জাগতিক ইসলামিক বুকশপ

জাগতিক ইসলামিক বুকশপ

Share

আসসালামু আলাইকুম

ইসলামিক বই পড়বো
ইসলামী শাসন দিয়ে জীবন গড়বো 🥰

24/09/2025

ফজর কাজা হয়ে গেছে, দিনটা রোজা রেখে কাটিয়েছে।

তাহাজ্জুদ ছুটে গেছে, ফজর পড়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত মসজিদে কাটিয়েছে।

গতকাল একপারা তিলাওয়াত ছুটে গেছে, আজ দুইপারা পড়ে নিয়েছে।

এমন মুমিনকে শয়তান ভয় পায়।
ভবিষ্যতে ওয়াসওয়াসা দেয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকে।

—শায়েখ আতিক উল্লাহ হাফি.

24/09/2025

জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। প্রয়োজন হলে মেসেজ করুন।

23/09/2025

মানুষের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আর এই সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম বড় মাধ্যম হচ্ছে প্রিয় হাবিব মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা এই কথা স্পষ্টভাবেই বলে দিয়েছেন।

এ গ্রন্থে পাঠক এমন কিছু ঘটনা ও আত্মত্যাগের নিদর্শন দেখতে পাবেন, যা রাসুলপ্রেমের সুবাসে সুরভিত। যে ঘটনা ও কথামালা আমাদের হৃদয়ে সামান্য হলেও রাসুলের প্রতি ভালোবাসা জাগানোর কাজে আসবে ইনশাআল্লাহ। তাই নিজের হৃদয়কে ঈমান ও নবিপ্রেমের রঙে সাজাতে আসুন ডুব দিই ‘রাসুলের ﷺ প্রতি ভালোবাসা’য়।

নোট: বইটি অর্ডার করতে মেসেজ করুন আমাদের পেইজে।

23/09/2025

মা শা আল্লাহ
বই হাতে পেয়ে পাঠকের ক্লিক।
কে কে পেয়েছেন??

23/09/2025

আল্লাহুম্মাগফিরলি.

22/09/2025

ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনু মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। হালীমার (রাদিয়াল্লাহু আনহা) ঘরের কাছেই একদিন মুহাম্মাদﷺ অন্যান্য বাচ্চাদের সাথে খেলছিলেন। এমন সময় ফেরেশতা জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এসে তাঁকে শোয়ান। তারপর বালক মুহাম্মাদের বুক চিরে তাঁর হৃদপিণ্ড বের করে আনেন। সেখান থেকে একটি টুকরো ফেলে দিয়ে বলেন, "আপনার মাঝে ওটা ছিল শয়তানের অংশ।” এরপর তিনি হৃৎপিণ্ডটি যামযামের পানিতে পূর্ণ একটি স্বর্ণপাত্রে রেখে ধৌত করেন। তারপর পরিচ্ছন্ন সেই অন্তর পুনঃস্থাপিত করেন মুহাম্মাদﷺ এর বক্ষে।

তখন অন্য বাচ্চারা আতঙ্কে কান্না করতে করতে দৌঁড়ে যায় হালীমার কাছে। গিয়ে বলে, মুহাম্মাদকে হত্যা করে ফেলেছে। হারিস-হালীমা দম্পতি ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে এসে
বালক মুহাম্মাদকে জীবিত দেখতে পান। কিন্তু তাঁর চেহারা ভয়ে একেবারে রক্তশূন্য ফ্যাকাসে।

আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন যে, মুহাম্মাদﷺ এর বুক ফাড়া সেলাইয়ের দাগটা তিনি দেখেছেন।

বই -- রাসূলে আরাবি ﷺ
পৃষ্ঠা ২৯-৩০

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

22/09/2025

লেখাটা কোন বইয়ের, বলুন তো!

22/09/2025

এমন একটি বুক কর্ণারের স্বপ্ন প্রতিটি পড়ুয়া পাঠকেরই।

21/09/2025

এমন একটা সহজ সুন্দর জীবন পাইলে আর কী চাই জীবনে?

আমাদের শৈশবটাও তো এমনই ছিল। এটাই ছিল শৈশবের সবচেয়ে বড় বিলাসিতা।

সারা দুপুর মাঠের মধ্যে ছোটাছুটি, খেলাধুলা, ঈদগাহ মাঠে বসে আড্ডা দেওয়া, ঈদগাহ মাঠের দূর্বাঘাসে গড়াগড়ি করা, পুকুরে ঝাঁপাঝাপি করা, কাঁঠালগাছ আর পেয়ারাগাছের ছায়ার নিচে শীতল হয়ে থাকা পাড়ার মসজিদের খোলা বারান্দায় এসে ঘুমিয়ে পড়া। এরচেয়ে বিলাসী জীবন আর কী হতে পারে?

জীবন ও প্রকৃতির কত কাছাকাছি ছিলাম তখন আমরা? শৈশবের ওই পৃথিবীটা যদিও বাহ্যিকভাবে খুবই সংকীর্ণ একটা গণ্ডির ভেতর আবর্তিত হতো, কিন্তু বাস্তবে সেই পৃথিবীর ভেতরটা ছিল অনেক বিশাল ও প্রশস্ত। সেখানে চোখ মেললেই চোখের সামনে ওড়াউড়ি করত শান্তির বহুবর্ণিল প্রজাপতি।

—আলমগীর মুরতাজা

21/09/2025

এক যুগেরও বেশি সময়ের আগের কথা। তখন দাদাজান বেঁচে ছিলেন। দাদাজানের নিজের নৌকা ছিল। বর্ষাকালে নদীর পানি যখন বাড়ির কাছাকাছি চলে আসতো নৌকাগুলো তখন বাড়ির ঘাটে বাঁধা থাকতো। গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হলেই কাজিনদের সাথে মিলে পরিকল্পনা করতাম নৌকা করে বিলে নিয়ে যাওয়ার জন্য দাদাজানের কাছে বায়না করবো। দাদাজান নিয়েও যেতেন। পেতে রাখা মাছের জাল উঠিয়ে মাছ ধরতেন। বিলের শাপলা তুলে দিতেন। ঢাকায় আসার আগে বেশকিছু বছর দাদা-দাদির সাথেই ছিলাম। ছোটো থেকেই দেখেছি দাদাজান রাত করে মাছ নিয়ে আসতেন আর দাদিজান রাতেই কাটতে বসতেন। তাজা মাছ ভেজে দিতেন। দাদা-দাদি দু'জনই পান পছন্দ করতেন। ছোটোবেলায় আমরা চারবোন তাদের জন্য পান বানানোর প্রতিযোগিতা করতাম। রাত হলে কে দাদির সাথে শুবে এই নিয়ে মহা কান্ড ঘটে যেতো। আমি সবসময়ই দাদিজানের সাথে শোয়ার সুযোগ পেয়ে যেতাম। ছোটোবেলা থেকেই দাদির সাথে আমার বেশি জমতো। আজ ভাবছিলাম দাদিজানকে কল করে সেই গল্পগুলো আবার তাজা করে নিব কিন্তু ব্যস্ততার কারণে আর দেওয়া হয়নি।

গতকাল ‘জোড়াতালির সংসার’ বইটা শুরু করেছি। পড়তে পড়তে গ্রামের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। গল্পটা গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত একটি পরিবারের। সংসারে তাদের অভাব থাকলেও আছে মজবুত পারিবারিক বন্ধন। মা-বাবা, দাদি, শিশির এবং তার ছোট দুই ভাই-বোন মিলে তাদের জোড়াতালির সংসার। গল্পের প্রতিটি চরিত্র যেনো সংসারের একেকটি পিলার। উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে সংসারের বড় ছেলে শিশির। সংসারের বড় ছেলেরা যেমন সংসারের জন্য হাসে, সংসারের জন্য বাঁচে এবং সংসারের সবার স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে নিজের জীবনের ক্যানভাসে আঁকা রঙিন স্বপ্নগুলো সাদা রঙে মাখা তুলির আঁচড়ে মুছে ফেলে; শিশির তাদেরই প্রতিচ্ছবি।

৮৫ পৃষ্ঠার মতো পড়েছি আজ। পড়তে পড়তে বুঝলাম এই গল্পে নেই আধুনিক জীবনের চাকচিক্য, নেই রোমাঞ্চকর প্রেমের কাহিনী আর নেই রূপকথার মতো অবাস্তব প্লট; আছে সাধারণ নিম্নবিত্ত জীবনের বর্ণনা। অতীতের স্মৃতি, প্রিয়জন এবং তাদের সাথে পেছনে ফেলে আসা সরল এবং আনন্দদায়ক অনূভুতি, আছে ভাইবোনের খুনসুটি এবং দাদিজানের সাথে বসে করা হরেক রকমের গল্পের আসর। মমতাময়ী মায়ের ভালোবাসা আর কঠোর অথচ আদর্শ বাবার ছায়া। সবমিলিয়ে একটা অসাধারণ গল্প।

জোড়াতালির এই গল্প পড়তে পড়তে জীবনের অনেক সুখস্মৃতি মনে করছি। সাথে আবার গ্রামীণ পরিবেশ; হাটবাজার, বিলের পানি, মেলা, গ্রামের স্কুলের বর্ণনা মনকে পুলকিত করছে। লেখক

21/09/2025

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সীরাহ নিয়ে যেসব বই পড়েছি, তারমধ্যে রেইনড্রপস এর সীরাহ বইটিকে শীর্ষে রাখবো। এই বইটি পড়ার পর সীরাত ইবন হিশাম শুরু করলাম, সীরাত বিষয়ক রেফারেন্স বুক। মনে হচ্ছে সীরাত ইবন হিশাম যেভাবে অনুবাদ করা হয়েছে, একই কথা আরো সুন্দর করে রেইনড্রপস এর সীরাহ বইটিতেও উদ্ধৃত হয়েছে।

তার সাথে অতিরিক্ত যে দিকটা বইটাকে অনন্য করেছে সেটা হলো প্রত্যেকটা ঘটনা থেকে 'শিক্ষা' কী আছে সেটা। আগে সীরাহ পড়তে গিয়ে অনেকটা গল্পের ঢঙ এ পড়তাম। গল্প-উপন্যাসের মতো কোনো কোনো জায়গায় টানটান উত্তেজনার থ্রিলার, কোনো কোনো জায়গায় কষ্টকর অবস্থার বিবরণ আবার কোনো কোনো জায়গায় বীরের বেশে গল্পের নায়কের মতো প্রত্যাবর্তন - সীরাহ পড়তে গিয়ে আর দশটা গল্প উপন্যাস থেকে সীরাহ'তে শিক্ষার বিষয়টা অনুধাবন করা মোটামুটি কষ্টসাধ্য ছিলো।

বইটি প্রকাশ করেছে রেইনড্রপস।
রিভিউ লিখেছেনঃ আরিফুল ইসলাম

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka