আমাদের দল - Amader Dol

আমাদের দল - Amader Dol

Share

আমরা ক্ষমতা নয় দায়িত্বে বিশ্বাসী
We Believe in Transparent Government

আমরা সাধারণ জনগণ,সাধারণ জনগনের কথাই বলতে চাই।
দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই।
হিংসা বিদ্বেস নয়, উন্নয়ন চাই।
অধিকার নিশ্চিত করতে চাই।
পিছিয়ে নয়,বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চাই।

16/12/2025

১৬-ই ডিসেম্বর ২০২৫ ইং

26/05/2025

রাষ্ট্র সংস্কারের ভার ইউনুস সাহেবের, কিন্তু রাজনৈতিক সংস্কারের দায়িত্ব কার?

বর্তমান বাংলাদেশে একটি অস্থায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউনুস সাহেব। তাঁর ওপর দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে রাষ্ট্রযন্ত্র চালু রাখা এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার চিহ্নিত ও আরম্ভ করার। একটি রুগ্ন ও দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার শিকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে সচল রাখা, এবং নতুন এক কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করা, এই দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করেছেন এক সংকটপূর্ণ সময়ে।

তাঁর কাজ কোনো রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়ন নয়, বরং রাষ্ট্রকে তার মৌলিক কার্যক্রমে সচল রাখা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার শুরু করা। তিনি সেই কাজই করছেন, কাজের স্বচ্ছতা এবং দৃষ্টান্ত স্থাপনেও চেষ্টা করছেন।

রাষ্ট্র তো কোনো যান্ত্রিক বস্তুর মতো নয়, যে কখনো থেমে থাকবে আবার কখনো চলবে। রাষ্ট্র প্রতিদিনের জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষের খাওয়া, চলাফেরা, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ হাজারো প্রাত্যহিক প্রয়োজন রাষ্ট্রের কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল। এই কাঠামো সচল না থাকলে, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা দলীয় স্বপ্ন কেবল মুখরোচক বুলি হয়ে দাঁড়ায়।

আমাদের প্রত্যাশা ছিল যতদিন না পর্যন্ত রাজনৈতিক সংস্কার সম্পন্ন হয়, ততদিন পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বে থাকবে। সেই নিরিখে, ইউনুস সরকারের কাজ মূলত রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করা। কিন্তু রাজনৈতিক সংস্কার? সেটি অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ নয়, বরং রাজনৈতিক দলগুলোর মূল কাজ।

এই প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে চলে আসে, এই অন্তর্বর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলো কী করছে? তারা কী নিজেদের মধ্যে কোনো আত্মসমালোচনা শুরু করেছে? জনতার প্রত্যাশার আলোকে নতুন কোনো দৃষ্টিভঙ্গি বা ভাবনা তৈরি করেছে? দুর্ভাগ্যজনকভাবে এর উত্তর এখনো “না”। এখনো পর্যন্ত ক্ষমতা আর দায়িত্বের মধ্যে পার্থক্যই তারা করতে পারে নাই।

রাজনৈতিক সংস্কার ছাড়া একটি নতুন নির্বাচন আয়োজন করা মানে কেবল পুরনো সমস্যাগুলোকে নতুন রূপে পুনরাবৃত্তি করা। যে রাজনৈতিক সংস্কৃতিই জাতিকে এই অচলাবস্থায় নিয়ে এসেছে, সেটি সংস্কার ছাড়া কেবল একটি নির্বাচন নতুন সমস্যারই জন্ম দেবে।

ইউনুস সাহেব যখন তাঁর পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তখন রাজনৈতিক অঙ্গনে যে তাড়াহুড়ো, বিভ্রান্তি ও বিভাজন দেখা গেল, তা প্রমাণ করে রাজনৈতিক দলগুলো এখনো প্রস্তুত নয়। এই পরিস্থিতি কেবল একটি বিষয়কেই স্পষ্ট করে তোলে; রাজনৈতিক সংস্কারের প্রস্তুতি ছাড়া কোনো নির্বাচনই জনগণের আশার প্রতিফলন হতে পারবে না।

সুতরাং রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্ব যেমন ইউনুস সরকারের, রাজনৈতিক সংস্কারের দায়িত্ব তেমনি রাজনৈতিক দলগুলোর কাঁধে। এই দ্বৈত দায়িত্ববোধ যদি সমান্তরালে বিকশিত না হয়, তবে কেবল একজন ইউনুস সাহেবের সদিচ্ছায় একটি সুস্থ রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব নয়।

-— সুমন আশরাফি

24/05/2025

রাজনৈতিক সংস্কার: নতুন করে শুরু করার এক অনিবার্য দাবি

আমাদের সময়ের সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন, রাজনৈতিক সংস্কার। রাষ্ট্রের কাঠামো যতই আধুনিক করা হোক, যদি রাজনীতি সংস্কার না হয়, তবে সেই সংস্কার কখনোই ফলপ্রসূ হবে না। কারণ রাষ্ট্র একটি দেহ হলে, রাজনীতি তার প্রাণ। একটি জটিল শরীরের মতোই রাষ্ট্র চলে নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত, দায়িত্ব ও নৈতিকতার সংবেদনশীল সমন্বয়ে, যার কেন্দ্রবিন্দু রাজনীতি।

আমরা এমন এক শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে অন্যদের অনুকরণ নয়, নিজেদের অভিজ্ঞতা, চাহিদা ও বাস্তবতা থেকেই নতুন পথ রচনার সাহস দেখাতে হবে। আমাদের ভৌগোলিক বাস্তবতা, সাংস্কৃতিক বোধ এবং সামাজিক কাঠামোকে সামনে রেখেই আমাদের রাজনৈতিক রূপান্তর ঘটাতে হবে। এমন এক মডেল গঠন করতে হবে যা শুধু আমাদের সমস্যার সমাধান দেবে না, বরং অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। এই শতাব্দীতে এসে নিজেদের ছোট ভাবার কোনো অবকাশ নেই।

-নেতৃত্বের মানহানি—
বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সুস্পষ্ট, দায়িত্বশীল কাঠামো নেই। যে কেউ, যেকোনো সময়ে, রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারে। এতে ভালো-মন্দ, আদর্শ-অবৈধ, সচেতন-অজ্ঞ, সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে পড়ে। এই অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশদ্বার কেবল দলের আভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার গুণগত মানেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রশ্ন উঠছে; একটি রাজনৈতিক দলে প্রচুর সদস্য থাকা কি সত্যিই রাষ্ট্র পরিচালনায় সহায়ক? যদি সদস্যরা আদর্শহীন, দায়িত্ববোধহীন হন, তবে সংখ্যাই হবে বিশৃঙ্খলার উৎস। এই অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশে রাষ্ট্র চালনায় দক্ষতার বদলে পক্ষপাত, দুর্নীতি এবং দলীয় স্বার্থ মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে আমরা যেমনটা দেখছি।

-অরাজনৈতিক নিরপেক্ষ নাগরিকের অধিকারহীনতা আশঙ্কা—
সব নাগরিককে রাজনৈতিক দলের সরাসরি সদস্য হন না এবং অপ্রয়োজনীয় বটে। কিন্তু তাদের যেন দলীয় পরিচয়ের অভাবে বঞ্চিত না হতে হয়, এটিই হওয়া উচিত রাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য।
দলীয় রাজনীতির উত্তাপে অরাজনৈতিক সাধারণ নাগরিক প্রায়ই হয়রানির শিকার হন। রাজনৈতিক সংঘর্ষ, হিংসা, বা দ্বন্দ্বে সাধারণ মানুষকেই দিতে হয় ব্যক্তিগত শত্রুতার খেসারত। এমন অবস্থা গণতন্ত্রের পক্ষে নয়; এটি একধরনের অপ্রকাশ্য দলগত স্বৈরতন্ত্র।

-অঙ্গসংগঠন বনাম পেশাজীবী অধিকার: বিভ্রান্তি ও বিকৃতি—

বাংলাদেশে প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের রয়েছে অসংখ্য অঙ্গসংগঠন, যা কখনো ছাত্র, কখনো যুব, কখনো পেশাজীবীদের নামে পরিচিত। প্রশ্ন হলো; এদের বাস্তব ভূমিকা কী? এরা কতটা রাষ্ট্র পরিচালনায় অবদান রাখে, আর কতটা শুধু দলীয় সুবিধা আদায়ের পথে ব্যবহৃত হয়?

একটি বিষয় খেয়াল করলে দেখবেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্ররা কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে আসেনি। এবং এরকম পরিচয় থাকলে এই আন্দোলন সফল হতো না। ঘটনা শেষ হওয়ার পরে অনেকের অনেক পরিচয় পাওয়া গেছে বা তৈরি হয়েছে। আন্দোলনের শুরুটা কিন্তু অরাজনৈতিক ছিল।

পেশাজীবী সংগঠন থাকা উচিত, তবে সেগুলো হওয়া উচিত রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ, স্বতন্ত্র সামাজিক সংগঠন, যারা নিজ নিজ পেশার মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং ন্যায্য অধিকার রক্ষায় কাজ করবে। দলীয় আনুগত্যের বিনিময়ে সুযোগ-সুবিধা আদায়ের প্রক্রিয়া দেশে, সাম্য ও ন্যায়বিচারের ধারাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সুতরাং, এখন সময় এসেছে একটি গঠনতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কার।
এই সংস্কার হবে—

- দায়িত্বনির্ভর
- সদস্য নিয়ন্ত্রিত
- জনমুখী
- প্রযুক্তিনির্ভর
- এবং সর্বোপরি,নৈতিকতায় দৃঢ়

একটি রাজনৈতিক দল হবে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নিবেদিত একটি সেনসিটিভ, সচেতন এবং প্রশিক্ষিত প্রতিষ্ঠান। যে দলে সদস্য হওয়া মানে হবে দায়িত্ব নেওয়া, জবাবদিহিতায় প্রস্তুত থাকা।

আমরা যদি সত্যিই একটি উন্নত, ন্যায্য, শান্তিময় বাংলাদেশ গড়তে চাই, তবে আমাদের শুরু করতে হবে রাজনীতি থেকে।
রাজনীতির সংস্কার মানেই রাষ্ট্রের শুদ্ধি। আর সেই শুদ্ধির প্রথম ধাপ, একটি সুশৃঙ্খল, দায়িত্বশীল সদস্য কাঠামো গঠন।

15/05/2025

বাংলাদেশের পলিটিক্যাল এলিটদের সমস্যা হলো— তারা কখনোই নিজেদের জনগণের কাতারে ভাবতে পারে না। বরাবরই তারা নিজেকে অন্যদের থেকে উঁচু মর্যাদার মনে করে।

সাধারণ মানুষ যদি তাদের কোনো কথা বলে ফেলে, কিংবা কোনো বিষয়ে তাদের চেয়ে ভালো বোঝে, এটা তারা মানতেই পারে না।

আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের জনরোষে পড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে, জনগণের কাছে হেরে গেছে, এটা কোনো ভাবেই মানতে পারে নাই। তারা জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরকে অতি-ক্ষমতাশালী হিসেবে তুলে ধরে একধরনের ন্যারেটিভ দাঁড় করাল, প্রচার করলো।

কিন্তু, দোষ সাধারণ জনগণেরই। ‘সাধারণ জনগণ অতি ভোঁদাই’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইল। এই ‘ভোঁদাই’ বানানোর কাজ কিন্তু শুধু আওয়ামী লীগই করেনি, বাংলাদেশে প্রচলিত সব পুরনো-নতুন রাজনৈতিক দল সবাইই কমবেশি করেছে।

সরাসরি যাকেই দোষী বলা হোক না কেন, ঘুরে ফিরে ইন্ডিরেক্টলি সব দোষই যেন সাধারণ ভোঁদাই জনগণের।

আওয়ামী লীগ ক্ষমা চায় নাই, কারণ তারা ক্ষমা চাইলে এলিট ক্লাস থেকে খসে পড়বে। এলিট ক্লাসে যেন থাকা যায়, ক্ষমা যেন চাইতে না হয়, এই জন্য তারা জামায়াত-শিবিরের উপরে ষড়যন্ত্রের দোষ চাপায় দিলো।

এই সুযোগটাই নিলো জামায়াত-শিবির। ষড়যন্ত্র হোক আর যত খারাপই বলা হোক না কেন, রাজনৈতিক এলিট হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। মূলত আওয়ামী লীগ ও জামায়াত একে অপরকে সার্ভ করছে। আর বিএনপি ‘দুধভাত’ এলিট। আরো কিছু ছোট ছোট আছে এরা এলিট এলিট ভাবে আছে।

আজকের বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক দলই সাধারণ জনগণকে ‘ভোঁদাই’ প্রমাণে ব্যস্ত। আগে সবাইকে একসাথে ভোঁদাই বানানোর চেষ্টা করত, এখন জেনারেশন ধরে ধরে, ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ করে কাজটা করছে। ছোট করে ভাগ করলে ভোঁদাই বানানো সম্ভবত আরও সহজ। Silent Generation, Baby Boomers, Generation X, Millennials (Gen Y), Generation Z (Gen Z), Generation Alpha.

15/05/2025

বাংলাদেশে এখন শুধু দাসত্বের গল্প—
কেউ ভারতের দাস, কেউ পাকিস্তানের।
এইসব মানসিক দাসদের উপস্থিতিই আজ আমাদের জাতীয় চিন্তা, সংস্কৃতি ও স্বাধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই:

বাংলাদেশে শুধু বাংলাদেশভাবাপন্ন মানুষ থাকবে।
চিন্তা-চেতনায়, ভাষা ও কাজে যারা বাংলাদেশকে প্রাধান্য দেবে, তারাই হোক এই জাতির উত্তরাধিকার।

সকল দাসত্বমনা ব্যক্তিকে হটাও।
আমরা কোনো দাসের রাজত্বে বাস করব না।
যে ব্যক্তি নিজেকে দাস হিসেবে উপস্থাপন করবে— চিন্তায়, কথায় বা আচরণে— তাকে দাসের মতোই ট্রিট করতে হবে।

এটাই বাংলাদেশি পরিচয়ের পরিপূর্ণতা।
এটাই আমাদের জাতিগত মুক্তি ও আত্মমর্যাদার একমাত্র পথ।

--- আমরা বাংলার সাধারণ জনগণ

20/02/2025
07/02/2025

Celebrating our 11th year on Facebook.

03/09/2024

ধর্ম চর্চা মূলত নিজেকে ডেভলপ করার চর্চা, আপগ্রেড করার চর্চা। ধর্ম চর্চাকে রাজনীতির সাথে মিলিয়ে ফেলা অথবা তুলনা করা একটি অসম চিন্তা বলেই মনে হয়। আমাদের নেতা হযরত মুহাম্মদ সাঃ রাজনীতি করেছেন, কিন্তু রাজনীতিকে বেজ করে ধর্ম চর্চা করেননি। বিভিন্ন মত এবং দর্শনের মানুষ একসাথে হয়ে তৈরি হওয়া একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্মকে কেন্দ্র করে রাজনীতি করা মানে ধর্মকে খাটো করা। সকলে নিজ ধর্ম এবং দর্শনের চর্চা করেন, আত্মশুদ্ধি করেন, নিজেকে আপগ্রেড করেন, একটি সুন্দর রাষ্ট্র গঠন করেন।

সকলকে অগ্রিম শুভেচ্ছা।

#রাষ্ট্রসংস্কার

#রাজনীতিসংস্কার
#রাজনীতি
#আমাদেরদল

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Our Story

আমরা সাধারণ জনগণ,সাধারণ জনগনের কথাই বলতে চাই।
দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই।
হিংসা বিদ্বেস নয়, উন্নয়ন চাই।
অধিকার নিশ্চিত করতে চাই।
পিছিয়ে নয়,বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চাই।

Location

Category

Website

Address


Dhaka