তথাপি তারা কখনও বিশ্বাস স্থাপনকারী নয়; কিন্তু যদি আল্লাহ চান। কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুর্খ।

সূরা আনআম 37] وَقالوا لَولا نُزِّلَ عَلَيهِ ءايَةٌ مِن رَبِّهِ ۚ قُل إِنَّ اللَّهَ قادِرٌ عَلىٰ أَن يُنَزِّلَ ءايَةً وَلٰكِنَّ أَكثَرَهُم لا يَعلَمونَ
[37] তারা বলেঃ তার প্রতি তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয়নি কেন? বলে দিনঃ আল্লাহ নিদর্শন অবতরণ করতে পূর্ন সক্ষম; কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।

সূরা আনআম 116] وَإِن تُطِع أَكثَرَ مَن فِى الأَرضِ يُضِلّوكَ عَن سَبيلِ اللَّهِ ۚ إِن يَتَّبِعونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِن هُم إِلّا يَخرُصونَ
[116] আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।

সূরা আনআম 116] وَإِن تُطِع أَكثَرَ مَن فِى الأَرضِ يُضِلّوكَ عَن سَبيلِ اللَّهِ ۚ إِن يَتَّبِعونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِن هُم إِلّا يَخرُصونَ
[116] আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।

বাকারাহ'র আয়াত
100] أَوَكُلَّما عٰهَدوا عَهدًا نَبَذَهُ فَريقٌ مِنهُم ۚ بَل أَكثَرُهُم لا يُؤمِنونَ
[100] কি আশ্চর্য, যখন তারা কোন অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়, তখন তাদের একদল তা ছুঁড়ে ফেলে, ব

বাকহারা হ
[99] وَلَقَد أَنزَلنا إِلَيكَ ءايٰتٍ بَيِّنٰتٍ ۖ وَما يَكفُرُ بِها إِلَّا الفٰسِقونَ
[99] আমি আপনার প্রতি উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ করেছি। অবাধ্যরা ব্যতীত কেউ এগুলো অস্বীকার করে না।

সূরা যুখরুফ 78] لَقَد جِئنٰكُم بِالحَقِّ وَلٰكِنَّ أَكثَرَكُم لِلحَقِّ كٰرِهونَ
[78] আমি তোমাদের কাছে সত্যধর্ম পৌঁছিয়েছি; কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই সত্যধর্মে নিস্পৃহ!
আসুন পবিত্র কোরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে জীবন গড়ি।
[68] وَلَمّا دَخَلوا مِن حَيثُ أَمَرَهُم أَبوهُم ما كانَ يُغنى عَنهُم مِنَ اللَّهِ مِن شَيءٍ إِلّا حاجَةً فى نَفسِ يَعقوبَ قَضىٰها ۚ وَإِنَّهُ لَذو عِلمٍ لِما عَلَّمنٰهُ وَلٰكِنَّ أَكثَرَ النّاسِ لا يَعلَمونَ
[68] তারা যখন পিতার কথামত প্রবেশ করল, তখন আল্লাহর বিধানের বিরুদ্ধে তা তাদের বাঁচাতে পারল না। কিন্তু ইয়াকুবের সিদ্ধান্তে তাঁর মনের একটি বাসনা ছিল, যা তিনি পূর্ণ করেছেন। এবং তিনি তো আমার শেখানো বিষয় অবগত ছিলেন। কিন্তু অনেক মানুষ অবগত নয়।

সূরা ইউনুস
[103] وَما أَكثَرُ النّاسِ وَلَو حَرَصتَ بِمُؤمِنينَ
[103] আপনি যতই চান, অধিকাংশ লোক বিশ্বাসকারী নয়।

ইউনূস 106] وَلا تَدعُ مِن دونِ اللَّهِ ما لا يَنفَعُكَ وَلا يَضُرُّكَ ۖ فَإِن فَعَلتَ فَإِنَّكَ إِذًا مِنَ الظّٰلِمينَ
[106] আর নির্দেশ হয়েছে আল্লাহ ব্যতীত এমন কাউকে ডাকবে না, যে তোমার ভাল করবে না মন্দও করবে না। বস্তুতঃ তুমি যদি এমন কাজ কর, তাহলে তখন তুমিও জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

ইউনূস
[36] وَما يَتَّبِعُ أَكثَرُهُم إِلّا ظَنًّا ۚ إِنَّ الظَّنَّ لا يُغنى مِنَ الحَقِّ شَيـًٔا ۚ إِنَّ اللَّهَ عَليمٌ بِما يَفعَلونَ
[36] বস্তুতঃ তাদের অ
(সংগৃহীত)

04/08/2021

আশা আর প্রত্যাশার মধ্যেই মানুষের জীবনচাকা বয়ে চলে। মানুষভেদে আশা-আকাঙ্ক্ষাও ভিন্ন হয়ে থাকে। সবার প্রত্যাশা চাওয়া-পাওয়া এক ও অভিন্ন নয়। দুনিয়ার জীবনে কারো চাওয়া-পাওয়া শেষ হওয়ার নয়। যার সব কিছু পর্যাপ্ত আছে সেও তাঁর সম্পদ দ্বিগুণ করার স্বপ্ন দেখে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যদি বনি আদমের স্বর্ণভরা একটা উপত্যকা থাকে, তথাপি সে তার জন্য দুটি উপত্যকা হওয়ার কামনা করবে। তার মুখ মাটি ছাড়া অন্য কিছুতেই ভরবে না। তবে যে ব্যক্তি তাওবা করবে, আল্লাহ তার তাওবা কবুল করবেন।’ (বুখারি, হাদিস, ৬৪৩৯)

দুনিয়াতে মানুষ তাঁর আশা অনুযায়ী চেষ্টা সাধনা করে, সে কখনো কখনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু মৃত্যু-পরবর্তী জীবন, যে জীবনে মানুষ অনেক কিছুই আশা করবে, তার কোনোটা বিন্দুমাত্র বাস্তবায়ন করার সুযোগ পাবে না। নিম্নে মানুষ মৃত্যুর পরে কী কী আশা করবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হলো—

● দ্রুত কাফন-দাফন করার আশা করবে। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যখন জানাজা (খাটিয়ায়) রাখা হয় এবং পুরুষ লোকেরা তা তাদের কাঁধে তুলে নেয়, সে পুণ্যবান হলে তখন বলতে থাকে, আমাকে সামনে এগিয়ে দাও। আর পুণ্যবান না হলে সে আপন পরিজনকে বলতে থাকে, হায় আফসোস! এটা নিয়ে তোমরা কোথায় যাচ্ছ? মানুষ ছাড়া সবাই তার চিৎকার শুনতে পায়। মানুষ যদি তা শুনতে পেত তবে অবশ্যই অজ্ঞান হয়ে যেত।’ (বুখারি, হাদিস, ১৩১৬)

● সৎ লোক আশা করবে যাতে দ্রুত কিয়ামত কায়েম হয়ে যায়। যেন সে চিরস্থায়ী ও সম্মানের আসনে আসীন হতে পারে। আর পাপিষ্ঠ কেয়ামত না হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে।

মুমিন ব্যক্তি বলবে, হে আল্লাহ, তুমি কিয়ামত কায়েম করে ফেলো। হে আল্লাহ, তুমি কিয়ামত কায়েম করে ফেলো। আমি যেন আমার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের কাছে যেতে পারি। কাফির বলবে, হে আমার রব, তুমি কিয়ামত কায়েম কোরো না। ( মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৮৫৩৪ )

● পরিবার-পরিজনকে তার অবস্থা জানানোর আকাঙ্ক্ষা করবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কবরে সওয়াল-জওয়াবের পর মুমিন ব্যক্তিকে বলা হবে, তুমি ঘুমিয়ে থাকো। তখন সে বলবে, আমার পরিবার-পরিজনকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য আমি তাদের কাছে ফিরে যেতে চাই। তারা উভয়ে (মুনকার-নাকির) বলবেন, বাসরঘরের বরের মতো তুমি এখানে এমন গভীর ঘুম দাও, যাকে তার পরিবারের সবচেয়ে প্রিয়জন ছাড়া আর কোনো ব্যক্তি জাগিয়ে তুলতে পারে না।’ ( তিরমিজি, হাদিস : ১০৭১ )

● আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাতবরণকারী আশা করবে তাঁকে পুনরায় দুনিয়াতে পাঠানো হোক, যাতে সে আবার আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাতবরণ করতে পারে। আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জান্নাতে প্রবেশের পর আর কেউ দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করবে না, যদিও দুনিয়ার সব জিনিস তাঁকে দেওয়া হয়। একমাত্র শহীদ ছাড়া, সে দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করবে যেন ১০ বার শহীদ হতে পারে। কেননা সে শাহাদাতের মর্যাদা দেখেছে।’ (বুখারি, হাদিস : ২৮১৭)

● মৃত ব্যক্তি পুনরায় জীবিত হয়ে নামাজ পড়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। রাসুল (সা.) একবার এক কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি সাহাবাদের বলেন, এটা কার কবর? সাহাবারা বলেন, অমুকের। তখন রাসুল (সা.) বলেন, এই ব্যক্তির কাছে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা পুরো পৃথিবীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ।’ (ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ৭৭১৫)

মৃত ব্যক্তি যখন নিজ চোখে কবরে দেখতে পাবে নামাজের এত এত প্রতিদান, তখন সে আফসোস করবে, কেন আরো বেশি নামাজ পড়ে এলো না। তাই সে আকাঙ্ক্ষা করবেন দুনিয়াতে যদি আবার তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সে বেশি করে নামাজ আদায় করবে।

● সম্পদ সদকা করার আশা করবেন। সদকা করা আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় আমল এবং সদকা আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়। আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি তোমাদের যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করো, তোমাদের কারো মৃত্যু আসার আগে। কেননা তখন সে বলবে, হে আমার রব, যদি আপনি আমাকে আরো কিছুকাল পর্যন্ত অবকাশ দিতেন, তাহলে আমি দান-সদকা করতাম। আর সৎ লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। আর আল্লাহ কখনো কোনো প্রাণকেই অবকাশ দেবেন না, যখন তার নির্ধারিত সময় এসে যাবে। আর তোমরা যা করো সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত।’ (সুরা মুনাফিকুন, আয়াত : ১০-১১)

● সৎ আমল করার আকাঙ্ক্ষা করবে। দুনিয়াতে তাঁকে যদি কিছুক্ষণের জন্য ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে সে আল্লাহ তাআলার আনুগত্যের মাঝেই কাটিয়ে দেওয়ার বাসনা করবে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অবশেষে যখন তাদের কারো মৃত্যু আসে, সে বলে, হে আমার রব, আমাকে আবার ফেরত পাঠান, যাতে আমি সৎকাজ করতে পারি, যা আমি আগে করিনি। না, এটা হওয়ার নয়। এটা তো তার একটি বাক্যমাত্র, যা সে বলবেই। তাদের সামনে বারজাখ থাকবে উত্থান দিন পর্যন্ত।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত : ৯৯-১০০)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘অথবা শাস্তি দেখতে পেলে যেন কাউকেও বলতে না হয়, হায়! যদি একবার আমি ফিরে যেতে পারতাম তবে আমি সৎ কর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হতাম!’ (সুরা জুমার, আয়াত : ৫৮)

আল্লাহ তাআলা আমাদের মৃত্যুর আগে পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂

লেখাঃ জাওয়াদ তাহের (আল্লাহ্‌ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)


(Y) শেয়ার করুন, বন্ধুদের সাথে ইন শা আল্লাহ !
_
#ওহী (Seeking The Way To Jannah)

18/07/2021

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,

يَغْسِلُونَني

আমাকে গোসল করাবে,

يَكْفِنُونَنِي

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,

يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,

يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,

بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,

وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,

أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,

مَفَاتِيحِي

আমার চাবির গোছাগূলো,

كِتَابِي

আমার বইপত্র,

حَقِيبَتِي

আমার ব্যাগ,

أَحْذِيَتِي

আমার ‍জুতোগুলো,

وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,

تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,

وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,

وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,

وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,

وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,

بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,

القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......

ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)

وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?

وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,

وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!

وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!

لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…

فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,

1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!

اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

لَقدْ زَالَ عِندَكَ:

তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):

1ــ الجَمَالُ

১. সৌন্দর্য্য

2ــ والمَالُ

২. ধনসম্পদ

3ــ والصَحَّةُ

৩. সুস্বাস্থ্য

4ــ والوَلَدُ

৪. সন্তান-সন্তদি

5ــ فَارقَت الدَّور

৫. বসতবাড়ি

6ــ القُصُورُ

৬. প্রাসাদসমূহ

7ــ الزَوجُ

৭. জীবনসঙ্গী

وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ

*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*

لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :

এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,

1ــ الفَرَائِضِ

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

2ــ النَّوَافِلِ

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ

৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি

4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ

৪. ভালো কাজের প্রতি

5ــ صَلاةُ اللَّيلِ

৫. রাতের নামাজের প্রতি

لَعَلَّكَ تَنْجُو....

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….

إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))

ولَمْ يَقُلْ :

তারা বলবে না,

لِأعتَمَرَ

উমরাহ পালন করতাম,

أو لِأُصَلَّي

অথবা, সালাত আদায় করতাম,

أو لِأصُومُ

অথবা, রোজা রাখতাম,

قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।

22/04/2021

♦️কখন কি বলা সুন্নাহ্‌ ?
🕳️ ১৫ টি কাজের গুরুত্বপূর্ণ ১৫ টি সুন্নাহ।
(উইথ রেফারেন্স)।
১. ভালো কোন কিছু খাওয়া বা পান করার সময়, কোন কিছু লেখা বা পড়ার সময়, কোন কাজ শুরু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করে । -(বুখারীঃ ৫৩৭৬)
২. কিছু খাওয়া বা পান করা শেষে, কোন শুভ সংবাদ শোনা হলে, কেউ কেমন আছো জিজ্ঞেস করলে- তার জবাবে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা। (ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৫)
৩. কারো হাঁচি আসলে ”আলহামদু লিল্লাহী ‘আলা কুল্লী হা-ল” বলা। কমপক্ষে "আল-হামদুলিল্লাহ" বলা।
(জামে আত তিরমিযীঃ ২৭৪১)
৪. কোন হাঁচি দাতার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে শুনলে- ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা। -(বুখারীঃ ৬২২৪)
৫. আল্লাহ তা’আলার শ্রেষ্ঠত্ব, মহত্ব বা বড়ত্বের কোন কৃতিত্ব দেখলে কিংবা শুনলে ‘আল্লাহু আকবর’ বলা । স্বাভাবিকের মধ্যে কোন ব্যতিক্রম দেখলে কিংবা আশ্চর্য ধরণের কোন কথা শুনলে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা। -(বুখারীঃ ৬২১৮)
৬. ভালো যে কোন কিছু বেশি বা ব্যতিক্রম দেখলে ‘মা-শা আল্লাহ’ বলা। -(মুসলিমঃ ৩৫০৮)
৭. ভবিষ্যতে কোন কিছু করবে বললে ‘ইন শা আল্লাহ’ বলা । -(আল কাহাফঃ ২৩-২৪)
৮. কোন বাজে কথা শুনলে কিংবা আল্লাহর আজাব ও গজবের কথা শুনলে বা মনে পড়লে “না’উজু বিল্লাহ” বলা। -(বুখারীঃ ৬৩৬২)
৯. কোন বিপদের কথা শুনলে কিংবা কোন খারাপ বা অশুভ সংবাদ শুনলে, কোন কিছু হারিয়ে গেলে, কোন কিছু চুরি হয়ে গেলে, কোন কষ্ট পেলে ‘ইন্না লিল্লাহ’ বলা। –(মুসলিমঃ ২১২৬)
১০. কথা প্রসঙ্গে কোন গুনাহর কথা বলে ফেললে, ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলা । -(সূরা মুহাম্মদঃ ১৯)
১১. উপরে উঠার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা এবং নিচে নামার সময় ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা। -(বুখারীঃ ২৯৯৩)
(সিড়ি/লিফটে উপরে ও নীচে উঠানামার আমল)
১২. নিশ্চিতভাবে না জেনে কোন বিষয়ে কিছু বললে, কথা শেষে ‘ওয়াল্লাহু আ'লাম বলা। -(বুখারীঃ ৫৫৭০)
১৩. কেউ কিছু দিলে কিংবা কারো মাধ্যমে কোন কাজ হলে তার বদলে শুকরিয়া জ্ঞাপনে ‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’ বলা। -(বুখারীঃ ৩৩৬)
১৪. কোন কিছু জবেহ করার সময় ‘বিসমিল্লাহী ওয়া আল্লাহু আকবর’ বলা। -(মুসলিমঃ ৫০৮৮)
১৫. কোন বিজয় লাভ করলে কিংবা বিজয় লাভের আশায় উচ্চকন্ঠ আকুতিভরা ডাক দিলে ‘আল্লাহু আকবর’ বলা । -(বুখারীঃ ৬১০)

🛑কিছু কথার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা।
✔ মাশা আল্লাহ:
মাশা আল্লাহ শব্দের অর্থ, আল্লাহ যেমন চেয়েছেন। এটি আল হামদুলিল্লাহ শব্দের মতোই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অর্থাৎ যে কোনও সুন্দর এবং ভালো ব্যাপারে এটি বলা হয়। যেমন, মাশা আল্লাহ তুমি তো অনেক বড় হয়ে গেছো।

✔নাউযুবিল্লাহ:
নাউযুবিল্লাহ শব্দের অর্থ, আমরা মহান আল্লাহর কাছে এ থেকে আশ্রয় চাই। যে কোনও মন্দ ও গুনাহের কাজ দেখলে তার থেকে নিজেকে আত্ম-রক্ষার্থে এটি বলা হয়ে থাকে।

✔ আসতাগফিরুল্লাহ:
আসতাগফিরুল্লাহ শব্দের অর্থ আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। অনাকাঙ্ক্ষিত কোন অন্যায় বা গুনাহ হয়ে গেলে আমরা এটি বলবো।

✔লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ: অর্থ; মহান আল্লাহর সাহায্য ও সহায়তা ছাড়া আর কোন আশ্রয় ও সাহায্য নেই। শয়তানের কোন ওয়াসওয়াসা বা দুরভিসন্ধিমূলক কোন প্রতারণা থেকে বাঁচার জন্য এটি পড়া উচিত।

✔ কারো সাথে দেখা হলে- হাই, হ্যালো না বলে বলুন- আস সালামু আলাইকুম (আপনার উপর মহান আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক)

©®Daily Islam

fb.com

02/04/2021

আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসুলের নিকট প্রিয় আমল
▬▬▬▬▬▬▬▬✿▬▬▬▬▬▬▬▬
❖ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘সুবহানাল্লাহ্; আলহামদুলিল্লাহ্; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ এবং
আল্লাহু আকবার বলতে আমি এতো ভালোবাসি যে, এগুলো বলা আমার কাছে (পৃথিবীর বুকে) সূর্যের নীচে যা কিছু আছে, তার সবকিছু থেকে বেশি প্রিয়।’’ [মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৯৫]

❖ অন্য হাদিসে এসেছে, এই বাক্যগুলো আল্লাহর নিকটও সর্বাধিক প্রিয় বাক্য। তুমি ইচ্ছামতো বাক্যগুলোর কোনোটিকে আগে, কোনোটিকে পরে বলতে পারো। [মুসলিম, আস-সহিহ: ২১৩৭]

❖ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে, সে ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সওয়াব পাবে।
◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ্’ বলবে, সে আল্লাহর রাস্তায় যু..দ্ধের জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মুজ|হিদ প্রেরণের সওয়াব পাবে।
◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে, সে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সওয়াব পাবে।
◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলবে, সে এত সওয়াব পাবে, যার ফলে আসমান ও জমিন পূর্ণ হয়ে যাবে। [ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ২/১২৫২; আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৬/৩৪৪; হাদিসটি হাসান]

❖ অন্য হাদিসে এসেছে, এ বাক্যগুলো কিয়ামতের দিন আমলনামায় সর্বাধিক ভারী হবে। [নাসাঈ, আস-সুনান: ৬/৫০; হাইসামি, মাজমাউয যাওয়াইদ: ১/৪৯, ১০/৮৮]

শুয়ে, বসে, দাঁড়িয়ে, অজুসহ, অজু ছাড়া, দিনে-রাতে, পিরিয়ড চলাকালীন—এককথায় সর্বাবস্থায় এগুলো পাঠ করা যাবে। বরং এগুলো আমাদের প্রত্যেকের জিহ্বায় সর্বদা জারি থাকা উচিত। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।

17/03/2021

আল্লাহর যিকর করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করতে পারা মহান সৌভাগ্যের ব্যাপার।

হাদিসে এসেছে, ‘‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো, তুমি যখন ইন্তেকাল করবে, তখনো তোমার জিহ্বা আল্লাহর যিকরে আর্দ্র থাকবে।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ১/৭২; ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৩/৯৯]

আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘আমার বান্দা যতক্ষণ আমার যিকর করে এবং আমার জন্য তার দুই ঠোঁট নাড়াচাড়া করে, ততক্ষণ আমি তার সাথে থাকি।’’ [আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২/৫৪০; ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ২/১২৪৬; হাদিসে কুদসি]

একদিন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের সামনে বললেন, ‘‘নিঃসঙ্গ একাকী মানুষগুলো এগিয়ে গেলো।’’ সাহাবিগণ প্রশ্ন করলেন, ‘‘হে আল্লাহর রাসুল! একাকী মানুষ কারা?’’ তিনি বলেন, ‘‘আল্লাহর বেশি বেশি যিকরকারীগণ।’’ [মুসলিম, আস-সহিহ: ৪/২০৬২]

নিঃসন্দেহে, আল্লাহর যিকরে অভ্যস্ত ব্যক্তিরা মাঝেমাঝে একাকী হয়ে যান। কারণ তাঁরা নিরিবিলিতে আল্লাহর স্মরণে ব্যস্ত থাকেন। এতেই তাঁদের পরিতৃপ্তি।

আমাদের সালাফ তথা পূর্বসূরি নেককার ব্যক্তিদের আমল ছিলো, তাঁরা সবসময় যিকর করতেন। যেমনটি আমরা দেখি, এই উম্মতের সম্মানিত ও বিস্ময়কর ব্যক্তি আবু মুসলিম খাওলানি (রাহ.)-এর একটি ঘটনায়, শত্রুরা যাকে আগুনে নিক্ষেপ করার পরও ইব্রাহিম (আ.)-এর ন্যায় সম্পূর্ণ নিরাপদে বের হয়ে এসেছিলেন। সুবহানাল্লাহ।

মহান ব্যক্তি তাবি‘ঈ আবু মুসলিম আল-খাওলানি (রাহ.) খুব বেশি বেশি যিকির করতেন। তাঁর জিহ্বা সবসময় আল্লাহর স্মরণে নড়তে থাকত। তাই, এটা দেখে এক লোক একদিন তাঁর একজন সঙ্গীকে জিজ্ঞাসা করলো, ‘আপনার এই বন্ধু কি পাগল?’ আবু মুসলিম এটা শুনে উত্তর দিলেন, ‘না ভাই, বরং এটা হচ্ছে পাগলামি থেকে বেঁচে থাকার উপায়।’ [আবদুল্লাহ ইবনু আহমাদ, জাওয়া’ইদুয যুহদ, পৃষ্ঠা: ৩৮৪]

ধরুন, কোথাও ভ্রমণ করছেন। হঠাৎ অ্যাকসিডেন্টেরর কবলে পড়লেন। আপনি তখন আল্লাহর যিকর করছিলেন। অন্যরা স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলো। এবার চিন্তা করে দেখুন, সবার চেয়ে আপনি কতটা এগিয়ে থাকলেন! এটা কেবলই একটা উদাহরণ মাত্র।

আমাদের পূর্ববর্তী নেককার ব্যক্তিগণ চাইতেন, আল্লাহর যিকরে জিহ্বা আর্দ্র থাকা অবস্থায় যেন তাঁদের মৃত্যু হয়। আল্লাহর কাছে আমরাও সকাতর প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের সমাপ্তিটা উত্তম ও কল্যাণময় করেন। আমিন।

08/03/2021

অতি ভোজনে শরীর ভারী হয়ে যায়। অন্তর কঠিন হয়ে যায়। বিচক্ষণতা কমে যায়। বেশি ঘুম পায়। ইবাদতে অলসতা আসে।

- ইমাম শাফেয়ী রাহিমাহুল্লাহ

[আদাবুল শাফেয়ী ওয়া মানাকিবুহু]

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka