18/04/2024
Alhamdulillah
New chapter alert!
Starting a new adventure at "Engine Singapore Service".
"New Team"
"Wish me luck"
Tahnk You Bondhu 🩷🩷Rohel Ahmed 🩷🩷For Your Unconditional Supports.
যখন যা পোস্ট করতে মন চায় তাই করি কিন্?
18/04/2024
Alhamdulillah
New chapter alert!
Starting a new adventure at "Engine Singapore Service".
"New Team"
"Wish me luck"
Tahnk You Bondhu 🩷🩷Rohel Ahmed 🩷🩷For Your Unconditional Supports.
06/03/2023
স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য একটা চিঠি লিখল -
"দেখো, আমি তোমার প্রতি এবং আমাদের লাইফ নিয়ে প্রচন্ড বিরক্ত। আমি আর তোমার সাথে থাকতে চাই না। আমি সারা জীবনের জন্য চলে গেলাম।"
স্ত্রী এই চিঠিটা লিখে টেবিলের উপর রাখল এবং নিজে খাটের নিচে লুকিয়ে রইলো।
সন্ধ্যায় বেচারা স্বামী বাসায় আসল। আসার পরে স্বামী প্রথমে চিঠিটা হাতে নিয়ে পড়ল। তারপর কলম দিয়ে চিঠিতে একটা লাইন কি যেন লিখল। আবার চিঠিটা টেবিলে রেখে দিলো। একটু দুঃখ ভারাক্রান্ত থেকে কয়েক মিনিট পর, স্বামীর নীরবতা থেকে হঠাৎ খুব খুশি হলো। শিস বাজাতে লাগলো। গান ছেড়ে ধামাক নৃত্য শুরু করলো। তারপর টেলিফোন সেটটাকে বিছানার উপর আনল। আনার পর তার স্বামী তার কোনো এক বান্ধবীকে ফোন দিলো। ফোনে ঐ প্রান্তকে বলছে--
"আজ অটোম্যাটিক্যালি আমার লাইফ থেকে আমার আপদ দূর হয়েছে। ডার্লিং তুমি আমার জীবনে আগের মতই থাকবে। আমার স্ত্রী আমাদের মাঝে আর বাঁধা হয়ে থাকবে না। তুমি এনিটাইম আমার বাসায় চলে আসবে। বেবী , তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।"
এমন অনেকক্ষন কথা বলার পর স্বামী ফোন রেখে বাসার বাইরে চলে গেলো হাসতে হাসতে। হয়তো তার
ফোনের ঐ প্রান্তের বান্ধবীকে বা অন্য কাউকে আনতে গেছে।
এদিকে তার স্ত্রী তো খাটের নিচে থেকে কাঁদতে কাঁদতে বের হলো। এমন কুলাঙ্গার স্বামীর সাথে সংসার করেছে এতোদিন এই ভেবে কপাল চাপড়াচ্ছিল । হঠাৎ তার মনে হলো, দেখিতো স্বামী চিঠিতে কি লিখছে। তাই তাড়াতাড়ি টেবিলের কাছে এসে চিঠিটা হাতে নিলো । চিঠির ভাঁজ খুলে স্বামীর লেখাটা বের করলো।
স্বামী যে এক লাইন লিখে রাখছে , তা হলো -
"আমার জীবন থেকে চলে গেছো ভালো কথা, কিন্তু খাটের নিচে থেকে কেন তোমার পা দেখা যাচ্ছে?
আমি ডিম আনতে বাইরে গেলাম।"
🤪🤪🤪
09/05/2022
প্রচন্ড ভালোবাসার পরেও আপনি যাকে পেলেন না,তার জন্য মন খারাপ করা কিংবা আফসোস করা নিছক বোকামি বৈকি!
আফসোস তো সে করবে,যে আপনার কাছ থেকে এত ভালোবাসা,যত্ন,আদর পাওয়ার পরেও আরেকটু ভালো থাকার জন্য অন্য কাউকে বেছে নিয়েছে!
ভালোবাসার মানুষটাকে মুক্ত করে দিতে হয়।যাতে মানুষটা অন্তত দেখতে পারে;পৃথিবীর আর কেউ তাকে ঠিক আপনার মতো করে ভালোবাসতে পারে কিনা,বুঝতে পারে কিনা।
আর যখন সেই মানুষটা পুরো পৃথিবী ঘুরেও আপনার মতো কাউকে পাবে না,ঠিক তখন চরম আফসোস করবে!নিজেকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলবে।
আপনাকে কষ্ট দিয়ে অন্য কোথাও সুখ সে কোনোদিনও পাবে না এটা নিশ্চিত থাকুন।হয়তোবা আপনার সামনে নিজেকে সুখী উপস্থাপন করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করবে ঠিকই কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে প্রচন্ড আফসোস করবে আপনার জন্য।
পৃথিবীতে আজকাল প্রকৃত ভালোবাসা যে বড্ড দুর্লভ!যে মানুষ সামান্য একটু সুখের লোভে কারো ভালোবাসাকে অবজ্ঞা করে,সে মানুষ আর কোনোদিনও ভালোবাসা পায় না! কেননা ভালোবাসার মাঝেই যে প্রকৃত সুখ,তা অনেক মানুষেরই অজানা।
যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন,যত্ন নিতেন,আগলে রাখতেন;তাকে না পাওয়াটাই বেশ ভালো!
নিজের ভালো যে না বুঝে আপনাকে তীব্র আঘাত দিয়ে নিজের সুখের লোভে অন্য কাউকে বেছে নেয়,তার কাছে আপনি অন্তত কখনোই ভালো থাকার আশা রাখতে পারেন না,ভালো থাকতে পারেন না,ভালো থাকার কথাও না!
মনে রাখবেনঃ
যাকে প্রচন্ড ভালোবাসা যায়,তার থেকে–যে প্রচন্ড ভালোবাসে;তাকে হারানোর বেদনা অধিক কষ্টের এবং যন্ত্রণাদায়কও বটে!
আজ ভালোবাসার মানুষটাকে না পেয়ে আপনি যে আঘাত পাচ্ছেন,নিজেকে তীলে তীলে শেষ করে দিচ্ছেন;সেই মানুষটাও একটা সময় ঠিক আপনার থেকে দ্বিগুণ কষ্ট পাবে কেবল আপনার থেকে পাওয়া প্রচন্ড ভালোবাসা,যত্ন এবং আদরের কথা মনে করে।
বিশ্বাস করুন,অবশ্যই পাবে!
ভালোবাসা আর সময়;কখনোই কারো কাছে তার দেনা-পাওনা বাকি রাখে না।সময় মতো সুদে-আসলে সব শোধ করে দেয়!
অতঃপর আপনি?
একটা সময় ঠিকই তার স্বার্থপরতার কথা ভেবে নিজেকে বদলে নিবেন,গুছিয়ে নিবেন।কষ্টকে জয় করে নিজে ভালো থাকা শিখে নিবেন!
আফসোস কিংবা আক্ষেপ আপনার জন্য নয়,বরং তার জন্য-যে আপনার অসীম ভালোবাসাকে মূল্যহীন মনে করে নিজেকে বিকিয়ে দিয়েছে অন্য কারো কামনা-বাসনায় আর নয়তো চাহিদায়!
১৬ বছর বয়সে যাকে আপনি ভালবাসতেন ২০ বছর বয়সে আপনি তাকে পাত্তা দিবেননা।
২০ বছর বয়সে যার টেনশনে চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল ফেলেছেন ২৫ বছরে এসে তার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিবেন।
স্নাতক প্রথম বর্ষে যে পরীক্ষায় ফেইল করে অঝোরে কেঁদেছিলেন ফাইনাল ইয়ারে পাশ করার পর সেটা একেবারেই ভুলে যাবেন।
ঠিক তেমনি, আজ আপনি যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন তা দেখে মনে হতে পারে এখানেই বুঝি শেষ!
নিশ্চিত থাকুন যে, সব কুয়াশা কেটে যাবে এবং এই পরিস্থিতি শেষ হবে।
বিশ্বাস করুন,আল্লাহর ইচ্ছায় সব তিক্ততাই চলে যায় এবং সময় সবকিছু ঠিক করে দেয়।
©~ আমান উল্লাহ
24/11/2021
জনৈক ব্যক্তিঃ শায়েখ, কুরআনে বলা হয়েছে বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে, কই আমার তো বাড়লো না। বরং আরো খারাপ হলো..
শায়েখঃ তুমি বিয়ে করেছো কত বছর বয়সে?
জনৈক ব্যক্তিঃ বত্রিশে।
শায়েখঃ মানুষের যৌবনের সবচে বিপজ্জনক সময়টি হচ্ছে ২১-২৫ বছর বয়সের সময়টুকু, ওই সময়ে তুমি সবধরনের পাপ থেকে মুক্ত ছিলে?
জনৈক ব্যক্তিঃ একটু আধটু পাপ তো সবারই হয় শায়েখ, মানুষ কি ফিরিশতা নাকি?
শায়েখঃ একটু আধটু পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখার জন্য তখন বিয়ে করোনি বলেই তোমার বিয়ের পরে অভাব যায়নি কারণ কুরআনে বলা হয়েছে চরিত্র রক্ষার্থে বিয়ে করলে আল্লাহ দায়িত্ব নেবেন। তুমি তো সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণের জন্য বিয়ে করেছো, চরিত্র রক্ষার্থে নয়।
জনৈক ব্যক্তিঃ ইয়ে মানে... তখন বিয়ে করলে তো আমার ক্যারিয়ার নষ্ট হতো..
শায়েখঃ বিয়ের পর তোমার অভাব বৃদ্ধি পাওয়ার দ্বিতীয় কারণ এটা! তুমি আল্লাহর চেয়ে একটু বেশি বুঝতে চেয়েছো, মুমিনের সফলতা আল্লাহর সন্তুষ্টিতে। তুমি আসল সফলতার চিন্তা না করে কোন সফলতার দিকে দৌড়াচ্ছিলে? তোমাকে বলা হয়েছে যখনই বিয়ের সময় হবে বিয়ে করো, ধনী বানানোর দায়িত্ব আল্লাহর। তুমি ঠিক সময়ে বিয়ের চিন্তা বাদ দিয়ে নিজে কেনো ধনী হতে চিয়েছিলে?
জনৈক ব্যক্তিঃ শায়েখ আমি ঈমান রক্ষার্থে সচেষ্ট ছিলাম তবুও কেনো কোনো পুরস্কার পেলাম না আল্লাহর কাছ থেকে?
শায়েখঃ স্ত্রীর নির্বাচনের সময় কোন জিনিসের প্রাধান্য সবচে বেশি দিয়েছো?
জনৈক ব্যক্তিঃ অভাব অনটনে জীবনটা শেষ শায়েখ, সম্পদটাই বেশি দেখেছি।
শায়েখঃ তোমার অভাব বৃদ্ধি পাওয়ার তিন নম্বর কারণ এটা। হাদীসে এসেছে যে ব্যক্তি স্ত্রী নির্বাচনে স্ত্রীর সম্পদের প্রতি লোভ করবে বিয়ের পর তার অভাব অনটন বেড়ে যাবে।
জনৈক ব্যক্তিঃ উফফফ...
শায়েখঃ শান্ত হও পুত্র! মুমিন কখনো হতাশ হয় না। মুমিনের ভুল সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হলেও আল্লাহর ক্ষমার কাছে তা অতি ক্ষুদ্র! কায়মনোবাক্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, তওবা করো। আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করবেন এবং তোমার রিজিকে বারাকাহ দান করবেন ইনশাআল্লাহ...
লিখাঃ - জোবায়ের রাফি
06/10/2021
ছেলে-মেয়ে একে অন্যকে পছন্দ করেছে, অনেক ক্ষেত্রে ১/২/৩ বছর, অথবা তারও বেশি সময়ের সম্পর্ক থাকে।
কিন্তু ফ্যামিলি, ছেলেটি বেকার লেখাপড়া করতেছে অথবা অল্প টাকা উপার্জন করে তাই বিয়ে দিলেন না।
কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখেন, দিনশেষে সেই বেকার ছেলেটা বেকার থাকে না, জীবনের তাগিদে উপার্জন শুরু করে, সেই অল্প বেতনের ছেলেটাও বেতন বাড়ে।
কিন্তু আপনার মেয়ে ঠিকই অত্যাচার এ মরে।
আপনার মেয়েটাকে টাকার সঙ্গে নয়, একজন মানুষের সঙ্গে বিয়ে দিন , ছেলে কি চাকরি করে, কত টাকা বেতন পায়। এটা দেখার আগে দেখুন ছেলেটা মানুষ কিনা।
কারণ ভাতের অভাবে মেয়ে মরেনা, মেয়ে মরে অমানুষের অত্যাচারে। 💔
© Copied
27/09/2021
একটি শিক্ষনীয় গল্পঃ
===========
এক কলা বিক্রেতা ৫ টাকা পিস দরে কলা বিক্রি করছিল। প্রচুর বিক্রি হচ্ছিল। মানুষ নিচ্ছে আর ছাল ছাড়িয়ে খাচ্ছে। দেখে বিক্রেতা ভাবল যদি ছাল ছাড়িয়ে রাখি তাহলে ক্রেতাদের ছাড়াতে কষ্ট হবেনা এবং ছাড়িয়ে দেওয়ার কারনে দাম ও বেশি পাব। তখন সে কিছু কলা ছাড়িয়ে তার দাম ধার্য করল ৬ টাকা পিস।
এখন ক্রেতারা এসে দাম জিজ্ঞাসা করলে, সে বলছে ছাল জড়ানো ৫, ছাড়ানো ৬টাকা। ক্রেতারা ৫টাকা দরের কলা নিয়ে যাচ্ছে। সে ভাবল যখন কম দামি থাকবে না, তখন দাম বেশি দিয়ে নিয়ে যাবে। এক সময় ৫ টাকার কলা সব শেষ৷ এখন আর কোন ক্রেতা তার কাছে আসে না। তবে প্রচুর মাছি এসে বিনামূল্যে কলা খাচ্ছে আর ভৌঁ ভৌঁ করে উড়ে বেড়াচ্ছে।
এখন সে ভাবল দাম কমালে বিক্রি হবে। সে দাম কমাতে কমাতে ০ টাকাতে চলে এলো,তবুও কেউ নিল না। দিনের শেষে সেগুলো ড্রেনে ফেলে দিল৷ যে ড্রেন পরিষ্কার করে সে ওই সময় টাকা তুলতে এসেছিল। তার নজরে পড়ে গেল। সে বলল, ভাই এত আবর্জনা করলে? এত তুলতে পারব না। অনেক কথার পর সে কিছু টাকা দিয়ে বলল কিছু মনে করো না পরিষ্কার করে দিও।
বর্তমান যুগের মেয়েদের অবস্থা ঠিক এই রকম। আগের মেয়েরা পর্দা করে চলত তাই তাদের টাকা দিয়ে সম্মানের সাথে নিয়ে যেত। এখন এরা ছাল ছাড়িয়ে দাম বাড়ানোর প্রচেষ্টায় আছে। দামও বাড়ছে না উপরন্তু কিছু মাছি জাতীয় জন্তু তাদের উপর বসে চুষে খেয়ে উড়ে পালাচ্ছে। আর এরা নিজেদের দাম বাড়াতে গিয়ে এত কমে যাচ্ছে যে, এদেরকে লক্ষাধিক টাকা দিয়ে পার করাতে হচ্ছে।
নারীর মর্যদা পর্দায় কমে না বরং বাড়ে। বেপর্দায় কমে।
© Copied
30/06/2021
🙄🙄
20/03/2021
10/12/2020
" এখন হয়তো অন্তঃপুরে মেয়েরা পর্দার আড়ালে বন্দী হয়না , বন্দী হয় নিজেদের আবিষ্কৃত "নারী স্বাধীনতা"র ভুল পথের গোলকধাঁধায়…
বেগম রোকেয়া চেয়েছেন নারীরা অন্তঃপুর থেকে বের হয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল ক্ষেত্রে পদচারণ করুক!
আর বর্তমানে আমাদের নারীদের প্রায় 70% বুঝে নিয়েছে কাপড়-চোপড় শর্ট করে অর্ধ উলঙ্গ হওয়া!!
🐸🐸 ফেমিনিজম ফ্যাক্ট
28/09/2020
🌺যৌন চাহিদা হচ্ছে ক্ষুধার মতো!🌺
ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবার প্রয়োজন হয় , তেমনি নারী পুরুষ একটি নির্দিষ্ট বয়সে উপনীত হলে তাদের যৌন চাহিদা সৃষ্টি হয় ৷
এটা আল্লাহর একটি সৃষ্টি। তাই প্রতিটি ছেলে মেয়ের উপযুক্ত বয়সে বিবাহ হওয়াটাই শ্রেয়।
কিন্তু আমাদের সমাজে পড়াশোনার নামে , ক্যারিয়ার গড়ার নামে উপযুক্ত সময় থেকে অনেক পরে ছেলে-মেয়েদের বিবাহ দেয়া হয়।
ফলে যৌন চাহিদার বর্শবর্তি হয়ে যেনা ব্যভিচারে পা বাড়ায় যুবক যুবতীরা ৷
আর এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক ৷ কারণ আপনি যদি একটি বিড়াল পালেন , আর তাকে খেতে না দেন তাহলে সুযোগ পেলেই বিড়াল আপনার হাড়ির খাবার চুরি করবে
অভিভাবকরা ইচ্ছে করেই ছেলেমেয়ের বিয়ে দেরীতে দিচ্ছে , সুতরাং যেনা তো হবেই ৷ আপনার মেয়ে অন্য ছেলের সাথে তো পালাবেই ৷ এটা আপনারই কর্মফল ৷
সরকারি বিধান মোতাবেকও যদি একজন নারীর বিয়ের বয়স ১৮ বছর এবং একজন পুরুষের বিয়ের বয়স ২১ বছর হয় তারপরও অনেক অভিভাবকেরা ছেলের বয়স নিয়ে গেছে ৩০/৩৫ এ এবং মেয়ের বয়স নিয়ে গেছে ২৫/২৮ এ ৷
অথচ ইসলামিক রাষ্ট্রে ছেলে মেয়েদের এত দেরীতে বিবাহ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই৷
অভিভাবকের কাছে এখন বিবাহ হয়ে গেছে কঠিন তাই যেনা হয়েছে সহজ ৷
এর জন্য এই সমস্ত সহীহ দ্বীনহীন অভিভাবকরাই দায়ী!
আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেন “ বিয়ে করলেই তোমাদের ধনী করে দিবো।”
তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকুরীজীবী ছেলে খোজাটা মূলত আল্লাহ্’র উপর অনির্ভরশীলতা’র ইঙ্গিত।
আমি তো মনে করি,
“একটা ভালো চাকুরী’র পূর্বশর্তই হচ্ছে “বিয়ে”।
কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।
পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারীমা…
” ﻭﺃﻧﻜﺤﻮﺍ ﺍﻻﻳﺎﻣﻲ ﻣﻨﻜﻢ ﻭ ﺍﻟﺼﺎﻟﺤﻴﻦ ﻣﻦ ﻋﺒﺎﺩﻛﻢ ﻭ ﺇﻣﺎﺋﻜﻢ ﺇﻥ ﻳﻜﻮﻧﻮﺍ ﻓﻘﺮﺍﺀ ﻳﻐﻨﻬﻢ ﺍﻟﻠﻪ “
(তোমাদের মধ্য হতে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ দিয়ে দাও এবং দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরকেও। তারা যদি নিঃস্বও হয়ে থাকেন তবে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন)
– সূরা নুর। আয়াতঃ ৩২।
অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ্ এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ্ জানেন, অবিভাবকেরা কি সব চিন্তা করেন।
অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে কেউ বিয়ে করতে চাওয়া সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়।
আমাদের সমাজে কেউ কারো বিয়ের কথা শুনলে মানুষ এতাটাই অবাক হয় যে অবৈধভাবে প্রেম ভালোবাসা যেনা করলেও এতোটা অবাক হয়না।
বিষয়টা এখন সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে গেছে,আগে মানুষ প্রেম ভালোবাসার কথা শুনলে অবাক হতো লজ্জা পেত, এখন তার বিপরীত।
এ কারণেই আজ আমাদের সমাজের এত অধঃপতন।
ছেলে বিয়ে করে মেয়েকে খাওয়াবে কি..!?
আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে সমাজকে পাপমুক্ত করার জন্যে নিজের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে অন্যের ঘরে তুলে দিয়ে, ছেলেকে বিয়ে করিয়ে অন্যের মেয়েকে ঘরে তুলে নিজের মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে অন্যের মেয়েকে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়??
শুধু প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথেই বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা কেন আসবে..?
প্রতিষ্ঠিত বলতে কি বুঝেন আপনি..?
ভুলে যাবেননা মানুষের ভাগ্য" হায়াত মউত এগুলো মানুষের হাতে থাকেনা কখনো বলেও আসেনা।
ধরুন,আজকে আপনি একজন ভালো চাকুরীজীবি প্রতিষ্ঠিত ছেলের সঙ্গে আপনার মেয়েকে বিয়ে দিলেন,দুর্ভাগ্যবশত বিয়ের পরে তার মৃত্যু হলে বা তার চাকুরী চলে গেলো তখন কি করবেন.?
তাই প্রতিষ্ঠিত নয়,একজন ভালো নামাজি দ্বীনদার ছেলে দেখেই বিয়ে দিন,এতে তারা সাময়িক কিছু করতে না পারলেও তাদের দ্বীনদারীত্বের কারনে আল্লাহর রহমত অবধারিত থাকবে, এবং ভাল একটা কিছুর ব্যবস্থা হবে ইনশাআল্লাহ ।
আর বদবখত,লম্পট, প্রতিষ্ঠিত ছেলে দেখে দিবেনতো বিয়ের পরে পস্তাতে হবে,যতই প্রতিষ্ঠিত হউক আল্লাহর রহমত না থাকলে গজব অবধারিত।
টাকা পয়সা মানুষকে সুখ শান্তি এনে দিতে পারেনা।
সুতরাং,আপনার মেয়েকে বিয়ে দিয়ে ছেলেকে বিয়ে করিয়ে সমাজের অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন।নিশ্চই এখন যে ছেলেটা বেকার সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হল, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি।
তখন দেখা যায় এসকল আপুদের আর বিয়ে হয় না।আবার কোন কোন অবিভাবক লেখা-পড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না,ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায় প্লাস চেহারার লাবন্নতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না আরো যদি লাবন্নতা হ্রাস পায়,তাহলেতো কথায় নাই।তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অবিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।কয়েক বছর আগেও যে সকল প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়েছেন,এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে তা নাহলে এখন আর তারা আগ্রহী নয়।তো আসুন সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি।
ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই…
আপনি যদি বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন!
পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালন-পালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যার কোনো সন্তান জন্ম লাভ করে সে যেন তার সুন্দর নাম রাখে এবং তাকে উত্তম আদব-কায়দা শিক্ষা দেয়। যখন সে বালেগ হয় তখন যেন তার বিবাহ দেয়। যদি সে বালেগ হয় এবং তার বিবাহ না দেয় তাহলে সে কোনো পাপ করলে, সে পাপ তার পিতার উপর বর্তাবে।’ (বায়হাকী, মিশকাত হা/৩১৩৮)।
বিবাহের বয়স হওয়ার পর ছেলেমেয়ে যত ধরনের অবৈধ সম্পর্ক,যেনা ব্যভিচার করবে সেই পাপ ঐ ছেলেমেয়ের পিতার বা অভিবাকের হবে ।
📛 অতএব,
আপনি ও আপনার সন্তানকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করতে ও সুন্দর সমাজ গড়তে
আপনার সন্তানকে সামর্থ্য থাকলে বিয়ে দিয়ে দেন তাড়াতাড়ি।
আল্লাহ বলেনঃ
চরিত্র রক্ষার জন্য যারা বিয়ে করবে তারা যদি অভাবি হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দিবেন। (সুরা নুর : ৩২)
03/06/2020
পুরুষ মানুষের মন খারাপের অনেক কারণ থাকে।
টাকা পয়সা তার একটি মহা কারণ।
এই জিনিষ টা ছাড়া পুরুষ হয়ে যায় হাফ লেডিস এর মতো। ইন্টার্নীতে থাকার সময় যশোর থেকে এক টি বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল। পাত্রীর পক্ষ অনেক ধনী, তার বাবা আমাদের বাড়ী দেখতে এসে বাড়ির পথ থেকে পালিয়ে ছিলেন, ভিতরে আর আসে নি।
এই বয়সে বিয়ের কোন আগ্রহ ছিল না আমার, সেটা ও চাই নি আমি, পাত্রীকেও চিনি না।
তবুও একটা অদ্ভুত কষ্ট হয়েছিল সেদিন। কষ্টটা আমার জন্য নয়। আমাদের গোলপাতার বাড়িটার জন্য।
এক ব্যাচ সিনিয়র এক ভাইয়ের সাথে দেখা হল সেদিন। চেহারা শুকিয়ে গেছে, চোখ কোটরে ঢুকেছে। ভালবেসে বিয়ে করেছিল, কোর্ট ম্যারেজ। পরিবার মেনেও নিয়ে ছিলো। নবম মাসের মাথায় ডিভোর্স দিয়েছে। ডিভোর্স হয়েছে উনি নিজেও জানতেন না,খবর টা শুনেছে অন্যের কাছে।
একটা বিশাল অপরাধ করে ছিলেন উনি::: জুলাইতে এফ সি পি এস চান্স হয় নাই, 35 তম বিসিএস প্রিলি হয় নাই। 35 তম বিসিএস রিটেন দেওয়া রংপুর মেডিকেলের এক ছেলের সাথে নতুন করে শুরু করেছে মেয়েটা।
কারো চাই টাকা, আর কারো চাই স্ট্যাটাস। ভালবাসা এখানে সান্তনা ।
ভাইটাও এখন সান্তনা পায়। মেয়েটির উপর তার কোন অভিযোগ নেই। ও ভেবেছিল আমি ভাল মেডিকেলে পড়ি, অনেক ব্রিলিয়ান্ট কেউ। আমি যে গড় পড়তা মানের স্টুডেন্ট পরে বুঝেছে । বোঝার পর চলে গেছে। ওর কোন দোষ নেই।" এভাবেই বলে ছিলেন উনি।
আপনি পুরুষ মানুষ হয়েছেন, আর আপনার বিসিএস নাই, এফসিপি এস নাই আবার টাকাও নাই। ভুলেও নিজেকে পুরুষ ভাববেন না। যেদিন বউ চলে যাবে সেদিন ই বুঝবেন নিজেকে ভুল জেনেছেন।
'ভালবাসার সাথে টাকার সম্পর্ক নেই' এই কথা যে বলে তার দুই গালে কষে থাপ্পড় দিন। নিকৃষ্টতম মিথ্যাটি সে আপনাকে বলেছে। টাকা সবারই লাগে।
অথচ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি থাকে পুরুষের পকেটে। এর ওজন ও ব্যাথা প্রতিটা পুরুষকে বইতে হয়। টাকা না থাকলে কোন মেয়ে অমানুষ হয়ে যায় না, কিন্তু একটি পুরুষ মহিলা হয়ে যায়।
টাকা আসে, আবার চলে যায়। মাঝ থেকে ভালবাসাটা নিয়ে গেলে আর কষ্টের সীমা থাকে না।
যতবার বিয়ের কথা উঠেছে, ততবার ই আমি ভয় পেয়েছি।
টাকা আমাকে আজীবন তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। তাই বিয়ে - ভালবাসার কথা শুনলে ভয় পাই। ফার্স্ট ইয়ারে কেরানীগঞ্জ এর ওপারে যখন দেড় হাজার টাকার টিউশুনি করতাম, নদী পার হওয়ার ছয় টাকা আমার থাকত না। আধা কিলোমিটার হেটে ব্রিজ পার হতাম। আর আজ হাজার হাজার টাকা আয় করেও দেখি ঈদে বাড়ি যাওয়ার টাকা থাকে না। জীবন আসলে একই থাকে, শুধু সময় আর চক্র টা বদলায়।
একজন বিখ্যাত প্রফেসরের সাথে কথা বলতে ছিলাম। উনি যখন ইন্টার্নীতে পাঁচ হাজার টাকা বেতন পেতেন তখন দুই হাজার টাকা ঘাটতি থাকত। এখন বিশ লাখ টাকা আয় করেও দুই লাখ টাকা ঘাটতি থাকে।
কাকে কি বলব?
সতের শ টাকায় যখন মাস চলত। তখনও পকেটে একটা টি শার্ট কেনার মত টাকা থাকত না। আর আজ নিজের খরচই হয় ষোল হাজার টাকা। আজও টি শার্ট কেনার টাকা নাই।
আমি এই হিসেব বুঝি না।এই হিসাব বোঝা দুঃসাধ্য।