15/06/2025
🛫 ১০ মাসে ১১ সফর, ফলাফল — শুধু গল্প আর গুজব! 🎭
অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ড. ইউনূস গত ১০ মাসে ১১ বার বিদেশ সফরে গেছেন। প্রতিবারই দেশে ফিরে এসেছেন হাতে কোনো বাস্তব অর্জন নয়, বরং একঝাঁক "ডাব্বা খাওয়ানো" গল্প নিয়ে।
🇹🇷 তুরস্ক নাকি হাসপাতাল করে দেবে।
🇨🇳 চীন নাকি আলাদা স্বাস্থ্যপ্রকল্প শুরু করবে।
🇵🇰 পাকিস্তান নাকি প্রযুক্তি দিয়ে ঢেলে সাজাবে বাংলাদেশ!
কিন্তু বাস্তবে কী হয়েছে?
👉 শুধু মিডিয়া-বন্ধুদের দিয়ে "আসছে! হচ্ছে!" এমন Schlagzeile—আর কিছুই না।
এই ১১টি সফরের জন্য তিনি দেশের কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও দেশে ফিরে কোনো স্পষ্ট পরিকল্পনা, চুক্তি বা বাস্তব উন্নয়নের ছিটেফোঁটাও দেখাতে পারেননি। এসব ভ্রমণ যেন একেকটা “রাজকীয় ফটোশুট”—আর জনগণ যেন হয়ে গেছে প্রতারণার পরীক্ষাগার।
🔍 জনগণের প্রশ্ন:
বিদেশ সফর কি উন্নয়নের জন্য, নাকি গল্প ফেঁদে নিজের সম্মান রক্ষা করতে?
🧾 দেশ চায় কাজ, আপনি দেন কেবল কথার ফানুস।
#গল্পগুজব_গভর্মেন্ট
#ভ্রমণ_না_বিজ্ঞানফ্যান্টাসি
#ইউনূসনামা
#নেতা_না_নাটক
13/06/2025
Hasnat's জ্বালাময়ী পোস্ট:
"ইউনূস সরকার নির্বাচন দিতে যাচ্ছে, তার আগে চাই জুলাই সনদ, দৃশ্যমান বিচার, আর মৌলিক সংস্কার—না হলে নির্বাচনের মাস দিয়ে লাভ নাই!"
👇
কমেন্টে ঢুকলেন গণতন্ত্র আরেক ভুয়া বিশারদ নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারি:
"হাসনাত, ভোটা জেতা এত সোজা? মেম্বার ইলেকশন করলেও জিতবা না। আগে মেম্বার হইয়া দেখাও!"
🔥
মবের রাজা হাসনাতের ঠাণ্ডা জবাব:
"আপনাদের সরকারকে মেম্বার ইলেকশন দিতেই তো বলেন আগে!"
🤣 আহারে!
একজন বলছে ভোট দিয়ে বিচার চাই।
অন্যজন বলছে, আগে মেম্বার হ! মেম্বার হয়ে যোগ্যতার প্রমাণ দে!
আর সরকার বলছে—ভোটের কথা বাদ দাও, পোস্টার ঠিকাছে তো? 🫣
এখানে বিচার চাওয়াটাই বিপ্লব,
আর নির্বাচন চাওয়া নাকি ‘অত্যাধুনিক ষড়যন্ত্র’!
হাসনাত এখন "জুলাই সনদ" নিয়ে ভাবেন,
আর নাসির ভাই ভাবেন—জুলাইতে মেম্বার হওয়া যায় কিনা!
শেষ কথা:
👉 মেম্বার নির্বাচনের ক্ষমতা থাকলে এই সরকার আর ইউনূস সাহেব রুম ৩৭টা ভাড়া না নিয়ে, একটা ভোটকেন্দ্র ভাড়াই করে ফেলতেন!
কিন্তু ওটা তো জনগণের হাতে থাকে, আর জনগণ এই ইউনুস গংদের রাষ্ট্রকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আর দিতে চায় না।
#ভোটদাও_গণতন্ত্র_বাঁচাও
#ইউনুস
#দেশ_বাঁচাও
#জুলাইসনদ
#মেম্বারপলিটিক্স
13/06/2025
জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সর্বশেষ বক্তব্যে যেন রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধের নয়, বরং জনগণের প্রতি বিদ্বেষ ও অবজ্ঞার ছাপ স্পষ্ট। তিনি প্রকাশ্যে বলেন—
❝নতুন করে আর গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। কেয়ামত পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও সম্ভাবনা নেই। সুযোগ থাকলে ঢাকার সব বাড়ির গ্যাস সংযোগই বন্ধ করে দিতাম।❞
এই বক্তব্য শুধু দম্ভ নয়, এটি দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি চরম তাচ্ছিল্য এবং অবমাননার প্রকাশ।
দেশের কোটি কোটি মানুষ যেখানে ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত, সেখানে সরকারের উপদেষ্টা এমন ভাষায় কথা বলার সাহস পান কোথা থেকে?
এই সরকার—যাদের নেতৃত্বে আছেন তথাকথিত 'প্রধান উপদেষ্টা' ড. ইউনূস, তারাই জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে, মবের রাজনীতি দিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছে।
👉 এই ইউনূস সরকার এখন জনস্বার্থকে পদদলিত করে, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি-চিকিৎসা-শিক্ষা সবকিছুকে সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
👉 জনগণকে তারা উচ্ছিষ্ট, নিকৃষ্ট ও তুচ্ছ মনে করে বলেই এভাবে বারবার অপমান করে যাচ্ছে।
👉 গণতন্ত্র হরণ করে এখন রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করে জনগণকে শাস্তি দিচ্ছে তারা।
আমরা জিজ্ঞাসা করি—
🔹 রাষ্ট্রের উপদেষ্টা হয়ে আপনি কি জনগণকে গালি দেওয়ার জন্য দায়িত্ব নিয়েছেন?
🔹 আপনি কি নিজেকে জনগণের উপর অধিপতি মনে করেন?
এই সরকার জনগণের নয়। এই সরকার গণবিরোধী, জনবিচ্ছিন্ন। আর তাই তারা প্রতিদিন রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে—নীতি নয়, চলছে দম্ভ; সেবা নয়, চলছে শাস্তি!
✊ এখনই প্রতিবাদ করুন—না এই দেশের নাগরিক অধিকার নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে!
#জনগণের_অধিকার
#গণবিচ্ছিন্ন_সরকার
#কেয়ামত_সরকার
13/06/2025
ইউনুসের ব্যক্তিগত সফরে রাষ্ট্রের গচ্চা — প্রশ্ন ওঠে, দায় কে নেবে?
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর সফরসঙ্গীরা ৯ জুন ২০২৫ তারিখে যুক্তরাজ্যে যান। প্রথম থেকেই সফরটি ঘিরে ছিল ধোঁয়াশা, বিতর্ক এবং চরম অপচয়ের অভিযোগ।
লন্ডনের অন্যতম ব্যয়বহুল হোটেল The Dorchester–এ ৪ রাতের জন্য ৩৭টি রুম বুক করা হয়।
সফরদলের ৩৯ সদস্যের এই স্বল্পমেয়াদি অবস্থানের জন্য হোটেল বিল আসে £210,325 পাউন্ড—বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা (১ পাউন্ড = ১৬৬ টাকা ধরে)।
এর মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল রুমটি ছিল ড. ইউনূসের জন্য, যার ভাড়া ছিল প্রতি রাত £6,045 পাউন্ড—প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। চার রাতেই শুধু তাঁর কক্ষের বিল দাঁড়ায় ৪০ লক্ষ টাকার বেশি।
প্রশ্ন হলো—এই সফরের বিনিময়ে বাংলাদেশ কী পেলো?
👉 কোনো দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়নি।
👉 কোনো রাষ্ট্রীয় সমঝোতা হয়নি।
👉 তিনি শুধুমাত্র ব্রিটিশ রাজার কাছ থেকে একটি ব্যক্তিগত পুরস্কার গ্রহণ করেছেন।
👉 সফর শেষে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের সাথে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ করেছেন।
রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হয়ে রাষ্ট্রীয় সুবিধা গ্রহণ করে ব্যক্তিগত প্রচার কিংবা রাজনৈতিক যোগাযোগ কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
জাতির টাকায় বিদেশ ভ্রমণ করে নিজের ইমেজ বানানোর এই অপপ্রয়াস কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।
আমরা জানতে চাই:
➡️ এই সফরের আর্থিক দায়ভার কে বহন করছে?
➡️ এই সফর রাষ্ট্রীয় ছিল, নাকি ব্যক্তিগত?
➡️ যদি ব্যক্তিগত হয়, তবে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অর্থ কেন ব্যবহৃত হলো?
বাংলাদেশ কারো ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার প্রজেক্ট না। জনগণের টাকায় এই অপচয় বন্ধ হোক।
#রাষ্ট্রেরগচ্চা
11/06/2025
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল: এক বিভৎস দখলের চিত্র!
এক সময় এই হাসপাতাল ছিলো দেশের সবচেয়ে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসাকেন্দ্র। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময় গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানটি ছিলো অন্ধকারে নিমজ্জিত চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতীক। দেশের লাখো মানুষ এখানে বিনামূল্যে কিংবা স্বল্পমূল্যে চোখের উন্নত চিকিৎসা পেতেন।
কিন্তু আজ?
এই হাসপাতাল আর হাসপাতাল নেই — কয়েকজন প্রভাবশালী JULY দলে নাম লিখানো লালবদর এই চিকিৎসাকেন্দ্রকে পরিণত করেছে আবাসিক হোটেলে! আধুনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে, অপারেশন থিয়েটার আজ গেস্টরুম, আর রোগীদের জায়গায় এখন থাকে তথাকথিত 'ভিআইপি অতিথি'!
এটা কেবল একটি হাসপাতাল দখলের গল্প নয় — এটা রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের, স্বাস্থ্যসেবাকে অবমূল্যায়নের, এবং মানুষকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করার নির্মম ইতিহাস। এ যেন গরিবের চিকিৎসা কেড়ে নিয়ে লুটের রাজত্ব কায়েম করার নগ্ন দৃষ্টান্ত!
এই অন্যায়ের প্রতিবাদ হওয়া উচিত সর্বস্তরে। এটা কোনো দল বা মতের বিষয় নয়, এটা জনস্বার্থ, এটা মানবিকতা!
আমরা চাই:
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালকে অবিলম্বে দখলমুক্ত করে চিকিৎসা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হোক।
দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
জনগণের টাকায় গড়ে ওঠা এ ধরনের প্রতিষ্ঠান যেন ভবিষ্যতে আর কারো লোভের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করা হোক।
হাসপাতাল হোক হাসপাতাল — হোটেল নয়!
#জাতীয়চক্ষুইনস্টিটিউট #প্রতিবাদ #স্বাস্থ্যসেবা_সবার_অধিকার
25/03/2025
✨ ২৬শে মার্চ: মহান স্বাধীনতা ✨
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে তথা আজকের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত, ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা ছিনিয়ে এনেছিলাম একটি স্বাধীন বাংলাদেশ—একটি শোষণমুক্ত, গণতান্ত্রিক, ও সাম্যের রাষ্ট্রের স্বপ্ন নিয়ে।
কিন্তু আজ, ৫৪ বছর পর, দেশ সেই পরাজিত শক্তির হাতে বন্দি!
যারা একদিন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, আজ তারা নানা রূপে, নানা নামে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে। গণতন্ত্র হুমকির মুখে, মানবাধিকার লঙ্ঘিত, দুর্নীতি আর লুটপাটে দেশ জর্জরিত।
‼️ এখন সময় নতুন মুক্তির সংগ্রামের!
এই সংগ্রাম অস্ত্রের নয়, বরং নৈতিকতার, গণতন্ত্রের, স্বাধীনতার সঠিক চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার।
✊ আসুন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে একসঙ্গে লড়ি!
ভুল ইতিহাসের বিপরীতে সত্য তুলে ধরি!
অন্যায়, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হই!
জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু!
23/03/2025
বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে হাসনাতের ষড়যন্ত্র ও ইউনূসের সুবিধাবাদী সরকার – জনতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা!
দেশকে বিপথে ঠেলে দিতে নতুন নতুন নাটক সাজানো হচ্ছে! হাসনাত আব্দুল্লাহর মতো অপ্রীতিকর চরিত্ররা এখন রাজনীতির মাঠে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে। সেনানিবাসের সঙ্গে দেখা করতে নিজেরাই আগ্রহ দেখালো, এখন এসে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য নাটক সাজাচ্ছে!
অন্যদিকে, গণঅভ্যুত্থানের নামে ইউনূস সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। ক্ষমতা দখলের পর তাদের লক্ষ্য একটাই—বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন, দেশের রাজনীতিকে দুর্বল করা, এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে রাষ্ট্রীয় সম্পদকে ব্যবহার করা।
✅ হাসনাত ও তার দলের ষড়যন্ত্র
▪️ সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেখা করতে চাইল নিজেরাই, এখন নাটক করছে!
▪️ "রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ" নিয়ে মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে।
▪️ রাজনীতির মাঠে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চায়, যেন দেশ অস্থিতিশীল থাকে!
✅ ইউনূস সরকারের মুখোশ উন্মোচন
▪️ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়, কিন্তু জনগণের সম্পদ লুট করছে!
▪️ বিদেশি স্বার্থ বাস্তবায়ন করতেই নেমেছে।
▪️ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে দেশকে টেনে নিচ্ছে সংকটের দিকে।
দেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এইসব ষড়যন্ত্রকারীদের এখনই রুখে দিতে হবে। বাংলাদেশ কারও ব্যক্তিগত স্বার্থের জায়গা নয়, এটি ১৮ কোটি মানুষের দেশ! আমাদের সিদ্ধান্ত আমরা নেবো, বাইরের কারও চাপিয়ে দেওয়া এজেন্ডা নয়!
#বাংলাদেশ #ষড়যন্ত্রকারীদের_রুখতে_হবে #রাজনীতিতে_বিশ্বাসঘাতকতা #জনগণের_অধিকার
22/03/2025
আওয়ামী লীগ কি নিষিদ্ধ করা সম্ভব? ইতিহাস কি থামানো যায়?
যারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কথা বলে, তারা আসলে বাংলাদেশের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করতে চায়। এই দল শুধু একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার প্রতীক।
✅ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব – বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগই স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল।
✅ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা – স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে।
✅ অবকাঠামোগত উন্নয়ন – পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল, ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ অসংখ্য মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
✅ শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি – ডিজিটাল বাংলাদেশ, কমিউনিটি ক্লিনিক, বিনামূল্যে বই বিতরণ, উচ্চশিক্ষার প্রসার।
✅ নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা – বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ছুটি, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি।
আজ যারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের স্বপ্ন দেখে, তারা কি এই অর্জনগুলোও মুছে ফেলতে চায়? দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র ধ্বংস করতে একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কিন্তু আওয়ামী লীগ কোনো ব্যক্তি বা দলের ওপর নির্ভরশীল নয়, এটি বাংলার কোটি মানুষের ভালোবাসার প্রতিফলন।
বাংলার মাটি ও মানুষের সাথে মিশে থাকা দলকে নিষিদ্ধ করা যায় না, ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায় না!
#আওয়ামীলীগ #বাংলাদেশ #গণতন্ত্র #উন্নয়ন #স্বাধীনতা
27/02/2025
আইন: সমাজের শৃঙ্খলা ও ন্যায়ের প্রতিচ্ছবি
আইন শুধু কিছু নিয়মের সমষ্টি নয়, এটি একটি সমাজের শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার ও সুরক্ষার প্রতীক। আইন আমাদের অধিকার রক্ষা করে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখে।
একটি সুস্থ ও ন্যায্য সমাজ গঠনের জন্য সবাইকে আইন মানতে হবে এবং প্রয়োজনে আইনগত সহায়তা নিতে হবে। তবে অনেকেই আইনের সঠিক ব্যবহার ও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নন, যা দুর্বলতা সৃষ্টি করে।
তাই আসুন, আমরা সবাই আইন সম্পর্কে জানি, সচেতন হই এবং নিজেদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত হই। কারণ আইন মানা শুধু বাধ্যবাধকতা নয়, এটি আমাদের নাগরিক দায়িত্বও বটে!
#আইন #ন্যায়বিচার #সচেতনতা #অধিকার