মনোবিজ্ঞান বিভাগ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মনোবিজ্ঞান বিভাগ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মনোবিজ্ঞান বিভাগ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, Political organisation, Department Of Psychology, University Of Dhaka, Dhaka.

11/12/2021

প্রশংসা করতে পারাটাও একটা মহৎ গুণ!

নিজেদের মধ্যে একটা বেশ মজার বিষয় খেয়াল করেছেন কখনো? এই যে কেবল চিনি বলেই চেনাজানা মানুষদের আমরা গনায় ধরি না! গনায় ধরি কেবল তাকে, যাকে সামনাসামনি দেখা যায় না, দু-আঙ্গুলে ছোঁয়া যায় না, মুখোমুখি চায়ের কাপ হাতে যার সাথে দুদণ্ড বসা যায় না, যার সাথে প্রাণ খুলে একটু কথা বলা যায় না, যার দরজায় মন চাইলেই কড়া নাড়া যায় না, সাহস করে কোনোকালে কড়াটা নাড়ালেও যেখানে ভয় থাকে— সাড়া মিলবে তো?

আমরা কাছের মানুষে মুগ্ধ হই না, মুগ্ধ হই দূরত্বে। আমরা পুরোনোতে মুগ্ধ হই না, মুগ্ধ হই নতুনে। আমাদের প্রত্যাশা কেবল ততক্ষণ থাকে, যতক্ষণ সেখানে অপ্রাপ্তির আশঙ্কা। প্রাপ্তির পরেই ঘোর কাটতে শুরু করে। মনের মোড় ঘুরতে শুরু করে নতুন কোনো অপ্রাপ্তির পথে। অভ্যস্ততা এসে গেলেই আমরা অপ্রস্তুত হয়ে পড়ি, মনেহয়— এ আর নতুন কী!

জাদু ততক্ষণই জাদু, যতক্ষণ দর্শক কৌশলটা জানে না। কৌশলটা শিখে গেলে, জাদুটা জেনে গেলে, সেটা তখন আর দর্শকের কাছে জাদু থাকে না। দর্শক তখন নিজেকেই জাদুকর ভাবতে শুরু করে। আশপাশের মানুষদের বলার চেষ্টা করে— ওসব আমিও পারি।

দূরের মানুষটার যেই সরলতা দেখে আমরা মুগ্ধ হই, কাছের মানুষটার সেই একই সরলতায় আমরা বলি— এইটা একটা আস্ত বেআক্কেল!

ব্যাপারটা মজার, ব্যাপারটা দারুণ মজার। আপনি যদি হিমালয় জয়ের মতোও অসাধারণ কিছু করে ফেলেন, তারপরও পরিচিতদের একেবারে হাতে গোনা কয়েকজন প্রকাশ্যে আপনার প্রশংসা করবে। কয়েকজন অন্যদের সাথে স্রোতে গা ভাসিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সামনাসামনি দেখা হলে বলবে— অভিনন্দন! কয়েকজন কিছুই হয়নি এমন একটা ভাব নিয়ে থাকবে। আর বিশেষ কয়েকজনকে দেখবেন অমুক তমুককে ধরে ধরে বলছে— হিমালয় আর অমন কী! আমি কেবল চেষ্টা করিনি বলে পারিনি। ওর মতো হাদারাম হিমালয় জয় করলো বলেই আমি আর চেষ্টা করব না। আমি এমন কিছু করে দেখাব যেটা বাঘা বাঘা মানুষরাও চেষ্টা করতে সাহস পাবে না।

বলা বাহুল্য, সে যে আসলে কী করে দেখানোর কথা বলছে সেটা সে নিজেও জানে না। সে কেবল জানে তার পরিচিত কেউ কিছু একটা করেছে, সবাই প্রশংসা করছে; কেবল তার পরিচিত বলেই এই প্রশংসা ওই ব্যক্তির প্রাপ্য নয়। প্রশংসা পাবার যোগ্যতা তার নিজের না থাকলেও সমস্যা নেই; কেবল তার পরিচিতরা প্রশংসা না পেলেই হলো।

আহা, হতভাগা কোনদিন এটা ভাববে না যে প্রশংসা করতে পারাটাও একটা গুণ। আর পরিচিতদের প্রশংসা করতে পারাতো রীতিমত পূণ্যের মধ্যে পড়ে। এভাবে বলতে গেলে, প্রশংসা করতে পারার গুণ টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। যা আমাদের মাঝে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির পাশাপাশি নিজেদের আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তুলতেও সাহায্য করে।

--মোঃ ওয়ায়েছ আহমেদ,
প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক,
মনোবিজ্ঞান বিভাগ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

07/12/2021

🏵️কোর্সের নামঃ Psychotherapy
🏵️প্রতিষ্ঠানঃ BSMMU, Shahbag, Dhaka
🏵️ শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ ছবিতে "খ" তে দেয়া আছে।
🏵️মেয়াদঃ ৬ মাস
🏵️ফরম বিতরণ ও গ্রহণঃ ২৭.১১.২০২১-১৫.১২.২০২১
🏵️ফরমের মূল্যঃ ১০০ টাকা।
🏵️ফরম যাচাই বাছাইঃ ১৮.১২.২০২১-১৯.১২.২০২১
🏵️পরীক্ষাঃ ২০ ডিসেম্বর।
🏵️যোগাযোগঃ ব্লক সি, ১০৬ রুম।

তথ্য সূত্রঃ Bondhu: Counselling and Psychosocial Research Centre - BCPRC

30/01/2021

কেউ যদি কষ্টে থাকে, ডিপ্রেশনে থাকে, তাকে কি দেখাবেন?

এই যে ব্যক্তিজীবনে ও ক্যারিয়ারে আপাতদৃষ্টিতে সুখী ও সফল কেউ ডিপ্রেশনের কারণে আত্মহত্যা করলেই বেশিরভাগ লোক বলতে শুরু করে, "ওর তো জীবনে সবকিছু ছিল। এত প্রিভিলেজড ছিল ও। ওর আবার ডিপ্রেশনে ভোগার কী কারণ? এগুলো সবই হলো ধনী লোকের বিলাসিতা।"

এই মানসিকতাই আসলে দিন দিন সমাজের কিছু সংবেদনশীল, স্পর্শকাতর ও অনুভূতিপ্রবণ মানুষকে ডিপ্রেশনের এমন চূড়ান্ত পর্যায়ে ঠেলে দেয় যে, সেখান থেকে আর বের হয়ে আসা সম্ভব হয় না।

বেশিদূর যাওয়ার দরকার নেই। ধরেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো একটা সাবজেক্ট নিয়ে পড়ে, সিজিপিএ ভালো, পড়াশোনার বাইরে আরো দক্ষতাও কিছু আছে, প্রেম-ভালোবাসা সংক্রান্ত কোনো জটিলতাও কিছু নেই, পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থাও খারাপ না; এরকম একটা ছেলে বা মেয়ে যদি ডিপ্রেশনে ভুগতে শুরু করে, কার কাছে গিয়ে বলবে সে?

সে-ও তো কাউকে নিজের মনের কথা বলতে শুরু করলেই সবাই তেড়ে আসবে, "আরে ভাই, তোর আবার কিসের ডিপ্রেশন! তোর এই আছে, সেই আছে। তারচেয়ে তুই আমার দুঃখের কাহিনী শোন। ওইদিন হইছে কী..."

আরেকদল পাবেন খুব বাস্তববাদী এবং একই সাথে মোটিভেশনাল লোকজন। তারা বলবে, "শোন, দেশের ২০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। খেতে পায় না। তুই কি না খেয়ে আছিস? নাই তো? তাইলে আবার তোর কিসের ডিপ্রেশন! জাস্ট চিল!"

আর এর বাইরে কিছু মানুষ থাকবে যারা সরাসরি কিছু বলবে না, কিন্তু আড়ালে আবডালে বলবে, "আরে ওর আবার কিসের ডিপ্রেশন! এসব কিছু না। জাস্ট একটু অ্যাটেনশন সিক করছে।"

তো মোটাদাগে এই হলো তিন ধরনের মানুষ। কেউ ডিপ্রেশনে ভুগছে শুনলে এগুলোই তাদের প্রতিক্রিয়া ও বক্তব্য। এমন একটা মানুষও খুঁজে পাওয়া খুব বিরল, এমনকি নিজের পরিবার, বাবা-মায়ের মধ্যেও, যে বুঝতে পারবে যে আসলেই ওই ছেলে/মেয়েটার কোনো সমস্যা হচ্ছে। সাম্প্রতিক কোনো ঘটনাই হতে হবে এমন না, শৈশবের কোনো স্মৃতি হয়তো তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে, ফলে সে সবসময় ডিপ্রেসড হয়ে থাকছে।

আর এটুকু বোঝার পর যে ওই ছেলে/মেয়েটার কাছে গিয়ে, তাকে কোনো রকম জাজ না করেই বলবে, "বল, তোর কী সমস্যা? আমাকে বলে মন হালকা কর।" তারপর আনডিভাইডেড অ্যাটেনশন দিয়ে, মাঝখানে নিজে একবারও ইন্টারফেয়ার না করে, সব কথা শুনবে।

শোনার পরও নিজে কোনো সমাধান দিতে আসবে না, ডিপ্রেসড ব্যক্তির ডিপ্রেশনটাকে ছোট বা অর্থহীন দেখাতে চাইবে না, শুধু কাঁধে হাত রেখে বলবে, "আমি বুঝতে পারছি তোর কষ্টটা। আর কেউ থাকুক বা না থাকুক, আমি তোর পাশে আছি।"

এটুকুই অনেক সময় যথেষ্ট হতে পারে একজন ডিপ্রেসড ব্যক্তির জন্য। এটুকুই, যে একজন হলেও অন্তত আছে যে তাকে বুঝতে পারে, কিংবা বোঝার চেষ্টা করে। এই সহমর্মিতা, এই এমপ্যাথিটুকু খুবই জরুরি।

কেউ যদি কষ্টে থাকে, ডিপ্রেশনে থাকে, তাকে পারলে এমপ্যাথি দেয়ার চেষ্টা করুন। আর সেটা দেখানোর আগে, নিজে একটু অনুভব করেন। কারো কষ্টের কথা শুনলে নিজেকে দিয়ে তাকে বিচারকে যে এমপ্যাথি বলে না, তার জায়গায় নিজেকে কল্পনা করে কষ্ট অনুভবকে এমপ্যাথি বলে, সেটা বুঝতে শেখেন।

আর একান্তই যদি এগুলো আপনার দ্বারা সম্ভব না হয়, তাহলে স্রেফ চুপ থাকার চেষ্টা করুন। আপনার জাজমেন্টাল কিংবা সিউডো-মোটিভেশনাল মানসিকতা, দুটোর কোনোটাই উপকারী নয় বরঞ্চ অপকারই ঢেকে আনবে।

মোঃ ওয়ায়েছ আহমেদ,
শিক্ষার্থী, মনোবিজ্ঞান বিভাগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

09/01/2021

কেন আমরা রেগে গেলে চিৎকার করি?

[এ নিয়ে এক মজার ও শিক্ষণীয় গল্প রয়েছে]

একদিন এক শিক্ষক তার ছাত্রদের প্রশ্ন করলেন- "তোমরা কি বলতে পারো, আমরা যখন অনেক বেশি রেগে যাই, তখন চিৎকার করি কেন?"

সবাই কিছুক্ষণ চিন্তা করার পর একজন ছাত্র উত্তর দিলো- "কারণ রেগে গেলে আমরা নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাই তাই একটা পর্যায়ে চিৎকার করে ফেলি।"

-"কিন্তু আমরা যার উপর রাগ করি সেই মানুষটি তো আমাদের সামনেই থাকে তবুও কেন আমাদের কে চেঁচিয়ে তার সাথে কথা বলতে হবে? নরম স্বরে, আস্তে কথা বললেও তো সে শুনতে পাবে। তাই না?"

ছাত্ররা অনেক চিন্তা করেও শিক্ষকের এই প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর খুঁজে পেলো না। তখন শিক্ষক ব্যাখা করলেন- "দুটো মানুষ যখন একে অপরের উপর রেগে যায় তখন তারা একে অন্যের অন্তর থেকে দূরে সরে যায়। এই রাগ তাদের অন্তরের মাঝেও দূরত্ব সৃষ্টি করে। সেই দূরত্ব একটু একটু করে যত বাড়তে থাকে ততই তাদের রাগ বা ক্রোধ বেড়ে যায় এবং তখন তাদেরকে আরও চিৎকার করতে হয়, আরও জোরে তর্ক করতে হয়।"

"আবার যদি আমরা ভেবে দেখি, দুজন মানুষ যখন একে অন্যের প্রেমে পড়ে বা ভালোবাসে তখন কী হয়? তখন ভালোবাসার বন্ধনে থাকা মানুষ দুজন একে অন্যের সাথে ধীরে ধীরে নরম স্বরে, আবেগ নিয়ে কথা বলে। কারণ যারা ভালোবাসে তারা একে অন্যের অন্তরের খুব কাছে থাকে। আর যারা অন্তরের কাছে থাকে তাদের কথা শুনতে হলে চিৎকার করার কোন প্রয়োজন পড়ে না। এমনকি শুধুমাত্র ফিস্ ফিস্ করেও তারা তখন কথা বলতে পারে।"

-"যারা আরও বেশি গভীরভাবে একে অন্যকে অনুভব করতে পারে, ভালোবাসতে পারে তখন কী হয় তা কি আমরা জানি?"

-"অদ্ভুত সুন্দর ব্যাপার হলো, তাদের তখন ফিস্ ফিস্ করেও কথা বলতে হয় না। তারা দুজন যখন একে অন্যের চোখের দিকে তাকায় তখনই অন্তরের অনুভূতি, কথা, শব্দমালা সব অনুভব করে ফেলতে পারে। কারণ তখন তাদের অন্তর তাদের কে এক করে ফেলে। তাদের কথা হয় তখন অন্তরে অন্তরে।"

সকলের জীবন বাঁধা পরুক আত্মিক বন্ধনে। আত্মিক শুদ্ধতা মিলুক, আমাদের জীবনে।

(ব্রাজিলের বিখ্যাত এবং বেস্টসেলার লেখক পাওলো কোয়েলহো ঠিক এমন করেই লিখেছেন তার "30 SEC READING: why do we shout in anger?" বইতে)

#ওয়ায়েছ_আহমেদ
মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

16/05/2020

ভয়ের উৎপত্তি কোথায়? আমরা কেন কোনো নির্দিষ্ট কিছু দেখে ভয় পাই?

এ নিয়ে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটসন এবং রেয়নার ১৯২০ সালে একটি পরীক্ষণ চালান, নয় মাস বয়সী অ্যালবার্টের উপর। যা মনোবিজ্ঞানের ইতিহাসে 'Little Albert Experiment' নামে সুপরিচিত।

তাদের উদ্দেশ্য ছিলো মানসিকভাবে স্বাভাবিক একটি শিশুকে কীভাবে নানা ধরনের ফোবিয়া গ্রাস করে তার কারণ অনুসন্ধান করা।

এজন্য তারা স্বাভাবিক অ্যালবার্টের মধ্যে কীভাবে ভয়ের বীজ রোপণ করা যায় তা বের করার চেষ্টা করতে থাকেন। প্রথমে তারা একটি সাদা ইঁদুর শিশুটির সামনে আনেন।

প্রথমে শিশুটির অন্য কোনো প্রানীতে কোনো প্রকার ভয় ছিলো না। তাই সে স্বাভাবিক আচরণ করতে লাগলো। এরপর তারা অ্যালবার্টের পিছনে বসে ধাতব কোনো কিছু দিয়ে শব্দ তৈরি করেন। যার কারণে ছোট্ট অ্যালবার্ট ভয় পয়ে কেঁদে ওঠে।

এরপর তারা বেশ কয়েকবার ধাতব শব্দ এবং একটি নিরীহ সাদা ইঁদুর এই দুইয়ের মিশেলে অ্যালবার্টকে ভয় পাইয়ে দেন। এরপর যে ব্যাপারটি ঘটলো তা মোটামুটি ভয়াবহ।

নিরীহ সাদা ইঁদুরটি এরপর যতবারই অ্যালবার্টের সামনে আসলো, ততবারই সে ভয় পেয়ে কেঁদে উঠলো, যদিও এবার কোনো শব্দ ছিল না। শুধু তাই নয়, সে ইঁদুরের মতো দেখতে যেকোনো কিছুতেই ভীতি প্রদর্শন করতে লাগলো।

তার মধ্যে ছিলো লোমশ কুকুর, সিলের চামড়ার কোট, এমনকি সান্টা ক্লজের লোমশ মুখোশ!

বলা হয়ে থাকে নয় মাস বয়সী অ্যালবার্ট তার মায়ের সাথে যে বিল্ডিংয়ে থাকতো, সেখানেই থাকতেন ওয়াটসন (মনোবিজ্ঞানের আচরণবাদের জনক) । তার মা জানতেন না যে, তার বাচ্চাকে একটি এক্সপেরিমেন্টে গিনিপিগের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে।

যখন তিনি জানতে পারেন, তখন তিনি কাউকে না জানিয়ে অ্যালবার্টকে নিয়ে দূরে কোথাও চলে যান। এটি তিনি করেন এক্সপেরিমেন্ট চলাকালীন সময়ের একেবারে শেষ পর্যায়ে যখন তারা অ্যালবার্টের পশুভীতি দূর করার চেষ্টা করছিলেন।

এরপর অ্যালবার্টের আর কোনো খোঁজ তারা পাননি। ছোট অ্যালবার্ট হয়তো এই ভীতি নিয়েই শেষ পর্যন্ত বেঁচে ছিলো।

পরবর্তীতে ওয়াটসন তার এই গবেষণাটির উপরে বেশ কয়েকটি লেকচার দেন। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ সাধারণত যেসব ফোবিয়াতে আক্রান্ত থাকেন, সেসবের সাথে ঘনিষ্ট যোগসূত্র থাকে তার শৈশবকালে ঘটে যাওয়া কোনো ভীতিকর ঘটনার যার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী।

#ওয়ায়েছ_আহমেদ_আরিফ
#ইন্টার্ন_সাইকোলজিস্ট
#মনোসেবা_বিডি




#ঘরে_থাকুন
#নিরাপদে_থাকুন
#মনোসেবার_সাথে_থাকুন ❤

তথ্যসূত্রঃ

1) onlinepsychologydegree.info/influential-psychological-experiments/

17/04/2020

একটি সদ্যোজাত শিশুর মন কীভাবে কাজ করে? তারা কীভাবে চিন্তা করে?

এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে Robert L. Fantz ১৯৬১ সালে খুবই সহজ কিন্তু যুগান্তকারী একটি পরীক্ষা করেন সদ্যোজাত শিশুদের নিয়ে।

তিনি একটি বোর্ডে ৪টি ছবি সংযুক্ত করেন। যেগুলো এক-একটি প্যাটার্ন নির্দেশ করে। সেগুলো ছিলো Bulls-Eye(শুটিং এর জন্য ব্যবহৃত টার্গেট), প্রিন্ট করা সাদা-কালো কিছু লেখা, একটি প্যাটার্ন যেটি দেখতে দুটি চোখের মতো এবং মানুষের মুখাবয়বের একটি স্কেচ।

তারপর তিনি এগুলোকে সিলিংয়ের সাথে ঝুলিয়ে দেন যাতে নিচে শুয়ে থাকা শিশুটি সহজেই এই ছবিগুলো দেখতে পারে।

এরপর তিনি লক্ষ্য করতে লাগলেন কোন ছবিটি শিশুটিকে বেশি আকৃষ্ট করে। তিনি ধরে নিয়েছিলেন যে ছবিগুলো শিশুরা সাধারণত কম দেখে সেগুলোই তাদের আকৃষ্ট করবে সবচেয়ে বেশি। যেমন- Bulls-Eye।

কিন্তু বিস্ময় নিয়ে তিনি লক্ষ্য করলেন, শিশুটি অন্য সব ছবিগুলো থেকে মানুষের স্কেচটির দিকে অনেক বেশিক্ষণ ধরে তাকিয়ে আছে। যাদের সে সবসময়ই দেখে।

পরবর্তীতে তিনি বলেন যে, শিশুরা মানুষের অবয়ব বুঝতে পারার ক্ষমতা নিয়েই জন্মায়। যারা তার দেখাশোনা করবে; সেই মানুষের মতো দেখতে কোনো কিছুতেই তারা সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখাবে।

একটি মানবশিশু যেখান থেকে যেভাবে চিন্তা করে সেখান থেকেই হয়তো সব রহস্যের শুরু। পরিণত বয়সের মানুষের চিন্তা-ভাবনা এত সরল নয়, আমরা সব সময় যৌক্তিক কাজগুলো করি না।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষ এমন সব সিদ্ধান্ত নেয় যেগুলো মনে হতে পারে অকল্পনীয়। এই মনোবৈজ্ঞানিক পরীক্ষাগুলো আমাদেরকে নিজেদের নিয়েই নতুন করে ভাবতে শেখায়।

#ওয়ায়েছ_আহমেদ_আরিফ
জুনিয়র_সাইকোলজিস্ট
মনোসেবা

তথ্যসূত্রঃ

1. onlinepsychologydegree.info
2. en.wikipedia.org
3. apa.org

গার্মেন্টসে চাকরি খোঁজা সেই শান্তনার পাশে ঢাবি ছাত্রলীগ 22/10/2019

বাবা অসুস্থ। ছোট ভায়ের পড়াশোনার খরচ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির খরচ। এসব নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিলেন শান্তনা রানী সরকার।

তবে এই শান্তনা এক অদম্য মেধাবীর নাম। ছোটবেলা থেকে দারিদ্রতা আর অভাবের সঙ্গে লড়ছেন। থেমে যাননি কখনোই। এসএসসি পরীক্ষার আগে কৃষক বাবা সজল সরকার প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। তখন শান্তনার চোখে ঘোর অন্ধকার নেমে আসে।

গার্মেন্টসে চাকরি খোঁজা সেই শান্তনার পাশে ঢাবি ছাত্রলীগ বাবা অসুস্থ। ছোট ভায়ের পড়াশোনার খরচ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির খরচ। এসব নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছ...

ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে রোহিঙ্গারা | বাংলাদেশ প্রতিদিন 20/06/2019

দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রাখা, এখন সময়ের দাবি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারপাশ খোলা থাকায় প্রায় প্রতিদিনই পালাচ্ছে তারা। সারা দেশে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা এভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। মাদক ও অস্ত্রসহ মানব পাচারের মত ভয়ংকর কাজেও তারা জড়িত। স্থানীয় পুলিশ ও অন্যান্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বর্তমানে যে অবস্থায় রোহিঙ্গাদের রাখা হয়েছে, তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের মধ্যে হানাহানি, সংঘর্ষ, খুন, গুম বেড়েই চলছে। রোহিঙ্গারা খুবই বেপরোয়া ও হিংস্র। বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রাখা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করুন...

ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে রোহিঙ্গারা | বাংলাদেশ প্রতিদিন গত শুক্রবারের ঘটনা। টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের। তুমুল বন্দুকযুদ্ধে তিন মাদক পাচারকার....

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Department Of Psychology, University Of Dhaka
Dhaka
1100