বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ এর শিক্ষা কমিশন আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং এগারো দফা আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্বাধীকার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধের উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগ মুজিব বাহিনী গঠন করে, তবে যুদ্ধে অংশগ্রহনের পূর্বেই বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে।
বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক
ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলা এবং বাঙ্গালীর ছয় দশকের সংগ্রাম স্ট্বপম্ন এবং সাহসের সারথী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশের ইতিহাস আর ঐতিহ্যের গর্বিত অংশিদার এই ছাত্র সংগঠনটি। জাতির ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে ছাত্রলীগের প্রত্যক্ষ ভূমিকা। বাঙ্গালী জাতি হিসেবে জন্ম গ্রহনের আতুর ঘর থেকে শুরু করে আজ অবধি স্ট্বাধীনতা, সংগ্রাম আর শিক্ষার নিশ্চয়তার ছাত্রসমাজের তথা দেশবাসীর জন্য অতন্প প্রহরী ছাত্রলীগ।
বৃটিশ উপনিবেশ থেকে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাজনের সময় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কলকাতা ইসলামীয়া কলেজের ছাত্র। তিনি ছিলেন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক। বৃটিশ উপনিবেশ থেকে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ বিভাজনের পর বাঙ্গালীরা নতুন ভাবে শোষনের যাতাকলে পড়ে। যাকে শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন ''এক শকুনির হাত থেকে অন্য শকুনির হাত বদল মাত্র ''। তাই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্থানের সরকার প্রথমে আঘাত হানে আমাদের মায়ের ভাষা বাংলার উপর। শেখ মুজিব তখনই অনুভব করলেন শোষনের কালো দাঁত ভাঙ্গার একমাত্র হাতিয়ার ছাত্র সমাজ। তাই তৎকালিন পাকিস্টস্নান সরকার কতৃক চাপিয়ে দেওয়া উর্দূ ভাষার বিরুদ্ধে ইস্পাত কঠিন প্রতিরোধ তৈরির জন্য ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালিন প্রজ্ঞা ও দূরদর্শীতা সম্পম্ন ছাত্র নেতা বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবল্পব্দু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন 'পাকিস্থান ছাত্রলীগ'।বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ওই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগের যাত্রা শুরু। প্রথমে এর নাম ছিলো 'পাকিস্থান ছাত্রলীগ'। সংগঠনটির প্রথম আহবায়ক ছিলেন নাঈমউদ্দিন আহমেদ। ছাত্রলীগ সাংগঠনিক ভাবে কার্যত্রক্রম শুরু করলে এর সভাপতি মনোনিত হন দবিরুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক মনোনিত হন খালেক নেওয়াজ খান। ৬৪ বছর পর আজ এই বৃহৎ,ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠনটির তিন তারকা খচিত শিৰা শানস্নি ও প্রগতির গৌরবের পতাকা সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক সিদ্দীকি নাযমুল আলমের হাতে।
সভাপতি -এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ
সহ-সভাপতিরা হলেন-মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ,
জয়দেব নন্দী,
আজিজুল হক খান,
আলী আশরাফ,
শাহরিয়ার আলম মুন্না,
উত্তম দাস,
চন্দ্র শেখর হালদার মিল্টন,
রিয়াজউদ্দিন চৌধুরী সুমন,
শাহীন আহমেদ,
আবু হানিফ,
মেজবাহউদ্দিন,
মহিউদ্দিন,
হেদায়েতউল্লাহ সরকার,
মহিউদ্দিন মাহী,
শাহীনুর রশীদ সোহেল,
চঞ্চল কর্মকার,
সুলতান নাসরিন রুমি,
ফয়েজ উদ্দিন হাসান,
ওয়াসিম উদ্দিন জুয়েল,
সাঈদ মাহমুদ,
নাজমুল হুদা চঞ্চল,
সাজ্জাদ রায়হান,
মাহফুজুল আলম রিজভী,
মাহমুদুল হাসান মারুফ,
ইমরান সিরাজ সম্রাট,
জিয়াউল হক জিয়া,
মহসীন কবির রিয়েল,
মিজানুর রহমান মিজান,
মোখলেছুর রহমান সুমন,
মেহেদি হাসান মিজান,
রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ,
সাইফুদ্দিন,
জাহাঙ্গীর হোসেন,
নাইম হাসান,
রেজওয়ানুল হক শুভ্র,
মোর্শেদুল আলম চৌধুরী,
রফিকুল ইসলাম শাওন,
শাহ এমরান সোহাগ,
মাসুদ হাসান তুর্ন এবং
রেজাউল করিম রাসেল।
সাধারণ সম্পাদক- সিদ্দীকি নাজমুল আলম।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : শামছুল কবির রাহাত,
এহতেসামুল হক রুমি,
মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক,
সাদীদ জাহান সৈকত,
মামুনুর রশীদ,
আনোয়ার হোসেন,
হাসানুজ্জামান তারেক
আব্দুর রহমান জীবন
নবিরুজ্জামান বাবু এবং
শারমীন সুলতানা লিলী।
সাংগঠনিক সম্পাদক : তরিকুল ইসলাম,
আনোয়ার হোসেন আনু,
শওকাতুল ইসলাম,
নাজমুল হক তমাল,
আহসানুল্লাহ রাসেল,
মশিউর রহমান রুবেল,
শিহাবুজ্জামান,
মাহমুদুল আলম টিটু,
আল মাহমুদ তারেক,
আফরীন নুসরাত।
স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক: হাসান উল হক বান্না;
উপ স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক: নূরুন্নবী সোহাগ,
নজরুল ইসলাম শান্ত,
আল আমিন,
তাহের,
আবু জাহিদ রিপন,
লাবীব;
বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক: ফিরোজ মাহমুদ নাঈম;
উপ বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক: জহিরুল ইসলাম (এফ.এইচ. হল),
ইসমাঈল হোসেন সুমন (একুশে হল),
মোস্তাকিন মোর্শেদ লিমন;
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: এএসএম সায়েম;
উপ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: আবু তৈয়ব,
গৌতম দাস, রানু,
নিউটন দাস,
নিকি রোয়াজা,
পেরুরা (জগন্নাথ হল);
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: নূরে আলম;
উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আহসানুজ্জামান সৌরভ,
গাফফার (জবি)
বক্তগোপাল রাজবংশী পিন্টু;
স্বাস্থ্য ও চিকিত্সা বিষয়ক সম্পাদক: আতাউল করিম আরবী;
উপ স্বাস্থ্য ও চিকিত্সা বিষয়ক সম্পাদক: ডাঃ উজ্জল,
ডাঃ চয়ন;
সাহিত্য সম্পাদক: শাফায়েত;
উপ-সাহিত্য সম্পাদক: সুমাইয়া সুলতানা টুপুন,
তরিকুল ইসলাম বাবু,
শহিদ উল্লাহ মামুন;
নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক:শাহাদাত হোসেন রাজন;
উপ-নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক: এটিএম সায়েম লিয়ন,
বাবর,
আমজাদ হোসেন সবুজ;
তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক: মারুফ;
উপ-তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক: রনক,
জয়দেব দাস;
উপ-মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক:লোকমান হোসেন পলাশ;
গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক:ওয়াহিদুজ্জামান জয়;
উপ-গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক: সাহাবুদ্দিন চঞ্চল,
দেবু কুমার ভট্টাচার্য,
সুমন তালুকদার;
কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক: রাহুল পাটোয়ারী;
উপ-কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক: উজ্জল সরকার,
এজাজ আহম্মেদ সোহাগ,
সেলিম;
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসাবে গড়ে তুলবেন। তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দেয়নি ঘাতকরা। বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটি রোল মডেল হিসাবে গড়ে তুলেছেন।
#শেখহাসিনা #বাংলাদেশ #রোলমডেল #উন্নয়ন #বঙ্গবন্ধু
25/11/2022
24/07/2022
বাস্তব উপস্থাপনা
১। কর্মীকে দিয়ে পোষ্টার লাগান
২। কর্মীকে দিয়ে ব্যানার লাগান
৩। কর্মীকে দিয়ে রাজপথে মিছিল করান
৪। কর্মীকে দিয়ে হরতাল করান
৫। কর্মীকে দিয়ে বিরোধী দল দমান
৬। কর্মীকে দিয়ে লিফলেট বিতরণ করান
৭। কর্মীকে নির্বাচনে নির্ঘুম প্রচরণার হুকুম দেন
৮। কর্মীকে নির্বাচনী কেন্দ্র পাহাড়ার দায়িত্ব দেন
৯ ৷ কর্মীকে দিয়ে নেতা হন
১০। কর্মীকে দিয়ে নিজে ক্ষমতার চেয়ারে বসেন
ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি এসব কাজ করলে
কর্মীরা ১০০% ভালো।
কিন্তুু
১।কর্মীকে দিয়ে শীত বস্ত্র বিতরণ করাতে লজ্জা লাগে ?
২।কর্মীকে দিয়ে চাউল বিতরণ করতে বিবেকে বাধা দেয় ?
৩।কর্মীকে দিয়ে ব্যবসা করাতে সংকোচ লাগে ?
৪।কর্মীকে দিয়ে ভালো কোনো কাজ করালে নিজের সম্মান কমবে সেটা অনুভব করেন ?
৫।কর্মীকে দাওয়াত দিতে ঘৃণা লাগে কারণ আধুনিক পোষাক নেই বলে ?
৬।কর্মীকে ২ লাখ টাকা হাওলাদ দিতে পিছুটান কারণ কর্মীতো সৎ, সে সৎকাজ করে এত টাকা দিতে পারবেনা, তাই না ?
৭।কর্মীদের গায়ে থেকে দুর্গন্ধ আসে কারন রাজপথের ঘাম লেগে থাকে।
৮।কর্মীরা ঘন্টার পর ঘন্টা লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকে নেতাদের কাছে কোনো সুপারিশের জন্য কিন্তু চাটুকারেরা আগে।
৯।কর্মীরা নিজের মা-বাবা কে ঠিকমত চালাতে পারেনা কিন্তু নেতারা শুধু নিজে না শশুর বাড়ি না, পড়শি ,আত্নীয় স্বজনদেরও আরামে চালিয়ে নিয়ে যায়।
১০।কর্মীরা সরে গেলে/ স্বার্থের কারণে সরিয়ে দিলে/ মরে গেলেও লাশ নিয়ে হয় রাজনীতি নেতারা বলে চিনিনা, আমার লোক না, খারাপ লোক ছিল ইত্যাদি ইত্যাদি ।
★তবে কর্মীরা সবসময় নেতাদের সম্মান করে যার যোগ্য সব নেতা নয়।
★ বড় বড় নেতারা লাঞ্চিত হয়েছে জনসম্মুকে ইতিহাস সাক্ষী কিন্তু কর্মীরা হয় না।
★কর্মীদের বুক ফাটে কিন্তু মুখ ফোটেনা।
★কর্মীরা বেঈমান নয় বেঈমান হয় নেতারা।
★কর্মীরা সারাদিন রাজনীতি করে বাড়িতে ফিরে মা বাবার বকুনি খায় কিন্তু নেতারা খায় পোলাও কোর্মা।
★কর্মীরা নেতার জন্য ঝুকি নেয় কিন্তুু নেতারা সেটা দুর্বল মনে করে।
★কর্মীরা একটা ভুল করলে অনুতপ্ত হয় নেতাদের হাজার ভুল হয় পদদলিত।
★কর্মীরা শুধু নেতা নয়, দলকে বাঁচিয়ে রাখে।
অতএব...
যেমন কর্ম তেমন ফল,
মাদার গাছে আঙ্গুর ফল ধরেনা
জামাত বিএনপি থেকে অাসা লোকজন কখনো আওয়ামী লীগ হয় না।
রাজাকার কখনো মুক্তিযোদ্ধা হয় না।
সুতরাং...
পানি ছাড়া মাছ বাঁচে না
শিকড় ছাড়া গাছ বাঁচে না
কর্মী ছাড়া দল বাঁচে না
দল ছাড়া নেতা বাঁচবে না।
তাহলে সবশেষে বুঝা যায় কর্মীরাই বড়। কর্মীদের মুল্যায়ন করতে শিখুন।
19/04/2022
08/04/2022
It's a for & that is base+ care system/home tutor for . provide. We are also online best from the good point.there are some good .