আমাদের মূল উদ্দেশ্য স্বেচ্ছায় রক্তদাতা এবং রক্তগ্রহীতার মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া। আমরা রক্ত দানের বিণিময়ে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন করি না। কেউ আর্থিক লেনদেন করতে চাইলে তার রক্ত নিবেন না , অবশ্যই আমাদের কে জানাবেন।
কারো রক্তের প্রয়োজন হলে:
-প্রয়োজনীয় রক্তের গ্রুপ, হসপিটালের নাম, বেড নম্বর, যে জন্য রক্ত দরকার, রোগীর লোকেশন, যোগাযোগ নাম্বার এবং সময়/তারিখ সঠিক ভাবে আমাদের ইনবক্সে জানাবেন অথ
বা ফোন করে জানান।
আর যারা স্বেচ্ছায় রক্ত দান করতে চান তারা পোস্টে দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করে দিতে পারবেন। চাইলে রক্তের গ্রুপ, লোকেশন এবং যোগাযোগের নাম্বার আমাদের পেইজ ইনবক্স অথবা ওয়ালেও জানাতে পারেন।
রক্ত দিতে না পারলে অনুগ্রহ করে পোস্ট গুলো শেয়ার করবেন। কারণ আপনার পক্ষে রক্ত দেওয়া সম্ভব না হলেও অন্য কেউ হয়তে পোস্টটি দেখে রক্ত দিতে এগিয়ে আসবে। এছাড়াও নিয়মিত পোস্টে লাইক/কমেন্ট করে সঙ্গে থাকবেন। কারণ পোস্টগুলো আপনারা দেখতে না পেলে প্রয়োজনীয় রক্ত জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে যাবে।
রক্ত-দান নিয়ে ৫ টি প্রশ্ন ও উত্তরঃ-
**কেন রক্তদান করবেনঃ-
১। প্রথম এবং প্রধান কারণ, আপনার দানকৃত রক্ত একজন মানুষের জীবন বাঁচাবে। রক্তদানের জন্য এর থেকে বড় কারণ আর কি হতে পারে !
২। হয়তো একদিন আপনার নিজের প্রয়োজনে/বিপদে অন্য কেউ এগিয়ে আসবে।
৩। নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে বলে হৃদপিন্ড বিশেজ্ঞরা মনে করেন।
৪। স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন আপনার শরীর রক্ত প্রবাহিত মারাত্মক রোগ যেমন-হেপাটাইটিস-বি, এইডস, সিফিলিস, জন্ডিস ইত্যাদির জীবাণু বহন করছে কিনা।
৫। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক গুন বেড়ে যায়।
৬। নিজের মাঝে এক ধরনের আত্মতৃপ্তি উপলব্ধি করতে পারবেন। "আমাদের ছোট পরিসরের এই জীবনে কিছু একটা করলাম" এই অনুভুতি আপনার মনে জাগ্রত হবে এই ব্যাপারে নিশ্চিত করছি।
** কাদের রক্তের প্রয়োজন হয় -
২. দগ্ধতা - আগুন পুড়া বা এসিডে ঝলসানো রোগীর জন্য পাজমা/রক্তরস প্রয়োজন। এজন্য ৩-৪ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।
৩. অ্যানিমিয়া - রক্তে R.B.C. এর পরিমাণ কমে গেলে রক্তে পযার্প্ত পরিমাণ হিমোগ্লোবিনের অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হয়। হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়াতে R.B.C. এর ভাঙ্গন ঘটে ফলে রক্তের প্রয়োজন হয়।
৪. থ্যালাসেমিয়া - এক ধরনের হিমোগ্লোবিনের অভাবজনিত বংশগত রোগ। রোগীকে প্রতিমাসে/সপ্তাহে ১-২ ব্যাগ রক্ত দিতে হয়।
৫. হৃদরোগ - ভয়াবহ Heart Surgery এবং Bypass Surgery এর জন্য প্রায়৬-১০ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।
৬. হিমোফিলিয়া - এক ধরনের বংশগত রোগ। রক্তক্ষরণ হয় যা সহজে বন্ধ হয় না, তাই রোগীকে রক্ত জমাট বাধার উপাদান সমৃদ্ধ Platelete দেয়া হয়।
৭. প্রসবকালীন রক্তক্ষরণ - সাধারণত প্রয়োজন হয় না তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে ১-২ বা ততোধিক ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়।
• শারীরিক এবং মানসিক ভাবে সুস্থ নিরোগ ব্যক্তি রক্ত দিতে পারবেন
• রক্ত দাতার বয়স ১৭ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে
• শারীরিক ওজন মেয়েদের ক্ষেত্রেঃ ৪৫ কেজি এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ৪৭ কেজি, বা এর বেশি হতে হবে। উচ্চতা অনযায়ী ওজন ঠিক আছে কিনা অর্থ্যাৎ বডি মাস ইনডেক্স ঠিক আছে কিনা দেখে নিতে হবে।
• রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ, ব্লাড প্রেসার এবং শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে হবে।
• শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগ এ্যাজমা, হাপানি যাদের আছে তারা রক্ত দিতে পারবেন না।
• মহিলাদের ক্ষেত্রে ৪ মাস অন্তর-অন্তর, পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩ মাস অন্তর অন্তর রক্ত-দান করা যায়।
• রক্তবাহিত জটিল রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, সিফিলিস , গনোরিয়া, হেপাটাইটিস , এইডস, চর্মরোগ , হৃদরোগ , ডায়াবেটিস , টাইফয়েড এবং বাতজ্বর না থাকলে।
• মহিলাদের মধ্যে যারা গর্ভবতী নন এবং যাদের মাসিক চলছে না।
• কোন বিশেষ ধরনের ঔষধ ব্যবহার না করলে। যেমন- এ্যান্টিবায়োটিক।
• তিন মাসের মধ্যে যিনি কোথাও রক্ত দেননি।
কিভাবে রক্ত-দান করতে হয়ঃ-
রক্ত-দান করার জন্য ইচ্ছা শক্তি-ই যথেষ্ট। তবুও কিছু নিয়ম মানা উচিত।
১. আপনারা স্বেচ্ছায় রক্ত-দান করবেন, বিনিময়ে কোন টাকা নিবেননা। কারণ বিনিময়ে কোন টাকা চাওয়া হারাম।
২. রক্ত-দানের পূর্বে অবশ্যই রোগি দেখবেন এবং ডাক্তারের রিকোজিশান ফরম ছাড়া রক্ত-দান করবেন-না।
৩. রক্ত-দান করতে গেলে, কোন বন্ধুকে আপনার সাথে নিয়ে যাবেন। অর্থাৎ একা না যাবেন না।
৪. রক্তদানের উপযোগিতা যাচাই করার জন্য কতকগুলো পরীক্ষা করা জরুরি। যেমনঃ- হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, এইচআইভি (হিউমেন ইমিউনোডিফিসিয়েন্সি ভাইরাস) বা এইডস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। আপনি রক্ত-দান/রক্ত-গ্রহণের পূর্বে এই পরিক্ষাগুলোর রিপোর্ট অবশ্যই দেখবেন।
৫. রক্তদানের আগে প্রতিটি রক্তদাতাকে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কিছু ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জিজ্ঞাসা করা হয়। সেগুলোর সঠিক উত্তর দিতে হবে। রক্তদাতার শারীরিক তাপমাত্রা, রক্তচাপ, নাড়ীর গতি পরীক্ষা করা হয় এবং রক্তদাতার রক্ত জীবানুমুক্ত কি না তা জানার জন্য সামান্য রক্ত নেয়া হয়। এছাড়া এই রক্তের মাধ্যমে রোগী রক্তদাতার রক্তের মধ্যে কোন জমাটবদ্ধতা সুষ্টি হয় কি না তাও পরীক্ষা করা হয় (ক্রসম্যাচিং)। এতে সময় লাগে প্রায় ৪০ মিনিট। রক্ত পরীক্ষার পর কারও রক্তে এইডস, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস -সি, সিফিলিস বা অন্য কোন জীবানুর উপস্থিতি ধরা পরলে তাকে (রক্তদাতা) প্রয়োজেনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দেয়া হয়।সূঁচের অনুভূতি পাওয়ার মাধ্যমে রক্তদান প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে সময় লাগে সবোর্চ্চ ১০ মিনিট। সব মিলিয়ে ১ ঘন্টার মধ্যে রক্ত-দান করে আসতে পারবেন।
রক্তদানের উপকারিতাঃ-
১. রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কারণ রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শরীরের মধ্যে অবস্থিত ‘বোন ম্যারো’ নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়। রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকা জন্ম হয়ে এই ঘাটতি পূরণ করে। আর বছরে ৩-৪ বার রক্তদানকারীর শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে দেয়।
২. রক্তদানের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখার স্পৃহা জন্মে।
৩. নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে বিনা খরচে জানা যায় নিজের শরীরে বড় কোনো রোগ আছে কিনা। যেমন : হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) ইত্যাদি।
৪.সম্প্রতি ইংল্যান্ডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানকারী জটিল বা দুরারোগ্য রোগ-ব্যাধি থেকে প্রায়ই মুক্ত থাকেন।
৫. নিয়মিত রক্তদানকারীর হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম ।
৬. মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান করে আপনি পাচ্ছেন মানসিক তৃপ্তি। কারণ, এত বড় দান যা আর কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
৭. রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে আছে, ‘একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।’
রক্তের প্রয়োজন যাদের:-
সাধারনত একজন সুস্থ ব্যাক্তি চার মাস অন্তর অন্তর রক্তদান করতে পারেন। এবার দেখে নেয়া যাক রক্তদানের যোগ্যতাসমূহ-
1. বয়স – ১৮-৫৭ বছর।
2. ওজন - ১০০ পাউন্ড বা ৪৭ কেজির উর্ধ্বে।
3. তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ( অনুচক্রিকা , রক্তরস ) ওজন ৫৫ কেজি বা তার উর্ধ্বে। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে।
4. রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ৭৫% বা তার উর্ধ্বে থাকলে। সম্প্রতি ( ৬-মাস ) কোন দূঘর্টনা বা বড় ধরনের অপারেশন না হলে।
5. রক্তবাহিত জটিল রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, সিফিলিস , গনোরিয়া, হেপাটাইটিস , এইডস, চর্মরোগ , হৃদরোগ , ডায়াবেটিস , টাইফয়েড এবং বাতজ্বর না থাকলে।
6. কোন বিশেষ ধরনের ঔষধ ব্যবহার না করলে।
7. চার মাসের মধ্যে যিনি কোথাও রক্ত দেননি।
8. মহিলাদের মধ্যে যারা গর্ভবতী নন এবং যাদের মাসিক চলছে না।
রক্তদান ও রক্ত দানের পরঃ-
রক্তদানের আগে প্রতিটি রক্তদাতাকে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কিছু ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জিজ্ঞাসা করা হয়। সেগুলোর সঠিক উত্তর দিতে হবে। রক্তদাতার শারীরিক তাপমাত্রা, রক্তচাপ, নাড়ীর গতি পরীক্ষা করা হয় এবং রক্তদাতার রক্ত জীবানুমুক্ত কি না তা জানার জন্য সামান্য রক্ত নেয়া হয়। এছাড়া এই রক্তের মাধ্যমে রোগী রক্তদাতার রক্তের মধ্যে কোন জমাটবদ্ধতা সুষ্টি হয় কি না তাও পরীক্ষা করা হয় (ক্রসম্যাচিং)। রক্ত পরীক্ষার পর কারও রক্তে এইডস, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস -সি, সিফিলিস বা অন্য কোন জীবানুর উপস্থিতি ধরা পরলে তাকে (রক্তদাতা) প্রয়োজেনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দেয়া হয়।সূঁচের অনুভূতি পাওয়ার মাধ্যমে রক্তদান প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে সময় লাগে সবোর্চ্চ ১০ মিনিট। রক্তদানের পূর্বে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে- যথেষ্ট বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা।রক্তদাতা প্রয়োজন মনে করলে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে।রক্তদানের সময় মাথা- শরীর সমান্তরাল থাকতে হবে। দূর হতে রক্ত দিতে এলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে। রক্ত দান করার পরে অবশ্যই নুন্যতম ৫ মিনিট শুয়ে থাকতে হবে। [রক্তের প্রবাহ সমগ্র শরীরে স্বাভাবিক হবার জন্য এটা অতীব জরুরী]। সাধারণত রক্তদান করার পর অতিরিক্ত দামী খাবার গ্রহনের প্রয়োজন নেই। তবে রক্তদানের পর সপ্তাহ খানেক স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি অন্যান্য সময়ের দ্বি-গুণ পানি পান করতে হবে। কেননা একজন রক্তদাতা যেটুকু রক্ত দান করেন [সাধারণত ১ পাউন্ড] তার প্রায় ৬০ ভাগ ঐ সময়ের মধ্যে পূরণ হয়। শুধু লোহিত রক্ত কণিকা পূরণ হতে ১২০ দিন বা ৪ মাস সময় নেয়। রক্তদানের পর অবশ্যই তারিখ মনে রাখতে হবে।
বেশিরভাগ রক্ত দাতাই রক্তদানের পর কোন সমস্যা অনুভব করেন না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রক্তদাতা তলপেটে ব্যাথা, দূবর্লতা, মাথা ঘোরা, সূঁচ প্রবেশের স্থানে ক্ষত লালচে দাগ এবং ব্যাথা অনুভব করতে পারেন। সামান্য কিছু ক্ষেত্রে রক্তদাতা জ্ঞান হারাতে পারে বা মাংসপেশীতে খিচুনি ধরতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব সমস্যা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ঠিক হয়ে যায়, কোন ঔষধের প্রয়োজন হয়না।
রক্তদানের সুবিধা:
1. প্রতি ৪ মাস অন্তর রক্ত দিলে দেহে নতুন BLOOD CELL সৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।
2. দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুন বেড়ে যায়।
3. নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে বলে হৃদপিন্ড বিশেজ্ঞরা মনে করেন।
6. রক্তদানের মাধ্যমে একটি জীবন বাঁচানো পৃথিবীর সবোর্চ্চ সেবার অর্ন্তভুক্ত।
22/04/2026
খুব জরুরী!!
রক্ত দিতে না পারলেও পোস্ট শেয়ার করুন যেন অন্য কেউ এগিয়ে আসে।
কিডনী ডায়ালাইসিসের জন্য আগামীকাল (23.04.2026) সকাল ৮ টার মধ্যে এক ব্যাগ ও পজেটিভ রক্ত লাগবে।
স্থান: ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল, হাউজ বিল্ডিং, উত্তরা, ঢাকা
যোগাযোগ: 01674039027
20/04/2026
আমাদের একসময়ের সহ-যোদ্ধা এবং নিয়মিত রক্তদাতা শাহরিয়ার তানভীর রিফাত বেশ কয়েকমাস আগে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।
আগামীকাল ওর ক্যান্সার আক্রান্ত অংশের একটা অপারেশন হবে। ওর জন্য আজ (২০.০৪.২৬) রাতের মধ্যে অথবা আগামীকাল (২১.০৪.২৬) সকালের মধ্যে ২ ব্যাগ দুর্লভ ও নেগেটিভ রক্ত লাগবে।
স্থান: গ্রীন লাইফ হসপিটাল, গ্রীন রোড, ঢাকা।
যোগাযোগ: 01674039027
নিজে দিতে না পারলেও শেয়ার করুন যেন অন্য কেউ এগিয়ে আসে।
25/02/2026
১৭ মাস বয়সী একটি বাচ্চার জন্য আজ রাতের মধ্যে ১০০ এমএল [O+ve] ও পজেটিভ রক্ত লাগবে।
স্থান: শিশু হসপিটাল, শ্যামলী, ঢাকা
📞 +880 18 5294 8755, 01674039027
24/02/2026
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত একটি বাচ্চার জন্য ব্যাগ বি পজেটিভ রক্ত লাগবে। আগ্রহী রক্তদাতারা দ্রুত সাড়া দিন।
স্থান: ট্রমা সেন্টার, শ্যামলী, ঢাকা
📞 01674039027
31/01/2026
খুব জরুরী!!
হার্ট অ্যাটাক হওয়া একজন রোগীর জন্য আজ যত দ্রুত সম্ভব এক ব্যাগ ও পজেটিভ রক্ত লাগবে। দিতে না পারলেও শেয়ার করুন যেন অন্য কেউ এগিয়ে আসে।
স্থান: ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল, শাহবাগ, ঢাকা
যোগাযোগ: 01674039027, 01733734776
22/01/2026
অপারেশনের রোগীর জন্য আজ সন্ধ্যার মধ্যে দুই ব্যাগ ও পজেটিভ রক্ত লাগবে।
স্থান: সিরাজ খালেদা মেমরিয়াল হসপিটাল, ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা
যোগাযোগ: 01674039027
03/01/2026
খুব জরুরী!!
একজন প্রসূতি মায়ের জন্য ২৫ ব্যাগ ও পজেটিভ রক্ত লাগবে। বাচ্চা মা*রা গিয়েছে, মা লাইফ সাপোর্টে আছে।
রক্ত দিতে না পারলেও শেয়ার করুন যেন অন্য কেউ এগিয়ে আসে।
স্থান: বিআরবি হসপিটাল, পান্থপথ, ঢাকা
যোগাযোগ: 01674039027
31/12/2025
নতুন বছরের প্রথম সকাল
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
❤️❤️
30/12/2025
একজন বাবার পায়ের অপারেশনের জন্য আজ (30.12.2025) বিকাল ৫ টার মধ্যে এক ব্যাগ বি পজেটিভ রক্ত লাগবে।
স্থান: মনোয়ারা হসপিটাল, বেইলী রোড, ঢাকা
দিতে না পারলেও শেয়ার করুন যেন অন্য কেউ এগিয়ে আসে।।
যোগাযোগ: 01674039027
29/12/2025
সবার কাছে বিনীত অনুরোধ।
রক্ত দিতে যাওয়ার কথা বলে কেউ টাকা পাঠাতে বললে তাদেরকে টাকা পাঠাবেন না।
তারা প্রতারক চক্রের সদস্য।
26/12/2025
সারাদেশে প্রচুর কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, সবাই রাতের বেলা দূরে যাওয়ার ট্রিপ থাকলে বাতিল করুন।
একদমই রাস্তা দেখা যাচ্ছে না পরিস্থিতি যেমন, ভয়াবহ সংঘর্ষ হতে পারে হাইওয়ে গুলোতে।
ইতিমধ্যেই সারাদেশে নৌ পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।