27/05/2026
﴿ لَن يَنَالَ ٱللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَآؤُهَا وَلَٰكِن يَنَالُهُ ٱلتَّقْوَىٰ مِنكُمْ ﴾
“তাদের মাংস ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, পৌঁছে শুধু তোমাদের তাকওয়া।”
— সূরা আল-হাজ্জ : ৩৭
ত্যাগ, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত বার্তা নিয়ে আবারও আমাদের মাঝে এসেছে পবিত্র ঈদুল আযহা।
এই ঈদ হোক আত্মত্যাগের শিক্ষা গ্রহণের, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করার এবং মানবতার কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার এক অনন্য প্রেরণা। 🌙✨
১০ যুল হিজ্জাহ, হিজরী ১৪৪৭ সন
সবাইকে জানাই আন্তরিক
ঈদ মুবারক। 🤍
আল্লাহ আমাদের কুরবানি, ইবাদত ও সকল নেক আমল কবুল করুন।
সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, রহমত ও বরকত।
— ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
25/05/2026
“আমি চির-বিদ্রোহী বীর —
বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির!”
আজ ২৪ মে, বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের আকাশে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হওয়া বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর জন্মবার্ষিকী।
১৮৯৯ সালের এই দিনে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শোষণ, অন্যায়, সাম্প্রদায়িকতা ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে তাঁর কলম ছিল বজ্রকণ্ঠের মতো উচ্চারণ। তাই তিনি শুধু একজন কবি নন, তিনি ছিলেন বিদ্রোহ, মানবতা ও সাম্যের প্রতীক।
“বিদ্রোহী”, “কারার ঐ লৌহ কপাট”, “দুর্গম গিরি কান্তার মরু” — প্রতিটি সৃষ্টিতে তিনি জাগিয়ে তুলেছেন মুক্তির চেতনা, সাহস ও আত্মমর্যাদার আহ্বান। তাঁর লেখনী আজও অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে অনুপ্রেরণা দেয়।
বিদ্রোহী কবির জন্মবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
তাঁর আদর্শ, সাহস ও মানবতার বাণী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ুক।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
19/05/2026
জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল..
06/05/2026
আজ ৬ মে,
ঐতিহাসিক 'বালাকোট দিবস'
১৮৩১ সালের এই দিনে বর্তমান পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মানসেহরা জেলার বালাকোট ময়দানে রচিত হয়েছিল এক অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের ইতিহাস। আজ থেকে প্রায় ১৯৫ বছর আগে এই দিনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ও শিখ শাসক রণজিৎ সিংয়ের জুলুমের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে শাহাদাতবরণ করেন সৈয়দ আহমদ বেরলভী (রহ.) এবং শাহ ইসমাইল শহীদ (রহ.)-সহ শত শত নিবেদিতপ্রাণ মুজাহিদ।
এটি কেবল একটি যুদ্ধ ছিল না, বরং এটি ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিমদের হারানো গৌরব ও আত্মপরিচয় পুনরুদ্ধারের এক মহাপরিকল্পনা।
সৈয়দ আহমদ বেরলভী (রহ.)-এর এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল দ্বিমুখী। একদিকে আধ্যাত্মিক ও চারিত্রিক সংস্কারের মাধ্যমে মুসলিমদের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি করা, অন্যদিকে অত্যাচারী শক্তির হাত থেকে মুসলিম ভূখণ্ডকে মুক্ত করে একটি ইনসাফপূর্ণ 'ইসলামি রাষ্ট্র' কায়েম করা। তৎকালীন পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে শিখ শাসনামলে মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা যখন খর্ব করা হচ্ছিল, আজান নিষিদ্ধ হচ্ছিলো তখনই একদল সত্যনিষ্ঠ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে এই অজানার পথে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
১৮৩১ সালের মে মাসের শুরুতে শিখ জেনারেল শের সিংয়ের বিশাল বাহিনীর মুখোমুখি হন মুজাহিদরা। শিখদের কাছে ছিল আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও শক্তিশালী গোলন্দাজ বাহিনী, আর মুজাহিদদের সম্বল ছিল কেবল অটল ঈমান আর সামান্য কিছু দেশি অস্ত্র। যুদ্ধের ময়দানে মুজাহিদরা বীরত্বের সাথে লড়াই করলেও স্থানীয় কিছু উপজাতীয় সর্দারের বিশ্বাসঘাতকতা পুরো চিত্র পাল্টে দেয়। গোপন পথ দেখিয়ে শিখ বাহিনীকে পাহাড়ের উপরে আসার সুযোগ করে দেওয়া হয়। ফলে ৬ মে সকালের সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে সৈয়দ আহমদ শহীদ ও শাহ ইসমাইল শহীদ (রহ.) শাহাদাতবরণ করেন। তাদের সাথে প্রায় ৩০০ থেকে ৬০০ জন মুজাহিদ আল্লাহর রাহে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দেন।
অনেকে মনে করেন বালাকোটের পরাজয়ে এই আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটেছিল। কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। বালাকোটের সেই রক্তই পরবর্তীতে ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের প্রেরণা জুগিয়েছিল। বালাকোটের মুজাহিদদের উত্তরসূরিরাই দেওবন্দ আন্দোলন থেকে শুরু করে উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। এটি মুসলিমদের শিখিয়ে দিয়ে গেছে যে, সংখ্যা বা অস্ত্র বড় নয়, বাতিলের সামনে মাথা নত না করাই হলো মুমিনের প্রকৃত বিজয়।
বালাকোট কেবল একটি পাহাড়বেষ্টিত উপত্যকার নাম নয়, এটি একটি আদর্শের নাম। দরিয়ায়ে কুনহারের তীরে ঝরে পড়া সেই রক্ত আজও আমাদের হৃদয়ে স্পন্দন জাগায়। যারা দ্বীনের জন্য, আজাদির জন্য নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছেন, আল্লাহ তাদের জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।
#বালাকোট_দিবস #ইতিহাস #শাহাদাত_বার্ষিকী
05/05/2026
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর দ্বি মাসিক পাঠ মূল্যায়ন পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণদের অভিনন্দন।
25/04/2026
👉Icab Du
Check Comment Box for edit your name or Branch Name..
24/04/2026
https://www.facebook.com/share/p/1Cu84ej2TH/
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মনসুরুল হক শান্ত এই প্রতিবাদ জানান।
24/04/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ২৪/০৪/২০২৬
সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ও বিজয় একাত্তর হল প্রাঙ্গণে পরশু এবং গতকাল শাহবাগ থানায় ছাত্রদল, ডাকসু ও শিবির নেতৃবৃন্দের মধ্যে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বিশেষ করে এই সহিংসতার সময় দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়, অগ্রহণযোগ্য এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃবৃন্দ মনে করে, কোনো মতবিরোধ বা রাজনৈতিক বিরোধের সমাধান সহিংসতার মাধ্যমে নয়। বরং তা হওয়া উচিত সংলাপ, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে। সেই জায়গা থেকে বড় দুটি ছাত্র সংগঠনের মাঝে বিরোধ নিষ্পত্তিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর সহিংস হামলা চালানো সত্য প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
আমরা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত দাবি করছি এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
আমাদের মনে রাখতে হবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি জ্ঞানচর্চার পবিত্র স্থান। এখানে সহিংসতার কোনো স্থান নেই। সহিংসতার কালো অধ্যায় অতীতে ফেলে এসেছি সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণের লক্ষ্যে। সেই কালো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি আগষ্ট পরবর্তী বাংলাদেশ দেখতে চায় না। আমরা সকল ছাত্র সংগঠনকে দায়িত্বশীল আচরণ করার এবং ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।
ধন্যবাদান্তে,
সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন
সভাপতি,
ও
মনসুরুল হক শান্ত
সাধারণ সম্পাদক
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
23/04/2026
সংবাদ সম্মেলন থেকে ঘোষিত দুই দফা কর্মসূচি:
১. ২৪ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, বাদ জুমা, বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইট থেকে সন্ত্রাসবিরোধী পদযাত্রা।
২. ২৬ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, দেশব্যাপী ক্যাম্পাসসমূহে সন্ত্রাসবিরোধী মানববন্ধন।